মূল অংশে যান
ব্যাখ্যাসহ হাদীস

“তোমাদের কেউ যেন তার অপর কোন ভাইয়ের প্রতি অস্ত্র উত্তোলন করে ইশারা না করে। কেননা সে জানে না, হয়ত শয়তান তার হাতে ধাক্কা দিয়ে বসবে, ফলে (এক মুসলিমকে হত্যার অপরাধে) সে জাহান্নামের গর্তে নিপতিত হবে।”

عَن أَبي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لاَ يُشِيرُ أَحَدُكُمْ عَلَى أَخِيهِ بِالسِّلاَحِ، فَإِنَّهُ لاَ يَدْرِي، لَعَلَّ الشَّيْطَانَ يَنْزِعُ فِي يَدِهِ، فَيَقَعُ فِي حُفْرَةٍ مِنَ النَّارِ».
আবূ হুরায়রা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ যেন তার অপর কোন ভাইয়ের প্রতি অস্ত্র উত্তোলন করে ইশারা না করে। কেননা সে জানে না, হয়ত শয়তান তার হাতে ধাক্কা দিয়ে বসবে, ফলে (এক মুসলিমকে হত্যার অপরাধে) সে জাহান্নামের গর্তে নিপতিত হবে।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমমানসহীহ
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সতর্ক করেছেন যে, কোনো মুসলিম যেন তার মুসলিম ভাই এর দিকে কোনো ধরনের অস্ত্র দ্বারা ইশারা না করে। কারণ, সে জানে না যে শয়তান তাকে তার হাতে থাকা অস্ত্র নড়াচড়া করতে প্ররোচিত করতে পারে, ফলে সে তার ভাইকে হত্যা করতে পারে বা তার ক্ষতি করতে পারে। এতে সে এমন পাপে জড়িয়ে পড়বে যা তাকে জাহান্নামের গর্তে নিক্ষেপ করবে।

শিক্ষা
  1. মুসলিমের রক্তের পবিত্রতা বর্ণনা করা হয়েছে।
  2. একজন মুসলমানের সম্মান রক্ষা করা এবং কথায় বা কাজে তার ক্ষতি করা থেকে সতর্ক থাকা আবাশ্যক। এর মধ্যে আছে লোহার রড বা অস্ত্র দিয়ে ইঙ্গিত করা, এমনকি মজা করলেও; কারণ শয়তান তার হাতে প্ররোচনা দিতে পারে এবং তাকে তার ভাইকে আঘাত করতে প্রলুব্ধ করতে পারে, অথবা সে অস্ত্রটি তার হাতে থেকে নিয়ে নিতে পারে, ফলে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে এটি ঘটতে পারে এবং সে তার ভাইকে ক্ষতি করতে পারে।
  3. যে কাজ হারামের দিকে ধাবিত করে তা নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে হারামের পথ বন্ধ করা হয়।
  4. সমাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানুষের মধ্যে সম্পর্ক রক্ষা করা, এবং তাদের ভয় দেখানো বা আতঙ্কিত করা থেকে বিরত থাকা, এমনকি ইঙ্গিত বা হুমকি দিয়েও নয়।
সূত্র

صحيح البخاري (9/ 49) (7072). صحيح مسلم (4/ 2020) (2617). عمدة القاري شرح صحيح البخاري (24/ 187).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস
অপরাধসমূহ

এখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com