মূল অংশে যান
ব্যাখ্যাসহ হাদীস

ওযরগ্রস্তদের সালাত

৯টি হাদীস

হে আল্লাহর রাসূল! আমি এখনও ‘আসরের সালাত আদায় করতে পারিনি, এমন কি সূর্য অস্ত যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন আল্লাহর শপথ! আমিও তা আদায় করিনি। অতঃপর আমরা উঠে বুতহানের দিকে গেলাম। সেখানে তিনি সালাতের জন্য উযূ করলেন এবং আমরাও উযূ করলাম; অতঃপর সূর্য ডুবে গেলে ‘আসরের সালাত আদায় করেন, তারপর মাগরিবের সালাত আদায় করেন।

عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما «أنَّ عمر بن الخَطَاب رضي الله عنه جاء يَومَ الخَندَقِ بَعدَ مَا غَرَبَت الشَّمسُ فَجَعَل يَسُبُّ كُفَّار قُرَيشٍ، وقال: يا رسول الله، مَا كِدتُّ أُصَلِّي العَصرَ حَتَّى كَادَت الشَّمسُ تَغرُبُ، فَقَال النَبِيُّ صلى الله عليه وسلم : والله مَا صَلَّيتُهَا، قال: فَقُمنَا إلَى بُطحَان، فَتَوَضَّأ للصَّلاَة، وتَوَضَأنَا لَهَا، فَصَلَّى العَصر بعد مَا غَرَبَت الشَّمسُ، ثُمَّ صَلَّى بعدَها المَغرِب».
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত যে, খন্দকের দিন সূর্য অস্ত যাওয়ার পর ‘উমার ইব্নু খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু এসে কুরাইশ গোত্রীয় কাফিরদের ভর্ৎসনা করতে লাগলেন এবং বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আমি এখনও ‘আসরের সালাত আদায় করতে পারিনি, এমন কি সূর্য অস্ত যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন আল্লাহর শপথ! আমিও তা আদায় করিনি। অতঃপর আমরা উঠে বুতহানের দিকে গেলাম। সেখানে তিনি সালাতের জন্য উযূ করলেন এবং আমরাও উযূ করলাম; অতঃপর সূর্য ডুবে গেলে ‘আসরের সালাত আদায় করেন, তারপর মাগরিবের সালাত আদায় করেন”।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

খন্দকের দিন সূর্য অস্ত যাওয়ার পর ‘উমার ইব্নু খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু রাসূলের নিকট আসেন যে অবস্থায় তিনি কুরাইশ গোত্রীয় কাফিরদের ভর্ৎসনা করতে ছিলেন। কারণ, তারা তাকে ‘আসরের সালাত আদায় করতে দেয়নি, এমন কি সূর্য অস্ত যাওয়ার উপক্রম হয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর শপথ করলেন অথচ তিনি পরম সত্যবাদী! তিনি এখনও সালাত আদায় করেনি যাতে উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু যে কারণে কষ্ট পাচ্ছিত সে বিষয়ে সে তৃপ্তি পায়। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের জন্য উযূ করলেন এবং সাহাবীগণও তার সাথে উযূ করলেন; অতঃপর সূর্য ডুবে যাওয়ার পর ‘আসরের সালাত আদায় করেন, অতঃপর আসরের সালাতের পর মাগরিবের সালাত আদায় করেন।

সূত্র

الإلمام بشرح عمدة الأحكام، إسماعيل بن محمد الأنصاري، دار الفكر، دمشق، الطبعة: الأولى، 1381هـ. تيسير العلام شرح عمدة الأحكام، عبد الله بن عبد الرحمن البسام، تحقيق: محمد صبحي حلاق، مكتبة الصحابة، الإمارات، مكتبة التابعين، القاهرة، الطبعة: العاشرة، 1426هـ. تنبيه الأفهام شرح عمدة الأحكام، محمد بن صالح العثيمين، مكتبة الصحابة، الإمارات، الطبعة: الأولى، 1426هـ. عمدة الأحكام من كلام خير الأنام صلى الله عليه وسلم، لعبد الغني المقدسي، دراسة وتحقيق: محمود الأرناؤوط، مراجعة وتقديم: عبد القادر الأرناؤوط، دار الثقافة العربية، دمشق، بيروت، مؤسسة قرطبة، الطبعة: الثانية، 1408هـ. صحيح البخاري، محمد بن إسماعيل البخاري الجعفي، تحقيق: محمد زهير الناصر، دار طوق النجاة (مصورة عن السلطانية بإضافة ترقيم: محمد فؤاد عبد الباقي)، الطبعة: الأولى، 1422هـ. صحيح مسلم، مسلم بن الحجاج القشيري النيسابوري، تحقيق محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت، الطبعة: 1423هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সফর করেছি। তিনি সফরে (চার রাক‘আত বিশিষ্ট সালাতে) দু’রাক‘আতের বেশি আদায় করতেন না। আবূ বকর, উমার ও উসমানও এমনই করতেন।

عن عبد الله بن عُمر رضي الله عنهما قال: «صحبت رسول الله صلى الله عليه وسلم فكان لا يزيد في السَّفَر على ركعتين، وأبا بكر وعُمر وعُثْمان كذلك».
আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সফর করেছি। তিনি সফরে (চার রাক‘আত বিশিষ্ট সালাতে) দু’রাক‘আতের বেশি আদায় করতেন না। আবূ বকর, উমার ও উসমানও এমনই করতেন।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে অনেক সফরে ছিলেন। অনুরূপভাবে আবূ বকর, উমার ও উসমান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমদের সাথেও অনেক সফরে ছিলেন। তারা সকলেই চার রাক‘আত বিশিষ্ট সালাত কসর করে দু’রাক‘আত করে আদায় করতেন, এর বেশি আদায় করতেন না। অর্থাৎ তাদের কেউ সফরে চার রাক‘আত বিশিষ্টি ফরয সালাত পূর্ণ চার রাক‘আত আদায় করতেন না এবং ফরযের আগে-পরের সুন্নাত সালাতও আদায় করতেন না। তিনি আবূ বকর, উমার ও উসমান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমের কথা উল্লেখ করেছেন এটি প্রমাণ করার জন্য যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পরেও এ বিধানটি রহিত হয় নি এবং তার বিপরীতে শক্তিশালী কোনো মতও নেই। তবে সফরে চার রাক‘আত বিশিষ্টি ফরয সালাত পুরোপুরি আদায় করাও জায়েয। তবে কসর করা উত্তম। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, “(আর যখন তোমরা জমিনে সফর করবে, তখন তোমাদের সালাত কসর করাতে কোন দোষ নেই।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: 101] এ আয়াতে দোষ না হওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা থেকে বুঝা যায় যে, কসর রুখসত (সুযোগ), আযীমাত (অত্যাবশ্যকীয়) নয়। তাছাড়া সালাতের মূল হলো (রাক‘আত) পূর্ণ করা। আর কসর হলো পূর্ণ রাক‘আতকে সংক্ষিপ্ত করা। তবে মুসাফিরের জন্য উত্তম হলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণে ও যারা কসরকে ওয়াজিব মনে করেন তাদের মতানৈক্য থেকে বেঁচে থাকার জন্য কসর না ছাড়া। তাছাড়া কসর করা সকল আলেমদের কাছে উত্তম।

সূত্র

تيسير العلام شرح عمدة الأحكام، عبد الله بن عبد الرحمن البسام، تحقيق: محمد صبحي حلاق، مكتبة الصحابة، الإمارات، مكتبة التابعين، القاهرة، الطبعة: العاشرة 1426هـ. تنبيه الأفهام شرح عمدة الأحكام، محمد بن صالح العثيمين، مكتبة الصحابة، الإمارات، الطبعة: الأولى 1426هـ. الإفهام في شرح عمدة الأحكام لابن باز، تحقيق: سعيد القحطاني، مؤسسة عبد العزيز بن باز الخيرية، الرياض، الطبعة: الأولى 1435هـ. الإلمام بشرح عمدة الأحكام، إسماعيل بن محمد الأنصاري، دار الفكر، دمشق، الطبعة: الأولى 1381هـ. خلاصة الكلام شرح عمدة الأحكام، فيصل بن عبد العزيز المبارك، الطبعة: الثانية 1412هـ، 1992م. صحيح البخاري، محمد بن إسماعيل البخاري الجعفي، تحقيق: محمد زهير الناصر، دار طوق النجاة (مصورة عن السلطانية بإضافة ترقيم: محمد فؤاد عبد الباقي)، الطبعة: الأولى 1422هـ. صحيح مسلم، مسلم بن الحجاج القشيري النيسابوري، تحقيق محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت، الطبعة: 1423هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

সফরে দ্রুত চলার সময় আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর ও ‘আসরের সালাত একত্রে আদায় করতেন আর মাগরিব ‘ইশা একত্রে আদায় করতেন।

عن عَبْد اللَّهِ بْن عَبَّاس رضي الله عنهما قال: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يَجْمعُ في السَّفَر بين صلاة الظهر والعصر؛ إذا كان على ظَهْرِ سَيْرٍ، ويجمع بين المغرب والعشاء».
ইব্ন ‘আব্বাস রাদয়িাল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সফরে দ্রুত চলার সময় আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর ও ‘আসরের সালাত একত্রে আদায় করতেন আর মাগরিব ‘ইশা একত্রে আদায় করতেন।
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

আমাদের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শরী‘আত বান্দাদের প্রতি সহজকরণ, দয়া করা এবং তাদের থেকে সব ধরনের কষ্ট ও সংকীর্ণতা দূরা করার ক্ষেত্রে অন্যান্য আসমানী শরী‘আত থেকে আলাদা। আর এ ধররেন সহজী করণের একটি হলো, সফর অবস্থায় ওয়াক্তের মধ্যে শরীক এমন দুই সালাতকে একত্র করা। মুলত: ওয়াজিব হলো প্রতিটি সালাত তার ওয়াক্তের মধ্যে আদায় করা। তবে রাসূলের অভ্যাস ছিল যখন তিনি সফর করতেন এবং তার সফরে ভ্রমণ করা কষ্টকর হতো তখন তিনি যুহর ও আসরের সালাত একত্রে আদায় করতেন। হয়তো আগে আদায় করতেন না হয় দেরীতে করতেন। এবং মাগরিব ও এশা জমা করতেন হয়তো আগে বা পরে। এ দ্বারা তিনি নিজের সাথে এবং তার সাথে আরও যারা মুসাফির ছিল তাদের সাথে সহজ পদ্ধতির প্রতি লক্ষ্য রাখতেন। ফলে তার সফরটি যে কোন একটি সালাতের ওয়াক্তের মধ্যে দুই সালাতকে একত্র করার কারণ হিসেবে বিবেচিত হলো। কারণ, দুই সালাতের ওয়াক্ত এক ওয়াক্ত হয়ে গেল। এ ছাড়াও সফরে উঠা নামা করা কষ্টকর। অধিকন্তু সফরে সহজ করার জন্যেই দুই সালাতকে একত্রে আদায় করার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।

সূত্র

تيسير العلام شرح عمدة الأحكام، عبد الله بن عبد الرحمن البسام، تحقيق: محمد صبحي حلاق، مكتبة الصحابة، الإمارات، مكتبة التابعين، القاهرة، الطبعة العاشرة، 1426هـ - 2006م. تنبيه الأفهام شرح عمدة الأحكام، محمد بن صالح العثيمين، مكتبة الصحابة، الإمارات، الطبعة الأولى، 1426هـ - 2005م. الإلمام بشرح عمدة الأحكام، إسماعيل بن محمد الأنصاري، دار الفكر، دمشق، الطبعة الأولى، 1381هـ. تأسيس الأحكام، أحمد بن يحيى النجمي، دار المنهاج، الطبعة الأولى. صحيح البخاري، محمد بن إسماعيل البخاري الجعفي، تحقيق: محمد زهير الناصر، دار طوق النجاة (مصورة عن السلطانية بإضافة ترقيم: محمد فؤاد عبد الباقي)، الطبعة الأولى، 1422هـ. صحيح مسلم، مسلم بن الحجاج القشيري النيسابوري، تحقيق محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت، الطبعة: 1423هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

একবার অসুস্থাবস্থায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজগৃহে সালাত আদায় করেন

عن عائشة رضي الله عنها قالت: صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيته وهو شَاكٍ، صلى جالسا، وصلى وراءه قوم قِيَامًا، فأشار إليهم: أنِ اجْلِسُوا، لما انْصَرَفَ قال: إنما جُعِلَ الإمامُ لِيُؤْتَمَّ به: فإذا ركع فاركعوا، وإذا رفع فارفعوا، وإذا قال: سمع الله لمن حمده فقولوا: ربنا لك الحمد، وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا أجمعون».
উম্মুল মু’মনিীন ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা হতে র্বণতি, তিনি বলনে, একবার অসুস্থাবস্থায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজগৃহে সালাত আদায় করেন এবং বসে সালাত আদায় করলেন, একদল সাহাবী তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে লাগলেন। তিনি তাদের প্রতি ইঙ্গিত করলেন যে, বসে যাও। সালাত শেষ করার পর তিনি বললেন, ইমাম নির্ধারণ করা হয় তাঁর ইক্তিদা করার জন্য। কাজেই সে যখন রুকূ‘ করে তখন তোমরাও রুকূ‘ করবে এবং সে যখন রুকূ‘ হতে মাথা উঠায় তখন তোমরাও মাথা উঠাবে আর সে যখন বসে সালাত আদায় করবে তখন তোমরা সবাই বসে সালাত আদায় করবে।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

হাদীসটিতে অসুস্থ থাকার কারণে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বসে সালাত আদায় করা এবং মুক্তাদির ইমামের আনুগত্য ও তাকে অনুসরণ করার পদ্ধতির বর্ণনা রয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইমাম নিযুক্ত করার হিকমত সম্পর্কে মুক্তাদিদের দিক নির্দেশনা দেন। আর তা হলো ইমামের আনুগত্য ও অনুসরণ করা হয়। সালাতের কোন আমলে তার সাথে ভিন্নতা অবলম্বন করবে না। বরং তার যাবতীয় নড়চড় শৃঙ্খলার সাথে অনুসরণ করবে। সুতরাং যখন তিনি ইহরামের তাকবীর বলেন তোমরাও তাকবীর বলো। যখন রুকু‘ করে তোমরাও তারপর রুকু‘ করো। আর যখন سمع الله لمن حمده বলে তোমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আল্লাহ তার ডাকে সাড়া দেন যে তার প্রশংসা করে, তখন তোমরা ربنا لك الحمد বলে আল্লাহর প্রশংসা কর। আর যখন সে সেজদা করে তোমরা তার অনুসরণ করো এবং সেজদা করো। আর যখন সে অপারগতা বসত বসে সালাত আদায় করবে তখন তোমরাও তার অনুকরণে সবাই বসে সালাত আদায় কর। যদিও তোমরা দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে সক্ষম। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা উল্লেখ করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসুস্থ হলে বসে সালাত আদায় করেন। সাহাবীগণ ধারণা করলেন যেহেতু তারা সক্ষম তাই তাদের দাঁড়াতে হবে। তাই তারা তার পিছনে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে লাগলেন। তখন তিনি তাদের ইশারা করলেন যে, তোমরা বসে যাও। তারপর সালাত শেষ করে তিনি তাদের জানিয়ে দিলেন যে, ইমামের সাথে ভিন্নতা অবলম্বন করা যায় না। বরং পরিপূর্ণ অনুকরণ ও ইক্তিদা বাস্তবায়নের লক্ষে তার সাথে একাত্বতা পোষণ করতে হবে। ফলে দাঁড়াতে অপারগ বসা ইমামের পিছনের দাঁড়তে সক্ষম মুক্তাদিগণ বসে সালাত আদায় করবে। এটি যখন ইমাম তাদের নিয়ে বসে সালাত আরম্ভ করে তখন তোমরা তার পিছনে বসে সালাত আদায় করবে। আর যদি নির্ধারিত ইমাম সালাত দাঁড়িয়ে আরম্ভ করে। তারপর সালাতের মাঝখানে অসুস্থ হয়ে বসে পড়ে তখন তোমরা অবশ্যই তার পিছনে দাড়িয়ে সালাত সম্পন্ন করবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আবু বকর ও মানুষদের নিয়ে সালাত আদায় করার সেই হাদীসের উপর আমল করে, যখন তিনি মৃত্যু রোগে আক্রান্ত হয়ে ছিলেন।

সূত্র

تيسير العلام شرح عمدة الأحكام، عبد الله بن عبد الرحمن البسام، تحقيق: محمد صبحي حلاق، مكتبة الصحابة، الأمارات، مكتبة التابعين، القاهرة، الطبعة: العاشرة 1426هـ. الإلمام بشرح عمدة الأحكام، إسماعيل بن محمد الأنصاري، دار الفكر، دمشق، الطبعة: الأولى 1381هـ. عمدة الأحكام من كلام خير الأنام -صلى الله عليه وسلم- لعبد الغني المقدسي، دراسة وتحقيق: محمود الأرناؤوط، مراجعة وتقديم: عبد القادر الأرناؤوط، دار الثقافة العربية، دمشق، بيروت، مؤسسة قرطبة، الطبعة: الثانية 1408هـ. منحة العلام في شرح بلوغ المرام، عبد الله صالح الفوزان، دار ابن الجوزي، الطبعة: الأولى 1428هـ. صحيح البخاري، محمد بن إسماعيل البخاري الجعفي، تحقيق: محمد زهير الناصر، دار طوق النجاة (مصورة عن السلطانية بإضافة ترقيم: محمد فؤاد عبد الباقي)، الطبعة: الأولى 1422هـ. صحيح مسلم، مسلم بن الحجاج القشيري النيسابوري، تحقيق محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت، الطبعة: 1423هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফায় মাগরিব ও ‘ইশা এক সাথে আদায় করেন। প্রত্যেকটির জন্য আলাদা ইক্বামাত দেয়া হয়। তবে উভয়ের মধ্যে বা পরে তিনি কোন নফল সলাত আদায় করেননি।

عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال: «جَمَع النبيُّ صلى الله عليه وسلم بين المغرب والعشاء بِـجَمْع، لِكُلِّ واحدة منهما إقامة، ولم يُسَبِّحْ بينهما، ولا على إثْرِ واحدةٍ مِنْهُمَا».
ইবন ‘উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফায় মাগরিব ও ‘ইশা এক সাথে আদায় করেন। প্রত্যেকটির জন্য আলাদা ইক্বামাত দেয়া হয়। তবে উভয়ের মধ্যে বা পরে তিনি কোন নফল সলাত আদায় করেননি।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

আরাফার দিন সূর্য্য ডুবে গেলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফার দিকে রওয়ানা করলেন। সেখানে গিয়ে তিনি মাগরিব ও এশা প্রত্যেক সালাতের জন্য আলাদা একামত দিয়ে একত্রে দেরিতে আদায় করলেন। একত্র করার অর্থকে প্রতিস্থাপিত করা লক্ষ্যে উভয় সালাতের মাঝে কোন নফল সালাত আদায় করেননি। বিশ্রাম নেওয়া এবং তার পরবর্তী বিধানাবলী আদায়ের প্রস্তুতির উদ্দেশ্যে তার পরেও কোন নফল সালাত আদায় করেন নি।

সূত্র

تيسير العلام شرح عمدة الأحكام، عبد الله بن عبد الرحمن البسام، تحقيق: محمد صبحي حلاق، مكتبة الصحابة، الأمارات، مكتبة التابعين، القاهرة، الطبعة: العاشرة 1426هـ، 2006م. تنبيه الأفهام شرح عمدة الأحكام، محمد بن صالح العثيمين، مكتبة الصحابة، الإمارات، الطبعة: الأولى 1426هـ، 2005م. صحيح البخاري، محمد بن إسماعيل البخاري الجعفي، تحقيق: محمد زهير الناصر، دار طوق النجاة (مصورة عن السلطانية بإضافة ترقيم: محمد فؤاد عبد الباقي)، الطبعة: الأولى 1422هـ. صحيح مسلم، مسلم بن الحجاج القشيري النيسابوري، تحقيق محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت، الطبعة: 1423هـ. تأسيس الأحكام، أحمد بن يحيى النجمي، دار المنهاج، الطبعة: 1427هـ. الموسوعة الفقهية الكويتية، وزارة الأوقاف والشئون الإسلامية، الكويت، الطبعة: (من 1404- 1427هـ)، الأجزاء (1- 23) الطبعة الثانية، دار السلاسل، الكويت، الأجزاء (24- 38) الطبعة الأولى، مطابع دار الصفوة، مصر، الأجزاء (39 - 45) الطبعة الثانية، طبع الوزارة.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লা মাগরিব ও এশার মাঝে একত্র করেন। মাগরিব তিন রাকা‘আত এবং এশা দুই রাকা‘আত আদায় করেন একই ইকামাত দ্বারা।

عن ابن عمر رضي الله عنهما ، قال: «جمع رسول الله صلى الله عليه وسلم بين المغرب والعشاء بجمع: صلى المغرب ثلاثاً، والعشاء ركعتين، بإقامة واحدة».
ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লা মাগরিব ও এশার মাঝে একত্র করেন। মাগরিব তিন রাকা‘আত এবং এশা দুই রাকা‘আত আদায় করেন একই ইকামাত দ্বারা”।
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

হাদীসটি আরাফার থেকে ফেরার পর রাতে মুযদালিফায় মাগরীব ও এশার সালাতকে এক আযান এবং প্রতি সালাতের জন্য আলাদা একামত দিয়ে একত্রে আদায় করা এবং এশার সালাতকে কসর করে দুই রাকা‘আত আদায় করা সম্পর্কীয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আমলটি তুলে ধরছে।

সূত্র

صحيح مسلم، المحقق: محمد فؤاد عبد الباقي، الناشر: دار إحياء التراث العربي – بيروت. تسهيل الإلمام بفقه الأحاديث من بلوغ المرام، شرحه الشيخ د. صالح بن فوزان الفوزان، اعتنى بإخراجه: عبد السلام السليمان، ط 1، 1427هـ- 2006م. إحكام الأحكام شرح عمدة الأحكام، المؤلف: تقي الدين أبو الفتح محمد بن علي القشيري، المعروف بابن دقيق العيد، المحقق: مصطفى شيخ مصطفى و مدثر سندس، الناشر: مؤسسة الرسالة، الطبعة الأولى 1426هـ - 2005م.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে চার জানু হয়ে সালাত আদায় করতে দেখেছি।

عن عائشة رضي الله عنها قالت: رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّي متربِّعًا.
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে চোজানু হয়ে বসে সালাত আদায় করতে দেখেছি।
এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

চার—জানু বসার পদ্ধতি হলো, ডান পায়ের ভেতরের অংশ বাম উরুর নিচে এবং বাম পায়ের ভেতরের ডান উরুর নিচে রেখে নিতম্বের ওপর বসা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করেছিলেন যখন তিনি তার ঘোড়া থেকে পড়ে গিয়ে ছিলেন ও তার পা ভেঙ্গে গিয়ে ছিল। যখন একজন মুসল্লী ফরয সালাত দাঁড়িয়ে আদায়ে সক্ষম না হয় তখন সে চৌ—জানু বসে সালাত আদায় করবে। এটাই তার জন্যে মুস্তাহাব। আর এ পদ্ধতি হলো, দাড়ানোর বিপরীতে বসার অবস্থায়। কিন্তু দুই সেজদার মাঝখানে এবং দুই তাশাহুদে বসার ক্ষেত্রে মুস্তাহাব হলো প্রথম তাশাহুহে ইফতিরাশ এবং দ্বিতীয় তাশাহুদে তাওয়ার্রুক করবে। পদ্ধতিগুলো সবই মুস্তাহাব ও উত্তম। তাই যদি বসার ক্ষেত্রে নিয়ম ভঙ্গ করে এবং উল্লেখিত নিয়মের ব্যতিক্রম করে তাতেও চলবে। কারণ, উদ্দেশ্য হলো তাশাহুদের জন্য বসা এবং এ সব পদ্ধতি ওয়াজিবের ওপর অতিরিক্ত।

সূত্র

السنن الكبرى، تأليف: أحمد بن شعيب النسائي، تحقيق: حسن عبد المنعم شلبي، الناشر: مؤسسة الرسالة، الطبعة: الأولى، 1421 هـ أصل صفة صلاة النبي تأليف : محمد ناصر الدين الألباني، الناشر: مكتبة المعارف للنشر والتوزيع – الرياض الطبعة: الأولى 1427 هـ - 2006 م سبل السلام شرح بلوغ المرام، تأليف : محمد بن إسماعيل بن صلاح الصنعاني، الناشر: دار الحديث الطبعة: بدون طبعة وبدون تاريخ توضيح الأحكام مِن بلوغ المرام، تأليف: عبد الله بن عبد الرحمن بن صالح البسام، الناشر: مكتبة الأسدي، مكة المكرّمة الطبعة: الخامِسَة، 1423 هـ - 2003 م تسهيل الإلمام بفقه الأحاديث من بلوغ المرام، تأليف: صالح بن فوزان بن عبد الله الفوزان، الطبعة: الأولى، 1427 ه _ 2006 م

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

“দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে, তাতে সমর্থ না হলে বসে, যদি তাতেও সক্ষম না হও তাহলে কাত হয়ে শুয়ে।”

عن عمران بن حصين رضي الله عنه قال: كَانَتْ بِي بَوَاسِيرُ، فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الصَّلَاةِ، فَقَالَ: «صَلِّ قَائِمًا، فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَقَاعِدًا، فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَعَلَى جَنْبٍ».
ইমরান ইবনু হুসাইন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার অর্শরোগ ছিল। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে সালাত সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন: “দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে, তাতে সমর্থ না হলে বসে, যদি তাতেও সক্ষম না হও তাহলে কাত হয়ে শুয়ে।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে বর্ণনা করেছেন, সালাতের মূল হলো দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করা। তবে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে সমর্থ না থাকলে বসে সালাত আদায় করবে, যদি তাতেও সক্ষম না হয়, তাহলে কাত হয়ে শুয়ে সালাত আদায় করবে।

শিক্ষা
  1. হুশ জ্ঞান থাকা অবস্থায় কখনোই সালাত মাফ হয় না। সাধ্যানুসারে এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় পরিবর্তন করে হলেও সালাত আদায় করতে হয়।
  2. হাদীসে ইসলামের উদারতা ও সহজতা বর্ণনা করা হয়েছে। যেহেতু বান্দা তার সাধ্যানুসারে ইবাদত-বন্দেগী করবে।
সূত্র

صحيح البخاري (2/ 48) (1117). توضيح الأحكام من بلوغ المرام، لعبدالله البسام (2/ 322). منحة العلام في شرح بلوغ المرام، لعبد الله الفوزان (3/ 202).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস
৯টির মধ্যে ৮
৯টি হাদীস
  1. হে আল্লাহর রাসূল! আমি এখনও ‘আসরের সালাত আদায় করতে পারিনি, এমন কি সূর্য অস্ত যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন আল্লাহর শপথ! আমিও তা আদায় করিনি। অতঃপর আমরা উঠে বুতহানের দিকে গেলাম। সেখানে তিনি সালাতের জন্য উযূ করলেন এবং আমরাও উযূ করলাম; অতঃপর সূর্য ডুবে গেলে ‘আসরের সালাত আদায় করেন, তারপর মাগরিবের সালাত আদায় করেন।
  2. আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সফর করেছি। তিনি সফরে (চার রাক‘আত বিশিষ্ট সালাতে) দু’রাক‘আতের বেশি আদায় করতেন না। আবূ বকর, উমার ও উসমানও এমনই করতেন।
  3. সফরে দ্রুত চলার সময় আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর ও ‘আসরের সালাত একত্রে আদায় করতেন আর মাগরিব ‘ইশা একত্রে আদায় করতেন।
  4. একবার অসুস্থাবস্থায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজগৃহে সালাত আদায় করেন
  5. নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফায় মাগরিব ও ‘ইশা এক সাথে আদায় করেন। প্রত্যেকটির জন্য আলাদা ইক্বামাত দেয়া হয়। তবে উভয়ের মধ্যে বা পরে তিনি কোন নফল সলাত আদায় করেননি।
  6. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লা মাগরিব ও এশার মাঝে একত্র করেন। মাগরিব তিন রাকা‘আত এবং এশা দুই রাকা‘আত আদায় করেন একই ইকামাত দ্বারা।
  7. আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে চার জানু হয়ে সালাত আদায় করতে দেখেছি।
  8. “দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে, তাতে সমর্থ না হলে বসে, যদি তাতেও সক্ষম না হও তাহলে কাত হয়ে শুয়ে।”
  9. যদি তুমি সক্ষম হও যমীনে সালাত আদায় করো, অন্যথায় তুমি ইশারা করো আর তুমি তোমার সেজদাকে রুকূ থেকে বেশি নীচা করো।

এখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com