অধ্যায় ১২ · The Book of The At-Tatbiq (Clasping One's Hands Together)
১৫০টি বর্ণনা · নম্বর ১০২৯–১১৭৮
প্রতিটি বর্ণনার নিচে ডেটাসেটের নিজস্ব অনুবাদ হুবহু দেখানো হয়েছে। এতে অনুবাদকের নাম নেই, এর স্বত্ব যাচাই হয়নি, এবং কেউ এটি আরবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেননি; কিছু বর্ণনার অনুবাদ নেই। মূল পাঠ আরবি।
। ইসমাঈল ইবনু মাসউদ (রহঃ) ... আলকামা এবং আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তাঁরা উভয়ে আব্দুল্লাহ (রাঃ) এর সাথে তাঁর ঘরে ছিলেন। তিনি বললেন, তারা কি সালাত আদায় করেছে? আমরা বললাম, হ্যাঁ। তিনি তাঁদের ইমামতি করলেন। আর তাঁদের দু'জনের মধ্যে দাঁড়ালেন, আযান ও ইকামত ব্যতীত। তিনি বললেন, তোমরা যখন তিনজন হবে তখন এরূপ করবে, আর যখন এর চেয়ে বেশি লোক হবে তখন তোমাদের মধ্যে একজন ইমাম হবে এবং উভয় হাত রানের উপর বিছিয়ে রাখবে। আমি যেন এখনও দেখছি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতের আদলের মধ্যস্থিত ফাঁক।
। আহমদ ইবনু সায়ীদ রুবাতী (রহঃ) ... আসওয়াদ এবং আলকামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তাঁরা উভয়ে বলেন, আমরা আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর ঘরে তার সঙ্গে সালাত আদায় করলাম। তিনি আমাদের মধ্যে দাঁড়ালেন। আমরা আমাদের হাত রানের উপর রাখলাম। তিনি তা টেনে নিলেন এবং আমাদের অঙ্গুলীসমূহের মধ্যে ফাঁক করে দিলেন এবং বললেন, আমি রাসুলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এরূপ করতে দেখেছি।
। নূহ ইবনু হাবীব (রহঃ) ... আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সালাত শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি দাঁড়িয়ে তাকবীর বললেন, যখন তিনি রুকু করতে ইচ্ছা করলেন, উভয় হাত হাটূদ্বয়ের মধ্যস্থলে রাখলেন, এবং রুকু করলেন। এ সংবাদ সা'দ (রাঃ) এর নিকট পৌছলে তিনি বললেন, আমার ভাই সত্যই বলেছেন। আমরা এরূপ করতাম। তারপর আমরা এরূপ করতে আদিষ্ট হয়েছি অর্থাৎ হাঁটু ধরে রাখতো।
। কুতায়বা (রহঃ) ... মুসআব ইবনু সা'দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পিতার পাশে সালাত আদায় করলাম, আর আমি আমার উভয় হাত আমার হাঁটুদ্বয়ের মধ্যস্থলে রাখলাম। তখন তিনি আমাকে বললেন, তোমার উভয় হাতের তালু তোমার হাঁটুদ্বয়ের উপর রাখ। তিনি বলেন, তারপর আমি তা পুনরায় করলাম। এরপর তিনি আমার হাত ধরে বললেন, আমাদের এরূপ করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং আমরা আদিষ্ট হয়েছি হাঁটুর উপর হাত রাখতে।
। আমর ইবনু আলী (রহঃ) ... মুস’আব ইবনু সাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রুকু করলাম এবং তাতে তাৎবিক (হাত দু'হাঁটুর মাঝে রাখা) করলাম। আমার পিতা বললেন, আমরা আগে এরূপ করতাম। তারপর আমরা আদিষ্ট হয়েছি হাটুতে হাত রাখতে।
। হান্নাদ ইবনু সরী (রহঃ) ... সালিম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আবূ মাসঊদের নিকট আসলাম। তাঁকে বললাম, আমাদেরকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত সমন্ধে বর্ণনা করুন। তখন তিনি আমাদের সামনে দাঁড়ালেন এবং তাকবীর বললেন, যখন রুকু করলেন তখন তার উভয় হাতের তালু হাটুদ্বয়ের উপর স্থাপন করলেন। আর তাঁর আঙ্গুলগুলো তার নিচে রাখলেন এবং তার উভয় কনুই পার্শ্বদেশ থেকে দূরে রাখলেন। যাতে তাঁর সকল অঙ্গ সোজা হয়ে গেল। তারপর বললেন, সামিয়ালাহু লিমান হামিদাহ- তখন দাঁড়িয়ে গেলেন। তখন তাঁর সকল অঙ্গ সোজা হয়ে গেল।
। আহমদ ইবনু সুলায়মান রাহাভী (রহঃ) ... উকবা ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কি তোমাদের জন্য ঐরূপ সালাত আদায় করব না যেরূপ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখেছি সালাত আদায় করতে? আমরা বললাম, হ্যাঁ, তখন তিনি দাঁড়ালেন। যখন তিনি রুকু করলেন তখন তাঁর হাতদ্বয়ের তালু তাঁর উভয় হাটুর উপর রাখলেন। আর আঙ্গুল সমূহ রাখলেন তাঁর হাটুর নিচের দিকে। আর তার বগল (পার্শ্বদেশ থেকে) পৃথক রাখলেন। তখন তাঁর সকল অঙ্গ সোজা হয়ে গেল। তারপর তিনি তাঁর মাথা উঠালেন এবং দাঁড়িয়ে গেলেন। তখন তাঁর সকল অঙ্গ সোজা হয়ে গেল। তারপর সিজদা করলেন এবং তাঁর বগল (পার্শ্বদেশ থেকে) পৃথক রাখলেন এবং তার সকল অঙ্গ সোজা হয়ে গেল। তারপর বসলেন এবং সকল অঙ্গ সোজা হয়ে গেল, এরপর আবার সিজদা করলেন এবং সকল অঙ্গ সোজা হয়ে গেল। এরূপে চার রাকাআত আদায় করলেন। তারপর বললেন, এরূপই আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সালাত আদায় করতে দেখেছি। আর তিনি এরূপেই আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন।
أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ ابْنِ عُلَيَّةَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ سَالِمٍ الْبَرَّادِ، قَالَ قَالَ أَبُو مَسْعُودٍ أَلاَ أُرِيكُمْ كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي قُلْنَا بَلَى . فَقَامَ فَكَبَّرَ فَلَمَّا رَكَعَ جَافَى بَيْنَ إِبْطَيْهِ حَتَّى لَمَّا اسْتَقَرَّ كُلُّ شَىْءٍ مِنْهُ رَفَعَ رَأْسَهُ فَصَلَّى أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ هَكَذَا وَقَالَ هَكَذَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي .
। ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... সালিম বাররাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ মাসউদ (রাঃ) বলেছেনঃ আমি কি তোমাদের দেখাব না রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিভাবে সালাত আদায় করতেন? আমরা বললাম, হ্যাঁ। তখন তিনি দাঁড়িয়ে তাকবীর বললেন, যখন তিনি রুকু করলেন, তার উভয় বগল পৃথক করে রাখলেন। যখন তাঁর সকল অঙ্গ সোজা হয়ে গেল, তিনি তাঁর মাথা উঠালেন, এভাবে তিনি চার রাকআত আদায় করলেন। তারপর বললেন, এভাবে আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সালাত আদায় করতে দেখেছি।
। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আবূ হুমায়দ সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রুকু করতেন, তখন তিনি সোজা হয়ে যেতেন। তিনি তার মাথা উঁচু করে রাখতেন না আবার ঝুঁকিয়েও রাখতেন না। আর তার উভয় হাত হাটুর উপর রাখতেন।
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ مَسْعَدَةَ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبِيدَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ نَهَانِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْقَسِّيِّ وَالْحَرِيرِ وَخَاتَمِ الذَّهَبِ وَأَنْ أَقْرَأَ وَأَنَا رَاكِعٌ وَقَالَ مَرَّةً أُخْرَى وَأَنْ أَقْرَأَ رَاكِعًا .
। উবায়দুল্লাহ ইবনু সা'য়ীদ (রহঃ) ... আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নিষেধ করেছেন, রেশম মিশ্রিত কাপড়, রেশমী কাপড় এবং সোনার আংটি থেকে, আর রুকু অবস্থায় কিরাআত থেকে।
। উবায়দুল্লাহ ইবনু সায়ীদ (রহঃ) ... আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সোনার আংটি, রুকু অবস্থায় কিরাআত, রেশম মিশ্রিত কাপড় এবং কুসূম রংয়ের কাপড় থেকে নিষেধ করেছেন।
। হাসান ইবনু দাঊদ মুনকাদিরী (রহঃ) ... আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নিষেধ করেছেন, আর আমি বলি না যে, তোমাদের নিষেধ করেছেন- সোনার আংটি রেশম মিশ্রিত কাপড়, গাঢ় লাল রং-এর কাপড় এবং কুসুম রং-এর কাপড় থেকে নিষেধ করেছেন এবং রুকু অবস্থায় কিরাআত থেকে।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ لُبْسِ الْقَسِّيِّ وَالْمُعَصْفَرِ وَعَنْ تَخَتُّمِ الذَّهَبِ وَعَنِ الْقِرَاءَةِ فِي الرُّكُوعِ .
। কুতায়বা (রহঃ) ... আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে রেশম মিশ্রিত কাপড়, কুসূম রং-এর কাপড়; সোনার আংটি পরিধান করতে এবং রুকুতে কিরাআত থেকে নিষেধ করেছেন।
। কুতায়বা ইবনু সা'য়ীদ (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্দা উম্মোচন করলেন, তখন লোক আবূ বকর (রাঃ) এর পেছনে কাতারে দাঁড়ানো ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে লোক সকল! নবুয়তের সুসংবাদ আর অবশিষ্ট থাকবে না, নেক সপ্ন ব্যতীত যা মুসলিম দেখবে এবং তাকে দেখানো হবে। এরপর তিনি বললেন, তোমরা শুনে রেখ! আমাকে নিষেধ করা হয়েছে রুকু অবস্থায় কিরাআত থেকে এবং সিজদা অবস্থায়। রুকুতে তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদা বর্ণনা কর। আর সিজদায় তোমরা দোয়া করতে চেষ্টা কর। তোমাদের জন্য দোয়া কবুল হওয়ার উপযুক্ত সময় এটাই।
। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... হযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাত আদায় করেছি। তিনি রুকু করতে গিয়ে বললেন, 'সুবহানা রাব্বিয়াল আজীম' আর সিজদা করতে গিয়ে বললেন, 'সূবহানা রাব্বিয়াল আলা'।
। আমর ইবনু মানসুর (রহঃ) ... ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এক রাতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সালাতে দাঁড়ালাম, যখন তিনি রুকু করলেন, সূরা বাকারা পড়া পরিমাণ সময়, তিনি রুকুতে থেকে বলছিলেনঃ سُبْحَانَ ذِي الْجَبَرُوتِ وَالْمَلَكُوتِ وَالْكِبْرِيَاءِ وَالْعَظَمَةِ
। কুতায়বা (রহঃ) ... রিফাআ ইবনু রাফি বদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল এবং সালাত আদায় করল। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখছিলেন। কিন্তু সে তা টের পায়নি। সে সালাত শেষ করে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে তাঁকে সালাম করলে তিনি তার সালামের জওয়াব দিয়ে বললেন, যাও পুনরায় সালাত আদায় কর। কেননা, তুমি সালাত আদায় করনি। তিনি (রাবী) বলেন, আমার স্মরণ নেই, দ্বিতীয়বার কিংবা তৃতীয়বারে সে ব্যক্তি বলল, ঐ সত্তার শপথ! যিনি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন। আমি তো খুব চেষ্টা করলাম। অতএব, আমাকে শিখিয়ে দিন এবং দেখিয়ে দিন। তিনি বললেন, যখন তুমি সালাত আদায় করতে ইচ্ছা করবে তখন উত্তমরূপে শুরু করবে। তারপর তুমি কিবলার দিকে মুখ করবে। তারপর তাকবীর বলবে, এরপর কুরআন পড়বে, তারপর রুকু করবে ধীরস্থিরভাবে। তারপর মাথা তুলে সোজা দাঁড়িয়ে যাবে। এরপর সিজদা করবে স্থিরভাবে, তারপর মাথা তুলে স্থিরভাবে বসে পড়বে। আবার সিজদা করবে স্থিরভাবে। যখন তুমি এরূপ করলে তখন তুমি তোমার সালাত পুর্ণ করলে। তা থেকে যতটুকু কম করলে, ততটূকু তোমার সালাত থেকে কম করলে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا خَالِدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَنَسًا، يُحَدِّثُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " أَتِمُّوا الرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ إِذَا رَكَعْتُمْ وَسَجَدْتُمْ " .
। মুহাম্মদ ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা যখন রুকু করবে এবং সিজদা করবে তখন রুকু এবং সিজদা পূর্ণরূপে আদায় করবে।
। হুমায়দ ইবনু নাসর (রহঃ) ... ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পেছনে সালাত আদায় করেছি। আমি তাকে দেখেছি তিনি হাত উঠাতেন যখন সালাত আরম্ভ করতেন আর যখন রুকু করতেন এবং যখন সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদা- বলতেন, এরূপে (এ বলে হাদীসের অন্যতম রাবী) কায়স ইঙ্গিত করলেন উভয় কানের দিকে।
। ইসমাঈল ইবনু মাসউদ (রহঃ) ... মালিক ইবনু হুয়ায়রিছ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তার উভয় হাত উঠাতে দেখেছেন। যখন তিনি রুকু করলেন আর যখন তিনি রুকু থেকে মাথা উঠালেন এসময় হাতদ্বয় কানের লতি পর্যন্ত পৌছত।
। মাহমুদ ইবনু গায়লান মারওয়াযী (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কি তোমাদের নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাতের ন্যায় সালাত আদায় করব না? এরপর তিনি সালাত আদায় করলেন- তখন তিনি একবারের অধিক হাত উঠান নি।
। সুয়ায়দ ইবনু নাসর (রহঃ) ... ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত আরম্ভ করতেন, তখন তার হাতদ্বয় কাঁধ পর্যন্ত উঠাতেন। আর যখন রুকুর জন্য তাকবীর বলতেন এবং রুকু থেকে তাঁর মাথা উঠাতেন, তখন হাতদ্বয় এরূপপ উঠাতেন এবং বলতেন, “সামিয়াহল্লাহু লিমান হামিদা, রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ। আর তিনি সিজদায় এরুপ করতেন না।
। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন, তখন বলতেনঃ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ
। হান্নাদ ইবনু সারি (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোড়া থেকে ডান কাতে পড়ে গেলেন। তখন লোক তাকে দেখার জন্য আসলেন। এমতাবস্থায় সালাতের সময় উপস্থিত হলো। তিনি সালাত শেষ করে বললেন, ইমাম তো হয় এজন্য তার ইকতিদা করা হবে। যখন সে রুকু করবে তখন তোমরাও রুকু করবে। আর যখন সে উঠবে তখন তোমরাও উঠবে। আর যখন ইমাম 'সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ' বলবে তখন তোমরা 'রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ' বলবে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالَ أَنْبَأَنَا ابْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ مَالِكٍ، قَالَ حَدَّثَنِي نُعَيْمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى الزُّرَقِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ، قَالَ كُنَّا يَوْمًا نُصَلِّي وَرَاءَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرَّكْعَةِ قَالَ " سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ " . قَالَ رَجُلٌ وَرَاءَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ . فَلَمَّا انْصَرَفَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنِ الْمُتَكَلِّمُ آنِفًا " . فَقَالَ الرَّجُلُ أَنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَقَدْ رَأَيْتُ بِضْعَةً وَثَلاَثِينَ مَلَكًا يَبْتَدِرُونَهَا أَيُّهُمْ يَكْتُبُهَا أَوَّلاً " .
। মুহাম্মাদ ইবনু সালামা (রহঃ) ... রিফাআ ইবনু রাফি (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পেছনে সালাত আদায় করছিলাম। তিনি যখন রুকু থেকে মাথা উঠালেন, তখন বললেন, 'সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ'। তাঁর পেছনে একব্যক্তি বলে উঠল رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শেষ করে বললেন, এখন কে কথা বলল? সে ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি ত্রিশের বেশি ফেরেশতাকে দেখেছি তা নিয়ে তাড়াহুড়া করছে, কে তা সর্বাগ্রে লিখবে।
। কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন ইমাম 'সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ' বলেন, তখন তোমরা 'রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ' বলবে। কেননা, যার কথা ফেরেশতার কথার মত হবে তার পূর্বকৃত পাপ মার্জনা করা হবে।
। ইসমাঈল ইবন মাসউদ (রহঃ) ... আবূ মুসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনে ওয়াজ করলেন এবং আমাদেরকে আমাদের কর্মপদ্ধতি শিক্ষা দিলেন, সালাত শিক্ষা দিলেন। তিনি বললেন, যখন তোমরা সালাত আদায় করবে, তোমরা তোমাদের কাতার সোজা করবে। তারপর তোমাদের একজন ইমামতি করবে। যখন ইমাম তাকবীর বলবে তখন তোমরাও তাকবীর বলবে। আর যখন غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ বলবে তখন তোমরা আমীন বলবে। তাহলে আল্লাহ তা'আলা তা কবুল করবেন। আর যখন ইমাম তাকবীর বলে রুকু করবে তখন তোমরাও তাকবীর বলে রুকু করবে। ইমাম রুকু করবে তোমাদের পূর্বে আর রুকু থেকে উঠবে তোমাদের পূর্বে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এটা তার পরিপুরক হবে। আর যখন ইমাম বলবে, সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ তখন তোমরা বলবে রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ। আল্লাহ তা’আলা তোমাদের কথা শুনবেন। কেননা, আল্লাহ! তা'আলা তার নবীর ভাষায় বলেন, যে আল্লাহ তা’আলার প্রশংসা করে আল্লাহ তা শ্রবণ করেন। অতঃপর ইমাম যখন তাকবীর বলে সিজদায় যাবে তোমরা তখন তাকবীর বলে সিজদায় যাবে। কেননা ইমাম তোমাদের পূর্বে সিজদা করে আর তোমাদের পূর্বে মাথা উঠায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এটা তার পরিপূরক। আর যখন বৈঠকের নিকটবর্তী হবে তখন তোমাদের প্রথম কথা হবে- التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ سَلاَمٌ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ سَلاَمٌ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ এ সাতটি বাক্য হচ্ছে সালাতের পরিপূরক।
। ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... বারা ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রুকু, রুকু থেকে মাথা উঠানো এবং সিজদা ও সিজদার মাঝে বসার সময় প্রায় এক সমান হত।
। হুমায়দ ইবনু মাসআদা (রহঃ) ... হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, একরাত্রে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সালাত আদায় করেন। তিনি যখন তাকবীর বললেন, তখন তাকে বলতে শুনলেন اللَّهُ أَكْبَرُ ذَا الْجَبَرُوتِ وَالْمَلَكُوتِ وَالْكِبْرِيَاءِ وَالْعَظَمَةِ আর তিনি রুকুতে বলতেনسُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ আর যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন তখন বলতেন لِرَبِّي الْحَمْدُ لِرَبِّي الْحَمْدُ আর তিনি সিজদায় গিয়ে বলতেন, سُبْحَانَ رَبِّيَ الأَعْلَى আর দু'সিজদার মধ্যে বলতেন رَبِّ اغْفِرْ لِي رَبِّ اغْفِرْ لِي আর তাঁর কিয়াম আর রুকু, রুকু থেকে যখন মাথা উঠাতেন সে সময়, আর রুকু আর সিজদার মধ্যবর্তী সময় প্রায় সমান সমান হতো।
أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَنَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَهْرًا بَعْدَ الرُّكُوعِ يَدْعُو عَلَى رِعْلٍ وَذَكْوَانَ وَعُصَيَّةَ عَصَتِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ .
। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একমাস পর্যন্ত রুকু করার পর কুকুত পাঠ করেছেন, যাতে তিনি বদদোয়া করেছেন রিল, যাকওয়ান এবং উসাইয়্যা গোত্রের প্রতি যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নাফরমানী করেছেন।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، أَنَّ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، سُئِلَ هَلْ قَنَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي صَلاَةِ الصُّبْحِ قَالَ نَعَمْ . فَقِيلَ لَهُ قَبْلَ الرُّكُوعِ أَوْ بَعْدَهُ قَالَ بَعْدَ الرُّكُوعِ .
। কুতায়বা (রহঃ) ... ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আনাস ইবনু মালিককে প্রশ্ন করা হলো, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি ফজরের সালাতে কুনূত পাঠ করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তাঁকে বলা হলো, তা কি রুকুর পূর্বে না পরে? তিনি বললেন, রুকুর পর।
। ইসমাঈল ইবনু মাসউদ (রহঃ) ... ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, যারা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ফজরের সালাত আদায় করেছেন তাদের কেউ আমার কাছে রেওয়ায়েত করেছেন যে, যখন তিনি দ্বিতীয় রাকাআতেسَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বললেন, তখন কিছুক্ষণ দাঁড়ালেন।
। আমর ইবনু উসমান (রহঃ) ... সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব এবং আবূ সালমা ইবনু আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করতেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে যখন سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলতেন তখন দোয়া করতেন। তারপর সিজদার পূর্বে তিনি দাঁড়িয়ে বলতেন, ইয়া আল্লাহ! ওলীদ ইবনু ওলীদ, সালামা ইবনু হিশাম, আইয়াশ ইবনু আবূ রাবীআ এবং অসহায় মুমিনদের নাজাত দাও। ইয়া আল্লাহ! মুদার গোত্রের উপর তোমার শাস্তি কঠিন কর। আর তাদের বছরগুলোকে তাদের জন্য ইউনুস (আলাইহিস সালাম) এর বছরগুলোর ন্যায় করে দাও। তারপর তিনি 'আল্লাহু আকবার' বলে সিজদা করতেন। আর মুদার গোত্রের উপজাতীয়রা তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিরোধী ছিল।
। সুলায়মান ইবনু সালম বালখী (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তোমাদের জন্য রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাতকে নিকটবর্তী করে দিব। রাবী বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) কুনূত পাঠ করতেন জোহর, ইশা এবং ফজরের সালাতের শেষ রাকাআতে سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলার পর। তিনি মু'মিনদের জন্য দোয়া করতেন এবং কাফিরদের অভিসম্পাত করতেন।
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ سُفْيَانَ، وَشُعْبَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، ح وَأَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، وَسُفْيَانَ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْنُتُ فِي الصُّبْحِ وَالْمَغْرِبِ . وَقَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
। উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ ও আমর ইবনু আলী (রহঃ) ... বারা ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুনূত পাঠ করতেন ফজর এবং মাগরিবের সালাতে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، وَهِشَامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَنَتَ شَهْرًا - قَالَ شُعْبَةُ لَعَنَ رِجَالاً وَقَالَ هِشَامٌ يَدْعُو عَلَى أَحْيَاءٍ مِنْ أَحْيَاءِ الْعَرَبِ - ثُمَّ تَرَكَهُ بَعْدَ الرُّكُوعِ . هَذَا قَوْلُ هِشَامٍ وَقَالَ شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَنَتَ شَهْرًا يَلْعَنُ رِعْلاً وَذَكْوَانَ وَلِحْيَانَ .
। মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একমাস পর্যন্ত কুনুত পাঠ করেন। এতে তিনি কয়েকজন লোক কিংবা আরবের কতিপয় গোত্রকে অভিসম্পাত করেন। আর তিনি এ কুনূত রুকুর পর পাঠ করেন। এরপর তা ত্যাগ করেন। অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মাস যাবত কুনুত পাঠ করেন যাতে তিনি রিল, যাকওয়ান ও লিহয়ান গোত্রের উপর অভিসষ্পাত করেন।
। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ফজরের সালাতে শেষ রাকাআতের রুকু থেকে মাথা উঠালেন তখন তিনি তাঁকে ইয়া আল্লাহ! অমুক অমুক ব্যক্তির উপর অভিসম্পাত কর বলে কতিপয় মুনাফিকের উপর বদদোয়া করতে শুনেছেন। এ সময়, আল্লাহ তায়ালা নাযিল করেনঃلَيْسَ لَكَ مِنَ الأَمْرِ شَىْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ তিনি তাদের তাদের উপর আযাব দিবেন অথবা তাদের ক্ষমা করে দিবেন তাতে তোমার করনীয় কিছুই নেই; কারণ তারা জালিম। (আলে ইমরানঃ)
উৎসে উল্লিখিত মান
SahihAbu Ghuddah
SahihAl-Albani
Sahih BukhariZubair Ali Zai
১৫০টির মধ্যে ৫০
১৫০টি বর্ণনা · নম্বর ১০২৯–১১৭৮
আরবি পাঠ, নম্বর, অধ্যায়ের নাম ও মান — সবই একটি উন্মুক্ত ডেটাসেটে (hadith-api) যেমন আছে হুবহু তেমন দেখানো হয়েছে। সাবীল এখনও এর নির্ভুলতা বা স্বত্ব যাচাই করেনি, আর আলেমদের পর্যালোচনাও শুরু হয়নি। ততদিন কোনো বর্ণনার ওপর নির্ভর করার আগে ছাপা সংস্করণের সাথে মিলিয়ে নিন।