মূল অংশে যান
ব্যাখ্যাসহ হাদীস

স্বপ্নের আদব

৭টি হাদীস

“যখন কেউ এমন কোন স্বপ্ন দেখে যা সে পছন্দ করে, তবে মনে করবে যে তা আল্লাহর তরফ থেকে হয়েছে। তখন যেন সে এজন্য আল্লাহর শোকর আদায় করে এবং তা বর্ণনা করে। আর যখন এর বিপরীত কোন স্বপ্ন দেখে, যা সে পছন্দ করে না, মনে করবে তা শয়তানের তরফ থেকে হয়েছে। তখন যেন সে এর অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় চায় এবং তা কারো কাছে বর্ণনা না করে। তাহলে এ স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করবে না”।

عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الخُدْرِيِّ رضي الله عنه أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِذَا رَأَى أَحَدُكُمُ الرُّؤْيَا يُحِبُّهَا فَإِنَّهَا مِنَ اللَّهِ، فَلْيَحْمَدِ اللَّهَ عَلَيْهَا وَلْيُحَدِّثْ بِهَا، وَإِذَا رَأَى غَيْرَ ذَلِكَ مِمَّا يَكْرَهُ، فَإِنَّمَا هِيَ مِنَ الشَّيْطَانِ، فَلْيَسْتَعِذْ مِنْ شَرِّهَا، وَلاَ يَذْكُرْهَا لِأَحَدٍ، فَإِنَّهَا لَنْ تَضُرَّهُ».
আবূ সা’ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, “যখন কেউ এমন কোন স্বপ্ন দেখে যা সে পছন্দ করে, তবে মনে করবে যে তা আল্লাহর তরফ থেকে হয়েছে। তখন যেন সে এজন্য আল্লাহর শোকর আদায় করে এবং তা বর্ণনা করে। আর যখন এর বিপরীত কোন স্বপ্ন দেখে, যা সে পছন্দ করে না, মনে করবে তা শয়তানের তরফ থেকে হয়েছে। তখন যেন সে এর অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় চায় এবং তা কারো কাছে বর্ণনা না করে। তাহলে এ স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করবে না”।
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন যে, ঘুমের ভেতর আনন্দদায়ক ভালো স্বপ্ন আল্লাহর তরফ থেকে হয় এবং তিনি উপদেশ দিয়েছেন যে, তার ওপর আল্লাহর প্রশংসা করা এবং তার সংবাদ দেওয়া। আর যখন এমন কিছু দেখবে যা সে অপছন্দ করে এবং যা তার দুঃখজনক; সেটি শয়তানের তরফ থেকে হয়। কাজেই তার অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চাইবে এবং সেটি কারো নিকট বয়ান করবে না; তাহলে সেটি তাকে ক্ষতি করবে না, কারণ স্বপ্নের সাথে যুক্ত ক্ষতি থেকে নিরাপত্তার জন্য উল্লিখিত বিষয়গুলোকে আল্লাহ উপায় হিসাবে স্থির করেছেন।

শিক্ষা
  1. স্বপ্নের প্রকারসমূহ: ১- ভালো স্বপ্ন; আর তা হলো সত্য স্বপ্ন এবং আল্লাহর তরফ থেকে সুসংবাদ যা সে দেখে অথবা তার জন্য দেখা হয়। ২- আত্মকথন; যা একজন মানুষ জাগ্রত অবস্থায় নিজের সাথে বলে। ৩- শয়তানের চিন্তিত করা, ভয় দেখানো ও দুঃখিত করা যেন বনু আদম পেরেশান হয়।
  2. ভালো স্বপ্নের অধ্যায়ে যা উল্লেখ করা হয়েছে তার সারাংশ হলো তিনটি বিষয়: তার উপর আল্লাহর প্রশংসা করা, তাতে সু সংবাদ গ্রহণ করা এবং যে তাকে অপছন্দ করে তাকে বাদ দিয়ে যে মহব্বত করে তার নিকট তা বয়ান করা।
  3. খারাপ স্বপ্নের অধ্যায়ে যা উল্লেখ করা হয়েছে তার সারাংশ হলো পাঁচটি জিনিস: তার অনিষ্ট ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাওয়া, যখন ভয়ে ঘুম থেকে উঠবে তার বাম পাশে তিনবার থুতু দিবে এবং কারো নিকট তা বয়ান করবে না। আবার যখন ঘুমানোর ইচ্ছে করবে তখন যে পাশে ছিল তার থেকে ঘুরে যাবে; সেটি তাকে কোনো ক্ষতি করবে না।
  4. ইবনু হাজার বলেন, এতে হিকমত হল পছন্দ নয় এমন কাউকে ভালো স্বপ্ন বললে সে তাকে গোস্বা অথবা হিংসার বশে এমন ব্যাখ্যা দিতে পারে যা তার পছন্দ নয় এবং সেটি তার বর্ণনার ওপর ঘটতে পারে অথবা তার থেকে নিজের নগদ দুঃখ ও পেরেশানি টেনে আনবে। কাজেই যাকে পছন্দ হবে না তাকে এড়িয়ে যেতে বলেছেন।
  5. নিয়ামত হাসিল হলে ও নতুন অনুগ্রহ প্রাপ্ত হলে প্রশংসা করার বিধান এবং এটি তার স্থায়ী হওয়ার উপায়।
সূত্র

صحيح البخاري (9/ 43) (7045). كنوز رياض الصالحين، لمجموعة من الباحثين (11/ 181). شرح رياض الصالحين، لابن عثيمين (4/ 370). تطريز رياض الصالحين، لفيصل آل مبارك (ص510). بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين، لسليم الهلالي (2/ 124). نزهة المتقين شرح رياض الصالحين، لمجموعة من الباحثين (1/ 657).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

যখন কিয়ামত নিকটবর্তী হবে তখন মুমিনের স্বপ্ন খুব কমই মিথ্যা হবে। আর মুমিনের স্বপ্ন নবুওয়াতের ছেচল্লিশ ভাগের এক ভাগ।

عن أبي هريرة رضي الله عنه مرفوعاً: «إذا اقترب الزمان لم تَكَدْ رؤيا المؤمن تكذب، ورؤيا المؤمن جزء من ستة وأربعين جزءا من النبوة». وفي رواية: «أصدقكم رؤيا، أصدقكم حديثا».
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, “যখন কিয়ামত নিকটবর্তী হবে তখন মুমিনের স্বপ্ন খুব কমই মিথ্যা হবে। আর মুমিনের স্বপ্ন নবুওয়াতের ছেচল্লিশ ভাগের এক ভাগ।” অন্য বর্ণনায় এসেছে, “তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সত্যভাষী ব্যক্তি সর্বাধিক সত্য ও বাস্তব স্বপ্নদ্রষ্টা হবে।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

হাদীসের অর্থ: শেষ যমানায় মুমিনদের স্বপ্ন সত্য হবে। মুমিনের সে সময়কার স্বপ্ন কখনো সংঘটিত ঘটনা সম্পর্কে হবে অথবা ভবিষ্যতে সংঘটিতব্য ঘটনা সম্পর্কে হবে, ফলে তা তাদের স্বপ্ন অনুযায়ী সংঘটিত হবে। বস্তুত এসব স্বপ্ন নবুওয়াতের অহীর ন্যায় সত্যে পরিণত হবে। “আর মুমিনের স্বপ্ন নবুওয়াতের ছেচল্লিশ ভাগের এক ভাগ।” অর্থাৎ নবুওয়াতী ইলমের ছেচল্লিশ ভাগের এক ভাগ। যেহেতু সেসব স্বপ্নে গায়েব সম্পর্কে সংবাদ থাকবে। যদিও নবুওয়াত আর অবশিষ্ট নেই; তবে নবুওয়াতের ইলম এখনো অবশিষ্ট আছে। হাদীসে ছেচল্লিশ সংখ্যাকে নির্দিষ্ট করার কারণ হলো, অধিকাংশ সহীহ বর্ণনা অনুযায়ী নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বয়স পেয়েছিলেন তেষট্টি বছর। আর তন্মধ্যে নবুওয়াতী জীবন ছিল তেইশ বছর। কেননা তিনি চল্লিশ বছর বয়সে নবুওয়াত প্রাপ্ত হন। আর নবুওয়াত লাভের পূর্বে ছয় মাস তিনি ঘুমে সত্য স্বপ্ন দেখতেন। যে স্বপ্নই তিনি দেখতেন তা একেবারে ভোরের আলোর ন্যায় স্পষ্ট প্রকাশ পেত। অতঃপর তিনি জাগ্রত অবস্থায় ফিরিশতা দেখতে পান। তেইশ বছরের নবুওয়াতী জিন্দেগীর সাথে স্বপ্নে প্রাপ্ত অহীর জীন্দেগী ছয় মাসের তুলনা করলে দেখা যায় যে, ছয় মাস সময় তেইশ বছরের দ্বিগুণের একাংশ। যেহেতু তেইশের দ্বিগুণ হলো ছেচল্লিশ (সুতরাং নবুওয়াতের ছেচল্লিশ ভাগের একভাগ হলো মুমিনের স্বপ্ন)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী, “তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সত্যভাষী ব্যক্তি সর্বাধিক সত্য ও বাস্তব স্বপ্নদ্রষ্টা হবে।” অর্থাৎ মানুষ কথায় যত বেশি সত্যবাদী ও আল্লাহর সর্বাধিক নিকটবর্তী হবে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার স্বপ্নও ততো বেশি বাস্তব হবে। এ কারণেই ইমাম বুখারী রহ. এ হাদীসের শিরোনামে শর্তযুক্ত করেছেন, “সৎলোকের সুন্দর স্বপ্ন।” অন্যদিকে যে ব্যক্তি সত্য কথা বলে না; বরং প্রকাশ্যে ও গোপনে অশ্লীল কথাবার্তা বলে তাহলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার স্বপ্ন সত্য হয় না; বরং তা শয়তানের খেলতামাশার অন্তর্ভুক্ত বলে ধর্তব্য হয়। ইবনুল কাইয়্যেম রহ. বলেছেন, যে ব্যক্তি তার স্বপ্ন সত্যে পরিণত হওয়া চায় সে যেন সর্বদা সত্য অনুসন্ধান করে, হালাল ভক্ষণ করে, আল্লাহর আদেশ ও নিষেধ সংরক্ষণ করে, পরিপূর্ণ পবিত্রাবস্থায় কিবলামূখী হয়ে আল্লাহর নাম স্মরণ করে ঘুমায়। এ ধরণের লোকের স্বপ্ন খুব কমই মিথ্যা হয়।

সূত্র

بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين لسليم الهلالي، ط1، دار ابن الجوزي، الدمام، 1415ه. دليل الفالحين لطرق رياض الصالحين لمحمد علي بن محمد بن علان، ط4، اعتنى بها: خليل مأمون شيحا، دار المعرفة، بيروت، 1425ه. رياض الصالحين للنووي، ط1، تحقيق: ماهر ياسين الفحل، دار ابن كثير، دمشق، بيروت، 1428 هـ. رياض الصالحين، ط4، تحقيق: عصام هادي، وزارة الأوقاف والشؤون الإسلامية القطرية، دار الريان، بيروت، 1428هـ. شرح رياض الصالحين للشيخ ابن عثيمين، دار الوطن للنشر، الرياض، 1426هـ. صحيح البخاري، ط1، تحقيق: محمد زهير بن ناصر الناصر دار طوق النجاة (مصورة عن السلطانية بإضافة ترقيم: محمد فؤاد عبد الباقي)، 1422ه. صحيح مسلم، تحقيق: محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت. نزهة المتقين شرح رياض الصالحين لمجموعة من الباحثين، ط14، مؤسسة الرسالة، 1407هـ. سلسلة الأحاديث الصحيحة وشيء من فقهها وفوائدها للألباني، مكتبة المعارف، ط1، الرياض، 1422ه. مدارج السالكين بين منازل إياك نعبد وإياك نستعين لابن قيم الجوزية ، تحقيق: محمد المعتصم بالله البغدادي، ط3، دار الكتاب العربي، بيروت، 1416 ه. عون المعبود شرح سنن أبي داود، ومعه حاشية ابن القيم: تهذيب سنن أبي داود وإيضاح علله ومشكلاته للعظيم آبادي ط3، دار الكتب العلمية، بيروت، 1415 هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

“সৎ ও ভাল স্বপ্ন আল্লাহর তরফ হতে হয়ে থাকে। আর মন্দ স্বপ্ন শয়তানের তরফ হতে হয়ে থাকে। কাজেই তোমাদের কেউ যখন ভয়ানক মন্দ স্বপ্ন দেখে তখন সে যেন তার বাম দিকে থুথু ফেলে আর শয়তানের ক্ষতি হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চায়। তা হলে এমন স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না”।

عَنْ أَبِي قَتَادَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ مِنَ اللَّهِ، وَالحُلُمُ مِنَ الشَّيْطَانِ، فَإِذَا حَلَمَ أَحَدُكُمْ حُلُمًا يَخَافُهُ فَلْيَبْصُقْ عَنْ يَسَارِهِ، وَلْيَتَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنْ شَرِّهَا، فَإِنَّهَا لاَ تَضُرُّهُ».
আবূ কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “সৎ ও ভাল স্বপ্ন আল্লাহর তরফ হতে হয়ে থাকে। আর মন্দ স্বপ্ন শয়তানের তরফ হতে হয়ে থাকে। কাজেই তোমাদের কেউ যখন ভয়ানক মন্দ স্বপ্ন দেখে তখন সে যেন তার বাম দিকে থুথু ফেলে আর শয়তানের ক্ষতি হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চায়। তা হলে এমন স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না”।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমমানসহীহ
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিচ্ছেন যে, ঘুমের ভেতর আনন্দদায়ক ভালো-স্বপ্ন আল্লাহর তরফ থেকে হয়, আর মন্দ স্বপ্ন যা খারাপ এবং চিন্তিত করে তা শয়তানের তরফ থেকে হয়। কাজেই যে খারাপ স্বপ্ন দেখবে সে যেন তার বাম পাশে থুথু দেয় এবং তার অনিষ্ট হতে আল্লাহর নিকট পানাহ চায়। তাহলে সেটি ক্ষতি করতে পারবে না, যেহেতু উল্লিখিত বিষয়টি খারাপ স্বপ্নের উপর সৃষ্ট প্রভাব থেকে নিরাপত্তার উপায়।

শিক্ষা
  1. মানুষ ঘুমে যেসব জিনিস দেখেন তাকেই ভালো-মন্দ স্বপ্ন বলা হয়, তবে ভালো ও কল্যাণকর যা কিছু দেখে তার উপর রু‘য়া শব্দটির প্রয়োগ হয় এবং খারাপ ও অকল্যাণকর যা কিছু দেখে তার উপর হুলম শব্দটি প্রয়োগ করা হয়, যদিও একটির স্থানে অপরটিকে ব্যবহার করা হয়।
  2. স্বপ্নের প্রকারসমূহ: ১- ভালো স্বপ্ন; আর তা হলো সত্য স্বপ্ন এবং আল্লাহর তরফ থেকে সুসংবাদ যা সে দেখে অথবা তার জন্য দেখা হয়। ২- আত্মকথন; যা একজন মানুষ জাগ্রত অবস্থায় নিজের সাথে বলে। ৩- শয়তান কর্তৃক চিন্তায় ফেলা বা ভয় দেখানো ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা যেন বনু আদম পেরেশান হয়।
  3. ভালো স্বপ্নের অধ্যায়ে যা উল্লেখ করা হয়েছে তার সারাংশ হলো তিনটি বিষয়: তার উপর আল্লাহর প্রশংসা করা, তাতে আনন্দ করা এবং যাকে পছন্দ না হয় তাকে বাদ দিয়ে যাকে পছন্দ হয় তার নিকট তা বয়ান করা।
  4. খারাপ স্বপ্নের অধ্যায়ে যা উল্লেখ করা হয়েছে তার সারাংশ হলো পাঁচটি জিনিস: তার অনিষ্ট ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাওয়া, যখন ভয়ে ঘুম থেকে উঠবে তার বাম পাশে তিনবার থুতু দিবে এবং কারো নিকট তা বয়ান করবে না। আবার যখন ঘুমানোর ইচ্ছে করবে তখন যে পাশে ছিল সে পাশ থেকে অন্যপাশে ঘুরে যাবে; তাহলে সেটি তাকে কোনো ক্ষতি করবে না।
সূত্র

صحيح البخاري (4/ 125) (3292). صحيح مسلم (4/ 1771) (2261). كنوز رياض الصالحين، لمجموعة من الباحثين (11/ 190). بهجة الناظرين، لسليم الهلالي (2/ 125). بهجة قلوب الأبرار، لعبد الرحمن آل سعدي (ص149). شرح رياض الصالحين، لابن عثيمين (6/ 170). منار القاري، لحمزة محمد قاسم (1/ 44). المنهاج شرح صحيح مسلم، للنووي (15/ 18).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

সবচেয়ে বড় মিথ্যাসমূহের অন্যতম হলো, কোনো ব্যক্তি কর্তৃক এমন কাউকে পিতা বলে দাবী করা যিনি তার পিতা নয়, অথবা আপন চক্ষু দিয়ে (স্বপ্নে) এমন কিছু দেখার দাবি করা যা দেখতে পায়নি। অথবা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর এমন কথা বলার দাবি করা যা তিনি বলেন নি।

عن وَاثِلَةَ بن الأَسْقَعِ ـ رضي الله عنه ـ مرفوعاً: «إن من أعظم الفِرَى أن يَدَّعِيَ الرجلُ إلى غير أبيه، أو يُرِي عَيْنَهُ ما لم تَرَ، أو يقول على رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لم يَقْلْ».
ওয়াছেলা ইবনুল আছকা‘ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফূ‘ সনদে বর্ণিত, “নিশ্চয় সবচেয়ে বড় মিথ্যাসমূহের অন্যতম হলো, কোনো ব্যক্তি কর্তৃক এমন কাউকে পিতা বলে দাবী করা যিনি তার পিতা নয়। অথবা আপন চক্ষু দিয়ে (স্বপ্নে) এমন কিছু দেখার দাবি করা যা দেখতে পায়নি। অথবা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর এমন কথা বলার দাবি করা যা তিনি বলেন নি।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

মহান আল্লাহর ওপর সবচেয়ে কঠোর মিথ্যাচার হলো, কোনো ব্যক্তি নিজে তার আসল পিতাকে বাদ দিয়ে অপর কাউকে পিতা হওয়ার দাবি করলো বা অন্য কেউ তাকে অপরের সন্তান বললো আর সে উক্ত কথা স্বীকার করে নিল। এটি একটি বড় ধরনের মিথ্যাচার। আল্লাহর নিকট নিকৃষ্ট ও কঠোর মিথ্যাচারের আরেকটি হলো, কোনো ব্যক্তি কর্তৃক স্বপ্নে এমন কিছু দেখার দাবি করা যা সে মোটেও দেখেনি। আল্লাহর নিকট নিকৃষ্ট ও কঠোর মিথ্যাচারের আরেকটি হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি এমন কোনো কথা, কর্ম ও সমর্থনকে সম্পর্কযুক্ত করা যা তার থেকে পাওয়া যায়নি।

সূত্র

- صحيح البخاري، للإمام محمد بن إسماعيل البخاري، تحقيق محمد الناصر، دار طوق النجاة. - بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين؛ تأليف سليم الهلالي، دار ابن الجوزي- الطبعة الأولى1418ه. - نزهة المتقين شرح رياض الصالحين؛ تأليف د. مصطفى الخِن وغيره، مؤسسة الرسالة-بيروت، الطبعة الرابعة عشرة، 1407هـ. - كنوز رياض الصالحين»، لحمد بن ناصر العمار، دار كنوز إشبيليا- الطبعة الأولى1430ه. - دليل الفالحين لطرق رياض الصالحين، لمحمد علي بن محمد بن علان بن إبراهيم البكري الصديقي الشافعي اعتنى بها: خليل مأمون شيحا، دار المعرفة . - شرح رياض الصالحين؛ للشيخ محمد بن صالح العثيمين، مدار الوطن، الرياض، 1426هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

সুসংবাদ ছাড়া নবুওয়াতের কিছু বাকি নেই।

عن أبي هريرة ـ رضي الله عنه ـ قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «لم يبقَ من النُّبُوَّةِ إلا المُبَشِّرَاتُ» قالوا: وما المُبَشِّرَاتُ ؟ قال: «الرؤيا الصالحة».
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, “সুসংবাদ ছাড়া নবুওয়াতের কিছু বাকি নেই।” লোকেরা প্রশ্ন করল, ‘সুসংবাদ কী?’ তিনি বললেন, “ভালো স্বপ্ন।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুতে অহীর ধারা বন্ধ হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে কী হবে তা জানার জন্যে ভালো স্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।

সূত্র

- صحيح البخاري، للإمام محمد بن إسماعيل البخاري، تحقيق محمد الناصر، دار طوق النجاة. - بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين؛ تأليف سليم الهلالي، دار ابن الجوزي- الطبعة الأولى 1418ه. - نزهة المتقين شرح رياض الصالحين؛ تأليف د. مصطفى الخِن وغيره، مؤسسة الرسالة-بيروت، الطبعة الرابعة عشر، 1407هـ. - كنوز رياض الصالحين»، لحمد بن ناصر العمار، دار كنوز إشبيليا- الطبعة الأولى1430ه. - دليل الفالحين لطرق رياض الصالحين، لمحمد علي بن محمد بن علان بن إبراهيم البكري الصديقي الشافعي اعتنى بها: خليل مأمون شيحا، دار المعرفة - شرح رياض الصالحين؛ للشيخ محمد بن صالح العثيمين، مدار الوطن، الرياض، 1426هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখল, সে আমাকে জাগ্রত অবস্থায় দেখবে অথবা সে যেন আমাকে জাগ্রত অবস্থায় দেখল। কেননা, শয়তান আমার রূপ ধারণ করতে পারে না।

عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : «من رآني في المنام فَسَيَرَانِي في اليَقظة -أو كأنما رآني في الْيَقَظَةِ- لا يَتَمَثَّلُ الشيطان بي».
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফূ‘ হাদীস বর্ণিত: “যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখল, সে আমাকে জাগ্রত অবস্থায় দেখবে অথবা সে যেন আমাকে জাগ্রত অবস্থায় দেখল। কেননা, শয়তান আমার রূপ ধারণ করতে পারে না।”
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন। - মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

আলিমগণ হাদীসের অর্থ বর্ণনা করতে গিয়ে একাধিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। এক: হাদীসটির উদ্দেশ্য তার যুগের লোক। তার অর্থ হচ্ছে, যে ব্যক্তি তাকে স্বপ্নে দেখেছে অথচ সে হিজরত করেনি, আল্লাহ তাকে হিজরত করা এবং জাগ্রত অবস্থায় স্বচক্ষে রাসলকে দেখার সুযোগ দান করবেন। দুই. যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে স্বপ্নে দেখবে, তিনি বাস্তবেই নবীকে দেখেছেন। অর্থাৎ রুহের জগতে, আর তার স্বপ্ন সত্য, তবে শর্ত হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তার প্রসিদ্ধ গুণে দেখতে হবে। তিন. আখিরাতের জীবনে সে এ স্বপ্নের বাস্তবায়ন জাগ্রত অবস্থায় দেখতে পাবে; এটা এক বিশেষ দেখা, যার অর্থ হচ্ছে তার নৈকট্য ও তার সুপারিশ লাভ করা ইত্যাদি। তার কথা “অথবা সে যেন আমাকে জাগ্রত অবস্থায় দেখল।” এটি সহীহ মুসলিমের বর্ণনা, অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম: “সে আমাকে জাগ্রত অবস্থায় দেখবে” বলেছেন, নাকি “সে যেন আমাকে জাগ্রত অবস্থায় দেখল” বলেছেন। এ সন্দেহযুক্ত শব্দে মুসলিম বর্ণনা করেছেন। তার অর্থ হচ্ছে, যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তার প্রকৃত রূপে স্বপ্নে দেখল, সে যেন তাকে জাগ্রত অবস্থায় দেখল। এটি সহীহ বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হাদীসের মত: “যে আমাকে স্বপ্নে দেখল সে আমাকেই দেখল”। সহীহ বুখারী ও মুসলিমের অপর বর্ণনায় এসেছে, “যে আমাকে স্বপ্নে দেখল, সে সত্য দেখল।” আর তার বাণী: “শয়তান আমার রূপ ধারণ করতে পারে না।” অপর শব্দে এসেছে, “যে আমাকে ঘুমের মধ্যে দেখল, সে আমাকেই দেখল, কারণ, শয়তানের জন্য আমার আকৃতি ধারণ করা সমীচীন নয়।” অর্থাৎ শয়তানের পক্ষে সম্ভব নয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আসল আকৃতি ধারণ করা। অন্যথায় শয়তান এসে বলতে পারে, সেই আল্লাহর রাসূল, তখন সে এমন আকৃতিতে হবে যেটা আল্লাহর রাসূলের আকৃতি নয় এবং স্বপ্নের এই সত্ত্বাও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নয়। সুতরাং যদি কোনো ব্যক্তি কাউকে দেখে তারপর তার অন্তরে উদয় হয় যে তিনিই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তাহলে সে তার দেখা গুণ অনসন্ধান করবে, সেটা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মিলে কিনা? যদি মিলে যায় তাহলে সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছে। আর যদি না মিলে তাহলে সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখেনি। বরং এটা শয়তানের পক্ষ থেকে নিচক ধারণা যা একজন ঘুমন্ত ব্যক্তির অন্তরে শয়তান উদ্রেক করেছে যে, সেই আল্লাহর রাসূল, অথচ সে আল্লাহর রাসূল নয়। ইমাম আহমদ ও ইমাম তিরমিযী তার শামায়েল গ্রন্থে ইয়াযীদ আল ফারসী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লামকে স্বপ্নে দেখেছি। আমি ইবন আব্বাসকে বললাম, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লামকে স্বপ্নে দেখেছি। ইবন আব্বাস বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন, শয়তান আমার সাদৃশ্য গ্রহণ করতে পারে না। যে আমাকে স্বপ্নে দেখেছে, সে আমাকেই দেখেছে। তুমি যে লোকটিকে দেখেছ তার বর্ণনা দিতে পারবে? আমি বললাম: হ্যাঁ, যখন সে তাকে বর্ণনা দিল, তখন ইবন আব্বাস বললেন, যদি তুমি তাকে জাগ্রত অবস্থায় দেখতে তাহলে এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারতে না। আলবানী হাদীসটিকে মুখতাসারুশ শামায়েলে হাসান বলেছেন। (পৃ: ২০৮) (হাদীস নং ৩৪৭) অর্থাৎ যদি তুমি জাগ্রত অবস্থায় তাকে দেখতে, তাহলে যে বিশেষণ বলেছ, তার চেয়ে বেশি বলতে পারতে না। এ থেকে বুঝা যায়, সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সত্যিই দেখেছে।

সূত্র

كنوز رياض الصالحين، تأليف: حمد بن ناصر العمار، الناشر: دار كنوز أشبيليا، الطبعة الأولى: 1430هـ. بهجة الناظرين، تأليف: سليم بن عيد الهلالي، نسخة الكترونية، لا يوجد بها بيانات نشر. صحيح البخاري، تأليف: محمد بن إسماعيل البخاري، تحقيق: محمد زهير الناصر، الناشر: دار طوق النجاة، الطبعة الأولى، 1422هـ. صحيح مسلم، تأليف: مسلم بن الحجاج النيسابوري، تحقيق: محمد فؤاد عبد الباقي الناشر: دار إحياء التراث العربي – بيروت. شرح رياض الصالحين، تأليف: محمد بن صالح العثيمين، الناشر: دار الوطن للنشر، الطبعة: 1426هـ. رياض الصالحين، تأليف: محيي الدين يحيى بن شرف النووي، تحقيق: د. ماهر بن ياسين الفحل، الطبعة الأولى، 1428هـ. التنوير شرح الجامع الصغير، تأليف: محمد بن إسماعيل الصنعاني، تحقيق: د. محمد إسحاق محمد إبراهيم، الناشر: مكتبة دار السلام، الطبعة الأولى، 1432هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

সবচেয়ে বানোয়াট মিথ্যা হলো, মানুষ যে স্বপ্ন দু’চোখে দেখে নি সেটাই দেখছে বলে প্রকাশ করা।

عن ابن عمر رضي الله عنهما قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم : «أَفْرَى الفِرَى أن يُرِيَ الرجل عينيه ما لم تَرَيَا».
আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, “সবচেয়ে বানোয়াট মিথ্যা হলো, মানুষ যে স্বপ্ন দু’চোখে দেখে নি সেটাই দেখছে বলে প্রকাশ করা।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট করছেন যে, সবচেয়ে বড় মিথ্যা হলো, একজন মানুষের এ দাবি করা যে, সে ঘুমে অথবা চেতনে কোনো কিছু দেখেছে অথচ সে তার দাবিতে মিথ্যুক। কারণ, সে কোনো কিছু দেখে নি। চেতন অবস্থায় দেখার দাবী করে মিথ্যাচার করার থেকে ঘুমের স্বপ্ন সম্পর্কে মিথ্যাচার করা বড়পাপ । কারণ, ঘুমের স্বপ্ন হয় আল্লাহর পক্ষ থেকে। এ বিষয়ে মিথ্যা বলা মানে আল্লাহর ওপর মিথ্যাচার করা।

সূত্র

- رياض الصالحين من كلام سيد المرسلين؛ للإمام أبي زكريا النووي، تحقيق د. ماهر الفحل، دار ابن كثير-دمشق، الطبعة الأولى، 1428ه . - بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين؛ تأليف سليم الهلالي، دار ابن الجوزي- الطبعة الأولى، 1418ه - نزهة المتقين شرح رياض الصالحين؛ تأليف د. مصطفى الخِن وغيره، مؤسسة الرسالة-بيروت، الطبعة الرابعة عشر، 1407هـ. - صحيح البخاري، للإمام محمد بن إسماعيل البخاري، دار طوق النجاة. - كنوز رياض الصالحين، لحمد بن ناصر العمار، دار كنوز إشبيليا- الطبعة الأولى1430ه - دليل الفالحين لطرق رياض الصالحين، لمحمد علي بن محمد بن علان بن إبراهيم البكري الصديقي الشافعي اعتنى بها: خليل مأمون شيحا، دار المعرفة - شرح رياض الصالحين؛ للشيخ محمد بن صالح العثيمين، مدار الوطن، الرياض، 1426هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

এখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com