নং ১১৩৪অধ্যায় ১১, নং ৫৬
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، وَقُتَيْبَةُ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قُتَيْبَةُ يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ أَحْمَدُ - قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَبِيعُ الرَّجُلُ عَلَى بَيْعِ أَخِيهِ وَلاَ يَخْطُبُ عَلَى خِطْبَةِ أَخِيهِ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ سَمُرَةَ وَابْنِ عُمَرَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . قَالَ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ إِنَّمَا مَعْنَى كَرَاهِيَةِ أَنْ يَخْطُبَ الرَّجُلُ عَلَى خِطْبَةِ أَخِيهِ إِذَا خَطَبَ الرَّجُلُ الْمَرْأَةَ فَرَضِيَتْ بِهِ فَلَيْسَ لأَحَدٍ أَنْ يَخْطُبَ عَلَى خِطْبَتِهِ . وَقَالَ الشَّافِعِيُّ مَعْنَى هَذَا الْحَدِيثِ " لاَ يَخْطُبُ الرَّجُلُ عَلَى خِطْبَةِ أَخِيهِ " . هَذَا عِنْدَنَا إِذَا خَطَبَ الرَّجُلُ الْمَرْأَةَ فَرَضِيَتْ بِهِ وَرَكَنَتْ إِلَيْهِ فَلَيْسَ لأَحَدٍ أَنْ يَخْطُبَ عَلَى خِطْبَتِهِ فَأَمَّا قَبْلَ أَنْ يَعْلَمَ رِضَاهَا أَوْ رُكُونَهَا إِلَيْهِ فَلاَ بَأْسَ أَنْ يَخْطُبَهَا وَالْحُجَّةُ فِي ذَلِكَ حَدِيثُ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ حَيْثُ جَاءَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَتْ لَهُ أَنَّ أَبَا جَهْمِ بْنَ حُذَيْفَةَ وَمُعَاوِيَةَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ خَطَبَاهَا فَقَالَ " أَمَّا أَبُو جَهْمٍ فَرَجُلٌ لاَ يَرْفَعُ عَصَاهُ عَنِ النِّسَاءِ وَأَمَّا مُعَاوِيَةُ فَصُعْلُوكٌ لاَ مَالَ لَهُ وَلَكِنِ انْكِحِي أُسَامَةَ " . فَمَعْنَى هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَنَا وَاللَّهُ أَعْلَمُ أَنَّ فَاطِمَةَ لَمْ تُخْبِرْهُ بِرِضَاهَا بِوَاحِدٍ مِنْهُمَا وَلَوْ أَخْبَرَتْهُ لَمْ يُشِرْ عَلَيْهَا بِغَيْرِ الَّذِي ذَكَرَتْ .
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন লোক যেন তার অন্য ভাইয়ের ক্রয়-বিক্রয় প্রস্তাবের উপর নিজের ক্রয়-বিক্রয়ের প্রস্তাব না করে এবং তার বিয়ের প্রস্তাবের উপর যেন নিজের বিয়ের প্রস্তাব না দেয়। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২১৭২), বুখারী, মুসলিম কুতাইবা বলেছেন, এ বর্ণনাটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত আবু হুরাইরা (রাঃ) পৌছিয়েছেন এবং ইমাম আহমাদ বলেছেন, তার নিকট হতে তিনি সরাসরি বর্ণনা করেছেন। সামুরা ও ইবনু উমার (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। ইমাম মালিক (রাহঃ) বলেন, এ হাদীসের অর্থ হলঃ কোন মহিলার নিকট যদি কোন লোক বিয়ের প্রস্তাব পাঠায় সে যদি তাতে সম্মত হয় তবে ঐ মহিলার নিকট অন্য কোন লোকের বিয়ের প্রস্তাব দেয়ার কোন অধিকার নেই। ইমাম শাফিঈ (রাহঃ) বলেন, এ হাদীসটির তাৎপর্য হচ্ছেঃ কোন মহিলার নিকটে কোন লোক বিয়ের প্রস্তাব পাঠানোর পর সে তা গ্রহণ করলে এবং তাতে আগ্রহ দেখালে এ অবস্থায় তার নিকট অন্য লোকের বিয়ের প্রস্তাব পাঠানো উচিত হবে না। হ্যাঁ, যদি প্রথম ব্যক্তির প্রস্তাবের পক্ষে ঐ মহিলা আকৃষ্ট কি-না তা না যানা গেলে এরকম পরিস্থিতিতে তার নিকট অন্য কোন ব্যক্তির প্রস্তাব পাঠাতে কোন সমস্যা নেই। ফাতিমা বিনতু কাইস (রাঃ)-এর ঘটনা সম্বলিত হাদীসই এর দলীল। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে তাকে বললেন, তার নিকট আবূ জাহম ইবনু হুযাইফা ও মুআবিয়া ইবনু আবৃ সুফিয়ান বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। তিনি তাকে পরামর্শ দিলেনঃ আবু জাহমের হাতের লাঠি নারীদের হতে সরে না এবং মুয়াবিয়া নিঃস্ব-দরিদ্র ব্যাক্তি, তার কোন ধন-সম্পদ নেই। বরং তুমি উসমাকে বিয়ে কর। আমাদের মতে এ হাদীসের তাৎপর্য হলঃ ফাতিমা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তাদের কোন একজনের সাথে বিয়েতে আবদ্ধ হওয়ার সম্মতি চাননি। তিনি তা করলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকট অন্য ব্যক্তির প্রস্তাব করতেন না। আল্লাহ তা'আলাই ভালো জানেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
- SahihAhmad Muhammad Shakir
- SahihAl-Albani
- Hasan SahihBashar Awad Maarouf
- Sahih - Agreed UponZubair Ali Zai