প্রতিটি বর্ণনার নিচে ডেটাসেটের নিজস্ব অনুবাদ হুবহু দেখানো হয়েছে। এতে অনুবাদকের নাম নেই, এর স্বত্ব যাচাই হয়নি, এবং কেউ এটি আরবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেননি; কিছু বর্ণনার অনুবাদ নেই। মূল পাঠ আরবি।
অনূদিত নববী হাদীসের বিশ্বকোষে (HadeethEnc.com) কোনো বর্ণনার হুবহু পাঠ থাকলে, তার অনুবাদ সেই বর্ণনার নিচে উৎসের নামসহ দেখানো হয়েছে। দুটিকে প্রোগ্রামের সাহায্যে, কেবল আরবি পাঠ দেখে মেলানো হয়েছে: বিশ্বকোষের হাদীসের পুরো পাঠ, তাতে উল্লেখিত সাহাবীর নামসহ, বর্ণনাটির শেষ অংশের সঙ্গে অক্ষরে অক্ষরে এক। এই মিল কেউ যাচাই করেননি, এবং সাবীলের পর্যালোচকেরা অনুবাদটি পরীক্ষা করেননি। মূল পাঠ আরবি।
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামিমী ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ ইবনু মুহাজির, কুতায়বাহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কেউ জুমুআর সালাতে আসতে মনস্থ করলে সে যেন গোসল করে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮২১, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারের উপর দাঁড়ানো অবস্থায় বলেনঃ তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জুমুআর সালাতে যায় সে যেন গোসল করে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮২২, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ . بِمِثْلِهِ .
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি ..... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামী ফাউন্ডেশন, ১৮২৪, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، حَدَّثَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، . أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، بَيْنَا هُوَ يَخْطُبُ النَّاسَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ دَخَلَ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَنَادَاهُ عُمَرُ أَيَّةُ سَاعَةٍ هَذِهِ فَقَالَ إِنِّي شُغِلْتُ الْيَوْمَ فَلَمْ أَنْقَلِبْ إِلَى أَهْلِي حَتَّى سَمِعْتُ النِّدَاءَ فَلَمْ أَزِدْ عَلَى أَنْ تَوَضَّأْتُ . قَالَ عُمَرُ وَالْوُضُوءَ أَيْضًا وَقَدْ عَلِمْتَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَأْمُرُ بِالْغُسْلِ .
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত একদা জুমুআর দিন উমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) জনগণের উদ্দেশে খুতবাহ দিচ্ছিলেন। এমতাবস্থায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণের মধ্যকার জনৈক ব্যক্তি প্রবেশ করলে উমর (রাযিঃ) তাকে ডেকে বলেন, এটা কোন সময়? তিনি বলেন, আমি আজ খুব ব্যস্ত ছিলাম এবং বাড়ীতে যাওয়ার অবসর পাইনি। এমতাবস্থায় আযান শুনতে পেলাম। তাই আমি ওযুর অতিরিক্ত কিছুই করতে পারিনি। উমর (রাযিঃ) বলেন, শুধু ওযুও চলে, তবে তুমি জান যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোসল করার নির্দেশ দিতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮২৫, ইসলামীক সেন্টার)
ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা জুমুআর দিন উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) লোকদের উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন। তখন উসমান ইবনু আফফান (রাযিঃ) প্রবেশ করেন। উমর (রাযিঃ) তার প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, লোকদের কী হ’ল যে, তারা আযানের পরও (মসজিদে আসতে) বিলম্ব করে। উসমান (রাযিঃ) বলেন, হে আমীরুল মু'মিনীন! আমি আযান শোনার পর ওযু করা ছাড়া অতিরিক্ত আর কিছু করিনি, অতঃপর এসে পৌছেছি। উমর (রাযিঃ) বলেন, ওযুও চলে তবে আপনারা কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেননি, তোমাদের কেউ যখন জুমু'আর সালাতে আসে সে যেন গোসল করে? (ইসলামী ফাউন্ডেশন, ১৮২৬, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، وَأَحْمَدُ بْنُ عِيسَى، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ جَعْفَرٍ، حَدَّثَهُ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ كَانَ النَّاسُ يَنْتَابُونَ الْجُمُعَةَ مِنْ مَنَازِلِهِمْ مِنَ الْعَوَالِي فَيَأْتُونَ فِي الْعَبَاءِ وَيُصِيبُهُمُ الْغُبَارُ فَتَخْرُجُ مِنْهُمُ الرِّيحُ فَأَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنْسَانٌ مِنْهُمْ وَهُوَ عِنْدِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَوْ أَنَّكُمْ تَطَهَّرْتُمْ لِيَوْمِكُمْ هَذَا " .
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী ও আহমাদ ইবনু ঈসা (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকজন তাদের বাড়ি-ঘর থেকে এবং মাদীনার উপকণ্ঠ থেকে জুমুআর সালাত আদায় করতে আসত। তারা আবা (এক প্রকার ঢিলা পোশাক) পরিধান করে আসত এবং তাতে ময়লা লেগে যেত। এতে তাদের দেহ নিৰ্গত ঘাম থেকে দুর্গন্ধ ছড়াত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা যদি তোমাদের দিনটিতে অধিক পবিত্রতা অর্জন করতে, তোমরা যদি এ দিনে পবিত্রতা অর্জন করতে! (ইসলামী ফাউন্ডেশন, ১৮২৮, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকজন ছিল শ্রমজীবী। তাদের কাজের জন্য বিকল্প লোক ছিল না। তাদের (ঘৰ্মাক্ত) দেহে দুৰ্গন্ধ ছড়াত। তাই তাদের বলা হ'ল, তোমরা যদি জুমুআর দিন গোসল করতে! (ইসলামী ফাউন্ডেশন, ১৮২৯, ইসলামীক সেন্টার)
আমর ইবনু সাওওয়াদ আল আমির (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জুমু'আর দিন প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির গোসল ও মিসওয়াক করা কর্তব্য এবং সামর্থ্য থাকলে সে যেন সুগন্ধি ব্যবহার করে। অধস্তন বর্ণনাকারী বুকায়র আবদুর রহমান-এর উল্লেখ করেননি এবং সুগন্ধির ব্যাপারে তার বর্ণনায় আছেঃ "এমনকি স্ত্রীর সুগন্ধি থেকে হলেও।” (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৩০, ইসলামীক সেন্টার)
হাসান আল হুলওয়ানী, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি জুমুআর দিন গোসল সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী উল্লেখ করেছেন। তাউস (রহঃ) বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে বললাম, সে সুগন্ধি ব্যবহার করবে, না তৈল ব্যবহার করবে, যদি তা তার পরিবারের মওজুদ থাকে? তিনি বলেন, আমি তা জানি না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৩১, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন প্রত্যেক মুসলিমদের ওপর আল্লাহর অধিকার এই যে, সে প্রতি সাতদিন অন্তর গোসল করবে, মাথা ও দেহ ধৌত করবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৩৩, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিন নাপাকী থেকে ফরজ গোসলের ন্যায় গোসল করে এবং প্রথম প্রহরে মসজিদে গমন করে সে যেন একটি উট কুরবানী করল। আর যে ব্যক্তি দ্বিতীয় প্রহরে গমন করে সে যেন একটি গাভী কুরবানী করল। আর যে ব্যক্তি তৃতীয় প্রহরে গমন করে সে যেন একটি শিং বিশিষ্ট দুম্বা কুরবানী করল। আর যে ব্যক্তি চতুর্থ প্রহরে গমন করল সে যেন একটি মুরগী সাদকাহ করল। আর যে ব্যক্তি পঞ্চম প্রহরে গমন করল সে যেন একটি ডিম সাদকাহ পেশ করল। পরে ইমাম যখন বের হন তখন ফিরেশ্তারা খুৎবা শ্রবণের জন্য উপস্থিত হন”।
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, কুতীয়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআর দিন সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে বলেনঃ তাতে এমন একটি মুহুর্ত আছে যখন কোন মুসলিম বান্দা সালাতরত অবস্থায় আল্লাহর নিকট কিছু প্রার্থনা করলে অবশ্যই তিনি তাকে তা দান করেন। কুতায়বাহ (রাযিঃ)-এর বর্ণনায় আরো আছেঃ তিনি তার হাত দ্বারা মুহুর্তটির স্বল্পতার প্রতি ইঙ্গিত করেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৩৯, ইসলামীক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জুমুআর মধ্যে অবশ্যই এমন একটি মুহুর্ত আছে যখন কোন মুসলিম সালাতরত অবস্থায় আল্লাহর নিকট কল্যাণ প্রার্থনা করে তিনি নিশ্চয়ই তাকে তা দান করেন। তিনি তার হাত দ্বারা সে মুহুর্তটির স্বল্পতার প্রতি ইঙ্গিত করেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৪০, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَلاَّمٍ الْجُمَحِيُّ، حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ، - يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ - عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " إِنَّ فِي الْجُمُعَةِ لَسَاعَةً لا يُوَافِقُهَا مُسْلِمٌ يَسْأَلُ اللَّهَ فِيهَا خَيْرًا إِلاَّ أَعْطَاهُ إِيَّاهُ " . قَالَ وَهِيَ سَاعَةٌ خَفِيفَةٌ
আবদুর রহমান ইবনু সাল্লাম আল জুমাহী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, জুমুআর দিনের মধ্যে অবশ্যই এমন একটি মুহুর্ত আছে যখন কোন মুসলিম আল্লাহর নিকট কল্যাণ প্রার্থনা করে নিশ্চয়ই তিনি তাকে তা দান করেন। তিনি বলেনঃ সে মুহুর্তটি অতি স্বল্প। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৪৩, ইসলামীক সেন্টার)
আবুত তহির, আলী ইবনু খশরাম, হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী ও আহমাদ ইবনু ঈসা (রহঃ) ... আবূ মূসা আল আশ'আর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি তোমার পিতাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে জুমুআর দিনের বিশেষ মুহুর্তটি সম্পর্কে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছ? বর্ণনাকারী বলেনঃ আমি বললাম, হ্যাঁ। আমি পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ ইমামের বসা থেকে সালাত শেষ করার মধ্যবর্তী সময়ের মধ্যে সে মুহুর্তটি নিহিত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সূর্য উদিত হওয়ার দিনগুলোর মধ্যে জুমুআর দিন সর্বোত্তম। এ দিন আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিন তাকে জান্নাতে দাখিল করা হয়েছে এবং এ দিন তাঁকে জান্নাত থেকে বের করে দেয়া হয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৪৬, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে দিনগুলোতে সূর্য উদিত হয়ে থাকে, তাদের মধ্যে সর্বত্তম হচ্ছে জুমু‘আর দিন। এদিনে আদামকে সৃষ্টি করা হয়েছিল, এ দিনে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছিল, এ দিনেই তাকে সেখান থেকে বের করা হয়েছিল। আর জুমু‘আর দিন ছাড়া কিয়ামত কায়েম হবে না।”
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমরা সর্বশেষ উম্মাত কিন্তু কিয়ামতের দিন আমরা হব অগ্রগামী। যদিও সকল উম্মাতকে কিতাব দেয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে, আর আমাদের কিতাব দেয়া হয়েছে সকল উম্মাতের শেষে অতঃপর যে দিনটি আল্লাহ আমাদের জন্য নির্ধারণ করেছেন, সেদিন সম্পর্কে তিনি আমাদের হিদায়াতও দান করেছেন। সেদিনের ব্যাপারে অন্যান্যরা আমাদের পিছনে রয়েছে, (যেমন) ইয়াহুদীরা (আমাদের) পরের দিন এবং খৃষ্টানরা তাদেরও পরেন দিন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৪৮, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও যুহারর ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমরা সবশেষে আগত উম্মাত, কিন্তু কিয়ামতের দিন আমরা হব সর্বগ্রবর্তী, আমরাই প্রথম জান্নাতে প্রবেশ করব। অথচ তাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে এবং আমাদেরকে তা দেয়া হয়েছে তাদের পরে। তারা বিরোধে লিপ্ত হয়ে পড়ল কিন্তু তারা যে সত্য দীনের ব্যাপারে বিরোধে লিপ্ত হয়েছিল, আল্লাহ আমাদেরকে সে দিন সম্পর্কে হিদায়াত দান করেছেন। তিনি বলেনঃ আমাদের জন্য আজকে জুমুআর দিন আর ইয়াহুদীদের জন্য পরের দিন এবং খৃষ্টানদের জন্য তারও পরের দিন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৫০, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، أَخِي وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ قَالَ هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " نَحْنُ الآخِرُونَ السَّابِقُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بَيْدَ أَنَّهُمْ أُوتُوا الْكِتَابَ مِنْ قَبْلِنَا وَأُوتِينَاهُ مِنْ بَعْدِهِمْ وَهَذَا يَوْمُهُمُ الَّذِي فُرِضَ عَلَيْهِمْ فَاخْتَلَفُوا فِيهِ فَهَدَانَا اللَّهُ لَهُ فَهُمْ لَنَا فِيهِ تَبَعٌ فَالْيَهُودُ غَدًا وَالنَّصَارَى بَعْدَ غَدٍ " .
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমরা সবশেষে আগত উম্মাত কিন্তু হিদায়াতের দিন থাকব সবার অগ্রবর্তী। অথচ তাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে আমাদের আগে এবং আমাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের পরে। এটি তাদের সেদিন যা তাদের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছিল, কিন্তু তারা এ দিনটি সম্পর্কে মতভেদে লিপ্ত হ'ল। আল্লাহ আমাদেরকে দিনটির ব্যাপারে হিদায়াত দান করেছেন। অতএব, তারা আমাদের পশ্চাদগামী, ইয়াহুদীরা পরের দিন (শনিবার) এবং খৃষ্টানরা তারও পরের দিন (রবিবার)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৫১, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ কুরায়ব ও ওয়াসিল ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তারা বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ আমাদের পূর্ববতীদেরকে জুমুআর দিন সম্পর্কে সঠিক পথের সন্ধান দেননি বিরোধে লিপ্ত হওয়ার কারণে। তাই ইয়াহুদীদের জন্য শনিবার এবং খৃষ্টানদের জন্য রবিবার জুমুআহ নির্ধারিত হয়েছে। আল্লাহ আমাদেরকে (পৃথিবীতে) আনলেন এবং আমাদেরকে জুমুআর দিনের সঠিক সন্ধান দিলেন। অতএব তিনি জুমু'আর দিন, শনিবার ও রবিবার এভাবে (বিন্যাস) করলেন, এভাবে তারা কিয়ামতের দিন আমাদের পশ্চাদবর্তী হবে। আমরা পৃথিবীবাসীর মধ্যে শেষে আগমনকারী উম্মত এবং কিয়ামতের দিন হ’ব সর্বপ্রথম। যাদের সমগ্র সৃষ্টির সর্বপ্রথম বিচার অনুষ্ঠিত হবে। অধস্তন বর্ণনাকার ওয়াসিল এর বর্ণনায় আছে "সকলের মধ্যে"। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৫২, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... হুযায়ফাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাদেরকে জুমুআর দিন সম্পর্কে সঠিক পথের সন্ধান দেয়া হয়েছে এবং আল্লাহ আমাদের পূর্ববর্তীদেরকে সঠিক পথের সন্ধান দেননি। ..... হাদীসের অবশিষ্ট বর্ণনা বর্ণনাকারী ইবনু ফুযায়ল এর বর্ণনার অনুরূপ। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৫৩, ইসলামীক সেন্টার)
আবূত ত্বহির, হারমালাহ ও আমর ইবনু সাওওয়াদ আল আমির (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জুমুআর দিন এলে মসজিদে যতগুলো দরজা আছে তার প্রতিটিতে মালাকগণ (ফেরেশতারা) নিযুক্ত হন এবং তারা আগমনকারীদের নাম ক্রমানুসারে নথি বন্ধ করেন। ইমাম যখন (মিম্বারে) বসেন তখন তারা নথিপত্র গুটিয়ে নিয়ে আলোচনা শোনায় চলে আসেন মসজিদে সর্বপ্রথম আগমনকারী মুসল্লী উট কুরবানীকারীর সমতুল্য, তৎপরে আগমনকারী গরু কুরবানীকারীর সমতুল্য, তৎপরে আগমনকারী মেষ কুরবানীকারীর সমতুল্য, অতঃপর আগমনকারী মুরগী কুরবানীকারীর সমতুল্য, তৎপরে আগমনকারী ডিম দানকারীর সমতুল্য নেকী পাবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৫৪, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মসজিদের দরজাগুলোর প্রতিটিতে একজন করে মালায়িকাহ নিয়োজিত থাকেন। তিনি আগমনকারীদের নাম (তাদের আগমনের) ক্রমানুসারে লিপিবদ্ধ করেন। মসজিদে সর্বপ্রথম আগমনকারী উট কুরবানীকারীর সমতুল্য ..... এভাবে পর্যায়ক্রমে তুলনা করা হয়েছে, এমনকি একটি ডিমের মতো ক্ষুদ্র বস্তু দানের তুলনা দিয়েছেন। ইমাম যখন (খুতবাহ দেয়ার উদ্দেশে মিম্বারে) বলেন তখন নথিপত্র গুটিয়ে ফেলা হয় এবং মালাকগণ (ফেরেশতামণ্ডলী) খুতবার আলোচনা শুনতে হাজির হন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৫৬, ইসলামীক সেন্টার)
উমাইয়্যাহ ইবনু বিস্তাম (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি গোসল করে জুমুআর সালাতে আসল, অতঃপর সাধ্যমত (সুন্নাত) সালাত আদায় করল, অতঃপর ইমামের খুতবাহ শেষ হওয়া পর্যন্ত নীরব থাকল, অতঃপর ইমামের সাথে (জুমুআর) সালাত আদায় করল, এতে তার দু' জুমুআর মধ্যকার দিনসমূহের এবং আরো তিন দিনের পাপ ক্ষমা করে দেয়া হয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৫৭, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অযূ করল, অতঃপর জুমু‘আ পড়তে এল এবং মনোযোগ সহকারে নীরব থেকে খুতবাহ শুনল, সে ব্যক্তির এই জুমআ ও (আগামী) জুমআর মধ্যেকার এবং অতিরিক্ত আরো তিন দিনের (ছোট) পাপসমূহ মাফ ক’রে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি (খুৎবাহ্ চলাকালীন সময়ে) কংকর স্পর্শও করল, সে অনর্থক কাজে লিপ্ত হল।”
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে জুমুআর সালাত আদায় করতাম, অতঃপর ফিরে আসতাম এবং আমাদের উষ্ট্রীগুলোকে বিশ্রাম দিতাম। অধস্তন বর্ণনাকারী হাসান বলেন, আমি উধ্বতন বর্ণনাকারী জাফার কে বললাম, সেটা কোন সময় হ’ত? তিনি বলেন, সূর্য চলে যাওয়ার সময়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৫৯, ইসলামীক সেন্টার)
কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা, আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান আদ দারিমী (রহঃ) ..... আবূ জাফার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন মুহুর্তে জুমুআর সালাত আদায় করতেন? তিনি বলেন, তিনি সালাত শেষ করার পর আমরা আমাদের উটের পালের নিকট যেতাম এবং সেগুলোকে বিশ্রাম দিতাম। অধস্তন বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ (রহঃ) এর বর্ণনায় আরো আছেঃ যখন সূর্য ঢলে যেত, অর্থাৎ- পানিবাহী উটগুলো (বিশ্রাম নিত)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬০, ইসলামীক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ ইবনু কা'নব ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও ‘আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... সাহল (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা জুমুআর সালাত আদায়ের পরই বিশ্রাম গ্রহণ করতাম এবং দুপুরের আহার করতাম। ইবনু হুজর (রহঃ) এর বর্ণনায় আরো আছে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬১, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... সালামাহ ইবনু আকওয়া (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সূর্য ঢলে যাওয়ার পর আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে জুমুআর সালাত আদায় করতাম, অতঃপর ছায়া অনুসরণ করতে করতে ফিরে আসতাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬২, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ إِيَاسِ بْنِ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْجُمُعَةَ فَنَرْجِعُ وَمَا نَجِدُ لِلْحِيطَانِ فَيْئًا نَسْتَظِلُّ بِهِ .
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... সালামাহ ইবনু আকওয়া (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে জুমুআর সালাত আদায়ের পর যখন ফিরে আসতাম তখন আমাদের ছায়া গ্রহণের উপযোগী প্রাচীরের কোন ছায়া পড়ত না (অর্থাৎ সূর্য ঢলে যাওয়ার পরপরই সালাত আদায় করা হত)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬৩, ইসলামীক সেন্টার)
উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার আল কাওয়ারীরী ও আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআর দিন দাঁড়িয়ে খুতবাহ দিতেন, অতঃপর বসতেন, অতঃপর দাঁড়াতেন, যেমন আজকাল তোমরা করে থাক। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬৪, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবাহ দিতেন, অতঃপর বসতেন, অতঃপর দাঁড়িয়ে আবার (দ্বিতীয়) খুতবাহ দিতেন। যে ব্যক্তি তোমাকে অবহিত করেছে যে, তিনি বসা অবস্থায় খুতবাহ দিতেন, সে মিথ্যা বলেছে। আল্লাহর শপথ! আমি নিশ্চয়ই তার সাথে দু'হাজারেরও অধিকবার সালাত আদায় করেছি (জুমু'আর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬৬, ইসলামীক সেন্টার)
উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ানো অবস্থায় জুমুআর দিন খুতবাহ দিতেন। একদা জুমুআর সালাতের খুতবাহ চলাকালে সিরিয়ার একটি বণিক এসে পৌছলে বারোজন লোক ব্যতীত সকলে তাদের নিকট ছুটে চলে গেল। তখন সূরাহ জুমুআর এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ (অর্থ) "যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুকের বিষয়, তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল"- (সূরাহ আল জুমুআহ ৬২ঃ ১১)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬৭, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ حُصَيْنٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ . وَلَمْ يَقُلْ قَائِمًا .
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ... হুসায়ন (রহঃ) থেকে একই সানাদে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবাহ দিতেন এবং তিনি "দাঁড়ানো অবস্থায়" কথাটুকু উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬৮, ইসলামীক সেন্টার)
রিফা'আহ ইবনু হায়সাম আল ওয়াসিতী (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা জুমুআর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। এমতাবস্থায় কিছু ছাতুর চালান এসে পৌছল। বর্ণনাকারী বলেন, লোকজন সেদিকে চলে গেল এবং বারোজন ব্যতীত আর কেউ ছিল না। আমি এদের সাথে ছিলাম। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আল্লাহ অবতীর্ণ করেন (অনুবাদঃ) "যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুকের বিষয়, তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল ....."- (সূরাহ আল জুমুআহ ৬২ঃ ১১) আয়াতের শেষ পর্যন্ত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬৯, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ سَالِمٍ، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا حُصَيْنٌ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، وَسَالِمِ، بْنِ أَبِي الْجَعْدِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ بَيْنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَائِمٌ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِذْ قَدِمَتْ عِيرٌ إِلَى الْمَدِينَةِ فَابْتَدَرَهَا أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى لَمْ يَبْقَ مَعَهُ إِلاَّ اثْنَا عَشَرَ رَجُلاً فِيهِمْ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ - قَالَ - وَنَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ { وَإِذَا رَأَوْا تِجَارَةً أَوْ لَهْوًا انْفَضُّوا إِلَيْهَا}
ইসমাঈল ইবনু সালিম (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক জুমুআর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ানো অবস্থায় ছিলেন (জুমুআর খুতবাহ দিচ্ছিলেন)। এমতাবস্থায় একটি বণিক দল মাদীনায় এসে পৌছল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণ সেদিকে ছুটে গেলেন। এমনকি বারোজন ব্যতীত আর কেউ অবশিষ্ট ছিলেন না। আবূ বাকর ও উমর (রাযিঃ)-ও এদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ "যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুকের বিষয় তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল- (সূরাহ জুমুআহ ৬২ঃ ১১)" (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৭০, ইসলামীক সেন্টার)
এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।
৯৩টির মধ্যে ৫০
৯৩টি বর্ণনা · নম্বর ১৯৫১–২০৪৩
আরবি পাঠ, নম্বর, অধ্যায়ের নাম ও মান — সবই একটি উন্মুক্ত ডেটাসেটে (hadith-api) যেমন আছে হুবহু তেমন দেখানো হয়েছে। সাবীল এখনও এর নির্ভুলতা বা স্বত্ব যাচাই করেনি, আর আলেমদের পর্যালোচনাও শুরু হয়নি। ততদিন কোনো বর্ণনার ওপর নির্ভর করার আগে ছাপা সংস্করণের সাথে মিলিয়ে নিন।