প্রতিটি বর্ণনার নিচে ডেটাসেটের নিজস্ব অনুবাদ হুবহু দেখানো হয়েছে। এতে অনুবাদকের নাম নেই, এর স্বত্ব যাচাই হয়নি, এবং কেউ এটি আরবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেননি; কিছু বর্ণনার অনুবাদ নেই। মূল পাঠ আরবি।
কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ) ... উবাদা ইবন সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট শপথ করলাম, তাঁর কথা শ্রবণ করা এবং আনুগত্য করার উপর প্রত্যেক অনুকূল এবং প্রতিকূল অবস্থায় এবং সুখে-দুঃখে সর্বাবস্থায়। আর ক্ষমতার ব্যাপারে যথােপযুক্ত লোকের সংগে বিরোধে লিপ্ত হবে না। আর যেখানেই থাকি না কেন, আমরা সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে এবং আমরা কোন নিন্দুকের নিন্দার পরওয়া করবো না।
ঈসা ইবন হাম্মাদ (রহঃ) ... উবাদা ইবন সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে আনুগত্যের শপথ করলাম প্রত্যেক অনুকূল ও প্রতিকূল অবস্থায়। অতঃপর পূর্বের অনুরূপ।
মুহাম্মাদ ইবন সালামা ও হারিস ইবন মিসকীন (রহঃ) ... উবাদা ইবন সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট শপথ গ্রহণ করলাম অনুকূল-প্রতিকূল সুখে-দুঃখে সর্বাবস্থায় অনুগত থাকার, উপযুক্ত নেতার বিরোধিতা না করার এবং এই বিষয়ের উপর যে, আমরা যেখানেই থাকি না কেন সত্য বলব কিংবা সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবো। আর আমরা কোন তিরস্কারকারীর তিরস্কারকে ভয় করবো না।
মুহাম্মাদ ইবন ইয়াহইয়া (রহঃ) ... উবাদা ইবন সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বায়আত করলাম অনুকূল-প্রতিকূল এবং সুখে-দুঃখে সর্বাবস্থায় আনুগত্য প্রদর্শনের। আর যিনি আমাদের মধ্যে শাসক নিযুক্ত হবেন তার সাথে বিরোধ না করার এবং আমরা যেখানেই থাকি না কেন, সদা সত্য কথা বলার।
হারূন ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) ... উবাদা ইবন সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অনুকূল-প্রতিকূল এবং সুখ-দুঃখ সর্বাবস্থায় শ্রবণ ও আনুগত্য প্রদর্শনের বায়'আত করলাম, আর একথার যে, আমরা আমাদের শাসকের সাথে বিরোধ করবো না, এবং আমরা যেখানেই থাকি না কেন, ন্যায়ানুগ কথা বলবো। আর আল্লাহ্ তা'আলার ব্যাপারে কোন তিরস্কারকারীর তিরস্কারে ভয় করবো না।
মুহাম্মাদ ইবন ওলীদ (রহঃ) ... উবাদা ইবন সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বায়আত করলাম অনুকূল-প্রতিকূল এবং দুঃখ-সুখ সর্বাবস্থায় এবং আমাদের উপর অন্যদের প্রাধান্য দানের ক্ষেত্রে শ্রবণ ও আনুগত্য বজায় রাখার, উপযুক্ত শাসকের সংগে বিরোধে লিপ্ত না হওয়ার আর এ বিষয়ের যে, আমরা যেখানেই থাকি না কেন, ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকব এবং আমরা আল্লাহর ব্যাপারে কোন তিরস্কারকারীর তিরস্কারে ভয় করবো না।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " عَلَيْكَ بِالطَّاعَةِ فِي مَنْشَطِكَ وَمَكْرَهِكَ وَعُسْرِكَ وَيُسْرِكَ وَأَثَرَةٍ عَلَيْكَ " .
কুতায়বা (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আনুগত্য বজায় রাখা তোমার উপর অত্যাবশ্যক, তোমার সুখে-দুঃখে এবং অনুকূল-প্রতিকূল সর্বাবস্থায় তোমার উপর কাউকে প্রাধান্য দিলেও।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ زِيَادِ بْنِ عِلاَقَةَ، عَنْ جَرِيرٍ، قَالَ بَايَعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى النُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ .
মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন ইয়াযীদ (রহঃ) ... জারীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট প্রত্যেক মুসলিমের শুভ কামনার বায়'আত গ্রহণ করি।
أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ يُونُسَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ بْنِ عَمْرِو بْنِ جَرِيرٍ، قَالَ جَرِيرٌ بَايَعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَلَى السَّمْعِ وَالطَّاعَةِ وَأَنْ أَنْصَحَ لِكُلِّ مُسْلِمٍ .
ইয়াকূব ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ... জারীর (রাঃ) বলেছেন যে, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তাঁর কথা মান্য করার এবং তাঁর আনুগত্য করার এবং প্রত্যেক মুসলিমের শুভাকাঙ্ক্ষী থাকার উপর বায়আত গ্রহণ করি।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، سَمِعَ جَابِرًا، يَقُولُ لَمْ نُبَايِعْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمَوْتِ إِنَّمَا بَايَعْنَاهُ عَلَى أَنْ لاَ نَفِرَّ .
কুতায়বা (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট মৃত্যুর উপর বায়'আত গ্রহণ করিনি, বরং আমরা যুদ্ধ হতে পলায়ন না করার উপর বায়'আত গ্রহণ করেছি।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي عُبَيْدٍ، قَالَ قُلْتُ لِسَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ عَلَى أَىِّ شَىْءٍ بَايَعْتُمُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ الْحُدَيْبِيَةِ قَالَ عَلَى الْمَوْتِ .
কুতায়বা (রহঃ) ... ইয়াযীদ ইবন আবূ উবায়দ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সালামা ইবন আকওয়া (রাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করলাম, আপনারা হুদায়বিয়ার দিনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কোন্ কথার উপর বায়'আত গ্রহণ করেছিলেন? তিনি বলেন, মৃত্যুর উপর।
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عَمْرَو بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أُمَيَّةَ بْنِ أَخِي، يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَاهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ يَعْلَى بْنَ أُمَيَّةَ قَالَ جِئْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِأَبِي أُمَيَّةَ يَوْمَ الْفَتْحِ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ بَايِعْ أَبِي عَلَى الْهِجْرَةِ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أُبَايِعُهُ عَلَى الْجِهَادِ وَقَدِ انْقَطَعَتِ الْهِجْرَةُ " .
আহমাদ ইবন আমর ইবন সারহ (রহঃ) ... ইয়ালা ইবন উমাইয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন আমি আমার পিতা উমাইয়াকে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিয়ে আসলাম এবং বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার পিতা থেকে হিজরত করার উপর বায়আত গ্রহণ করুন। তিনি বললেনঃ আমি তার থেকে জিহাদ করার বায়'আত নেব। কারণ হিজরত শেষ হয়ে গেছে।
উবায়দুল্লাহ ইবন সাঈদ ইবন ইবরাহীম ইবন সা'দ (রহঃ) ... উবাদা ইবন সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবা বেষ্টিত অবস্থায় বললেনঃ তোমরা আমার নিকট এ কথার উপর বায়'আত কর যে, তোমরা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, স্বীয় সন্তানদের হত্যা করবে না। আর তোমরা কারো প্রতি মিথ্যা অপবাদ দেবে না এবং ন্যায় কাজে আমার অবাধ্যতা প্রকাশ করবে না; যে ব্যক্তি এরূপ বায়আত পূর্ণ করবে, তার সওাব আল্লাহর যিাম্মায়, আর যে ব্যক্তি এ ব্যাপারে কোন অপরাধ করবে, তারপর শাস্তি ভোগ করবে, তা তার জন্য কাফফারা হয়ে যাবে। আর কেউ যদি কোন অপরাধ করে এবং আল্লাহ তা'আলা তা ঢেকে রাখেন, তার ব্যাপার আল্লাহর ইচ্ছাধীন। যদি তিনি ইচ্ছে করুন, তবে তাকে ক্ষমাও করতে পারে, আর ইচ্ছা করলে শাস্তিও দিতে পারেন।
আহমদ ইবন সাঈদ (রহঃ) ... উবাদা ইবন সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা কি আমার নিকট এ কথার উপর বায়আত গ্রহণ করবে না, যে কথার উপর নারীরা বায়'আত গ্রহণ করেছে? অর্থাৎ তোমরা আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, স্বীয় সন্তানদের হত্যা করবে না, আর কারো প্রতি মিথ্যা অপবাদ দেবে না, এবং ন্যায় কাজে আমার অবাধ্যতা করবে না। আমরা বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! কেন নয়, অবশ্যই বায়আত করবো। এরপর আমরা উপরোক্ত বিষয়ে তার হাতে বায়আত করলাম। তিনি বললেনঃ এখন যে ব্যক্তি ঐ সকল পাপ হতে কোনটি করবে এবং পৃথিবীতে এর জন্য শাস্তি ভোগ করবে, সে শাস্তি তার গুনাহর কাফফারা হয়ে যাবে। আর যে শাস্তি পাবে না, তার ব্যাপার আল্লাহর ইচ্ছাধীন, তিনি ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তিও দিতে পারেন এবং ক্ষমাও করতে পারেন।
ইয়াহ্ইয়া ইবন হাবীব আরাবী (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আপনার নিকট হিজরতের উপর বায়'আত গ্রহণ করছি আর আমি আমার মাতাপিতাকে ক্রন্দনরত অবস্থায় রেখে এসেছি। তিনি বললেনঃ তুমি তাদের কাছে ফিরে যাও এবং তাদেরকে হাসাও যেমন তুমি তাদেরকে কাঁদিয়েছ।
হুসায়ন ইবন হুরায়স (রহঃ) ... আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক বেদুঈন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হিজরত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ হিজরত বড় কঠিন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ আচ্ছা, তোমার কি উট আছে? সে বললোঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি কি তার যাকাত আদায় কর? সে বললোঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ যাও তুমি সাগরের ওপারে থেকে কাজ করতে থাক। কেননা আল্লাহ্ তা'আলা তোমার কোন কাজ বৃথা যেতে দেবেন না।
আহমদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন হাকাম (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! কোন্ হিজরত সর্বোত্তম? তিনি বললেনঃ তোমার ঐ বস্তু ত্যাগ করা, যা আল্লাহর নিকট অপছন্দনীয়। তিনি আরও বললেনঃ হিজরত দুই প্রকারঃ এক, নগরবাসীর হিজরত; দ্বিতীয়, বেদুঈনের হিজরত। যখন তাকে প্রয়োজনবশত ডাকা হয়, তখন সে চলে আসবে; আর কোন আদেশ দিলে তা পালন করবে, নগরবাসীর উপর বিপদ অনেক এবং সর্বাধিক সওয়াব তারই।
أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مُبَشِّرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ حُسَيْنٍ، عَنْ يَعْلَى بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ كَانُوا مِنَ الْمُهَاجِرِينَ لأَنَّهُمْ هَجَرُوا الْمُشْرِكِينَ وَكَانَ مِنَ الأَنْصَارِ مُهَاجِرُونَ لأَنَّ الْمَدِينَةَ كَانَتْ دَارَ شِرْكٍ فَجَاءُوا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيْلَةَ الْعَقَبَةِ .
হুসায়ন ইবন মানসূর (রহঃ) ... জাবির ইবন যায়দ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বকর এবং উমর (রাঃ)-ও মুহাজির ছিলেন। কেননা তারা মুশরিকদেরকে পরিত্যাগ করেছিলেন। আর কোন কোন আনসারও মুহাজির ছিলেন, কেননা মদীনা ছিল মুশরিকদের আবাসস্থল, পরে তাঁরা আকাবার রাতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হন।
হারূন ইবন মুহাম্মাদ ইবন বাককার ইবন বিলাল (রহঃ) ... আবু ফাতিমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলায়াহ্! আমাকে এমন একটি কাজের কথা বলুন, যা আমি সদা সর্বদা কৱতে পারি। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ তুমি হিজরত করাকে অবধারিত করে নাও। কেননা কােন কাজই এর মত নেই।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أُمَيَّةَ، أَنَّ أَبَاهُ، أَخْبَرَهُ أَنَّ يَعْلَى قَالَ جِئْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِأَبِي يَوْمَ الْفَتْحِ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ بَايِعْ أَبِي عَلَى الْهِجْرَةِ . قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أُبَايِعُهُ عَلَى الْجِهَادِ وَقَدِ انْقَطَعَتِ الْهِجْرَةُ " .
আবদুল মালিক ইবন শু'আয়ব (রহঃ) ... ইয়ালা (রাঃ) বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন আমি আমার পিতাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এনে বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার পিতা হতে হিজরতের বায়'আত গ্রহন করুন। তিনি বললেন, আমি তার থেকে হিজরতের বায়'আত গ্রহন করবো। কেননা হিজরত শেষ হয়ে গেছে।
মুহাম্মাদ ইবন দাউদ (রহঃ) ... সাফওয়ান ইবন উমাইয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! লোকেরা বলে, জান্নাতে শুধু ঐ সকল লোক প্রবেশ করবে, যারা হিজরত করবে, যারা হিজরত করেছে। তিনি বলেলন, মক্কা বিজিত হওয়ার সাথে সাথে হিজরত শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু জিহাদ ও নিয়্যাত এখনও অবশিষ্ট আছে। অতএব ভোদেরকে যখন জিহাদের জন্য বের হতে বলা হবে, তখন তোমরা জিহাজের জন্য বের হবে।
ইসহাক ইন মানসূর (রহঃ) ... ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন বলেনঃ এখন আর হিজরত নেই। কিন্তু জিহাদ এবং বিশুদ্ধ নিয়্যত এখনও অবশিষ্ট আছে। অতএব যখন তোমাদেরকে যুদ্ধের জন্য ডাকা হবে, তখন তোমরা বের কৰে।
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ هَانِئٍ، عَنْ نُعَيْمِ بْنِ دِجَاجَةَ، قَالَ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، يَقُولُ لاَ هِجْرَةَ بَعْدَ وَفَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
আমর ইবন আলী (রহঃ) ... নু'আয়ম ইবন দুজাজা (রহঃ) থেকে। তিনি বলেন, আমি উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইনতিকালের পর হিজরত অবশিষ্ট নেই।
أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ مُسَاوِرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْعَلاَءِ بْنِ زَبْرٍ، عَنْ بُسْرِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلاَنِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ وَاقِدٍ السَّعْدِيِّ، قَالَ وَفَدْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي وَفْدٍ كُلُّنَا يَطْلُبُ حَاجَةً وَكُنْتُ آخِرَهُمْ دُخُولاً عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي تَرَكْتُ مَنْ خَلْفِي وَهُمْ يَزْعُمُونَ أَنَّ الْهِجْرَةَ قَدِ انْقَطَعَتْ . قَالَ " لاَ تَنْقَطِعُ الْهِجْرَةُ مَا قُوتِلَ الْكُفَّارُ " .
ঈসা ইন মুজাবির (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবন ওয়াকদান সা'দী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একটি প্রতিনিধি দলের সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হই এবং আমাদের মধ্যে প্রত্যেকেই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কোন না কোন প্রয়োজন প্রকাশ করতে থাকে। আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট সকলের শেষে উপস্থিত হয়েছিলাম। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি এমনসব লোককে রেখে এসেছি যারা মনে কৱে, হিজরত শেষ হয়ে গেছে। তিনি বললেনঃ যেদিন কাফিরদের সাথে জিহাদ জারী থাকবে, ততদিন হিজরত শেষ হবে না।
মাহমূদ ঈন খালিদ (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবন সাদী (রাঃ) বলেন, আমরা প্রতিনিধি হিসাবে রাসূলসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হই, আমার সাথীরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাদের প্রয়োজন পূর্ণ করেন। আমি সকলের শেষে তাঁর নিকট উপস্থিত হই। তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, তোমার স্কী প্রয়োজন? আমি বলি, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! হিজরত কখন শেষ হবে? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কাফিরদের সাথে যুদ্ধ যতদিন চলতে থাকে, ততদিন হিজরত শেষ হবে না।
أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ، عَنْ جَرِيرٍ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، وَالشَّعْبِيِّ، قَالاَ قَالَ جَرِيرٌ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ لَهُ أُبَايِعُكَ عَلَى السَّمْعِ وَالطَّاعَةِ فِيمَا أَحْبَبْتُ وَفِيمَا كَرِهْتُ . قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَوَتَسْتَطِيعُ ذَلِكَ يَا جَرِيرُ أَوَتُطِيقُ ذَلِكَ " . قَالَ " قُلْ فِيمَا اسْتَطَعْتُ " . فَبَايَعَنِي وَالنُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ .
মুহাম্মাদ ইবন কুদামা (রহঃ) ... জারীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আমার পছন্দনীয় এবং অপছন্দনীয় সকল প্রকার কাজের ব্যাপারে আপনার কথা শ্রবণের এবং আপনার অনুসরণ করার বায়'আত গ্রহণ করছি। তিনি বললেনঃ হে জারীর! তোমার কি সেই ক্ষমতা আছে কিংবা তুমি কি তা পারবে? বরং তুমি বল, আমার দ্বারা যতটুকু সম্ভব। তারপর তিনি এরপর আমার নিকট হতে বায়আত করলেন। আমি আরও বায়আত গ্রহণ করলাম প্রত্যেক মুসলিমের প্রতি কল্যাণকামিতার।
أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ جَرِيرٍ، قَالَ بَايَعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى إِقَامِ الصَّلاَةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَالنُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ وَعَلَى فِرَاقِ الْمُشْرِكِ .
বিশর ইবন খালিদ (রহঃ) ... জারীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বায়আত গ্রহণ করলাম সালাত আদায় করার, যাকাত প্রদান করার, প্রত্যেক মুসলিমের জন্য শুভ কামনার এবং মুশরিকদের থেকে পৃথক থাকার।
أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ مُحَمَّدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الرَّبِيعِ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ أَبِي نُخَيْلَةَ، عَنْ جَرِيرٍ، قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ نَحْوَهُ .
মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ) ... জারীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হই। এরপর তিনি পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।
মুহাম্মদ ইবন কুদামা (রহঃ) ... জারীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তখন উপস্থিত হই, যখন তিনি বায়আত গ্রহণ করছিলেন। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনি আপনার হাত বাড়িয়ে দিন, যাতে আমিও আপনার নিকট বায়আত গ্রহণ করতে পারি। আর আপনি যা ইচ্ছা আমার উপর শর্ত করুন এবং এ সম্পর্কে আপনি ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ আমি এই শর্তে তোমার বায়'আত গ্রহণ করছি যে, তুমি এক আল্লাহর ইবাদত করবে, সালাত কায়েম করবে, যাকাত দিবে, মুসলিমদের শুভাকাঙ্ক্ষী থাকবে এবং মুশরিকদের পরিত্যাগ করবে।
ইয়াকূব ইবন ইব্রাহীম (রহঃ) ... উবাদা ইবন সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি একদল লোকের সাথে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে বায়আত গ্রহণ করি। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি তোমাদের থেকে এ ব্যাপারে বায়'আত গ্রহণ করছি যে, তোমরা আল্লাহ তা'আলার সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, নিজের সন্তানকে হত্যা করবে না, কারো প্রতি মিথ্যা অপবাদ দেবে না, ভাল কাজে আমার অবাধ্য হবে না। তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ সকল অঙ্গীকার পূর্ণ করবে, তার সওয়াব আল্লাহর নিকট রয়েছে। আর যে ব্যক্তি এই কার্যাবলীর কোন একটি করে ফেলবে এবং পৃথিবীতে এর শাস্তি ভোগ করবে, তবে তা তার পবিত্রতার উপায় হবে। আর যদি আল্লাহ্ তা'আলা তার পাপ গোপন রাখেন তবে তা আল্লাহর মরযী, তিনি ইচ্ছা করলে তাকে ক্ষমা করবেন, আর ইচ্ছা করলে শাস্তি দেবেন।
أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ، قَالَتْ لَمَّا أَرَدْتُ أَنْ أُبَايِعَ، رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ امْرَأَةً أَسْعَدَتْنِي فِي الْجَاهِلِيَّةِ فَأَذْهَبُ فَأُسْعِدُهَا ثُمَّ أَجِيئُكَ فَأُبَايِعُكَ . قَالَ " اذْهَبِي فَأَسْعِدِيهَا " . قَالَتْ فَذَهَبْتُ فَسَاعَدْتُهَا ثُمَّ جِئْتُ فَبَايَعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
মুহাম্মদ ইবন মানসুর (রহঃ) ... উম্মে আতিয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বায়'আত গ্রহণ করার ইচ্ছা করি, তখন আমি বলিঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! জাহিলী যুগে এক মহিলা মৃত্যুর উপর ক্রন্দনে আমাকে সাহায্য করেছিল। এখন তার সাহায্যেও আমাকে যেতে হয়। আমি সেখানে গিয়ে তাকে সাহায্য করব, তারপর এসে আপনার নিকট বায়'আত গ্রহণ করব। তিনি বললেনঃ যাও এবং তাকে সাহায্য কর। উম্মে আতিয়্যা (রাঃ) বলেনঃ আমি গিয়ে সে মহিলাকে সাহায্য করি এবং ফিরে এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বায়'আত গ্রহণ করি।
أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ، قَالَ أَنْبَأَنَا حَمَّادٌ، قَالَ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ، قَالَتْ أَخَذَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْبَيْعَةَ عَلَى أَنْ لاَ نَنُوحَ .
হাসান ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) ... উম্মে আতিয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের থেকে বায়'আত নেন যে, আমরা যেন কোন মৃত ব্যক্তির জন্য ক্রন্দনে শরীক না হই।
মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... উমায়মা বিনতে রুকায়কা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কয়েকজন আনসারী নারীর সাথে রাসূলুয়াহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বায়'আত গ্রহণের জন্য উপস্থিত হই। আমরা আরয করলামঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমরা আপনার নিকট একথার উপর বায়আত করছি যে, আমরা আল্লাহ তা'আলার সাথে কাউকে শরীক করবো না, চুরি করবো না, ব্যভিয়ার করবো না, আমরা কারো প্রতি মিথ্যা অপবাদ দেব না, ভাল কাজে আপনার নাফরমানী করবো না। তিনি বললেনঃ তোমরা এও বল যে, আমাদের দ্বারা যতটুকু সম্ভব। উমায়মা (রাঃ) বলেন, আমরা বললামঃ আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূল আমাদের প্রতি কত মেহেরবান। আমরা বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আসুন, আমরা আপনার হাতে বায়আত করবো। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি স্ত্রীলোকের হাতে হাত মিলাই না। কেননা একজন নারীকে আমার বলাটা একশত নারীকে বলার মত।
যিয়াদ ইবন আইয়্যুব (রহঃ) ... আমর নামক এক ব্যক্তি তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, বনু সকীফ গোত্রের প্রতিনিধি দলে এক ব্যক্তি কুষ্ঠ রোগী ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেনঃ তুমি চলে যাও, আমি তোমার বায়'আত গ্রহণ করেছি।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَلاَّمٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ، عَنْ عِكْرِمَةَ بْنِ عَمَّارٍ، عَنِ الْهِرْمَاسِ بْنِ زِيَادٍ، قَالَ مَدَدْتُ يَدِي إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا غُلاَمٌ لِيُبَايِعَنِي فَلَمْ يُبَايِعْنِي .
আবদুর রহমান ইবন মুহাম্মাদ ইবন সাল্লাম (রহঃ) ... হিরমাস ইবনে যিয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বায়আত করার জন্য রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দিকে আমার হাত বাড়িয়ে দেই, আর আমি ছিলাম তখন অপ্রাপ্ত বয়স্ক বালক। কিন্তু তিনি আমাকে বায়'আত করান নি।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ جَاءَ عَبْدٌ فَبَايَعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْهِجْرَةِ وَلاَ يَشْعُرُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ عَبْدٌ فَجَاءَ سَيِّدُهُ يُرِيدُهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " بِعْنِيهِ " . فَاشْتَرَاهُ بِعَبْدَيْنِ أَسْوَدَيْنِ ثُمَّ لَمْ يُبَايِعْ أَحَدًا حَتَّى يَسْأَلَهُ أَعَبْدٌ هُوَ
কুতায়বা (রহঃ) .... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একজন দাস রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে হিজরতের উপর বায়আত গ্রহণ করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানতেন না যে, সে একজন দাস। পরে যখন তার মালিক তাকে নিতে আসলো, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি একে আমার নিকট বিক্রি কর। এরপর তিনি তাকে দুটি কালো দাসের বিনিময়ে ক্রয় করেন। তারপর তিনি দাস কিনা তা জিজ্ঞাসা না করে কাউকে বায়'আত করতেন না।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ أَعْرَابِيًّا، بَايَعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الإِسْلاَمِ فَأَصَابَ الأَعْرَابِيَّ وَعَكٌ بِالْمَدِينَةِ فَجَاءَ الأَعْرَابِيُّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَقِلْنِي بَيْعَتِي . فَأَبَى ثُمَّ جَاءَهُ فَقَالَ أَقِلْنِي بَيْعَتِي . فَأَبَى فَخَرَجَ الأَعْرَابِيُّ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّمَا الْمَدِينَةُ كَالْكِيرِ تَنْفِي خَبَثَهَا وَتَنْصَعُ طَيِّبَهَا " .
কুতায়বা (রহঃ) ... জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, এক বেদুঈন লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে ইসলামের উপর বায়'আত গ্রহণ করল। পরে সে মদীনায় জ্বরে আক্রান্ত হলে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হল এবং বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার বায়'আত প্রত্যাহার করুন। তিনি তা করলেন না। কিন্তু সে পুনরায় এসে বলল, আমার বায়'আত প্রত্যাহার করুন। তিনি এবারও তা করলেন না। এরপর সে চলে গেল, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মদীনা কামারের হাপরের মত, যে এর ময়লা দূর করে এবং নিখুঁতটুকু রেখে দেয়।
কুতায়বা (রহঃ) ... সালামা ইবনে আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি হাজ্জাজের নিকট উপস্থিত হলে হাজ্জাজ বলেনঃ হে ইবনে আকওয়া! তুমি কি পিছনে ফিরে গেছ? তিনি আরও কিছু বললেন, যার অর্থ হলো, তুমি মদীনা ছেড়ে মরুপল্লীতে চলে গেছ। তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে মরুপল্লীতে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।
কুতায়বা ও আলী ইবন হুজর (রহঃ) ... ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিই বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট শ্রবণ ও আনুগত্যের বায়'আত করতাম। এরপর তিনি বলতেনঃ যতটুকু তোমার শক্তিতে কুলায়। অন্য বর্ণনায় আলী (রাঃ) বলেনঃ তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী।
হাসান ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) ... ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট শ্রবণ ও আনুগত্যের বায়আত করতাম, তখন তিনি আমাদেরকে বলতেনঃ তোমাদের যতটুকু ক্ষমতা আছে।
أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ حَدَّثَنَا سَيَّارٌ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ بَايَعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَلَى السَّمْعِ وَالطَّاعَةِ فَلَقَّنَنِي " فِيمَا اسْتَطَعْتَ وَالنُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ " .
ইয়াকূব ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ... জারীর ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট শ্রবণ ও আনুগত্যের বায়আত করলাম। তিনি আমাকে বলে দিলেন— যতটুকু তোমার শক্তি আছে। এবং প্রত্যেক মুসলিমের কল্যাণকামিতার শপথ নিলাম।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ أُمَيْمَةَ بِنْتِ رُقَيْقَةَ، قَالَتْ بَايَعْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي نِسْوَةٍ فَقَالَ لَنَا " فِيمَا اسْتَطَعْتُنَّ وَأَطَقْتُنَّ " .
কুতায়বা (রহঃ) ... উমায়মা বিনতে রুকায়কা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা কতিপয় মহিলার সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বায়'আত গ্রহণ করি। এরপর তিনি আমাদেরকে বলেনঃ তোমাদের দ্বারা যতটুকু সম্ভব এবং তোমাদের যতটুকু শক্তি আছে।
হাম্মাদ ইবন সারী (রহঃ) ... আবদুর রহমান ইবনে আবদে রাব্বিল কা'বা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর নিকট গেলাম, তখন তিনি কাবার ছায়ায় উপবিষ্ট ছিলেন এবং তাঁর চতুর্দিকে লোক সমবেত ছিল। তিনি বলেন, আমি তাকে বলতে শুনলামঃ একবার আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে এক সফরে ছিলাম। আমরা এক মনযিলে অবতরণ করলাম। এ সময় আমাদের কেউ তাঁবু খাটাচ্ছিল, কেউ তীর নিক্ষেপের প্রতিযোগিতায় ছিল, কেউ পশু চারণে ছিল। এমন সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষ হতে আহ্বানকারী আহ্বান করলঃ সালাতের জন্য একত্রিত হও। আমরা সকলে একত্র হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে বললেনঃ আমার পূর্ববর্তী প্রত্যেক নবীর দায়িত্ব ছিল, তাঁর উম্মতের জন্য যা ভাল মনে করতেন, তাদেরকে তা শিক্ষা দেওয়া। আর যা তাদের জন্য অনিষ্টকর মনে করতেন, তা হতে তাদেরকে সতর্ক করা। আর তোমাদের এই উম্মতের প্রথমদিকের লোকদের জন্য নিরাপত্তা রাখা হয়েছে কিন্তু শেষের দিকে যাৱা আসবে তারা মুসীবত এবং এমন কিছু বিষয়ের সম্মুখীন হবে যা তারা অনিষ্টকর মনে করবে। তাদের উপর উপর্যুপরি ফিতনা আসতে থাকবে, যার পরেরটির কাছে আগেরটি তুচ্ছ মনে হবে। এক ফিতনা আসবে। তখন মু'মিন বলবেঃ এটিতো আমাকে ধ্বংস করবে। পরে তা দূর হয়ে যাবে। তা দূর হতে না হতে আর এক মুসীবত এসে পড়বে। অতএব তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জাহান্নাম হতে নিস্তার পেতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে চায়, সে যেন আল্লাহ এবং কিয়ামতের উপর বিশ্বাস রেখে মারা যায়। আর সে লোকের প্রতি ঐরূপ ব্যবহার করবে, যেরূপ ব্যবহার সে তাদের নিকট প্রত্যাশা করে। আর যে ইমামের হাতে হাত রেখে বায়'আত করবে, সে যেন নিষ্ঠার সাথে সাধ্যমত তার আনুগত্য করে। পরে যদি কোন ব্যক্তি ঐ ইমামের সঙ্গে বিরোধে লিপ্ত হতে চায়, তবে তার গর্দান উড়িয়ে দিবে। তখন আমি তার নিকটবর্তী হয়ে বললামঃ আপনি কি রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এরূপ বলতে শুনেছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ।
মুহাম্মদ ইবন আবদুল আ'লা (রহঃ) ... ইয়াহইয়া ইবন হুসায়ন (রহঃ) বলেন, আমি আমার দাদীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বিদায় হজ্জের সময় বলতে শুনেছিঃ যদি তোমাদের উপর কোন হাবশী দাসকেও শাসক নিযুক্ত করা হয়, যিনি তোমাদেরকে আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী পরিচালনা করেন, তখন তোমরা তার কথা শুনবে; তার আনুগত্য করবে।
ইউসুফ ইবন সা'ঈদ (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করলো, সে আল্লাহ্ তা'আলার আনুগত্য করলো; আর যে আমার আনুগত্য করলো না, সে আল্লাহরও আনুগত্য করলো না। আর যে আমার নির্বাচিত শাসকের আনুগত্য করলো, সে আমার আনুগত্য করলো; আর যে আমার নির্বাচিত শাসককে অমান্য করলো, সে আমাকে অমান্য করলো।
আমর ইবন উসমান ইবন সাঈদ (রহঃ) ... মুআয ইবন জাবাল (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, জিহাদ দুই প্রকারঃ ১. যে ব্যক্তি আল্লাহ্ তা'আলার সন্তুষ্টি কামনা করে এবং ইমামের আনুগত্য করে আর উত্তম মাল আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করে এবং ফিতনা-ফাসাদ পরিহার করে। তার নিদ্রা ও জাগরণ সবই ইবাদতরূপে গণ্য হয়। ২. আর ঐ ব্যক্তি, যে লোককে দেখানোর জন্য ও প্রসিদ্ধি লাভ করার উদ্দেশ্যে জিহাদ করে এবং ইমামের অবাধ্য হয়, পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করে, সে কিছুই নিয়ে প্রত্যাবর্তন করবে না অর্থাৎ তার কোন সওয়াব হবে না।
ইমরান ইবন বাককার (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেনঃ ইমাম ঢাল সদৃশ, যার আড়ালে লোক যুদ্ধ করে এবং তার দ্বারা পরিত্রাণ লাভ করে। যদি ইমাম আল্লাহর ভয়ের আদেশ করে এবং ইনসাফের সাথে আদেশ করে, তবে এর জন্য তার সওয়াব রয়েছে, আর যদি এর অন্যথা করে, তবে তার উপর এর পরিণতি বর্তাবে।
মুহাম্মাদ ইবন মানসূর (রহঃ) ... তামীম দারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শুভ কামনা করার নামই দীন। লোকগণ জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কার জন্য? তিনি বললেনঃ আল্লাহর জন্য, তাঁর কিতাবের, তাঁর রাসূলের, আর মুসলিমদের নেতাদের এবং মুসলিম সাধারণের জন্য।
ইয়াকূব ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ... তামীম দারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শুভ কামনার নামই দীন। লোকেরা জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! কার জন্য? তিনি বললেন, আল্লাহর জন্য, তাঁর কিতাবের, তাঁর রাসূলের, আর মুসলিমদের ইমামদের এবং মুসলিম সাধারণের জন্য।
উৎসে উল্লিখিত মান
SahihAbu Ghuddah
SahihAl-Albani
HasanZubair Ali Zai
৬৩টির মধ্যে ৫০
৬৩টি বর্ণনা · নম্বর ৪১৪৯–৪২১১
আরবি পাঠ, নম্বর, অধ্যায়ের নাম ও মান — সবই একটি উন্মুক্ত ডেটাসেটে (hadith-api) যেমন আছে হুবহু তেমন দেখানো হয়েছে। সাবীল এখনও এর নির্ভুলতা বা স্বত্ব যাচাই করেনি, আর আলেমদের পর্যালোচনাও শুরু হয়নি। ততদিন কোনো বর্ণনার ওপর নির্ভর করার আগে ছাপা সংস্করণের সাথে মিলিয়ে নিন।