মূল অংশে যান
কুরআনের আরবি · সব পাঠ
ধাপ ১ · পাঠ ১৮

ক্রিয়ার ফর্ম, কর্মবাচ্য, আর আরও আটটি ক্রিয়া

আরও আটটি বহুল ব্যবহৃত ক্রিয়া, কর্মবাচ্য, আর করপাস যেভাবে চিহ্নিত করে সেভাবে ক্রিয়ার উদ্ভূত ফর্মগুলো।

এআই-এর লেখা ও যাচাই করা

এই পাঠগুলো এআই লিখেছে এবং এআই-ই যাচাই করেছে; আরবির কোনো শিক্ষক এখনও এগুলো পড়েননি। আয়াত, সেগুলোর অর্থ ও প্রতিটি শব্দের বিশ্লেষণ নিজ নিজ উৎস থেকে নেওয়া, আর যেখানে দেখানো হয় সেখানে উৎসের নাম দেওয়া আছে।

পুরোপুরি জানা কুরআনের শব্দ
৫১.৭%
এ পর্যন্ত শেখানো কুরআনের শব্দাংশ
৭০.৭%

Quranic Arabic Corpus থেকে গোনা: কোনো শব্দের প্রতিটি অংশ শেখানো হয়ে গেলে শব্দটি পুরোপুরি জানা ধরা হয়। এই সংখ্যাগুলো বলে আপনি কোন শব্দগুলোর দেখা পেয়েছেন, আপনি কতটা বোঝেন তা নয়।

একটি ধাতুমূল থেকে একাধিক ক্রিয়া হতে পারে। আরবি সেগুলো কয়েকটি ছাঁচে গড়ে; ইংরেজিতে লেখা ব্যাকরণ এদের ফর্ম বলে আর এক থেকে দশ পর্যন্ত সংখ্যা দেয়। করপাস প্রতিটি ক্রিয়ার ফর্ম চিহ্নিত করে। এই পাঠে আটটি ক্রিয়া, যার কয়েকটি প্রথম ফর্ম ছাড়া অন্য ফর্মে, আর কর্মবাচ্য।

নতুন শব্দ

  • ٱتَّخَذَকুরআন যেভাবে লেখে: ٱتَّخَذُ · ٱتَّخَذَ · تَتَّخِذُ

    নিজের জন্য গ্রহণ করা (ইত্তাখাযা: সে গ্রহণ করল)

    ধাতুমূল: ا خ ذকুরআনে কতবার: ১২৪

  • ظَلَمَকুরআন যেভাবে লেখে: ظَلَمُ · يَظْلِمُ · يُظْلَمُ

    অন্যায় করা, জুলুম করা (যালামা: সে অন্যায় করল)

    ধাতুমূল: ظ ل مকুরআনে কতবার: ১১০

  • كَذَّبَকুরআন যেভাবে লেখে: كَذَّبُ · تُكَذِّبَ · كَذَّبَ

    এখানে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি: এই শব্দটি দ্বীনকে বহন করে, এবং এর অর্থ পড়তে হয় আয়াতগুলোতে, পাশে দেওয়া অর্থসহ।

    ধাতুমূল: ك ذ بকুরআনে কতবার: ১৭৬

  • أَخْرَجَকুরআন যেভাবে লেখে: أَخْرَجَ · يُخْرِجُ · أَخْرَجْ

    বের করা (আখরাজা: সে বের করল)

    ধাতুমূল: خ ر جকুরআনে কতবার: ৯৯

  • قَتَلَকুরআন যেভাবে লেখে: تَقْتُلُ · يَقْتُلُ · ٱقْتُلُ

    হত্যা করা (কাতালা: সে হত্যা করল)

    ধাতুমূল: ق ت لকুরআনে কতবার: ৮৩

  • رَجَعَকুরআন যেভাবে লেখে: تُرْجَعُ · يَرْجِعُ · يُرْجَعُ

    ফিরে যাওয়া, ফেরা (রাজা‘আ: সে ফিরল)

    ধাতুমূল: ر ج عকুরআনে কতবার: ৭৯

  • وَعَدَকুরআন যেভাবে লেখে: وَعَدَ · تُوعَدُ · يُوعَدُ

    প্রতিশ্রুতি দেওয়া (ওয়া‘আদা: সে প্রতিশ্রুতি দিল)

    ধাতুমূল: و ع دকুরআনে কতবার: ৭০

  • تَوَلَّىٰকুরআন যেভাবে লেখে: تَوَلَّ · تَوَلَّىٰ · يَتَوَلَّ

    মুখ ফিরিয়ে নেওয়া (তাওয়াল্লা: সে মুখ ফিরিয়ে নিল)

    ধাতুমূল: و ل يকুরআনে কতবার: ৭৮

এদের একটি, কায্যাবা, কুরআনের ব্যবহারে দ্বীনের অর্থ বহন করে: কোর্স নিজে থেকে এর কোনো অর্থ দেয় না, আয়াতে পড়ুন, পাশে সংস্করণের অর্থ দেওয়া আছে।

ক্রিয়ার ফর্ম

فَكَذَّبَ
এর অংশগুলো
  1. فَতারপর, ফলে, সুতরাং
  2. كَذَّبَ
কুরআন ৭৯:২১

কায্যাবা তার ধাতুমূল ক-য-ব-এর মাঝের অক্ষরকে দ্বিত্ব করে। করপাস একে দ্বিতীয় ফর্ম হিসেবে চিহ্নিত করে।

وَأَخْرَجَ
এর অংশগুলো
  1. وَএবং, ও
  2. أَخْرَجَবের করা (আখরাজা: সে বের করল)
কুরআন ৭৯:২৯

আখরাজা ("বের করল") ধাতুমূল খ-র-জ-এর সামনে আ- বসায়। করপাস একে চতুর্থ ফর্ম হিসেবে চিহ্নিত করে, আগের পাঠের আরাদা-র ফর্ম।

وَتَوَلَّىٰٓ
এর অংশগুলো
  1. وَএবং, ও
  2. تَوَلَّىٰٓমুখ ফিরিয়ে নেওয়া (তাওয়াল্লা: সে মুখ ফিরিয়ে নিল)
কুরআন ৮০:১

তাওয়াল্লা ("মুখ ফিরিয়ে নিল")-র সামনে তা-, আর মাঝের অক্ষর দ্বিত্ব। করপাস একে পঞ্চম ফর্ম হিসেবে চিহ্নিত করে।

ٱتَّخَذَ
এর অংশগুলো
  1. ٱتَّخَذَনিজের জন্য গ্রহণ করা (ইত্তাখাযা: সে গ্রহণ করল)
কুরআন ৭৮:৩৯

ইত্তাখাযা ("নিজের জন্য গ্রহণ করল")-র সামনে ই-, আর ধাতুমূলের প্রথম অক্ষরের পরে একটি ত। এর ধাতুমূল ’-খ-য, আর এখানে প্রথম অক্ষর হামযা নিজেই ত হয়ে গেছে, তাই ত দ্বিত্ব: ইত-তাখাযা। করপাস একে অষ্টম ফর্ম হিসেবে চিহ্নিত করে, একাদশ পাঠের ইত্তাবা‘আ ("অনুসরণ করল")-র ফর্ম।

কোর্সের পরের ধাপ এই ফর্মগুলো নিয়ে। আপাতত এটুকু দেখাই যথেষ্ট যে করপাস এদের নাম দেয়, আর ধাতুমূল একই থাকে।

কর্মবাচ্য

কর্মবাচ্যের ক্রিয়া বলে কী করা হলো, কে করল তা বলে না। অতীত রূপে এতে থাকে উ, তারপর ই: কাতালা ("হত্যা করল") হয় কুতিলা ("হত্যা করা হলো")।

قُتِلَ
এর অংশগুলো
  1. قُتِلَহত্যা করা (কাতালা: সে হত্যা করল)
কুরআন ৮০:১৭

করপাস কুতিলা-কে কর্মবাচ্য হিসেবে চিহ্নিত করে। "হত্যা করা হলো" রূপটির শব্দে শব্দে অর্থ; আয়াতটি কী বলে, তা সংস্করণের অর্থে পড়ুন, এই শব্দগুলো থেকে নয়।

একটি আদেশ

ٱرْجِعِىٓ
এর অংশগুলো
  1. ٱرْجِعِফিরে যাওয়া, ফেরা (রাজা‘আ: সে ফিরল)
  2. ىٓ
কুরআন ৮৯:২৮

ইরজি‘ঈ হলো রাজা‘আ ("ফেরা")-র আদেশ, কোনো নারীকে বলা: শেষে ঈ, একাদশ পাঠের মতো।

একটি বাক্যে

অনুশীলনের জন্য লেখা একটি বাক্য
رَجَعَ الْوَلَدُ إِلَى الْبَيْتِ

ছেলেটি ঘরে ফিরে গেল।

এই বাক্যটি অনুশীলনের জন্য লেখা। রাজা‘আল ওয়ালাদু ইলাল বাইতি: "ছেলেটি ঘরে ফিরে গেল", তৃতীয় পাঠের ইলা দিয়ে।

পড়া

এই পাঠের পর যে শব্দগুলো আপনি পুরোপুরি জানেন, সেগুলো চিহ্নিত করা আছে।

أَفَرَءَيْتَ (জানা) ٱلَّذِى (জানা) تَوَلَّىٰ (জানা)

আপনি কি দেখেছেন সে ব্যক্তিকে যে মুখ ফিরিয়ে নেয়;

Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1
কুরআন ৫৩:৩৩
وَلَـٰكِن (জানা) كَذَّبَ (জানা) وَتَوَلَّىٰ (জানা)

বরং সে মিথ্যারোপ করেছিল এবং মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল।

Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1
কুরআন ৭৫:৩২
ٱلَّذِى (জানা) كَذَّبَ (জানা) وَتَوَلَّىٰ (জানা)

যে মিথ্যারোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয় [১]।

Bengali Translation - Abu Bakr Zakaria · QuranEnc.com · version 1.1.1
কুরআন ৯২:১৬

মনে করুন

  • কোন ফর্ম ধাতুমূলের মাঝের অক্ষর দ্বিত্ব করে?
  • কর্মবাচ্য অতীত কর্তৃবাচ্য থেকে কীভাবে আলাদা?
  • ইত্তাখাযা কোন ফর্ম?

উত্তর: দ্বিতীয় ফর্ম, আর সামনে তা- নিয়ে পঞ্চম ফর্ম; এতে থাকে উ, তারপর ই, যেমন কুতিলা; অষ্টম ফর্ম।

পরের পাঠ

পরের পাঠে আটটি বহুল ব্যবহৃত বিশেষ্য, আর তাদের দ্বিবচন ও ভগ্ন বহুবচন।