মূল অংশে যান
ব্যাখ্যাসহ হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই সিজদার মাঝখানে বলতেন: (اللَّهمَّ اغْفِرْ لي، وارْحَمْنِي، وعافِني، واهْدِني، وارزقْنِي) অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সুস্থতা দান করুন,আমাকে সঠিক পথপ্রদর্শন করুন এবং রিজিক দান করুন।

عن ابن عباس رضي الله عنهما: كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول بين السجدتين: «اللَّهمَّ اغْفِرْ لي، وارْحَمْنِي، وعافِني، واهْدِني، وارزقْنِي».
ইবনু ’আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই সিজদার মাঝখানে বলতেন: (اللَّهمَّ اغْفِرْ لي، وارْحَمْنِي، وعافِني، واهْدِني، وارزقْنِي) অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সুস্থতা দান করুন,আমাকে সঠিক পথপ্রদর্শন করুন এবং রিজিক দান করুন।
এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।মানহাদিসটি এর শাওয়াহেদ (বিভিন্ন সমার্থক হাদিস) থাকার কারণে হাসান
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে দুই সিজদার মাঝে নিম্নোক্ত পাঁচটি জিনিসের দো‘আ করতেন যার প্রতি একজন মুসলিম খুবই মুখাপেক্ষী। ‌আর এতে দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় কল্যাণ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সেগুলো হলো: (1)আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা, তার গুনাহ গোপন রাখতে ও অপরাধ মাফ করতে দু‘আ করা; (2)তার প্রতি ব্যাপক রহমত নাযিল হওয়া; (3)সন্দেহ, লোভলালসা ও রোগ-ব্যাধির থেকে সুস্থতা কামনা; (4)আল্লাহর কাছে হিদায়েত ও সত্যের উপর অবিচল থাকার দু‘আ; (5)ঈমান, ইলম, নেক আমল, হালাল ও পবিত্র সম্পদ অর্জনের দু‘আ করা।

শিক্ষা
  1. দুই সিজদার মাঝখানে বসে এ দু‘আ পড়া শরী‘য়ত অনুমোদিত।
  2. এসব দু‘আর ফযীলত ও মর্যাদা বর্ণনা; যেহেতু এতে দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় কল্যাণ নিহিত রয়েছে।
সূত্র

سنن أبي داود (2/ 138) (850). سنن الترمذي (1/ 317) (284). سنن ابن ماجه (2/ 64) (898). مسند أحمد (5/ 72) (2895). مشكاة المصابيح، للتبريزي (1/ 283). سبل السلام شرح بلوغ المرام، لمحمد الصنعاني (1/ 274). توضيح الأحكام مِن بلوغ المرام، لعبد الله البسام (2/ 240).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস
সালাতের পদ্ধতি

এখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com