মূল অংশে যান
সহীহ মুসলিম

অধ্যায় ৩০ · The Book of Judicial Decisions

২৮টি বর্ণনা · নম্বর ৪৪৭০–৪৪৯৭

প্রতিটি বর্ণনার নিচে ডেটাসেটের নিজস্ব অনুবাদ হুবহু দেখানো হয়েছে। এতে অনুবাদকের নাম নেই, এর স্বত্ব যাচাই হয়নি, এবং কেউ এটি আরবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেননি; কিছু বর্ণনার অনুবাদ নেই। মূল পাঠ আরবি।

অনূদিত নববী হাদীসের বিশ্বকোষে (HadeethEnc.com) কোনো বর্ণনার হুবহু পাঠ থাকলে, তার অনুবাদ সেই বর্ণনার নিচে উৎসের নামসহ দেখানো হয়েছে। দুটিকে প্রোগ্রামের সাহায্যে, কেবল আরবি পাঠ দেখে মেলানো হয়েছে: বিশ্বকোষের হাদীসের পুরো পাঠ, তাতে উল্লেখিত সাহাবীর নামসহ, বর্ণনাটির শেষ অংশের সঙ্গে অক্ষরে অক্ষরে এক। এই মিল কেউ যাচাই করেননি, এবং সাবীলের পর্যালোচকেরা অনুবাদটি পরীক্ষা করেননি। মূল পাঠ আরবি।

নং ৪৪৭০অধ্যায় ৩০, নং ১আরবি ক্রমিক ১৭১১.০১
حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَرْحٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لَوْ يُعْطَى النَّاسُ بِدَعْوَاهُمْ لاَدَّعَى نَاسٌ دِمَاءَ رِجَالٍ وَأَمْوَالَهُمْ وَلَكِنَّ الْيَمِينَ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏
আবূ তাহির আহমাদ ইবনু আমর ইবনু সারহ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি লোকের দাবী অনুসারে তাদের দিয়ে দেয়া হতো তবে কোন কোন লোক অপর ব্যক্তির জান-মাল দাবি করে বসতো। তাই বিবাদীর জন্য শপথ নেয়ার বিধান রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩২১, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৭১অধ্যায় ৩০, নং ২আরবি ক্রমিক ১৭১১.০২
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، عَنْ نَافِعِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ ابْنِ، أَبِي مُلَيْكَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَضَى بِالْيَمِينِ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ ‏.‏
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিবাদী থেকে (আল্লাহর নামে) শপথ নেয়ার মাধ্যমে ফায়সালা দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩২২, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৭২অধ্যায় ৩০, নং ৩আরবি ক্রমিক ১৭১২
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا زَيْدٌ، - وَهُوَ ابْنُ حُبَابٍ - حَدَّثَنِي سَيْفُ بْنُ سُلَيْمَانَ، أَخْبَرَنِي قَيْسُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَضَى بِيَمِينٍ وَشَاهِدٍ ‏.‏
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিবাদী থেকে (কসম) শপথ গ্রহণ এবং একজন সাক্ষীর মাধ্যমে মুকদ্দমা নিষ্পত্তি করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩২৩, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৭৩অধ্যায় ৩০, নং ৬আরবি ক্রমিক ১৭১৩.০৩
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ، شِهَابٍ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَمِعَ جَلَبَةَ خَصْمٍ بِبَابِ حُجْرَتِهِ فَخَرَجَ إِلَيْهِمْ فَقَالَ ‏ "‏ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ وَإِنَّهُ يَأْتِينِي الْخَصْمُ فَلَعَلَّ بَعْضَهُمْ أَنْ يَكُونَ أَبْلَغَ مِنْ بَعْضٍ فَأَحْسِبُ أَنَّهُ صَادِقٌ فَأَقْضِي لَهُ فَمَنْ قَضَيْتُ لَهُ بِحَقِّ مُسْلِمٍ فَإِنَّمَا هِيَ قِطْعَةٌ مِنَ النَّارِ فَلْيَحْمِلْهَا أَوْ يَذَرْهَا ‏"‏ ‏.‏
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হুজরার দ্বার প্রান্তে জনৈক ঝগড়াকারীর শোরগোল শুনতে পেলেন। তখন তিনি তাদের কাছে বেরিয়ে এলেন এবং বললেন, আমি তো একজন মানুষ আর আমার কাছে কোন মুকদ্দমা দায়েরকারী আসে। তাদের একজনের চেয়ে অন্যজন খুব ভাল করে কথা বলতে জানে। আমি তখন মনে করি সেই সঠিক, তাতে আমি তার পক্ষে রায় প্রদান করি। আমি যার পক্ষে (অপর) মুসলিমদের হকের ব্যাপারে রায় দেই, তা বস্তুত জাহান্নামের একটি টুকরা। অতএব সে তা গ্রহণ করুক কিংবা ছেড়ে দিক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩২৬, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৭৪অধ্যায় ৩০, নং ৭আরবি ক্রমিক ১৭১৩.০৪
وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، كِلاَهُمَا عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَ حَدِيثِ يُونُسَ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ مَعْمَرٍ قَالَتْ سَمِعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لَجَبَةَ خَصْمٍ بِبَابِ أُمِّ سَلَمَةَ ‏.‏
আমর আন নাকিদ আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) হতে একই সূত্রে ইউনুস (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর মামার (রহঃ) এর হাদীসে جلبة এর পরিবর্তে لَجَبَةَ خَصْمٍ بِبَابِ أُمِّ سَلَمَةَ উল্লেখ রয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক ঝগড়াকারীর শোরগোল উম্মু সালামার (হুজরার) দরজাতে শুনতে পেলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩২৭, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৭৫অধ্যায় ৩০, নং ৪আরবি ক্রমিক ১৭১৩.০১
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّكُمْ تَخْتَصِمُونَ إِلَىَّ وَلَعَلَّ بَعْضَكُمْ أَنْ يَكُونَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِهِ مِنْ بَعْضٍ فَأَقْضِي لَهُ عَلَى نَحْوٍ مِمَّا أَسْمَعُ مِنْهُ فَمَنْ قَطَعْتُ لَهُ مِنْ حَقِّ أَخِيهِ شَيْئًا فَلاَ يَأْخُذْهُ فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَهُ بِهِ قِطْعَةً مِنَ النَّارِ ‏"‏ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামীমী (রহঃ) ..... উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা মুকাদ্দামা নিয়ে আমার কাছে আগমন করে থাক এবং তোমাদের একজন অপরজন অপেক্ষা অধিক বাকপটু হয়ে যুক্তি খাটিয়ে স্বীয় দাবি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা কর। আমি কথা শুনে তার অনুকূলে রায় প্রদান করি। সুতরাং এতে যদি তার ভাইয়ের হকের কিছু তাকে প্রদান করি (বাস্তবে হয়ত এতে তার কোন অধিকারই নেই) তখন তার কর্তব্য হবে তা গ্রহণ না করা। কেননা, এতে যেন আমি তাকে জাহান্নামের এক খণ্ড আগুন প্রদান করলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩২৪, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৭৬অধ্যায় ৩০, নং ৫আরবি ক্রমিক ১৭১৩.০২
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ، نُمَيْرٍ كِلاَهُمَا عَنْ هِشَامٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ ‏.‏
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩২৫, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৭৭অধ্যায় ৩০, নং ৮আরবি ক্রমিক ১৭১৪.০১
حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ دَخَلَتْ هِنْدٌ بِنْتُ عُتْبَةَ امْرَأَةُ أَبِي سُفْيَانَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ شَحِيحٌ لاَ يُعْطِينِي مِنَ النَّفَقَةِ مَا يَكْفِينِي وَيَكْفِي بَنِيَّ إِلاَّ مَا أَخَذْتُ مِنْ مَالِهِ بِغَيْرِ عِلْمِهِ ‏.‏ فَهَلْ عَلَىَّ فِي ذَلِكَ مِنْ جُنَاحٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خُذِي مِنْ مَالِهِ بِالْمَعْرُوفِ مَا يَكْفِيكِ وَيَكْفِي بَنِيكِ ‏"‏ ‏.‏
আলী ইবনু হুজুর সাদী (রহঃ) ...... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, হিন্দা বিনত উতবা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে উপস্থিত হয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আবূ সুফইয়ান একজন কৃপণ ব্যক্তি। তিনি আমার এবং আমার সন্তানদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় করেন না। তবে আমি তাকে না জানিয়েই তার সম্পদ থেকে প্রয়োজনীয় খরচাদি গ্রহণ করে থাকি। এতে কি আমার কোন পাপ হবে? তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তার সম্পদ থেকে ততটুকু গ্রহণ করতে পার, যা তোমার ও তোমার সন্তানদের জন্য যথেষ্ট হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩২৮, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৭৮অধ্যায় ৩০, নং ৯আরবি ক্রমিক ১৭১৪.০২
وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، وَأَبُو كُرَيْبٍ كِلاَهُمَا عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، وَوَكِيعٍ ح وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، أَخْبَرَنَا الضَّحَّاكُ، - يَعْنِي ابْنَ عُثْمَانَ - كُلُّهُمْ عَنْ هِشَامٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, আবূ কুরায়ব, ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) হিশাম (রহঃ) এর সূত্রে উক্ত সানাদে এ হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩২৯, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৭৯অধ্যায় ৩০, নং ১০আরবি ক্রমিক ১৭১৪.০৩
وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ جَاءَتْ هِنْدٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَاللَّهِ مَا كَانَ عَلَى ظَهْرِ الأَرْضِ أَهْلُ خِبَاءٍ أَحَبَّ إِلَىَّ مِنْ أَنْ يُذِلَّهُمُ اللَّهُ مِنْ أَهْلِ خِبَائِكَ وَمَا عَلَى ظَهْرِ الأَرْضِ أَهْلُ خِبَاءٍ أَحَبَّ إِلَىَّ مِنْ أَنْ يُعِزَّهُمُ اللَّهُ مِنْ أَهْلِ خِبَائِكَ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وَأَيْضًا وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ مُمْسِكٌ فَهَلْ عَلَىَّ حَرَجٌ أَنْ أُنْفِقَ عَلَى عِيَالِهِ مِنْ مَالِهِ بِغَيْرِ إِذْنِهِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ حَرَجَ عَلَيْكِ أَنْ تُنْفِقِي عَلَيْهِمْ بِالْمَعْرُوفِ ‏"‏ ‏.‏
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হিন্দা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর কসম, পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে লাঞ্ছিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই ছিল না। আর এখন পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার পরিজনকে সম্মানিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই নেই। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে মহান আল্লাহর শপথ! যার হাতে আমার প্রাণ, তা আরো বাড়বে। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আবূ সুফইয়ান একজন কৃপণ স্বভাবের লোক। তবে আমি যদি তার বিনা অনুমতিতে তার সন্তান-সন্ততির জন্য তার সম্পদ থেকে খরচ করি, এতে কি আমার কোন অন্যায় হবে? তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাদের জন্য তুমি যথাবিধি খরচ করলে কোন দোষ হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৩০, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৮০অধ্যায় ৩০, নং ১১আরবি ক্রমিক ১৭১৪.০৪
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَخِي الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَمِّهِ، أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، قَالَتْ جَاءَتْ هِنْدٌ بِنْتُ عُتْبَةَ بْنِ رَبِيعَةَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَاللَّهِ مَا كَانَ عَلَى ظَهْرِ الأَرْضِ خِبَاءٌ أَحَبَّ إِلَىَّ مِنْ أَنْ يَذِلُّوا مِنْ أَهْلِ خِبَائِكَ وَمَا أَصْبَحَ الْيَوْمَ عَلَى ظَهْرِ الأَرْضِ خِبَاءٌ أَحَبَّ إِلَىَّ مِنْ أَنْ يَعِزُّوا مِنْ أَهْلِ خِبَائِكَ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وَأَيْضًا وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ مِسِّيكٌ فَهَلْ عَلَىَّ حَرَجٌ مِنْ أَنْ أُطْعِمَ مِنَ الَّذِي لَهُ عِيَالَنَا فَقَالَ لَهَا ‏"‏ لاَ إِلاَّ بِالْمَعْرُوفِ ‏"‏ ‏.‏
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হিন্দা বিনত উতবা ইনু রবী'য়াহ, এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! (মুসলিম হওয়ার পূর্বে) পৃথিবীর মধ্যে অন্যকোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে লাঞ্ছিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই ছিল না। আর আজ (মুসলিম হওয়ার পর) পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে সম্মানিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই নেই। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে মহান আল্লাহর কসম যার হাতে আমার জীবন, তা আরো বৃদ্ধি পাবে। তারপর হিন্দা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আবূ সুফইয়ান একজন বড় কৃপণ স্বভাবের লোক। এমতাবস্থায় আমি যদি আমাদের সন্তানাদির খাবার (তারই অজান্তে) তার সম্পদ থেকে প্রদান করি তবে কি এতে আমার কোন দোষ হবে? তিনি বললেন, না। তবে তা যথাবিধি হতে হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৩১, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৮১অধ্যায় ৩০, নং ১২আরবি ক্রমিক ১৭১৫.০১
حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ يَرْضَى لَكُمْ ثَلاَثًا وَيَكْرَهُ لَكُمْ ثَلاَثًا فَيَرْضَى لَكُمْ أَنْ تَعْبُدُوهُ وَلاَ تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا وَأَنْ تَعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلاَ تَفَرَّقُوا وَيَكْرَهُ لَكُمْ قِيلَ وَقَالَ وَكَثْرَةَ السُّؤَالِ وَإِضَاعَةَ الْمَالِ ‏"‏ ‏.‏
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহ তা’আলা তিনটি কাজ পছন্দ করেন এবং তিনটি কাজ অপছন্দ করেন। তোমাদের জন্য তিনি যা পছন্দ করেন, তা হল: ১. তোমরা তারই ইবাদাত করবে, ২. তার সঙ্গে কিছুই শরীক করবে না এবং ৩. তোমরা সম্মিলিতভাবে আল্লাহর রজ্জু মজবুতভাবে ধারণ করবে ও পরস্পর বিচ্ছিন্ন হবে না। আর যে সকল বিষয় তিনি তোমাদের জন্য অপছন্দ করেন: ১. নিরর্থক কথাবার্তা বলা, ২. অধিক প্রশ্ন করা এবং ৩. সম্পদ বিনষ্ট করা”।

অনুবাদ: HadeethEnc.comএর ব্যাখ্যা

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৮২অধ্যায় ৩০, নং ১৩আরবি ক্রমিক ১৭১৫.০২
وَحَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ سُهَيْلٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ مِثْلَهُ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ وَيَسْخَطُ لَكُمْ ثَلاَثًا ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرْ وَلاَ تَفَرَّقُوا ‏.‏
শাইবান ইবনু ফাররুখ (রহঃ) ..... সুহায়ল (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি বলেছেনঃ “এবং তিনি তোমাদের প্রতি তিনটি কাজে রাগাম্বিত হন”। “এবং তোমরা পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না” বাক্যটি তিনি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৩৩, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৮৩অধ্যায় ৩০, নং ১৪আরবি ক্রমিক ৫৯৩.০৬
وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ وَرَّادٍ، مَوْلَى الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ حَرَّمَ عَلَيْكُمْ عُقُوقَ الأُمَّهَاتِ وَوَأْدَ الْبَنَاتِ وَمَنْعًا وَهَاتِ وَكَرِهَ لَكُمْ ثَلاَثًا قِيلَ وَقَالَ وَكَثْرَةَ السُّؤَالِ وَإِضَاعَةَ الْمَالِ ‏"‏ ‏.‏
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হানযালী (রহঃ) ..... মুগীরাহ ইবনু শুবাহ হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর হারাম করেছেন মায়েদের অবাধ্য হওয়া, জীবন্ত কন্যা সন্তানকে মাটিতে পুঁতে ফেলা এবং অন্যের হক আদায় না করা এবং না-হক কোন বস্তু প্রার্থনা করা। আর তিনটি বিষয় তিনি তোমাদের জন্য অপছন্দ করেন। তা হলঃ ১. নিরর্থক কথা-বার্তা বলা, ২. অধিক প্রশ্ন করা এবং ৩. সম্পদ বিনষ্ট করা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৩৪, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৮৪অধ্যায় ৩০, নং ১৫আরবি ক্রমিক ৫৯৩.০৭
وَحَدَّثَنِي الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّاءَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ شَيْبَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ مِثْلَهُ ‏.‏ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ وَحَرَّمَ عَلَيْكُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَلَمْ يَقُلْ إِنَّ اللَّهَ حَرَّمَ عَلَيْكُمْ ‏.‏
কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ) ..... মানসূর (রহঃ) হতে উক্ত সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি "নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর হারাম করেছেন" স্থলে বলেছেন "রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের উপর হারাম করেছেন"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৩৫, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৮৫অধ্যায় ৩০, নং ১৬আরবি ক্রমিক ৫৯৩.০৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، حَدَّثَنِي ابْنُ أَشْوَعَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، حَدَّثَنِي كَاتِبُ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ كَتَبَ مُعَاوِيَةُ إِلَى الْمُغِيرَةِ اكْتُبْ إِلَىَّ بِشَىْءٍ سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَكَتَبَ إِلَيْهِ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ كَرِهَ لَكُمْ ثَلاَثًا قِيلَ وَقَالَ وَإِضَاعَةَ الْمَالِ وَكَثْرَةَ السُّؤَالِ ‏"‏ ‏.‏
আবূ বাকুর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... শাবি (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুগীরাহ ইবনু শুবাহ (রাযিঃ) এর লেখক আমাকে বলেছেন যে, মুআবিয়াহ্ (রাযিঃ) মুগীরাহ (রাযিঃ) এর কাছে পত্র লিখলেন, আপনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছেন, এমন কিছু বিষয় আমাকে লিখে অবহিত করুন। তখন তিনি তাকে লিখলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা তোমাদের জন্য তিনটি কাজ অপছন্দ করেনঃ ১. অনর্থক কথাবার্তা বলা, ২. সম্পদ বিনষ্ট করা এবং ৩. বেশী বেশী প্রশ্ন করা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৩৬, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৮৬অধ্যায় ৩০, নং ১৭আরবি ক্রমিক ৫৯৩.০৯
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْفَزَارِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُوقَةَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ الثَّقَفِيُّ، عَنْ وَرَّادٍ، قَالَ كَتَبَ الْمُغِيرَةُ إِلَى مُعَاوِيَةَ سَلاَمٌ عَلَيْكَ أَمَّا بَعْدُ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ حَرَّمَ ثَلاَثًا وَنَهَى عَنْ ثَلاَثٍ حَرَّمَ عُقُوقَ الْوَالِدِ وَوَأْدَ الْبَنَاتِ وَلاَ وَهَاتِ ‏.‏ وَنَهَى عَنْ ثَلاَثٍ قِيلٍ وَقَالٍ وَكَثْرَةِ السُّؤَالِ وَإِضَاعَةِ الْمَالِ ‏"‏ ‏.‏
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... ওয়াররাদ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুগীরাহ্ (রাযিঃ) মুআবিয়াহ্ (রাযিঃ) এর নিকট পত্র লিখলেনঃ “আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা তিনটি বিষয় হারাম করেছেন এবং তিনটি কাজ নিষিদ্ধ করেছেন। তিনি হারাম করেছেন। পিতা-মাতার নাফরমানী, জীবন্ত কন্যা সন্তানকে মাটিতে পুঁতে রাখা এবং পাওনাদারের হক আদায় না করা। আর তিনি তিনটি কাজ নিষিদ্ধ করেছেন, তা হলোঃ ১. অনর্থক কথাবার্তা বলা, ২. অতিরিক্ত প্রশ্ন করা এবং ৩, ধন-সম্পদ বিনষ্ট করা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৩৭, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৮৭অধ্যায় ৩০, নং ১৮আরবি ক্রমিক ১৭১৬.০১
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ، اللَّهِ بْنِ أُسَامَةَ بْنِ الْهَادِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي قَيْسٍ، مَوْلَى عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا حَكَمَ الْحَاكِمُ فَاجْتَهَدَ ثُمَّ أَصَابَ فَلَهُ أَجْرَانِ ‏.‏ وَإِذَا حَكَمَ فَاجْتَهَدَ ثُمَّ أَخْطَأَ فَلَهُ أَجْرٌ ‏"‏ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামিমী (রহঃ) ..... আমর ইবনু আস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, যদি কোন বিচারক যথাযথ চিন্তা-গবেষণার পর সমাধান প্রদান করেন, অতঃপর তিনি সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছেন, তার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ পুরস্কার। আর যদি তিনি চিন্তা-গবেষণা করে রায় প্রদান করেন তারপরও তিনি ভুল করেন, তবুও তার জন্য রয়েছে একটি পুরস্কার।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৩৮, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৮৮অধ্যায় ৩০, নং ১৯আরবি ক্রমিক ১৭১৬.০২
وَحَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عُمَرَ، كِلاَهُمَا عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ، مُحَمَّدٍ بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ وَزَادَ فِي عَقِبِ الْحَدِيثِ قَالَ يَزِيدُ فَحَدَّثْتُ هَذَا الْحَدِيثَ أَبَا بَكْرِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ فَقَالَ هَكَذَا حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু আবূ উমর (রহঃ) আবদুল আযীয ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) এর সূত্রে উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং হাদীসের শেষাংশে অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন, রাবী ইযাযীদ বলেন, আমি হাদীসটি আবূ বকর ইবনু আমর ইবনু হাযম (রহঃ) এর কাছে বর্ণনা করলে তিনি বললেন যে, আমার কাছে আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে আবূ সালামাহ্ (রহঃ) এরূপ বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৩৯, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৮৯অধ্যায় ৩০, নং ২০আরবি ক্রমিক ১৭১৬.০৩
وَحَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارِمِيُّ، أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ، - يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ الدِّمَشْقِيَّ - حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُسَامَةَ بْنِ الْهَادِ اللَّيْثِيُّ، بِهَذَا الْحَدِيثِ مِثْلَ رِوَايَةِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ بِالإِسْنَادَيْنِ جَمِيعًا ‏.‏
আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান দারিমী..... ইয়াযীদ ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) এর সূত্রে হাদীসটি উভয় সূত্রে আবদুল আযীয ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) এর বর্ণিত রিওয়ায়াতের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৪০, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৯০অধ্যায় ৩০, নং ২১আরবি ক্রমিক ১৭১৭.০১
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، بْنِ أَبِي بَكْرَةَ ‏.‏ قَالَ كَتَبَ أَبِي - وَكَتَبْتُ لَهُ - إِلَى عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ وَهُوَ قَاضٍ بِسِجِسْتَانَ أَنْ لاَ، تَحْكُمَ بَيْنَ اثْنَيْنِ وَأَنْتَ غَضْبَانُ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ لاَ يَحْكُمْ أَحَدٌ بَيْنَ اثْنَيْنِ وَهُوَ غَضْبَانُ ‏"‏ ‏.‏
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকরাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমার পিতা আমাকে একটি পত্র লেখালেন। তখন আমি সিজিস্তানের বিচারক আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকরাহ্ (রহঃ) কে লিখলাম যে, আপনি রাগান্বিত অবস্থায় দু'জনের মধ্যে বিচার ফায়সালা দেবেন না। কেননা আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, কোন বিচারক যেন রাগান্বিত অবস্থায় দু'জনের মধ্যে বিচার না করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৪১, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৯১অধ্যায় ৩০, নং ২২আরবি ক্রমিক ১৭১৭.০২
وَحَدَّثَنَاهُ يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، ح وَحَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ، بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي كِلاَهُمَا، عَنْ شُعْبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ، كُلُّ هَؤُلاَءِ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِ أَبِي عَوَانَةَ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, শাইবান ইবনু ফাররূখ, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না, উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ বাকরাহ্ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আবূ ‘আওয়ানাহ্ (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৪২, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৯২অধ্যায় ৩০, নং ২৩আরবি ক্রমিক ১৭১৮.০১
حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَوْنٍ الْهِلاَلِيُّ جَمِيعًا عَنْ إِبْرَاهِيمَ، بْنِ سَعْدٍ قَالَ ابْنُ الصَّبَّاحِ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ مِنْهُ فَهُوَ رَدٌّ ‏"‏ ‏.‏
আবূ জাফার মুহাম্মাদ ইবনু সাব্বাহ ও আবদুল্লাহ ইবনু আওন হিলালী (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের ধর্মীয় কাজের বিষয়ে এমন বিষয় উদ্ভাবন করে যা তাতে নেই (দলীলবিহীন), তা পরিত্যাজ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৪৩, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৯৩অধ্যায় ৩০, নং ২৪আরবি ক্রমিক ১৭১৮.০২
وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَامِرٍ، قَالَ عَبْدٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ الزُّهْرِيُّ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ سَأَلْتُ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ عَنْ رَجُلٍ، لَهُ ثَلاَثَةُ مَسَاكِنَ فَأَوْصَى بِثُلُثِ كُلِّ مَسْكَنٍ مِنْهَا قَالَ يُجْمَعُ ذَلِكَ كُلُّهُ فِي مَسْكَنٍ وَاحِدٍ ثُمَّ قَالَ أَخْبَرَتْنِي عَائِشَةُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ عَمِلَ عَمَلاً لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ ‏"‏ ‏.‏
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও 'আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... সা'দ ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, যার তিনটি বাসস্থান ছিল। অতঃপর সে (মৃত্যুকালে) প্রত্যেক বাসস্থানের এক তৃতীয়াংশ দান করার ওয়াসিয়্যাত করে যায়। কাসিম বললেন, এ সকল অংশকে এক বাসস্থানে একত্রিত করা হবে। এরপর তিনি বললেন, আমাকে আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এমন কোন কর্ম করলো যাতে আমাদের নির্দেশনা নেই, তা প্রত্যাখ্যাত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৪৪, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৯৪অধ্যায় ৩০, নং ২৫আরবি ক্রমিক ১৭১৯
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ، عَنِ ابْنِ أَبِي عَمْرَةَ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ، الْجُهَنِيِّ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ أَلاَ أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ الشُّهَدَاءِ الَّذِي يَأْتِي بِشَهَادَتِهِ قَبْلَ أَنْ يُسْأَلَهَا ‏"‏ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কি আমি উত্তম সাক্ষীদের সম্পর্কে জানাবো না? উত্তম সাক্ষী হল সে ব্যক্তি, যে সাক্ষ্য প্রদান করে, তাকে সাক্ষ্যের জন্য আহবানের আগেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৪৫, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৯৫অধ্যায় ৩০, নং ২৬আরবি ক্রমিক ১৭২০.০১
حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنِي شَبَابَةُ، حَدَّثَنِي وَرْقَاءُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ بَيْنَمَا امْرَأَتَانِ مَعَهُمَا ابْنَاهُمَا جَاءَ الذِّئْبُ فَذَهَبَ بِابْنِ إِحْدَاهُمَا ‏.‏ فَقَالَتْ هَذِهِ لِصَاحِبَتِهَا إِنَّمَا ذَهَبَ بِابْنِكِ أَنْتِ ‏.‏ وَقَالَتِ الأُخْرَى إِنَّمَا ذَهَبَ بِابْنِكِ ‏.‏ فَتَحَاكَمَتَا إِلَى دَاوُدَ فَقَضَى بِهِ لِلْكُبْرَى فَخَرَجَتَا عَلَى سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ عَلَيْهِمَا السَّلاَمُ فَأَخْبَرَتَاهُ فَقَالَ ائْتُونِي بِالسِّكِّينِ أَشُقُّهُ بَيْنَكُمَا ‏.‏ فَقَالَتِ الصُّغْرَى لاَ يَرْحَمُكَ اللَّهُ هُوَ ابْنُهَا ‏.‏ فَقَضَى بِهِ لِلصُّغْرَى ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ وَاللَّهِ إِنْ سَمِعْتُ بِالسِّكِّينِ قَطُّ إِلاَّ يَوْمَئِذٍ مَا كُنَّا نَقُولُ إِلاَّ الْمُدْيَةَ ‏.‏
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একদা দু'জন মহিলা তাদের নিজ নিজ ছেলে নিয়ে যাচ্ছিল। এমন সময় এক বাঘ এসে তাদের একজনের ছেলেকে নিয়ে যায়। তখন তাদের একজন তার সঙ্গীনীকে বলল, তোমার ছেলেকে বাঘে নিয়েছে। আর দ্বিতীয়া জন বলল, বরং তোমার ছেলেকে বাঘে নিয়েছে। এ নিয়ে উভয়ে দাউদ (আঃ) এর নিকট নালিশ নিয়ে গেল। তিনি বয়সে বড় মহিলার পক্ষে সন্তানের রায় দিলেন। তখন উভয়ে বেরিয়ে সুলাইমান ইবনু দাউদ (আঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে সে ঘটনা বলল। তিনি বললেন, তোমরা আমার কাছে একটি ছুরি নিয়ে এসো, আমি সন্তানটিকে কেটে উভয়ের মাঝে ভাগ করে দেবো। তখন বয়সে ছোট মহিলাটি বলল, না, আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন। (আমি মেনে নিলাম)। ছেলেটি ঐ মহিলারই। তখন তিনি ছোট মহিলার পক্ষে ছেলে প্রদানের রায় দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি ইতোপূর্বে سكينِ 'ছুরি শব্দটি সেদিন ব্যতীত আর কখনও শুনিনি। আমরা তাকে مُدْيَةَ বলতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৪৬, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৯৬অধ্যায় ৩০, নং ২৭আরবি ক্রমিক ১৭২০.০২
وَحَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنِي حَفْصٌ، - يَعْنِي ابْنَ مَيْسَرَةَ الصَّنْعَانِيَّ - عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أُمَيَّةُ بْنُ بِسْطَامَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا رَوْحٌ، - وَهُوَ ابْنُ الْقَاسِمِ - عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ، جَمِيعًا عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَ مَعْنَى حَدِيثِ وَرْقَاءَ ‏.‏
সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ ও উমাইয়াহ ইবনু বিস্তাম (রহঃ) ..... আবূ যিনাদ (রহঃ) হতে এ সূত্রে ওয়ারকা (রাযিঃ) এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৪৭, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

নং ৪৪৯৭অধ্যায় ৩০, নং ২৮আরবি ক্রমিক ১৭২১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ أَحَادِيثَ مِنْهَا وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اشْتَرَى رَجُلٌ مِنْ رَجُلٍ عَقَارًا لَهُ فَوَجَدَ الرَّجُلُ الَّذِي اشْتَرَى الْعَقَارَ فِي عَقَارِهِ جَرَّةً فِيهَا ذَهَبٌ فَقَالَ لَهُ الَّذِي اشْتَرَى الْعَقَارَ خُذْ ذَهَبَكَ مِنِّي إِنَّمَا اشْتَرَيْتُ مِنْكَ الأَرْضَ وَلَمْ أَبْتَعْ مِنْكَ الذَّهَبَ ‏.‏ فَقَالَ الَّذِي شَرَى الأَرْضَ إِنَّمَا بِعْتُكَ الأَرْضَ وَمَا فِيهَا - قَالَ - فَتَحَاكَمَا إِلَى رَجُلٍ فَقَالَ الَّذِي تَحَاكَمَا إِلَيْهِ أَلَكُمَا وَلَدٌ فَقَالَ أَحَدُهُمَا لِي غُلاَمٌ وَقَالَ الآخَرُ لِي جَارِيَةٌ ‏.‏ قَالَ أَنْكِحُوا الْغُلاَمَ الْجَارِيَةَ وَأَنْفِقُوا عَلَى أَنْفُسِكُمَا مِنْهُ وَتَصَدَّقَا ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... মা'মারের মাধ্যমে হাম্মাম ইবনু মুনব্বিহ (রহঃ) হতে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) যে সকল হাদীস আমাদের বর্ণনা করেছেন তার মধ্যে একটি এই যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির নিকট থেকে এক খণ্ড জমি ক্রয় করে। যে ব্যক্তি জমি ক্রয় করেছিল সে তার কেনা সম্পত্তিতে একটি কলসী পেল। তাতে স্বর্ণ ছিল। যে ব্যক্তি জমিটি ক্রয় করেছিল সে বিক্রেতাকে বলল, তুমি আমার কাছ থেকে তোমার স্বর্ণ বুঝে নাও। আমি তো তোমার কাছে থেকে জমি ক্রয় করেছি, স্বর্ণ ক্রয় করিনি। তখন যে ব্যক্তি সম্পত্তি বিক্রি করেছিল সে বলল, আমি তো তোমার কাছে জমি এবং জমির মধ্যে যা কিছু আছে সবই বিক্রি করেছি। তিনি বলেন, তারপর উভয়েই এক ব্যক্তির কাছে গিয়ে এর ফায়সালা চাইল। তখন সে বলল, তোমাদের কি কোন সন্তান আছে? তাদের একজন বলল যে, আমার একটি ছেলে আছে এবং অপর জন বলল, আমার একটি মেয়ে আছে। তখন তিনি বললেন, তোমার ছেলেটিকে (তার) মেয়েটির সঙ্গে বিয়ে দাও এবং এ উপলক্ষে তোমরা তোমাদের উপর তা ব্যয় কর এবং এ থেকে সদাকাহও কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৪৮, ইসলামিক সেন্টার)

এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।

আরবি পাঠ, নম্বর, অধ্যায়ের নাম ও মান — সবই একটি উন্মুক্ত ডেটাসেটে (hadith-api) যেমন আছে হুবহু তেমন দেখানো হয়েছে। সাবীল এখনও এর নির্ভুলতা বা স্বত্ব যাচাই করেনি, আর আলেমদের পর্যালোচনাও শুরু হয়নি। ততদিন কোনো বর্ণনার ওপর নির্ভর করার আগে ছাপা সংস্করণের সাথে মিলিয়ে নিন।