মূল অংশে যান
মুয়াত্তা মালিক

অধ্যায় ৪৭ · Good Character

১৮টি বর্ণনা · নম্বর ১৬৩৩–১৬৫০

প্রতিটি বর্ণনার নিচে ডেটাসেটের নিজস্ব অনুবাদ হুবহু দেখানো হয়েছে। এতে অনুবাদকের নাম নেই, এর স্বত্ব যাচাই হয়নি, এবং কেউ এটি আরবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেননি; কিছু বর্ণনার অনুবাদ নেই। মূল পাঠ আরবি।

অনূদিত নববী হাদীসের বিশ্বকোষে (HadeethEnc.com) কোনো বর্ণনার হুবহু পাঠ থাকলে, তার অনুবাদ সেই বর্ণনার নিচে উৎসের নামসহ দেখানো হয়েছে। দুটিকে প্রোগ্রামের সাহায্যে, কেবল আরবি পাঠ দেখে মেলানো হয়েছে: বিশ্বকোষের হাদীসের পুরো পাঠ, তাতে উল্লেখিত সাহাবীর নামসহ, বর্ণনাটির শেষ অংশের সঙ্গে অক্ষরে অক্ষরে এক। এই মিল কেউ যাচাই করেননি, এবং সাবীলের পর্যালোচকেরা অনুবাদটি পরীক্ষা করেননি। মূল পাঠ আরবি।

নং ১৬৩৩অধ্যায় ৪৭, নং ১
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ، قَالَ آخِرُ مَا أَوْصَانِي بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ وَضَعْتُ رِجْلِي فِي الْغَرْزِ أَنْ قَالَ ‏ "‏ أَحْسِنْ خُلُقَكَ لِلنَّاسِ يَا مُعَاذُ بْنَ جَبَلٍ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১. মুআয ইবন জাবাল (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সর্বশেষ ওসীয়্যত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে করিয়াছেন যখন আমি ঘোড়ার রেকাবে পা রাখিতেছিলাম। তাহা এই যে, হে মুআয! মানুষের সহিত সৎ ব্যবহার করিবে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • DaifSalim al-Hilali
নং ১৬৩৪অধ্যায় ৪৭, নং ২
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ مَا خُيِّرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي أَمْرَيْنِ قَطُّ إِلاَّ أَخَذَ أَيْسَرَهُمَا مَا لَمْ يَكُنْ إِثْمًا فَإِنْ كَانَ إِثْمًا كَانَ أَبْعَدَ النَّاسِ مِنْهُ وَمَا انْتَقَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِنَفْسِهِ إِلاَّ أَنْ تُنْتَهَكَ حُرْمَةُ اللَّهِ فَيَنْتَقِمُ لِلَّهِ بِهَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ২. উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে, তিনি বলিয়াছেন, যখনই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামকে দুইটি কাজের মধ্যে একটি গ্রহণের অনুমতি দেওয়া হইত তিনি সহজটি গ্রহণ করিতেন, যদি উহা গুনাহর কাজ না হইত। যদি উহা গুনাহর কাজ হইত, তবে তিনিই সর্বাধিক উহা বর্জন করিয়া চলিতেন। তিনি নিজের জন্য কাহারও উপর প্রতিশোধ গ্রহণ করেন নাই। কিন্তু যখন আল্লাহর হারামের পর্দা ছিদ্র হইত তখন তিনি প্রতিশোধ লইতেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৬৩৫অধ্যায় ৪৭, নং ৩
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مِنْ حُسْنِ إِسْلاَمِ الْمَرْءِ تَرْكُهُ مَا لاَ يَعْنِيهِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩. আলী ইবন হুসাইন হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, ইসলামের সৌন্দর্যের মধ্যে ইহাও রহিয়াছে যে, মানুষ অপ্রয়োজনীয় কথা ও কাজ ত্যাগ করিবে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • HasanSalim al-Hilali
নং ১৬৩৬অধ্যায় ৪৭, নং ৪
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتِ اسْتَأْذَنَ رَجُلٌ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ عَائِشَةُ وَأَنَا مَعَهُ فِي الْبَيْتِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ بِئْسَ ابْنُ الْعَشِيرَةِ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ أَذِنَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَتْ عَائِشَةُ فَلَمْ أَنْشَبْ أَنْ سَمِعْتُ ضَحِكَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَعَهُ فَلَمَّا خَرَجَ الرَّجُلُ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قُلْتَ فِيهِ مَا قُلْتَ ثُمَّ لَمْ تَنْشَبْ أَنْ ضَحِكْتَ مَعَهُ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّ مِنْ شَرِّ النَّاسِ مَنِ اتَّقَاهُ النَّاسُ لِشَرِّهِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪. উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, কেহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট সাক্ষাৎ করিতে অনুমতি চাহিল। আমি তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ঘরে ছিলাম। তিনি বলিলেনঃ এই লোকটি মন্দ। অতঃপর তিনি তাহাকে আসিতে অনুমতি দান করিলেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন, বেশিক্ষণ না যাইতেই আমি ঐ লোকটির সহিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হাসিতে শুনিতে পাইলাম। তাহার প্রস্থানের পর আমি বলিলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এইমাত্র আপনি তাহাকে মন্দ বলিলেন, আর এখনই আপনি তাহার সহিত হাসিতেছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সকলের চাইতে মন্দ ঐ ব্যক্তি যাহার অনিষ্টকারিতার জন্য লোকে তাহাকে ভয় করে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৬৩৭অধ্যায় ৪৭, নং ৫
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَمِّهِ أَبِي سُهَيْلِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ كَعْبِ الأَحْبَارِ، أَنَّهُ قَالَ إِذَا أَحْبَبْتُمْ أَنْ تَعْلَمُوا مَا لِلْعَبْدِ عِنْدَ رَبِّهِ فَانْظُرُوا مَاذَا يَتْبَعُهُ مِنْ حُسْنِ الثَّنَاءِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫. কাব আহবার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলিয়াছেন, কোন বান্দার মর্যাদা তাহার প্রভুর নিকট কিরূপ উহা জানিতে ইচ্ছা করিলে দেখ, অন্যান্য লোক তাহার সম্বন্ধে কি ধারণা পোষণ করে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Maqtu SahihSalim al-Hilali
নং ১৬৩৮অধ্যায় ৪৭, নং ৬
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ قَالَ بَلَغَنِي أَنَّ الْمَرْءَ، لَيُدْرِكُ بِحُسْنِ خُلُقِهِ دَرَجَةَ الْقَائِمِ بِاللَّيْلِ الظَّامِي بِالْهَوَاجِرِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ হইতে বর্ণিত। তিনি বলিয়াছেন, আমার নিকট এই রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, মানুষ তাহার সৎ চরিত্রের জন্য সারা রাত্রি ইবাদতকারী ও সর্বদা রোযা রাখে, এমন ব্যক্তির মর্যাদা লাভ করিয়া থাকে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • HasanSalim al-Hilali
নং ১৬৩৯অধ্যায় ৪৭, নং ৭
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ، يَقُولُ أَلاَ أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرٍ، مِنْ كَثِيرٍ مِنَ الصَّلاَةِ وَالصَّدَقَةِ قَالُوا بَلَى ‏.‏ قَالَ إِصْلاَحُ ذَاتِ الْبَيْنِ وَإِيَّاكُمْ وَالْبِغْضَةَ فَإِنَّهَا هِيَ الْحَالِقَةُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলিয়াছেনঃ আমি কি তোমাদের এমন কাজের সন্ধান দিব যাহা বহু নামায ও অনেক সদকা হইতেও উৎকৃষ্ট? লোকেরা বলি, নিশ্চয়ই। বলুন। তিনি বলিলেন, পরস্পর আপস করাইয়া দেওয়া। আর তোমরা শক্রতা ও দুশমনী হইতে দূরে থাক। কারণ এই স্বভাব নেকীকে বিনষ্ট করে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Maqtu SahihSalim al-Hilali
নং ১৬৪০অধ্যায় ৪৭, নং ৮
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ قَدْ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ بُعِثْتُ لأُتَمِّمَ حُسْنَ الأَخْلاَقِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৮. মালিক (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তাহার নিকট এই খবর পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, আমি নৈতিকতাকে পূর্ণতা দান করিবার জন্য নবী হইয়া আগমন করিয়াছি।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Sahih LighairihiSalim al-Hilali
নং ১৬৪১অধ্যায় ৪৭, নং ৯
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ صَفْوَانَ بْنِ سَلَمَةَ الزُّرَقِيِّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ طَلْحَةَ بْنِ رُكَانَةَ، يَرْفَعُهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لِكُلِّ دِينٍ خُلُقٌ وَخُلُقُ الإِسْلاَمِ الْحَيَاءُ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৯. যায়েদ ইবন তালহা ইবন রুকানা (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, প্রতিটি ধর্মেরই একটা স্বভাব রহিয়াছে, আর ইসলামের স্বভাব হইল লজ্জা।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Sahih LighairihiSalim al-Hilali
নং ১৬৪২অধ্যায় ৪৭, নং ১০
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَرَّ عَلَى رَجُلٍ وَهُوَ يَعِظُ أَخَاهُ فِي الْحَيَاءِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ دَعْهُ فَإِنَّ الْحَيَاءَ مِنَ الإِيمَانِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১০. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তির নিকট দিয়া যাইতেছিলেন। সে তাহার ভাইকে বেশি লজ্জা না করার জন্য নসীহত করিতেছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ এই বিষয়ে তাহাকে নসীহত করা হইতে বিরত থাক। কেননা এই লজ্জা ঈমানের অঙ্গস্বরূপ।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৬৪৩অধ্যায় ৪৭, নং ১১
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، أَنَّ رَجُلاً، أَتَى إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ عَلِّمْنِي كَلِمَاتٍ أَعِيشُ بِهِنَّ وَلاَ تُكْثِرْ عَلَىَّ فَأَنْسَى ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ تَغْضَبْ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১১. হুমাইদ ইবন আবদুর রহমান ইবন আউফ (রাঃ) হইতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট আসিয়া বলিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে এমন কয়েকটি কথা শিখাইয়া দিন যাহা দ্বারা উপকার লাভ করিতে পারি। আর অনেক কথা বলিবেন না, আমি ভুলিয়া যাইব। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ ক্রোধ করিও না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Sahih LighairihiSalim al-Hilali
নং ১৬৪৪অধ্যায় ৪৭, নং ১২
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لَيْسَ الشَّدِيدُ بِالصُّرَعَةِ إِنَّمَا الشَّدِيدُ الَّذِي يَمْلِكُ نَفْسَهُ عِنْدَ الْغَضَبِ ‏"‏ ‏.‏
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “প্রকৃত বীর সে নয়, যে কাউকে কুস্তিতে হারিয়ে দেয়; বরং সেই প্রকৃত বাহাদুর, যে ক্রোধের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম “

অনুবাদ: HadeethEnc.comএর ব্যাখ্যা

উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৬৪৫অধ্যায় ৪৭, নং ১৩
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ أَنْ يُهَاجِرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلاَثِ لَيَالٍ يَلْتَقِيَانِ فَيُعْرِضُ هَذَا وَيُعْرِضُ هَذَا وَخَيْرُهُمَا الَّذِي يَبْدَأُ بِالسَّلاَمِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৩. আবু আয়্যূব আনসারী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ কোন মুসলিমের পক্ষে তাহার ভইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক তিন দিনের বেশি ত্যাগ করা বৈধ নহে। ইহা এইরূপে যে, তাহাদের একজন মিলিতে আসে তো অন্যজন তাকাইয়া দেখে না বা একজন মিলিতে আসে তো অন্যজন লক্ষ্য করে না — এই উভয়ের মধ্যে ঐ ব্যক্তিই উত্তম, যে প্রথম সালাম করে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৬৪৬অধ্যায় ৪৭, নং ১৪
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ تَبَاغَضُوا وَلاَ تَحَاسَدُوا وَلاَ تَدَابَرُوا وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ إِخْوَانًا وَلاَ يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ أَنْ يُهَاجِرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلاَثِ لَيَالٍ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৪. আনাস ইবন মালিক (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, তোমরা পরস্পর হিংসা-বিদ্বেষ করিও না এবং একে অন্যের দিকে পিঠ ফিরাইয়া থাকিও না, বরং তোমরা আল্লাহর বান্দা ভাই ভাই হইয়া থাক; কোন মুসলিমের জন্য তাহার কোন মুসলিম ভাইকে তিন রাত্রির অধিক ত্যাগ করা বৈধ নহে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৬৪৭অধ্যায় ৪৭, নং ১৫
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِيَّاكُمْ وَالظَّنَّ فَإِنَّ الظَّنَّ أَكْذَبُ الْحَدِيثِ وَلاَ تَجَسَّسُوا وَلاَ تَحَسَّسُوا وَلاَ تَنَافَسُوا وَلاَ تَحَاسَدُوا وَلاَ تَبَاغَضُوا وَلاَ تَدَابَرُوا وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ إِخْوَانًا ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৫. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ তোমরা অনুমান করা হইতে বাঁচিয়া থাক। নিশ্চয়ই অনুমান বড় মিথ্যা। কাহারও ছিদ্রান্বেষণ করিও না, কাহারও সম্বন্ধে অনুমানভিত্তিক কথা বলিও না। দুনিয়ার জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতা করিও না। একে অন্যের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করিও না এবং অন্যের প্রতি পিঠ ফিরাইয়া থাকিও না। আল্লাহর বান্দা সকলে ভাই ভাই হইয়া যাও।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৬৪৮অধ্যায় ৪৭, নং ১৬
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي مُسْلِمٍ عَبْدِ اللَّهِ الْخُرَاسَانِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ تَصَافَحُوا يَذْهَبِ الْغِلُّ وَتَهَادَوْا تَحَابُّوا وَتَذْهَبِ الشَّحْنَاءُ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৬. আতা ইবন আবদুল্লাহ খুরাসানী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ তোমরা পরস্পর মুসাফাহা (কর মর্দন) কর, তাহা হইলে তোমাদের মধ্যকার শক্রতা দূর হইয়া যাইবে। পরস্পর হাদিয়া তোহফা আদান-প্রদান কর, তাহা হইলে পরস্পর ভালবাসা সৃষ্টি হইবে এবং শক্রতা দূর হইয়া যাইবে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • DaifSalim al-Hilali
নং ১৬৪৯অধ্যায় ৪৭, নং ১৭
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ تُفْتَحُ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ يَوْمَ الاِثْنَيْنِ وَيَوْمَ الْخَمِيسِ فَيُغْفَرُ لِكُلِّ عَبْدٍ مُسْلِمٍ لاَ يُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا إِلاَّ رَجُلاً كَانَتْ بَيْنَهُ وَبَيْنَ أَخِيهِ شَحْنَاءُ فَيُقَالُ أَنْظِرُوا هَذَيْنِ حَتَّى يَصْطَلِحَا أَنْظِرُوا هَذَيْنِ حَتَّى يَصْطَلِحَا ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৭. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার বেহেশতের দ্বার খুলিয়া দেওয়া হয় এবং যে মুসলিম বান্দা আল্লাহর সহিত কাহাকেও শরীক করে না তাহাকে ক্ষমা করিয়া দেওয়া হয়, তবে ঐ ব্যক্তি ব্যতীত, যে নিজ ভাইয়ের সহিত শক্রতা পোষণ করে। বলা হইতে থাকে, তাহাদের পরস্পর মেলামেশা না হওয়া পর্যন্ত তাহদের ব্যাপারে অপেক্ষা কর অর্থাৎ যতক্ষণ তাহারা আপস না করে তাহাদেরকে ক্ষমা করা হইবে না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৬৫০অধ্যায় ৪৭, নং ১৮
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ تُعْرَضُ أَعْمَالُ النَّاسِ كُلَّ جُمُعَةٍ مَرَّتَيْنِ يَوْمَ الاِثْنَيْنِ وَيَوْمَ الْخَمِيسِ فَيُغْفَرُ لِكُلِّ عَبْدٍ مُؤْمِنٍ إِلاَّ عَبْدًا كَانَتْ بَيْنَهُ وَبَيْنَ أَخِيهِ شَحْنَاءُ فَيُقَالُ اتْرُكُوا هَذَيْنِ حَتَّى يَفِيئَا ‏.‏ أَوِ ارْكُوا هَذَيْنِ حَتَّى يَفِيئَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৮. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলিলেনঃ সপ্তাহে দুইবার অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ও সোমবার বান্দাদের আমল লেখা হইয়া থাকে। তখন প্রত্যেক মু'মিন বান্দাকে ক্ষমা করা হইয়া থাকে ঐ ব্যক্তি ব্যতীত, যে স্বীয় ভ্রাতার সহিত শক্রতা পোষণ করে। বলা হয়, এই উভয়কে তাহাদের আপস না হওয়া পর্যন্ত ত্যাগ কর (ক্ষমা করিও না)।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali

আরবি পাঠ, নম্বর, অধ্যায়ের নাম ও মান — সবই একটি উন্মুক্ত ডেটাসেটে (hadith-api) যেমন আছে হুবহু তেমন দেখানো হয়েছে। সাবীল এখনও এর নির্ভুলতা বা স্বত্ব যাচাই করেনি, আর আলেমদের পর্যালোচনাও শুরু হয়নি। ততদিন কোনো বর্ণনার ওপর নির্ভর করার আগে ছাপা সংস্করণের সাথে মিলিয়ে নিন।