মূল অংশে যান
সহীহ মুসলিম

অধ্যায় ৬ · The Book of Prayer - Travellers

৩৭৭টি বর্ণনা · নম্বর ১৫৭০–১৯৫০

প্রতিটি বর্ণনার নিচে ডেটাসেটের নিজস্ব অনুবাদ হুবহু দেখানো হয়েছে। এতে অনুবাদকের নাম নেই, এর স্বত্ব যাচাই হয়নি, এবং কেউ এটি আরবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেননি; কিছু বর্ণনার অনুবাদ নেই। মূল পাঠ আরবি।

অনূদিত নববী হাদীসের বিশ্বকোষে (HadeethEnc.com) কোনো বর্ণনার হুবহু পাঠ থাকলে, তার অনুবাদ সেই বর্ণনার নিচে উৎসের নামসহ দেখানো হয়েছে। দুটিকে প্রোগ্রামের সাহায্যে, কেবল আরবি পাঠ দেখে মেলানো হয়েছে: বিশ্বকোষের হাদীসের পুরো পাঠ, তাতে উল্লেখিত সাহাবীর নামসহ, বর্ণনাটির শেষ অংশের সঙ্গে অক্ষরে অক্ষরে এক। এই মিল কেউ যাচাই করেননি, এবং সাবীলের পর্যালোচকেরা অনুবাদটি পরীক্ষা করেননি। মূল পাঠ আরবি।

নং ১৫৭০অধ্যায় ৬, নং ১আরবি ক্রমিক ৬৮৫.০১
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ فُرِضَتِ الصَّلاَةُ رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ فِي الْحَضَرِ وَالسَّفَرِ فَأُقِرَّتْ صَلاَةُ السَّفَرِ وَزِيدَ فِي صَلاَةِ الْحَضَرِ ‏.‏

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৭১অধ্যায় ৬, নং ২আরবি ক্রমিক ৬৮৫.০২
وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ فَرَضَ اللَّهُ الصَّلاَةَ حِينَ فَرَضَهَا رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ أَتَمَّهَا فِي الْحَضَرِ فَأُقِرَّتْ صَلاَةُ السَّفَرِ عَلَى الْفَرِيضَةِ الأُولَى ‏.‏
আবুত তহির ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সালাত ফরয করার সময় আল্লাহ তা'আলা দু' রাকাআত করে ফারয (ফরয) করেছিলেন। তবে পরে বাড়ীতে অবস্থানকালীন সালাতে বৃদ্ধি করে পূর্ণাঙ্গ করা হয়েছে এবং সফরকালীন সালাত পূর্বের মতো দু' রাকাআতই রাখা হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৪১, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৭২অধ্যায় ৬, নং ৩আরবি ক্রমিক ৬৮৫.০৩
وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ الصَّلاَةَ، أَوَّلَ مَا فُرِضَتْ رَكْعَتَيْنِ فَأُقِرَّتْ صَلاَةُ السَّفَرِ وَأُتِمَّتْ صَلاَةُ الْحَضَرِ ‏.‏ قَالَ الزُّهْرِيُّ فَقُلْتُ لِعُرْوَةَ مَا بَالُ عَائِشَةَ تُتِمُّ فِي السَّفَرِ قَالَ إِنَّهَا تَأَوَّلَتْ كَمَا تَأَوَّلَ عُثْمَانُ ‏.‏
আলী ইবনু খাশ্‌রম (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। প্রথমে সালাত ফারয (ফরয) হয়েছিল দু' রাকাআত করে। পরবর্তী সময়ে সফরকালীন সালাত দু' রাকাআত ঠিক রাখা হয়েছে কিন্তু বাড়ীতে অবস্থানকালীন সালাত পূর্ণাঙ্গ (অর্থাৎ চার রাকাআত) করা হয়েছে। বর্ণনাকার যুহরী বলেছেনঃ আমি উরওয়াহকে জিজ্ঞেস করলাম- তাহলে কী কারণে আয়িশাহ (রাযিঃ) সফরকালীন সালাত পুরো আদায় করতেন? জবাবে উরওয়াহ বললেনঃ ‘আয়িশাহ উসমানের ব্যাখ্যার মতো এ হাদীসটির ব্যাখ্যা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৪২, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৭৩অধ্যায় ৬, নং ৪আরবি ক্রমিক ৬৮৬.০১
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرُونَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي عَمَّارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَابَيْهِ، عَنْ يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ، قَالَ قُلْتُ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ‏{‏ لَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَنْ تَقْصُرُوا، مِنَ الصَّلاَةِ إِنْ خِفْتُمْ أَنْ يَفْتِنَكُمُ الَّذِينَ كَفَرُوا‏}‏ فَقَدْ أَمِنَ النَّاسُ فَقَالَ عَجِبْتُ مِمَّا عَجِبْتَ مِنْهُ فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ صَدَقَةٌ تَصَدَّقَ اللَّهُ بِهَا عَلَيْكُمْ فَاقْبَلُوا صَدَقَتَهُ ‏"‏ ‏.‏
আবূ বকর ইবনু শায়বাহ, আবূ কুরায়ব, যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইয়া'লা ইবনু উমাইয়্যাহ (রাঘিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আমি 'উমার ইবনুল খাত্ত্বাবকে জিজ্ঞেস করলাম যে, আল্লাহ তা'আলা বলেছেনঃ “কাফিররা তোমাদেরকে কষ্ট দিবে এ আশঙ্কা থাকলে সালাত কসর করে আদায় করতে তোমাদের কোন দোষ হবে না"- (সূরাহ আন নিসা ৪ঃ ১০১)। কিন্তু এখন তো লোকেরা নিরাপত্তা লাভ করেছেন। (সুতরাং এখন কসর সালাত আদায় করার প্রয়োজন কী?) এ কথা শুনে উমার ইবনুল খাত্তাব বললেনঃ তুমি যে কারণে বিস্মিত হয়েছ আমিও ঠিক একই কারণে বিস্মিত হয়েছিলাম (অর্থাৎ আমিও কসর সালাত আদায়ের কোন যৌক্তিকতা খুঁজে পাচ্ছিলাম না)। তাই উক্ত বিষয়ে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ এটি তোমাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে সদাকাহ বা দান। সুতরাং তোমরা তার দেয়া সদাকাহ গ্রহণ কর। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৪৩, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৭৪অধ্যায় ৬, নং ৫আরবি ক্রমিক ৬৮৬.০২
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي عَمَّارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَابَيْهِ، عَنْ يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ، قَالَ قُلْتُ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِ ابْنِ إِدْرِيسَ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর আল মুকুদ্দামী (রহঃ) ..... ইয়া'লা ইবনু উমাইয়্যাহ (রহঃ) বলেন- আমি উমর ইবনুল খাত্ত্বাবকে জিজ্ঞেস করলাম। এ পর্যন্ত বর্ণনা করার পর তিনি আবদুল্লাহ ইবনু ইদরীস বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৪৪, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৭৫অধ্যায় ৬, নং ৬আরবি ক্রমিক ৬৮৭.০১
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَسَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَأَبُو الرَّبِيعِ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرُونَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الأَخْنَسِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ فَرَضَ اللَّهُ الصَّلاَةَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم فِي الْحَضَرِ أَرْبَعًا وَفِي السَّفَرِ رَكْعَتَيْنِ وَفِي الْخَوْفِ رَكْعَةً ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, সাঈদ ইবনু মানসূর, আবুর রাবি ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের নবীর জবানীতে আল্লাহ তা'আলা বাড়ীতে অবস্থানকালীন সালাত চার রাকাআত, সফরের সালাত দু' রাকাআত এবং ভীতিকর অবস্থানকালীন সালাত এক রাকাআত ফারয (ফরয) করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৪৫, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৭৬অধ্যায় ৬, নং ৭আরবি ক্রমিক ৬৮৭.০২
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، جَمِيعًا عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مَالِكٍ، - قَالَ عَمْرٌو حَدَّثَنَا قَاسِمُ بْنُ مَالِكٍ الْمُزَنِيُّ، - حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ عَائِذٍ الطَّائِيُّ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الأَخْنَسِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ إِنَّ اللَّهَ فَرَضَ الصَّلاَةَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمُسَافِرِ رَكْعَتَيْنِ وَعَلَى الْمُقِيمِ أَرْبَعًا وَفِي الْخَوْفِ رَكْعَةً ‏.‏
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জবানীতে মুসাফিরের সালাত দু' রাকাআত, মুকীম বা বাড়ীতে অবস্থানকালীন সালাত চার রাকাআত এবং ভীতিকর অবস্থার সালাত এক রাকাআত ফারয (ফরয) করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৪৬, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৭৭অধ্যায় ৬, নং ৮আরবি ক্রমিক ৬৮৮.০১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ قَتَادَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ مُوسَى بْنِ سَلَمَةَ الْهُذَلِيِّ، قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ كَيْفَ أُصَلِّي إِذَا كُنْتُ بِمَكَّةَ إِذَا لَمْ أُصَلِّ مَعَ الإِمَامِ ‏.‏ فَقَالَ رَكْعَتَيْنِ سُنَّةَ أَبِي الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... মূসা ইবনু সালামাহ আল হুযালী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, আমি মাক্কায় অবস্থানকালে যদি ইমামের পিছনে সালাত আদায় না করি তাহলে কীভাবে সালাত আদায় করব। জবাবে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস বললেন, দু' রাকাআত সালাত আদায় করবে। এটি আবূল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৪৭, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৭৮অধ্যায় ৬, নং ৯আরবি ক্রমিক ৬৮৮.০২
وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ مِنْهَالٍ الضَّرِيرُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا أَبِي جَمِيعًا، عَنْ قَتَادَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু মিনহাল আয্‌ যারীর, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... কাতাদাহ থেকে একই সানাদে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৪৮, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৭৯অধ্যায় ৬, নং ১০আরবি ক্রমিক ৬৮৯.০১
وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ بْنِ قَعْنَبٍ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ حَفْصِ بْنِ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ صَحِبْتُ ابْنَ عُمَرَ فِي طَرِيقِ مَكَّةَ - قَالَ - فَصَلَّى لَنَا الظُّهْرَ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ أَقْبَلَ وَأَقْبَلْنَا مَعَهُ حَتَّى جَاءَ رَحْلَهُ وَجَلَسَ وَجَلَسْنَا مَعَهُ فَحَانَتْ مِنْهُ الْتِفَاتَةٌ نَحْوَ حَيْثُ صَلَّى فَرَأَى نَاسًا قِيَامًا فَقَالَ مَا يَصْنَعُ هَؤُلاَءِ قُلْتُ يُسَبِّحُونَ ‏.‏ قَالَ لَوْ كُنْتُ مُسَبِّحًا لأَتْمَمْتُ صَلاَتِي يَا ابْنَ أَخِي إِنِّي صَحِبْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي السَّفَرِ فَلَمْ يَزِدْ عَلَى رَكْعَتَيْنِ حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ وَصَحِبْتُ أَبَا بَكْرٍ فَلَمْ يَزِدْ عَلَى رَكْعَتَيْنِ حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ وَصَحِبْتُ عُمَرَ فَلَمْ يَزِدْ عَلَى رَكْعَتَيْنِ حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ ثُمَّ صَحِبْتُ عُثْمَانَ فَلَمْ يَزِدْ عَلَى رَكْعَتَيْنِ حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ وَقَدْ قَالَ اللَّهُ ‏{‏ لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ‏}‏ ‏.‏
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ ইবনু কা'নাব (রহঃ) ..... উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মাক্কার কোন একটি পথে আসিম ইবনু উমার এর সাথে চলছিলাম। এ সময় তিনি আমাদের সাথে করে যুহরের সালাত আদায় করলেন এবং মাত্র দু' রাক’আত আদায় করলেন। তারপর তিনি তার কাফিলার মধ্যে ফিরে আসলেন। আমরাও তার সাথে ফিরে আসলাম। তিনি সেখানে বসে পড়লে আমরাও তার সাথে বসে পড়লাম। এ সময় যে স্থানে তিনি সালাত আদায় করেছিলেন সে স্থানে তার দৃষ্টি পড়লে কিছু সংখ্যক লোককে সেখানে দাঁড়ানো দেখতে পেয়ে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এরা ওখানে কী করছে? আমি বললাম, তার সুন্নাত পড়ছে। তিনি এ কথা শুনে বললেনঃ ভাতিজা, আমাদেরকে যদি সুন্নাত আদায় করতে হত তাহলে আমি ফারয (ফরয) সালাতও পূর্ণ আদায় করতাম। আমি সফরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে থেকে দেখেছি আমৃত্যু তিনি দু' রাকাআতের অধিক আদায় করেননি। আমি সফরে আবূ বকরের সাথে থেকে দেখেছি আল্লাহ তাকে ওফাত দান না করা পর্যন্ত তিনি দু' রাকাআত সালাত আদায় করেছেন। আমি সফরে উমারের সাথে দেখেছি তিনি দু' রাকাআত সালাতই আদায় করেছেন। মহান আল্লাহ বলেছেনঃ "আল্লাহর রসূলের জীবনে তোমাদের অনুসরণের উত্তম নমুনা রয়েছে"- (সূরাহ আল আহযাব ৩৩ঃ ২১)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৪৯, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৮০অধ্যায় ৬, নং ১১আরবি ক্রমিক ৬৮৯.০২
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ زُرَيْعٍ - عَنْ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، قَالَ مَرِضْتُ مَرَضًا فَجَاءَ ابْنُ عُمَرَ يَعُودُنِي قَالَ وَسَأَلْتُهُ عَنِ السُّبْحَةِ، فِي السَّفَرِ فَقَالَ صَحِبْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي السَّفَرِ فَمَا رَأَيْتُهُ يُسَبِّحُ وَلَوْ كُنْتُ مُسَبِّحًا لأَتْمَمْتُ وَقَدْ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى ‏{‏ لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ إِسْوَةٌ حَسَنَةٌ‏}‏
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... হাফস্ ইবনু আসিম থেকে (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি সাংঘাতিকভাবে রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লাম। 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার আমাকে দেখতে আসলেন। সে সময় আমি তাকে সফরে সুন্নাত সালাত আদায় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন- আমি সফরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গী হয়েছি। কিন্তু কখনো তাকে নফল সালাত আদায় করতে দেখিনি। আর আমি যদি সফরে সুন্নাত সালাত আদায় করতাম তাহলে ফারয (ফরয) সালাতও পূর্ণ করে আদায় করতাম। কেননা আল্লাহ তা'আলা বলেছেনঃ "আল্লাহর রসূলের জীবনে তোমাদের অনুসরণের জন্য উত্তম নীতিমালা রয়েছে"– (সূরাহ আল আহযাব ৩৩ঃ ২১)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৫০, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৮১অধ্যায় ৬, নং ১২আরবি ক্রমিক ৬৯০.০১
حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، وَأَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، وَهُوَ ابْنُ زَيْدٍ ح وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَيَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالاَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، كِلاَهُمَا عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى الظُّهْرَ بِالْمَدِينَةِ أَرْبَعًا وَصَلَّى الْعَصْرَ بِذِي الْحُلَيْفَةِ رَكْعَتَيْنِ ‏.‏
খালাফ ইবনু হিশাম, আবূর রাবি আয যাহরানী ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, যুহায়র ইবনু হারব ও ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। বিদায় হাজ্জের সফরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনাহ থেকে যুহরের সালাত চার রাকাআত আদায় করে রওয়ানা হয়েছিলেন এবং যুলহুলায়ফাতে পৌছে আসরের সালাত দু' রাকাআত আদায় করেছিলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৫১, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৮২অধ্যায় ৬, নং ১৩আরবি ক্রমিক ৬৯০.০২
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ مَيْسَرَةَ، سَمِعَا أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الظُّهْرَ بِالْمَدِينَةِ أَرْبَعًا وَصَلَّيْتُ مَعَهُ الْعَصْرَ بِذِي الْحُلَيْفَةِ رَكْعَتَيْنِ ‏.‏
সাঈদ ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিদায় হজ্জের সফরে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে মাদীনায় যুহরের সালাত চার রাকাআত আদায় করে বের হয়েছি এবং যুল-হুলায়ফাতে পৌছে তার সাথে আসরের সালাত মাত্র দু' রাকাআত আদায় করেছি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৫২, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৮৩অধ্যায় ৬, নং ১৪আরবি ক্রমিক ৬৯১
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، كِلاَهُمَا عَنْ غُنْدَرٍ، - قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، غُنْدَرٌ - عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَزِيدَ الْهُنَائِيِّ، قَالَ سَأَلْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ عَنْ قَصْرِ الصَّلاَةِ، فَقَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا خَرَجَ مَسِيرَةَ ثَلاَثَةِ أَمْيَالٍ أَوْ ثَلاَثَةِ فَرَاسِخَ - شُعْبَةُ الشَّاكُّ - صَلَّى رَكْعَتَيْنِ ‏.‏
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াযীদ আল হুনায়ী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) কে সফররত অবস্থায় সালাতে কসর করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তিন মাইল অথবা তিন ফারসাখ দূরত্বে সফরে বের হতেন তখনই দু' রাকাআত সালাত আদায় করতেন। ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াযীদ আল হুনায়ী তিন মাইল দূরত্বের কথা বলেছেন, না তিন ফারসাখ দূরত্বের কথা বলেছেন তাতে শু'বার সন্দেহ রয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৫৩, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৮৪অধ্যায় ৬, নং ১৫আরবি ক্রমিক ৬৯২.০১
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، جَمِيعًا عَنِ ابْنِ مَهْدِيٍّ، - قَالَ زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، - حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ خُمَيْرٍ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، قَالَ خَرَجْتُ مَعَ شُرَحْبِيلَ بْنِ السِّمْطِ إِلَى قَرْيَةٍ عَلَى رَأْسِ سَبْعَةَ عَشَرَ أَوْ ثَمَانِيَةَ عَشَرَ مِيلاً فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ ‏.‏ فَقُلْتُ لَهُ فَقَالَ رَأَيْتُ عُمَرَ صَلَّى بِذِي الْحُلَيْفَةِ رَكْعَتَيْنِ فَقُلْتُ لَهُ فَقَالَ إِنَّمَا أَفْعَلُ كَمَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَفْعَلُ ‏.‏
যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... জুবায়র ইবনু নুফায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শুরাহবীল ইবনু আস সিমত্ব (রাযিঃ) এর সাথে সতের বা আঠার মাইল দূরবর্তী এক গ্রামে গেলাম। তিনি সেখানে (চার রাকাআতের পরিবর্তে) দু' রাকাআত সালাত আদায় করলেন। আমি তাকে কারণ জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে যা করতে দেখেছি তাই করে থাকি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৫৪, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৮৫অধ্যায় ৬, নং ১৬আরবি ক্রমিক ৬৯২.০২
وَحَدَّثَنِيهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ وَقَالَ عَنِ ابْنِ السِّمْطِ، وَلَمْ يُسَمِّ شُرَحْبِيلَ وَقَالَ إِنَّهُ أَتَى أَرْضًا يُقَالُ لَهَا دَوْمِينُ مِنْ حِمْصَ عَلَى رَأْسِ ثَمَانِيَةَ عَشَرَ مِيلاً ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... শুবাহ (রহঃ) এ সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি (শু'বাহ) শুরাহবীল না বলে মুহাম্মাদ ইবনুস সিমত (রহঃ) উল্লেখ করেছেন। তিনি তার বর্ণিত হাদীসে এতটুকু কথা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, তিনি হিমস এর আঠার মাইল দূরবর্তী "দূমীন" নামে পরিচিত একটি স্থানে উপনীত হলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৫৫, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৮৬অধ্যায় ৬, নং ১৭আরবি ক্রমিক ৬৯৩.০১
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْمَدِينَةِ إِلَى مَكَّةَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ حَتَّى رَجَعَ ‏.‏ قُلْتُ كَمْ أَقَامَ بِمَكَّةَ قَالَ عَشْرًا ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামীমী (রহঃ) ... আনাস ইবন মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (বিদায় হজ্জের সফরে) আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে মদীনাহ থেকে মাক্কার দিকে বের হলাম। (এ সফরে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব ওয়াক্তের সালাতই দু' রাকাআত করে আদায় করেছেন এবং মাদীনায় ফিরে এসেছেন। বর্ণনাকারী ইসহাক ইবনু ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন- আমি আনাস ইবনু মালিককে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি মক্কায় ক'দিন পর্যন্ত অবস্থান করেছিলেন। জবাবে আনাস ইবনু মালিক বললেনঃ দশদিন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৫৬, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৮৭অধ্যায় ৬, নং ১৮আরবি ক্রমিক ৬৯৩.০২
وَحَدَّثَنَاهُ قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، ح وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، جَمِيعًا عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ هُشَيْمٍ ‏.‏
কুতায়বাহ্‌, আবূ কুরায়ব (রহ:) ...... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হুশায়ম বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৫৭, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৮৮অধ্যায় ৬, নং ১৯আরবি ক্রমিক ৬৯৩.০৩
وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ خَرَجْنَا مِنَ الْمَدِينَةِ إِلَى الْحَجِّ ‏.‏ ثُمَّ ذَكَرَ مِثْلَهُ ‏.‏
উবায়দুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি, আমরা মদীনাহ থেকে হাজের উদ্দেশে যাত্রা করলাম ...। এরপর তিনি পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৫৮, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৮৯অধ্যায় ৬, নং ২০আরবি ক্রমিক ৬৯৩.০৪
وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، جَمِيعًا عَنِ الثَّوْرِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ وَلَمْ يَذْكُرِ الْحَجَّ ‏.‏
ইবনু নুমায়র, আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে তিনি হাজ্জের কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৫৯, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৯০অধ্যায় ৬, নং ২১আরবি ক্রমিক ৬৯৪.০১
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، وَهُوَ ابْنُ الْحَارِثِ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ صَلَّى صَلاَةَ الْمُسَافِرِ بِمِنًى وَغَيْرِهِ رَكْعَتَيْنِ وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ رَكْعَتَيْنِ صَدْرًا مِنْ خِلاَفَتِهِ ثُمَّ أَتَمَّهَا أَرْبَعًا ‏.‏
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (বহঃ) ..... সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) তার পিতা আবদুল্লাহ ইবনু উমার এর মাধ্যমে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ মর্মে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি মিনা এবং অন্যান্য স্থানে মুসাফিরের মতো দু' রাকাআত করে সালাত আদায় করেছিলেন। আর আবূ বাকর, উমার তাদের খিলাফাত যুগে এবং উসমান তার খিলাফাতের প্রথম দিকে সফরকালের সালাত দু' রাকাআত করে আদায় করেছেন এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ণ চার রাক’আত আদায় করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৬০, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৯১অধ্যায় ৬, নং ২২আরবি ক্রমিক ৬৯৪.০২
وَحَدَّثَنَاهُ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، ح وَحَدَّثَنَاهُ إِسْحَاقُ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، جَمِيعًا عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَ بِمِنًى ‏.‏ وَلَمْ يَقُلْ وَغَيْرِهِ ‏.‏
যুহায়র ইবনু হারব, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি এতে 'মিনাতে' কথাটি উল্লেখ করেছেন। তবে অন্যান্য স্থানে কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৬১, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৯২অধ্যায় ৬, নং ২৩আরবি ক্রমিক ৬৯৪.০৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ وَأَبُو بَكْرٍ بَعْدَهُ وَعُمَرُ بَعْدَ أَبِي بَكْرٍ وَعُثْمَانُ صَدْرًا مِنْ خِلاَفَتِهِ ثُمَّ إِنَّ عُثْمَانَ صَلَّى بَعْدُ أَرْبَعًا ‏.‏ فَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا صَلَّى مَعَ الإِمَامِ صَلَّى أَرْبَعًا وَإِذَا صَلاَّهَا وَحْدَهُ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ ‏.‏
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (বিদায় হজ্জের সময়) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিনাতে (ফারয (ফরয) সালাত চার রাকাআতের পরিবর্তে) দু' রাকাআত আদায় করেছেন। পরে আবূ বকর তার খিলাফতকালে তাই করেছেন। আবূ বকরের পর উমারও তাই করেছেন। কিন্তু পরে চার রাকাআত আদায় করেছেন। সুতরাং আবদুল্লাহ ইবনু উমার ইমামের পিছনে সালাত আদায় করলে চার রাকাআত আদায় করতেন। কিন্তু যখন তিনি একাকী সালাত আদায় করতেন দু’ রাকাআত আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৬২, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৯৩অধ্যায় ৬, নং ২৪আরবি ক্রমিক ৬৯৪.০৪
وَحَدَّثَنَاهُ ابْنُ الْمُثَنَّى، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، وَهُوَ الْقَطَّانُ ح وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو كُرَيْبٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، ح وَحَدَّثَنَاهُ ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، كُلُّهُمْ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ, আবূ কুরায়ব, ইবনু নুমায়র (রহঃ) ...... উবায়দুল্লাহ (রহঃ) একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৬৩, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৯৪অধ্যায় ৬, নং ২৫আরবি ক্রমিক ৬৯৪.০৫
وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، سَمِعَ حَفْصَ بْنَ عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ صَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِمِنًى صَلاَةَ الْمُسَافِرِ وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ ثَمَانِيَ سِنِينَ أَوْ قَالَ سِتَّ سِنِينَ ‏.‏ قَالَ حَفْصٌ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يُصَلِّي بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ يَأْتِي فِرَاشَهُ ‏.‏ فَقُلْتُ أَىْ عَمِّ لَوْ صَلَّيْتَ بَعْدَهَا رَكْعَتَيْنِ ‏.‏ قَالَ لَوْ فَعَلْتُ لأَتْمَمْتُ الصَّلاَةَ ‏.‏
উবায়দুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ্জের সময় মিনাতে অবস্থানকালে মুসাফিরের ন্যায় দু' রাকাআত সালাত আদায় করেছেন। অতঃপর আবূ বাকর, উমার এবং উসমানও তাদের খিলাফতকালে আট বছর অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহে) ছয় বছর যাবৎ তাই করেছেন। হাফস বর্ণনা করেছেন, 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার মিনাতে অবস্থানকালে সালাত দু' রাকাআত আদায় করতেন এবং পরে তার বিছানায় চলে আসলে আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, চাচা, আপনি আরও দু' রাকাআত সালাত আদায় করলে ভাল হত। তিনি বললেনঃ আমাকে যদি এরূপ করতে হত তাহলে আমি ফারয (ফরয) সালাত পূর্ণাঙ্গ করে (চার রাকাআত) আদায় করতাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৬৪, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৯৫অধ্যায় ৬, নং ২৬আরবি ক্রমিক ৬৯৪.০৬
وَحَدَّثَنَاهُ يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ يَعْنِي ابْنَ الْحَارِثِ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ الصَّمَدِ، قَالاَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَمْ يَقُولاَ فِي الْحَدِيثِ بِمِنًى ‏.‏ وَلَكِنْ قَالاَ صَلَّى فِي السَّفَرِ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব ও ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) থেকে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণিত। তবে তারা তাদের বর্ণিত হাদীসে মিনাতে অবস্থানকালে কথাটি উল্লেখ করেননি। বরং বলেছেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সফরে এভাবে সালাত আদায় করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৬৫, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৯৬অধ্যায় ৬, নং ২৭আরবি ক্রমিক ৬৯৫.০১
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، عَنِ الأَعْمَشِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ يَزِيدَ، يَقُولُ صَلَّى بِنَا عُثْمَانُ بِمِنًى أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ فَقِيلَ ذَلِكَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ فَاسْتَرْجَعَ ثُمَّ قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ وَصَلَّيْتُ مَعَ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ وَصَلَّيْتُ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ فَلَيْتَ حَظِّي مِنْ أَرْبَعِ رَكَعَاتٍ رَكْعَتَانِ مُتَقَبَّلَتَانِ ‏.‏
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উসমান মিনাতে অবস্থানকালে আমাদের সাথে নিয়ে ফারয (ফরয) সালাত চার রাকাআত আদায় করলেন। বিষয়টি 'আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদকে অবহিত করা হলে তিনি "ইন্না- লিল্লা-হি ওয়া ইন্না- ইলাই-হি র-জিউন” পড়লেন। পরে তিনি বললেনঃ আমি মিনাতে অবস্থানকালে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে দু' রাকাআত সালাত আদায় করেছি। আবূ বাকর সিদ্দীকের সাথেও দু' রাকাআত সালাত আদায় করেছি। আমি মিনাতে অবস্থানকালে উমার ইবনুল খাত্ত্বাবের সাথেও দু' রাকাআত সালাত আদায় করেছি। চার রাকাআতের পরিবর্তে দু' রাকাআত সালাতই যদি আমার জন্য মাকবুল হ’ত তাহলে কতই না ভাল হ’ত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৬৬, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৯৭অধ্যায় ৬, নং ২৮আরবি ক্রমিক ৬৯৫.০২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، ح وَحَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، وَابْنُ، خَشْرَمٍ قَالاَ أَخْبَرَنَا عِيسَى، كُلُّهُمْ عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏
আবৃ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব, উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ, ইসহাক ও ইবনু খশরাম (রহঃ) ..... সকলেই আ'মাশ থেকে একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৬৭, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৯৮অধ্যায় ৬, নং ২৯আরবি ক্রমিক ৬৯৬.০১
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَقُتَيْبَةُ، قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ، قُتَيْبَةُ حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ حَارِثَةَ بْنِ وَهْبٍ، قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِنًى - آمَنَ مَا كَانَ النَّاسُ وَأَكْثَرَهُ - رَكْعَتَيْنِ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও কুতায়বাহ (রহঃ) ..... হারিসাহ ইবনু ওয়াহব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মিনাতে অবস্থানকালে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে অধিকাংশ ক্ষেত্রে দু রাকাআত সালাত আদায় করেছি। অথচ লোকজন নিরাপদ ও আতঙ্কহীন ছিল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৬৮, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৫৯৯অধ্যায় ৬, নং ৩০আরবি ক্রমিক ৬৯৬.০২
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي حَارِثَةُ بْنُ وَهْبٍ الْخُزَاعِيُّ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِنًى وَالنَّاسُ أَكْثَرُ مَا كَانُوا فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ ‏.‏ قَالَ مُسْلِمٌ حَارِثَةُ بْنُ وَهْبٍ الْخُزَاعِيُّ هُوَ أَخُو عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ لأُمِّهِ ‏.‏
আহমাদ ইবনু 'আবদুল্লাহ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... হরিসাহ ইবনু ওয়াহব আল খুযাঈ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বিদায় হজ্জের সময় মিনাতে অবস্থানকালে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পিছনে সালাত আদায় করেছি। তিনি তখন দু' রাকাআত সালাত আদায় করেছিলেন। তখন তার পিছনে বহু সংখ্যক লোক ছিল। ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেনঃ হারিসাহ ইবনু ওয়াহব খুযাঈ উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার ইবনুল খাত্ত্বাবের ভাই। তারা একই মায়ের গর্ভজাত সন্তান। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৬৯, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬০০অধ্যায় ৬, নং ৩১আরবি ক্রমিক ৬৯৭.০১
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، أَذَّنَ بِالصَّلاَةِ فِي لَيْلَةٍ ذَاتِ بَرْدٍ وَرِيحٍ فَقَالَ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُ الْمُؤَذِّنَ إِذَا كَانَتْ لَيْلَةٌ بَارِدَةٌ ذَاتُ مَطَرٍ يَقُولُ ‏ "‏ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ ‏"‏ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... নাফি ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন ঝড় ও শীতের রাতে আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) সালাতে আযান দিলেন। আযানে তিনি বললেনঃ তোমরা যার যার বাড়ীতে সালাত আদায় করে নাও। পরে তিনি বললেন যে, শীতের রাত অথবা মেঘাচ্ছন্ন রাত হলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুয়াযযিনকে এ কথা ঘোষণা করতে আদেশ দিতেনঃ 'তোমরা বাড়ীতে সালাত আদায় কর। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৭০, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬০১অধ্যায় ৬, নং ৩২আরবি ক্রমিক ৬৯৭.০২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ نَادَى بِالصَّلاَةِ فِي لَيْلَةٍ ذَاتِ بَرْدٍ وَرِيحٍ وَمَطَرٍ فَقَالَ فِي آخِرِ نِدَائِهِ أَلاَ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَأْمُرُ الْمُؤَذِّنَ إِذَا كَانَتْ لَيْلَةٌ بَارِدَةٌ أَوْ ذَاتُ مَطَرٍ فِي السَّفَرِ أَنْ يَقُولَ أَلاَ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি শীত ও ঝড়-বৃষ্টি কবলিত এক রাতে সালাতের আযান দিলেন। তিনি তার আযান শেষে উচ্চস্বরে বলেন, শোন! তোমরা নিজ নিজ অবস্থানস্থলে সালাত আদায় করে নাও। শোন! তোমরা অবস্থানস্থলে সালাত আদায় করে নাও। অতঃপর তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফররত অবস্থায় শীত বা বর্ষণমুখর রাতে মুয়াযযিনকে নির্দেশ দিতেন, সে যেন বলে, শোন! তোমরা নিজ নিজ অবস্থানে সালাত আদায় করে নাও। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৭১, ইসলামীক সেন্টার ১৪৭৯- ক)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬০২অধ্যায় ৬, নং ৩৩আরবি ক্রমিক ৬৯৭.০৩
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ نَادَى بِالصَّلاَةِ بِضَجْنَانَ ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِهِ وَقَالَ أَلاَ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ ‏.‏ وَلَمْ يُعِدْ ثَانِيَةً أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ ‏.‏ مِنْ قَوْلِ ابْنِ عُمَرَ ‏.‏
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। একবার তিনি 'যজনান' নামক স্থানে সালাতের আযান দিলেন। এ পর্যন্ত বর্ণনা করার পর তিনি উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে এতটুকু কথা অধিক বর্ণনা করলেন যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার বললেনঃ তোমরা যার যার অবস্থান স্থলেই সালাত আদায় করে নাও। তিনি আবদুল্লাহ ইবনু উমার-এর কথা, “তোমরা যার যার অবস্থান স্থলেই সালাত আদায় করে নাও" কথাটি দ্বিতীয়বার বললেন না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৭২, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬০৩অধ্যায় ৬, নং ৩৪আরবি ক্রমিক ৬৯৮
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، ح وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، قَالَ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ فَمُطِرْنَا فَقَالَ ‏ "‏ لِيُصَلِّ مَنْ شَاءَ مِنْكُمْ فِي رَحْلِهِ ‏"‏ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এক সফরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গী ছিলাম। ইতোমধ্যে বৃষ্টি হলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা কেউ চাইলে নিজের জায়গাতে অবস্থান করে সেখানেই সালাত আদায় করে নিতে পারো। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৭৩, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬০৪অধ্যায় ৬, নং ৩৫আরবি ক্রমিক ৬৯৯.০১
وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ، صَاحِبِ الزِّيَادِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ لِمُؤَذِّنِهِ فِي يَوْمٍ مَطِيرٍ إِذَا قُلْتَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَلاَ تَقُلْ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ قُلْ صَلُّوا فِي بُيُوتِكُمْ - قَالَ - فَكَأَنَّ النَّاسَ اسْتَنْكَرُوا ذَاكَ فَقَالَ أَتَعْجَبُونَ مِنْ ذَا قَدْ فَعَلَ ذَا مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنِّي إِنَّ الْجُمُعَةَ عَزْمَةٌ وَإِنِّي كَرِهْتُ أَنْ أُحْرِجَكُمْ فَتَمْشُوا فِي الطِّينِ وَالدَّحْضِ ‏.‏
আলী ইবনু হুজুর আস্ সাদী (রহঃ)..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এক বৃষ্টিঝরা দিনে তিনি মুয়াৰ্যযিনকে বললেনঃ আজকের আযানে যখন তুমি “আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্ল-হ" বলে শেষ করবে তার পরে কিন্তু "হাইয়া আলাস্ সলা-হ” বলবে না। বরং বলবে, “সল্লু ফী বুয়ুতিকুম" অর্থাৎ- তোমরা তোমাদের বাড়ীতেই সালাত আদায় করে নাও। হাদীসের বর্ণনাকারী (আবদুল্লাহ ইবনু হারিস) বলেছেনঃ এরূপ করা লোকজন পছন্দ করল না বলে মনে হ'ল। তা দেখে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস বললেনঃ তোমরা এ কাজকে আজগুবি মনে করছ? অথচ যিনি আমার চেয়ে উত্তম তিনি এরূপ করেছেন। জুমুআর সালাত আদায় করা ওয়াজিব। কিন্তু তোমরা কাঁদাযুক্ত পিচ্ছিল পথে কষ্ট করে চলবে তা আমি পছন্দ করিনি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৭৪, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬০৫অধ্যায় ৬, নং ৩৬আরবি ক্রমিক ৬৯৯.০২
وَحَدَّثَنِيهِ أَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، - يَعْنِي ابْنَ زَيْدٍ - عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْحَارِثِ، قَالَ خَطَبَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ فِي يَوْمٍ ذِي رَدْغٍ ‏.‏ وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِمَعْنَى حَدِيثِ ابْنِ عُلَيَّةَ وَلَمْ يَذْكُرِ الْجُمُعَةَ وَقَالَ قَدْ فَعَلَهُ مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنِّي ‏.‏ يَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، بِنَحْوِهِ ‏.‏
আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ..... আবদুল হামীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু হারিস (রহঃ) কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, এক বৃষ্টিকর দিনে আবদুল্লাহ ইবনু "আব্বাস আমাদের সামনে বক্তৃতা করলেন। এতটুকু বর্ণনা করে তিনি পূর্বোক্ত ইবনু উলাইয়্যাহ বর্ণিত। তিনি বলেছেন, হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে তিনি জুমুআর দিনের কথা উল্লেখ করেননি। তিনি বলেছেন, যিনি আমার চেয়ে উত্তম অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করেছেন। আবূ কামিল বলেছেনঃ হাম্মদ আসিম এর মাধ্যমে আবদুল্লাহ ইবনু হারিস থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৭৫, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬০৬অধ্যায় ৬, নং ৩৭আরবি ক্রমিক ৬৯৯.০৩
وَحَدَّثَنِيهِ أَبُو الرَّبِيعِ الْعَتَكِيُّ، - هُوَ الزَّهْرَانِيُّ - حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، - يَعْنِي ابْنَ زَيْدٍ - حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، وَعَاصِمٌ الأَحْوَلُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَمْ يَذْكُرْ فِي حَدِيثِهِ يَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏
আবূর রাবী আল আতাকী (আয যাহরানী) (রহঃ) ... আইয়ুব ও আসিম আল আহওয়াল (রহঃ) থেকে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি পূর্বোক্ত হাদীসের 'নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম' কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৭৬, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬০৭অধ্যায় ৬, নং ৩৮আরবি ক্রমিক ৬৯৯.০৪
وَحَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ شُمَيْلٍ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ، صَاحِبُ الزِّيَادِيِّ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْحَارِثِ، قَالَ أَذَّنَ مُؤَذِّنُ ابْنِ عَبَّاسٍ يَوْمَ جُمُعَةٍ فِي يَوْمٍ مَطِيرٍ ‏.‏ فَذَكَرَ نَحْوَ حَدِيثِ ابْنِ عُلَيَّةَ وَقَالَ وَكَرِهْتُ أَنْ تَمْشُوا فِي الدَّحْضِ وَالزَّلَلِ ‏.‏
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক বৃষ্টিকর জুমুআর দিনে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস এর (নিযুক্ত) মুয়াযযিন আযান দিলেন। এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি ইবনু উলাইয়্যাহ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বিষয়বস্তু বর্ণনা করলেন। তিনি (আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস) বললেনঃ তোমরা কর্দময় ও পিচ্ছিল পথে চলবে তা আমার পছন্দ হয়নি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৭৭, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬০৮অধ্যায় ৬, নং ৩৯আরবি ক্রমিক ৬৯৯.০৫
وَحَدَّثَنَاهُ عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، كِلاَهُمَا عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ، أَمَرَ مُؤَذِّنَهُ - فِي حَدِيثِ مَعْمَرٍ - فِي يَوْمِ جُمُعَةٍ فِي يَوْمٍ مَطِيرٍ ‏.‏ بِنَحْوِ حَدِيثِهِمْ وَذَكَرَ فِي حَدِيثِ مَعْمَرٍ فَعَلَهُ مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنِّي ‏.‏ يَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবনু হারিস (রহঃ) থেকে বর্ণিত। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বৃষ্টিঝরা জুমু’আর দিনে তার (নিযুক্ত) মুয়াজ্জিনকে আযান দেয়ার আদেশ দিলেন। মা'মার-এর হাদীসে রয়েছে, বৃষ্টিঝরা জুমুআর দিনে উক্ত বর্ণনাকারীর অনুরূপ এবং মামার-এর বর্ণিত হাদীসে এ কথাও আছে যে, যিনি আমার চেয়ে উত্তম অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৭৮, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬০৯অধ্যায় ৬, নং ৪০আরবি ক্রমিক ৬৯৯.০৬
وَحَدَّثَنَاهُ عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْحَضْرَمِيُّ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، - قَالَ وُهَيْبٌ لَمْ يَسْمَعْهُ مِنْهُ - قَالَ أَمَرَ ابْنُ عَبَّاسٍ مُؤَذِّنَهُ فِي يَوْمِ جُمُعَةٍ فِي يَوْمٍ مَطِيرٍ ‏.‏ بِنَحْوِ حَدِيثِهِمْ ‏.‏
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস (রহঃ) এর মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বৃষ্টিঝরা জুমুআর দিনে তার (নিযুক্ত) মুয়াজ্জিনকে আযান দেয়ার আদেশ দিলেন। এভাবে তিনি অন্য বর্ণনাকারীদের অনুরূপ বর্ণনা করলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৭৯, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬১০অধ্যায় ৬, নং ৪১আরবি ক্রমিক ৭০০.০১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي سُبْحَتَهُ حَيْثُمَا تَوَجَّهَتْ بِهِ نَاقَتُهُ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। সওয়ারীর মুখ যেদিকেই থাক না কেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সওয়ারীর পিঠে বসে নফল সালাত আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৮০, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬১১অধ্যায় ৬, নং ৪২আরবি ক্রমিক ৭০০.০২
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ حَيْثُ تَوَجَّهَتْ بِهِ ‏.‏
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। উটের মুখ যে দিকেই থাকুক না কেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উটের পিঠে বসেই নফল সালাত আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৮১, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬১২অধ্যায় ৬, নং ৪৩আরবি ক্রমিক ৭০০.০৩
وَحَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ، قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي وَهُوَ مُقْبِلٌ مِنْ مَكَّةَ إِلَى الْمَدِينَةِ عَلَى رَاحِلَتِهِ حَيْثُ كَانَ وَجْهُهُ - قَالَ - وَفِيهِ نَزَلَتْ ‏{‏ فَأَيْنَمَا تُوَلُّوا فَثَمَّ وَجْهُ اللَّهِ‏}‏
উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার আল কাওয়ারীরী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কাহ থেকে মদীনায় আসার পথে যে দিকেই তার মুখ হোক না কেন সওয়ারীতে বসে সালাত আদায় করতেন। এ ব্যাপারেই আয়াত (অর্থ) "তোমরা যেদিকেই মুখ ফিরাবে সেটিই আল্লাহর দিক"- (সুরাহ আল বাকারাহ ২ঃ ১১৫) অবতীর্ণ হয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৮২, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬১৩অধ্যায় ৬, নং ৪৪আরবি ক্রমিক ৭০০.০৪
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو كُرَيْبٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، وَابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي كُلُّهُمْ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ ابْنِ مُبَارَكٍ وَابْنِ أَبِي زَائِدَةَ ثُمَّ تَلاَ ابْنُ عُمَرَ ‏{‏ فَأَيْنَمَا تُوَلُّوا فَثَمَّ وَجْهُ اللَّهِ‏}‏ وَقَالَ فِي هَذَا نَزَلَتْ ‏.‏
আবূ কুরায়ব, ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... সকলে 'আবদুল মালিক (রহঃ) থেকে একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনুল মুবারাক ও ইবনু আবূ যায়িদাহ বর্ণিত হাদীসে এ কথা উল্লেখিত হয়েছে যে, হাদীসটি বর্ণনার পর আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) "তোমরা যেদিকেই মুখ কর না কেন সবই আল্লাহর দিক"- (সূরাহ আল বাকারাহ ২ঃ ১১৫)। এ আয়াতটি তিলাওয়াত করে বললেন, এ আয়াতটি এ ব্যাপারেই অবতীর্ণ হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৮৩, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬১৪অধ্যায় ৬, নং ৪৫আরবি ক্রমিক ৭০০.০৫
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْمَازِنِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي عَلَى حِمَارٍ وَهُوَ مُوَجِّهٌ إِلَى خَيْبَرَ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে একটি গাধার পিঠে আরোহণ করে খায়বারের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতে দেখেছি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৮৪, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬১৫অধ্যায় ৬, নং ৪৬আরবি ক্রমিক ৭০০.০৬
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّهُ قَالَ كُنْتُ أَسِيرُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ بِطَرِيقِ مَكَّةَ - قَالَ سَعِيدٌ - فَلَمَّا خَشِيتُ الصُّبْحَ نَزَلْتُ فَأَوْتَرْتُ ثُمَّ أَدْرَكْتُهُ فَقَالَ لِي ابْنُ عُمَرَ أَيْنَ كُنْتَ فَقُلْتُ لَهُ خَشِيتُ الْفَجْرَ فَنَزَلْتُ فَأَوْتَرْتُ ‏.‏ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ أَلَيْسَ لَكَ فِي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أُسْوَةٌ فَقُلْتُ بَلَى وَاللَّهِ ‏.‏ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُوتِرُ عَلَى الْبَعِيرِ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমারের সাথে মাক্কার পথ ধরে চলছিলাম। ভোর হয়ে যাচ্ছে মনে করে এক সময় সওয়ারী থেকে নেমে বিতর সালাত আদায় করলাম এবং পরে তার কাছে গিয়ে পৌছলাম। তখন দেখে সওয়ার থেকে নেমে বিতর সালাত আদায় করলাম। এ কথা শুনে আবদুল্লাহ ইবনু উমার বললেন, রসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবনে কি তোমার অনুসরণের জন্য উত্তম আদর্শ নেই। আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! তা অবশ্যই আছে। তিনি বললেন, উটের পিঠে বসেই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতর সালাত আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৮৫, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬১৬অধ্যায় ৬, নং ৪৭আরবি ক্রমিক ৭০০.০৭
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ حَيْثُمَا تَوَجَّهَتْ بِهِ ‏.‏ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ كَانَ ابْنُ عُمَرَ يَفْعَلُ ذَلِكَ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) .... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সওয়ারীর মুখ যেদিকেই থাক না কেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সফরে) সওয়ারীর পিঠে সালাত আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৮৬, ইসলামীক সেন্টার ১৪৯৪) আবদুল্লাহ ইবনু দীনার বলেছেনঃ আবদুল্লাহ ইবনু উমরও এরূপ করতেন। (অর্থাৎ সফরে তিনি সওয়ারীর পিঠে আরোহণরত অবস্থায় নফল সালাত আদায় করতেন। সওয়ার কোন দিকে মুখ করে চলছে তাতে কোন দোষ আছে বলে মনে করতেন না।)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬১৭অধ্যায় ৬, নং ৪৮আরবি ক্রমিক ৭০০.০৮
وَحَدَّثَنِي عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ الْمِصْرِيُّ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي ابْنُ الْهَادِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُوتِرُ عَلَى رَاحِلَتِهِ ‏.‏
ঈসা ইবনু হাম্মদ আল মিসরী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সওয়ারীর উপর বসেই বিতর সালাত আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৮৭, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬১৮অধ্যায় ৬, নং ৪৯আরবি ক্রমিক ৭০০.০৯
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُسَبِّحُ عَلَى الرَّاحِلَةِ قِبَلَ أَىِّ وَجْهٍ تَوَجَّهَ وَيُوتِرُ عَلَيْهَا غَيْرَ أَنَّهُ لاَ يُصَلِّي عَلَيْهَا الْمَكْتُوبَةَ ‏.‏
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সওয়ার যে দিকেই মুখ করে চলুক না কেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওয়ারীর উপর বসে নফল সালাত আদায় করতেন এবং সওয়ারীর উপরেই বিতর সালাত আদায় করতেন। তবে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সওয়ারীর উপর ফারয (ফরয) সালাত আদায় করতেন না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৮৮, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ১৬১৯অধ্যায় ৬, নং ৫০আরবি ক্রমিক ৭০১
وَحَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ سَوَّادٍ، وَحَرْمَلَةُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ، أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَاهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي السُّبْحَةَ بِاللَّيْلِ فِي السَّفَرِ عَلَى ظَهْرِ رَاحِلَتِهِ حَيْثُ تَوَجَّهَتْ ‏.‏
আমর ইবনু সাওওয়াদ ও হারমালাহ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আমির ইবনু রবী'আহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি সফররত অবস্থায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে রাতের বেলা নফল সালাত সওয়ারীর পিঠে বসে যেদিকে সওয়ারীর মুখ ছিল সেদিকে মুখ করে আদায় করতে দেখেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৮৯, ইসলামীক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

৩৭৭টির মধ্যে ৫০
৩৭৭টি বর্ণনা · নম্বর ১৫৭০–১৯৫০

আরবি পাঠ, নম্বর, অধ্যায়ের নাম ও মান — সবই একটি উন্মুক্ত ডেটাসেটে (hadith-api) যেমন আছে হুবহু তেমন দেখানো হয়েছে। সাবীল এখনও এর নির্ভুলতা বা স্বত্ব যাচাই করেনি, আর আলেমদের পর্যালোচনাও শুরু হয়নি। ততদিন কোনো বর্ণনার ওপর নির্ভর করার আগে ছাপা সংস্করণের সাথে মিলিয়ে নিন।