রমাদান ২০২৭ (১৪৪৮ হিজরি): সাবীলের ক্যালেন্ডারে তারিখ, আর অ্যাপে যা আছে
সাবীলের হিসাব করা ক্যালেন্ডারে ১ রমাদান (রমজান) ১৪৪৮ পড়ে ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এ, মাসটি ২৯ দিনের; আপনার এলাকায় মাস শুরু হয় সেখানকার চাঁদ দেখা বা ঘোষণায়। মাসটির জন্য অ্যাপে কী আছে, আর কোন প্রশ্ন আলেমদের জন্য রাখা।
এআই-এর লেখা · আলেমদের পর্যালোচনা বাকি আছে
এই প্রবন্ধের কথাগুলো সাবীল লাইব্রেরি ও তার উৎসগুলো থেকে এআই লিখেছে, এবং এআই-ই সেগুলোর সাথে মিলিয়ে তা যাচাই করেছে। কোনো আলেম এখনও এটি পর্যালোচনা করেননি। আরবি পাঠ, সেগুলোর অর্থ ও সেগুলোর সূত্র লাইব্রেরি ও কুরআনের নিজস্ব, সেখানে যেমন আছে হুবহু তেমনই দেখানো। নিজের অবস্থার ব্যাপারে ফতোয়ার জন্য একজন যোগ্য আলেমকে জিজ্ঞেস করুন।
প্রকাশিত ৩ অক্টোবর, ২০২৬পড়তে ৮ মিনিট
রমাদান ২০২৭ কবে, আর সাবীলে এই মাসের জন্য কী আছে: এই প্রশ্ন নিয়ে যিনি এসেছেন, এই পাতা তাঁর জন্য। এখানে আছে সাবীলের হিসাব করা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী রমাদান ১৪৪৮-এর তারিখ, আর মাসটির জন্য অ্যাপে যা আছে তার বিবরণ। পাতাটি লেখা হয়েছে অ্যাপের কোড ও ইন্টারফেসের লেখা থেকে।
আপনার এলাকায় মাস শুরু ও শেষ হয় সেখানকার চাঁদ দেখা বা ঘোষণা অনুযায়ী। তা কবে হবে, এই পাতা বলে না; কার চাঁদ দেখা বা কার ঘোষণা অনুসরণ করবেন, তা-ও বলে না। রোযা নিয়ে এটি কোনো বিধান দেয় না, মাসের প্রস্তুতি নিয়ে কোনো পরামর্শও দেয় না। এসব প্রশ্ন একজন আলেমের কাছে করার।
সাবীলের হিসাব করা ক্যালেন্ডারে তারিখগুলো
হিজরি তারিখ “হিসাব অনুযায়ী” রাখা থাকলে ক্যালেন্ডারটি দেয়:
- ১ রমাদান ১৪৪৮: সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭।
- মাসটি ২৯ দিনের। ২৯ তারিখ পড়ে সোমবার, ৮ মার্চ ২০২৭-এ।
- ১ শাওয়াল ১৪৪৮: মঙ্গলবার, ৯ মার্চ ২০২৭।
এগুলো হিসাব করা তারিখ; চাঁদ দেখার কোনো তথ্য এই হিসাবে ঢোকে না। সাবীল হিজরি তারিখ বের করে উম্মুল কুরা হিসাব দিয়ে, আর সেটি একটি হিসাব করা ক্যালেন্ডার। অ্যাপের নিজের কোনো তারিখের তালিকা নেই: যে ফোন বা ব্রাউজারে অ্যাপ চলে, তার ভেতরের উম্মুল কুরা ক্যালেন্ডারই অ্যাপ পড়ে। ওপরের তারিখগুলো সেই ক্যালেন্ডার থেকে পাওয়া, এই পাতা যেখানে তৈরি হয়েছে সেখানকার হিসাবে; আপনার ডিভাইসের ক্যালেন্ডার যা দেয়, অ্যাপ আপনাকে তা-ই দেখায়।
যেখানে এই তারিখগুলো দেখানো হয়, অ্যাপ সেখানেই কথাটি জানিয়ে দেয়। রমাদান পাতার শিরোনামের নিচে, আর হিজরি ক্যালেন্ডার-এর “সামনের দিনগুলো” তালিকার নিচে লেখা থাকে: “হিসাব করা তারিখ। আসল দিনটি আপনার এলাকার চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে।” তাই ৮ ফেব্রুয়ারি হলো হিসাবের ফল; মাস সেদিনই শুরু হবে, এমন কোনো ঘোষণা নয়।
আপনার এলাকার তারিখ আলাদা হলে
সেটিংসে “হিজরি তারিখ” নামে একটি অংশ আছে। তাতে পাঁচটি বিকল্প: “হিসাব অনুযায়ী”, আর আগে বা পরে এক বা দুই দিন সরানো। এর টীকায় লেখা: “তারিখটি হিসাব করা (উম্মুল কুরা)। স্থানীয় চাঁদ দেখা অনুসরণ করতে এক-দুই দিন সরিয়ে নিন।”
তারিখ সরালে অ্যাপে দেখানো হিজরি তারিখগুলো তত দিন সরে যায়: “আজ” পাতায়, রমাদান পাতায়, হিজরি ক্যালেন্ডারে, আর নামাজের সময়সূচির হিজরি কলামে। “+১ দিন” বেছে নিলে অ্যাপের ১ রমাদান ১৪৪৮ পড়ে ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এ; “−১ দিন” বেছে নিলে ৯ ফেব্রুয়ারিতে।
তারিখ সরালে ক্যালেন্ডারের দেওয়া মাসের দৈর্ঘ্য বদলায় না। পাঁচটি বিকল্পের প্রতিটিতেই অ্যাপের রমাদান ১৪৪৮ হয় ২৯ দিনের। আপনার এলাকায় মাসটি কত দিনের, তা ঠিক হয় সেখানকার চাঁদ দেখা বা ঘোষণায়। সে জন্য রমাদান পাতার ছকে একটি ত্রিশতম সারি আছে; তার কথা নিচে বলা হয়েছে।
অ্যাপে হিজরি দিন কখন বদলায়
“আজ” পাতায় হিজরি তারিখ বদলায় আপনার জায়গার জন্য হিসাব করা মাগরিবে; ওই তারিখের সাথে একটি টীকা আছে: “হিজরি দিন শুরু হয় মাগরিব থেকে।” তাই হিসাব করা ক্যালেন্ডারে রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এ মাগরিব পর্যন্ত “আজ” পাতায় থাকে ৩০ শা‘বান ১৪৪৮, আর মাগরিবের পর ১ রমাদান ১৪৪৮। রমাদান পাতা গোনে অন্যভাবে, আপনার জায়গার ক্যালেন্ডারের তারিখ ধরে: সেখানে রাত বারোটায় শিরোনাম বদলায়, “আগামীকাল রমাদান শুরু” থেকে “রমাদানের ১ নম্বর দিন”-এ, আর এর ছকের প্রতিটি সারি একটি তারিখ, সাথে সেই তারিখের দুটি সময়।
রমাদান পাতা
রমাদান একটিই পাতা, মাসের সাথে সাথে বদলায়। মাসের আগে এতে থাকে দিন গোনা, “রমাদান শুরু হতে … দিন বাকি”, আর “প্রথম রোযা:” কথাটির পাশে একটি তারিখ; ত্রিশ দিন আগে থেকে “আজ” পাতায় একটি কার্ড আসে, যা এই পাতায় নিয়ে যায়। মাস চলাকালে এতে বড় করে দেখানো হয় দিনের দুটি সময়, ফজরের সাথে “সাহরি শেষ” আর মাগরিবের সাথে “ইফতার”; তার নিচে গোনা হয়, দুটির মধ্যে যেটি আগে আসছে তার কত বাকি। “আজ” পাতার একটি কার্ডেও এই দুটি সময় থাকে।
দুটি সময়
“সাহরি শেষ” হলো ফজরের সময়, আর “ইফতার” মাগরিবের সময়: চালু থাকা হিসাবের পদ্ধতিতে অ্যাপের নামাজের সময়ের হিসাব আপনার জায়গার জন্য যা দেয়। রমাদান পাতা এ দুটির কোনোটিতে নিজে থেকে কিছু যোগ করে না, আর সে কথা লিখেও দেয়: “এখানে দেখানো হচ্ছে আপনার জায়গার জন্য হিসাব করা ফজরের শুরু ও মাগরিবের শুরু; কোনো বাড়তি সময় যোগ করা হয়নি। আপনার মসজিদ নিজস্ব সময় ঘোষণা করলে সেটিই অনুসরণ করুন।” কোনো পদ্ধতি নিজেই মাগরিবকে সূর্যাস্তের কয়েক মিনিট পরে রাখলে তা ওই হিসাবেরই অংশ; বারোটি পদ্ধতির কথা আছে সাবীল যেভাবে নামাজের সময় হিসাব করে প্রবন্ধে।
মাসের সময়সূচি ও দিনগুলোর খাতা
সময় দুটির নিচে “ত্রিশ দিন” শিরোনামে একটি ছক আছে। তাতে সব সময় ত্রিশটি সারি থাকে, প্রতিটিতে দিনের নম্বর ও তারিখ, “সাহরি শেষ” ও “ইফতার”। হিসাব করা ক্যালেন্ডারে মাসটি ২৯ দিনের হলে, যেমন ১৪৪৮-এ হয়, ত্রিশতম সারিতে লেখা থাকে “মাস ত্রিশ দিনের হলে”, আর থাকে ২৯ নম্বর দিনের পরের দিনের তারিখ ও দুটি সময়: হিসাব করা ক্যালেন্ডারে মঙ্গলবার, ৯ মার্চ ২০২৭। মাস শুরুর আগেই ছকটি থাকে, সামনের রমাদানের জন্য। “সময়সূচি প্রিন্ট করুন” চাপলে ছকটি ছাপা হয় হিজরি বছর ও আপনার জায়গার নামের নিচে।
ত্রিশতম সারির সেই দিনে রমাদান পাতাটি মাসের সাথেই থাকে। এর শিরোনাম হয় “রমাদান”, দিনের দুটি সময় দেখানো হয়, আর লেখা থাকে: “হিসাব করা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এই রমাদান গতকাল উনত্রিশ দিনে শেষ হয়েছে। যেখানে মাস ত্রিশ দিন ধরা হয়, সেখানে আজ ত্রিশতম রোযা। আপনার এলাকার চাঁদ দেখা বা ঘোষণা অনুসরণ করুন।” সেই দিন “আজ” পাতায় রমাদানের কোনো কার্ড থাকে না। আপনার এলাকায় সেই দিন রোযা কি না, তা বলা অ্যাপের কাজ নয়; এই পাতাও তা বলে না।
একই ছক একটি খাতাও। প্রতিদিনের জন্য তিনটি চিহ্ন: “রোযা”, “রাতের নামাজ” ও “পাঠ”; শেষটি দিনের কুরআন পাঠের জন্য। “রোযা”-য় একবার চাপলে রোযা রাখা হয়েছে বলে চিহ্নিত হয়, আবার চাপলে ছুটে গেছে বলে, আর তৃতীয়বার চাপলে চিহ্ন উঠে যায়। যে দিন এখনও আসেনি, তা চিহ্নিত করা যায় না। পাতাটি গুনে রাখে কয়টি রোযা রাখা হয়েছে বলে চিহ্নিত, আর কয়টি ছুটে গেছে বলে; দ্বিতীয় সংখ্যার পাশে “ছুটে যাওয়া রোযার জন্য যা আদায় করতে হয়” লেখা একটি লিংক লাইব্রেরির রমাদান কার্ডগুলোর একটিতে নিয়ে যায়। ওই কার্ডের কথা এই পাতা নতুন করে বলে না।
২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ নম্বর দিনের সারিতে একটি মোটা দাগ আর “বিজোড় রাত” লেখা থাকে; কোডে এই চিহ্নের মানে ওই দিনের আগের রাত। হিসাব করা ক্যালেন্ডারে ২১ নম্বর দিন পড়ে রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এ।
খাতাটি কোথায় থাকে, ছকের নিচে অ্যাপ তা নিজের ভাষায় জানায়। লগইন করা না থাকলে: “ব্যক্তিগত, শুধু এই ফোনেই থাকে। কোনো ধারাবাহিকতার হিসাব নেই, কারও সাথে তুলনাও নেই।” লগইন করা থাকলে: “এই ফোনে এবং আপনার সাবীল অ্যাকাউন্টে রাখা আছে।” সেখানকার দুটি বোতাম দিয়ে এই রমাদান আর তার আগের রমাদানের মধ্যে যাওয়া-আসা করা যায়।
লাইব্রেরির কার্ড
সময় দুটির নিচে, আর “শেষ দশ রাত” শিরোনামের নিচে, পাতাটি লাইব্রেরির রমাদান কার্ড থেকে কয়েকটি দেখায়; প্রতিটির সাথে লেখা থাকে “আলেমদের পর্যালোচনা: বাকি আছে”। পাতার শেষে লিংক আছে রমাদানের সব কার্ড, মসজিদের পোস্টার, খতম পরিকল্পনা ও যাকাত ক্যালকুলেটরের।
মাসের জন্য অন্য টুলগুলো
- নামাজ পাতায় থাকে আপনার জায়গার আজকের নামাজের সময়, আর কোন পদ্ধতিতে হিসাব হচ্ছে তার নাম।
- শহর অনুযায়ী নামাজের সময় পাতায় আছে সাবীল যেসব শহর নামে চেনে, সেগুলোর আজকের সময় ও এই মাসের সময়সূচি।
- নামাজের সময়সূচি যেকোনো জায়গার এক ইংরেজি মাসের নামাজের সময় এক পাতায় দেয়, প্রিন্ট করার মতো করে; তাতে হিজরি তারিখের একটি কলাম আছে। হিসাব করা ক্যালেন্ডারে রমাদান ১৪৪৮ পড়ে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ ২০২৭ জুড়ে, তাই এর দুটি পাতায়।
- খতম পরিকল্পনা আপনার বেছে নেওয়া দিনগুলোতে মুসহাফ সমানভাবে ভাগ করে দেয়, ৬০৪ পৃষ্ঠার মদীনা মুসহাফ ধরে। “৩০ দিন” এর তৈরি বিকল্পগুলোর একটি; অন্য যেকোনো সংখ্যাও লেখা যায়। প্রতিদিনের সারি থেকে কুরআনের পাতা খোলে সেই দিনের প্রথম পৃষ্ঠায়।
- যাকাত ক্যালকুলেটর হলো লাইব্রেরির যাকাত ওয়ার্কশিট, হিসাবটি করে দেওয়া। সোনা ও রুপার দাম আপনি নিজে লেখেন; সাবীল দাম আনে না।
- হিজরি ক্যালেন্ডার একটি হিজরি মাস দেখায় তার স্থানীয় তারিখসহ, আর দুই দিকেই তারিখ রূপান্তর করে। এর “সামনের দিনগুলো” তালিকায় ১ রমাদান, ২১ রমাদান ও ১ শাওয়াল আছে।
পাঠক খুঁজতে পারেন এমন দুটি টুল অ্যাপে নেই। টুলস পাতার “আসছে” তালিকায় আছে “যাকাতুল ফিতর” ও “ফিদইয়া ও কাফফারা ক্যালকুলেটর”। দ্বিতীয়টিতে “আগে বোর্ড” চিহ্ন দেওয়া; অ্যাপের ব্যাখ্যায় এর মানে, টুলটি শরিয়াহ বোর্ডের লিখিত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে।
মাসটি নিয়ে লাইব্রেরি যা বলে
মাসটি নিয়ে সাবীলের যা বলার, তা আছে তার লাইব্রেরিতে; আর লাইব্রেরির আলেমদের পর্যালোচনা এখনও বাকি। এই পাতা একটি কার্ড উদ্ধৃত করে, আর বাকিগুলোর লিংক দেয়।
পকেট সঙ্গীর একটি কার্ডের শিরোনাম “রমযান”। স্থানীয় সংস্করণে এর লেবেল ও সূত্রের লাইনগুলো ইংরেজিতে ছাপা; এখানে সেগুলোর অর্থ বলা হয়েছে। প্রথম অংশের লেবেল “The month”, অর্থাৎ মাস; তাতে অল্প কথায় পাঁচটি বিষয়ের নাম আছে: রোযা, তারাবীহ, লাইলাতুল কদর, ই‘তিকাফ ও যাকাতুল ফিতর। এই লাইনের সূত্র হিসেবে লাইব্রেরি দিয়েছে বুখারি ও মুসলিম, মান সহীহ। “Breaking the fast”, অর্থাৎ ইফতার, লেবেলের নিচে একটি দু‘আ আছে; লাইব্রেরি এর সূত্র দিয়েছে আবু দাউদ, মান হাসান। “Laylat al-Qadr”, অর্থাৎ লাইলাতুল কদর, লেবেলের নিচে আরেকটি দু‘আ আছে, সূত্র তিরমিযি ও ইবনে মাজাহ, মান সহীহ; এর সূত্রের লাইনে বলা আছে, দু‘আটি ওই রাতের জন্য আয়িশাকে শেখানো হয়েছিল।
বাকিটা লাইব্রেরির এই তিন জায়গায়:
- রমাদান কার্ড।
- রমাদান পোস্টার, মসজিদের দেয়ালের জন্য।
- যাকাত ওয়ার্কশিট।
এগুলোর কিছু লাইনে বিধান বলা আছে, আর রমাদান কার্ড ও পোস্টারের কিছু লাইন নিয়ে লাইব্রেরির নিজস্ব যাচাইয়ে এমন প্রশ্ন আছে যার মীমাংসা এখনও হয়নি। এই পাতা সেগুলোর সারসংক্ষেপ দেয় না।
যা এই পাতা আলেমের জন্য রেখে দেয়
কিসে রোযা ভাঙে, কার জন্য রোযা না রাখার অবকাশ আছে, ছুটে যাওয়া রোযার জন্য কী আদায় করতে হয়, যাকাতুল ফিতর কতটুকু, রাতের নামাজ কীভাবে পড়তে হয়: এর কোনোটির উত্তর এই পাতা দেয় না। এগুলো একজন আলেমের কাছে করার প্রশ্ন। প্রশ্নোত্তর পাতায় বলা আছে, দুজন নামোল্লিখিত আলেম স্বাক্ষর করার পরেই একটি উত্তর সেখানে আসে, আর এখনও কোনো উত্তর প্রকাশিত হয়নি।
এরপর কোথায় যাবেন
- রমাদান: এখন দিন গোনা ও সময়সূচি, মাস চলাকালে দুটি সময় ও খাতা।
- ইফতারের দু‘আ।
- রমাদানের শেষ দশ রাত ও লাইলাতুল কদর।
- সাবীল যেভাবে নামাজের সময় হিসাব করে: “সাহরি শেষ” ও “ইফতার”-এর পেছনের হিসাব।