عن عُبَادَةَ بن الصَّامتِ رضي الله عنه قال: بَايَعْنَا رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم على السَّمْعِ وَالطَّاعَةِ فِي الْعُسْرِ وَالْيُسْرِ، وَالْمَنْشَطِ وَالْمَكْرَهِ، وعلى أَثَرَةٍ علينا، وعلى أَلَّا نُنَازِعَ الْأَمْرَ أهلَه، وعلى أَنْ نَقُولَ بِالْحَقِّ أينما كُنَّا، لا نَخَافُ في الله لَوْمَةَ لَائِمٍ.
’উবাদাহ ইবনু সামিত রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট কষ্টে ও আরামে; স্বাচ্ছন্দ্যে ও অপছন্দে এবং আমাদের উপর অন্যকে অগ্রাধিকার দিলেও (আমীরের) কথা শোনা ও মানার উপর বাই’আত করেছি। আরও বাই’আত করেছি যে, আমরা ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে ক্ষমতা নিয়ে টানাটানি করব না। এবং যেখানেই থাকি না কেন হক্ব বলব এবং আল্লাহর ক্ষেত্রে কোনো নিন্দুকের নিন্দার ভয় করব না।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমমানসহীহ
ব্যাখ্যা
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীগণের কাছ থেকে সহজে ও কঠিনে; সচ্ছলতা ও অভাবে ক্ষমতাসীন ও শাসকদের আনুগত্য করার শপথ ও অঙ্গীকার নিয়েছেন; তাদের আদেশগুলো মন পছন্দ করুক বা অপছন্দ করুক, এমনকি যদিও শাসকগণ সাধারণ জনগণের সম্পদ অথবা পদ-পদবী অথবা অন্য কিছুর ব্যাপারে প্রজাদের উপর নিজেদেরকে প্রধান্য দেয়, তবু তাদের কথা শোনা ও সুন্দরভাবে তাদের আনুগত্য করা ওয়াজিব।আরো অঙ্গীকার নিয়েছেন যে, তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবে না। কারণ, তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার ক্ষতি ও অনিষ্ট তাদের অন্যায় থেকে সৃষ্ট ক্ষতি ও অনিষ্ট থেকে অনেক বড় ও গুরুতর। তাদের থেকে আরো প্রতিশ্রুতি নিয়েছেন যে, তারা যেখানে থাকবে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর জন্যে হক্ব বলবে এবং কোনো নিন্দুকের নিন্দাকে পরোয়া করবে না।
শিক্ষা
- ক্ষমতাসীনদের কথা শোনা ও আনুগত্য করার ফল হলো মুসলিমদের ঐক্য সুদৃঢ় করা ও বিছিন্নতাকে ছুড়ে ফেলা।
- আল্লাহর নাফরমানী ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে ক্ষমতাসীনদের কথা শোনা এবং তাদের আনুগত্য করা সুখে ও দুঃখে; সাচ্ছন্দে ও অপছন্দে এবং এমন অগ্রাধিকার বিষয়ে যা তারা নিজেদের জন্য গ্রহণ করেন ওয়াজিব।
- আমরা যেখানে থাকব আল্লাহর কাজে নিন্দুকের নিন্দাকে পরোয়া না করে হক কথা বলা ওয়াজিব।
সূত্র
صحيح البخاري (9/ 47) (7055-7056)، (9/ 77) (7199، 7200).
صحيح مسلم (3/ 1470) (1709).
بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين، لسليم الهلالي (1/ 277).
رياض الصالحين، للنووي (ص83) (186).
شرح رياض الصالحين، لابن عثيمين (2/ 419).
نزهة المتقين شرح رياض الصالحين، لمجموعة من الباحثين (1/ 202).
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ أُمِّ المُؤمنين رضي الله عنها: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «سَتَكُونُ أُمَرَاءُ فَتَعْرِفُونَ وَتُنْكِرُونَ، فَمَنْ عَرَفَ بَرِئَ، وَمَنْ أَنْكَرَ سَلِمَ، وَلَكِنْ مَنْ رَضِيَ وَتَابَعَ» قَالُوا: أَفَلَا نُقَاتِلُهُمْ؟ قَالَ: «لَا، مَا صَلَّوْا».
মু'মিন জননী উম্মে সালামাহ রদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “অচিরেই এমন কতক শাসকের উদ্ভব ঘটবে, তোমরা তাদের (কিছু) কাজ পছন্দ করবে এবং (কিছু) কাজ অপছন্দ করবে। যেজন তাদের ভাল কাজ পছন্দ করল সে মুক্তি পেল এবং যেজন তাদের কে (অন্তর থেকে) অপছন্দ করলো সে নিরাপদ হলো। কিন্তু যেজন তাদের (মন্দ কাজ) পছন্দ করলো এবং অনুরসরণ করলো (সে ক্ষতিগ্রস্ত হলো)।” সাহাবীগণ জানতে চাইল: আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব না? তিনি বললেন: “না, যতক্ষণ তারা সালাত আদায়কারী থাকবে।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনমানসহীহ
ব্যাখ্যা
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের উপর একদল শাসক শাসন করবেন। আমরা তাদের (কিছু) ভালো কাজ পছন্দ করবো; কেননা সেগুলো শরী‘আহ অনুযায়ী তারা করে থাকবে এবং তাদের (কিছু) মন্দ কাজ অপছন্দ করবো; কেননা সেগুলো শরী‘আহ পরিপন্থী হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি তার অন্তর থেকে তাদের মন্দকাজকে অপছন্দ ও ঘৃণা করলো, যেহেতু সে তাদের মন্দ কাজের প্রতিবাদ করতে সক্ষম নয়; তাহলে সে গুনাহ ও নিফাকী থেকে মুক্ত থাকলো। আর যে ব্যক্তি হাত ও জবানের দ্বারা তাদের মন্দ কাজের প্রতিবাদ করতে সক্ষম এবং সে তার প্রতিবাদ করলো, সেও গুনাহ ও তাতে অংশগ্রহণ করা থেকে নিরাপদ রইল। কিন্তু যে ব্যক্তি তাদের মন্দ কাজ পছন্দ করলো এবং তা অনুরসরণ করলো, তবে সে তেমনি ধ্বংস হবে যেমনিভাবে মন্দকাজ সম্পন্নকারীরা ধ্বংস হয়েছে ।
সাহাবীগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে জানতে চাইলেন: আমাদের যেসব শাসকগণ উপরোক্ত দোষে দোষী, আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব না? তিনি তাদেরকে লড়াই করতে নিষেধ করলেন। তিনি বললেন: “না, যতক্ষণ তারা সালাত আদায়কারী থাকবে।”
শিক্ষা
- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়াতের একটি নিদর্শন হলো ভবিষ্যতে যেসব ঘটনা সংঘটিত হবে, সে সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া এবং তিনি যেভাবে সংবাদ দিয়েছেন, তা সেভাবেই সংঘটিত হয়েছে।
- খারাপ কাজ পছন্দ করা ও তাতে শরীক হওয়া জায়েয নেই; বরং তা অপছন্দ ও প্রতিবাদ করা ওয়াজিব।
- যখন কোন শাসক শরী‘আহ বিরোধী কোন কাজ করে, তখন তার আনুগত্য করা জায়েয নেই।
- মুসলিম শাসকের বিরুদ্ধে বের হওয়া জায়েয নেই; যেহেতু এতে আরো বেশি ফাসাদ ছড়িয়ে পড়বে, রক্তপাত ঘটবে, নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে। সুতরাং অত্যাচারী ও পাপীষ্ট শাসকের অপছন্দনীয় কাজ সহ্য করা, তাদের অত্যাচারে ধৈর্যধারণ করা উপরোক্ত রক্তপাত ও বিশৃঙ্লার চেয়ে বেশি সহজ।
- সালাতের গুরুত্ব ও মর্যাদা অপরিসীম। এটি কুফর ও ইসলামের মাঝে পার্থক্যকারী।
সূত্র
صحيح مسلم (3/ 1480) (1854).
المفهم لما أشكل من تلخيص كتاب مسلم (4/ 64).
البحر المحيط الثجاج في شرح صحيح الإمام مسلم بن الحجاج (32/ 206).
بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين، لسليم الهلالي (1/ 279).
تطريز رياض الصالحين، لفيصل بن عبد العزيز المبارك (ص150).
الشرح الممتع على زاد المستقنع، لابن عثيمين (11/ 323).
شرح رياض الصالحين، لابن عثيمين (2/ 435).
نزهة المتقين شرح رياض الصالحين، مجموعة من الباحثين (1/ 211).
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعن الزبير بن عدي، قال: أَتَيْنَا أنسَ بنَ مَالِكٍ رضي الله عنه فَشَكَوْنَا إليه ما نَلْقَى من الحَجَّاجِ، فقال: «اصْبِرُوا، فإنه لا يأتي زمانٌ إلا والذي بعده شَرٌّ منه حَتَّى تَلْقَوا رَبَّكُم» سمعتُه من نَبِيِّكُم صلى الله عليه وسلم .
যুবাইর ইবন আদী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আমরা আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর নিকটে এলাম এবং তাঁর কাছে হাজ্জাজের অত্যাচারের অভিযোগ করলাম। তিনি বললেন, ‘তোমরা ধৈর্য ধারণ কর। কারণ, এখন যে যুগ আসবে তার পরবর্তী যুগ ওর চেয়ে খারাপ হবে, যতক্ষণ না তোমরা তোমাদের প্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।’ (আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন,) ‘এ কথা আমি তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে শুনেছি।’
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
যুবাইর ইবন আদী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু এক দল লোক নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খাদেম আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর নিকটে আসলেন এবং তাঁর কাছে উমাইয়্যাহ খলিফাদের একজন গভর্নর হাজ্জাজ ইবন ইউসূফ আস-সাকাফীর অভিযোগ করলেন। আর তিনি (হাজ্জাজ) ছিলেন আত্যাচার ও রক্তপাতে প্রসিদ্ধ। তিনি ছিলেন প্রভাবশালী ও একগুয়ে। অতঃপর আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাদেরকে রাষ্ট্রীয় গভর্নরের অবিচারের ওপর ধৈর্য ধারণ করার পরামর্শ দিলেন। এরপর তাদের জানালেন যে, এখন যে যুগ আসবে তার পরবর্তী যুগ এর চেয়ে খারাপ হবে, যতক্ষণ না তারা তাদের প্রভূর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।’ আর এ কথা আনাছ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে শুনেছেন। খারাপ বলতে পুরোপুরি খারাপ বুঝানো হয় নি। বরং কখনো খারাপ হতে পারে আবার কখনও ভালো হতে পারে।
সূত্র
- دليل الفالحين لطرق رياض الصالحين، لابن علان، نشر دار الكتاب العربي.
- نزهة المتقين شرح رياض الصالحين، نشر: مؤسسة الرسالة، الطبعة: الرابعة عشر، 1407هـ - 1987م.
- شرح رياض الصالحين، لابن عثيمين، نشر: دار الوطن للنشر، الرياض، الطبعة: 1426هـ.
- بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين، للهلالي، نشر: دار ابن الجوزي.
- صحيح البخاري، نشر: دار طوق النجاة (مصورة عن السلطانية بإضافة ترقيم ترقيم محمد فؤاد عبد الباقي)، الطبعة: الأولى، 1422هـ.
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال: «مَنْ خَرَجَ مِنَ الطَّاعَةِ، وَفَارَقَ الْجَمَاعَةَ فَمَاتَ، مَاتَ مِيتَةً جَاهِلِيَّةً، وَمَنْ قَاتَلَ تَحْتَ رَايَةٍ عِمِّيَّةٍ، يَغْضَبُ لِعَصَبَةٍ، أَوْ يَدْعُو إِلَى عَصَبَةٍ، أَوْ يَنْصُرُ عَصَبَةً، فَقُتِلَ، فَقِتْلَةٌ جَاهِلِيَّةٌ، وَمَنْ خَرَجَ عَلَى أُمَّتِي، يَضْرِبُ بَرَّهَا وَفَاجِرَهَا، وَلَا يَتَحَاشَى مِنْ مُؤْمِنِهَا، وَلَا يَفِي لِذِي عَهْدٍ عَهْدَهُ، فَلَيْسَ مِنِّي وَلَسْتُ مِنْهُ».
আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি (আমীরের) আনুগত্য থেকে বের হলো এবং জামা’আত থেকে বিচ্ছিন্ন হলো তারপর মারা গেল, সে জাহিলিয়াতের মরা মরলো। আর যে ব্যক্তি লক্ষ্যহীন নেতৃত্বের পতাকাতলে যুদ্ধ করল, গোত্ৰপ্রীতির জন্য ক্রুদ্ধ হয় অথবা গোত্র প্রীতির দিকে আহবান করে অথবা গোত্রের সাহায্যার্থে যুদ্ধ করে (আল্লাহর সন্তুষ্টির কোনো ব্যাপার থাকে না) আর নিহত হয়, সেটা জাহিলি মরা। আর যে ব্যক্তি আমার উন্মাতের উপর বিদ্রোহ করে এবং ভালো মন্দ সবাইকে নির্বিচারে হত্যা করে। মু’মিনকেও রেহাই দেয় না এবং যার সাথে সে ওয়াদাবদ্ধ হয় তার ওয়াদাও রক্ষা করে না, সে আমার কেউ নয়, আমিও তার কেউ নই”।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনমানসহীহ
ব্যাখ্যা
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন, যে ব্যক্তি শাসকদের আনুগত্য থেকে বের হলো এবং ইমামের বায়আতের ওপর ঐকমত্য পোষণকারী ইসলামের জামাআত পরিত্যাগ করল, তারপর জামাআত থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া ও আনুগত্য ত্যাগ করা অবস্থায় মারা গেলো, সে জাহিলিয়্যতের মতই মারা গেলো, যারা কোনো আমীরকে মানতো না এবং কোনো এক জামাআতের সাথে সম্পৃক্ত হতো না, বরং তারা বিভিন্ন দল ও গ্রুপে বিভক্ত ছিল, একে অপরের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হত।
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন, যে ব্যক্তি এমন পতাকার অধীনে যুদ্ধ করলো যেখানে হক থেকে বাতিল স্পষ্ট নয়, স্রেফ জাতি অথবা গোত্রের স্বার্থে গোস্বা করে, দীন ও হককে সাহায্য করার জন্যে নয়, ভালো-মন্দ যাচাই না করে ও না জেনে কেবল গোত্রপ্রীতির স্বার্থে যুদ্ধ করে, যখন সে এই অবস্থায় মারা গেলো, তার মৃত্যুটি জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুর মত হলো।
আর যে ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের ওপর বিদ্রোহ করল, তার উম্মতের নেককার ও বদকার সবাইকে হত্যা করে, আর সে যা করে তার পরিণতির কোনো পরোওয়া করে না এবং মুমিনদের হত্যা করার শাস্তির ভয় করে না, কাফিরদের অথবা শাসকদের ওয়াদাকে পূর্ণ করে না, বরং তা কেবল ভঙ্গ করে, তাহলে এটা কবীরা গুনাহ। যে এরূপ করল সে এই কঠোর হুশিয়ারীর উপযুক্ত হলো।
শিক্ষা
- আল্লাহর নাফরমানী ব্যতিরেকে শাসকদের আনুগত্য করা ওয়াজিব।
- হাদীসটিতে যে ইমামের আনুগত্য থেকে বের হলো এবং মুসলিমদের জামাআত ত্যাগ করলো তার প্রতি কঠোর হুশিয়ারী রয়েছে, যখন সে এই অবস্থায় মারা গেলো, জাহিলিয়্যাতের তরিকার ওপর মারা গেলো।
- হাদীসে গোত্রপ্রীতির যুদ্ধ থেকে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
- ওয়াদা পূর্ণ করা ওয়াজিব।
- আনুগত্য করা ও মুসলিমদের জামাআত আঁকড়ে থাকার ভেতর অনেক কল্যাণ, নিরাপত্তা, প্রশান্তি ও ভালো অবস্থার স্থিতি রয়েছে।
- জাহিলিদের অবস্থার সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ করার নিষেধাজ্ঞা।
- মুসলিমদের জামাআত আঁকড়ে থাকার নির্দেশ।
সূত্র
صحيح مسلم.
شرح النووي على مسلم (12/ 238).
توضيح الأحكام من بلوغ المرام، للبسام (6/ 179).
سبل السلام، لمحمد الصنعاني (2/ 374).
منحة العلام شرح بلوغ المرام، لعبد الله الفوزان (8/ 338).
مرقاة المفاتيح شرح مشكاة المصابيح، لعلي القاري (6/ 2395).
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعن عرفجة رضي الله عنه قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «مَنْ أَتَاكُمْ وَأَمْرُكُمْ جَمِيعٌ عَلَى رَجُلٍ وَاحِدٍ، يُرِيدُ أَنْ يَشُقَّ عَصَاكُمْ، أَوْ يُفَرِّقَ جَمَاعَتَكُمْ، فَاقْتُلُوهُ».
আরফাজা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “তোমাদের যাবতীয় কর্ম এক ব্যক্তির ওপর ন্যস্ত থাকা অবস্থায় যদি কেউ এসে তোমাদের ঐক্যের লাঠি ভাঙ্গতে চায়, অথবা তোমাদের জামাতের মধ্যে ফাটল ধরাতে চায়, তাহলে তোমরা তাকে হত্যা করো”।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনমানসহীহ
ব্যাখ্যা
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করছেন, মুসলিমরা যখন এক শাসকের অধীনে ও এক জামাআতে ঐক্যবদ্ধ থাকেন, তারপর কেউ যদি শাসন ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার ইচ্ছায় অথবা মুসলিমদেরকে এক জামাআত থেকে একাধিক জামাআতে বিভক্ত করার ইচ্ছে করেন, তখন তাদের ওপর তার অনিষ্টকে রোধ করা ও মুসলিমদের রক্তের সুরক্ষার স্বার্থে তাকে বাধা দেওয়া ও তার সাথে যুদ্ধ করা ওয়াজিব।
শিক্ষা
- আল্লাহর নাফরমানী ব্যতিরেকে মুসলিম শাসকের কথা মানা ও তার আনুগত্য করা ওয়াজিব। আর তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা হারাম।
- যে ব্যক্তি মুসলিমদের ইমাম ও তাদের জামাআতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবে তার মর্যাদা ও বংশীয় অবস্থান যাই হোক তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা ওয়াজিব হবে।
- মতানৈক্য ও মতোবিরোধ বাদ দিয়ে ঐক্যের প্রতি উৎসাহ প্রদান করা।
সূত্র
صحيح مسلم (3/ 1480) (1852).
منحة العلام في شرح بلوغ المرام، لعبد الله الفوزان (8/ 349).
توضيح الأحكام شرح بلوغ المرام، للبسام (6/ 329).
فتح ذي الجلال والإكرام بشرح بلوغ المرام، لابن عثيمين (5/ 302).
المفاتيح في شرح المصابيح، الحسين المُظْهِري (4/ 295).
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعَنْ عُثْمَانَ الشَّحَّامِ، قَالَ: انْطَلَقْتُ أَنَا وَفَرْقَدٌ السَّبَخِيُّ إِلَى مُسْلِمِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ وَهُوَ فِي أَرْضِهِ، فَدَخَلْنَا عَلَيْهِ فَقُلْنَا: هَلْ سَمِعْتَ أَبَاكَ يُحَدِّثُ فِي الْفِتَنِ حَدِيثًا؟ قَالَ: نَعَمْ، سَمِعْتُ أَبَا بَكْرَةَ رضي الله عنه يُحَدِّثُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّهَا سَتَكُونُ فِتَنٌ، أَلَا ثُمَّ تَكُونُ فِتْنَةٌ الْقَاعِدُ فِيهَا خَيْرٌ مِنَ الْمَاشِي فِيهَا، وَالْمَاشِي فِيهَا خَيْرٌ مِنَ السَّاعِي إِلَيْهَا، أَلَا فَإِذَا نَزَلَتْ أَوْ وَقَعَتْ فَمَنْ كَانَ لَهُ إِبِلٌ فَلْيَلْحَقْ بِإِبِلِهِ، وَمَنْ كَانَتْ لَهُ غَنَمٌ فَلْيَلْحَقْ بِغَنَمِهِ، وَمَنْ كَانَتْ لَهُ أَرْضٌ فَلْيَلْحَقْ بِأَرْضِهِ»، قَالَ فَقَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللهِ أَرَأَيْتَ مَنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ إِبِلٌ وَلَا غَنَمٌ وَلَا أَرْضٌ؟ قَالَ: «يَعْمِدُ إِلَى سَيْفِهِ فَيَدُقُّ عَلَى حَدِّهِ بِحَجَرٍ، ثُمَّ لِيَنْجُ إِنِ اسْتَطَاعَ النَّجَاءَ، اللهُمَّ هَلْ بَلَّغْتُ؟ اللهُمَّ هَلْ بَلَّغْتُ؟ اللهُمَّ هَلْ بَلَّغْتُ؟»، قَالَ: فَقَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللهِ أَرَأَيْتَ إِنْ أُكْرِهْتُ حَتَّى يُنْطَلَقَ بِي إِلَى أَحَدِ الصَّفَّيْنِ، أَوْ إِحْدَى الْفِئَتَيْنِ، فَضَرَبَنِي رَجُلٌ بِسَيْفِهِ، أَوْ يَجِيءُ سَهْمٌ فَيَقْتُلُنِي؟ قَالَ: «يَبُوءُ بِإِثْمِهِ وَإِثْمِكَ، وَيَكُونُ مِنْ أَصْحَابِ النَّارِ».
উসমান আশ-শাহহাম (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ও ফারকাদ সাবাখী মুসলিম ইবনু আবূ বকরাহ (রহ.) এর নিকট গেলাম এমতাবস্থায় যে, তিনি তার স্বীয় ভূমিতে বসা ছিলেন। তার নিকট প্রবেশ করলাম। আমরা তাকে প্রশ্ন করলাম, আপনি কি আপনার আব্বাকে ফিতনা সম্পর্কে কোন হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন? জবাবে তিনি বললেন, হ্যাঁ! আমি আবূ বকরাহ রদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে এ কথা বর্ণনা করতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “অচিরেই ফিতনা দেখা দিবে। জেনে রাখ, এটার পর নানা ধরনের ফিতনা এসে পড়বে। সে সময় বসা অবস্থায় থাকা ব্যক্তি চলমান ব্যক্তির তুলনায় উত্তম এবং চলমান ব্যক্তি উক্ত ফিতনার দিকে দ্রুতগামী ব্যক্তির তুলনায় উত্তম। সাবধান যখন ফিতনাহ আপতিত হবে অথবা সংঘটিত হবে, এমতাবস্থায় যে ব্যক্তি উটের মালিক সে তার উট নিয়ে ব্যস্ত থাকুক। আর যার বকরী আছে সে তার বকরী নিয়ে ব্যস্ত থাকুক এবং যার জমিন আছে সে তার জমিন নিয়ে ব্যস্ত থাকুক। এ কথা শুনে তখন জনৈক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! যার উট, বকরী ও জমিন কিছুই নেই, সে কি করবে? জবাবে তিনি বললেন: “সে তার তরবারি হাতে ধারণ করতঃ প্রস্তরাঘাতে সেটার ধারালো তীক্ষ অংশ চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলবে। অতঃপর সে নিরাপদে থাকা সম্ভব হলে নিরাপদে থাকুক। অতঃপর তিনি বললেন: হে আল্লাহ! আমি কি পৌছিয়ে দিয়েছি? হে আল্লাহ! আমি কি পৌছে দিয়েছি? হে আল্লাহ! আমি কি পৌছিয়ে দিয়েছি?” এ সময় জনৈক লোক বলল: হে আল্লাহর রাসূল! যদি চাপ সৃষ্টি করে দু’ সারির কোন একটিতে অথবা দু’ দলের কোন এক দলে আমাকে নিয়ে যাওয়া হয়, আর কোন এক লোক তার তরবারি দিয়ে আমাকে আঘাত করে বা তীর এসে আমার গায়ে লাগে এবং আমাকে সে মেরে ফেলে, তবে আমার অবস্থা কি হবে? উত্তরে তিনি বললেন: “তবে সে তার এবং তোমার পাপের বোঝা বহন করবে এবং চিরস্থায়ী জাহান্নামে পতিত হবে।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনমানসহীহ
ব্যাখ্যা
উসমান আশ-শাহহাম ও ফারকাদ আস-সাবখী মুসলিম ইবনে আবু বাকরা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞাসা করলেন: তিনি তাঁর পিতা থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো হাদীস শুনেছেন কি না, যা মুসলিমদের মধ্যে সংঘটিত ফিতনা ও যুদ্ধ সম্পর্কে। তিনি বললেন: হ্যাঁ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে তাঁর মৃত্যুর পর ফিতনা সংঘটিত হবে। এই ফিতনায় অজ্ঞ ও অসচেতন ব্যক্তি, যে এর দিকে ঝুঁকছে না এবং তা খুঁজছে না, সে ফিতনায় জড়িত ব্যক্তির চেয়ে উত্তম। আর ফিতনায় জড়িত ব্যক্তি, যে তাতে ধীর পায়ে হাটছে, সে তার চেয়ে উত্তম সে ব্যক্তি যে এর দিকে দ্রুত ধাবিত হচ্ছে এবং তাতে অংশ নিচ্ছে। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই ব্যক্তিকে পথনির্দেশ দিয়েছেন যার যুগে বা যার কাছে ফিতনা সংঘটিত হয়েছে, যদি সে কোনো আশ্রয়স্থল পায়, তাহলে সে যেন সেখানে আশ্রয় নেয়। যার উট চরছে, সে যেন তার উটের কাছে চলে যায়, যার ছাগল চরছে, সে যেন তার ছাগলের কাছে চলে যায়, আর যার জমি ও খামার আছে, সে যেন তার জমিতে চলে যায়। এক ব্যক্তি বলল: হে আল্লাহর রাসূল, যার উট, ছাগল বা জমি নেই, তার ব্যাপারে আপনার কী মত? তিনি বললেন: সে যেন তার অস্ত্র নেয় এবং তা ভেঙে ফেলে বা নষ্ট করে দেয়, তারপর পালিয়ে যায় এবং যদি সম্ভব হয় তাহলে নিজেকে এবং তার সন্তানদের বাঁচানোর জন্য পালিয়ে যাবে। তারপর তিনি তিনবার সাক্ষ্য দিলেন এবং বললেন: হে আল্লাহ, আমি কি আপনার বার্তা পৌঁছে দিয়েছি? হে আল্লাহ, আমি কি আপনার বার্তা পৌঁছে দিয়েছি? হে আল্লাহ, আমি কি আপনার বার্তা পৌঁছে দিয়েছি? তখন এক ব্যক্তি বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমাকে বাধ্য করা হয় দুই পক্ষের যেকোনো এক পক্ষে যোগদান করতে, এবং কোনো ব্যক্তি তরবারি দিয়ে আমাকে আঘাত করে বা কোনো তীর এসে আমাকে হত্যা করে, তাহলে এর হুকুম কী?" তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: সে তার নিজের গুনাহ এবং যাকে হত্যা করেছে তার গুনাহ বহন করবে, এবং কিয়ামতের দিন সে জাহান্নামের অধিবাসীদের মধ্যে গণ্য হবে।
শিক্ষা
- ফিতনার ঘটনার পূর্বাভাস দেওয়া যাতে মানুষ সেগুলি থেকে সাবধান থাকে, এবং সেগুলির মধ্যে না জড়িয়ে পড়ে, তারা যেন আল্লাহর কাছে ধৈর্য কামনা করে এবং তার অনিষ্ট থেকে মুক্তি প্রার্থনা করে।
- ইমাম নববী (রহ.) বলেছেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী «القاعد فيها خير من القائم» এর অর্থ হলো এর ভয়াবহতা বর্ণনা করা এবং এ থেকে দূরে থাকা ও পালিয়ে যাওয়ার প্রতি উৎসাহিত করা। আর এর অনিষ্ট ও ফিতনা এর সাথে জড়িত হওয়ার মাত্রার উপর নির্ভর করে।
- ইমাম নববী (রহ.) বলেছেন: সেখানে উপস্থিত হওয়ার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করা ব্যক্তির গুনাহ মাফ করা হয়েছে। তবে হত্যার ক্ষেত্রে জোরপূর্বক বাধ্য করলে তা জায়েয নয়, বরং ঐ ব্যক্তি গুনাহগার হবে, এ ব্যাপারে ইজমা (ঐকমত্য) রয়েছে।
- ইবনে হাজার (রহ.) বলেছেন: অন্যরা বলেছেন, যদি কোনো দল ইমামের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে এবং তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অস্বীকার করে ও যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা ওয়াজিব। অনুরূপভাবে, যদি দুটি দল পরস্পর যুদ্ধে লিপ্ত হয়, তাহলে প্রত্যেক সক্ষম ব্যক্তির উপর অপরাধী দলকে প্রতিহত করা এবং সঠিক দলকে সাহায্য করা ওয়াজিব। এটি জমহুরের (অধিকাংশের) মত। অন্যরা এ বিষয়ে ভিন্ন মত পোষণ করে বলেছেন, মুসলিমদের দুটি দলের মধ্যে যখন কোনো ইমাম (নেতা) না থাকে এবং তারা পরস্পর যুদ্ধে লিপ্ত হয়, তখন যুদ্ধ নিষিদ্ধ। এই অধ্যায় এবং অন্যান্য অধ্যায়ের এ মর্মের হাদীসগুলো এই অর্থে প্রযোজ্য।
- ইমাম নববী (রহ.) বলেছেন: ফিতনার সময় যুদ্ধ সম্পর্কে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। একদল বলেছেন, মুসলিমদের ফিতনার সময় যুদ্ধ করা যাবে না, এমনকি যদি তারা তার ঘরে প্রবেশ করে এবং তাকে হত্যা করতে চায়, তবুও নিজেকে রক্ষা করা তার জন্য জায়েয হবে না; কারণ আক্রমণকারী তাওয়িল (ব্যাখ্যা) এর ভিত্তিতে কাজ করছে। এটি আবু বাকরা রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং অন্যান্য সাহাবীর মত। ইবনে উমর ও ইমরান ইবনুল হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুমা এবং অন্যান্যদের মতে, ফিতনায় জড়ানো যাবে না, তবে যদি নিজেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্য হয়, তাহলে এই দুটি মতই ইসলামের সকল ফিতনা থেকে দূরে থাকার ব্যাপারে একমত। অধিকাংশ সাহাবা, তাবেঈন এবং সাধারণ ইসলামিক আলেমরা বলেছেন, ফিতনার সময় সত্যের পক্ষে থাকা ব্যক্তিকে সাহায্য করা ওয়াজিব এবং তার সাথে মিলিত হয়ে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা, যেমন আল্লাহ তাআলা বলেছেন: «فَقَاتِلُوا الَّتِي تَبْغِي حَتَّى تَفِيءَ إِلَى أَمْرِ اللَّهِ...» (সূরা হুজুরাত, আয়াত ৯)। এটি সঠিক মত। এবং হাদীসগুলোর ব্যাখ্যা করা হবে যে, এগুলো তাদের জন্য প্রযোজ্য যাদের কাছে সত্যের পক্ষ স্পষ্ট নয় বা দুটি জালিম দলের ক্ষেত্রে যাদের কোনো তাওয়িল (যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা) নেই।
সূত্র
صحيح مسلم (4/ 2212) (2887).
النهاية في غريب الحديث والأثر (91).
شرح سنن أبي داود للعباد (478/ 3).
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসএখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com