নং ২০৬২অধ্যায় ৩৪, নং ১৫
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ يَزِيدَ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، أَنَّ أَبَا مُوسَى الأَشْعَرِيَّ، اسْتَأْذَنَ عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ـ رضى الله عنه ـ فَلَمْ يُؤْذَنْ لَهُ، وَكَأَنَّهُ كَانَ مَشْغُولاً فَرَجَعَ أَبُو مُوسَى، فَفَرَغَ عُمَرُ فَقَالَ أَلَمْ أَسْمَعْ صَوْتَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ ائْذَنُوا لَهُ قِيلَ قَدْ رَجَعَ. فَدَعَاهُ. فَقَالَ كُنَّا نُؤْمَرُ بِذَلِكَ. فَقَالَ تَأْتِينِي عَلَى ذَلِكَ بِالْبَيِّنَةِ. فَانْطَلَقَ إِلَى مَجْلِسِ الأَنْصَارِ، فَسَأَلَهُمْ. فَقَالُوا لاَ يَشْهَدُ لَكَ عَلَى هَذَا إِلاَّ أَصْغَرُنَا أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ. فَذَهَبَ بِأَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ. فَقَالَ عُمَرُ أَخَفِيَ عَلَىَّ مِنْ أَمْرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَلْهَانِي الصَّفْقُ بِالأَسْوَاقِ. يَعْنِي الْخُرُوجَ إِلَى تِجَارَةٍ.
وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى (فَانْتَشِرُوا فِي الأَرْضِ وَابْتَغُوا مِنْ فَضْلِ اللهِ) মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান কর।’’ (জুমু‘আহ : ১০) ২০৬২. ‘উবায়দুল্লাহ ইবনু ‘উমাইর (রহ.) হতে বর্ণিত যে, আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলে তাকে অনুমতি দেয়া হয়নি; সম্ভবতঃ তিনি কোন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তাই আবূ মূসা (রাঃ) ফিরে আসেন। পরে ‘উমার (রাঃ) পেরেশান হয়ে বললেন, আমি কি ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (আবূ মূসার নাম)-এর আওয়াজ শুনতে পাইনি? তাঁকে আসতে বল। কেউ বলল, তিনি তো ফিরে চলে গেছেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁকে ডেকে পাঠালেন। তিনি (উপস্থিত হয়ে) বললেন, আমাদের এরূপই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমাকে এর উপর সাক্ষী পেশ করতে হবে। আবূ মূসা (রাঃ) ফিরে গিয়ে আনসারদের এক মজলিসে পৌঁছে তাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। তাঁরা বললেন, এ ব্যাপারে আমাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)-ই সাক্ষ্য দেবে। তিনি আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)-কে নিয়ে গেলেন। ‘উমার (রাঃ) (তার কাছ হতে সে হাদীসটি শুনে) বললেন, (কি আশ্চর্য) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নির্দেশ কি আমার কাছ হতে গোপন রয়ে গেল? (আসল ব্যাপার হল) বাজারের ক্রয়-বিক্রয় অর্থাৎ ব্যবসায়ের জন্য বের হওয়া আমাকে বেখবর রেখেছে। (২২৪৫, ৭৩৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১৮ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।