মূল অংশে যান
ব্যাখ্যাসহ হাদীস

মদপানের শাস্তি

৪টি হাদীস

যে সকল পানীয় নেশা সৃষ্টি করে, তা হারাম।

عن عائشة رضي الله عنها: «أَنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم سُئِل عن الْبِتْعِ؟ فقال: كل شَرَابٍ أَسْكَر فهو حَرَامٌ».
‘আয়িশাহ রাদয়িাল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে সকল পানীয় নেশা সৃষ্টি করে, তা হারাম।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মধুর পানীয় মদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি একটি সামগ্রিক ও ব্যাপক উত্তর দেন। যার সারমর্ম হলো নামের ভিন্নতার কোন গুরুত্ব নাই যতক্ষণ পর্যন্ত তার উদ্দেশ্য ও বাস্তবতা এক হবে। সুতরাং যে সকল পানীয় নেশা সৃষ্টি করে, তাই মদ, হারাম। যেখান থেকেই তা নেওয়া হোক। এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অল্প শব্দে অনেক অর্থবোধক বাক্যসমূহের একটি বাক্য এবং স্বীয় রবের পক্ষ থেকে তার সুন্দর বর্ণনা। এ কারণেই তার আগমনের সময় এমন ইলমের আর্বিভাব হয় যা দুনিয়া ও আখিরাতে মানবতার জন্য কল্যাণকর ছিল।

সূত্র

- صحيح البخاري، تحقيق: محمد زهير بن ناصر الناصر، ط1، دار طوق النجاة (مصورة عن السلطانية بإضافة ترقيم: محمد فؤاد عبد الباقي)، 1422ه. - صحيح مسلم، تحقيق: محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت، 1423 هـ - عمدة الأحكام من كلام خير الأنام صلى الله عليه وسلم لعبد الغني المقدسي، دراسة وتحقيق: محمود الأرناؤوط، مراجعة وتقديم: عبد القادر الأرناؤوط، ط2، دار الثقافة العربية، دمشق ، بيروت، مؤسسة قرطبة، 1408 هـ - تأسيس الأحكام للنجمي، ط2، دار علماء السلف، 1414هـ. - الإلمام بشرح عمدة الأحكام لإسماعيل الأنصاري، ط1، دار الفكر، دمشق، 1381ه - تيسير العلام شرح عمدة الأحكام للبسام، حققه وعلق عليه وخرج أحاديثه وصنع فهارسه: محمد صبحي بن حسن حلاق، ط10، مكتبة الصحابة، الإمارات - مكتبة التابعين، القاهرة، 1426 هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

মদ হারাম হওয়ার বিধান নাযির হয়েছে। আর তা পাঁচটি জিনিষ থেকে হয়ে থাকে। আঙ্গুর, খেজুর, মধু, গম ও জব থেকে।

عن عَبْدُ الله بن عمر رضي الله عنهما أن عمر قال -على منبر رسول الله- صلى الله عليه وسلم : "أما بعد، أيها الناس، إنه نزل تحريم الخمر وهي من خمسة: مِنَ العنب، والتمر، والعسل، والحنطة، والشعير. والخمر: مَا خَامَرَ العَقْلَ. ثَلاثٌ وَدِدْتُ أَنَّ رَسُولَ الله صلى الله عليه وسلم كَانَ عَهِدَ إلَيْنَا فِيهَا عَهْداً نَنْتَهِي إلَيْهِ: الجَدُّ، والكَلالَةُ، وأَبْوَابٌ مِنَ الرِّبَا".
আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মিম্বারে আরোহণ করে ওমর বলেন, অতঃপর: হে মানব সকল, মদ হারাম হওয়ার বিধান নাযির হয়েছে। আর তা পাঁচটি জিনিষ থেকে তৈরি হয়: আঙ্গুর, খেজুর, মধু, গম ও জব। আর মদ বলা হয় যা আকলকে লুকিয়ে ফেলে। তিনটি বিষয়ে আমি খুব চেয়েছি যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে তাতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিয়ে দিতেন, যার দিকে গিয়ে আমরা ক্ষান্ত হতাম: দাদা, সন্তানহীন ব্যক্তি যার কোন মাতা-পিতা নেই এবং সুদের কতক অধ্যায়।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

উমার উবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু রাসূলের মসজিদে তার মিম্বারে আরোহণ করে এ ভাষণ দেন। আর তিনি তাতে বলেন যে, মদ বলা হয় যা আকলকে লুকিয়ে ফেলে। সুতরাং মদ শুধু আঙ্গুরের সাথে খাস নয়, বরং মদ হলো নেশাজাত পানীয় যা খেজুর, মধু ও জব থেকে তৈরি হয়। তারপর উমার রাদিয়াল্লাহু উল্লেখ করেন যে, তিনটি মাস‘আলা তার নিকট অস্পষ্ট। সে আশা করে যে, যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ তিনটি মাসআলার ক্ষেত্রে কোন সুস্পষ্ট প্রতিশ্রতি প্রদান করতেন যার দিকে উম্মত ফিরে যেত। আর তা হলো দাদার মীরাস, সন্তানহীন ব্যক্তি যার কোন সন্তান বা মাতা-পিতা নেই তার মীরাস এবং সূদের কতক অধ্যায়। আল-হামদুলিল্ললাহ এ তিনটি মাস‘আলার বিধান অবশ্যই জানা। এর অর্থ এ নয় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এগুলোর বিধান স্পষ্ট করে বর্ণনা করেননি। বরং তিনি রিসালাতকে পূর্ণ করেছেন এবং আমানতকে আদায় করেছেন। আর আল্লাহর পক্ষ থেকে যা এর চেয়েও কম গুরুত্বপূর্ণ ও গোপন তাও তিনি পৌঁছিয়েছেন। কিন্তু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু চাইলেন, এ বিষয়ে সুস্পষ্ট সরাসরি বর্ণনা যাতে কোন ইজতিহাদের সুযোগ না থাকে।

সূত্র

صحيح البخاري، محمد بن إسماعيل البخاري الجعفي، تحقيق: محمد زهير الناصر، دار طوق النجاة (مصورة عن السلطانية بإضافة ترقيم: محمد فؤاد عبد الباقي)، الطبعة: الأولى 1422هـ. صحيح مسلم، مسلم بن الحجاج القشيري النيسابوري، تحقيق محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت، الطبعة: 1423هـ. تأسيس الأحكام، أحمد بن يحيى النجمي، دار علماء السلف، الطبعة: الثانية 1414هـ. تيسير العلام شرح عمدة الأحكام، عبد الله بن عبد الرحمن البسام، تحقيق: محمد صبحي حلاق، مكتبة الصحابة، الإمارات، مكتبة التابعين، القاهرة، الطبعة: العاشرة 1426هـ. عمدة الأحكام من كلام خير الأنام -صلى الله عليه وسلم- لعبد الغني المقدسي، دراسة وتحقيق: محمود الأرناؤوط، مراجعة وتقديم: عبد القادر الأرناؤوط، دار الثقافة العربية، دمشق، بيروت، مؤسسة قرطبة، الطبعة: الثانية 1408هـ. المعجم الوسيط، مجمع اللغة العربية بالقاهرة، (إبراهيم مصطفى، أحمد الزيات، حامد عبد القادر، محمد النجار)، الناشر: دار الدعوة.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

একজন মদ পানকারীকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট নিয়ে আসলে তিনি বললেন, “তোমরা তাকে প্রহার কর”।

عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: أُتِي النبي صلى الله عليه وسلم برجل قد شَرِب خمرا، قال: «اضربوه». قال أبو هريرة: فمنا الضارب بيده، والضارب بنعله، والضارب بثوبه، فلما انصرف، قال بعض القوم: أخزاك الله، قال: «لا تقولوا هكذا، لا تُعِينُوا عليه الشيطان».
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফূ‘ সনদে বর্ণিত: “একজন মদ পানকারীকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট নিয়ে আসলে তিনি বললেন, “তোমরা তাকে প্রহার কর”। তারপর আমাদের কেউ হাত দিয়ে, কেউ জুতা দিয়ে, কেউ কাপড় দিয়ে তাকে প্রহার করল। যখন সে ফিরে যাচ্ছিল তখন উপস্থিত কেউ বলল, আল্লাহ তোমাকে লাঞ্ছিত করুন। রাসূল বললেন, “এমন কথা বলো না, তার বিপক্ষে শয়তানকে সাহায্য করো না।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

হাদীসের অর্থ: সাহাবীগণ একজন লোককে রাসূলের কাছে নিয়ে আসেন যে মদ পান করেছে। রাসূল তাকে প্রহার করার নির্দেশ দিলে সাহাবীগণ তাকে মারল। কেউ কেউ মারার কোনো হাতিয়ার না নিয়ে হাত দিয়ে মারল, কেউ কেউ তাকে জুতা দিয়ে মারল। যাতে তার দ্বারা অন্যরা উপদেশ গ্রহণ করে। আবার কেউ কেউ কাপড় দিয়ে প্রহার করল। তবে তারা কেউ লাঠি, যা শাস্তি প্রয়োগ করতে ব্যবহার করা হয় তা, ব্যবহার করেনি। অপর একটি বর্ণনায় এসেছে, তিনি বিশ জন লোককে নির্দেশ দিলেন। তাদের প্রত্যেকে খেজুরের ডাল ও জুতা দিয়ে তাকে দুটি করে আঘাত করে। এ দ্বারা এ ব্যাখ্যা করা যায় যে, তার শাস্তি চল্লিশ বেত্রাঘাত। খুলাফায়ে রাশেদীন কর্তৃক আরও বেশি শাস্তির যে বর্ণনা এসেছে, তা হলো ইমামের পক্ষ থেকে তার জন্য অনির্ধারিত শাস্তিস্বরূপ। অতঃপর যখন মানুষ তাকে আঘাত করা শেষ করল, তাদের কেউ কেউ তার জন্য বদ-দো‘আ করতে লাগলো এবং অপমান অপদস্থের জন্য দো‘আ করল। অর্থাৎ মানুষের মাঝে বে-ইজ্জত হওয়া, লাঞ্ছিত এবং অপদস্থ হওয়ার দো‘আ করল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা এমন কথা বলো না। তার বিরুদ্ধে শয়তানকে সাহায্য করো না। কারণ, যখন তারা তার জন্য অপমানের দো‘আ করবে হতে পারে তা কবুল হবে। তাতে শয়তান তার টার্গেটে পৌঁছে যাবে, তার উদ্দেশ্য সফল হবে। এমনকি অপরাধী শাস্তি পাওয়া সত্বেও তা থেকে দূরে থাকবে না।

সূত্র

- صحيح البخاري، للإمام أبي عبد الله محمد بن إسماعيل البخاري، عناية محمد زهير الناصر، دار طوق النجاة، الطبعة الأولى، 1422هـ. - كنوز رياض الصالحين، حمد بن ناصر العمار، دار كنوز إشبيليا، الطبعة الأولى، 1430ه. - شرح رياض الصالحين، للشيخ محمد بن صالح العثيمين، مدار الوطن، الرياض، 1426هـ. - دليل الفالحين لطرق رياض الصالحين، لمحمد بن علان الشافعي، تحقيق خليل مأمون شيحا، دار المعرفة، بيروت، الطبعة الرابعة، 1425ه. - بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين، تأليف سليم الهلالي، دار ابن الجوزي، الطبعة الأولى، 1418ه. - نزهة المتقين شرح رياض الصالحين، تأليف د. مصطفى الخِن وغيره، مؤسسة الرسالة، بيروت، الطبعة الرابعة عشرة، 1407هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

“তাকে লা’নত করো না। আল্লাহর কসম! আমি জানি যে, সে আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলকে ভালবাসে”।

عَنْ عُمَرَ بْنِ الخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: أَنَّ رَجُلًا عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ اسْمُهُ عَبْدَ اللَّهِ، وَكَانَ يُلَقَّبُ حِمَارًا، وَكَانَ يُضْحِكُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ جَلَدَهُ فِي الشَّرَابِ، فَأُتِيَ بِهِ يَوْمًا فَأَمَرَ بِهِ فَجُلِدَ، فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ القَوْمِ: اللَّهُمَّ الْعَنْهُ، مَا أَكْثَرَ مَا يُؤْتَى بِهِ؟ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لاَ تَلْعَنُوهُ، فَوَاللَّهِ مَا عَلِمْتُ أَنَّهُ يُحِبُّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ».
‘উমার ইবনুল খত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক লোক যার নাম ছিল ’আবদুল্লাহ্ আর ডাকনাম ছিল হিমার। এ লোকটি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হাসাত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শরাব পান করার অপরাধে তাকে বেত্রাঘাত করেছিলেন। একদিন তাকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আনা হল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে চাবুক মারার আদেশ দিলেন। তাকে চাবুক মারা হল। তখন দলের মাঝ থেকে এক লোক বলল, হে আল্লাহ্! তার উপর লা’নত বর্ষণ করুন! নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তাকে কতবার যে আনা হল! তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “তাকে লা’নত করো না। আল্লাহর কসম! আমি জানি যে, সে আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলকে ভালবাসে”।
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর যুগে একজন ব্যক্তি ছিলেন, যার নাম ছিল আবদুল্লাহ। তাঁকে “হিমার” (গাধা) নামে ডাকত লোকে। তিনি মাঝে মাঝে এমন কথা বলতেন, যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে হাসাতো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে মদ পান করার কারণে বেত্রাঘাত করেছেন। একদিন তাকে মদ্যপ অবস্থায় ধরে আনা হয়, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার ব্যাপারে নির্দেশ দেন, ফলে তাকে বেত্রাঘাত করা হয়। তখন উপস্থিতদের একজন তাকে গালি দিয়ে বলল: আল্লাহ তাকে লানত করুন! কতবারই না তাকে মদ পান করা অবস্থায় আনা হয়েছে?! তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা তাকে আল্লাহর রহমত থেকে বিতাড়িত হওয়ার বদদোয়া করো না। আল্লাহর কসম! আমি তো তাকে এমনই জানি যে, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসে।

শিক্ষা
  1. নিষিদ্ধ কাজ করা আর সেই ব্যক্তির অন্তরে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ভালোবাসা থাকা—এ দুটির মধ্যে কোনো বিরোধ নেই; কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওই ব্যক্তির পক্ষেই সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসে, যদিও তার কাছ থেকে যা সংঘটিত হওয়ার হয়েছে।
  2. বড় পাপে লিপ্ত ব্যক্তি যদি কোন একটি পাপে অভ্যস্ত থেকে মারা যায়, তাহলে সে আল্লাহর ইচ্ছার অধীন। আল্লাহ যদি চান, তাকে ক্ষমা করবেন এবং যদি চান, তাকে শাস্তি দেবেন। আর কোন মুসলিম চিরকাল জাহান্নামে থাকবে না।
  3. নির্দিষ্ট কোনো মদপানকারীকে অভিশাপ দেওয়া মাকরুহ; কারণ এমন কোনো বাধা থাকতে পারে, যা তার ওপর লানত কার্যকর হওয়া থেকে তাকে রক্ষা করবে। তাছাড়া, কাউকে নির্দিষ্ট করে লানত করা বা তার উপর বদদোয়া করা তাকে গুনাহে আরও অব্যাহত থাকতে উৎসাহিত করতে পারে, অথবা সে তাওবা কবুল হওয়ার ব্যাপারে হতাশ হতে পারে।
  4. মদ পানে লিপ্ত ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট না করে অভিশাপ দেওয়া জায়েয।
সূত্র

صحيح البخاري (8/ 158) (6780). إرشاد الساري لشرح صحيح البخاري (9/ 452). البحر المحيط الثجاج في شرح صحيح الإمام مسلم بن الحجاج (29/ 394).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

এখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com