মূল অংশে যান
ব্যাখ্যাসহ হাদীস

ব্যভিচারের শাস্তি

৩টি হাদীস

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এক যিনাকারী অবিবাহিতা দাসী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়।

عن أبي هُرَيْرة وزَيْدُ بْنُ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ رضي الله عنهما أنه سُئِلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنِ الأَمَةِ إذَا زَنَتْ وَلَمْ تُحْصَنْ؟ قَالَ: «إنْ زَنَتْ فَاجْلِدُوهَا، ثُمَّ إنْ زَنَتْ فَاجْلِدُوهَا، ثُمَّ إنْ زَنَتْ فَاجْلِدُوهَا، ثُمَّ بِيعُوهَا وَلَوْ بِضَفِيرٍ». قالَ ابنُ شِهابٍ: «ولا أَدري، أَبَعْدَ الثَّالِثَةِ أَوِ الرَّابِعةِ».
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু ও যায়িদ ইবন খালিদ জুহানী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জনৈকা দাসী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়, যে যিনা করেছে; কিন্তু সে অবিবাহিতা। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যদি সে যিনা করে তবে তাকে বেত্রাঘাত করবে। যদি সে আবার যিনা করে তবে আবার তাকে বেত্রাঘাত করবে। এরপরও যদি সে যিনা করে তবে তাকে বিক্রি করে দিবে, যদি তা সামান্য রশির বিনিময়েও হয়। বর্ণনাকারী ইবন শিহাব বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তৃতীয়বার না চতুর্থবার যিনা করার পর তাকে বিক্রি করতে বলেছেন তা আমি জানি না।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অবিবাহিত দাসীর যিনার শাস্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো। তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিলেন যে, দাসী যিনা করলে তাকে বেত্রাঘাত করবে। আর দাসীর বেত্রাঘাতের শাস্তি স্বাধীন নারীর শাস্তির অর্ধেক। সুতরাং দাসীর শাস্তি হবে পঞ্চাশ বেত্রাঘাত। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, “অতঃপর যখন তারা বিবাহিত হবে তখন যদি ব্যভিচারে লিপ্ত হয় তাহলে তাদের উপর স্বাধীন নারীর অর্ধেক আযাব হবে।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ২৫] অতপর সে যদি আবার যিনা করে তবে আবার তাকে পঞ্চাশ বেত্রাঘাত করবে। এতে হয়ত সে অশ্লীল কাজ থেকে বিরত হবে। এরপরও যদি সে তৃতীয়বার যিনা করে, শাস্তি তাকে দমন না করে এবং সে তাওবা না করে আর তুমি তার দ্বারা আরো অশ্লীলতার আশঙ্কা করো তাহলে তাকে শাস্তি দিয়ে বিক্রি করে দাও, যদি তা সামান্য রশির বিনিময়েও হয়। কেননা তাকে রেখে দেওয়াতে কোন কল্যাণ নেই এবং শীঘ্রই তার সংশোধন হওয়ার সম্ভাবনা নেই; বরং তাকে কাছে রাখার চেয়ে দূরে সরিয়ে রাখা উত্তম। যাতে তার (মালিকের) বসবাসকারী গৃহে সে অকল্যাণের কারণ না হয়।

সূত্র

صحيح البخاري، للإمام أبي عبد الله محمد بن إسماعيل البخاري، عناية محمد زهير الناصر، دار طوق النجاة، الطبعة الأولى، 1422هـ. صحيح مسلم، للإمام مسلم بن الحجاج، حققه ورقمه محمد فؤاد عبد الباقي، دار عالم الكتب-الرياض، الطبعة الأولى، 1417هـ. الإلمام بشرح عمدة الأحكام، للشيخ إسماعيل الأنصاري -مطبعة السعادة، الطبعة الثانية، 1392هـ. تيسير العلام شرح عمدة الأحكام، عبد الله البسام، تحقيق محمد صبحي حسن حلاق، مكتبة الصحابة، الشارقة، الطبعة العاشرة- 1426هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

সে (নারীটি) এমন বিশুদ্ধ তওবা করেছে, যদি তা মদীনার ৭০জন লোকের মধ্যে বণ্টন করা হয় তা তাদের জন্য যথেষ্ট হবে। সে নিজের নফসকে আল্লাহর জন্য ত্যাগ করার পরিবর্তে উত্তম কিছু দেখেছে কি?

عن أبي نُجَيد عمران بن حصين الخزاعي رضي الله عنه أن امرأة من جهينة أتت رسول الله - صلى الله عليه وسلم - وهي حُبْلَى من الزنى، فقالت: يا رسول الله، أصبتُ حدًّا فَأَقِمْهُ عليَّ، فدعا نبيُّ الله صلى الله عليه وسلم وَلِيَّهَا، فقال: «أَحْسِنْ إِلَيْهَا، فإذا وَضَعَتْ فَأْتِنِي» ففعل، فأمر بها نبي الله صلى الله عليه وسلم فَشُدَّتْ عليها ثيابها، ثم أمر بها فَرُجِمَتْ، ثم صلى عليها. فقال له عمر: تُصَلِّي عليها يا رسول الله وقد زنت؟ قال: «لقد تابت توبةً لو قُسِمَتْ بين سبعين من أهل المدينة لَوَسِعَتْهُم، وهل وَجَدَتْ أفضل من أن جَادَتْ بنفسها لله عز وجل ؟!».
আবূ নুজাইদ ইমরান ইবনে হুসাইন আল-খুযায়ী থেকে বর্ণিত, জুহাইনা গোত্রের এক নারী আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে হাজির হল। সে অবৈধ মিলনে গর্ভবতী ছিল। সে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি দণ্ডনীয় অপরাধ করে ফেলেছি তাই আপনি আমাকে শাস্তি দিন!’ সুতরাং আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার আত্মীয়কে ডেকে বললেন, “তুমি একে নিজের কাছে যত্ন সহকারে রাখ এবং সন্তান প্রসবের পর একে আমার নিকট নিয়ে এসো।” সুতরাং সে তাই করল। আল্লাহর নবী তার কাপড় তার (শরীরের) উপর মজবুত করে বেঁধে দেওয়ার আদেশ দিলেন। অতঃপর তাকে পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলার আদেশ দিলেন। অতঃপর তিনি তার জানাযার সালাত পড়লেন। উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাঁকে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তার ওপর জানাযার সালাত পড়লেন, অথচ সে ব্যভিচার করেছে?’ তিনি বললেন, সে এমন বিশুদ্ধ তাওবা করেছে, যদি তা মদীনার ৭০জন লোকের মধ্যে বণ্টন করা হয় তা তাদের জন্য যথেষ্ট হবে। সে নিজের নফসকে আল্লাহর জন্য ত্যাগ করার পরিবর্তে উত্তম কিছু দেখেছে কি?
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

জুহাইনাহ গোত্রের একজন গর্ভবতী মহিলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন, ইতোপূর্বে সে যেনা করেছে (রাদিয়াল্লাহু আনহা) সে তাকে জানালেন যে, সে এমন কর্ম করেছে যা তার ওপর শাস্তি/হদ ওয়াজিব করে, যাতে তিনি তার ওপর তা বাস্তবায়ন করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার অভিভাবককে ডাকলেন এবং তাদের নির্দেশ দিলেন তারা যেন তার সাথে ভালো আচরণ করে। তারপর যখন সন্তান ভূমিষ্ঠ হয় তখন যেন তাকে নিয়ে আসে। যখন সন্তান প্রসব করল তার অভিভাবক তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট নিয়ে আসল। তারপর সে তার কাপড় তার (শরীরের) উপর মজবুত করে বেঁধে নিল, যাতে তা সে বিবস্ত্র না হয়। অতঃপর তাকে পাথর নিক্ষেপ করার আদেশ দিলেন, অবশেষে সে মারা গেল। অতঃপর তিনি তার জানাযার সালাত পড়লেন এবং তার জন্য অন্যান্য মৃত ব্যক্তির মতো দো‘আ করলেন। তখন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাঁকে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তার জানাযার সালাত পড়লেন, অথচ সে যেনা করেছে?’ তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জানালেন, “এ নারী এমন বিশুদ্ধ তাওবা করেছে, যদি তা মদীনার ৭০টি অপরাধী লোকের মধ্যে বন্টন করা হয় তা তাদের জন্য যথেষ্ট হবে এবং তাদের উপকার হবে। কারণ, মহিলাটি আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে এবং ব্যভিচারের গুনাহ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য নিজের জীবনকে পেশ করেছে। এখানে এর চেয়ে মহান আর কী হতে পারে?

সূত্র

- صحيح البخاري -للإمام أبي عبد الله محمد بن إسماعيل البخاري، عناية محمد زهير الناصر، دار طوق النجاة، الطبعة الأولى، 1422هـ. - صحيح مسلم؛ للإمام مسلم بن الحجاج، حققه ورقمه محمد فؤاد عبد الباقي، دار عالم الكتب-الرياض، الطبعة الأولى، 1417هـ. - شرح رياض الصالحين؛ للشيخ محمد بن صالح العثيمين، مدار الوطن، الرياض، 1426هـ. - نزهة المتقين بشرح رياض الصالحين/تأليف مصطفى سعيد الخن-مصطفى البغا-محي الدين مستو-علي الشربجي-محمد أمين لطفي-مؤسسة الرسالة-بيروت –لبنان-الطبعة الرابعة عشرة1407-. -بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين –سليم بن عيد الهلالي دار ابن الجوزي –الطبعة الأولى 1418. - دليل الفالحين لطرق رياض الصالحين -المؤلف: محمد علي بن محمد بن علان الصديقي-اعتنى بها: خليل مأمون شيحا-دار المعرفة للطباعة والنشر والتوزيع، بيروت – لبنان-الطبعة: الرابعة، 1425 هـ - 2004 م. -المعجم الوسيط-المؤلف: مجمع اللغة العربية بالقاهرة (إبراهيم مصطفى / أحمد الزيات / حامد عبد القادر / محمد النجار) -دار الدعوة.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

জুহাইনা গোত্রের এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আগমন করল। সে যিনার কারণে গর্ভবতী ছিল।

عن عمران بن الحصين رضي الله عنهما : أنَّ امْرَأَةً مِنْ جُهَيْنَةَ أتَت النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَهِيَ حُبْلَى مِنَ الزِّنَا، فَقَالَتْ: يَا رسول الله، أصَبْتُ حَدّاً فَأقِمْهُ عَلَيَّ، فَدَعَا رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَلِيَّها، فقالَ: «أحْسِنْ إِلَيْهَا، فَإذَا وَضَعَتْ فَأتِنِي بِهَا» فَفَعَلَ، فَأمَرَ بها النبيُّ صلى الله عليه وسلم فَشُدَّتْ عَلَيْهَا ثِيَابُهَا، ثُمَّ أمَرَ بِهَا فَرُجِمَت، ثُمَّ صَلَّى عَلَيْهَا.
ইমরান ইবন হুসাইন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, জুহাইনা গোত্রের এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আগমন করল। সে যিনার কারণে গর্ভবতী ছিল। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি হদ্দ (শরী‘আত কর্তৃক নির্ধারিত ব্যভিচারের শাস্তি) এর উপযোগী হয়েছি। অতএব, আমার উপর তা কার্যকর করুন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার অভিভাবককে ডাকলেন এবং বললেন, তাকে ভালোভাবে দেখাশুনা কর। অতঃপর সে যখন সন্তান প্রসব করবে তখন তাকে আমার কাছে নিয়ে আসবে। সে তাই করলো। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার শাস্তির নির্দেশ দিলেন। তখন মহিলার কাপড় শক্ত করে বাঁধা হলো। এরপর তিনি শাস্তি কার্যকর করার আদেশ দিলেন। তাকে পাথর মারা হলো। অতঃপর তিনি তার জানাযার সালাত আদায় করলেন।
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

ইমরান ইবন হুসাইন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, এক নারী নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলেন। যিনি যিনার কারণে গর্ভবতী ছিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি হদ্দ (শরী‘আত কর্তৃক নির্ধারিত ব্যভিচারের শাস্তি) এর উপযোগী হয়েছি। অতএব, আমার ওপর তা কার্যকর করুন। তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে তার ওপর হদ্দ কায়েম করতে অনুরোধ করলেন। এখানে হদ্দ বলতে রজমকে বুঝানো হয়েছে; কেননা উক্ত নারী বিবাহিতা ছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার অভিভাবককে ডাকলেন এবং বললেন, “তাকে ভালোভাবে দেখাশুনা কর। অতঃপর সে যখন সন্তান প্রসব করবে তখন তাকে আমার কাছে নিয়ে আসবে।” রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ভালোভাবে দেখাশুনা করতে নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ তার ওপর অভিভাবক থেকে ক্ষতির আশংকা ছিল। কারণ, তার জন্যে তাদের কলঙ্ক লেগেছে, ফলে তারা নিজেদের আত্মসম্মানবোধ ও লাঞ্ছিত হওয়ার কারণে তাকে কষ্ট দিতে পারত। তাই এরূপ আচরণ থেকে সতর্ক করে তার ব্যাপারে সদাচারণ করতে নির্দেশ দিলেন, বরং তার প্রতি অধিক দয়াপরবশ হতে বললেন, কেননা তিনি তাওবা করেছেন। তার প্রতি ইহসান করতে গুরুত্ব দেওয়ার আরেকটি কারণ ছিলো এ ধরণের কাজের কারণে মানুষের অন্তরে তার প্রতি ঘৃণা জন্মায় এবং তারা তাকে কষ্টদায়ক কথাবার্তা বলে। অতঃপর তার সন্তান ভূমিষ্ট হলে তাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে নিয়ে আসা হলো। তিনি তাকে বাচ্চার দুগ্ধপান শেষ করা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে আদেশ করলেন। বাচ্চা যখন দুগ্ধপান ছেড়ে দিলো আবার তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলেন। অতঃপর তিনি তার শাস্তির নির্দেশ দিলেন। তিনি তার কাপড় শক্ত করে বাঁধতে নির্দেশ দিলেন। যাতে রজমের সময় তার সতর খুলে না যায়। এরপর তিনি শাস্তি কার্যকর করার আদেশ দিলেন। তাকে পাথর মারা হলো। অতঃপর তিনি তার জানাযার সালাত আদায় করলেন।

সূত্র

بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين؛ تأليف سليم الهلالي، دار ابن الجوزي. دليل الفالحين لطرق رياض الصالحين؛ لمحمد بن علان الشافعي، دار الكتاب العربي-بيروت. رياض الصالحين من كلام سيد المرسلين؛ للإمام أبي زكريا النووي، تحقيق د. ماهر الفحل، دار ابن كثير-دمشق، الطبعة الأولى، 1428هـ. شرح رياض الصالحين؛ للشيخ محمد بن صالح العثيمين، مدار الوطن-الرياض، 1426هـ. صحيح مسلم؛ للإمام مسلم بن الحجاج، حققه ورقمه محمد فؤاد عبدالباقي، دار عالم الكتب-الرياض، الطبعة الأولى، 1417هـ. نزهة المتقين شرح رياض الصالحين؛ تأليف د. مصطفى الخِن وغيره، مؤسسة الرسالة-بيروت، الطبعة الرابعة عشر، 1407هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

এখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com