عن أبي واقد الحارث بن عوف رضي الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم بينما هو جالس في المسجد، والناس معه، إذ أقبل ثلاثَةُ نَفَرٍ، فأقبل اثنان إلى رسول الله، صلى الله عليه وسلم وذهب واحد، فوقفا على رسول الله صلى الله عليه وسلم ، فأما أحدهما فرأى فُرْجَةً في الْحَلْقَةِ فجلس فيها، وأما الآخر فجلس خلفهم، وأما الثالث فأدْبَر ذاهبٍا، فلما فرغ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «ألا أُخْبِرُكُم عن النَّفَرِ الثلاثة: أما أحدهم فأَوَى إلى الله فآوَاهُ الله إليه، وأما الآخر فاسْتَحْيا فاسْتَحْيَا الله منه، وأما الآخر، فأعْرَضَ، فأعرضَ اللهُ عنه».
আবূ ওয়াক্বেদ হারেস ইবনে আওফ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, একদা আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে বসেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে কিছু লোকও ছিল। ইতোমধ্যে তিনজন লোক আগমন করল। তাদের মধ্যে দু’জন আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে উপস্থিত হল এবং একজন চলে গেল। নবাগত দু’জন ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পাশে দাঁড়িয়ে রইল। তাদের একজন সভার মধ্যে ফাঁক দেখে সেখানে বসে পড়ল। আর অপরজন সভার পিছনে বসে গেল। আর তৃতীয় ব্যক্তি পিঠ ঘুরিয়ে প্রস্থান করল। যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবসর পেলেন, তখন বললেন, ‘‘তোমাদেরকে তিন ব্যক্তি সম্পর্কে বলব না কি? তাদের একজন তো আল্লাহর কাছে আশ্রয় গ্রহণ করল, ফলে আল্লাহ তাকে আশ্রয় দান করলেন। আর দ্বিতীয়জন সে [সভার মধ্যে ঢুকে বসতে] লজ্জাবোধ করল, বিধায় আল্লাহও তাঁর ব্যাপারে লজ্জাশীলতা প্রয়োগ [করে তাকে রহম] করলেন। আর তৃতীয়-জন মুখ ফিরিয়ে নিলো, বিধায় আল্লাহও তার দিক থেকে বিমুখ হয়ে গেলেন।’’
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
এ হাদীসে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকজন নিয়ে মসজিদে বসেছিলেন। ইতিমধ্যে তিনজন লোক আসলেন। তন্মধ্যে দুজন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিকে এগিয়ে এলেন এবং একজন চলে গেলেন। তারা দুজন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের হালকায় কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলেন। এরপর তাদের একজন হালকার মধ্যে কিছুটা জায়গা দেখে সেখানে বসে পড়লেন। আর হালকা হলো নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে লোকজনের গোলাকার হয়ে বসা। অন্যজন তাদের পেছনে বসলেন। আর তৃতীয় ব্যক্তি ফিরে গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলোচনা শেষে সাহাবীগণকে লক্ষ্য করে বললেন, “আমি কি তোমাদেরকে তিন ব্যক্তি সম্পর্কে সংবাদ দেব? তাদের একজন আল্লাহর দিকে এগিয়ে এসেছে, তাই আল্লাহ তাকে স্থান দিয়েছেন। অর্থাৎ সে আল্লাহর বাণী শুনতে খালি জায়গায় বসেছেন। ফলে এ বরকমতময় মজলিশের ফযীলত দ্বারা আল্লাহ তাকে মর্যাদাবান করেছেন। অন্যজন লজ্জাবোধ করেছেন। তাই আল্লাহও তার থেকে লজ্জাবোধ করেছেন অর্থাৎ সে ভীড় ঠেলে অগ্রসর হতে লজ্জাবোধ করেছেন, তাই সে হালকার পিছনে বসেছেন। ফলে সে মজলিশের বরকত থেকে বঞ্চিত হয় নি। আর অপরজন (মজলিসে হাজির হওয়া থেকে) মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, তাই আল্লাহও তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। অর্থাৎ সে বিনা ওযরে মজলিশে না বসে চলে গেছে, ফলে সে মজলিশের বরকত থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
সূত্র
صحيح البخاري، تحقيق: محمد زهير بن ناصر الناصر، دار طوق النجاة، ط: الأولى، 1422هـ.
صحيح مسلم، تحقيق: محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي – بيروت.
رياض الصالحين، للنووي، تحقيق ماهر الفحل، دار ابن كثير، دمشق -بيروت، ط: الأولى 1428هـ.
نزهة المتقين، لمجموعة من المؤلفين، مؤسسة الرسالة، ط: الرابعة عشر،1407هـ.
شرح رياض الصالحين، لابن عثيمين، بإشراف مؤسسة الشيخ، دار الوطن للنشر، الرياض، ط: 1426هـ.
بهجة الناظرين، لسليم الهلالي، دار ابن الجوزي، السعودية، ط: الثالثة 1418هـ.
تطريز رياض الصالحين، تأليف فيصل آل مبارك، تحقيق د. عبد العزيز آل حمد، دار العاصمة -الرياض، الطبعة الأولى، 1423هـ.
صفات الله عز وجل الواردة في الكتاب والسنة: علوي بن عبد القادر السَّقَّاف، دار الهجرة الطبعة: الثالثة ، 1426هـ - 2006م.
عن سمرة بن جندب رضي الله عنه قال: لقد كنت على عَهْدِ رسولِ الله صلى الله عليه وسلم غُلاما، فكنت أحفظ عنه، فما يمنعني من القول إلا أن هاهنا رِجَالًا هم أَسَنُّ مِنِّي.
সামুরাহ ইবনে জুনদুব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে কিশোর ছিলাম। আমি তাঁর কথাগুলি মুখস্থ ক’রে নিতাম। কিন্তু আমাকে কথা বলতে একটাই জিনিস বাধা সৃষ্টি করত যে, সেখানে আমার চেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষ উপস্থিত থাকত।”
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
সামুরাহ ইবন জুনদব রাদিয়াল্লাহু সংবাদ দেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহর যামানায় কম বয়সী ছিলেন। তিনি রাসূলের অনেক কথাই মুখস্থ করতেন। কিন্তু তাকে সেগুলো বর্ণনা করতে কেউ নিষেধ করত না একমাত্র তার চেয়ে বয়স্ক লোক উপস্থিত থাকা ছাড়া।
সূত্র
بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين، سليم بن عيد الهلالي، دار ابن الجوزي، الطبعة: الأولى 1418هـ.
دليل الفالحين لطرق رياض الصالحين، محمد علي بن البكري بن علان، اعتنى بها: خليل مأمون شيحا، دار المعرفة، بيروت، الطبعة: الرابعة 1425هـ.
رياض الصالحين، للنووي، تحقيق: ماهر ياسين الفحل، دار ابن كثير، دمشق، بيروت، الطبعة: الأولى 1428هـ.
كنوز رياض الصالحين، مجموعة من الباحثين برئاسة حمد بن ناصر العمار، كنوز إشبيليا، الرياض، الطبعة: الأولى 1430هـ.
صحيح مسلم، مسلم بن الحجاج القشيري النيسابوري، تحقيق محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت، الطبعة: 1423هـ.
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, এক বেদুঈন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললেন:‘হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন এক আমলের কথা বলে দিন, যার উপর আমল করলে, আমি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারব।’ তিনি বললেন, “আল্লাহরই ইবাদত করবে ও তাঁর সাথে কোন কিছুকে শরীক করবে না। সালাত কায়েম করবে, ফরয যাকাত আদায় করবে ও রমযানের সাওম পালন করবে।” সে বলল, ‘সেই মহান সত্তার শপথ! যার হাতে আমার জীবন , আমি এর চেয়ে বেশী করব না।’ তারপর যখন সে লোকটা ফিরে যাচ্ছিল, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “যে ব্যক্তি জান্নাতবাসীদের কোন লোক দেখতে আগ্রহী, সে যেন এই লোকটিকে দেখে।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমমানসহীহ
ব্যাখ্যা
এক বেদুঈন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে এমন কিছু আমলের কথা জিজ্ঞেস করলেন, যা আমল করলে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারে। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উত্তরে বললেন , জান্নাতে প্রবেশ এবং জাহান্নাম থেকে রক্ষা পাওয়া ইসলামের রুকনসমূহ আদায়ের মাধ্যমে হয়ে থাকে। তন্মধ্যে প্রথমটি হলো একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা, তাঁর সাথে কাউকে শরীক না করা। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত কায়েম করবে, যা আল্লাহ তাঁর বান্দাহদের উপর প্রতি দিন ও রাতে ফরয করেছেন। আল্লাহ তোমার উপর সম্পদের যে যাকাত ফরয করেছেন, সে যাকাত তার প্রাপ্য ব্যক্তিকে প্রদান করবে। রমযান মাসে যথাযথভাবে সাওম পালনের ব্যাপারে যত্নবান হবে। লোকটি বলল: সেই মহান সত্তার শপথ! যার হাতে আমার জীবন, আমি আপনার কাছ থেকে শোনা এ ফরয আমলের চেয়ে বেশি করব না আবার কমও করবো না। অতপর যখন সে লোকটা ফিরে যাচ্ছিল, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “যে ব্যক্তি জান্নাতবাসীদের কোন লোক দেখতে আগ্রহী, সে যেন এই লোকটিকে দেখে।”
শিক্ষা
আল্লাহর দিকে দাওয়াতের ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম ইবাদতে আল্লাহ তা‘আলার তাওহীদ দিয়ে শুরু করতে হবে।
যারা ইসলাম গ্রহণ করে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, তাদেরকে ফরযসমূহ শিক্ষা দেওয়াই যথেষ্ট।
আল্লাহর দিকে দাওয়াতের ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রম রক্ষা করা আবশ্যক।
লোকটির তার দ্বীন সম্পর্কে শিক্ষা লাভের আগ্রহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।
যখন কোন মুসলিম তার উপরে বর্তিত শুধু ফরয আমলসমূহ আদায় করবে, এতে সে সফলতা লাভ করবে; তবে এর অর্থ এ নয় যে, সে নফল আমলসমূহের ব্যাপারে শিথিলতা করবে। কেননা ফরয আমলসমূহের ভুল-ত্রুটি নফল আমলসমূহের দ্বারা পূর্ণতা লাভ করে।
হাদীসে কিছু সংখ্যক ইবাদতের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, এগুলো দ্বারা উক্ত ইবাদতের গুরুত্ব ও এর উপরে উৎসাহিত করা বুঝানো হয়েছে। তবে এর দ্বারা আর অন্যা কোনো ইবাদত ফরয না হওয়া বুঝানো হয়নি।
সূত্র
صحيح البخاري (2/ 105) (1397).
صحيح مسلم (1/ 44) (14).
كنوز رياض الصالحين، لمجموعة من الباحثين (15/ 588).
بهجة الناظرين، لسليم الهلالي (2/ 349).
نزهة المتقين، لمجموعة من الباحثين (2/ 861).
منار القاري، لحمزة قاسم (3/ 5).
مرقاة المفاتيح شرح مشكاة المصابيح، لعلي القاري (1/ 82).
আব্দুর রহমান বিন আবূ লাইলা বলেন, কা’ব বিন ‘উজরাহ আমার সাথে সাক্ষাত করে বলল, আমি কি তোমাকে হাদিয়া দেবো না? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট আসলে আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কীভাবে আপনাকে সালাম দেব তা জানলাম। তবে কীভাবে আপনার উপর সালাত (দরূদ) পেশ করবো? তিনি বললেন, তোমরা বলো:اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ».
অর্থ“হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদের উপর এবং মুহাম্মাদের পরিবার-পরিজনের উপর রহমত বর্ষন করো। যেমন তুমি রহমত বর্ষন করেছো ইবরাহীমের উপর। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। হে আল্লাহ! তুমি বরকত নাযিল করো মুহাম্মাদের উপর এবং মুহাম্মাদের পরিবার পরিজনের উপর যেমন বরকত নাযিল করেছো ইবরাহীমের উপর। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমমানসহীহ
ব্যাখ্যা
সাহাবীগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে জিজ্ঞেস করলেন, তার উপরে কীভাবে সালাত(দরূদ) পেশ করবে? যেহেতু তারা ইতোপূর্বে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি সালাম দেওয়ার পদ্ধতি ‘আত্তাহিয়্যাতু’তে জেনেছেন এভাবে যে, ‘আসসালামু আলাইকা আইয়ুহান নাবিয়্যু ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ’ অর্থ: হে নবী ! আপনার উপর (আল্লাহর পক্ষ থেকে) সবধরনের নিরাপত্তা , রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে তাঁর প্রতি সালাত (দরূদ)পেশ করার পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করালেন। এর অর্থ হলো: «اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ».
“হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের বংশধরের উপর সালাত বর্ষণ করুন।” অর্থাৎ আপনি উচ্চমর্যদা সম্পন্ন ফেরাশ্তাদের সামনে প্রশংসা সহ উত্তমভাবে তাঁকে তার পর তাঁর দ্বীনের অনুসারীদেরকে ও তাঁর মুমিন আত্মীয়-স্বজনদেরকে স্মরণ করুন। "كما صلَّيتَ على آل إبراهيم"
“যেরূপ আপনি ইবরাহীমের বংশের ওপর সালাত বর্ষণ করেছেন।” যেমনিভাবে আপনি ইবরাহীমের বংশধর, তারা হলেন ইরবাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক ও তাদের বংশধর এবং তাদের মুমিন অনুসারীদেরকে অনুগ্রহ দান করেছেন, সেভাবে আপনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপরও আপনার অনুগ্রহ দান করুন। "إنك حميد مجيد"
“নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত সম্মানিত।” অর্থাৎ আপনি আপনার স্বীয় সত্তায়, গুণাবলীতে এ কর্মে প্রশংসিত। আপনি আপনার সম্মান, ক্ষমতা ও অনুগ্রহে মহান, সুপ্রশস্ত। «اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ».
“হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের বংশধরের উপর তেমনি বরকত দান করুন যেমনি বরকত দান করেছেন ইবরাহীমের উপর।” অর্থাৎ তাকে অধিক কল্যাণ ও সম্মান-মর্যাদা দান করুন, তা বৃদ্ধি করুন এবং তা স্থায়ী করুন।
শিক্ষা
সৎপূর্বসূরীরা ইলমী মাসায়েল পরস্পরকে হাদিয়া দিতো।
শেষ বৈঠকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পাঠ করা ওয়াজিব।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবীগণকে সালাম ও সালাত(দরূদ) শিক্ষা দিয়েছেন।
এগুলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর দরূদ পেশ করার সর্বোত্তম ও পরিপূর্ণ অর্থজ্ঞাপক শব্দাবলী।
সূত্র
صحيح البخاري (8/ 77) (6357).
صحيح مسلم (1/ 305) (406).
تيسير العلام شرح عمدة الأحكام، لعبد الله البسام (ص208).
تنبيه الأفهام شرح عمدة الأحكام، لابن عثيمين (2/ 270).
الإلمام بشرح عمدة الأحكام، لإسماعيل الأنصاري (1/ 170).
عن أبي رِفَاعَةَ تَمِيم بن أُسَيدٍ رضي الله عنه قَالَ: انتهيتُ إلى رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وهو يَخطبُ، فَقُلتُ: يَا رسولَ اللهِ، رَجُلٌ غَريبٌ جاءَ يَسألُ عن دِينِهِ لا يَدرِي مَا دِينُهُ؟ فَأَقْبلَ عليَّ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وتَرَكَ خُطبتَهُ حتى انتَهى إليَّ، فأُتِيَ بكُرسِيٍّ، فَقَعَدَ عليه، وجَعَلَ يُعَلِّمُنِي ممّا عَلَّمَهُ اللهُ، ثم أتى خُطبتَهُ فَأَتَمَّ آخِرَهَا.
আবূ রিফা‘আহ তামীম ইবন উসাইদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গেলাম তখন তিনি খুৎবা দিচ্ছিলেন। অতঃপর আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল! একজন অপরিচিত মানুষ, নিজের দীন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে এসেছে, সে জানে না তার দীন কী?’ (এ কথা শুনে) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার দিকে ফিরলেন এবং খুৎবা দেওয়া বর্জন করলেন; এমনকি তিনি আমার নিকটে আসলেন। অতঃপর একটি চেয়ার আনা হলো। তিনি তার উপর বসে আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে যা শিক্ষা দিয়েছেন তা থেকে আমাকে শিখাতে লাগলেন। অতঃপর তিনি খুৎবায় ফিরে এসে তার শেষাংশটুকু পূর্ণ করলেন।
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিনয়ের এটি একটি ঘটনা। একদা তিনি খুৎবা দিচ্ছিলেন, এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বলল, একজন অপরিচিত লোক এসেছে, সে তার দীন সম্পর্কে জানতে চায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাষণ বন্ধ করে তার দিকে দ্রুত অগ্রসর হলেন এবং তার কাছে এসে পৌঁছলেন। অতঃপর তাঁর কাছে একটি চেয়ার নিয়ে আসা হলো। তিনি এ লোকটিকে দীন শিক্ষা দিচ্ছিলেন। কারণ, লোকটি অাগ্রহ করে জ্ঞানের মহব্বতে ছুটে এসেছে। সে আমল করার উদ্দেশ্যে দীন শিখতে চায়। এ কারণেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুৎবা দেওয়া মুলতবি করে তার দিকে অগ্রসর হলেন এবং তাকে দীন শিক্ষা দিলেন। অতঃপর তিনি তার অসম্পন্ন ভাষণ পরিপূর্ণ করলেন।
সূত্র
بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين؛ تأليف سليم الهلالي، دار ابن الجوزي.
رياض الصالحين من كلام سيد المرسلين؛ للإمام أبي زكريا النووي، تحقيق د. ماهر الفحل، دار ابن كثير-دمشق، الطبعة الأولى، 1428هـ.
شرح رياض الصالحين؛ للشيخ محمد بن صالح العثيمين، مدار الوطن-الرياض، 1426هـ.
شرح صحيح مسلم؛ للإمام محي الدين النووي، دار الريان للتراث-القاهرة، الطبعة الأولى، 1407هـ.
صحيح مسلم؛ للإمام مسلم بن الحجاج، حققه ورقمه محمد فؤاد عبدالباقي، دار عالم الكتب-الرياض، الطبعة الأولى، 1417هـ.
نزهة المتقين شرح رياض الصالحين؛ تأليف د. مصطفى الخِن وغيره، مؤسسة الرسالة-بيروت، الطبعة الرابعة عشر، 1407هـ.
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ইলমের দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অন্বেষণ করা যায়, কোনো লোক যদি দুনিয়াবী স্বার্থ লাভের জন্য তা শিক্ষা করে, তবে সে কিয়ামতের দিন জান্নাতের সুগন্ধি পাবে না”।
এটি আবূ দাউদ, ইবন মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যাখ্যা করেছেন যে, যে ব্যক্তি দুনিয়ার সম্পদ অথবা মর্যাদার মতো কিছু অংশ এবং ভোগ-বিলাস অর্জন করার উদ্দেশ্যে শরয়ী ইলম শিখে যা সাধারণত আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন উদ্দেশ্যেই শেখা হয় সে কিয়ামতের দিন জান্নাতের ঘ্রাণ পাবে না।
শিক্ষা
ইলম অন্বেষণে ইখলাস ওয়াজিব এবং তার প্রতি উৎসাহ প্রদান।
ইসলামী ইলমকে লোক দেখানোর জন্য বা পার্থিব লাভের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কীকরণ, কারণ এটি একটি মহাপাপ।
যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইলম অন্বেষণ করে এবং ফলস্বরূপ দুনিয়া তার কাছে আসে, তার জন্য তা গ্রহণ করা জায়েয এবং এটি তার কোন ক্ষতি করবে না।
আস-সিন্দি বলেন: তার (জান্নাতের ঘ্রাণ) কথাটি: জান্নাত লাভ না করার ক্ষেত্রে অতিরঞ্জন; কারণ যে কোন জিনিসের গন্ধ পায় না সে তা হাসিল করতে পারে না।
যে ব্যক্তি চাকরির জন্য অথবা অন্য কোন উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, যা একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য অর্জন করা হয়, তাকে এর জন্য আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে। আর আল্লাহ তার কাছ থেকে খারাপ নিয়তের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি মুছে ফেলবেন। তিনি মহান অনুগ্রহের অধিকারী, তিনি পবিত্র, সর্বোচ্চ।
এই সতর্কীকরণ ইসলামী ইলম অন্বেষণকারীদের জন্য। আর যে ব্যক্তি পার্থিব সামগ্রীর জন্য, যেমন ইঞ্জিনিয়ারিং, রসায়ন এবং অন্যান্য পার্থিব জ্ঞান অন্বেষণ করে, সে তার নিয়ত মোতাবেক ফল পাবে।
সূত্র
سنن أبي داود (5/ 504) (3664).
سنن ابن ماجه (1/ 169) (252).
مسند أحمد (14/ 169) (8457).
شرح رياض الصالحين، لابن عثيمين (2/ 477).
كنوز رياض الصالحين، لمجموعة من الباحثين (16/ 507).
نزهة المتقين شرح رياض الصالحين، لمجموعة من الباحثين (2/ 957).
بهجة الناظرين، لسليم الهلالي (2/ 447).
عون المعبود شرح سنن أبي داود، العظيم آبادي (10/ 70).
حاشية السندي على سنن ابن ماجه، لمحمد التتوي (1/ 110).
আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: “যে ব্যক্তি আমাদের কাছ থেকে কিছু শোনে এবং যেমন শুনেছে তেমনভাবে তা পৌঁছে দেয়, আল্লাহ তাকে তরতাজা করুন, কারণ অনেক বাহক শ্রোতার চেয়ে বেশি জ্ঞানী”।
এটি তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে তাঁর হাদিস শোনে এবং মুখস্থ করে যাতে তা অন্যদের কাছে পৌঁছে দিতে পারে তার জন্য এই পৃথিবীতে সতেজতা, আনন্দ ও সৌন্দর্য এবং আখিরাতে যাতে আল্লাহ তাকে জান্নাতের সতেজতা, আনন্দ ও সৌন্দর্যের দিকে পরিচালিত করেন দোয়া করেছেন। সম্ভবত যার কাছে হাদিসটি পৌঁছেছে সে হাদিসটি প্রচারকারীর চেয়ে বেশি জ্ঞানী, বেশি উপলব্ধিশীল এবং সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে বেশি সক্ষম। প্রথমজন মুখস্থকরণ ও প্রচারে দক্ষ আর দ্বিতীয়জন বোধগম্যতা ও গবেষণায় দক্ষ।
শিক্ষা
নবীর সুন্নাহ সংরক্ষণ এবং তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রতি উৎসাহিত করা।
আহলে হাদীসদের ফযীলত এবং তা অন্বেষণ করার মর্যাদা।
আলেমদের গুণাবলী, যারা গবেষক এবং সমঝদার।
সাহাবীগণ রাদিয়াল্লাহু আনহুমদের ফজিলত যে, তারাই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস শুনেছেন এবং আমাদের কাছে তা পৌঁছে দিয়েছেন।
আল-মুনাওয়ী বলেন: তিনি বর্ণনা করেছেন যে হাদিস বর্ণনাকারীর জন্য হাদীস বুঝার শর্ত আবশ্যক নয়, বরং তার শর্ত হল মুখস্থ করা আর ফকীহের দায়িত্ব হল বুঝা এবং চিন্তা করা।
ইবনু উয়াইনা বলেন: হাদিস অনুসন্ধান করে এমন কেউ নেই যার মুখে এই হাদিসে বর্ণিত উজ্জ্বলতা নেই।
হাদিস বিশারদদের মতে মুখস্থ করা দুই প্রকার: হৃদয় ও বুকে মুখস্থ করা এবং বই ও লিখে মুখস্থ করা। হাদীসের দোয়া উভয়কে শামিল করে।
মানুষের বুঝ বিভিন্ন হয়, অনেক প্রচারকারী শ্রোতার চেয়ে বেশি সংরক্ষণকারী হয় এবং অনেক ফিকহ বহনকারী ফকীহ হন না।
সূত্র
سنن الترمذي (4/ 394) (2657).
سنن ابن ماجه (1/ 157) (232).
مسند أحمد (7/ 221) (4157).
بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين، لسليم الهلالي (2/ 476).
شرح رياض الصالحين، لابن عثيمين (5/ 446).
فيض القدير شرح الجامع الصغير، لعبدالرؤوف المناوي (3/ 206).
كنوز رياض الصالحين، لمجموعة من الباحثين (16/ 496).
نزهة المتقين شرح رياض الصالحين، لمجموعة من الباحثين (2/ 956).
عن أبي زيد عمرو بن أخطب الأنصاري رضي الله عنه : صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم الفجر، وصعد المنبر، فخطبنا حتى حضرت الظهر، فنزل فصلى، ثم صعد المنبر فخطبنا حتى حضرت العصر، ثم نزل فصلى، ثم صعد المنبر فخطبنا حتى غربت الشمس، فأخبرنا بما كان وبما هو كائن، فأَعْلَمُنَا أَحْفَظُنَا.
আবূ যায়েদ ‘আমর ইবন আখত্বাব আল-আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নিয়ে ফজরের সালাত পড়লেন, অতঃপর মিম্বরে চড়ে ভাষণ দিলেন। শেষ পর্যন্ত যোহরের সময় হয়ে গেল। সুতরাং তিনি নিচে নামলেন ও সালাত পড়লেন। তারপর আবার মিম্বরে চাপলেন (ও ভাষণ দানে প্রবৃত্ত হলেন) শেষ পর্যন্ত আসরের সময় হয়ে গেল। তিনি পুনরায় নীচে অবতরণ করলেন ও সালাত পড়লেন। অতঃপর তিনি আবার মিম্বরে উঠলেন এবং খুতবা পরিবেশনে ব্রতী হলেন, শেষ পর্যন্ত সূর্য অস্ত গেল। সুতরাং অতীতে যা ঘটেছে এবং ভবিষ্যতে যা ঘটবে সে সমস্ত বিষয়গুলি তিনি আমাদেরকে জানালেন। অতএব, আমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্বাধিক বড় জ্ঞানী, যিনি এ সব কথাগুলো সবার চাইতে বেশি মনে রেখেছেন।
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
সাহাবী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু সংবাদ দেন যে, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নিয়ে ফজরের সালাত পড়লেন, অতঃপর মিম্বরে চড়ে তিনি মানুষের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। শেষ পর্যন্ত যোহরের সময় হয়ে গেল। সুতরাং তিনি নিচে নামলেন ও যোহরের সালাত পড়লেন। তারপর আবার মিম্বরে চড়লেন ও ভাষণ দানে প্রবৃত্ত হলেন। শেষ পর্যন্ত আসরের সময় হয়ে গেল। তিনি পুনরায় নীচে অবতরণ করলেন ও আসরের সালাত পড়লেন। অতঃপর তিনি আবার মিম্বরে উঠলেন এবং মানুষের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। শেষ পর্যন্ত সূর্য অস্ত গেল। অর্থাৎ ফজরের সালাত থেকে সুর্যাস্ত পর্যন্ত পুরো দিন তিনি খুতবা প্রদান করলেন। ঐ দিন আল্লাহ তা‘আলা তাকে অতীতের কিছু গাইবী বিষয় ও ভবিষ্যতের কিছু গাইবী জানিয়ে দেন। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা সাহাবীদের জানিয়ে দেন। সুতরাং তাদের ভেতর সর্বাধিক জ্ঞানী ঐ ব্যক্তি, যে সেদিনের কথাগুলো সংরক্ষণ করেছে এবং মনের মধ্যে গেঁথেছে।
সূত্র
- رياض الصالحين من كلام سيد المرسلين؛ للإمام أبي زكريا النووي، تحقيق د. ماهر الفحل، دار ابن كثير، دمشق، الطبعة الأولى، 1428ه.
- بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين؛ تأليف سليم الهلالي، دار ابن الجوزي، الطبعة الأولى 1418ه.
- نزهة المتقين شرح رياض الصالحين؛ تأليف د. مصطفى الخِن وغيره، مؤسسة الرسالة، بيروت، الطبعة الرابعة عشر، 1407هـ.
- صحيح مسلم، للإمام مسلم بن الحجاج، تحقيق محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي.
- كنوز رياض الصالحين، لحمد بن ناصر العمار، دار كنوز إشبيليا، الطبعة الأولى 1430ه.
- شرح رياض الصالحين؛ للشيخ محمد بن صالح العثيمين، مدار الوطن، الرياض، 1426هـ.
এখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com