নং ৬৩৬৫অধ্যায় ৪৪, নং ১৯৫আরবি ক্রমিক ২৪৭৬.০১
حَدَّثَنِي عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ بَيَانٍ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ بَيَانٍ، عَنْ قَيْسٍ، عَنْ جَرِيرٍ، قَالَ كَانَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ بَيْتٌ يُقَالُ لَهُ ذُو الْخَلَصَةِ وَكَانَ يُقَالُ لَهُ الْكَعْبَةُ الْيَمَانِيَةُ وَالْكَعْبَةُ الشَّامِيَّةُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هَلْ أَنْتَ مُرِيحِي مِنْ ذِي الْخَلَصَةِ وَالْكَعْبَةِ الْيَمَانِيَةِ وَالشَّامِيَّةِ " . فَنَفَرْتُ إِلَيْهِ فِي مِائَةٍ وَخَمْسِينَ مِنْ أَحْمَسَ فَكَسَرْنَاهُ وَقَتَلْنَا مَنْ وَجَدْنَا عِنْدَهُ فَأَتَيْتُهُ فَأَخْبَرْتُهُ - قَالَ - فَدَعَا لَنَا وَلأَحْمَسَ .
আবদুল হামীদ ইবনু বায়ান (রহঃ) ..... জারীর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাহিলী যুগে একটি গৃহ ছিল, যেটিকে যুলখালাসহ বলা হত এবং এটাকে ইয়ামানী কা'বাহ ও শামিয়াহ কাবাও বলা হত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (জারীরকে) বললেন, তুমি কি আমাদের যুলখালাসাহ, ইয়ামানী কাবাহ ও শামিয়্যাহ্ কাবাহ থেকে চিন্তা মুক্ত করতে পারবে? তখন আমি আহমাস সম্প্রদায়ের একশ’ পঞ্চাশজন ব্যক্তি সাথে নিয়ে রওনা হলাম। যুলখালাসাকে ভেঙ্গে দিলাম এবং সেখানে যাদের পেলাম তাদের হত্যা করলাম। তারপর আমি তার নিকট ফিরে এসে তাকে জানালাম। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি আমাদের ও আহমাস সম্প্রদায়ের জন্য দুআ করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৪১, ইসলামিক সেন্টার)
এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।