প্রতিটি বর্ণনার নিচে ডেটাসেটের নিজস্ব অনুবাদ হুবহু দেখানো হয়েছে। এতে অনুবাদকের নাম নেই, এর স্বত্ব যাচাই হয়নি, এবং কেউ এটি আরবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেননি; কিছু বর্ণনার অনুবাদ নেই। মূল পাঠ আরবি।
অনূদিত নববী হাদীসের বিশ্বকোষে (HadeethEnc.com) কোনো বর্ণনার হুবহু পাঠ থাকলে, তার অনুবাদ সেই বর্ণনার নিচে উৎসের নামসহ দেখানো হয়েছে। দুটিকে প্রোগ্রামের সাহায্যে, কেবল আরবি পাঠ দেখে মেলানো হয়েছে: বিশ্বকোষের হাদীসের পুরো পাঠ, তাতে উল্লেখিত সাহাবীর নামসহ, বর্ণনাটির শেষ অংশের সঙ্গে অক্ষরে অক্ষরে এক। এই মিল কেউ যাচাই করেননি, এবং সাবীলের পর্যালোচকেরা অনুবাদটি পরীক্ষা করেননি। মূল পাঠ আরবি।
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ، وَابْنُ، حُجْرٍ قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - وَهُوَ ابْنُ جَعْفَرٍ - عَنْ أَبِي سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا جَاءَ رَمَضَانُ فُتِّحَتْ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ النَّارِ وَصُفِّدَتِ الشَّيَاطِينُ " .
আবূ হুরাইরাহ্ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যখন রমযান আসে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় আর জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানগুলোকে শিকলে বন্দী করা হয়।”
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي أَنَسٍ، أَنَّ أَبَاهُ، حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا كَانَ رَمَضَانُ فُتِّحَتْ أَبْوَابُ الرَّحْمَةِ وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ جَهَنَّمَ وَسُلْسِلَتِ الشَّيَاطِينُ " .
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রমযান মাস উপস্থিত হলে রহমতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শাইতানগুলোকে শিকলে আবদ্ধ করা হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৬৩, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، وَالْحُلْوَانِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، حَدَّثَنِي نَافِعُ بْنُ أَبِي أَنَسٍ، أَنَّ أَبَاهُ، حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا دَخَلَ رَمَضَانُ " . بِمِثْلِهِ .
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও আল হুলওয়ানী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন রমযান মাস আসে ..... এরপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৬৪, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ ذَكَرَ رَمَضَانَ فَقَالَ " لاَ تَصُومُوا حَتَّى تَرَوُا الْهِلاَلَ وَلاَ تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ أُغْمِيَ عَلَيْكُمْ فَاقْدِرُوا لَهُ " .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান মাস প্রসঙ্গে আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, তোমরা (রমাযানের) চাঁদ না দেখে রোযা শুরু করবে না এবং চাঁদ (শাওওয়াল মাসের চাঁদ) না দেখা পর্যন্ত ইফতারও করো না। আর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে ত্রিশদিন পূর্ণ কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৬৫, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান সম্পর্কে আলোচনা করলেন। তিনি এক হাতের উপর অন্য হাত মেরে (ইঙ্গিত করে) বললেন, মাস এ রকম, এ রকম এবং তৃতীয়বারে বুড়ো আঙ্গুলটি বন্ধ করে হাত মারলেন (অর্থাৎ মাস উনত্রিশ দিনে)। তিনি পুনরায় বললেন, তোমরা চাঁদ দেখে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন কর এবং চাঁদ দেখে ইফত্বার কর (অর্থাৎ ঈদ কর)। আর যদি আকাশ মেঘে ঢাকা থাকে তাহলে মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ কর।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৬৬, ইসলামীক সেন্টার)
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ... উবায়দুল্লাহ থেকে এ সূত্রেও আবূ উসামাহ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এতে আছেঃ মাস এরূপ, এরূপ এবং এরূপ। তিনি আরো বলেন, যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে ত্রিশদিন পূর্ণ কর। হাদীসটি আবূ উসামাহ্ কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৬৭, ইসলামীক সেন্টার)
উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযান মাসের কথা আলোচনা করে বললেন, মাস উনত্রিশ দিনেও হয়। এ সময় তিনি তার হস্তদ্বয়ের আঙ্গুল দ্বারা ইঙ্গিত করে বললেন, মাস এতো দিনে হয়, মাস এতো দিনে হয়। তারপর বললেন, তোমরা পূর্ণ কর। কিন্তু ত্রিশ দিনের কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৬৮, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّمَا الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ فَلاَ تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْهُ وَلاَ تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدِرُوا لَهُ " .
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান মাস সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে বলেনঃ মাস (কোন কোন সময়) উনত্রিশ দিনেও হয়ে থাকে। মাস এরূপ, এরূপ এবং এরূপ। তিনি পুনরায় বলেন, মাস গণনা কর। কিন্তু তিনি ত্রিশ দিনের কথা বলেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৬৯, ইসলামীক সেন্টার)
হুমায়দ ইবনু মাস আদাহ্ আল বাহিলী (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাধারণত মাস উনত্রিশ দিনে হয়ে থাকে। তাই (রমাযানের) চাঁদ না দেখে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করো না এবং ইফতারও করো না। আর আকাশ মেঘে ঢাকা থাকলে মাসের ত্রিশদিন পূর্ণ কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৭০, ইসলামীক সেন্টার)
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মাস উনত্রিশ দিনে হয়ে থাকে। তাই তোমরা নতুন চাঁদ দেখে সিয়াম (রোজা/রোযা) রাখা শুরু কর এবং নতুন চাঁদ (শাওয়ালের চাঁদ) দেখে ইফত্বার কর (ঈদ কর)। আর আকাশ মেঘে ঢাকা থাকলে মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ কর।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৭১, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও ইবনু হুজুর (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, তোমরা চাঁদ দেখে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন কর (রাখা শুরু কর) এবং চাঁদ দেখে ইফত্বার কর। আর যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে ত্রিশ দিনে মাস পূর্ণ কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৭২, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - يَقُولُ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " الشَّهْرُ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا " . وَقَبَضَ إِبْهَامَهُ فِي الثَّالِثَةِ .
হারূন ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ এত দিনে, এত দিনে এবং এত দিনে মাস হয়। তৃতীয়বার তিনি তার বৃদ্ধাঙ্গুলটি বন্ধ করে রাখলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৭৩, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنِي حَجَّاجُ بْنُ الشَّاعِرِ، حَدَّثَنَا حَسَنٌ الأَشْيَبُ، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، عَنْ يَحْيَى، قَالَ وَأَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ " .
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, উনত্রিশ দিনেও মাস (পূর্ণ) হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَكَّائِيُّ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الشَّهْرُ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا عَشْرًا وَعَشْرًا وَتِسْعًا " .
সাহল ইবনু উসমান (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাস এত দিনে, এত দিনে ও এত দিনে হয়ে থাকে। এ সময় তিনি প্রথমে দশ আঙ্গুলে, দ্বিতীয়বার দশ আঙ্গুলে এবং তৃতীয়বার নয় আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ جَبَلَةَ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ، عُمَرَ - رضى الله عنهما - يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الشَّهْرُ كَذَا وَكَذَا وَكَذَا " . وَصَفَّقَ بِيَدَيْهِ مَرَّتَيْنِ بِكُلِّ أَصَابِعِهِمَا وَنَقَصَ فِي الصَّفْقَةِ الثَّالِثَةِ إِبْهَامَ الْيُمْنَى أَوِ الْيُسْرَى .
উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এত এত এবং এত দিনেও মাস হয়। তিনি দু'বার হাত মেরে তার সব আঙ্গুলগুলো খুলে ধরলেন এবং তৃতীয়বার তিনি বাম অথবা ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলটি বন্ধ করে রাখলেন (অর্থাৎ ইঙ্গিত করে দেখালেন, কোন কোন মাস উনত্রিশ দিনে হয়)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৭৬, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসন্না (রহঃ) ..... উকবাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু উমর (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উনত্রিশ দিনেও মাস হয়। শু'বাহ এ হাদীস বর্ণনা করার সময় তার দু হাত তিনবার বন্ধ করে দেখালেন এবং তৃতীয়বার তার বুড়ো আঙ্গুলটি বাঁকা (নীচু) করে রাখলেন। উকবাহ (রাযিঃ) বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছিলেন, মাস ত্রিশ দিনেও হয় এবং দু' হাত তিনবার বন্ধ করেছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৭৭, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু আমর ইবনু সাঈদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ইবনু উমারকে বলতে শুনেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমরা উম্মী (নিরক্ষর) জাতি। আমরা লেখিনা এবং হিসাবও করি না। মাসে দিনের সংখ্যা এত, এত এবং এত। তৃতীয়বারে তিনি নিজ হাতের বুড়ো আঙ্গুলটি বন্ধ করে দু' হাত দিয়ে ইঙ্গিত করলেন (অর্থাৎ তিনবার ইঙ্গিতে উনত্রিশ দিন প্রমাণ করলেন)। আর কোন কোন মাস এত, এত এবং এত দিনেও হয় (অর্থাৎ পূর্ণ ত্রিশ দিন হয়ে থাকে) (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৭৮, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আসওয়াদ ইবনু কায়স থেকে এ সূত্রে হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু এ সূত্রে “দ্বিতীয় মাসের ত্রিশদিন” এ কথা উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৭৯, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ..... সা'দ ইবনু উবায়দাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু উমর (রাযিঃ) এক ব্যক্তিকে বলতে শুনলেন, “আজ রাতে মাসের অর্ধেক হয়ে গেছে"। অতঃপর ইবনু উমার (রাযিঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কবে জানলে আজ রাতে মাসের অর্ধেক হয়ে গেছে? অথচ আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দশটি আঙ্গুলের মাধ্যমে ইঙ্গিত করে দু’বার বলতে শুনেছিঃ “মাস এত দিনে ও এত দিনে হয়। তিনি দু'বার আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করলেন। তৃতীয়বারও তিনি তাই করলেন এবং সবগুলো আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করলেন এবং বুড়ো আঙ্গুলটি বন্ধ রাখলেন অথবা নীচু করে রাখলেন। (অর্থাৎ মাস কখনো উনত্রিশ দিনে আবার কখনো ত্রিশ দিনে হয়। কাজেই মাস শেষ না হলে নির্দিষ্ট করে বলা যায় না যে মাসের মধ্যরাত কোনটি)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৮০, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ، الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا رَأَيْتُمُ الْهِلاَلَ فَصُومُوا وَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَأَفْطِرُوا فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَصُومُوا ثَلاَثِينَ يَوْمًا " .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমরা চাঁদ দেখবে তখন সওম আরম্ভ করবে এবং যখন চাঁদ দেখবে তখন ইফতার করবে। যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে তবে ত্রিশদিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৮১, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَلاَّمٍ الْجُمَحِيُّ، حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ، - يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ - عَنْ مُحَمَّدٍ، - وَهُوَ ابْنُ زِيَادٍ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " صُومُوا لِرُؤْيَتِهِ وَأَفْطِرُوا لِرُؤْيَتِهِ فَإِنْ غُمِّيَ عَلَيْكُمْ فَأَكْمِلُوا الْعَدَدَ " .
আবদুর রহমান ইবনু সাল্লাম আল জুমাহী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা (রমাযানের) চাঁদ দেখে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন শুরু কর এবং (শাওয়ালের) চাঁদ দেখে ইফত্বার (অর্থাৎ ঈদ) কর। আর যদি (নতুন চাঁদ উদয়ের দিন) আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে ত্রিশ দিন পূর্ণ কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৮২, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ، عُمَرَ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - قَالَ ذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْهِلاَلَ فَقَالَ " إِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَصُومُوا وَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَأَفْطِرُوا فَإِنْ أُغْمِيَ عَلَيْكُمْ فَعُدُّوا ثَلاَثِينَ " .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ চাঁদ দেখে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন কর এবং চাঁদ দেখে ইফত্বার কর (অর্থাৎ সিয়াম (রোজা/রোযা) সমাপ্ত কর)। আর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার কারণে তোমরা যদি মাসের আরম্ভ বা শেষ সম্পর্কে সন্দিহান হও তাহলে ঐ মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৮৪, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ عَلِيِّ، بْنِ مُبَارَكٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَقَدَّمُوا رَمَضَانَ بِصَوْمِ يَوْمٍ وَلاَ يَوْمَيْنِ إِلاَّ رَجُلٌ كَانَ يَصُومُ صَوْمًا فَلْيَصُمْهُ " .
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমরা কেউ রমাযানের একদিন কিংবা দু’দিন আগে হতে সাওম শুরু করবে না। তবে কেউ যদি এ সময় সিয়াম পালনে অভ্যস্ত থাকে তাহলে সে সেদিন সাওম পালন করতে পারবে”।
ইয়াহইয়া ইবনু বিশর আল হারীরী, ইবনুল মুসান্না ও আবূ উমার এবং যুহায়র ইবনু হারব, (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রমযান মাস শুরু হওয়ার একদিন বা দু' দিন পূর্ব থেকে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করো না। কিন্তু যে ব্যক্তি নির্দিষ্ট একদিনে সর্বদাই সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করে থাকে, আর ঐ নির্দিষ্ট দিনটি যদি চাঁদ উঠার দিন (বা তার আগের দিন) হয় তাহলে সে ঐ দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৮৬, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَقْسَمَ أَنْ لاَ يَدْخُلَ عَلَى أَزْوَاجِهِ شَهْرًا - قَالَ الزُّهْرِيُّ - فَأَخْبَرَنِي عُرْوَةُ عَنْ عَائِشَةَ - رضى الله عنها - قَالَتْ لَمَّا مَضَتْ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ لَيْلَةً أَعُدُّهُنَّ دَخَلَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - قَالَتْ بَدَأَ بِي - فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّكَ أَقْسَمْتَ أَنْ لاَ تَدْخُلَ عَلَيْنَا شَهْرًا وَإِنَّكَ دَخَلْتَ مِنْ تِسْعٍ وَعِشْرِينَ أَعُدُّهُنَّ فَقَالَ " إِنَّ الشَّهْرَ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ " .
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) এক মাসের জন্য তার স্ত্রীদের কাছ থেকে দূরে থাকার শপথ করলেন। যুহরী বলেন, উরওয়াহ আমাকে এটা আয়িশাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে অবহিত করেছেন। তিনি বলেন, শপথের পর আমি দিন গণনা করছিলাম, উনত্রিশ রাত অতিবাহিত হওয়ার পর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বপ্রথম আমার কাছে আসলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি তো একমাস আমাদের সান্নিধ্য থেকে দূরে থাকার শপথ করেছেন, অথচ আপনি উনত্রিশ দিন অতিবাহিত করে এসেছেন। আমি তো দিনগুলোর পূর্ণ হিসাব রেখেছি। (অর্থাৎ একমাসের একদিন বাকী আছে) তিনি বললেনঃ মাস তো উনত্রিশ দিনেও হয়ে থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৮৭, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মাসের জন্য তার স্ত্রীদের সন্নিধ্য ত্যাগ করেছিলেন। তিনি উনত্রিশতম দিনে আমাদের কাছে আসলেন। আমরা বললাম, আজ তো উনত্রিশ দিন? তখন তিনি বললেনঃ উনত্রিশ দিনেও মাস হয়। তিনি তার উভয় হাত তিনবার একত্রে মিলিয়ে ইঙ্গিত করে বুঝিয়ে দিলেন। তৃতীয়বার তিনি একটি আঙ্গুল বন্ধ রাখলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৮৮, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَحَجَّاجُ بْنُ الشَّاعِرِ، قَالاَ حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، - رضى الله عنهما - يَقُولُ اعْتَزَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم نِسَاءَهُ شَهْرًا فَخَرَجَ إِلَيْنَا صَبَاحَ تِسْعٍ وَعِشْرِينَ فَقَالَ بَعْضُ الْقَوْمِ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّمَا أَصْبَحْنَا لِتِسْعٍ وَعِشْرِينَ . فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ الشَّهْرَ يَكُونُ تِسْعًا وَعِشْرِينَ " . ثُمَّ طَبَّقَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِيَدَيْهِ ثَلاَثًا مَرَّتَيْنِ بِأَصَابِعِ يَدَيْهِ كُلِّهَا وَالثَّالِثَةَ بِتِسْعٍ مِنْهَا .
হারূন ইবনু আবদুল্লাহ ও হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার স্ত্রীদের থেকে একমাস বিচ্ছিন্ন থাকলেন। অতঃপর তিনি উনত্রিশতম দিনের সকালে আমাদের কাছে আসলেন। উপস্থিত লোকদের কেউ কেউ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আজ তো আমরা উনত্রিশতম দিনের সকালে উপনীত হয়েছি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মাস তো উনত্রিশ দিনেও হয়। এরপর তিনি তিনবার উভয় হাত মিলালেন। প্রথম দু’বার উভয় হাতের সব আঙ্গুলগুলো একত্রে মিলালেন এবং তৃতীয়বার নয়টি আঙ্গুল একত্রে মিলালেন ও ইঙ্গিতে উনত্রিশ দিনে মাস বললেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৮৯, ইসলামীক সেন্টার)
হারূন ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার তার স্ত্রীদের সান্নিধ্য থেকে একমাস দূরে থাকার শপথ করলেন। অতঃপর উনত্রিশ দিন অতিবাহিত হলে তিনি সকালে অথবা বিকালে তাদের কাছে আসলেন। তাকে বলা হলো, হে আল্লাহর নবী! আপনি এক মাস আমাদের কাছে না আসার শপথ করেছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, উনত্রিশ দিনেও মাস হয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২৩৯০, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، - رضى الله عنه - قَالَ ضَرَبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ عَلَى الأُخْرَى فَقَالَ " الشَّهْرُ هَكَذَا وَهَكَذَا " . ثُمَّ نَقَصَ فِي الثَّالِثَةِ إِصْبَعًا .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... সাদ ইবনু ওয়াক্কাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার এক হাত দিয়ে অপর হাতের উপর আঘাত করলেন। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, মাস এভাবে এবং এভাবে। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তৃতীয়বারে একটি আঙ্গুল নীচু করে রাখলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৯২, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنِي الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّاءَ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، - رضى الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الشَّهْرُ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا " . عَشْرًا وَعَشْرًا وَتِسْعًا مَرَّةً .
কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু সা'দ থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মাস এরূপ, এরূপ এবং এরূপ অর্থাৎ দশ দিন এবং নয় দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৯৩, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতায়বাহ ও ইবনু হুজুর (রহঃ) ...... কুরায়ব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। হারিসের কন্যা উম্মুল ফাযল তাকে সিরিয়ায় মুআবিয়াহ (রাযিঃ) এর নিকট পাঠালেন। কুরায়ব বলেন, অতঃপর আমি সিরিয়া পৌছে তার প্রয়োজনীয় কাজ সমাপন করলাম। আমি সিরিয়ায় থাকতেই রমযান এসে গেল। আমি জুমুআর রাতে রমযানের চাঁদ দেখতে পেলাম। অতঃপর মাসের শেষদিকে আমি মাদীনায় ফিরে এলাম। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) সিয়াম (রোজা/রোযা) সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে আমাদের জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কখন চাঁদ দেখেছ? আমি বললাম, আমি তো জুমুআর রাতেই চাঁদ দেখেছি। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, তুমি নিজেই কি তা দেখেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ, অন্যান্য লোকেরাও দেখেছে এবং তারা সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করেছে। এমনকি মু'আবিয়াহ্ (রাযিঃ)-ও সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করছেন। তিনি বলেন, আমরা তো শনিবার রাতে চাঁদ দেখেছি, আমরা পূর্ণ ত্রিশটি রোযা রাখব অথবা এর আগে যদি চাঁদ দেখতে পাই তাহলে তখন ইফত্বার করব। আমি বললাম, আপনি কি মু'আবিয়াহ (রাযিঃ) এর চাঁদ দেখা ও সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করাকে (রমাযান মাস শুরু হওয়ার জন্য) যথেষ্ট মনে করেন না? তিনি বললেনঃ না, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের এভাবেই (চাঁদ দেখে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করা ও ইফতার করার জন্য) নির্দেশ দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৯৫, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আবূল বাখতারী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা উমরাহ করার জন্য বের হলাম। যখন আমরা (মাক্কাহ (মক্কা) ও ত্বায়িফের মাঝামাঝি অবস্থিত) “বাত্বনে নাখলাহ" নামক স্থানে অবতরণ করলাম সকলে মিলে চাঁদ দেখতে লাগলাম। লোকেদের মধ্যে কেউ কেউ বলল, এ তো তিনদিনের চাঁদ, আবার কেউ বলল দু'দিনের। বর্ণনাকারী বলেন, পরে আমরা ইবনু “আব্বাস (রাযিঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করে বললাম, আমরা চাঁদ দেখেছি। কিন্তু লোকেদের মধ্যে কেউ কেউ বলেছে, এতো দু'দিনের চাঁদ আবার কেউ কেউ বলেছে এতো তিন দিনের চাঁদ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কোন রাতে চাঁদ দেখেছে? আমরা বললাম, অমুক দিন, অমুক রাতে। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেদিন রাতে চাঁদ দেখতেন ঐ দিনেরই তারিখ ধরতেন। সুতরাং চাঁদ সে রাতেই উঠেছে যে রাতে তোমরা দেখেছো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৯৬, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, ইবনুল মুসান্না ও ইবনুল বাশশার (রহঃ) ...... আবূল বাখতারী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, “আমরা যখন যাতু ইরক নামক স্থানে অবস্থান করছিলাম তখন রমযানের চাঁদ দেখতে পেলাম। অতঃপর আমরা এক ব্যক্তিকে ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর কাছে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠালাম। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা চাঁদ দেখার সাথে মাস নির্ধারণ করেছেন, যদি তোমাদের নিকট অপ্রকাশিত থাকে (মেঘের কারণে) তাহলে তোমরা (ত্রিশ দিনে) মাস পূর্ণ কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৯৭, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، بْنِ أَبِي بَكْرَةَ عَنْ أَبِيهِ، - رضى الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " شَهْرَا عِيدٍ لاَ يَنْقُصَانِ رَمَضَانُ وَذُو الْحِجَّةِ " .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকরাহ তার পিতা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঈদের দু'মাস অসম্পূর্ণ হয় না। সে মাস দুটি হলো- রমযান ও যিলহাজ্জ।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৯৮, ইসলামীক সেন্টার ২৩৯৮[ক)
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আবূ বাকরাহ (রাযিঃ) তার পিতা থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ঈদের দু'মাস অসম্পূর্ণ হয় না। খালিদের বর্ণিত হাদীসে আছেঃ ঈদের দু' মাস হচ্ছে রমযান এবং যিলহাজ্জ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৯৯, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বকর ইবনু আবূ শয়বাহ (রহঃ) ... আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। যখন এ আয়াতحَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ পানাহার কর যতক্ষণ তোমাদের সামনে কালো রেখা থেকে সাদা রেখা সুস্পষ্ট হয়ে না উঠে"- (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ১৮৭) নাযিল হলো, তখন আদী (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার বালিশের নীচে একটি কালো ও একটি সাদা রংয়ের রশি রেখে দিয়েছি। এগুলোর দ্বারা আমি রাত ও দিনের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করে থাকি। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (হাসি-ঠাট্টাচ্ছলে) বললেন, তোমার বালিশ তো খুবই চওড়া। জেনে রাখো, এ-তো রাতের অন্ধকার ও দিনের শুভ্রতা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪০০, ইসলামীক সেন্টার)
উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার আল কাওয়ারীরী (রহঃ) ... সাহল ইবনু সা'দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিতও। তিনি বলেন, وَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ পানাহার কর যতক্ষণ তোমাদের সামনে কালো রেখা থেকে সাদা রেখা সুস্পষ্ট হয়ে না উঠে”— (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ১৮৭) নাযিল হল, তখন লোকেরা একটি কালো এবং একটি সাদা রশি রাখত। তারা উভয় রশি সুস্পষ্টভাবে প্রতিভাত না হওয়া পর্যন্ত খেতে থাকত। এরপর মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তা'আলা مِنَ الْفَجْرِ (ফজরের) কথাটি নাযিল করে বিষয়টির অস্পষ্টতা ও জটিলতা দূরীভূত হলো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪০১, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মদ ইবনু সাহল আত তামীমী ও আবূ বকর ইবনু ইসহাক (রহঃ) ..... সাহল ইবনু সা'দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিতও। তিনি বলেন, যখন এ আয়াত وَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ "তোমরা সাদা রেখা স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত পানাহার কর" অবতীর্ণ হলো- কোন ব্যক্তি সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করার ইচ্ছা করত এবং নিজের উভয় পায়ে সাদা ও কালো দুটি সূতা বেঁধে নিত। অতঃপর সাদা ও কালো বর্ণ স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত পানাহার করতে থাকত। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা “ফজরের" কথাটি অবতীর্ণ করলেন। তখন তারা সকলেই জানতে পারল যে, সাদা ও কালো রেখার অর্থ হলো রাত (রাতের অন্ধকার) ও দিন (দিনের আলো)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪০২, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَمُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، ح وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ، سَعِيدٍ حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، - رضى الله عنه - عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " إِنَّ بِلاَلاً يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى تَسْمَعُوا تَأْذِينَ ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ " .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) .... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ "বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়। তাই তোমরা ইবনু মাকতুমের আযান শুনতে না পাওয়া পর্যন্ত পানাহার করতে থাক।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪০৩, ইসলামীক সেন্টার)
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ “বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়। তাই তোমরা ইবনু মাকতুমের আযান না শুনা পর্যন্ত পানাহার করতে থাক।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪০৪, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - قَالَ كَانَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُؤَذِّنَانِ بِلاَلٌ وَابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ الأَعْمَى فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ بِلاَلاً يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ " . قَالَ وَلَمْ يَكُنْ بَيْنَهُمَا إِلاَّ أَنْ يَنْزِلَ هَذَا وَيَرْقَى هَذَا .
ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দু'জন মুয়াযযিন ছিলেন, তারা হলেন, বিলাল (রাযিঃ) ও উম্মু মাকতুমের অন্ধ ছেলে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বিলাল (রাযিঃ) রাতেই আযান দেয়। অতএব ইবনু উম্মু মাকতুম আযান না দেয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার কর। বর্ণনাকারী বলেনঃ দু'জনের আযানের ব্যবধান ছিল যে, একজন আযান দিয়ে নামত অপরজন আযান দিতে আরোহণ করত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪০৫, ইসলামীক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ .
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪০৬, ইসলামীক সেন্টার)
ইবনু মাসউদ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কাউকেই যেন বিলালের আযান অবশ্যই তার সাহরী খাওয়া হতে বিরত না রাখে। কেননা সে রাতেই আযান দেয়, যাতে তোমাদের কিয়ামকারীগণ সাহরী খেতে শুরু করে এবং ঘুমন্ত ব্যক্তি সাহরী খাওয়ার জন্য জাগে। তিনি তার হাতে আঙ্গুল ফাঁকা করে দু'জনের আযানের সময়ের ব্যবধান বুঝালেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪০৮, ইসলামীক সেন্টার)
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... সুলায়মান আত তায়মী (রহঃ) এ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি বলেছেনঃ এটাকে ফাজর (ফজর) বলে না- এ বলে তিনি তার আঙ্গুলগুলো একত্র করলেন অতঃপর তা মাটির (পৃথিবীর) দিকে উল্টালেন। বরং ফাজর (ফজর) এটাকে বলে- এ বলে তিনি তাসবীহ পাঠের আঙ্গুলের উপর আরেক তাসবীহ পাঠের আঙ্গুল স্থাপন করে তার দু'হাত সম্প্রসারণ করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪০৯, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু শায়বাহ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, জারীর ও মু'তামির উভয়েই সুলায়মান আত তায়মী (রহঃ) এর বরাতে অত্র সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। মু'তামির এর হাদীস এ পর্যন্ত শেষ হয়েছে “তোমাদের ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগিয়ে দেন বরং কিয়ামকারীদেরকে ফিরিয়ে দেন। জারীরের হাদীসে এ কথাও আছে যে, লম্বা রেখাকে ফাজর (ফজর) বলে না বরং ফাজর (ফজর) বলে প্রশস্ত আলোকে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪১০, ইসলামীক সেন্টার)
حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَوَادَةَ الْقُشَيْرِيِّ، حَدَّثَنِي وَالِدِي، أَنَّهُ سَمِعَ سَمُرَةَ بْنَ جُنْدُبٍ، يَقُولُ سَمِعْتُ مُحَمَّدًا، صلى الله عليه وسلم يَقُولُ
শায়বান ইবনু ফাবরূখ (রহঃ) ..... সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট শুনেছি, তিনি বলেছেন, বিলালের আহ্বান যেন তোমাদেরকে সাহরী খাওয়া থেকে ধোকায় না ফেলে এবং এ শুভ্র রেখাও; যতক্ষণ পর্যন্ত না তা বিস্তৃত হয়ে প্রতিভাত হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪১৫, ইসলামীক সেন্টার)
এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।
২৮৫টির মধ্যে ৫০
২৮৫টি বর্ণনা · নম্বর ২৪৯৫–২৭৭৯
আরবি পাঠ, নম্বর, অধ্যায়ের নাম ও মান — সবই একটি উন্মুক্ত ডেটাসেটে (hadith-api) যেমন আছে হুবহু তেমন দেখানো হয়েছে। সাবীল এখনও এর নির্ভুলতা বা স্বত্ব যাচাই করেনি, আর আলেমদের পর্যালোচনাও শুরু হয়নি। ততদিন কোনো বর্ণনার ওপর নির্ভর করার আগে ছাপা সংস্করণের সাথে মিলিয়ে নিন।