বাক্যের ক্রম, আর আয়াতে পড়া আটটি শব্দ
আগে আসা ক্রিয়া একবচন থাকে, আর দ্বীনের অর্থ বহন করা আরও আটটি শব্দ, যাদের অর্থ কোর্স নিজে দেয় না।
এআই-এর লেখা ও যাচাই করা
এই পাঠগুলো এআই লিখেছে এবং এআই-ই যাচাই করেছে; আরবির কোনো শিক্ষক এখনও এগুলো পড়েননি। আয়াত, সেগুলোর অর্থ ও প্রতিটি শব্দের বিশ্লেষণ নিজ নিজ উৎস থেকে নেওয়া, আর যেখানে দেখানো হয় সেখানে উৎসের নাম দেওয়া আছে।
- পুরোপুরি জানা কুরআনের শব্দ
- ৬৫.৬%
- এ পর্যন্ত শেখানো কুরআনের শব্দাংশ
- ৭৯.২%
Quranic Arabic Corpus থেকে গোনা: কোনো শব্দের প্রতিটি অংশ শেখানো হয়ে গেলে শব্দটি পুরোপুরি জানা ধরা হয়। এই সংখ্যাগুলো বলে আপনি কোন শব্দগুলোর দেখা পেয়েছেন, আপনি কতটা বোঝেন তা নয়।
এটি প্রথম ধাপের শেষ পাঠ। এতে ক্রিয়াসহ বাক্য সম্পর্কে আরও একটি কথা, আর, বিংশ পাঠের মতো, দ্বীনের অর্থ বহন করা বহুল ব্যবহৃত শব্দগুলোর আটটি। কোর্স নিজে থেকে এদের কোনো অর্থ দেয় না: আপনি আয়াতে, সংস্করণের অর্থ পাশে রেখে, তা পড়বেন। অর্থ ছাড়া যা শেখানো যায় তা হলো এদের অক্ষর, ধাতুমূল, আর বাক্যে এদের অবস্থান।
নতুন শব্দ
- إِلَٰهকুরআন যেভাবে লেখে: إِلَٰهَ · إِلَٰهٌ · إِلَٰهًا
এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।
ধাতুমূল: ا ل هকুরআনে কতবার: ১৪৭
- عَبْدকুরআন যেভাবে লেখে: عِبَادِ · عِبَادَ · عَبْدِ
এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।
ধাতুমূল: ع ب دকুরআনে কতবার: ১৩১
- عَبَدَকুরআন যেভাবে লেখে: ٱعْبُدُ · تَعْبُدُ · يَعْبُدُ
এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।
ধাতুমূল: ع ب دকুরআনে কতবার: ১২২
- رَّحِيمকুরআন যেভাবে লেখে: رَّحِيمٌ · رَّحِيمُ · رَّحِيمًا
এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।
ধাতুমূল: ر ح مকুরআনে কতবার: ১১৬
- رَحْمَةকুরআন যেভাবে লেখে: رَحْمَةً · رَحْمَتِ · رَحْمَةٌ
এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।
ধাতুমূল: ر ح مকুরআনে কতবার: ১১৪
- صَلَوٰةকুরআন যেভাবে লেখে: صَّلَوٰةَ · صَّلَوٰةِ · صَلَاتِ
এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।
ধাতুমূল: ص ل وকুরআনে কতবার: ৮৩
- دِينকুরআন যেভাবে লেখে: دِّينِ · دِينِ · دِّينَ
এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।
ধাতুমূল: د ي نকুরআনে কতবার: ৯২
- آخِرকুরআন যেভাবে লেখে: ءَاخِرَةِ · ءَاخِرِ · ءَاخِرَةَ
এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।
ধাতুমূল: ا خ رকুরআনে কতবার: ১৫৫
বিংশ পাঠের মতো একই কারণে তালিকায় এদের কোনো অর্থ নেই।
আগে আসা ক্রিয়া একবচন থাকে
ষষ্ঠ পাঠে যেমন দেখেছেন, আরবি বেশির ভাগ সময় ক্রিয়া আগে, কর্তা পরে বসায়। পরে উল্লেখ করা কর্তা বহুবচন হলেও ক্রিয়া একবচন থাকে।
- يَصْدُرُ
ইয়াসদুরু: করপাস একে তৃতীয় পুরুষ, পুংলিঙ্গ, একবচন হিসেবে চিহ্নিত করে।
- ٱلনির্দিষ্টবাচক: ইংরেজির the-এর মতো
- نَّاسُমানুষ
পরের শব্দ আন-নাসু এর কর্তা: করপাস একে পুংলিঙ্গ বহুবচন, কর্তৃপদে, চিহ্নিত করে। তাই একবচন ক্রিয়ার কর্তা বহুবচন।
ছেলেরা ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।
এই বাক্যটি অনুশীলনের জন্য লেখা। খারাজাল-আওলাদু: "বেরিয়ে গেল", তারপর "ছেলেরা"। খারাজা-য় বহুবচনের কোনো শেষাংশ নেই।
ছেলেরা ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।
আল-আওলাদু খারাজূ: ছেলেদের বা পুরুষদের কথা আগে বলা হলে পরের ক্রিয়ায় তার নিজের কর্তা ঊ ("তারা") থাকে, ষষ্ঠ পাঠে যেমন শিখেছেন। দুটি বাক্য প্রায় একই কথা বলে; দ্বিতীয়টি যাদের নিয়ে কথা, তাদের আগে বলে।
‘-ব-দ ধাতুমূলের শব্দ
আবদ আর আবাদা-র ধাতুমূল একই, ‘-ব-দ।
- عَبْدًا
আবদান: অনির্দিষ্ট, কর্মপদে, তানবীন সহ।
- عِبَٰدِ
- ىআমাকে, আমার; আমি (ক্রিয়ার কর্তা হিসেবে)
ইবাদী হলো ইবাদ আর ঈ ("আমার"): করপাস ইবাদ-এর মূলশব্দ দেয় আবদ, আর একে পুংলিঙ্গ বহুবচন হিসেবে চিহ্নিত করে। এটি ভগ্ন বহুবচন।
- أَعْبُدُ
আ‘বুদু হলো আবাদা-র বর্তমান: ধাতুমূলের সামনে আ- ("আমি"), আর করপাস একে বর্তমান, উত্তম পুরুষ, একবচন হিসেবে চিহ্নিত করে।
র-হ-ম ধাতুমূলের শব্দ
রাহীম আর রাহমাহ-র ধাতুমূল একই, র-হ-ম। রাহীম একবিংশ পাঠের কালীল-এর ছাঁচে, আর রাহমাহ -আহ-তে শেষ।
- رَّحِيمٌ
রাহীমুন: অনির্দিষ্ট, কর্তৃপদে।
- ٱلনির্দিষ্টবাচক: ইংরেজির the-এর মতো
- رَّحْمَةُ
আর-রাহমাতু হলো আল- আর রাহমাহ, কর্তৃপদে। আল--এর ল লেখা হয়, আর পরের র-তে শাদ্দাহ থাকে।
আরও তিনটি
- إِلَٰهِ
ইলাহি হলো ইলাহ-এর সম্বন্ধ পদ, আর ইদাফা-র প্রথম বিশেষ্য: করপাস একে পুংলিঙ্গ একবচন হিসেবে চিহ্নিত করে।
- ٱلনির্দিষ্টবাচক: ইংরেজির the-এর মতো
- صَّلَوٰةَ
আস-সালাতা হলো আল- আর সালাহ, কর্মপদে। কুরআন একে ওয়াও-এর ওপর ছোট আলিফ দিয়ে লেখে, মুসহাফের নিজস্ব বানানের একটি, শূন্য ধাপের ত্রয়োদশ পাঠে শেখা।
- دِينُ
- كُمْতোমরা, তোমাদেরকে, তোমাদের (দুইয়ের বেশি জন)
দীনুকুম হলো দীনু আর কুম ("তোমাদের")।
একটি স্ত্রীলিঙ্গ রূপ
- وَএবং, ও
- لَজন্য, প্রতি, -এর (মালিকানা বোঝায়); যাতে (ক্রিয়ার আগে); নিশ্চয় (কিছু বাক্যে)
- لْনির্দিষ্টবাচক: ইংরেজির the-এর মতো
- ءَاخِرَةُ
ওয়া-লাল-আখিরাতু হলো ওয়া ("এবং"), তারপর লা- (জোর দেওয়ার লাম), তারপর আল-, তারপর আখিরাহ। করপাস এর মূলশব্দ দেয় আখির, আর একে স্ত্রীলিঙ্গ একবচন, কর্তৃপদে, চিহ্নিত করে: -আহ সহ সেই শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ।
পড়া
এই পাঠের পর যে শব্দগুলো আপনি পুরোপুরি জানেন, সেগুলো চিহ্নিত করা আছে।
এবং অল্প সংখ্যক হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে [১]।
Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1নিশ্চয় তিনি ছিলেন আমাদের মুমিন বান্দাদের অন্যতম।
Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1নিশ্চয় তারা উভয়ে ছিলেন আমাদের মুমিন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।
Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1মনে করুন
- ক্রিয়া আগে এলে আর কর্তা বহুবচন হলে ক্রিয়া কোন বচনে থাকে?
- ছেলেদের বা পুরুষদের কথা আগে বলা হলে ক্রিয়ায় কী যোগ হয়?
- আবদ আর আবাদা-র ধাতুমূল কী?
উত্তর: একবচনে; ঊ ("তারা"); ‘-ব-দ।
সংখ্যাগুলো কী বলে
কোর্সের পাতায় দেখা যায় কুরআনের শব্দের কত অংশ এ পর্যন্ত শেখানো হয়েছে, আর তার কত শব্দ আপনি পুরোটা চেনেন। কোনো শব্দের প্রতিটি অংশ শেখানো হলেই তা পুরোটা চেনা ধরা হয়, এই পাঠের আটটির মতো যে শব্দের অর্থ কোর্স দেয় না, তাও। এই হিসাব করপাস থেকে করা, এর বেশি কিছু নয়: এটি বলে না যে আপনি কুরআনের ততটা বোঝেন। প্রতিটি আয়াতের পাশে অর্থ রাখুন।
পরের পাঠ
পরের ধাপ শুরু হয় ধাতুমূল আর তার ওপর গড়া ছাঁচ দিয়ে।
শব্দ বিশ্লেষণ: Quranic Arabic Corpus 0.4 (Kais Dukes)