মূল অংশে যান
মুয়াত্তা মালিক

অধ্যায় ৪৬ · The Decree

১০টি বর্ণনা · নম্বর ১৬২৩–১৬৩২

প্রতিটি বর্ণনার নিচে ডেটাসেটের নিজস্ব অনুবাদ হুবহু দেখানো হয়েছে। এতে অনুবাদকের নাম নেই, এর স্বত্ব যাচাই হয়নি, এবং কেউ এটি আরবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেননি; কিছু বর্ণনার অনুবাদ নেই। মূল পাঠ আরবি।

নং ১৬২৩অধ্যায় ৪৬, নং ১
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ تَحَاجَّ آدَمُ وَمُوسَى فَحَجَّ آدَمُ مُوسَى قَالَ لَهُ مُوسَى أَنْتَ آدَمُ الَّذِي أَغْوَيْتَ النَّاسَ وَأَخْرَجْتَهُمْ مِنَ الْجَنَّةِ فَقَالَ لَهُ آدَمُ أَنْتَ مُوسَى الَّذِي أَعْطَاهُ اللَّهُ عِلْمَ كُلِّ شَىْءٍ وَاصْطَفَاهُ عَلَى النَّاسِ بِرِسَالَتِهِ قَالَ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ أَفَتَلُومُنِي عَلَى أَمْرٍ قَدْ قُدِّرَ عَلَىَّ قَبْلَ أَنْ أُخْلَقَ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, আদম ও মূসা (আঃ)-এর মধ্যে তর্ক হইয়াছিল। অবশেষে আদম (আঃ) মূসা (আঃ)-এর উপর জয়ী হইয়াছিলেন। মূসা (আঃ) বলিয়াছিলেন, আপনি ঐ আদম যিনি বহু লোককে পথভ্রষ্ট করিয়াছেন। আর তাহাদেরকে বেহেশত হইতে বাহির করিয়াছেন। আদম (আঃ) বলিলেন, তুমি ঐ মূসাই তো, তোমাকে আল্লাহ্ সর্বপ্রকার ইলম দান করিয়াছিলেন, তোমাকে নবী বানাইয়াছিলেন। মূসা (আঃ) বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর আদম (আঃ) বললেন, তা সত্ত্বেও তুমি আমাকে এমন কাজের ব্যাপারে দোষারোপ করিতেছ যাহা আমার সৃষ্টির পূর্বেই আমার তকদীরে লেখা ছিল।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৬২৪অধ্যায় ৪৬, নং ২
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ عَنْ مُسْلِمِ بْنِ يَسَارٍ الْجُهَنِيِّ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، سُئِلَ عَنْ هَذِهِ الآيَةِ، ‏{‏وَإِذْ أَخَذَ رَبُّكَ مِنْ بَنِي آدَمَ مِنْ ظُهُورِهِمْ ذُرِّيَّتَهُمْ وَأَشْهَدَهُمْ عَلَى أَنْفُسِهِمْ أَلَسْتُ بِرَبِّكُمْ قَالُوا بَلَى شَهِدْنَا أَنْ تَقُولُوا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّا كُنَّا عَنْ هَذَا غَافِلِينَ‏}‏ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُسْأَلُ عَنْهَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى خَلَقَ آدَمَ ثُمَّ مَسَحَ ظَهْرَهُ بِيَمِينِهِ فَاسْتَخْرَجَ مِنْهُ ذُرِّيَّةً فَقَالَ خَلَقْتُ هَؤُلاَءِ لِلْجَنَّةِ وَبِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ يَعْمَلُونَ ثُمَّ مَسَحَ ظَهْرَهُ فَاسْتَخْرَجَ مِنْهُ ذُرِّيَّةً فَقَالَ خَلَقْتُ هَؤُلاَءِ لِلنَّارِ وَبِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ يَعْمَلُونَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَفِيمَ الْعَمَلُ قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّ اللَّهَ إِذَا خَلَقَ الْعَبْدَ لِلْجَنَّةِ اسْتَعْمَلَهُ بِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ حَتَّى يَمُوتَ عَلَى عَمَلٍ مِنْ أَعْمَالِ أَهْلِ الْجَنَّةِ فَيُدْخِلَهُ بِهِ الْجَنَّةَ وَإِذَا خَلَقَ الْعَبْدَ لِلنَّارِ اسْتَعْمَلَهُ بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ حَتَّى يَمُوتَ عَلَى عَمَلٍ مِنْ أَعْمَالِ أَهْلِ النَّارِ فَيُدْخِلَهُ بِهِ النَّارَ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২. মুসলিম ইবন ইয়াসার জুহানী (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর (রাঃ)-এর নিকট (‏وَإِذْ أَخَذَ رَبُّكَ) (সূরা আ’রাফঃ ১৭২) আয়াত সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হইল। তিনি বলিলেন, আমি শুনিয়াছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হইয়াছিল। তিনি বলিয়াছিলেন, আল্লাহ তা’আলা আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করিলেন এবং তাহার পৃষ্ঠে স্বীয় দক্ষিণ হস্ত দ্বারা মুসেহ করিলেন, অতঃপর আদমের পৃষ্ঠদেশ হইতে তাহার সন্তানদেরকে বাহির করিলেন এবং বলিলেন, আমি ইহাদেরকে বেহেশতের জন্য সৃষ্টি করিয়াছি। ইহারা বেহেশতের কাজ করবে। অতঃপর পুনরায় তাহার পৃষ্ঠদেশে স্বীয় দক্ষিণ হস্ত বুলাইলেন এবং তাহার আর কিছু সংখ্যক সন্তান বাহির করিলেন এবং বলিলেন, আমি ইহাদেরকে দোযখের জন্য সৃষ্টি করিয়াছি। ইহারা দোযখের কাজ করবে। এক ব্যক্তি বলিয়া উঠিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তাহা হইলে আমল করায় লাভ কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহু পাক যখন কোন বান্দাকে বেহেশতের জন্য সৃষ্টি করেন, তখন তাহার দ্বারা বেহেশতীদের কাজ করান আর মৃত্যুর সময়েও সে নেক কাজ করিয়া মৃত্যুবরণ করে, তখন আল্লাহ তা’আলা তাহাকে বেহেশতে প্রবেশ করাইয়া থাকেন। আর যখন কোন বান্দাকে দোযখের জন্য সৃষ্টি করেন তখন তাহার দ্বারা দোযখীদের কাজ করাইয়া থাকেন। অতঃপর মৃত্যুর সময়েও তাহাকে খারাপ কাজ করাইয়াই মৃত্যুবরণ করান। আর আল্লাহ তখন তাহাকে দোযখে প্রবেশ করাইয়া থাকেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • DaifSalim al-Hilali
নং ১৬২৫অধ্যায় ৪৬, নং ৩
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ تَرَكْتُ فِيكُمْ أَمْرَيْنِ لَنْ تَضِلُّوا مَا تَمَسَّكْتُمْ بِهِمَا كِتَابَ اللَّهِ وَسُنَّةَ نَبِيِّهِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩. মালিক (রহঃ) বলেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, আমি তোমাদের নিকট দুইটি বস্তু ছাড়িয়া যাইতেছি। তোমরা যতক্ষণ উহাকে ধরিয়া থাকিবে পথভ্রষ্ট হইবে না। উহা হইল আল্লাহর কিতাব ও রাসূলের সুন্নত।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Sahih LighairihiSalim al-Hilali
নং ১৬২৬অধ্যায় ৪৬, নং ৪
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زِيَادِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَاوُسٍ الْيَمَانِيِّ، أَنَّهُ قَالَ أَدْرَكْتُ نَاسًا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُونَ كُلُّ شَىْءٍ بِقَدَرٍ ‏.‏ قَالَ طَاوُسٌ وَسَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كُلُّ شَىْءٍ بِقَدَرٍ حَتَّى الْعَجْزِ وَالْكَيْسِ أَوِ الْكَيْسِ وَالْعَجْزِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪. তাউস ইয়ামানী (রহঃ) বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের কয়েকজন সাহাবীকে পাইয়াছি যাহারা বলিতেন, প্রতিটি বস্তুই তকদীরের লিখন অনুসারে হইয়া থাকে। তাউস বলেন, আর আমি ইবনে উমর (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি, তিনি বলিতেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলিতেন, প্রতিটি ব্যাপারই তকদীর অনুযায়ী হইয়া থাকে, এমন কি মানুষের দুর্বল হওয়া এবং বুদ্ধিমান হওয়াও।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৬২৭অধ্যায় ৪৬, নং ৫
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ زِيَادِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الزُّبَيْرِ، يَقُولُ فِي خُطْبَتِهِ إِنَّ اللَّهَ هُوَ الْهَادِي وَالْفَاتِنُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫. আমর ইবন দীনার (রহঃ) বলেন, আমি ইবন যুবাইর (রহঃ)-এর নিকট শুনিয়াছি, তিনি স্বীয় খুৎবা দেওয়ার সময় বলিতেন, আল্লাহ তা'আলাই মানুষকে সৎপথ প্রদর্শনকারী, আর তিনিই পথভ্রষ্টকারী। (কুরআন মাজীদেও বলা হইয়াছে, আল্লাহ্ তা’আলা যাহাকে ইচ্ছা হিদায়ত দান করেন, যাহাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন। সুতরাং ভাল-মন্দ সমস্ত কাজ আল্লাহই সৃষ্টি করিয়া থাকেন, কিন্তু মানুষকে ভাল-মন্দ কাজ বলিয়া দেওয়া হইয়াছে এবং উহা হইতে বাছিয়া লওয়ার ইখতিয়ার দেওয়া হইয়াছে। এই স্বাধীনতার উপরই তাহার সওয়াব ও আযাব হইবে। কদরীয়া[1] ও শীয়া দলের মতে মানুষ নিজের কাজের নিজেই সৃষ্টিকর্তা। এই মতবাদ কুরআন ও হাদীসের বিপরীত।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ১৬২৮অধ্যায় ৪৬, নং ৬
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَمِّهِ أَبِي سُهَيْلِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ قَالَ كُنْتُ أَسِيرُ مَعَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ فَقَالَ مَا رَأْيُكَ فِي هَؤُلاَءِ الْقَدَرِيَّةِ فَقُلْتُ رَأْيِي أَنْ تَسْتَتِيبَهُمْ فَإِنْ تَابُوا وَإِلاَّ عَرَضْتَهُمْ عَلَى السَّيْفِ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَذَلِكَ رَأْيِي ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَذَلِكَ رَأْيِي ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬. আবূ সুহাইল ইবনে মালিক (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি উমর আবদুল আযীয (রহঃ)-এর সহিত কোথাও যাইতেছিলেন। তিনি আবু সুহাইলকে বলিলেন, কদরিয়া সম্বন্ধে তোমার মত কি ? আমি বলিলাম, আমার মত এই যে, তাহাদেরকে তওবা করানো উচিত। যদি তাহারা তওবা করিয়া ফেলে তবে তো ভাল, না হয় তাহাদেরকে হত্যা করা যাইতে পারে। উমর (রহঃ) বলেন, তাহদের সম্বন্ধে আমার মতও ইহাই। মালিক (রহঃ) বলেন, তাহাদের সম্বন্ধে আমারও মত ইহাই।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Maqtu SahihSalim al-Hilali
নং ১৬২৯অধ্যায় ৪৬, নং ৭
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ تَسْأَلِ الْمَرْأَةُ طَلاَقَ أُخْتِهَا لِتَسْتَفْرِغَ صَحْفَتَهَا وَلِتَنْكِحَ فَإِنَّمَا لَهَا مَا قُدِّرَ لَهَا ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, কোন স্ত্রীলোক যেন তাহার বোনের তালাক কামনা না করে এই উদ্দশ্যে যে, তাহার পাত্র খালি করিয়া দিবে, বরং তাহার বিবাহ হইবে। কারণ যাহা তাহার ভাগ্যে রহিয়াছে উহাই সে পাইবে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৬৩০অধ্যায় ৪৬, নং ৮
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ الْقُرَظِيِّ، قَالَ قَالَ مُعَاوِيَةُ بْنُ أَبِي سُفْيَانَ وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّهُ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَى اللَّهُ وَلاَ مُعْطِيَ لِمَا مَنَعَ اللَّهُ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْهُ الْجَدُّ مَنْ يُرِدِ اللَّهُ بِهِ خَيْرًا يُفَقِّهْهُ فِي الدِّينِ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ مُعَاوِيَةُ سَمِعْتُ هَؤُلاَءِ الْكَلِمَاتِ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى هَذِهِ الأَعْوَادِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৮. মুহম্মদ ইবনে কাব কুরাযী (রহঃ) হইতে বর্ণিত, মুয়াবিয়া (রাঃ) মিস্বরে দাঁড়াইয়া বলিয়াছেন, হে মানুষ! তোমরা জানিয়া রাখ, যাহা আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে দান করিবেন কেহই তাহা বাধা দিতে পারিবে না। আর তিনি যাহা দান না করিবেন উহা কেহই দান করিতে পারবে না। আর কোন মালদারকে তাহার মাল আল্লাহর আযাব হইতে রক্ষা করিতে পারিবে না। আল্লাহ তা’আলা যাহার ভাল চান তাহাকে দীনের জ্ঞান দান করেন। অতঃপর বলিলেন, আমি এই কথাগুলি এই কাঠের (মিম্বর) উপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলিতে শুনিয়াছি।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৬৩১অধ্যায় ৪৬, নং ৯
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّهُ كَانَ يُقَالُ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي خَلَقَ كُلَّ شَىْءٍ كَمَا يَنْبَغِي الَّذِي لاَ يَعْجَلُ شَىْءٌ أَنَاهُ وَقَدَّرَهُ حَسْبِيَ اللَّهُ وَكَفَى سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ دَعَا لَيْسَ وَرَاءَ اللَّهِ مَرْمَى ‏.‏
রেওয়ায়ত ৯. মালিক (রহঃ) বলেন, আমার নিকট এই মর্মে রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, সাহাবীদের যুগে বলা হইত, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি প্রতিটি বস্তু যেভাবে ইচ্ছা সৃষ্টি করিয়াছেন, তাহা দ্বারা যে সময় নির্দিষ্ট হইয়াছে উহার পূর্বে কিছুই হইতে পারে না। আল্লাহ্ই আমার জন্য যথেষ্ট। যে ব্যক্তি আল্লাহকে ডাকে, আল্লাহ্ তাহার কথা শুনিয়া থাকেন। আল্লাহ ব্যতীত এমন কেহ নাই যাহার নিকট দুআ করা যাইতে পারে, যাহার নিকট কিছু আশা করা যাইতে পারে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Maqtu DaifSalim al-Hilali
নং ১৬৩২অধ্যায় ৪৬, নং ১০
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّهُ كَانَ يُقَالُ إِنَّ أَحَدًا لَنْ يَمُوتَ حَتَّى يَسْتَكْمِلَ رِزْقَهُ فَأَجْمِلُوا فِي الطَّلَبِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১০. মালিক (রহঃ)-এর নিকট এই হাদীস পৌছিয়াছে যে, সাহাবীদের যুগে বলা হইত, স্বীয় রিযিক পূর্ণ করার পূর্বে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হইতে পারে না। অতএব ধৈর্য সহকারে জীবিকা অন্বেষণ কর অর্থাৎ এই ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করিও না। জীবিকা অন্বেষণে এত লাগিয়া যাইও না যাহাতে আল্লাহকেও ভুলিয়া যাইতে হয়, হালাল হারামের পার্থক্য থাকে না। যাহা নির্দিষ্ট আছে তাহাই পাইবে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Maqtu DaifSalim al-Hilali

আরবি পাঠ, নম্বর, অধ্যায়ের নাম ও মান — সবই একটি উন্মুক্ত ডেটাসেটে (hadith-api) যেমন আছে হুবহু তেমন দেখানো হয়েছে। সাবীল এখনও এর নির্ভুলতা বা স্বত্ব যাচাই করেনি, আর আলেমদের পর্যালোচনাও শুরু হয়নি। ততদিন কোনো বর্ণনার ওপর নির্ভর করার আগে ছাপা সংস্করণের সাথে মিলিয়ে নিন।