عن عمران بن حصين رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى رجلًا مُعتزلًا، لم يُصَلِّ في القوم، فقال: (يا فلان، ما منعك أن تصلي في القوم؟) فقال: يا رسول الله أصابتني جنابةٌ، ولا مَاءَ، فقال: (عليك بالصَّعِيدِ، فإنه يَكْفِيَكَ).
ইমরান ইবন হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখলেন যে, এক ব্যক্তি আলাদা দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি লোকদের সাথে সলাত আদায় করেন নি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে অমুক! তোমাকে লোকদের সাথে সালাত আদায় করতে কিসে বিরত রাখলো? তিনি বললেন, আমার উপর গোসল ফরয হয়েছে। অথচ পানি নেই। তিনি বললেন, পবিত্র মাটি নাও (তায়াম্মুম কর), এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করেন। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন দেখেন এক ব্যক্তি তাদের সাথে সালাত আদায় করেনি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আল্লাহর দিকে দা‘ওয়াতের সৌন্দর্য্য ও দয়াদ্রতার পরিপূর্ণতা স্বরূপ ছিল তিনি এর কারণ সম্পর্কে না জেনে তাকে জামা‘আত থেকে বিরত থাকার ওপর কটাক্ষ করেননি। তাই তিনি বলেন, হে অমুক। তোমাকে জামা‘আতে সালাত আদায়ে কোন জিনিষ না করেছে? তারপর সে -তার ধারণা অনুযায়ী-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পারগতার ব্যখ্যা দিয়ে বলেন যে, তার ওপর গোসল ফরয হয়েছে। তার কাছে পানি না থাকার কারণে পানি পেয়ে পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত সে সালাতকে বিলম্ব করছে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াল্লাম বললেন, আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় মেহেবানিতে পবিত্রতা অর্জনে তোমার জন্য পানির স্থলাবিষিক্ত নির্ধারণ করেছেন। আর তা হলো পবিত্র মাটি। তোমার ওপর আবশ্যক হলো তা গ্রহণ করা। কারণ, তা পানির পরিবর্তে তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।
সূত্র
الإلمام بشرح عمدة الأحكام لإسماعيل الأنصاري، ط1، دار الفكر، دمشق، 1381هـ.
تيسير العلام شرح عمدة الأحكام للبسام، حققه وعلق عليه وخرج أحاديثه وصنع فهارسه: محمد صبحي بن حسن حلاق، ط10، مكتبة الصحابة، الأمارات - مكتبة التابعين، القاهرة، 1426هـ.
تنبيه الأفهام شرح عمدة لأحكام لابن عثيمين، ط1، مكتبة الصحابة، الإمارات، 1426هـ.
عمدة الأحكام من كلام خير الأنام صلى الله عليه وسلم لعبد الغني المقدسي، دراسة وتحقيق: محمود الأرناؤوط، مراجعة وتقديم: عبد القادر الأرناؤوط، ط2، دار الثقافة العربية، دمشق ، بيروت، مؤسسة قرطبة، 1408هـ.
صحيح البخاري، تحقيق: محمد زهير بن ناصر الناصر، ط1، دار طوق النجاة (مصورة عن السلطانية بإضافة ترقيم: محمد فؤاد عبد الباقي)، 1422هـ.
صحيح مسلم، تحقيق: محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت، 1423هـ.
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعَنْ عَمَّارِ بنِ ياسِرٍ رضي الله عنه قال: بَعَثَنِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَاجَةٍ، فَأَجْنَبْتُ فَلَمْ أَجِدِ الْمَاءَ، فَتَمَرَّغْتُ فِي الصَّعِيدِ كَمَا تَمَرَّغُ الدَّابَّةُ ثُمَّ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ: «إِنَّمَا كَانَ يَكْفِيكَ أَنْ تَقُولَ بِيَدَيْكَ هَكَذَا» ثُمَّ ضَرَبَ بِيَدَيْهِ الْأَرْضَ ضَرْبَةً وَاحِدَةً، ثُمَّ مَسَحَ الشِّمَالَ عَلَى الْيَمِينِ، وَظَاهِرَ كَفَّيْهِ وَوَجْهَهُ.
আম্মার ইবন ইয়াসির রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: “আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটা প্রয়োজনে বাইরে পাঠিয়েছিলেন। সফরে আমি অপবিত্র হয়ে পড়লাম এবং (পবিত্র অর্জনের জন্যে) পানি পেলাম না। এজন্য আমি জন্তুর মত মাটিতে গড়াগড়ি দিলাম। পরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ঘটনাটি বর্ণনা করলাম। তখন তিনি বললেন:
“তোমার জন্য তো এটুকুই যথেষ্ট ছিল যে, তুমি তোমার হাত দ্বারা এরূপ করবে; তারপর তিনি দু’ হাত মাটিতে একবার মারলেন এবং তিনি বাম হাতকে ডান হাতের উপর মাসেহ করলেন। আর দুই হাতের কব্জির উপরভাগ ও চেহারা মাসেহ করলেন।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমমানসহীহ
ব্যাখ্যা
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সফরে একটা প্রয়োজনে আম্মার ইবন ইয়াসির রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে বাইরে পাঠিয়েছিলেন। অতঃপর সফরে তিনি সহবাস বা উত্তেজনায় বীর্য বের হয়ে অপবিত্র হয়ে পড়লেন। কিন্তু গোসলের জন্যে তিনি পানি পেলেন না। তখনও তিনি বড় নাপাকী থেকে পবিত্রতা অর্জনের জন্যে তায়াম্মুমের বিধান জানতেন না। তিনি জানতেন যে, এর বিধান হলো: ছোট অপবিত্রতা থেকে পবিত্র অর্জন করা যায়। তাই তিনি ইজতিহাদ করলেন এবং ধারণা করলেন যে, ছোট অপবিত্রতা থেকে পবিত্র হওয়ার জন্যে অযুর ক্ষেত্রে তায়াম্মুমে যেভাবে কিছু অঙ্গ মাটি দ্বারা মাসেহ করতে হয়, জুনুবী তথা বড় অপবিত্রতা থেকে তায়াম্মুমের মাধ্যমে পবিত্র হতে হলেও পুরো শরীরে মাটি লাগাতে হয়। ফলে তিনি পানির উপর কিয়াস করে মাটিতে গড়াগড়ি করলেন, যাতে পুরো শরীরে মাটি লাগে। অতঃপর তিনি সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন তখন তিনি ঘটনাটি তাঁর কাছে বর্ণনা করলেন। যাতে তিনি নিশ্চিত হন যে, তিনি যে পদ্ধতিতে তায়াম্মুম করেছেন, তা সঠিক কি না? অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছোট অপবিত্রতা, যেমন পেশাব-পায়খানা থেকে পবিত্রতা অর্জন এবং বড় অবিত্রতা যেমন সহবাস বা মাসিক জনিত কারণে অপবিত্রতা থেকে পবিত্রতা অর্জনের পদ্ধতি বর্ণনা করেন এভাবে: হাতদ্বয় একবার মাটিতে মারবে, অতঃপর বাম হাত ডান হাতের উপরে মাসাহ করবে এবং এর দ্বারা হাতের তালুর উপরিভাগ এবং চেহারা মাসাহ করবে।
শিক্ষা
- তায়াম্মুমের আগে পানি অনুসন্ধান করা ওয়াজিব।
- যে ব্যক্তির গোসল ফরয, সে পানি না পেলে তার জন্যেও তায়াম্মুম করা বৈধ।
- ছোট নাপাকি থেকে যেভাবে তায়াম্মুম করা হয়, বড় নাপাকি থেকে সেভাবেই তায়াম্মুম করা হবে।
সূত্র
صحيح البخاري (1/ 77) (347).
صحيح مسلم (1/ 280) (368).
الإلمام بشرح عمدة الأحكام، لإسماعيل الأنصاري (1/ 60).
تيسير العلام شرح عمدة الأحكام، لعبد الله البسام (ص72).
تنبيه الأفهام شرح عمدة الأحكام، لابن عثيمين (1/ 92).
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال: خرج رَجُلَان في سفر، فَحَضَرَتِ الصلاة وليس معهما ماء؛ فَتَيَمَّمَا صَعيدا طيِّبا فَصَلَّيَا، ثمَّ وجَدَا الماء في الوقت، فأعاد أَحَدُهُمَا الصلاة وَالوُضُوءَ ولم يُعِدِ الآخر، ثم أتَيَا رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكَرَا ذلك له فقال لِلَّذِي لَمْ يُعِدْ: «أَصَبْتَ السنة، وَأَجْزَأَتْكَ صَلَاتُكَ». وقال للذي توضأ وأعاد: «لك الأجر مرَّتَين».
আবূ সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: দুই লোক সফরে বের হলো। সালাতের সময় হলো অথচ তাদের সাথে কোন পানি নেই। তারা দুইজন মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করল এবং সালাত আদায় করল। তারপর তারা সময়ের মধ্যে পানি পেলে তাদের একজন ওযূ ও সালাত পূণরায় আদায় করল আর অপরজন তা করল না। অতঃপর তারা দুই রাসূলুল্লাহর নিকট এসে বিষয়টি জানালো। তখন যে সালাত পূণরায় আদায় করল না তাকে বলল, তুমি সুন্নাতকে যথাযথ অনুসরণ করছ, তোমার সালাত হয়ে গেছে। আর যে ওযূ করল এবং সালাত পুণরায় আদায় করল তোমার জন্য রয়েছে দুইবার সাওয়াব।
এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি দারিমী বর্ণনা করেছেনমানসহীহ
ব্যাখ্যা
বিশিষ্ট সাহাবী আবূ সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু একটি ঘটনা বর্ণনা করে বলেন: ‘দুই লোক সফরে বের হলো। পথি মধ্যে সালাতের সময় হলো” সালাতের সময় উপস্থিত। “অথচ তাদের সাথে কোন পানি নেই। তাই তারা দুইজন মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করল: বিশেষ পদ্ধতির ওপর তারা মাটির ইরাদাহ করল অথবা তরা মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করল। এবং সালাত আদায় করল। তারপর তারা সময়ের মধ্যে পানি পেলে তাদের একজন ওযূ ও সালাত পূণরায় আদায় করল” হয়তো সে ধারণা করছিল যে, তার প্রথম সালাত বাতিল বা সতর্কতা অবলম্বন করল। আর অপরজন তা করল না। এ পদ্ধতি শুদ্ধ ছিল এ কথার ওপর ভিত্তি করল। অতঃপর তারা দুইজন রাসূলুল্লাহর নিকট এসে বিষয়টি জানালো। তাদের ঘটনা। তখন যে সালাত পূণরায় আদায় করল না তাকে বলল, তুমি সুন্নাতকে যথাযথ অনুসরণ করছ, তোমার সালাত হয়ে গেছে। আর যে ওযূ করল এবং সালাত পুণরায় আদায় করল, তাকে বলল, তোমার জন্য রয়েছে দুইবার সাওয়াব। অর্থাৎ তোমার জন্য রয়েছে সালাতের সাওয়াব দুইবার। কারণ, তাদের উভয়জনই বিশুদ্ধ ছিলেন যার ওপর সাওয়াব আরোপিত হয়। আল্লাহ তা‘আলা যে সুন্দর আমল করে তার বিনিময় নষ্ট করেন না। আর এতে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, সর্তকামুলক আমল করা উত্তম। যেমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যা তোমাকে সংশয়ে ফেলে তা ছাড় আর যা তোমাকে সংশয়ে নিপতিত করে তা গ্রহণ করো।
সূত্র
سنن أبي داود، سليمان بن الأشعث أبوداود، تحقيق: محمد محيي الدين عبد الحميد، المكتبة العصرية، صيدا، بيروت.
المجتبى من السنن (السنن الصغرى)، أحمد بن شعيب النسائي، تحقيق: عبد الفتاح أبو غدة، مكتب المطبوعات الإسلامية، حلب، الطبعة: الثانية 1406هـ، 1986م.
سنن الدارمي، تحقيق: حسين سليم أسد الداراني، دار المغني للنشر والتوزيع، المملكة العربية السعودية، الطبعة: الأولى 1412هـ، 2000م.
توضيح الأحكام شرح بلوغ المرام، عبد الله بن عبد الرحمن البسام، مكتبة الأسدي، مكة المكرمة، الطبعة الخامِسَة، 1423هـ، 2003 م.
منحة العلام في شرح بلوغ المرام، عبد الله صالح الفوزان، دار ابن الجوزي، الطبعة: الأولى 1428هـ، 1432هـ.
تسهيل الإلمام بفقه الأحاديث من بلوغ المرام، صالح بن فوزان بن عبد الله الفوزان، اعتنى بإخراجه عبدالسلام بن عبد الله السليمان، الرسالة، بيروت، الطبعة: الأولى 1427هـ، 2006م.
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعن أبي ذر جندب بن جنادة رضي الله عنه قال: اجتمعت غنيمة عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «يا أبا ذر اُبْدُ فيها» فبَدَوْتُ إلى الرَّبذَة فكانت تُصيبني الجنابة فأمكث الخَمْسَ والسِّتَّ، فأتيتُ النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «أبو ذر» فَسَكَتُّ فقال: «ثَكِلَتْكَ أمك أبا ذر لأمِّكَ الوَيْلُ» فدعا لي بجارية سوداء فجاءت بِعُسٍّ فيه ماء فستَرتْنِي بثَوب واستَتَرْتُ بالرَّاحلة، واغتسلتُ فكأني أَلقَيْتُ عني جَبَلًا فقال «الصعيدُ الطيِّبُ وُضُوءُ المسلم ولو إلى عشر سنين، فإذا وجدتَ الماء فأَمِسَّهُ جِلدَكَ فإن ذلك خَيرٌ».
আবূ যার জুনদুব ইবন জুনাদাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফূ‘ হিসেবে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট কিছু গণীমতের সম্পদ একত্র হলো। তিনি বললেন, হে আবূ যার! তুমি গ্রামে যাও। তখন আমি রাবযাহ গ্রামে গেলাম। তখন আমার গোসল ফরয হতো। এ অবস্থায় আমি সেখানে পাঁচ ও ছয় দিন থাকতাম। তারপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসি। তিনি বলেন, হে আবূ যার! আমি চুপ রইলাম। “তোমার মা তোমাকে গুম করুক, হে আবূ যার তোমার মায়ের জন্য ধ্বংস” অতঃপর তিনি আমার জন্য একজন কালো বাদি ডাকালেন। সে একটি বড় পাত্র নিয়ে আসল যাতে রয়েছে পানি। সে আমাকে একটি কাপড় দিয়ে আড়াল করল আর আমি সাওয়ারী দ্বারা পর্দা করলাম। তারপর গোসল করলাম। তখন মনে হলো যেন, আমি আমার থেকে পাহাড় সরালাম। তখন বলল, পানি না পাওয়া গেলে পবিত্র মাটি একজন মুসলিমের পবিত্রতা যদিও দশ বছর হয়। যখন তুমি পানি পাবে তখন তুমি শরীরকে পানি দ্বারা ধুইয়ে নাও। কারণ, এটি উত্তম।”
এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
এ হাদীসটি এ শরী‘আতের একটি সহজ নিদর্শন তুলে ধরেছে। আর তা হলো পানি না থাকা অবস্থায় তায়াম্মুম দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করা। “পবিত্র মাটি” অর্থাৎ যমীনের উপরি ভাগের পবিত্র মাটি ইত্যাদি। এ নামকরণ করার কারণ হলো, মানুষ তার উপর আরোহন করে ও চলে। “মুসলিমের পবিত্রতা” এ কথার মধ্যে রয়েছে পবিত্রতার ক্ষেত্রে পবিত্র মাটিকে পানির সাথে তুলনা করা। তাই শরী‘আত প্রণেতা তায়াম্মুমের ওপর অযু শব্দ ব্যবহার করেছেন। কারণ, তা তার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার কারণে। সহজ বিধানটি ততদিন থাকবে যতদিন অপারগতা পাওয়া যাবে। এ কারণে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যদিও দশ বছর পানি পাওয়া না যায় অথবা বিশ বছর অথবা ত্রিশ বছর বা তার চেয়েও বেশি। সুতরাং দশ দ্বারা উদ্দেশ্য অধিক বোঝানো সংখ্যা বোঝানো নয়। অনুরূপভাবে যদি পানি পাওয়াও যায় কিন্তু পানি ব্যবহারে শর‘ঈ বা দৈহিক কোনো অসুবিধা রয়েছে। এতে প্রতীয়মান হয় যে, তায়াম্মুম অযুর স্থলাভিষিক্ত। যদিও তার দ্বারা দুর্বল পবিত্রতা হয় কিন্তু ওয়াক্ত চলে যাওয়ার পূর্বে সালাত আদায়ের জন্য এটি জরুরি পবিত্রতা। তারপরও যখন পানি পাওয়া যায় ও তা ব্যবহারে সক্ষম হয় তখন তায়াম্মুম করার অনুমতি শেষ হয়ে যায়। এ কারণে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ যারকে পবিত্রতার ক্ষেত্রে মূলের দিকে ফিরে যাওয়ার দিক নির্দেশনা দেন। আর তা হলো পানি ব্যবহার করা। তিনি বলেন, যখন তুমি পানি পাবে তখন তুমি পানি তোমার শরীরে পৌঁছাও। তা দ্বারা তুমি অযু বা গোসল করে নাও। তিরমিযীর বর্ণনায় এসেছে: যখন পানি পাওয়া যাবে সে যেন তার চামড়ায় পানি স্পর্শ করে। কারণ, তা অধিক উত্তম। এ দ্বারা বুঝা যায় যে, পানি পাওয়া তায়াম্মুমকে ভঙ্গ করে দেয় যদি সে তা ব্যবহারে সক্ষম হয়। কারণ, ব্যবহার করতে সক্ষম হওয়া পানি পাওয়ার উদ্দেশ্য।
সূত্র
توضيح الأحكام للشيخ البسام، ط5، مكتبة الأسدي، مكة المكرمة، 1423هـ.
تسهيل الإلمام للشيخ صالح الفوزان، بعناية: عبدالسلام السليمان، ط1، 1427هـ.
جامع الترمذي، تحقيق وتعليق:أحمد محمد شاكر، وآخرون، مكتبة ومطبعة مصطفى البابي الحلبي، ط2، مصر، 1395 هـ.
سنن ابن ماجه، تحقيق: محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء الكتب العربية - فيصل عيسى البابي الحلبي.
سنن أبي داود، تحقيق: محمد محيي الدين عبد الحميد، المكتبة العصرية، بيروت.
السنن الصغرى للنسائي، تحقيق: عبد الفتاح أبو غدة، ط2، مكتب المطبوعات الإسلامية، حلب، 1406هـ.
فيض القدير شرح الجامع الصغير للمناوي ، ط1، المكتبة التجارية الكبرى، مصر، 1356هـ.
مسند الإمام أحمد بن حنبل، تحقيق: شعيب الأرنؤوط - عادل مرشد، وآخرون، إشراف: د عبد الله بن عبد المحسن التركي، ط1، مؤسسة الرسالة، 1421هـ.
مشكاة المصابيح للتبريزي، ، تحقيق: محمد ناصر الدين الألباني، ط3، المكتب الإسلامي، بيروت، 1985هـ.
النهاية في غريب الحديث والأثر لابن الأثير، تحقيق: طاهر أحمد الزاوى - محمود محمد الطناحي، ط 1399هـ، المكتبة العلمية، بيروت.
عون المعبود شرح سنن أبي داود، ومعه حاشية ابن القيم: تهذيب سنن أبي داود وإيضاح علله ومشكلاته- محمد أشرف بن أمير بن علي بن حيدر، أبو عبد الرحمن، شرف الحق، الصديقي، العظيم آبادي - دار الكتب العلمية – بيروت الطبعة: الثانية، 1415 هـ.
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعن علي بن أبي طالب رضي الله عنه مرفوعاً: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : "أُعطِيتُ ما لم يُعطَ أحدٌ من الأنبياءِ". فقلنا: يارسول الله، ما هو؟ قال: "نُصِرتُ بالرُّعبِ، وأُعطِيتُ مَفَاتِيحَ الأرضِ، وسُمِّيتُ أحمدَ، وجُعِلَ التُّرابُ لي طَهُوراً، وجُعِلَتْ أمَّتي خيرَ الأممِ".
আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফূ‘ হিসেবে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামে বলেছেন, আমাকে এমন কিছু দেওয়া হয়েছে যা আমার পূর্বে কোনো নবীকে দেওয়া হয় নি। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! তা কী? তিনি বললেন, আমাকে ভীতি দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। যমীনের চাবিসমূহ আমাকে দেওয়া হয়েছে। আমার নাম আহমদ রাখা হয়েছে। মাটিকে আমার জন্য পবিত্র করা হয়েছে এবং আমার উম্মতকে সর্বশ্রেষ্ট উম্মত বানানো হয়েছে।
এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
তার বাণী, “আমাকে এমন কিছু দেওয়া হয়েছে যা আমার পূর্বে কোনো নবীকে দেওয়া হয় নি” এর বাহ্যিক অর্থ হলো, উল্লিখিত বিষয়গুলো তার পূর্বে আর কারো জন্য ছিল না। “আমাকে ভীতি দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে” অর্থাৎ আমার প্রতি শত্রুদের অন্তরে ভয় ঢেলে দেওয়া হয়েছে। এটিই তাঁর শত্রুদের অন্তরকে বিচুর্ণ করে দিত, তাদের অহংকারকে নিভিয়ে দিত এবং তাদের সংঘবদ্ধতাকে ভেঙ্গে দিত। তার বাণী: “চাবিসমূহ আমাকে দেওয়া হয়েছে” মিফতাহুন শব্দের বহুবচন। যে যন্ত্র দ্বারা খোলা হয়, তার নাম মিফতাহ। মূলত তা হলো, ঐ সব বিষয়সমূহ যা দ্বারা এমন কঠিনবস্তুসমূহকে বের করা যায়, যেগুলোর প্রতি পৌঁছা কঠিন। তার বাণী: “যমীনের খনিজ সম্পদসমূহ” শহরগুলো বিজিত হওয়ার আল্লাহর প্রতিশ্রুতির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। এটি খাযানাতুন-এর বহুবচন। শহরবাসী তাতে তাদের সম্পদ গচ্ছিত করে রাখে, কারো হাতে সেটি বিজিত হওয়ার পূর্বে। “আমার নাম আহমদ রাখা হয়েছে” আল্লাহর সংরক্ষণের ফলে ইতোপূর্বে এ দ্বারা কারো নাম রাখা হয় নি। যাতে দূর্বল অন্তরে কোনো প্রকার গড়মিল তৈরি না হয় অথবা পূর্বের কিতাবসমূহে আহমাদ দ্বারা যাকে উল্লেখ করা হয়েছে তার ব্যাপারে সন্দেহ দেখা না দেয়। তার বাণী: “মাটিকে আমার জন্য পবিত্র করা হয়েছে” পানি পাওয়া যখন কষ্টকর হয় তখন তা পবিত্রকারী।
সূত্র
تسهيل الإلمام بفقه الأحاديث من بلوغ المرام لصالح بن فوزان بن عبد الله الفوزان، ط1، الرسالة، بيروت، 1427 هـ.
توضيح الأحكام مِن بلوغ المرام لعبد الله بن عبد الرحمن بن صالح البسام، ط5، مكتبة الأسدي، مكة المكرّمة ، 1423 هـ.
سبل السلام شرح بلوغ المرام لمحمد بن إسماعيل بن صلاح الصنعاني، دار الحديث.
سلسلة الأحاديث الضعيفة والموضوعة وأثرها السيئ في الأمة للألباني، ط1، دار المعارف، الرياض، 1412 هـ.
فتح ذي الجلال والإكرام شرح بلوغ المرام لمحمد بن صالح بن محمد العثيمين، تحقيق: صبحي بن محمد رمضان، وأُم إسراء بنت عرفة، ط1، المكتبة الإسلامية، مصر، 1427هـ.
فيض القدير شرح الجامع الصغير للمناوي، ط1، المكتبة التجارية الكبرى، مصر، 1356هـ.
مسند الإمام أحمد بن حنبل، تحقيق: شعيب الأرنؤوط و عادل مرشد، وآخرون، تحت إشراف: د عبد الله بن عبد المحسن التركي، ط1، مؤسسة الرسالة، 1421 هـ.
منحة العلام في شرح بلوغ المرام لعبد الله بن صالح الفوزان، ط1، دار ابن الجوزي، 1432 هـ.
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعن حذيفة رضي الله عنه مرفوعًا: «فُضِّلْنَا على الناس بِثَلاث: جُعِلَت صُفُوفَنا كصفُوف الملائِكة، وجُعلت لنَا الأرض كُلُّها مسجدا، وجُعلت تُرْبَتُهَا لنا طَهُورا، إذا لم نَجِد الماء. وذَكر خِصْلَة أُخرى».
হুযাইফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফূ‘ হিসেবে বর্ণিত: মানুষের ওপর তিনটি বিষয় দ্বারা আমাদের সম্মানিত করা হয়েছে। আমাদের কাতারসমূহকে ফিরিশতাদের কাতারের মতো করা হয়েছে। আমাদের জন্য সমগ্র যমীনকে মাসজিদ বানানো হয়েছে এবং যমীনের মাটিকে আমাদের জন্য পবিত্র করা হয়েছে যখন আমরা পানি না পাবো। অপর একটি বৈশিষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে।
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
যেসব বৈশিষ্ট্যের কারণে অন্যান্য উম্মতের ওপর এ উম্মতের মর্যাদা ও ফযীলত রয়েছে তার বর্ণনায় এ হাদীসটি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: “মানুষের ওপর তিনটি বিষয় দ্বারা আমাদের সম্মানিত করা হয়েছে।” অর্থাৎ, পূর্বের সমস্ত উম্মতের ওপর তিনটি বৈশিষ্ট্য দ্বারা আমাদের সম্মানিত করা হয়েছে। তবে এ উম্মতের বৈশিষ্ট্য তিনটির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর একের পর এক এ উম্মতের বৈশিষ্টসমূহ অবতীর্ণ হতে থাকত। তখন তিনি অবতীর্ণ হওয়ার পেক্ষাপট অনুযায়ী প্রতিটি সম্পর্কে সংবাদ দিতেন। “আমাদের কাতারসমূহকে ফিরিশতাদের কাতারের মতো করা হয়েছে।” আর তা হলো সালাতে আমাদের দাঁড়ানো ফিরিশতাগণ তাদের রবের সামনে দাঁড়ানোর মতো। তারা প্রথমে সামনের কাতার পূরণ করত, তারপর যে কাতারগুলো তার সাথে মিলিত হত, অতঃপর তারা কাতার ইস্পাতের মতো সোজা করত। যেমনটি আবূ দাউদ ও অন্যান্য হাদীসের কিতাবে বিষয়টি সম্পর্কে ম্পষ্ট বর্ণনা এসেছে: “তোমরা কি ফিরিশতাগন যেভাবে তাদের রবের সামনে কাতারবন্দী হয়, সেভাবে কাতারবন্দি হবে না? আমরা বললাম হে আল্লাহর রাসূল! ফিরিশতাগণ কীভাবে তাদের রবের সামনে কাতারবন্দি হয়? তিনি বললেন, তারা প্রথম কাতার পূর্ণ করে এবং কাতারের মধ্যে ইস্পাত দৃঢ় থাকে। এটি পূর্বের উম্মাতদের বৈশিষ্ট্যের বিপরীত। কারণ, তারা সালাতে যার যেখানে সুযোগ হয় সেখানে নিজ নিজ খেয়াল খুশি অনুযায়ী দাঁড়াত। “আর আমাদের জন্য সমগ্র যমীনকে মাসজিদ বানানো হয়েছে এবং যমীনের মাটিকে আমাদের জন্য পবিত্র করা হয়েছে” অর্থাৎ, এ উম্মতের ইবাদতকে সহজ ও সহনীয় করার জন্য পুরো যমীনকে আল্লাহ তা‘আলা সালাত আদায়ের উপযোগী করে দিয়েছেন, যাতে যে কোন জায়গায় সালাতের সময় হয়, তাতে সে সালাত আদায় করতে পারে; কোন জায়গা খাস করেননি। পক্ষান্তরে পূর্বের উম্মতগণ এর বিপরীত। কারণ, তারা শুধু গীর্যা ও উপাসনালয়ে সালাত আদায় করতে পারত। এ কারণেই আমাদের নিকট হাদীসটির অন্যান্য বর্ণনা এসেছে: “আমার পূর্বে তারা তাদের গীর্যাসমূহে সালাত আদায় করত”। অপর এক বর্ণনায় বর্ণিত: নবীদের কেউ তাদের মিহরাব ছাড়া সালাত আদায় করত না। তবে এ হাদীসটির ব্যাপকতা থেকে ঐসব স্থান খাস করা হয়েছে, যে গুলোতে সালাত আদায় করা সম্পর্কে শরী‘আত প্রণেতা নিষেধ করেছেন। যেমন, গোসল খানা, কবরের স্থান, উটের খোঁয়াড় এবং নাপাক স্থান। “আর তার মাটিকে আমাদের জন্য পবিত্র করা হয়েছে যখন আমরা পানি না পাবো।” অর্থাৎ, মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করার জন্য পানি না পাওয়ার শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। এর ওপর কুরআনের আয়াতও প্রমাণ। আল্লাহ বলেন, “অতঃপর তুমি পানি পেলে না, তবে তুমি পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম কর” [নিসা, আয়াত: ৪৩] এটি উলামার ঐকমতের স্থল। আর পানি না পাওয়ার সাথে যোগ করা হবে যার পানি ব্যবহার দ্বারা ক্ষতি হবে তাকেও। “আর তিনি অপর একটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন” উপরে দু’টি বৈশিষ্ট্যের আলোচনা অতিবাহিত হয়েছে। কারণ, যমীনকে মসজিদ ও পবিত্র করা একটি বৈশিষ্ট্য। আর তৃতীয় বৈশিষ্ট্যটি এখানে উহ্য। তার আলোচনা বর্ণনাকারী আবূ মালেকের সনদে নাসাঈতে এসেছে। তিনি বলেন, আমাকে আরশের নিচের খনিজ থেকে সূরা বাকারার শেষের আয়াতগুলো দেওয়া হয়েছে, তা থেকে আমার পূর্বে আর কাউকে দেওয়া হয়নি এবং তা থেকে আমার পরে আর কাউকে দেওয়া হবে না।
সূত্র
صحيح مسلم، تأليف: مسلم بن الحجاج النيسابوري، تحقيق: محمد فؤاد عبد الباقي الناشر: دار إحياء التراث العربي – بيروت.
زاد المعاد في هدي خير العباد، تأليف: محمد بن أبي بكر ابن قيم الجوزية، الناشر: مؤسسة الرسالة، بيروت - مكتبة المنار الإسلامية، الكويت، الطبعة: السابعة والعشرون , 1415هـ /1994م.
نيل الأوطار شرح منتقى الأخبار، تأليف: محمد بن علي الشوكاني، تحقيق: عصام الدين الصبابطي، الناشر: دار الحديث، الطبعة: الأولى، 1413هـ.
مرقاة المفاتيح شرح مشكاة المصابيح، تأليف: علي بن سلطان القاري، الناشر: دار الفكر، الطبعة: الأولى، 1422هـ.
مرعاة المفاتيح شرح مشكاة المصابيح، تأليف: عبيد الله بن محمد المباركفوري، الناشر: إدارة البحوث العلمية والدعوة والإفتاء، الطبعة: الثالثة - 1404 هـ.
توضيح الأحكام مِن بلوغ المرام، تأليف: عبد الله بن عبد الرحمن بن صالح البسام، الناشر: مكتبة الأسدي، مكة المكرّمة الطبعة: الخامِسَة، 1423 هـ - 2003 م.
فتح ذي الجلال والإكرام، شرح بلوغ المرام، تأليف: محمد بن صالح بن محمد العثيمين، الناشر: المكتبة الإسلامية، تحقيق: صبحي بن محمد رمضان، وأُم إسراء بنت عرفة.
منحة العلام في شرح بلوغ المرام، تأليف: عبد الله بن صالح الفوزان، الناشر: دار ابن الجوزي الطبعة: الأولى ، 1427 هـ 1431هـ.
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসএখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com