নং ২০৬৩অধ্যায় ৩৪, নং ১৬
وَقَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هُرْمُزَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ ذَكَرَ رَجُلاً مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ، خَرَجَ فِي الْبَحْرِ فَقَضَى حَاجَتَهُ. وَسَاقَ الْحَدِيثَ. حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ قَالَ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ بِهَذَا.
وَقَالَ مَطَرٌ لاَ بَأْسَ بِهِ وَمَا ذَكَرَهُ اللهُ فِي الْقُرْآنِ إِلاَّ بِحَقٍّ ثُمَّ تَلاَ (وَتَرَى الْفُلْكَ مَوَاخِرَ فِيهِ وَلِتَبْتَغُوا مِنْ فَضْلِهِ) وَالْفُلْكُ السُّفُنُ الْوَاحِدُ وَالْجَمْعُ سَوَاءٌ وَقَالَ مُجَاهِدٌ تَمْخَرُ السُّفُنُ الرِّيحَ وَلاَ تَمْخَرُ الرِّيحَ مِنْ السُّفُنِ إِلاَّ الْفُلْكُ الْعِظَامُ মাত্বার (রহ.) বলেন, এতে কোন দোষ নেই এবং তা যথাযথ বলেই আল্লাহ কুরআনে এর উল্লেখ করেছেন। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ ‘‘এবং তোমরা এতে নৌযানকে দেখতে পাও তার বুক চিরে চলাচল করে, যা এজন্য যে, তাঁর অনুগ্রহের অনুসন্ধান করতে পার’’- (ফাতির ১২)। আয়াতে উল্লেখিত ........ ‘আল-ফুলক’ শব্দের অর্থ নৌযান। একবচন ও বহুবচনে সমভাবে ব্যবহৃত হয়। মুজাহিদ (রহ.) বলেন, নৌযান, বায়ু বিদীর্ণ করে চলে এবং নৌযানের মধ্যে বৃহৎ নৌযানই বায়ুতে বিদীর্ণ করে চলে। ২০৬৩. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, তিনি বনী ইসরাঈলের এক ব্যক্তির আলোচনায় বলেন, সে নদীপথে বের হল এবং নিজের প্রয়োজন সেরে নিল। এরপর রাবী পুরা হাদীসটি বর্ণনা করেন। (১৪৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ কিতাবুল বুয়ু‘ অনুচ্ছেদ-১০ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ)
এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।