আবার চতুর্থ ফর্ম: কর্তৃবাচক বিশেষ্য আর ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য
চতুর্থ ফর্মের ক্রিয়ার ওপর গড়া দুই ধরনের বিশেষ্য, আর এই ফর্মের আটটি শব্দ, যার চারটির অর্থ কোর্স নিজে দেয় না।
এআই-এর লেখা ও যাচাই করা
এই পাঠগুলো এআই লিখেছে এবং এআই-ই যাচাই করেছে; আরবির কোনো শিক্ষক এখনও এগুলো পড়েননি। আয়াত, সেগুলোর অর্থ ও প্রতিটি শব্দের বিশ্লেষণ নিজ নিজ উৎস থেকে নেওয়া, আর যেখানে দেখানো হয় সেখানে উৎসের নাম দেওয়া আছে।
- পুরোপুরি জানা কুরআনের শব্দ
- ৬৭%
- এ পর্যন্ত শেখানো কুরআনের শব্দাংশ
- ৮০%
Quranic Arabic Corpus থেকে গোনা: কোনো শব্দের প্রতিটি অংশ শেখানো হয়ে গেলে শব্দটি পুরোপুরি জানা ধরা হয়। এই সংখ্যাগুলো বলে আপনি কোন শব্দগুলোর দেখা পেয়েছেন, আপনি কতটা বোঝেন তা নয়।
পঁচিশতম পাঠে চতুর্থ ফর্মের ক্রিয়া শিখেছেন। এই ফর্মের ক্রিয়ার ওপর একটি নির্দিষ্ট নিয়মে বিশেষ্যও গড়া হয়, আর ক্রিয়াটি জানলে সেগুলো চেনা যায়। এই পাঠে শিখবেন তার দুটি, কর্তৃবাচক বিশেষ্য আর ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য, সঙ্গে এই ফর্মের আটটি শব্দ।
নতুন শব্দ
- أَهْلَكَকুরআন যেভাবে লেখে: أَهْلَكْ · يُهْلِكَ · يُهْلِكُ
ধ্বংস করল
ধাতুমূল: ه ل كকুরআনে কতবার: ৫১
- أَعْرَضَকুরআন যেভাবে লেখে: أَعْرِضْ · أَعْرَضَ · أَعْرَضُ
মুখ ফিরিয়ে নিল
ধাতুমূল: ع ر ضকুরআনে কতবার: ৩২
- أَبْصَرَকুরআন যেভাবে লেখে: يُبْصِرُ · تُبْصِرُ · أَبْصِرْ
দেখল
ধাতুমূল: ب ص رকুরআনে কতবার: ২৯
- أَصْبَحَকুরআন যেভাবে লেখে: أَصْبَحُ · أَصْبَحَ · تُصْبِحُ
হয়ে গেল; সকালে উপনীত হলো
ধাতুমূল: ص ب حকুরআনে কতবার: ২৮
- أَنذَرَকুরআন যেভাবে লেখে: تُنذِرَ · يُنذِرَ · أَنذِرْ
এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।
ধাতুমূল: ن ذ رকুরআনে কতবার: ৪৪
- إِيمَٰنকুরআন যেভাবে লেখে: إِيمَٰنِ · إِيمَٰنُ · إِيمَٰنَ
এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।
ধাতুমূল: ا م نকুরআনে কতবার: ৪৫
- مُشْرِكকুরআন যেভাবে লেখে: مُشْرِكِينَ · مُشْرِكُونَ · مُّشْرِكٍ
এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।
ধাতুমূল: ش ر كকুরআনে কতবার: ৪৪
- مُسْلِمকুরআন যেভাবে লেখে: مُسْلِمِينَ · مُسْلِمُونَ · مُّسْلِمُونَ
এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।
ধাতুমূল: س ل مকুরআনে কতবার: ৩৯
এদের চারটি, আনযারা, ঈমান, মুশরিক আর মুসলিম, কুরআনের ব্যবহারে দ্বীনের অর্থ বহন করে: কোর্স নিজে থেকে এদের কোনো অর্থ দেয় না, আয়াতে পড়ুন, পাশে সংস্করণের অর্থ দেওয়া আছে।
ক্রিয়াগুলো
পঁচিশতম পাঠে যেমন শিখেছেন, আহলাকা, আ‘রাদা, আবসারা আর আসবাহা-র অতীতে ধাতুমূলের সামনে আ-, আর বর্তমানে সামনের অক্ষরে উ।
- أَهْلَكْধ্বংস করল
- تُআমাকে, আমার; আমি (ক্রিয়ার কর্তা হিসেবে)
আহলাকতু হলো আহলাক আর তু ("আমি")। ধাতুমূল হ-ল-ক। করপাস একে চতুর্থ ফর্ম হিসেবে চিহ্নিত করে।
- يُعْرِضْমুখ ফিরিয়ে নিল
ইউ‘রিদ হলো ইউ- আর ‘-র-দ ধাতুমূল, শেষ অক্ষরের আগে ই। করপাস একে মাজযূম চিহ্নিত করে, আর শেষে কোনো স্বরধ্বনি নেই।
- تُبْصِرُদেখল
- ونَতোমরা, তোমাদেরকে, তোমাদের (দুইয়ের বেশি জন)
তুবসিরূনা হলো তু-, তারপর ব-স-র ধাতুমূল, তারপর ঊনা ("তোমরা")।
- أَصْبَحَহয়ে গেল; সকালে উপনীত হলো
আসবাহা। করপাস একে চতুর্থ ফর্ম হিসেবে চিহ্নিত করে, আর কানা-র ধরনের ক্রিয়ার মধ্যে গোনে: ষষ্ঠ পাঠের কানা-র মতো, এর কর্তা সম্পর্কে বলা বিশেষ্য কর্মপদে আসে। এখানে সেই বিশেষ্য গাওরান, আর করপাস একে কর্মপদে চিহ্নিত করে।
- فَতারপর, ফলে, সুতরাং
- أَنذَرْ
- تُআমাকে, আমার; আমি (ক্রিয়ার কর্তা হিসেবে)
- كُمْতোমরা, তোমাদেরকে, তোমাদের (দুইয়ের বেশি জন)
ফা-আনযারতুকুম হলো ফা, তারপর আনযার, তারপর তু ("আমি"), তারপর কুম ("তোমাদের"), যার ওপর কাজটি পৌঁছায়।
কর্তৃবাচক বিশেষ্য: মু-
বেশির ভাগ ধাতুমূলে চতুর্থ ফর্মের ক্রিয়ার কর্তৃবাচক বিশেষ্য হলো মু-, তারপর ধাতুমূল, শেষ অক্ষরের আগে ই। বিংশ ও দ্বাবিংশ পাঠে এর দেখা পেয়েছেন। ধাতুমূলের মাঝের অক্ষর দুর্বল হলে, বর্তমানের মতো, ই দীর্ঘ হয়: একবিংশ পাঠের মুবীন।
- وَএবং, ও
- ٱلْনির্দিষ্টবাচক: ইংরেজির the-এর মতো
- مُشْرِكِينَ
ওয়াল-মুশরিকীনা হলো ওয়া, তারপর আল-, তারপর মুশরিকীনা। করপাস মুশরিক-কে চতুর্থ ফর্মের কর্তৃবাচক বিশেষ্য, পুংলিঙ্গ বহুবচন, সম্বন্ধ পদে চিহ্নিত করে। ধাতুমূল শ-র-ক, পঁচিশতম পাঠের আশরাকা-র।
- ٱلْনির্দিষ্টবাচক: ইংরেজির the-এর মতো
- مُسْلِمُونَ
আল-মুসলিমূনা হলো আল- আর মুসলিমূনা, কর্তৃপদে। করপাস একে চতুর্থ ফর্মের কর্তৃবাচক বিশেষ্য হিসেবে চিহ্নিত করে। ধাতুমূল স-ল-ম।
ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য: ই-, আর দীর্ঘ আ
বেশির ভাগ ধাতুমূলে চতুর্থ ফর্মের ক্রিয়ার ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য, মাসদার, হলো ই-, তারপর ধাতুমূল, শেষ অক্ষরের আগে দীর্ঘ আ।
- إِيمَٰنًا
ঈমানান: করপাস ঈমান-কে চতুর্থ ফর্মের ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য, অনির্দিষ্ট, কর্মপদে চিহ্নিত করে, ধাতুমূল ’-ম-ন, বিংশ পাঠের আমানা-র। ধাতুমূলের প্রথম অক্ষর হামযা, তাই ই’- হয়ে যায় ঈ-, যেমন আমানা-য় আ’- হয়েছিল আ-।
আ‘রাদা-র ই‘রাদ, পঁচিশতম পাঠের আনফাকা-র ইনফাক, অষ্টাদশ পাঠের আখরাজা-র ইখরাজ: করপাস প্রতিটিকে চতুর্থ ফর্মের ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য হিসেবে চিহ্নিত করে। ধাতুমূলে দুর্বল অক্ষর থাকলে ছাঁচ বদলায়: ক-ও-ম ধাতুমূলের আকামা-র ইকাম আর ইকামা, যাতে ও নেই।
একটি বাক্যে
ছেলেটি ঘরটি দেখল।
এই বাক্যটি অনুশীলনের জন্য লেখা। চতুর্থ ফর্মের আবসারা, তারপর কর্তা, তারপর কর্মপদে ঘরটি।
পড়া
এই পাঠের পর যে শব্দগুলো আপনি পুরোপুরি জানেন, সেগুলো চিহ্নিত করা আছে।
আর আপনি তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করুন, শীঘ্রই তারা দেখতে পাবে।
Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1আর আপনি তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করুন, শীঘ্রই তারা দেখতে পাবে।
Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1তবে কি আমরা মুসলিমদেরকে (অনুগতদেরকে) অপরাধীদের সমান গণ্য করব ?
Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1মনে করুন
- চতুর্থ ফর্মের কর্তৃবাচক বিশেষ্য কী দিয়ে শুরু হয়?
- চতুর্থ ফর্মের ক্রিয়াবাচক বিশেষ্যের ছাঁচ কী?
- করপাস আসবাহা-কে কাদের মধ্যে গোনে?
উত্তর: মু-; ই-, তারপর ধাতুমূল, শেষ অক্ষরের আগে দীর্ঘ আ; কানা-র ধরনের ক্রিয়ার মধ্যে।
পরের পাঠ
পরের পাঠে দ্বিতীয় ফর্ম, যা ধাতুমূলের মাঝের অক্ষর দ্বিত্ব করে।
শব্দ বিশ্লেষণ: Quranic Arabic Corpus 0.4 (Kais Dukes)