মূল অংশে যান
ব্যাখ্যাসহ হাদীস

“যে ব্যক্তি জোহরের পূর্বে চার রাকাত এবং তার পরে চার রাকাত সালাত রীতিমত আদায় করবে তার উপর আল্লাহ জাহান্নাম হারাম করে দিবেন”।

عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ رضي الله عنها زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالت: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ حَافَظَ عَلَى أَرْبَعِ رَكَعَاتٍ قَبْلَ الظُّهْرِ وَأَرْبَعٍ بَعْدَهَا حَرَّمَهُ اللَّهُ عَلَى النَّارِ».
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী উম্মে হাবীবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “যে ব্যক্তি জোহরের পূর্বে চার রাকাত এবং তার পরে চার রাকাত সালাত রীতিমত আদায় করবে তার উপর আল্লাহ জাহান্নাম হারাম করে দিবেন”।
এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে ব্যক্তি যুহরের সালাতের পূর্বে চার রাকাত এবং পরে চার রাকাত নফল আদায় করবে এবং তা নিয়মিত চালিয়ে যাবে তার উপর আল্লাহ জাহান্নাম হারাম করে দিবেন মর্মে সু-সংবাদ দিয়েছেন।

শিক্ষা
  1. জোহরর সালাতের পূর্বে এবং তার পরে চার রাকাত সালাতের উপর নিয়মতি হওয়া মুস্তাহাব।
  2. পূর্বের রাওয়াতিব - অর্থাৎ ফরজের পূর্বের সালাতের- অনেক হিকমত রয়েছে, যেমন ফরজে প্রবেশের আগে ইবাদতের জন্য মুসল্লির নফসকে তৈরি করা, আর পরবর্তী সালাতের হিকমত হল ফরজের ঘাটতি পূর্ণ করা।
  3. রাওয়াতিব সালাতের অনেক ফায়দা রয়েছে, নেকি বৃদ্ধি, পাপ মোচন ও মর্যাদা বৃদ্ধি।
  4. এই হাদীসের ন্যায় প্রতিশ্রুতির হাদীসসমূহে আহলুস সুন্নাহের নীতি হল: তাওহীদের উপর মৃত্যুকে ধারন করা এবং জাহান্নামে স্থায়ী না হওয়া উদ্দেশ্য। কারণ, তাওহীদের উপর প্রতিষ্ঠিত পাপী ব্যক্তি শাস্তির উপযুক্ত হবে, তবে জাহান্নামে স্থায়ী হবে না।
সূত্র

سنن أبي داود (2/ 448) (1269). سنن الترمذي (1/ 452) (428). سنن النسائي (3/ 265) (1816). سنن ابن ماجه (2/ 238) (1160). مسند أحمد (44/ 358) (26772). سبل السلام شرح بلوغ المرام، لمحمد الصنعاني (1/ 336). توضيح الأحكام مِن بلوغ المرام، لعبد الله البسام (2/ 381).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস
সুন্নাতে রাতিবা

এখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com