প্রতিটি বর্ণনার নিচে ডেটাসেটের নিজস্ব অনুবাদ হুবহু দেখানো হয়েছে। এতে অনুবাদকের নাম নেই, এর স্বত্ব যাচাই হয়নি, এবং কেউ এটি আরবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেননি; কিছু বর্ণনার অনুবাদ নেই। মূল পাঠ আরবি।
অনূদিত নববী হাদীসের বিশ্বকোষে (HadeethEnc.com) কোনো বর্ণনার হুবহু পাঠ থাকলে, তার অনুবাদ সেই বর্ণনার নিচে উৎসের নামসহ দেখানো হয়েছে। দুটিকে প্রোগ্রামের সাহায্যে, কেবল আরবি পাঠ দেখে মেলানো হয়েছে: বিশ্বকোষের হাদীসের পুরো পাঠ, তাতে উল্লেখিত সাহাবীর নামসহ, বর্ণনাটির শেষ অংশের সঙ্গে অক্ষরে অক্ষরে এক। এই মিল কেউ যাচাই করেননি, এবং সাবীলের পর্যালোচকেরা অনুবাদটি পরীক্ষা করেননি। মূল পাঠ আরবি।
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - أَنَّ رَجُلاً، سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا يَلْبَسُ الْمُحْرِمُ مِنَ الثِّيَابِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَلْبَسُوا الْقُمُصَ وَلاَ الْعَمَائِمَ وَلاَ السَّرَاوِيلاَتِ وَلاَ الْبَرَانِسَ وَلاَ الْخِفَافَ إِلاَّ أَحَدٌ لاَ يَجِدُ النَّعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسِ الْخُفَّيْنِ وَلْيَقْطَعْهُمَا أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ وَلاَ تَلْبَسُوا مِنَ الثِّيَابِ شَيْئًا مَسَّهُ الزَّعْفَرَانُ وَلاَ الْوَرْسُ " .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জানতে চাইল যে, মুহরিম ব্যক্তি কী ধরনের পোশাক পরবে? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, মুহরম ব্যক্তি জামা, পাগড়ী, পায়জামা, টুপি ও মোজা পরিধান করতে পারবে না। তবে কোন ব্যক্তি চপ্পলের অভাবে মোজা পরিধান করলে তাকে পায়ের গোছার নীচ বরাবর মোজার উপরিভাগ কেটে ফেলতে হবে। তোমরা এমন কাপড় পরিধান কর না যা জাফরান বা ওয়ারস এর রংয়ে রঞ্জিত করা হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৫৮, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আমর আন্ নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... সালিম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হল যে, মুহরিম ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় কী পরিধান করবে? তিনি বললেন, মুহরিম ব্যক্তি জামা, পাগড়ী, টুপী, পায়জামা, জাফরান বা ওয়ারস দ্বারা রঞ্জিত কাপড় এবং মোজা পরিধান করবে না। কিন্তু তার চপ্পল না থাকলে সে পায়ের গোছার নিম্নাংশ বরাবর মোজার উপরিভাগ কেটে ফেলে তা পরিধান করতে পারবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৫৯, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহরিম ব্যক্তিকে জাফরান বা ওয়ারস দ্বারা রঞ্জিত কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, কারও চপ্পল না থাকলে সে মোজা পরিধান করবে এবং পায়ের গোছার নীচ বরাবর এর উপরিভাগ কেটে ফেলবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৬০, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ রবী' আয যাহরানী ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তার ভাষণে বলতে শুনেছি, মুহরিম ব্যক্তির কাপড় না থাকলে সে পায়জামা পরতে পারবে এবং তার চপ্পল না থাকলে সে মোজা পরতে পারবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৬১, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ يَعْنِي ابْنَ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنِي أَبُو غَسَّانَ الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، قَالاَ جَمِيعًا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ بِعَرَفَاتٍ . فَذَكَرَ هَذَا الْحَدِيثَ .
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ও আবূ গাসসান আর রাযী (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আমর ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে এ সানাদ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আরাফাতের ময়দানে ভাষণ দিতে শুনেছেন- এরপর তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৬২, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ কুরায়ব, আলী ইবনু খাশরম ও আলী ইবনু হুজুর (রাহিমাহমুল্লাহ) সকলেই আমর ইবনু দীনারের সূত্রে এ সনদে পূর্বোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু শুবাহ ছাড়া তাদের কারও বর্ণনায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম "আরাফাতে ভাষণ দিয়েছেন" কথার উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৬৩, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، - رضى الله عنه - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ لَمْ يَجِدْ نَعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسْ خُفَّيْنِ وَمَنْ لَمْ يَجِدْ إِزَارًا فَلْيَلْبَسْ سَرَاوِيلَ " .
আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার কাপড় নেই সে পায়জামা পরিধান করতে পারে, আর যার চপ্পল নেই সে মোজা পরতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৬৪, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ صَفْوَانَ، بْنِ يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ عَنْ أَبِيهِ، - رضى الله عنه - قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ بِالْجِعْرَانَةِ عَلَيْهِ جُبَّةٌ وَعَلَيْهَا خَلُوقٌ - أَوْ قَالَ أَثَرُ صُفْرَةٍ - فَقَالَ كَيْفَ تَأْمُرُنِي أَنْ أَصْنَعَ فِي عُمْرَتِي قَالَ وَأُنْزِلَ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الْوَحْىُ فَسُتِرَ بِثَوْبٍ وَكَانَ يَعْلَى يَقُولُ وَدِدْتُ أَنِّي أَرَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ نَزَلَ عَلَيْهِ الْوَحْىُ - قَالَ - فَقَالَ أَيَسُرُّكَ أَنْ تَنْظُرَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ أُنْزِلَ عَلَيْهِ الْوَحْىُ قَالَ فَرَفَعَ عُمَرُ طَرَفَ الثَّوْبِ فَنَظَرْتُ إِلَيْهِ لَهُ غَطِيطٌ - قَالَ وَأَحْسِبُهُ قَالَ - كَغَطِيطِ الْبَكْرِ - قَالَ - فَلَمَّا سُرِّيَ عَنْهُ قَالَ " أَيْنَ السَّائِلُ عَنِ الْعُمْرَةِ اغْسِلْ عَنْكَ أَثَرَ الصُّفْرَةِ - أَوْ قَالَ أَثَرَ الْخَلُوقِ - وَاخْلَعْ عَنْكَ جُبَّتَكَ وَاصْنَعْ فِي عُمْرَتِكَ مَا أَنْتَ صَانِعٌ فِي حَجِّكَ " .
শায়বান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... সাফওয়ান ইবনু ইয়া'লা ইবনু উমাইয়্যাহ (রাযিঃ) তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি সুগন্ধিযুক্ত অথবা বলেন, হলুদ রং এর চিহ্নযুক্ত জুব্বা পরিহিত অবস্থায় জিরানাহ নামক স্থানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, “উমরাহ পালনের সময় আপনি আমাকে কী করার নির্দেশ দেন? এ সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর ওয়াহী নাযিল হচ্ছিল এবং তিনি একটি কাপড় আচ্ছাদিত অবস্থায় ছিলেন। ইয়া'লা (রাযিঃ) বলতেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর ওয়াহী নাযিল হওয়া অবস্থায় যদি আমি তাকে দেখতে পেতাম। তখন উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) বললেন, ওয়াহী নাযিল হওয়ার মুহুর্তে তুমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখে খুশি হবে কি? ইয়া'লা (রাযিঃ) বলেন, এরপর উমর (রাযিঃ) কাপড়ের এক কোণ উন্মুক্ত করলেন এবং আমি তার দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলাম যে, তার মুখ দিয়ে উঠতি বয়সের উটের আওয়াজের মতো আওয়াজ বের হচ্ছে। যখন তার এ অবস্থা কেটে গেল, তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, উমরাহ সম্বন্ধে প্রশ্নকারী কোথায়? তিনি বললেন, তোমার দেহ থেকে হলুদ রং ধুয়ে ফেল, অথবা বললেন, সুগন্ধির চিহ্ন। তোমার জুব্বাহ খুলে ফেল। অতঃপর তুমি হাজ্জে (হজ্জে/হজে)র ইহরামে থাকলে যা করতে, উমরার জন্য তাই কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৬৫, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ، يَعْلَى عَنْ أَبِيهِ، قَالَ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَجُلٌ وَهُوَ بِالْجِعْرَانَةِ وَأَنَا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَعَلَيْهِ مُقَطَّعَاتٌ - يَعْنِي جُبَّةً - وَهُوَ مُتَضَمِّخٌ بِالْخَلُوقِ فَقَالَ إِنِّي أَحْرَمْتُ بِالْعُمْرَةِ وَعَلَىَّ هَذَا وَأَنَا مُتَضَمِّخٌ بِالْخَلُوقِ . فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " مَا كُنْتَ صَانِعًا فِي حَجِّكَ " . قَالَ أَنْزِعُ عَنِّي هَذِهِ الثِّيَابَ وَأَغْسِلُ عَنِّي هَذَا الْخَلُوقَ . فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " مَا كُنْتَ صَانِعًا فِي حَجِّكَ فَاصْنَعْهُ فِي عُمْرَتِكَ " .
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... ইয়া'লা ইবনু উমায়্যাহ (রাযিঃ) বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলো। তখন তিনি জিরানাহ নামক স্থানে ছিলেন এবং আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছেই ছিলাম। লোকটি (খালূক্ জাতীয়) সুগন্ধিযুক্ত একটি জুব্বাহ পরিহিত ছিল। সে বলল, আমি উমরার ইহরাম বেঁধেছি এবং আমার পরিধানে এ জুব্বাহ রয়েছে এবং আমি খালূক্ জাতীয় সুগন্ধি ব্যবহার করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি হাজের (হজ্জের/হজের) ইহরামে থাকলে কী করতে? সে বলল, আমি নিজের এ পরিধেয় খুলে এবং নিজের দেহ থেকে এ সুগন্ধি ধুয়ে ফেলতাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি হাজ্জে (হজ্জে/হজে)র ইহরামে থাকলে যা করতে, উমরার জন্য তাই কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৬৬, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، ح وَحَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - أَخْبَرَنَا عِيسَى، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ، أَنَّ صَفْوَانَ بْنَ يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ، أَخْبَرَهُ أَنَّ يَعْلَى كَانَ يَقُولُ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ - رضى الله عنه - لَيْتَنِي أَرَى نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ يُنْزَلُ عَلَيْهِ . فَلَمَّا كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِالْجِعْرَانَةِ وَعَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثَوْبٌ قَدْ أُظِلَّ بِهِ عَلَيْهِ مَعَهُ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِهِ فِيهِمْ عُمَرُ إِذْ جَاءَهُ رَجُلٌ عَلَيْهِ جُبَّةُ صُوفٍ مُتَضَمِّخٌ بِطِيبٍ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ تَرَى فِي رَجُلٍ أَحْرَمَ بِعُمْرَةٍ فِي جُبَّةٍ بَعْدَ مَا تَضَمَّخَ بِطِيبٍ فَنَظَرَ إِلَيْهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم سَاعَةً ثُمَّ سَكَتَ فَجَاءَهُ الْوَحْىُ فَأَشَارَ عُمَرُ بِيَدِهِ إِلَى يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ تَعَالَ . فَجَاءَ يَعْلَى فَأَدْخَلَ رَأْسَهُ فَإِذَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مُحْمَرُّ الْوَجْهِ يَغِطُّ سَاعَةً ثُمَّ سُرِّيَ عَنْهُ فَقَالَ " أَيْنَ الَّذِي سَأَلَنِي عَنِ الْعُمْرَةِ آنِفًا " . فَالْتُمِسَ الرَّجُلُ فَجِيءَ بِهِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَمَّا الطِّيبُ الَّذِي بِكَ فَاغْسِلْهُ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ وَأَمَّا الْجُبَّةُ فَانْزِعْهَا ثُمَّ اصْنَعْ فِي عُمْرَتِكَ مَا تَصْنَعُ فِي حَجِّكَ " .
যুহায়র ইবনু হারব, আবদ ইবনু হুমায়দ ও আলী ইবনু খাশরম (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... ইয়া'লা ইবনু উমাইয়্যাহ (রাযিঃ) উমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) কে বলতেন, আহা! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর যখন ওয়াহী নাযিল হয়, আমি যদি সে অবস্থায় তাকে দেখতে পেতাম! একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিরানায় অবস্থান করছিলেন এবং একটি কাপড়ের সাহায্যে তার উপর ছায়া বিস্তার করা হয়েছিল। তার সঙ্গে তার কিছু সংখ্যক সাহাবাও ছিলেন- যাদের মধ্যে উমর (রাযিঃ)-ও ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি সুগন্ধিযুক্ত জুব্বাহ পরিহিত অবস্থায় তার নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! এক ব্যক্তি জুব্বায় সুগন্ধি মেখে তা পরিহিত অবস্থায় উমরার ইহরাম বেঁধেছে, তার সম্পর্কে আপনার কী অভিমত? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলেন, অতঃপর নীরব রইলেন। এ সময় তার উপর ওয়াহী আসল। উমার (রাযিঃ) হাতের ইশারায় ইয়া'লা ইবনু উমাইয়্যাহ (রাযিঃ) কে বললেন, এদিকে আসো। ইয়া'লা (রাযিঃ) এসে নিজের মাথা (কাপড়ের মধ্যে) ঢুকিয়ে দিলেন (এবং দেখলেন) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেহারা লাল বর্ণ ধারণ করেছে এবং তার মুখ দিয়ে আওয়াজ বেরুচ্ছে। অতঃপর এ অবস্থা দূরীভূত হল এবং তিনি বললেন, এই মাত্র যে ব্যক্তি আমার নিকট উমরাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছিল- সে কোথায়? লোকটিকে খুঁজে এনে তার নিকট উপস্থিত করা হল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমার সুগন্ধি তিনবার ধুয়ে ফেল এবং জুব্বাহ খুলে ফেল। অতঃপর যে নিয়মে হাজ্জ (হজ্জ/হজ) কর, ঠিক সে নিয়মে 'উমরাহ কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৬৭, ইসলামীক সেন্টার)
উকবাহ ইবনু মুকরম আল আম্মী ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... ইয়ালা ইবনু উমাইয়্যাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি জি'রানাহ নামক স্থানে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসলো। লোকটি উমরার জন্য ইহরাম বাঁধা অবস্থায় ছিল। তার দাড়ি ও মাথার চুল হলুদ রং এ রঞ্জিত ছিল এবং তার পরনে ছিল একটি জুব্বাহ। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি উমরাহ করার জন্য ইহরাম বেঁধেছি এবং আমি কী অবস্থায় আছি তা আপনি দেখছেন। তিনি বললেন, তুমি জুব্বাহ খুলে ফেল এবং হলুদ রং ধুয়ে ফেল। অতঃপর হাজ্জে (হজ্জে/হজে) যে সব অনুষ্ঠান পালন কর, উমরাতেও তাই কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৬৮, ইসলামীক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... সাফওয়ান তার পিতা সূত্রে (ইবনু উমাইয়্যাহ) (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। তার নিকট এক ব্যক্তি জুব্বাহ পরিহিত অবস্থায় উপস্থিত হল। তাতে (খালূক জাতীয়) সুগন্ধির চিহ্ন ছিল। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি উমরার ইহরাম বেঁধেছি, আমাকে কী করতে হবে? তিনি তার কথার কোন উত্তর না দিয়ে নীরব থাকলেন। যখন তার উপর ওয়াহী নাযিল হতে আরম্ভ হল তখন উমর (রাযিঃ) তাকে ছায়া দেয়ার জন্য একখণ্ড কাপড় দিয়ে ঢেকে দিলেন। আমি (ইয়ালা) উমর (রাযিঃ) কে বলেছিলাম, তার উপর যখন ওয়াহী নাযিল হয় তখন আমি তার সঙ্গে কাপড়ের অভ্যন্তরভাগে আমার মাথা ঢুকাতে চাই। যখন ওয়াহী নাযিল হল, উমার (রাযিঃ) তাকে একখণ্ড কাপড় দিয়ে ঢেকে দিলেন। আমি তার নিকট এসে কাপড়ের ভিতরে মাথা ঢুকিয়ে দিলাম এবং তাকে দেখলাম। এ অবস্থা দূরীভূত হলে তিনি বললেন, এই মাত্র উমরাহ সম্পর্কে প্রশ্নকারী কোথায়? লোকটি তার সামনে দাঁড়াল। তিনি বললেন, তোমার পরিধানের জুব্বাহ খুলে ফেল এবং সুগন্ধির চিহ্ন ধুয়ে ফেল। অতঃপর যেভাবে হাজ্জ (হজ্জ/হজ) সমাপন কর, ঠিক সেভাবে উমরাহ কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৬৯, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, খালাফ ইবনু হিশাম, আবূ রবী ও কুতায়বাহ্ (রহিমাহুমুল্লাহ) ...... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনাবাসীদের জন্য যুল হুলায়ফাহ, সিরিয়ার অধিবাসীদের জন্য আল জুহফাই নাজদবাসীদের জন্য কারনুল মানাযিল, ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালামলামকে মীকাত হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। তিনি আরো বলেন, এগুলো ঐসব এলাকার লোকদের মীকাত এবং এর বাইরের যে সব লোক হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরার উদ্দেশে ঐসব এলাকা হয়ে আসবে, তাদের মীকাত। আর যেসব লোক উল্লিখিত মীকাতসমূহের অভ্যন্তরে বসবাস করে, তারা স্বস্থান থেকে ইহরাম বাঁধবে, এভাবে যারা আরো ভিতরে, তারা সে স্থান হতে। এমনকি মক্কাবাসীগণ মাক্কাহ (মক্কা) থেকে তালবিয়াহ্ পাঠ করবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২৬৭০, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনার অধিবাসীদের জন্য যুল হুলায়ফাহ, সিরিয়ার অধিবাসীদের জন্য আল-জুহফাহ, নাজদবাসীদের জন্য কারনুল মানাযিল এবং ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালাম্লামকে মীকাত নির্ধারণ করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, এগুলো উল্লেখিত এলাকার লোকদের মীকাত এবং বাইরের যেসব লোক হাজ্জ ও উমরার উদ্দেশে ঐ সব এলাকা হয়ে আসবে, তাদের মীকাত। আর যেসব লোক মীকাতের অভ্যন্তরে বসবাস করে, তারা যে স্থান থেকে ইহরাম বাঁধতে ইচ্ছা করে, সে স্থান হতে। এমনকি মক্কাবাসীগণ মাক্কাহ (মক্কা) থেকে ইহরাম বাঁধবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৭১, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " يُهِلُّ أَهْلُ الْمَدِينَةِ مِنْ ذِي الْحُلَيْفَةِ وَأَهْلُ الشَّامِ مِنَ الْجُحْفَةِ وَأَهْلُ نَجْدٍ مِنْ قَرْنٍ " . قَالَ عَبْدُ اللَّهِ وَبَلَغَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " وَيُهِلُّ أَهْلُ الْيَمَنِ مِنْ يَلَمْلَمَ " .
যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু আবূ উমর (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... সালিম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মাদীনাবাসীগণ যুল হুলায়ফাহ থেকে এবং সিরিয়াবাসীগণ আলজুহফাহ্ থেকে, নাজদবাসীগণ কারন থেকে ইহরাম বাঁধবে। ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেন, আমার নিকট উল্লেখ করা হয়েছে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেছেন, “ইয়ামানবাসীগণ ইয়ালাম্লাম থেকে ইহরাম বাধবে” কিন্তু এ কথা আমি সরাসরি তার নিকট থেকে শুনিনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৭৬, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، قَالَ ابْنُ أَبِي عُمَرَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، - رضى الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " يُهِلُّ أَهْلُ الْمَدِينَةِ مِنْ ذِي الْحُلَيْفَةِ وَيُهِلُّ أَهْلُ الشَّامِ مِنَ الْجُحْفَةِ وَيُهِلُّ أَهْلُ نَجْدٍ مِنْ قَرْنٍ " . قَالَ ابْنُ عُمَرَ - رضى الله عنهما - وَذُكِرَ لِي - وَلَمْ أَسْمَعْ - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " وَيُهِلُّ أَهْلُ الْيَمَنِ مِنْ يَلَمْلَمَ " .
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, মাদীনাবাসীদের মুহাল (মীকাত) যুল হুলায়ফাহ, সিরিয়াবাসীদের মুহাল মাহইয়া'আহ (মুহাই’আহ) অর্থাৎ আল জুহফাহ এবং নাজদবাসীদের মুহাল কারন। আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেন, লোকেরা বলেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইয়ামানবাসীদের মুহাল ইয়ালাম্লাম, কিন্তু আমি তা তার নিকট থেকে শুনিনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৭৩, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، - رضى الله عنه - عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مُهَلُّ أَهْلِ الْمَدِينَةِ ذُو الْحُلَيْفَةِ وَمُهَلُّ أَهْلِ الشَّامِ مَهْيَعَةُ وَهِيَ الْجُحْفَةُ وَمُهَلُّ أَهْلِ نَجْدٍ قَرْنٌ " . قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ - رضى الله عنهما - وَزَعَمُوا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - وَلَمْ أَسْمَعْ ذَلِكَ مِنْهُ - قَالَ " وَمُهَلُّ أَهْلِ الْيَمَنِ يَلَمْلَمُ " .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতায়বাহ ও ইবনু হুজর (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ইবনু উমর (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনাবাসীদের যুল হুলায়ফাহ্ থেকে, সিরিয়ার অধিবাসীদেরকে আল জুহফাহ্ থেকে এবং নাজদবাসীদেরকে কারন থেকে ইহরাম বাধার নির্দেশ দিয়েছেন। 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেন, আমাকে অবহিত করা হয়েছে যে, তিনি আরও বলেছেন, ইয়ামানবাসীগণ ইয়ালাম্লাম থেকে ইহরাম বাঁধবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، - رضى الله عنهما - يُسْأَلُ عَنِ الْمُهَلِّ، فَقَالَ سَمِعْتُ - ثُمَّ، انْتَهَى فَقَالَ أُرَاهُ يَعْنِي - النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم .
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এর নিকট মুহাল স্থান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে শুনেছেন। এরপর তিনি হাদীসটি শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেন। আবূ যুবায়র (রহঃ) বলেন, আমি মনে করি যে, জাবির (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট থেকে সরাসরি এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) কে মুহাল সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তার জওয়াবে আবূ যুবায়র (রহঃ) তাকে বলতে শুনেছেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি (রাবীর ধারণায় তিনি এ হাদীস তার সাথে সংযুক্ত করেছেনঃ) মাদীনাবাসীদের মুহাল যুল হুলায়ফাহ্, অপর একটি পথ হচ্ছে আল জুহফাহ, ইরাকবাসীদের মুহাল হচ্ছে যাতু ইরাক, নাজদবাসীদের মুহাল হচ্ছে কারন এবং ইয়ামানবাসীদের মুহাল হচ্ছে ইয়ালাম্লাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৭৭, ইসলামীক সেন্টার)
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তালবিয়া ছিল এরূপ: “আমি হাযির হে আল্লাহ! আমি হাযির, আমি হাযির; আপনার কোনো অংশীদার নেই, আমি হাযির। নিশ্চয় সকল প্রশংসা ও সকল নেয়ামত আপনার এবং কর্তৃত্ব আপনারই, আপনার কোনো অংশীদার নেই”। বর্ণনাকারী বলেন, আবদুল্লাহ বিন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা সেখানে বৃদ্ধি করেন “হে রব! আমি উপস্থিত, আমি উপস্থিত এবং সৌভাগ্য ও করুণা আপনার হাতেই এবং আশা-আকাঙ্খা আপনাতেই। আমাদের কাজের প্রতিদানও আপনার অনুগ্রহের ওপর নির্ভরশীল।”
মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যুল হুলায়ফার মসজিদের নিকট যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উষ্ট্রী তাঁকে নিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াত, তখন তিনি তালবিয়াহ পাঠ শুরু করতেন। তিনি বলতেন, "লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা ... লা- শারীকা লাকা।" আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) বলতেন, এ হচ্ছে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর তালবিয়াহ। নাফি’ (রহঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এর সাথে আরও যোগ করতেনঃ “লাব্বায়কা লাব্বায়ক...ওয়াল আমলু"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৭৯, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا يَحْيَى، - يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ - عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - قَالَ تَلَقَّفْتُ التَّلْبِيَةَ مِنْ فِي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِهِمْ .
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সরাসরি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুখে তালবিয়াহ শিখেছি...অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৮০, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ فَإِنَّ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَخْبَرَنِي عَنْ أَبِيهِ، - رضى الله عنه - قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُهِلُّ مُلَبِّدًا يَقُولُ " لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ " . لاَ يَزِيدُ عَلَى هَؤُلاَءِ الْكَلِمَاتِ . وَإِنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ - رضى الله عنهما - كَانَ يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَرْكَعُ بِذِي الْحُلَيْفَةِ رَكْعَتَيْنِ . ثُمَّ إِذَا اسْتَوَتْ بِهِ النَّاقَةُ قَائِمَةً عِنْدَ مَسْجِدِ الْحُلَيْفَةِ أَهَلَّ بِهَؤُلاَءِ الْكَلِمَاتِ وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ - رضى الله عنهما - يَقُولُ كَانَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ - رضى الله عنه - يُهِلُّ بِإِهْلاَلِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ هَؤُلاَءِ الْكَلِمَاتِ وَيَقُولُ لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ فِي يَدَيْكَ لَبَّيْكَ وَالرَّغْبَاءُ إِلَيْكَ وَالْعَمَلُ .
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মাথার চুল জমাট করা অবস্থায় তালবিয়াহ্ পাঠ করতে শুনেছি। তিনি বলছিলেন, "লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়কা...লা- শারীকা লাকা”। তিনি এর সাথে আর কোন কথা যোগ করতেন না। আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) বলতেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল হুলায়ফায় দু' রাকাআত সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করতেন। অতঃপর তার উষ্ট্রী যখন তাকে নিয়ে যুল হুলায়ফার মসজিদের সামনে দণ্ডায়মান হতো তখন তিনি ঐসব শব্দ সহকারে তালবিয়াহ পাঠ শুরু করতেন। 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) আরও বলতেন, উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) ও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই তালবিয়াহ্ পাঠ করতেন এবং বলতেন, “লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়ক...ওয়ার রগবাউ ইলায়কা ওয়াল 'আমলু।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৮১, ইসলামীক সেন্টার)
“আব্বাস ইবনু আবদুল আল আযম আম্বারী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুশরিকরা বলত, "লাব্বায়কা লা- শারীকা লাকা"। রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন, তোমাদের ক্ষতি হোক, ক্ষান্ত হও, ক্ষান্ত হও (সামনে আর বলে না)। তারা এর সাথে আরও বলত, “কিন্তু হে আল্লাহ! তোমার আরও একজন শারীক আছে- তুমিই যার মালিক এবং সে কিছুরই মালিক নয়।” তারা এ কথা বলত আর বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৮২, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ سَالِمِ، بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَاهُ، - رضى الله عنه - يَقُولُ بَيْدَاؤُكُمْ هَذِهِ الَّتِي تَكْذِبُونَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِيهَا مَا أَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ مِنْ عِنْدِ الْمَسْجِدِ يَعْنِي ذَا الْحُلَيْفَةِ .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি তার পিতাকে বলতে শুনেছেন, তোমাদের এ বায়দা নামক স্থান সম্পর্কে তোমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দিকে সম্পৃক্ত করে ভুল বর্ণনা করে থাক। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেবলমাত্র যুল হুলায়ফার মসজিদের নিকটেই ইহরাম বাঁধতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৮৩, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَاهُ قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا حَاتِمٌ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْمَاعِيلَ - عَنْ مُوسَى بْنِ، عُقْبَةَ عَنْ سَالِمٍ، قَالَ كَانَ ابْنُ عُمَرَ - رضى الله عنهما - إِذَا قِيلَ لَهُ الإِحْرَامُ مِنَ الْبَيْدَاءِ قَالَ الْبَيْدَاءُ الَّتِي تَكْذِبُونَ فِيهَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا أَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ مِنْ عِنْدِ الشَّجَرَةِ حِينَ قَامَ بِهِ بَعِيرُهُ .
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... সালিম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাযিঃ) কে যখন বলা হল, বায়দা* নামক স্থানে ইহরাম বাঁধতে হবে তখন তিনি বললেন, এ বায়দাকে কেন্দ্র করেই তোমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দিকে সম্পৃক্ত করে ভুল বর্ণনা করে থাক। অথচ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে গাছের নিকট ইহরাম বেঁধে লাব্বায়কা ধ্বনি উচ্চারণ করতেন- যেখান থেকে তার উট তাকে নিয়ে রওনা হতো।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৮৪, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ جُرَيْجٍ، أَنَّهُ قَالَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رضى الله عنهما يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ رَأَيْتُكَ تَصْنَعُ أَرْبَعًا لَمْ أَرَ أَحَدًا مِنْ أَصْحَابِكَ يَصْنَعُهَا . قَالَ مَا هُنَّ يَا ابْنَ جُرَيْجٍ قَالَ رَأَيْتُكَ لاَ تَمَسُّ مِنَ الأَرْكَانِ إِلاَّ الْيَمَانِيَيْنِ وَرَأَيْتُكَ تَلْبَسُ النِّعَالَ السِّبْتِيَّةَ وَرَأَيْتُكَ تَصْبُغُ بِالصُّفْرَةِ وَرَأَيْتُكَ إِذَا كُنْتَ بِمَكَّةَ أَهَلَّ النَّاسُ إِذَا رَأَوُا الْهِلاَلَ وَلَمْ تُهْلِلْ أَنْتَ حَتَّى يَكُونَ يَوْمُ التَّرْوِيَةِ . فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ أَمَّا الأَرْكَانُ فَإِنِّي لَمْ أَرَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَمَسُّ إِلاَّ الْيَمَانِيَيْنِ وَأَمَّا النِّعَالُ السِّبْتِيَّةُ فَإِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَلْبَسُ النِّعَالَ الَّتِي لَيْسَ فِيهَا شَعَرٌ وَيَتَوَضَّأُ فِيهَا فَأَنَا أُحِبُّ أَنْ أَلْبَسَهَا وَأَمَّا الصُّفْرَةُ فَإِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصْبَغُ بِهَا فَأَنَا أُحِبُّ أَنْ أَصْبَغَ بِهَا وَأَمَّا الإِهْلاَلُ فَإِنِّي لَمْ أَرَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُهِلُّ حَتَّى تَنْبَعِثَ بِهِ رَاحِلَتُهُ .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উবায়দ ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) কে বললেন, হে আবূ ‘আবদুর রহমান আমি আপনাকে এমন চারটি কাজ করতে দেখছি- যা আপনার সঙ্গী-সাথীদের কাউকে করতে দেখিনি। তিনি বললেন, হে ইবনু জুরায়জ! সেগুলো কী কী? তিনি বললেন, আমি দেখেছি আপনি রুকনে হাজারে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী ব্যতীত আর কোন রুকন স্পর্শ করেন না। আমি আরও লক্ষ্য করেছি যে, আপনি পশমবিহীন চামড়ার স্যান্ডেল পরিধান করেন। আমি আরও দেখেছি যে, আপনি হলুদ বর্ণ ব্যবহার করেন। আমি আরও লক্ষ্য করেছি যে, আপনি মাক্কা (মক্কা)-তে অবস্থানকালে (যিলহাজ্জ মাসের) আট তারিখে ইহরাম বাঁধেন। অথচ লোকেরা নতুন চাঁদ দেখার সাথে সাথে ইহরাম বাঁধে। আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) বললেন, রুকনসমূহের ব্যাপারে কথা হচ্ছে এই যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে রুকনে হাজারে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী ছাড়া অন্য কোন রুকন স্পর্শ করতে দেখিনি।* আর পশমবিহীন স্যান্ডেলের ব্যাপার হচ্ছে এই যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে পশমবিহীন চামড়ার স্যান্ডেল পরিধান করতে দেখেছি। তিনি তা পায়ে দিয়ে ওযুও করতেন। আমিও তাই এ ধরনের স্যান্ডেল পছন্দ করি। হলুদ রং-এর সম্পর্কে কথা হচ্ছে এই যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ রং ব্যবহার করতে দেখেছি। অতএব আমিও এ রং পছন্দ করি। ইহরাম সম্পর্কে বলতে হয় যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তখনি তালবিয়াহ্ পাঠ করতে শুনেছি যখন তার উট যাত্রা শুরু করেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৮৫, ইসলামীক সেন্টার)
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... উবায়দ ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) এর সঙ্গে হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরাহ মিলিয়ে ১২ বার করেছি। আমি বললাম, হে আবূ আবদুর রহমান। আমি আপনাকে চারটি কাজ করতে দেখেছ.....অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত হাদীসের সমর্থবোধক। কিন্তু তালবিয়াহ্ পাঠ প্রসঙ্গে রাবী (ইবনু কুসায়ত্ব) সাঈদ মাকবুরীর বিপরীত বর্ণনা করেছেন, তবে তার উল্লেখ ব্যতীত আর সব বর্ণনায় কোন বিরোধ হয়নি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৮৬, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا وَضَعَ رِجْلَهُ فِي الْغَرْزِ وَانْبَعَثَتْ بِهِ رَاحِلَتُهُ قَائِمَةً أَهَلَّ مِنْ ذِي الْحُلَيْفَةِ .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পাদানীতে পা রাখতেন এবং তার বাহন দাঁড়িয়ে সোজা হয়ে রওনা করত, তখন তিনি যুল হুলায়ফায় "লাব্বায়কা" ধ্বনি উচ্চারণ করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৮৭, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي صَالِحُ بْنُ كَيْسَانَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - أَنَّهُ كَانَ يُخْبِرُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَهَلَّ حِينَ اسْتَوَتْ بِهِ نَاقَتُهُ قَائِمَةً .
হারন ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বর্ণনা করতেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উষ্ট্রী যখন তাকে নিয়ে সোজা হয়ে রওনা হতো, তখন তিনি "লাব্বায়কা" ধ্বনি উচ্চারণ করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৮৮, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّأَخْبَرَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ - رضى الله عنهما - قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَكِبَ رَاحِلَتَهُ بِذِي الْحُلَيْفَةِ ثُمَّ يُهِلُّ حِينَ تَسْتَوِي بِهِ قَائِمَةً
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেন, আমি দেখলাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল হুলায়ফাহ্ নামক স্থানে তার বাহনে আরোহণ করলেন, অতঃপর তা যখন তাঁকে নিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াল, তখন তিনি 'লাব্বায়কা' ধ্বনি উচ্চারণ করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৮৯, ইসলামীক সেন্টার)
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া ও আহমাদ ইবনু ঈসা (রহিমাহমাল্লাহ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) বলেন, হাজ্জের অনুষ্ঠানাদি শুরু করার প্রারম্ভে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল হুলায়ফায় রাত যাপন করেন এবং এখানকার মসজিদে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৯০, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ طَيَّبْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِحُرْمِهِ حِينَ أَحْرَمَ وَلِحِلِّهِ قَبْلَ أَنْ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ .
মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাস (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইহরাম বাঁধার সময় এবং (হাজ্জ (হজ্জ/হজ) সমাপনান্তে) ইহরামমুক্ত হবার পর বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফের পূর্বেও আমি তাকে সুগন্ধি মেখে দিয়েছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৯১, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ بْنِ قَعْنَبٍ، حَدَّثَنَا أَفْلَحُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ طَيَّبْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِي لِحُرْمِهِ حِينَ أَحْرَمَ وَلِحِلِّهِ حِينَ أَحَلَّ قَبْلَ أَنْ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ.
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ ইবনু কা'নাব (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নিজ হাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইহরাম বাঁধার প্রাক্কালে এবং ইহরামমুক্ত হবার পর কিন্তু বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফের পূর্বে তাকে সুগন্ধি মেখে দিয়েছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৯২, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - أَنَّهَا قَالَتْ كُنْتُ أُطَيِّبُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لإِحْرَامِهِ قَبْلَ أَنْ يُحْرِمَ وَلِحِلِّهِ قَبْلَ أَنْ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রযিঃ) .... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম বাঁধার জন্য ইহরামের পোশাক পরিধান করার পূর্বে এবং ইহরামমুক্ত হবার পর বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফের পূর্বে আমি তাকে সুগন্ধি মেখে দিতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৯৩, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، قَالَ سَمِعْتُ الْقَاسِمَ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ طَيَّبْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِحِلِّهِ وَلِحِرْمِهِ.
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইহরাম বাঁধার সময় এবং ইহরাম মুক্ত হবার পর আমি তাকে সুগন্ধি মেখে দিয়েছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৯৪, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالَ عَبْدٌ أَخْبَرَنَا وَقَالَ ابْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُرْوَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ عُرْوَةَ، وَالْقَاسِمَ، يُخْبِرَانِ عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ طَيَّبْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِي بِذَرِيرَةٍ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ لِلْحِلِّ وَالإِحْرَامِ .
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বিদায় হাজের (হজ্জের/হজের) সময় নিজ হাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে যারীরাহ (ভারতীয় সুগন্ধি) মেখে দিয়েছি- ইহরাম মুক্ত হবার সময় এবং ইহরাম বাঁধার সময়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৯৫, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، جَمِيعًا عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، - قَالَ زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ - رضى الله عنها - بِأَىِّ شَىْءٍ طَيَّبْتِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عِنْدَ حِرْمِهِ قَالَتْ بِأَطْيَبِ الطِّيبِ.
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... উসমান ইবনু উরওয়াহ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইহরাম বাঁধার সময় তাকে কী জিনিস দিয়ে সুগন্ধিযুক্ত করেছিলেন? তিনি বললেন, সর্বোৎকৃষ্ট সুগন্ধি দ্রব্যের (কস্তুরীর) সাহায্যে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৯৬, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عُرْوَةَ، قَالَ سَمِعْتُ عُرْوَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ كُنْتُ أُطَيِّبُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِأَطْيَبِ مَا أَقْدِرُ عَلَيْهِ قَبْلَ أَنْ يُحْرِمَ ثُمَّ يُحْرِمُ .
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যতদূর সম্ভব সর্বোৎকৃষ্ট সুগন্ধির সাহায্যে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ইহরাম বাঁধার পূর্বে সুগন্ধিযুক্ত করতাম, অতঃপর তিনি ইহরাম বাঁধতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৯৭, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، أَخْبَرَنَا الضَّحَّاكُ، عَنْ أَبِي الرِّجَالِ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - أَنَّهَا قَالَتْ طَيَّبْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِحُرْمِهِ حِينَ أَحْرَمَ وَلِحِلِّهِ قَبْلَ أَنْ يُفِيضَ بِأَطْيَبِ مَا وَجَدْتُ .
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যতদূর সম্ভব সর্বোৎকৃষ্ট সুগন্ধি দ্রব্যের সাহায্যে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তার ইহরাম বাঁধার প্রাক্কালে এবং ইহরামমুক্ত হবার পর কিন্তু তাওয়াফে ইফাযাহ* করার পূর্বে সুগন্ধিযুক্ত করেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৯৮, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, সাঈদ ইবনু মানসূর, আবূ রবী', খালাফ ইবনু হিশাম ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহিমাহুমুল্লাহ) ... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাথার সিঁথিতে কস্তুরীর ঔজ্জ্বল্য দেখতে পাচ্ছি, অথচ তিনি তখন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন। রাবী খালাফের বর্ণনায়, “তিনি তখন ইহরামাবস্থায় ছিলেন” কথার উল্লেখ নেই। তবে তার বর্ণনায় আছে, "এটা তার ইহরামের সময়কার সুগন্ধি।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৯৯, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَأَبُو كُرَيْبٍ - قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، - عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ لَكَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى وَبِيصِ الطِّيبِ فِي مَفَارِقِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يُهِلُّ .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহিমাহুমাল্লাহ) ...... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাথার সিঁথিতে কস্তুরীর ঔজ্জ্বল্য দেখতে পাচ্ছি, তিনি তখন তালবিয়াহ্ পাঠ করছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৭০০, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَأَبُو سَعِيدٍ الأَشَجُّ قَالُوا حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي الضُّحَى، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى وَبِيصِ الطِّيبِ فِي مَفَارِقِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يُلَبِّي.
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, যুহায়র ইবনু হারব ও আবূ সাঈদ আল আশাজ্জ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাথার সিঁথিতে সুগন্ধির ঔজ্জ্বল্য দেখতে পাচ্ছি, তিনি তখন তালবিয়াহ পাঠ করছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৭০১, ইসলামীক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহিমাহুমাল্লাহ) ... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যেন দেখতে পাচ্ছি...ওয়াকী (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৭০২, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، قَالَ سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ، يُحَدِّثُ عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - أَنَّهَا قَالَتْ كَأَنَّمَا أَنْظُرُ إِلَى وَبِيصِ الطِّيبِ فِي مَفَارِقِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ مُحْرِمٌ .
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাথার সিঁথিতে তার ইহরামের অবস্থায় সুগন্ধির ঔজ্জ্বল্য দেখতে পাচ্ছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৭০৩, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ مِغْوَلٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ إِنْ كُنْتُ لأَنْظُرُ إِلَى وَبِيصِ الطِّيبِ فِي مَفَارِقِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ مُحْرِمٌ .
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সিঁথিতে তার ইহরামের অবস্থায় সুগন্ধির ঔজ্জ্বল্য দেখছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৭০৪, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইহরাম বাঁধার সংকল্প করতেন তখন তিনি যথাসাধ্য সর্বোত্তম সুগন্ধি ব্যবহার করতেন। অতঃপর আমি তার মাথায় ও দাড়িতে তৈলের চাকচিক্য দেখেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৭০৫, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ قَالَتْ عَائِشَةُ رضى الله عنها كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى وَبِيصِ الْمِسْكِ فِي مَفْرِقِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ مُحْرِمٌ .
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলেন, আমি যেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সিঁথিতে তার ইহরামের অবস্থায় কস্তুরীর চাকচিক্য দেখতে পাচ্ছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৭০৬, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، وَيَعْقُوبُ الدَّوْرَقِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ كُنْتُ أُطَيِّبُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَبْلَ أَنْ يُحْرِمَ وَيَوْمَ النَّحْرِ قَبْلَ أَنْ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ بِطِيبٍ فِيهِ مِسْكٌ .
আহমাদ ইবনু মানী' ও ইয়াকুব আদ দাওরাকী (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তার ইহরাম বাঁধার পূর্বে এবং কুরবানীর দিন বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফের পূর্বে কস্তুরী মিশ্ৰিত সুগন্ধি মেখে দিতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৭০৮, ইসলামীক সেন্টার)
এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।
৫৮৩টির মধ্যে ৫০
৫৮৩টি বর্ণনা · নম্বর ২৭৯১–৩৩৯৭
আরবি পাঠ, নম্বর, অধ্যায়ের নাম ও মান — সবই একটি উন্মুক্ত ডেটাসেটে (hadith-api) যেমন আছে হুবহু তেমন দেখানো হয়েছে। সাবীল এখনও এর নির্ভুলতা বা স্বত্ব যাচাই করেনি, আর আলেমদের পর্যালোচনাও শুরু হয়নি। ততদিন কোনো বর্ণনার ওপর নির্ভর করার আগে ছাপা সংস্করণের সাথে মিলিয়ে নিন।