‘আয়িশা ও ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম আমাদের সংবাদ দিচ্ছেন, যখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যু হাজির হলো তখন তিনি একটি কাপড়ের অংশ তার মুখমন্ডলের ওপর রাখছিলেন। মৃত্যু যন্ত্রণার ফলে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করা কঠিন হলে তা নিজ চেহারা থেকে সরিয়ে দিচ্ছিলেন। তিনি এই কঠিন অবস্থায় বললেন, আল্লাহ ইহুদী ও খ্রিস্টানদের ওপর লানত করুন এবং তাদেরকে তার রহমত থেকে বঞ্চিত করুন। কারণ, তারা তাদের নবীদের কবরের ওপর মসজিদ নির্মাণ করেছে। বিষয়টি ভয়ঙ্কর না হলে এই অবস্থায় তা উল্লেখ করতেন না। একারণেই তাঁর উম্মাতকে ঐ কর্মের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ আমল করা থেকে নিষেধ করেছেন। কারণ, তা ইহুদী ও খ্রিস্টানদের কর্ম। অধিকন্তু তা আল্লাহ তা‘আলার সাথে শিরকের উকরণ যা সেদিকেই নিয়ে যায়।
- নবী ও সৎব্যক্তিদের কবরকে সালাত আদায়ের মসজিদ বানানো নিষিদ্ধ। কারণ, তা শিরকের উপকরণ।
- তাওহীদের প্রতি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কঠিন যত্ন ও গুরুত্বারোপ করা। কারণ, তা শিরকের দিকে ধাবিতকারী।
- ইহুদী খৃষ্টান এবং যারা তাদের মতো কবরের উপর পাকা করে মাজার নির্মান ও ওলীর কবরস্থানে মসজিদ বানায় তাদেরকে অভিশাপ করা বৈধ।
- কবরসমূহের ওপর সৌধ-মাজার নির্মাণ করা ইহুদী ও খ্রিস্টানদের রীতি।হাদীসটিতে তাদের সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছে।
- কবরের নিকট ও কবরের দিকে ফিরে সালাত আদায় কবরকে মসজিদ বানানোর শামিল, যদিও মসজিদ নির্মান না করা হয়।
صحيح البخاري (1/ 95) (435)، (2/ 102) (1390). صحيح مسلم (1/ 377) (531)، (1/ 376) (529). الملخص في شرح كتاب التوحيد، للشيخ صالح الفوزان (ص170). الجديد في شرح كتاب التوحيد، لمحمد بن عبد العزيز السليمان القرعاوي (ص185).