عن أبي هريرة رضي الله عنه : أن رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: "لا يَتَمَنَّ أحَدُكَم الموتَ، إما مُحسِناً فلعلَّه يَزْدَادُ، وإما مُسِيئاً فلعلَّه يَسْتَعْتِبُ".
وفي رواية قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : "لا يَتَمَنَّ أحَدُكُم الموتَ، ولا يَدْعُ به من قبلِ أنَ يَأتيَه؛ إنه إذا ماتَ انقطعَ عملُهُ، وإنه لا يَزيدُ المؤمنَ عُمُرُهُ إلا خيراً".
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে। কেননা সে পুণ্যবান হলে সম্ভবত তার পুণ্য বৃদ্ধি পাবে। আর পাপী হলে হয়তো তাওবাহ করবে।” এ শব্দ বুখারীর। মুসলিমের অন্য এক বর্ণনায় আছে, আবু হুরায়রা-রাদিয়াল্লাহু আনহু-হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে এবং তা আসার পূর্বে তার জন্য দো‘আ করবে না। কারণ, সে মারা গেলে তার আমল বন্ধ হয়ে যাবে, অথচ মুমিনের আয়ু কেবল মঙ্গলই বৃদ্ধি করে।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: “তোমাদের কেউ মৃত্যু কামনা করবে না।” এখানে নিষেধাজ্ঞার অর্থ হারাম। কেননা, মৃত্যু কামনাতে রয়েছে এক প্রকার আল্লাহর ফায়সালার প্রতি নারাজি। মুমিনের জন্য জরুরি হলো, যখন তার কোনো বিপদ হয় সে ধৈর্য ধারণ করবে। বিপদে ধৈর্য ধারণ করলে সে গুরুত্বপূর্ণ দুটি জিনিস লাভ করবে। প্রথম: গুনাহসমূহের ক্ষমা। “মুসলিমকে যে কোনো চিন্তা, পেরেশানি, কষ্ট ও কোনো কিছু স্পর্শ করে, এমন (তার গায়ে) কাঁটাও লাগে, আল্লাহ তা‘আলা তার বিনিময়ে তার গোনাহসমূহ ক্ষমা করেন।” দ্বিতীয়: যখন আল্লাহর সাওয়াব আশা করার তাওফীক লাভ করবে, আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় সবর করবে তখন অবশ্যই সে সাওয়াব প্রাপ্ত হবে। কিন্তু যখন মৃত্যু কামনা করবে তখন বুঝা যাবে যে, লোকটি আল্লাহর ফায়সালার ওপর ধৈর্যশীল ও সন্তুষ্ট নয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন যে, যদি সে মুহসিন হয়, তাহলে তার বেঁচে থাকাতে তার নেক আমল বৃদ্ধি পাবে। মুমিন যদিও কষ্ট ও বিপদে বেঁচে থাকে, তার নেক আমলসমূহ বৃদ্ধি পায়। আর যদি পাপীও হয়, যে গুনাহ করেছে, সে হয়তো আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে, তার মনোনিবেশ কামনা করবে; অর্থাৎ তার সন্তুষ্টি চাইবে ও ওযর পেশ করবে। তারপর গুনাহসমূহ থেকে তাওবা করাবস্থায় মারা যাবে। সুতরাং মৃত্যু কামনা করবে না। কারণ, সবকিছুই নির্ধারিত, সবর করবে এবং সাওয়াবের আশা করবে। আর সব সময় অবস্থা একই থাকবে এটা অসম্ভব। তাছাড়া মৃত্যু কামনা ও তার জন্য দো‘আ করতে নিষেধ করার মধ্যে এদিকে ইঙ্গিত রয়েছে যে, মৃত্যুর দ্বারা আমল বন্ধ করার দো‘আ করা হয়। কারণ, হায়াত আমলের মাধ্যম। আর আমল দ্বারা অধিক সাওয়াব লাভ হয়। যদি তাওহীদের ওপর থাকা ছাড়া আর কোনো কিছু না হয় তাও সবচেয়ে উত্তম আমল। এখানে এ প্রশ্ন করা যায় না যে, হতে পারে সে ঈমান হারা হয়ে মুরতাদ হিসেবে মারা যাবে। কারণ, এ ধরনের ঘটনা খুব কম ঘটে। অধিকন্তু ঈমান যখন অন্তরের গভীরে পৌঁছে যায় তখন কেউ তা অপছন্দ করে না। আর যদি এ ধরনের ঘটনা ঘটেও, আর ঘটেছেও বটে তবে খুব কম, কিন্তু যার ভাগ্যে আল্লাহর ইলমে মন্দ পরিণতি রয়েছে, সেটা তাকে স্পর্শ করবেই। তার হায়াত কম হোক বা বেশি হোক। সুতরাং মৃত্যু কামনা করে তাড়াহুড়া করার মধ্যে তার জন্য কোনো কল্যাণ নেই। অনুরূপভাবে এ হাদীস মুহসিনদেরকে ইহসানের কর্মের প্রতি উৎসাহী হওয়া আর অপরাধীদেরকে অপরাধ থেকে সতর্ক করার প্রতি ইঙ্গিত করছে। যেন তিনি বললেন, যে ব্যক্তি মুহসিন সে যেন মৃত্যু কামনা ছেড়ে দেয়, বেশি করে নেক আমল করতে থাকে। আর যে ব্যক্তি অপরাধী সেও যেন মৃত্যু কামনা ছেড়ে দেয় এবং অপরাধ থেকে সরে আসে, যাতে অপরাধ করা অবস্থায় মারা না যায়, কারণ অপরাধ করা অবস্থায় মারা যাওয়ার পরিণতি ভয়াবহ।
সূত্র
بهجة شرح رياض الصالحين؛ تأليف سليم الهلالي، دار ابن الجوزي.
تطريز رياض الصالحين؛ تأليف فيصل آل مبارك، تحقيق د. عبدالعزيز آل حمد، دار العاصمة-الرياض، الطبعة الأولى، 1423هـ.
الجمع بين الصحيحين؛ للإمام محمد بن فتوح الحميدي، تحقيق د. علي البواب، دار ابن حزم.
رياض الصالحين من كلام سيد المرسلين؛ للإمام أبي زكريا النووي، تحقيق د. ماهر الفحل، دار ابن كثير-دمشق، الطبعة الأولى، 1428هـ.
شرح رياض الصالحين؛ للشيخ محمد بن صالح العثيمين، مدار الوطن-الرياض، 1426هـ.
صحيح البخاري –الجامع الصحيح-؛ للإمام أبي عبدالله محمد بن إسماعيل البخاري، عناية محمد زهير الناصر، دار طوق النجاة، الطبعة الأولى، 1422هـ.
صحيح مسلم؛ للإمام مسلم بن الحجاج، حققه ورقمه محمد فؤاد عبدالباقي، دار عالم الكتب-الرياض، الطبعة الأولى، 1417هـ.
فتح الباري بشرح صحيح البخاري؛ للحافظ أحمد بن علي بن حجر العسقلاني، دار المعرفة-بيروت.
كنوز رياض الصالحين؛ فريق علمي برئاسة أ.د. حمد العمار، دار كنوز إشبيليا-الرياض، الطبعة الأولى، 1430هـ.
نزهة المتقين شرح رياض الصالحين؛ تأليف د. مصطفى الخِن وغيره، مؤسسة الرسالة-بيروت، الطبعة الرابعة عشر، 1407هـ.
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعن أبي بكرة رضي الله عنه : أن رجلًا ذكر عند النبي صلى الله عليه وسلم فأثنى عليه رجلٌ خيرًا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم : «ويحك! قطعت عنق صاحبك» يقوله مرارًا: «إن كان أحدكم مادحا لا محالة فليقل: أحسب كذا وكذا إن كان يرى أنه كذلك وحسيبه الله، ولا يُزكَّى على الله أحد».
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এক ব্যক্তি অন্য একজনের (তার সামনে) প্রশংসা করলে নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘হায় হায়! তুমি তোমার সাথীর গর্দান কেটে ফেললে!’ এরূপ বার-বার বলার পর তিনি বললেন, “তোমাদের কাউকে যদি প্রশংসা করতেই চায়, তাহলে সে বলবে, ‘আমি ওকে এরূপ মনে করি’ (যদি জানে যে, সে প্রকৃতই এরূপ) ‘এবং আল্লাহ তার যথার্থ পর্যবেক্ষক। আর আল্লাহর (জ্ঞানের) উপর কাউকে পবিত্র ঘোষণা করবে না।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
হাদীসটিতে একটি বরকতপূর্ণ সুন্নাতের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ একজন মুসলিম প্রশংসার ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি থেকে অবশ্যই বিরত থাকবে। কারণ, আত্মতৃপ্তি ও অহংকার শয়তানের একটি প্রবেশদ্বার। প্রশংসা ও সুনামের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ির ফলে প্রশংসিত ব্যক্তি আত্মতৃপ্তি ও অহংকারীতে লিপ্ত হতে পারে, যার ফলে সে ধ্বংস হবে। সুতরাং একজন মুসলিম কারো প্রশংসা ও সুনাম করার ক্ষেত্রে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করবে এবং মানুষের বিষয়টি আল্লাহ সুবহানাহুর নিকট সোপর্দ করবে, যিনি মানুষের অন্তরের যাবতীয় বিষয় জানেন।
সূত্র
صحيح البخاري -أبو عبد الله محمد بن إسماعيل بن إبراهيم بن المغيرة الجعفي البخاري، تحقيق محمد زهير بن ناصر الناصر -الناشر : دار طوق النجاة -الطبعة : الأولى 1422هـ.
صحيح مسلم المحقق: محمد فؤاد عبد الباقي - الناشر: دار إحياء التراث العربي – بيروت.
نزهة المتقين شرح رياض الصالحين، تأليف د/ مصطفى الخن، د/ مصطفى البغا، محيي الدين مستو، علي الشربجي، محمد أمين لطفي، مؤسسة الرسالة، ط:الرابعة عشر1407
شرح رياض الصالحين، المؤلف : محمد بن صالح بن محمد العثيمين.
دليل الفالحين لطرق رياض الصالحين، تأليف محمد علي بن محمد علان.
كنوز رياض الصالحين، تأليف حمد بن ناصر العمار، دار كنوز إشبيليا، ط1-1430ه.
بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين، تأليف سليم بن عيد الهلالي، دار ابن الجوزي.
رياض الصالحين، تأليف محيي الدين النووي، تحقيق عصام موسى هادي، ط: وزارة الأوقاف والشؤون الإسلامية بدولة قطر.
تطريز رياض الصالحين، تأليف فَيْصَلْ بنِ عَبْدِ العَزِيْزِ آل مُبَارَك.
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ حَلَفَ فَقَالَ فِي حَلِفِهِ: وَاللَّاتِ وَالعُزَّى، فَلْيَقُلْ: لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَمَنْ قَالَ لِصَاحِبِهِ: تَعَالَ أُقَامِرْكَ، فَلْيَتَصَدَّقْ».
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি কসম করতে গিয়ে বলল, ‘লাত ও উয্যার(মূর্তির) কসম’, সে যেন ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে। আর যে ব্যক্তি তার সঙ্গীকে বলে, ‘এস তোমার সাথে জুয়া খেলি’, সে যেন সাদকাহ করে”।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমমানসহীহ
ব্যাখ্যা
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে কসম খাওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন: মুমিন আল্লাহ ছাড়া কারো নামে কসম করবে না। তিনি আরো সংবাদ দিচ্ছেন যে, আল্লাহ ছাড়া কারো (গায়রুল্লাহর) নামে যে কসম করল; যেমন কেউ লাত ও উজ্জার কসম করল- এরা হলো দু’টি মূর্তির নাম ইসলামপূর্ব জাহিলি যুগে তাদের ইবাদত করা হত-: তখন তার জন্য নিজের ত্রুটি সংশোধন, শিরকের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ ও তার কসমের কাফফারা স্বরূপ: লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলা ওয়াজিব।
অতঃপর তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি তার বন্ধুকে বলে: আসুন জুয়া খেলি - জুয়া হলো দুই বা ততোধিক লোক জয়লাভ করার চেষ্টা করবে, তবে শর্ত থাকে যে তাদের মধ্যে অর্থ থাকবে যা বিজয়ী গ্রহণ করবেন এবং তাদের প্রত্যেকে হয় জিতে পুরস্কার লাভ করবে অথবা হেরে জরিমানা দিবে এর বাইরে কেউ থাকবে না-; কাজেই সে যে দিকে আহ্বান করেছে তার প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে কিছু সদকা করা বাঞ্ছনীয়।
শিক্ষা
- শুধুমাত্র আল্লাহ এবং তাঁর নাম ও গুণাবলী ব্যতীত শপথ হয় না।
- আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে শপথ করা হারাম, হোক সে শপথ লাত, উজ্জার মতো মূর্তির নামে, বা আমানতের নামে, বা নবীর নামে বা অন্য কিছুর নামে।
- খাত্তাবি বলেছেন: শপথ শুধুমাত্র একজন মহিমান্বিত মাবূদের নামে করা হয়, তাই সে যদি লাত এবং অনুরূপ সত্তার শপথ করে, তবে সে কাফেরদের অনুকরণ করল, তাই তাকে তাওহীদের কালিমার মাধ্যমে প্রতিবিধান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে শপথ করে তার ওপর শপথের কাফফারা নেই, বরং তার আবশ্যক হলো অনুতপ্ত হওয়া এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা। কেননা তাওবা ব্যতীত অন্য কিছু তার কাফফারা হতে পারে না।
- জুয়াকে তার সকল প্রকার ও ধরন সহ হারাম করা। জুয়া হলো মায়সার যাকে আল্লাহ মদ ও মূর্তির সাথে যুক্ত করেছেন।
- গুনাহ করলে তা থেকে ফিরে আসা ওয়াজিব।
- যে একটি খারাপ কাজে পতিত হল তার ওপর আবশ্যক হল তার পশ্চাতে একটি ভাল কাজ করা। কারণ ভালো কাজ খারাপ কাজকে দূর করে দেয়।
সূত্র
صحيح البخاري (6/ 141) (4860).
صحيح مسلم (3/ 1268) (1647).
نزهة المتقين شرح رياض الصالحين، مجموعة من الباحثين (2/1228).
بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين، لسليم الهلالي (3/ 273).
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا ينبغي لصِدِّيق أن يكون لعَّانًا».
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু হিসেবে বর্ণিত, “কোনো সিদ্দিকের জন্য অভিসম্পাতকারী হওয়া সঙ্গত নয়।”
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
অধিক অভিশাপ করা, সিদ্দিকের মর্তবার পূর্ণতার বিপরীত, যা আল্লাহর নিকট এমন সর্বোচ্চ মর্যাদাসমূহের অন্যতম যেখানে পৌঁছা মুমিনের পক্ষে সম্ভব।
সূত্র
- رياض الصالحين من كلام سيد المرسلين؛ للإمام أبي زكريا النووي، تحقيق د. ماهر الفحل، دار ابن كثير-دمشق، الطبعة الأولى، 1428ه.
- بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين؛ تأليف سليم الهلالي، دار ابن الجوزي- الطبعة الأولى 1418ه.
- نزهة المتقين شرح رياض الصالحين؛ تأليف د. مصطفى الخِن وغيره، مؤسسة الرسالة-بيروت، الطبعة الرابعة عشر، 1407هـ.
- صحيح مسلم، للإمام مسلم بن الحجاج، تحقيق محمد فؤاد عبد الباقي.
- كنوز رياض الصالحين، لحمد بن ناصر العمار، دار كنوز إشبيليا- الطبعة الأولى 1430ه.
- دليل الفالحين لطرق رياض الصالحين، لمحمد علي بن محمد بن علان بن إبراهيم البكري الصديقي الشافعي اعتنى بها: خليل مأمون شيحا، دار المعرفة.
- مفتاح دار السعادة ومنشور ولاية العلم والإرادة، لمحمد لن أبي بكر الزرعي ابن قيم الجوزية، دار الكتب العلمية، بيروت.
- شرح رياض الصالحين؛ للشيخ محمد بن صالح العثيمين، مدار الوطن، الرياض، 1426هـ.
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعن عمران بن الحصين رضي الله عنهما ، قال: بينما رسولُ الله صلى الله عليه وسلم في بعض أَسْفَارِه، وامرأة من الأنصار على ناقة، فضَجِرَتْ فلَعَنَتْهَا، فسمع ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «خُذُوا ما عليها ودَعُوهَا؛ فإنها مَلْعُونَةٌ»، قال عمران: فكَأَنِّي أراها الآن تمشي في الناس ما يَعْرِضُ لها أحد".
ইমরান ইবন হুসাইন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সফরে ছিলেন। আনসারী এক মহিলা এক উটনীর উপর সওয়ার ছিল। সে বিরক্ত হয়ে উটনীটিকে অভিসম্পাত করলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা শুনে (সঙ্গীদেরকে) বললেন, “এ উটনীর উপরে যা কিছু আছে সব নামিয়ে নাও এবং ওকে ছেড়ে দাও। কেননা, ওটি (এখন) অভিশপ্ত।” ইমরান বলেন, ‘যেন আমি এখনো উঁটনীটিকে দেখছি, উটনীটি লোকদের মধ্যে হাঁটছে, আর কেউ তাকে বাধা দিচ্ছে না।
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
ইমরান ইবন হুসাইন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনসারী এক মহিলা এক উটনীর উপর সওয়ার ছিল। সে ক্লান্ত ও বিরক্ত হয়ে উটনীটিকে অভিসম্পাত করলো। সে বলল, আল্লাহ তোমাকে লানত করুক। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা শুনে (সঙ্গীদেরকে) তার ওপর যে সব মাল ও সম্পদ রয়েছে তা নিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিলেন। তারপর তা খরচ করে দিলেন। কারণ তাকে লানত করা হয়েছে। ইমরান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি উষ্টিকে দেখলাম মানুষের মধ্যে হাঁটছে কেউ তাকে ধরছে না। কারণ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা খরচা করার নির্দেশ দেন।
সূত্র
1- رياض الصالحين للنووي، تحقيق: ماهر الفحل، دار ابن كثير، دمشق، ط1، 2007م.
2- نزهة المتقين شرح رياض الصاحين: شرح الدكتور مصطفى الخن وآخرين، مؤسسة الرسالة، ط1، 1987م.
3- كنوز رياض الصالحين، المجلس العلمي كنوز دار إشبيليا، الرياض، ط1، 2009م.
4- صحيح مسلم بتحقيق محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت.
5- شرح رياض الصالحين، لابن عثيمين، مؤسسة ابن عثيمين الخيرية، مدار الوطن للنشر، الرياض، ط1426هـ.
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «إذا قال الرَّجُل: هَلَكَ الناس، فهو أَهْلَكُهُم».
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি (গর্বভরে) বলে, লোকেরা ধ্বংস হয়ে গেল, সেই তাদের মধ্যে সর্বাধিক ধ্বংসপ্রাপ্ত।”
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
যখন কোনো লোক মানুষের ওপর নিজের শ্রেষ্ঠত্ব দেখে তাদেরকে ছোট করা, ঘৃণা করা ও তাদের ওপর বড়াই করার উদ্দেশ্যে বলে, মানুষেরা ধ্বংস হয়ে গেছে, এ দ্বারা সে নিজেই তাদের চেয়ে অধিক ধ্বংস হলো।
এ অর্থ ‘আহলাকুহুম’ পেশ হওয়ার হালতে।
আর ‘আহলাকাহুম’ যবর হওয়ার হালতে অর্থ হলো, সে নিজেই তাদের ধ্বংসের কারণ হল। কারণ, সে তাদের হতাশ করল এবং আল্লাহর রহমত থেকে নৈরাশ করল। আর তাওবার মাধ্যমে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা থেকে তাদেরকে বিরত রাখলো এবং তারা যে হতাশার ওপর আছে তার ওপর স্থায়ী হওয়ার প্রতি তাদের ঠেলে দিলো, ফলশ্রুতিতে তারা ধ্বংস হলো।
সূত্র
نزهة المتقين شرح رياض الصالحين، مجموعة من الباحثين، مؤسسة الرسالة، بيروت، الطبعة: الرابعة عشر 1407هـ، 1987م.
كنوز رياض الصالحين، مجموعة من الباحثين برئاسة حمد بن ناصر العمار، كنوز إشبيليا، الرياض، الطبعة: الأولى1430هـ، 2009م.
بهجة الناظرين، تأليف: سليم بن عيد الهلالي، الناشر: دار ابن الجوزي ، سنة النشر: 1418 هـ- 1997م.
صحيح مسلم، مسلم بن الحجاج القشيري النيسابوري، تحقيق محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت، الطبعة: 1423هـ.
رياض الصالحين من كلام سيد المرسلين، أبو زكريا محيي الدين النووي، تحقيق ماهر الفحل، دار ابن كثير، دمشق، بيروت، الطبعة: الأولى 1428هـ، 2007م.
دليل الفالحين لطرق رياض الصالحين، محمد علي بن البكري بن علان، نشر دار الكتاب العربي، نسخة الكترونية ، لا يوجد بها بيانات نشر.
شرح رياض الصالحين، محمد بن صالح العثيمين، دار الوطن، الرياض، الطبعة: 1426هـ.
مجالس التذكير من حديث البشير النذير، عبد الحميد محمد بن باديس الصنهاجي، الناشر: مطبوعات وزارة الشؤون الدينية، الطبعة: الأولى 1403هـ، 1983م.
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعن بُريدة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : «لا تقولوا للمُنَافق سَيِّدٌ، فإنه إن يَكُ سَيِّدًا فقد أسْخَطْتُمْ ربكم عز وجل ».
বুরাইদা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা মুনাফিকদের সাইয়েদ বলবে না। কেননা তোমরা যদি তাদের সাইয়েদ বলো তবে তোমরা তোমাদের মহান রবকে অসন্তুষ্ট করবে।”
এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
হাদীসের অর্থ: মুনাফিক যদি কোনো অর্থে তার জাতির সাইয়্যেদ তথা সর্দার হয় তথা সে তার সম্প্রদায়ের বড় ব্যক্তি হিসেবে গণ্য হবার কারণে তোমরা তাকে সর্দার বল, তাহলে তোমরা তোমাদের রবকে অসন্তুষ্ট করলে। কেননা সর্দার বলা হয় সম্মান প্রদর্শনের জন্য; অথচ মুনাফিক সম্মানের যোগ্য নয়। আর সে যদি তার জাতির প্রকৃত সর্দার না হয় অথবা জাতির মধ্যে প্রবীন ব্যক্তি না হয়, তাহলে তাকে সর্দার বলা হলো মিথ্যা ও মুনাফিকী। তাহলে উভয় অবস্থাতেই মুনাফিককে সর্দার বলা নিষেধ। মুনাফিকের অনুরূপ কাফির, ফাসিক ও বিদ‘আতীকে সর্দার বলা যাবে না। কেননা তারা মোটেও এ সম্মানের যোগ্য নয়। দেখুন, মিরকাতুল মাফাতীহ, (৭/৩০০৯); শরহে সুনান আবূ দাউদ, লিল ‘আব্বাদ, ই-কপি।
সূত্র
نزهة المتقين، تأليف: جمعٌ من المشايخ، الناشر: مؤسسة الرسالة، الطبعة الأولى: 1397 هـ الطبعة الرابعة عشر 1407 هـ.
كنوز رياض الصالحين، تأليف: حمد بن ناصر بن العمار، الناشر: دار كنوز أشبيليا، الطبعة الأولى: 1430 هـ.
بهجة الناظرين، تأليف: سليم بن عيد الهلالي، الناشر: دار ابن الجوزي ، سنة النشر: 1418 هـ- 1997م.
مرقاة المفاتيح شرح مشكاة المصابيح، تأليف: علي بن سلطان القاري، الناشر: دار الفكر، الطبعة: الأولى، 1422هـ.
سنن أبي داود، تأليف: سليمان بن الأشعث السِّجِسْتاني، تحقيق: محمد محيي الدين عبد الحميد، الناشر: المكتبة العصرية، صيدا.
رياض الصالحين، تأليف: محيي الدين يحيى بن شرف النووي، تحقيق: د. ماهر بن ياسين الفحل، الطبعة: الأولى، 1428 هـ.
شرح سنن أبي داود، تأليف: عبد المحسن بن حمد بن عبد المحسن العباد، نسخة الإلكترونية.
شرح رياض الصالحين، تأليف: محمد بن صالح العثيمين، الناشر: دار الوطن للنشر، الطبعة: 1426 هـ.
مشكاة المصابيح، تأليف: محمد بن عبد الله التبريزي، تحقيق: محمد ناصر الدين الألباني، الناشر: المكتب الإسلامي، الطبعة: الثالثة، 1985م.
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رضي الله عنهما قال: قال رَسولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَرْبَعٌ مَنْ كُنَّ فِيهِ كَانَ مُنَافِقًا خَالِصًا، وَمَنْ كَانَتْ فِيهِ خَلَّةٌ مِنْهُنَّ كَانَتْ فِيهِ خَلَّةٌ مِنْ نِفَاقٍ حَتَّى يَدَعَهَا: إِذَا حَدَّثَ كَذَبَ، وَإِذَا عَاهَدَ غَدَرَ، وَإِذَا وَعَدَ أَخْلَفَ، وَإِذَا خَاصَمَ فَجَرَ».
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “চারটি স্বভাব যার মধ্যে বিদ্যমান সে হচ্ছে খাঁটি মুনাফিক। যার মধ্যে এর কোন একটি স্বভাব থাকবে, তা পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকের একটি স্বভাব থেকে যায়। আমানত রাখা হলে খিয়ানত করে; কথা বললে মিথ্যা বলে; অঙ্গীকার করলে ভঙ্গ করে; এবং বিবাদে লিপ্ত হলে অশ্লীলভাবে গালাগালি দেয়”।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমমানসহীহ
ব্যাখ্যা
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম চারটি বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সতর্ক করেছেন যেগুলো যদি একজন মুসলিমের মধ্যে একত্রিত হয়, তবে এই বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে সে মুনাফিকদের সাথে কঠিন সাদৃশ্যপূর্ণ হবে । আর এটি তার ওপর প্রবল হলে প্রযোজ্য হবে, কিন্তু এটি যার থেকে খুব অল্প সময় প্রকাশ পায় সে এর অন্তর্ভুক্ত নয়, আর তা হল:
প্রথমটি: যখন সে কথা বলে তখন তার কথায় ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা ও অসত্য বলে।
দ্বিতীয়: যদি সে কোন চুক্তি করে তা পূরণ করে না এবং তার সাথীর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে।
তৃতীয়: যখন সে কোন প্রতিশ্রুতি দেয় তা পূরণ করে না এবং তা ভঙ্গ করে।
চতুর্থ: যখন কারো সাথে ঝগড়া ও বাদানুবাদ করে তখন তার ঝগড়া তীব্র হয় এবং সে সত্য থেকে বিচ্যুত হয় এবং তাকে প্রত্যাখ্যান ও বাতিল করার ক্ষেত্রে প্রতারণা করে এবং মিথ্যা ও বাতিল বলে।
নিফাক হল সে যা গোপন করে তার বিপরীত প্রকাশ করা। এই অর্থ এই গুণাবলী সম্পন্ন ব্যক্তির মধ্যে বিদ্যমান এবং তার নিফাক হয় মানুষদের থেকে যে তার সাথে কথা বলে, তাকে প্রতিশ্রুতি দেয়, তাকে বিশ্বাস করে, তার সাথে ঝগড়া করে এবং তার সাথে চুক্তি করে তার ক্ষেত্রে। এমন নয় যে, সে ইসলামের মুনাফিক, কুফর গোপন করে আর ইসলাম প্রকাশ করে। আর যার মধ্যে এই গুণগুলো হতে একটি গুণ থাকবে; তার ভেতর নিফাকের একটি গুণ থাকবে যতক্ষণ না তিনি তা পরিত্যাগ করেন।
শিক্ষা
- মুনাফিকের আলামত থেকে ভীতি প্রদর্শন ও তাতে পতিত হওয়া থেকে সতর্ক করার জন্য তার কিছু আলামতের বিবরণ।
- হাদীস দ্বারা যা বোঝানো হয়েছে তা হল: এই বৈশিষ্ট্যগুলো মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য এবং তার ধারক এই বৈশিষ্ট্যগুলোতে মুনাফিকের অনুরূপ এবং তাদের নৈতিকতার অনুসরণকারী। এমন নয় যে সে মুনাফিক, কুফরকে গোপন করেন আর ইসলামকে প্রকাশ করেন। বলা হয়েছে যে, এটি তার ওপর প্রযোজ্য হবে যার ওপর এই স্বভাবগুলো প্রবল হয় এবং যে এগুলোর ব্যাপারে শিথিলতা করে ও তার প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে। কারণ, যে এরকম হয় সে প্রায়ই কলুষিত বিশ্বাসের হয়।
- গাজ্জালী বলেছেন: দীনের ভিত্তি তিনটি জিনিসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ: কথা, কর্ম এবং নিয়ত। তিনি মিথ্যার মাধ্যমে কথার কলুষতা, বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে কর্মের কলুষতা এবং ওয়াদা ভঙ্গ করার মাধ্যমে নিয়তের কলুষতাকে নির্দেশ করেছেন। কারণ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা ওই সময় দোষণীয়, যখন সে ওয়াদা করার সাথেই ভঙ্গ করার উদ্দেশ্য পোষণ করে, তবে যদি সে ওয়াদা পূরণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে থাকে এবং তারপরে তার সামনে কোন প্রতিবন্ধকতা উপস্থিত হয় বা অন্য কোনো মত প্রকাশ পায়,তবে তার পক্ষ থেকে নিফাকের সুরুত পাওয়া গেল না।
- নিফাক দুই প্রকার: বিশ্বাসের নিফাক যা তার ব্যক্তিকে ঈমান থেকে বিচ্যুত করে, আর তা হল ইসলামকে প্রদর্শন করা এবং কুফরকে গোপন করা। আরেকটি ব্যবহারিক নিফাক; আর তা হল মুনাফিকদের স্বভাবে তাদের সাদৃশ্য গ্রহণ করা। এটি ব্যক্তিকে ঈমান থেকে বিচ্যুত করে না, তবে এটি একটি বড় পাপ।
- ইবন হাজার বলেন: আলেমগণ সর্বসম্মতিক্রমে একমত হয়েছেন যে, যে ব্যক্তি তার হৃদয় ও মুখে বিশ্বাস করে এই গুণাবলী পালন করে তাকে কাফের বলে গণ্য করা হবে না এবং সে এমন মুনাফিকও হবে না যে চিরকাল জাহান্নামে থাকবে।
- নাওয়াবী বলেন: একদল আলিম বলেছেন: হাদীসে উল্লিখিত মুনাফিকদের বলতে বোঝানো হয়েছে যারা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে ছিলেন। তারা তাদের ঈমানের কথা স্বীকার করেছিল এবং মিথ্যা বলেছিল। তাদের দীনের ব্যাপারে তাদেরকে বিশ্বাস করা হয়েছিল, কিন্তু তারা বিশ্বাসঘাতকতা করল এবং তারা দ্বীনের বিষয়ে এবং দীনকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু তারা তা ভঙ্গ করল এবং তারা তাদের বিবাদে অশ্লীল বাক্য ব্যবহার করল।
সূত্র
صحيح البخاري (1/ 16) (34)، صحيح مسلم (1/ 78) (58)، المفهم لما أشكل من تلخيص كتاب مسلم (1/ 250)، بهجة قلوب الأبرار (ص 26)، البحر المحيط الثجاج (2/370).
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসএখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com