প্রতিটি বর্ণনার নিচে ডেটাসেটের নিজস্ব অনুবাদ হুবহু দেখানো হয়েছে। এতে অনুবাদকের নাম নেই, এর স্বত্ব যাচাই হয়নি, এবং কেউ এটি আরবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেননি; কিছু বর্ণনার অনুবাদ নেই। মূল পাঠ আরবি।
। আমর ইবনু উসমান (রহঃ) ... আমর ইবনু আবাসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি একটি মসজিদ নির্মান করবে, যাতে আল্লাহকে স্মরণ করা হবে, আল্লাহ তা’আলা জান্নাতে তার জন্য একখানা ঘর নির্মাণ করবেন।
। আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাস্তায় বসে আমার পিতার নিকট কুরআন পাঠ করতাম, যখন আমি সিজদার আয়াত পাঠ করলাম তিনি সিজদা করলেন, তখন আমি বললাম আব্বা! আপনি রাস্তায় সিজদা করছেন! বললেন, আমি আবূ যর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কোন মসজিদটি প্রথম নির্মিত হয়? তিনি বলেছিলেন, মসজিদে হারাম। আমি বললাম, তারপর কোনটি? বললেন, মসজিদুল আকসা। আমি বললাম, এতদুভয়ের মধ্যে ব্যবধান কত? বললেন, চল্লিশ বছর। আর যমীন তোমার জন্য মসজিদ (সিজদার স্থান)। অতএব যেখানেই সালাতের সময় হবে, সালাত আদায় করবে।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْبَدِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ مَيْمُونَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ مَنْ صَلَّى فِي مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " الصَّلاَةُ فِيهِ أَفْضَلُ مِنْ أَلْفِ صَلاَةٍ فِيمَا سِوَاهُ إِلاَّ مَسْجِدَ الْكَعْبَةِ " .
। কুতায়বা (রহঃ) ... ইবরাহীম ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু মাবাদ (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী মায়মুনা (রাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মসজিদে সালাত আদায় করবে, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, তাতে এক ওয়াক্ত সালাত আদায় করা মসজিদে হারাম ব্যতীত অন্যান্য মসজিদে এক হাজার সালাত আদায় করার চেয়েও উত্তম।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْبَيْتَ هُوَ وَأُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ وَبِلاَلٌ وَعُثْمَانُ بْنُ طَلْحَةَ فَأَغْلَقُوا عَلَيْهِمْ فَلَمَّا فَتَحَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كُنْتُ أَوَّلَ مَنْ وَلَجَ فَلَقِيتُ بِلاَلاً فَسَأَلْتُهُ هَلْ صَلَّى فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ نَعَمْ صَلَّى بَيْنَ الْعَمُودَيْنِ الْيَمَانِيَيْنِ .
। কুতায়বা (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উসামা ইবনু যায়দ (রাঃ), বিলাল (রাঃ) এবং উসমান ইবনু তালহা (রাঃ) কা’বায় প্রবেশ করে দরুজা বন্ধ করে দিলেন। তারপর যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা খুললেন, তখন প্রথম আমিই প্রবেশ করলাম। বিলাল (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাত হলে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি তার ভেতরে সালাত আদায় করেছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তিনি ইয়ামানী দুই স্তম্ভের মধ্যস্থলে সালাত আদায় করেছেন।
। আমর ইবনু মানসূর (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, সুলায়মান ইবনু দাউদ (আলাইহিস সালাম) যখন বায়তুল মুকাদ্দাস নির্মাণ করলেন, তখন তিনি আল্লাহ তাআলার কাছে তিনটি বস্তু চাইলেনঃ তিনি আল্লাহ তা’আলার নিকট প্রার্থনা করলেন এমন ফয়সালা যা তার ফয়সালার মত হয়। তা তাকে প্রদান করা হল। আর তিনি আল্লাহ তা’আলার নিকট চাইলেন এমন রাজ্য, যার অধিকারী তারপর আর কেউ হবে না। তাও তাকে দেয়া হল। আর যখন তিনি মসজিদ নির্মানের কাজ সমাপ্ত করলেন তখন তিনি আল্লাহ তা'আলার নিকট প্রার্থনা করলেন, যে ব্যক্তি তাতে সালাতের জন্য আগমন করবে, তাকে যেন পাপ থেকে ঐদিনের মত মুক্ত করে দেন যেদিন সে তার মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হয়েছিল।
أَخْبَرَنَا كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ، عَنِ الزُّبَيْدِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَأَبِي عَبْدِ اللَّهِ الأَغَرِّ، مَوْلَى الْجُهَنِيِّينَ وَكَانَا مِنْ أَصْحَابِ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُمَا سَمِعَا أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ صَلاَةٌ فِي مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَفْضَلُ مِنْ أَلْفِ صَلاَةٍ فِيمَا سِوَاهُ مِنَ الْمَسَاجِدِ إِلاَّ الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم آخِرُ الأَنْبِيَاءِ وَمَسْجِدُهُ آخِرُ الْمَسَاجِدِ . قَالَ أَبُو سَلَمَةَ وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ لَمْ نَشُكَّ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ كَانَ يَقُولُ عَنْ حَدِيثِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَمُنِعْنَا أَنْ نَسْتَثْبِتَ أَبَا هُرَيْرَةَ فِي ذَلِكَ الْحَدِيثِ حَتَّى إِذَا تُوُفِّيَ أَبُو هُرَيْرَةَ ذَكَرْنَا ذَلِكَ وَتَلاَوَمْنَا أَنْ لاَ نَكُونَ كَلَّمْنَا أَبَا هُرَيْرَةَ فِي ذَلِكَ حَتَّى يُسْنِدَهُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنْ كَانَ سَمِعَهُ مِنْهُ فَبَيْنَا نَحْنُ عَلَى ذَلِكَ جَالَسْنَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ قَارِظٍ فَذَكَرْنَا ذَلِكَ الْحَدِيثَ وَالَّذِي فَرَّطْنَا فِيهِ مِنْ نَصِّ أَبِي هُرَيْرَةَ فَقَالَ لَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ أَشْهَدُ أَنِّي سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " فَإِنِّي آخِرُ الأَنْبِيَاءِ وَإِنَّهُ آخِرُ الْمَسَاجِدِ " .
। কাছীর ইবনু উবায়দ (রহঃ) ... আবূ সালামা ইবনু আবদুর রহমান এবং জুহানীদের মুক্তি প্রাপ্ত গোলাম আবূ আব্দুল্লাহ আগার (রহঃ) থেকে বর্ণিত, যারা আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সঙ্গী ছিলেন, তাঁরা আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ মসজিদে নববীর এক সালাত মসজিদে হারাম ব্যতীত অন্যান্য মসজিদের এক হাজার সালাত থেকে উত্তম। কেননা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বশেষ নবী, আর তার মসজিদ সর্বশেষ মসজিদ। আবূ সালামা এবং আবূ আবদুল্লাহ বলেনঃ আমাদের সন্দেহ ছিল না যে, আবূ হুরায়রা (রাঃ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস থেকে এটা বর্ণনা করতেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) এ হাদিস রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যদি শুনেই থাকতেন তবে তার থেকে বর্ণনা করলেন না কেন? আমরা এই অবস্থায় ছিলাম এমন সময় আব্দুল্লাহ ইবনু ইবরাহীম ইবনু কারিয আমাদের নিকট এসে বসলেন, তখন আমরা এই হাদীসের ব্যাপারে আলোচনা করলাম এবং আমরা যে আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর হাদীসের বর্ণনায় তাঁকে জিজ্ঞাসা করতে অবহেলা করেছি, তাও বললাম। আব্দুল্লাহ ইবনু ইবরাহীম বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি সর্বশেষ নবী আর এ মসজিদ সর্বশেষ মসজিদ।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا بَيْنَ بَيْتِي وَمِنْبَرِي رَوْضَةٌ مِنْ رِيَاضِ الْجَنَّةِ " .
। কুতায়বা (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার ঘর এবং আমার মিম্বরের মধ্যস্থিত স্থান বেহেশতের বাগানসমূহের একটি বাগান।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ أَبِي أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ تَمَارَى رَجُلاَنِ فِي الْمَسْجِدِ الَّذِي أُسِّسَ عَلَى التَّقْوَى مِنْ أَوَّلِ يَوْمٍ فَقَالَ رَجُلٌ هُوَ مَسْجِدُ قُبَاءٍ وَقَالَ الآخَرُ هُوَ مَسْجِدُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هُوَ مَسْجِدِي هَذَا " .
। কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একদা) দু'ব্যক্তি প্রথম “তাকওয়ার উপর স্থাপিত মসজিদ” সম্বন্ধে বিতর্ক করছিল। এক ব্যক্তি বলল, তা হল মসজিদে কুবা, অন্যজন বলল, তা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মসজিদ। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা হল আমার এই মসজিদ। সহিহ, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْتِي قُبَاءً رَاكِبًا وَمَاشِيًا .
। কুতায়বা (রহঃ) ... ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুবাতে গমন করতেন সওয়ার হয়ে এবং পদব্রজে (পায়ে হেঁটে)।
। কুতায়বা (রহঃ) ... সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বের হয়ে এই মসজিদে কুবায় আগমন করবে এবং তাতে সালাত আদায় করবে, এটা তার জন্য এক উমরার সমতুল্য হবে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلاَّ إِلَى ثَلاَثَةِ مَسَاجِدَ مَسْجِدِ الْحَرَامِ وَمَسْجِدِي هَذَا وَمَسْجِدِ الأَقْصَى " .
। মুহাম্মাদ ইবনু মানসুর (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদের দিকে ভ্রমণ করা যাবে না। মসজিদে হারাম, আমার এই মসজিদ এবং মসজিদে আকসা।
। হান্নাদ ইবনু সাররী (রহঃ) ... তাল্ক ইবনু আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা প্রতিনিধি হিসাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আগমনের উদ্দেশ্যে বের হলাম। পরে তাঁর নিকট বায়আত গ্রহণ করলাম এবং তাঁর সাথে সালাত আদায় করলাম। তারপর আমরা তাকে অবহিত করলাম যে, দেশে আমাদের একটা গির্জা রয়েছে। আমরা তাকে পানি দিতে অনুরোধ জানালাম। তিনি কিছু পনি আনিয়ে উযু এবং কুল্লি করলেন-তারপর একটি পাত্রে তা ঢেলে দিলেন। আর আমাদের তা নিতে নির্দেশ দিলেন এবং বললেন, তোমরা যাও। যখন তোমরা তোমাদের দেশে পৌছবে- তখন তোমাদের ঐ গির্জাটি ভেঙ্গে ফেলবে আর সেখানে এ পানি ঢেলে দেবে। তারপর সেটাকে মসজিদ বানাবে। আমরা বললাম, আমাদের দেশ অনেক দূরে, গরমও অত্যধিক, পানি শুকিয়ে যাবে। তিনি বললেন, এর সাথে আরও পানি মিশ্রিত করে নেবে। তাতে ঐ পানির সুঘ্রাণ আরও বাড়বে। আমরা সেখান থেকে বের হয়ে আমাদের দেশে পৌছলাম এবং আমাদের গির্জাটি ভেঙ্গে ফেললাম। তারপর তার স্থানে পানি ঢেলে দিলাম আর ওটাকে মসজিদরুপে ব্যবহার করলাম। আমরা তাতে আযান দিলাম। রাবী বলেনঃ পাদ্রী ছিল তার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি। সে আযান ধ্বনি শুনে বলল, এ তো সত্যের প্রতি আহবান। তারপর সে ঢালূ স্থানের দিকে চলে গেল। তাকে আমরা আর দেখিনি।
أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ لَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَزَلَ فِي عُرْضِ الْمَدِينَةِ فِي حَىٍّ يُقَالُ لَهُمْ بَنُو عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ فَأَقَامَ فِيهِمْ أَرْبَعَ عَشْرَةَ لَيْلَةً ثُمَّ أَرْسَلَ إِلَى مَلإٍ مِنْ بَنِي النَّجَّارِ فَجَاءُوا مُتَقَلِّدِي سُيُوفِهِمْ كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى رَاحِلَتِهِ وَأَبُو بَكْرٍ - رضى الله عنه - رَدِيفُهُ وَمَلأٌ مِنْ بَنِي النَّجَّارِ حَوْلَهُ حَتَّى أَلْقَى بِفِنَاءِ أَبِي أَيُّوبَ وَكَانَ يُصَلِّي حَيْثُ أَدْرَكَتْهُ الصَّلاَةُ فَيُصَلِّي فِي مَرَابِضِ الْغَنَمِ ثُمَّ أُمِرَ بِالْمَسْجِدِ فَأَرْسَلَ إِلَى مَلإٍ مِنْ بَنِي النَّجَّارِ فَجَاءُوا فَقَالَ " يَا بَنِي النَّجَّارِ ثَامِنُونِي بِحَائِطِكُمْ هَذَا " . قَالُوا وَاللَّهُ لاَ نَطْلُبُ ثَمَنَهُ إِلاَّ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ . قَالَ أَنَسٌ وَكَانَتْ فِيهِ قُبُورُ الْمُشْرِكِينَ وَكَانَتْ فِيهِ خَرِبٌ وَكَانَ فِيهِ نَخْلٌ فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِقُبُورِ الْمُشْرِكِينَ فَنُبِشَتْ وَبِالنَّخْلِ فَقُطِعَتْ وَبِالْخَرِبِ فَسُوِّيَتْ فَصَفُّوا النَّخْلَ قِبْلَةَ الْمَسْجِدِ وَجَعَلُوا عِضَادَتَيْهِ الْحِجَارَةَ وَجَعَلُوا يَنْقُلُونَ الصَّخْرَ وَهُمْ يَرْتَجِزُونَ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَعَهُمْ وَهُمْ يَقُولُونَ اللَّهُمَّ لاَ خَيْرَ إِلاَّ خَيْرُ الآخِرَةِ فَانْصُرِ الأَنْصَارَ وَالْمُهَاجِرَةَ
। ইমরান ইবনু মুসা (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদ্বীনায় আগমন করলেন তখন তিনি মদ্বীনার এক প্রান্তে বনূ আমর ইবনু আওফ নামক এক গোত্রে অবতরণ করলেন। তিনি সেখানে চৌদ্দ দিন অবস্থান করেন। তারপর তিনি বনূ নাজ্জারের নেতৃস্থানীয় লোকদের কাছে লোক পাঠালেন। তারা তাদের তলোয়ার লটকিয়ে আগমন করলেন, আমি যেন এখনও দেখছি যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সওয়ারীর উপর আর আবূ বকর (রাঃ) তার পেছনে উপবিষ্ট। আর বনূ নাজ্জারের নেতৃস্থানীয় লোকেরা তার চতূপার্শ্বে চলতে চলতে তিনি আবূ আইয়্যুব (রাঃ) এর ঘরের সামনে অবতরণ করলেন। তিনি সালাতের সময় যেখানেই থাকতেন, সেখানে সালাত আদায় করতেন। তিনি বকরীর পালের স্থানেও সালাত আদায় করতেন। তারপর তাঁকে মসজিদ তৈরি করার আদেশ দেয়া হলে তিনি নাজ্জার গোত্রের নেতৃস্থানীয় লোকদের কাছে লোক পাঠালেন। তারা আগমন করলে তিনি বললেন, হে বনূ নাজ্জারের লোক সকল! তোমরা তোমাদের এ স্থানটি আমার নিকট বিক্রয় কর। তারা বলল, আল্লাহর শপথ! আমরা এর মূল্য গ্রহণ করব না। এর মূল্য আমরা আল্লাহ তা'আলার নিকট চাইব। আনাস (রাঃ) বলেনঃ সেখানে মুশরিকদের কবর, ভগ্ন গৃহ এবং খেজুর গাছ ছিল। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদেশ করলে ঐ সকল কবর সমতল করে দেয়া হল আর খেজুর গাছ কেটে ফেলা হল এবং বিধ্বস্ত ঘরগুলো ভেঙ্গে সমান করে দেয়া হলো। সাহাবীগণ কিবলার দিকে সারিবদ্ধ করে খেজুর গাছ রাখলেন এবং পাথর দ্বারা তার গোড়া ভরাট করলেন। তারপর শিলা খন্ড গুলো সরাচ্ছিলেন আর ছড়া গাচ্ছিলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সঙ্গে ছিলেন, তারা বলছিলেনঃ اللَّهُمَّ لاَ خَيْرَ إِلاَّ خَيْرُ الآخِرَةِ فَانْصُرِ الأَنْصَارَ وَالْمُهَاجِرَةَ অর্থাৎ, হে আল্লাহ! আখিরাতের মঙ্গলই প্রকৃত মঙ্গল, আপনি আনসার ও মুহাজিরদেরকে সাহায্য করুন।
। সুওয়ায়দ ইবনু নাসর (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) এবং ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তারা বলেনঃ যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওফাতের সময় নিকটবর্তী হয়েছিল- তখন তিনি তাঁর চেহারার উপর চাঁদর ফেলেছিলেন আর যখন শ্বাসরুদ্ধ হয়ে আসছিল, তখন তিনি তার চেহারা হতে তা সরিয়ে ফেলেছিলেন, আর ঐ অবস্হায় তিনি বলছিলেন, ইয়াহুদী এবং খ্রিষ্টানদের ওপর আল্লাহর লানত, তারা তাদের নবীগণের কবরসমূহকে মসজিদে পরিণত করেছে।
। ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। উম্মে হাবীবা এবং উম্মে সালামা (রাঃ) একটি গির্জার উল্লেখ করেছিলেন, যা তারা হাবশায় দেখেছেন, যাতে অনেক ছবি ছিল। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাদের মধ্যে যখন কোন নেককার লোক মূত্যু বরণ করত, তখন তারা তার কবরের উপর মসজিদ নির্মান করত এবং ঐ সকল লোকের ছবি তৈরীর করে রাখত। কিয়ামতের দিন তারা আল্লাহর নিকট নিকৃষ্টতম সৃষ্টি বলে পরিগনিত হবে।
। আমর ইবনু আলী (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ যখন কোন ব্যক্তি তার ঘর থেকে মসজিদের দিকে বের হয়, তখন তার এক পদক্ষেপে একটি নেকী লেখা হয়। আর এক পদক্ষেপে একটি গুনাহ মুছে যায়।
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا اسْتَأْذَنَتِ امْرَأَةُ أَحَدِكُمْ إِلَى الْمَسْجِدِ فَلاَ يَمْنَعْهَا " .
। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... সালিম (রহঃ)-এর পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারও স্ত্রী যদি মসজিদে যাওয়ার অনূমতি চায়, তবে সে যেন তাকে নিষেধ না করে।
। ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এ গাছ থেকে খায়, প্রথম দিন তিনি বলেছেন, ‘রসুন’ তারপর তিনি বলেছেন, ‘রসুন’, পিঁয়াজ এবং কুররাছ*। সে যেন আমাদের মসজিদের নিকটে না আসে। কেননা ফেরেশতাগন কষ্টানূভব করেন যাহারা মানুষ কষ্ট অনুভব করে থাকে।
। মুহাম্মদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ... মা'দান ইবনু আবূ তালহা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, হে লোক সকল! তোমরা দু-প্রকার সবজি খেয়ে থাক। আমি এতদুভয়কে নিকৃষ্ট মনে করি। তা হলো পিঁয়াজ এবং রসূন। আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখেছি, যখন তিনি কারও নিকট থেকে এর গন্ধ পেতেন, তখন তাকে বের করে দেয়ার নির্দেশ দিতেন। এরপর তাকে বাকী এর দিকে বের করে দেয়া হতো। অতএব যে ব্যাক্তি; তা খায়, সে যেন তা পাকিয়ে গন্ধমুক্ত করে ফেলে।
। আবূ দাঊদ (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইতিকাফ করার ইচ্ছা করতেন, তখন ফজরের সালাত আদায় করার পর যে স্থানে ইতিকাফের ইচ্ছা করতেন, সেখানে প্রবেশ করতেন। তিনি রমযানের শেষ দশদিন ইতিকাফের ইচ্ছা করলেন আর তাবু স্থাপনের আদেশ দিলেন এবং তাঁর জন্য তাঁবু খটানো হলো। আর হাফসা (রাঃ) আদেশ করলে তার জন্যও তাঁবু খাটানো হলো, যয়নব (রাঃ) তার তাঁবু দেখলেন। তিনিও আদেশ করলেন, তার জন্যও পৃথক তাঁবু খাটানো হলো। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা দেখতে পেয়ে বললেন, তোমরা কি নেকীর প্রত্যাশা করছো? তিনি সে রমযান মাসে ইতিকাফ করলেন না এবং শাওয়াল মাসে দশদিন ইতিকাফ করলেন।
। উবায়দূল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ সা’দ (রাঃ) খন্দকের যুদ্ধে আহত হলেন। এক কুরায়শ ব্যক্তি তাঁর বাহুতে তীর নিক্ষেপ করেছিল। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে তাঁর জন্য একটি তাঁবু খাটালেন, যাতে তিনি নিকট থেকে তাঁর দেখাশুনা করতে পারেন।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ الزُّرَقِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا قَتَادَةَ، يَقُولُ بَيْنَا نَحْنُ جُلُوسٌ فِي الْمَسْجِدِ إِذْ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَحْمِلُ أُمَامَةَ بِنْتَ أَبِي الْعَاصِ بْنِ الرَّبِيعِ وَأُمُّهَا زَيْنَبُ بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهِيَ صَبِيَّةٌ يَحْمِلُهَا فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهِيَ عَلَى عَاتِقِهِ يَضَعُهَا إِذَا رَكَعَ وَيُعِيدُهَا إِذَا قَامَ حَتَّى قَضَى صَلاَتَهُ يَفْعَلُ ذَلِكَ بِهَا .
। কুতায়বা (রহঃ) ... আমর ইবনু সুলায়ম যুরাকী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবূ কাতাদা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, আমরা মসজিদে উপবিষ্ট ছিলাম, হঠাৎ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূল আস ইবনু রবীর কন্যা উমামকে কোলে নিয়ে আমাদের নিকট আসলেন। তার মা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কন্যা যয়নব (রাঃ)। তিনি ছিলেন ছোট বালিকা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বহন করেই বেড়াতেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করলেন তাকে কাঁধে রেখেই। তিনি ‘রুকু’ করার সময় তাঁকে কাঁধে রেখে দিতেন। দাঁড়ালে আবার কাঁধে তুলে নিতেন। এমনিভাবে তিনি তার সালাত শেষ করলেন।
। কুতায়বা (রহঃ) ... সাঈদ ইবনু আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদল সৈন্য নাজদের দিকে পাঠালেন। তারা ইয়ামামাবাসীদের সর্দার সুমামা ইবনু উসাল নামক বনূ হানীফার জনৈক ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে আসলেন। এরপর তাকে মসজিদের এক খুঁটির সাথে বাধা হলো। (সংক্ষিপ্ত)
أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ التَّحَلُّقِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ قَبْلَ الصَّلاَةِ وَعَنِ الشِّرَاءِ وَالْبَيْعِ فِي الْمَسْجِدِ .
। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ ইবনু আমব ইবনু আস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআর দিন সালাতের পূর্বে বৃত্তাকারে বসতে এবং মসজিদে ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন।
। কুতায়বা (রহঃ) ... সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা উমর (রাঃ) হাসসান ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করার সময় তাকে মসজিদে কবিতা পাঠ করতে দেখলেন। তিনি তাঁর দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিক্ষেপ করলে তিনি বললেন, আমি তো মসজিদে ঐ সময় কবিতা পাঠ করেছি- যখন তাতে আপনার চেয়ে উত্তম ব্যক্তি (রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উপস্থিত ছিলেন। তারপর তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর প্রতি লক্ষ্য করে বললেনঃ আপনি কি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শোনেন নি। [হে হাসসান!] আমার পক্ষ থেকে উত্তর দাও। হে আল্লাহ! তাকে রুহুল কুদুস দ্বারা সাহায্য করুন? তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম, হ্যাঁ।
। মুহাম্মদ ইবনু ওহাব (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি মসজিদে এসে হারানো বস্তুর ঘোষণা দিতে লাগল। তাকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি যেন না পাও।
। আব্দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ ইবনু আবদুর রহমান ও মুহাম্মাদ ইবনু মানসুর (রহঃ) ... সুফিয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমর (রাঃ)-কে বললাম, আপনি কি জাবিরকে বলতে শুনেছেন যে, এক ব্যক্তি কতকগুলো তীর নিয়ে মসজিদে গেল, তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেনঃ এর ধারাল দিক হাতে ধর। তিনি বললেনঃ হ্যাঁ (শুনেছি)।
। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং আলকামা আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি আমাদের বললেন, এরা কি সালাত আদায় করেছে? আমরা বললাম, না। তিনি বললেন, উঠ, সালাত আদায় কর। আমরা তার পেছনে দাঁড়াতে মনস্থ করলাম। তিনি আমাদের একজনকে তার ডানদিকে এবং অন্যজনকে তাঁর বামদিকে দাঁড় করালেন। তিনি আযান ও ইকামত ব্যতিরেকে সালাত আদায় করলেন। পরে যখন রুকুতে গেলেন, তখন তাঁর অঙ্গুলির মধ্যে তশবীক করলেন এবং তা দুই হাটূর মধ্যস্থলে রাখলেন এবং বললেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এরূপ করতে দেখেছি।
। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... সুলায়মান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি ইবরাহীমকে আলকামা (রহঃ) এবং আসওয়াদ (রহঃ) সুত্রে আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বলতে শুনেছি, এরপর তিনি পুর্ববৎ উল্লেখ করলেন।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَمِّهِ، أَنَّهُ رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُسْتَلْقِيًا فِي الْمَسْجِدِ وَاضِعًا إِحْدَى رِجْلَيْهِ عَلَى الأُخْرَى .
। কুতায়বা (রহঃ) ... আব্বাদ ইবনু তামীম (রহঃ)-এর চাচা থেকে বর্ণিত। তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মসজিদে চিৎ হয়ে এক পা অন্য পায়ের উপর রাখা অবস্থায় (শুয়ে থাকতে) দেখেছেন।
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ يَنَامُ وَهُوَ شَابٌّ عَزْبٌ لاَ أَهْلَ لَهُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي مَسْجِدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
। উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি মসজিদে নববীতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় শয়ন করতেন। আর তখন তিনি ছিলেন অবিবাহিত যুবক, তাঁর স্ত্রী ছিল না।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الْبُصَاقُ فِي الْمَسْجِدِ خَطِيئَةٌ وَكَفَّارَتُهَا دَفْنُهَا " .
। কুতায়বা (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মসজিদে থুথু ফেলা পাপ এবং এর কাফফারা হলো তা পুঁতে ফেলা।
। কুতায়বা (রহঃ) ... ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের কিবলার দেয়ালে থুথু দেখে তা উঠিয়ে ফেললেন, তারপর লোকদের দিকে মুখ করে বললেনঃ যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায় করে, তখন সে যেন তার সম্মুখ দিকে থুথু না ফেলে। কেননা যখন সে সালাত আদায় করে তখন আল্লাহ তা’আলা তার সামনে থাকেন।
। কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের কিবলার দিকে থুথু দেখতে পেয়ে তা পাথরের টুকরা দ্বারা ঘষে উঠিয়ে ফেললেন এবং তিনি নিষেধ করলেন যেন কোন ব্যক্তি তার সামনে অথবা ডানদিকে থুথু না ফেলে এবং বললেনঃ সে বামদিকে অথবা বাম পায়ের নিচে থুথু ফেলবে।
। উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... তারিক ইবনু আব্দুল্লাহ আল মুহারিবী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তুমি সালাত আদায় করতে থাকবে, তখন তোমার সামনে অথবা তোমার ডানদিকে থুথু ফেলবে না, তোমার পেছনে অথবা বামদিকে ফেলতে পার যদি সালাতের বাইরে থাক, তা না হলে এরূপ, এই বলে তিনি পায়ের নিচে থুথু ফেললেন এবং তা মলে ফেললেন।
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ سَعِيدٍ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي الْعَلاَءِ بْنِ الشِّخِّيرِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَنَخَّعَ فَدَلَكَهُ بِرِجْلِهِ الْيُسْرَى .
। সুওয়ায়দ ইবনু নাসর (রহঃ) ... আবূল আ'লা ইবনু শিখখীর-এর পিতা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমি দেখলাম যে, তিনি নাক ঝাড়লেন এবং তা তাঁর বাম পা দ্বারা মলে ফেললেন।
أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا عَائِذُ بْنُ حَبِيبٍ، قَالَ حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ رَأَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نُخَامَةً فِي قِبْلَةِ الْمَسْجِدِ فَغَضِبَ حَتَّى احْمَرَّ وَجْهُهُ فَقَامَتِ امْرَأَةٌ مِنَ الأَنْصَارِ فَحَكَّتْهَا وَجَعَلَتْ مَكَانَهَا خَلُوقًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا أَحْسَنَ هَذَا " .
। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের কিবলার দিকে নাকের ময়লা দেখে এত রাগান্বিত হলেন যে, তাঁর চেহারা মুবারক রক্তিম বর্ণ ধারণ করল। তখন এক আনসারী মহিলা দাঁড়িয়ে তা মুছে ফেলে তদস্থলে খলুক নামক সুগন্ধি লাগিয়ে দিলেন। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এটা কতইনা উত্তম কাজ।
। সুলায়মান ইবনু উবায়দুল্লাহ গায়লানী বাসরী (রহঃ) ... আবদুল মালিক ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আবূ হুমায়দ এবং আবূ উসায়দকে বলতে শুনেছি যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করে তখন, সে যেন বলেঃاللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ [আল্লাহুম্মাফ্তাহলি আবওয়াবা রাহামাতিক] "হে আল্লাহ! আমার জন্যে আপনার রহমতের দরজা খুলে দিন।" আর যখন বের হয় তখন যেন বলেঃاللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ [আল্লাহুম্মা ইন্নি আস-আলুকা মিন ফাদলিক] "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আপনার দয়া কামনা করছি।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمِ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا دَخَلَ أَحَدُكُمُ الْمَسْجِدَ فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ أَنْ يَجْلِسَ " .
। কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করে, তখন সে যেন বসার পূর্বে দু’রাকআত সালাত আদায় করে।
। সুলায়মান ইবনু দাঊদ (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ ইবনু কাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কা'ব ইবনু মালিককে তাবুক যুদ্ধে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে তার যোগদান থেকে বিরত থাকার ঘটনা বর্ণনা করতে শুনেছি। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভোরে তাবুক থেকে আগমন করলেন। তিনি যখন কোন সফর থেকে ফিরে আসতেন প্রথমে মসজিদে প্রবেশ করে দু-রাক’আত সালাত আদায় করতেন। তারপর লোকদের সাথে বসতেন। এইবার যখন তিনি এরূপ করলেন তখন যারা জিছাদে যোগদান থেকে বিরত ছিল তারা এসে তাঁর নিকট যোগদান না করার অজুহাত পেশ করতে আরম্ভ করল এবং তার নিকট কসম করতে লাগল। তারা সংখ্যায় আশিজনের অধিক ছিল। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বাহ্যিক কারণগুলো মেনে নিলেন এবং তাদের বায়আত নিলেন এবং তাদের জন্য ক্ষমা চাইলেন। আর তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার আল্লাহর নিকট সোপর্দ করলেন। এমন সময় আমি সেখানে আসলাম। আমি যখন সালাম করলাম তিনি ক্রোধের হাসি হাসলেন। তারপর বললেনঃ আস। আমি এসে তাঁর সম্মুখে বসে পড়লাম। তিনি বললেনঃ তোমাকে কিসে ফিরিয়ে রাখল তুমি কি সওয়ারী সংগ্রহ করেছিলে না? আমি বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহর কসম! যদি আমি আপনি ছাড়া অন্য কোন দুনিয়াদারের সামনে উপবিষ্ট থাকতাম তা হলে আমার মনে হয় আমি তার ক্রোধ হতে বের হয়ে যেতে পারতাম, আমাকে বাক চাতুর্য দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আল্লাহর কসম! আমি জানি, আজ যদি আমি আপনার নিকট মিথ্যা কথা বলি, তাহলে তাতে আপনি সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন কিন্তু অচিরেই আল্লাহ তাআলা আপনাকে আমার উপর ক্রোধাম্বিত করে দিবেন। আর যদি সত্য কথা বলি, তা হলে আপনি হয়ত আমার উপর ক্রোধাম্বিত হবেন। তবে আমি আল্লাহর ক্ষমা কামনা করি। আল্লাহর কসম! আমি যখন আপনার সাথে যূদ্ধে যাওয়া থেকে বিরত ছিলাম তখনকার চাইতে কোন সময় অধিক শক্তিশালী অথবা অধিক সম্পদশালী ছিলাম না। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ ব্যক্তি সত্য কথা বলেছে। উঠ, অপেক্ষা কর যে পর্যন্ত না আল্লাহ তোমার ব্যাপারে কোন ফয়সালা করেন। তখন আমি উঠে গেলাম।
। মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আবূল হাকাম (রহঃ) ... আবূ সাঈদ ইবনুল মুআল্লা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময় আমরা ভোরে বাজারের দিকে যেতাম। তখন আমরা মসজিদের নিকট দিয়ে যাওয়ার সময় সালাত আদায় করতাম।
। কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ সালাত আদায় করে যতক্ষন মুসাল্লায় বসে থাকে, ততক্ষন পর্যন্ত ফেরেশতারা তার জন্য নিম্নরুপ দোয়া করতে থাকেনঃاللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ অর্থাৎ (হে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিন, হে আল্লাহ তার প্রতি দয়া করুন), যতক্ষণ যাবৎ না তার উযু ভঙ্গ হয়।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ مُضَرَ، عَنْ عَيَّاشِ بْنِ عُقْبَةَ، أَنَّ يَحْيَى بْنَ مَيْمُونٍ، حَدَّثَهُ قَالَ سَمِعْتُ سَهْلاً السَّاعِدِيَّ، - رضى الله عنه - يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ كَانَ فِي الْمَسْجِدِ يَنْتَظِرُ الصَّلاَةَ فَهُوَ فى الصَّلاَةِ " .
। কুতায়বা (রহঃ) ... আইয়াশ ইবনু উকবা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। ইয়াহইয়া ইবনু মাইমূন তাকে বলেছেন যে, তিনি সাহল আস-সাঈদী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি মসজিদে সালাতের অপেক্ষায় থাকে সে যেন সালাতের মধ্যে থাকে।
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ أَشْعَثَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الصَّلاَةِ فِي أَعْطَانِ الإِبِلِ .
। আমর ইবনু আলী (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের বসার স্থানে সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন।
। হাসান ইবনু ইসমাঈল ইবনু সুলায়মান (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার জন্য সমগ্র যমীনকে মসজিদ ও পবিত্রতা অর্জনের উপকরণ করে দেয়া হয়েছে। আমার উম্মতের যে ব্যক্তি যেখানেই সালাত পায়- সেখানেই সালাত আদায় করবে।
। সাঈদ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ উমারী (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। উম্মে সুলায়ম (রাঃ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিবেদন করলেন, তিনি যেন তার নিকট আগমন করে তাঁর ঘরে সালাত আদায় করেন। তাহলে তিনি ঐ স্থানকে সালাতের স্থান নির্ধারণ করে নেবেন। তিনি তাঁর ঘরে আসলেন, তখন তিনি একটি চাটাইর ব্যবস্থা করলেন এবং পানি দ্বারা তা মুছে ফেললেন। তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উপর সালাত আদায় করলেন এবং অন্য লোকেরাও তাঁর সাথে সালাত আদায় করলেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
Sahih IsnaadAbu Ghuddah
Sahih IsnaadAl-Albani
Isnaad SahihZubair Ali Zai
৫৪টির মধ্যে ৫০
৫৪টি বর্ণনা · নম্বর ৬৮৮–৭৪১
আরবি পাঠ, নম্বর, অধ্যায়ের নাম ও মান — সবই একটি উন্মুক্ত ডেটাসেটে (hadith-api) যেমন আছে হুবহু তেমন দেখানো হয়েছে। সাবীল এখনও এর নির্ভুলতা বা স্বত্ব যাচাই করেনি, আর আলেমদের পর্যালোচনাও শুরু হয়নি। ততদিন কোনো বর্ণনার ওপর নির্ভর করার আগে ছাপা সংস্করণের সাথে মিলিয়ে নিন।