মূল অংশে যান
মুয়াত্তা মালিক

অধ্যায় ৫৪ · General Subjects

৪৫টি বর্ণনা · নম্বর ১৭৬৩–১৮০৭

প্রতিটি বর্ণনার নিচে ডেটাসেটের নিজস্ব অনুবাদ হুবহু দেখানো হয়েছে। এতে অনুবাদকের নাম নেই, এর স্বত্ব যাচাই হয়নি, এবং কেউ এটি আরবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেননি; কিছু বর্ণনার অনুবাদ নেই। মূল পাঠ আরবি।

নং ১৭৬৩অধ্যায় ৫৪, নং ১
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ صَفْوَانَ بْنَ سُلَيْمٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَأَلَهُ رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَسْتَأْذِنُ عَلَى أُمِّي فَقَالَ ‏"‏ نَعَمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ الرَّجُلُ إِنِّي مَعَهَا فِي الْبَيْتِ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اسْتَأْذِنْ عَلَيْهَا ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ الرَّجُلُ إِنِّي خَادِمُهَا ‏.‏ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اسْتَأْذِنْ عَلَيْهَا أَتُحِبُّ أَنْ تَرَاهَا عُرْيَانَةً ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَاسْتَأْذِنْ عَلَيْهَا ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১. আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ)-এর বর্ণনা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি ঘরে প্রবেশ করার জন্য আমার আম্মার কাছে অনুমতি চাহিব কি? অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, হ্যাঁ। লোকটি বলিল, আমি তো তাহার সাথে একই ঘরে থাকি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, অনুমতি লইয়া যাও। লোকটি আবার বলিল, আমি তো তাহার সাথে একই ঘরে থাকি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, অনুমতি লইয়া যাও। তুমি কি তোমার আম্মাকে উলঙ্গ দেখিতে চাও? লোকটি বলিল, না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তবে অনুমতি লইয়া যাও।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • DaifSalim al-Hilali
নং ১৭৬৪অধ্যায় ৫৪, নং ২
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ الثِّقَةِ، عِنْدَهُ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَشَجِّ، عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، أَنَّهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الاِسْتِئْذَانُ ثَلاَثٌ فَإِنْ أُذِنَ لَكَ فَادْخُلْ وَإِلاَّ فَارْجِعْ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২. আবূ মূসা আশ'আরী (রাঃ) বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমাইয়াছেন, তিনবার অনুমতি নিতে হয়। অতঃপর অনুমতি হইলে প্রবেশ করবে, অন্যথায় প্রত্যাবর্তন করিবে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৬৫অধ্যায় ৫৪, নং ৩
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ غَيْرِ، وَاحِدٍ، مِنْ عُلَمَائِهِمْ أَنَّ أَبَا مُوسَى الأَشْعَرِيَّ، جَاءَ يَسْتَأْذِنُ عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَاسْتَأْذَنَ ثَلاَثًا ثُمَّ رَجَعَ فَأَرْسَلَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ فِي أَثَرِهِ فَقَالَ مَا لَكَ لَمْ تَدْخُلْ فَقَالَ أَبُو مُوسَى سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ الاِسْتِئْذَانُ ثَلاَثٌ فَإِنْ أُذِنَ لَكَ فَادْخُلْ وَإِلاَّ فَارْجِعْ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ وَمَنْ يَعْلَمُ هَذَا لَئِنْ لَمْ تَأْتِنِي بِمَنْ يَعْلَمُ ذَلِكَ لأَفْعَلَنَّ بِكَ كَذَا وَكَذَا ‏.‏ فَخَرَجَ أَبُو مُوسَى حَتَّى جَاءَ مَجْلِسًا فِي الْمَسْجِدِ يُقَالُ لَهُ مَجْلِسُ الأَنْصَارِ فَقَالَ إِنِّي أَخْبَرْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ الاِسْتِئْذَانُ ثَلاَثٌ فَإِنْ أُذِنَ لَكَ فَادْخُلْ وَإِلاَّ فَارْجِعْ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ لَئِنْ لَمْ تَأْتِنِي بِمَنْ يَعْلَمُ هَذَا لأَفْعَلَنَّ بِكَ كَذَا وَكَذَا ‏.‏ فَإِنْ كَانَ سَمِعَ ذَلِكَ أَحَدٌ مِنْكُمْ فَلْيَقُمْ مَعِي ‏.‏ فَقَالُوا لأَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قُمْ مَعَهُ ‏.‏ وَكَانَ أَبُو سَعِيدٍ أَصْغَرَهُمْ فَقَامَ مَعَهُ فَأَخْبَرَ بِذَلِكَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ لأَبِي مُوسَى أَمَا إِنِّي لَمْ أَتَّهِمْكَ وَلَكِنْ خَشِيتُ أَنْ يَتَقَوَّلَ النَّاسُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩. রবীয়া ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) এবং আরো অনেক আলিম হইতে বর্ণিত, আবূ মূসা আশ'আরী (রাঃ) উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশ করার জন্য তিনবার অনুমতি প্রার্থনা করিলেন। তিনবারেও অনুমতি না পাইয়া তিনি ফিরিয়া গেলেন। উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) তাহাকে (আবু মূসাকে) ডাকিয়া আনিবার জন্য তাহার পিছনে মানুষ প্রেরণ করিলেন। অতঃপর তিনি আসার পর উমর (রাঃ) জিজ্ঞাসা করিলেন, তুমি ঘরে প্রবেশ করিলে না কেন? আবূ মূসা (রাঃ) বলিলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট শ্রবণ করিয়াছি, তিনি বলিয়াছেন, তিনবার অনুমতি চাহিতে হয়। অনুমতি দিলে প্রবেশ কর, অন্যথায় ফিরিয়া যাও। অতঃপর উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) বলিলেন, তুমি ছাড়া এই হাদীস আর কেহ শ্রবণ করিয়াছে কি? যে শ্ৰবণ করিয়াছে তাহাকে লইয়া আস। যদি তুমি তাহা না কর, তবে আমি তোমাকে শাস্তি দিব। অবশেষে আবূ মূসা বাহির হইয়া আসিলেন যে, মসজিদে অনেক লোক বসা আছে। ইহারা সকলেই আনসারগণের এক মজলিসে বসিয়াছিল। সেখানে যাইয়া (আবু মূসা আশ'আরী) বলিলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট শ্রবণ করিয়াছি, তিনি বলিয়াছেন যে, (ঘরে প্রবেশ করার জন্য) তিনবার অনুমতি চাহিতে হয়। অনুমতি পাইলে প্রবেশ করিবে অন্যথায় ফিরিয়া যাইবে। আমি উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট এই হাদীস বর্ণনা করার পর তিনি বলিলেন, এই হাদীস অপর কেহ শ্রবণ করিলে তাহাকে লইয়া আস নতুবা আমি তোমাকে শাস্তি দিব। অতএব তোমাদের মধ্যে যদি কেহ এই হাদীস শ্রবণ করিয়া থাক, তবে (মেহেরবানী করিয়া) আমার সঙ্গে আস। (উপস্থিত) সকলেই আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ)-কে বলিল, তুমি যাও। আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) তাঁহাদের মধ্যে বয়সে সকলের ছোট ছিলেন। অতঃপর আবু সাঈদ (রাঃ) আবূ মূসা (রাঃ)-এর সঙ্গে উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট আসিয়া উক্ত হাদীস বর্ণনা করিলেন। অতঃপর উমর (রাঃ) আবু মূসা আশ'আরীকে বলিলেন, আমি তোমাকে মিথ্যাবাদী বলিয়া মনে করি নাই। তবে আমার ভয় ছিল যে, রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলয়হি ওয়া সাল্লামের হাদীসের সাথে কেহ অন্য কোন কথা সংযোজন করিবে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৬৬অধ্যায় ৫৪, নং ৪
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنْ عَطَسَ فَشَمِّتْهُ ثُمَّ إِنْ عَطَسَ فَشَمِّتْهُ ثُمَّ إِنْ عَطَسَ فَشَمِّتْهُ ثُمَّ إِنْ عَطَسَ فَقُلْ إِنَّكَ مَضْنُوكٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ لاَ أَدْرِي أَبَعْدَ الثَّالِثَةِ أَوِ الرَّابِعَةِ
রেওয়ায়ত ৪. আবদুল্লাহ ইবন আবু বকর (রাঃ) নিজের পিতার নিকট হইতে বর্ণনা করেন, রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন যে, যদি কেহ হাঁচি দেয়, তবে তাহাকে (উহার) জওয়াব দাও (অর্থাৎ হাঁচির পর সে যখন “আল হামদুলিল্লাহ” বলিবে, তোমরা তখন “ইয়ারহামুকুমুল্লাহ” বলিবে। সে আবার হাঁচি দিলে, তবে জওয়াব দিবে। আবার হাঁচি দিলে জওয়াব দিবে। আবার হাঁচি দিলে বলিবে যে, তোমার সর্দি হইয়াছে। আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তৃতীয়বারের পর, চতুর্থবারের পর এই কথা বলিতে হুকুম করিয়াছেন তাহা আমার ভাল স্মরণ নাই।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Sahih LighairihiSalim al-Hilali
নং ১৭৬৭অধ্যায় ৫৪, নং ৫
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ إِذَا عَطَسَ فَقِيلَ لَهُ يَرْحَمُكَ اللَّهُ ‏.‏ قَالَ يَرْحَمُنَا اللَّهُ وَإِيَّاكُمْ وَيَغْفِرُ لَنَا وَلَكُمْ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫. নাফি’ (রহঃ)-এর রেওয়ায়ত-আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ)-এর হাঁচি আসিলে (তাহার আলহামদুলিল্লাহর জওয়াবে) কেহ “ইয়ারহামুকাল্লাহ” বলিলে তিনি (يَرْحَمُنَا اللَّهُ وَإِيَّاكُمْ وَيَغْفِرُ لَنَا وَلَكُمْ) “ইয়ারহামনা ওয়া ইয়্যাকুম ওয়া ইয়াগফির লানা ওয়ালাকুম” বলিতেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৬৮অধ্যায় ৫৪, নং ৬
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، أَنَّ رَافِعَ بْنَ إِسْحَاقَ، مَوْلَى الشِّفَاءِ أَخْبَرَهُ قَالَ دَخَلْتُ أَنَا وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي طَلْحَةَ، عَلَى أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ نَعُودُهُ فَقَالَ لَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَخْبَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَنَّ الْمَلاَئِكَةَ لاَ تَدْخُلُ بَيْتًا فِيهِ تَمَاثِيلُ أَوْ تَصَاوِيرُ ‏"‏ ‏.‏ شَكَّ إِسْحَاقُ لاَ يَدْرِي أَيَّتَهُمَا قَالَ أَبُو سَعِيدٍ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬. শেফা (রহঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম রাফি ইবনে ইসহাক (রহঃ) বলেন, আমি ও আবদুল্লাহ ইবন আবূ তালহা (রাঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ)-কে যিনি অসুস্থ ছিলেন – দেখিতে গেলাম। অতঃপর আবু সাঈদ (রাঃ) বলিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলিয়াছেন যে, যেই ঘরে ছবি কিংবা মূর্তি থাকে, সেই ঘরে (রহমতের) ফেরেশতা প্রবেশ করেন না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৬৯অধ্যায় ৫৪, নং ৭
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى أَبِي طَلْحَةَ الأَنْصَارِيِّ يَعُودُهُ قَالَ فَوَجَدَ عِنْدَهُ سَهْلَ بْنَ حُنَيْفٍ فَدَعَا أَبُو طَلْحَةَ إِنْسَانًا فَنَزَعَ نَمَطًا مِنْ تَحْتِهِ فَقَالَ لَهُ سَهْلُ بْنُ حُنَيْفٍ لِمَ تَنْزِعُهُ قَالَ لأَنَّ فِيهِ تَصَاوِيرَ وَقَدْ قَالَ فِيهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا قَدْ عَلِمْتَ ‏.‏ فَقَالَ سَهْلٌ أَلَمْ يَقُلْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِلاَّ مَا كَانَ رَقْمًا فِي ثَوْبٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ بَلَى وَلَكِنَّهُ أَطْيَبُ لِنَفْسِي ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭. উবায়দুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ ইবন উতবা ইবন মাসউদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবু তালহা আনসারী (রাঃ)-কে দেখিতে গেলাম (তিনি অসুস্থ ছিলেন)। সেখানে সহল ইবনে হুনাইফকেও দেখিলাম। আবু তালহা একজনকে ডাকিয়া আমার (পায়ের) নিচ হইতে শতরঞ্জী তুলিয়া লইতে নির্দেশ দিলেন। সহল ইবনে হানীফ বলিলেন, কেন তুলিয়া লইতেছ? আবু তালহা বলিলেন, এইজন্য যে, ইহাতে ছবি রহিয়াছে আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছবি সম্বন্ধে যাহা বলিয়াছেন উহা আপনার জানা আছে। সহল বলিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহা কি বলেন নাই যে, কাপড়ে অঙ্কিত হইলে কোন অসুবিধা নাই। আবু তালহা বলিলেন, হ্যাঁ, বলিয়াছেন। তবে আমি যেকোন রকমের ছবি হইতে বাঁচিয়া থাকিতে চাই।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৭০অধ্যায় ৫৪, নং ৮
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا اشْتَرَتْ نُمْرُقَةً فِيهَا تَصَاوِيرُ فَلَمَّا رَآهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَامَ عَلَى الْبَابِ فَلَمْ يَدْخُلْ فَعَرَفَتْ فِي وَجْهِهِ الْكَرَاهِيَةَ وَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتُوبُ إِلَى اللَّهِ وَإِلَى رَسُولِهِ فَمَاذَا أَذْنَبْتُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَمَا بَالُ هَذِهِ النُّمْرُقَةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتِ اشْتَرَيْتُهَا لَكَ تَقْعُدُ عَلَيْهَا وَتَوَسَّدُهَا ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّ أَصْحَابَ هَذِهِ الصُّوَرِ يُعَذَّبُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يُقَالُ لَهُمْ أَحْيُوا مَا خَلَقْتُمْ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ إِنَّ الْبَيْتَ الَّذِي فِيهِ الصُّوَرُ لاَ تَدْخُلُهُ الْمَلاَئِكَةُ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৮. নবী-পত্নী আয়েশা (রাঃ) একটি ছোট বালিশ ক্রয় করিয়াছিলেন। উহাতে ছবি অঙ্কিত ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (বাহির হইতে আগমন করিয়া ঘরে প্রবেশ করার সময়) যখন উহা দেখিলেন, তখন ঘরের দরজায় দাঁড়াইয়া গেলেন এবং ঘরে পবেশ করিলেন না। আয়েশা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারা মুবারকে উহার অপছন্দ হওয়ার লক্ষণ দেখিলেন এবং বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আল্লাহ ও তাহার রাসূলের কাছে তওবা করিতেছি, আমি অপরাধ করিয়াছি। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, ইহা কি রকম গদি ? আয়েশা (রাঃ) উত্তর দিলেন, এই গদিটি আমি আপনার জন্য ক্রয় করিয়াছি যে, আপনি উহার উপর বসিবেন এবং উহাতে হেলান দিবেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, ছবি অঙ্কনকারীকে রোজ হাশরে আযাব দেওয়া হইবে এবং তাহাদেরকে বলা হইবে যে, তোমরা যাহা সৃষ্টি করিয়াছ, উহাকে জীবিত কর (অর্থাৎ উহাতে প্রাণ সঞ্চার কর)। অতঃপর তিনি বলিলেন, যেই ঘরে ছবি থাকে, সেই ঘরে ফেরেশতা আসে না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৭১অধ্যায় ৫৪, নং ৯
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي صَعْصَعَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّهُ قَالَ دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْتَ مَيْمُونَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ فَإِذَا ضِبَابٌ فِيهَا بَيْضٌ وَمَعَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ وَخَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ فَقَالَ ‏"‏ مِنْ أَيْنَ لَكُمْ هَذَا ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَتْ أَهْدَتْهُ لِي أُخْتِي هُزَيْلَةُ بِنْتُ الْحَارِثِ ‏.‏ فَقَالَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ وَخَالِدِ بْنِ الْوَلِيدِ ‏"‏ كُلاَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالاَ أَوَلاَ تَأْكُلُ أَنْتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ ‏"‏ إِنِّي تَحْضُرُنِي مِنَ اللَّهِ حَاضِرَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ مَيْمُونَةُ أَنَسْقِيكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مِنْ لَبَنٍ عِنْدَنَا فَقَالَ ‏"‏ نَعَمْ ‏"‏ ‏.‏ فَلَمَّا شَرِبَ قَالَ ‏"‏ مِنْ أَيْنَ لَكُمْ هَذَا ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَتْ أَهْدَتْهُ لِي أُخْتِي هُزَيْلَةُ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَرَأَيْتِكِ جَارِيَتَكِ الَّتِي كُنْتِ اسْتَأْمَرْتِينِي فِي عِتْقِهَا أَعْطِيهَا أُخْتَكِ وَصِلِي بِهَا رَحِمَكِ تَرْعَى عَلَيْهَا فَإِنَّهُ خَيْرٌ لَكِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৯. সুলায়মান ইবনে ইয়াসার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মায়মুনা বিনত হারিস (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশ করিলেন। সেখানে তিনি সান্ডা (দব্ব) এর সাদা গোশত দেখিতে পাইলেন। তাহার সঙ্গে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) ও খালিদ ইবনে ওলীদ (রাঃ) ছিলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করিলেন, তোমার নিকট এই গোশত কোথা হইতে আসিল? মায়মুনা (রাঃ) উত্তর দিলেন, আমার ভগ্নি হুযায়লা বিনতে হারিস (রাঃ) আমার নিকট হাদিয়া পাঠাইয়াছে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) ও খালিদ ইবনে ওলীদকে বলিলেন, তোমরা খাও। তাহারা বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনি খাইবেন না। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, আমার নিকট আল্লাহর পক্ষ হইতে কেহ না কেহ আগমন করেন। (ইহাতে এক প্রকার গন্ধ আছে, ফলে আগমনকারীর কষ্ট হইবে; তাই আমি খাইব না।) মায়মুনা বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনাকে দুধ পান করাইব কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, হ্যাঁ। অতঃপর দুধ পান করিয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করিলেন, এই দুধ তোমার নিকট কোথা হইতে আসিল? মায়মুনা (রাঃ) বলিলেন, আমার ভগ্নি হুযায়লা আমার নিকট হাদিয়া পাঠাইয়াছে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, যদি তুমি তোমার সেই দাসী তোমার ভগ্নিকে দিয়া দাও যাহাকে আযাদ করা সম্বন্ধে তুমি আমার নিকট পরামর্শ চাহিয়াছিলে, আত্মীয়তার খাতির কর এবং সেই দাসী তাহার ছাগল চরাইবে, তাহা হইলে উহা তোমার জন্য খুবই উত্তম হইবে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • DaifSalim al-Hilali
নং ১৭৭২অধ্যায় ৫৪, নং ১০
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ الْوَلِيدِ بْنِ الْمُغِيرَةِ، أَنَّهُ دَخَلَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْتَ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَأُتِيَ بِضَبٍّ مَحْنُوذٍ فَأَهْوَى إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ ‏.‏ فَقَالَ بَعْضُ النِّسْوَةِ اللاَّتِي فِي بَيْتِ مَيْمُونَةَ أَخْبِرُوا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمَا يُرِيدُ أَنْ يَأْكُلَ مِنْهُ ‏.‏ فَقِيلَ هُوَ ضَبٌّ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ فَرَفَعَ يَدَهُ فَقُلْتُ أَحَرَامٌ هُوَ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ ‏ "‏ لاَ وَلَكِنَّهُ لَمْ يَكُنْ بِأَرْضِ قَوْمِي فَأَجِدُنِي أَعَافُهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ خَالِدٌ فَاجْتَرَرْتُهُ فَأَكَلْتُهُ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنْظُرُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১০. খালিদ ইবন ওলীদ ইবনে মুগীরা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের সহিত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের সহধর্মিণী মায়মুনা (রাঃ)-এর ঘরে গমন করিলেন। সেখানে একটি ভুনা সান্ডা (দব্ব) আনয়ন করা হইল। রাসূলল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহা খাওয়ার জন্য সেই দিকে হাত বাড়াইলেন। তখন মায়মুনা (রাঃ)-এর ঘরে আগত মহিলাদের মধ্যে কেহ বলিল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানাইয়া দাও যে, তিনি যাহা খাইতে চাহিতেছেন, উহা কিসের গোশত। তখন তাহাকে বলা হইল যে, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইহা সান্ডার গোশত। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত তুলিয়া লইলেন (এবং খাইলেন না)। আমি (খালিদ) জিজ্ঞাসা করিলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইহা কি হারাম? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, না। তবে যেহেতু আমাদের দেশে ইহা হয় না, তাই আমার পছন্দ হইতেছে না। খালিদ (রাঃ) বলেন, আমি উহা নিজের দিকে টানিয়া লইয়া খাইলাম, আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখিতেছিলেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৭৩অধ্যায় ৫৪, নং ১১
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَجُلاً، نَادَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا تَرَى فِي الضَّبِّ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لَسْتُ بِآكِلِهِ وَلاَ بِمُحَرِّمِهِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১১. আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আহবান করিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সান্ডা (দব্ব) এর গোশত সম্বন্ধে আপনি কি বলেন? রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, আমি উহা খাই না, তবে হারামও বলি না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৭৪অধ্যায় ৫৪, নং ১২
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ خُصَيْفَةَ، أَنَّ السَّائِبَ بْنَ يَزِيدَ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ سُفْيَانَ بْنَ أَبِي زُهَيْرٍ، وَهُوَ رَجُلٌ مِنْ أَزْدِ شَنُوءَةَ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يُحَدِّثُ نَاسًا مَعَهُ عِنْدَ بَابِ الْمَسْجِدِ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ مَنِ اقْتَنَى كَلْبًا لاَ يُغْنِي عَنْهُ زَرْعًا وَلاَ ضَرْعًا نَقَصَ مِنْ عَمَلِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ آنْتَ سَمِعْتَ هَذَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِي وَرَبِّ هَذَا الْمَسْجِدِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১২. সুফিয়ান ইবন আবু যুহাইর (রাঃ) মসজিদে নববীর দরজায় হাদীস বয়ান করিতেছিলেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট শ্রবণ করিয়াছি, তিনি বলিয়াছেন, যে ব্যক্তি কুকুর পালে, (তাহার এই কুকুর পালন) খেত-খামার ও ছাগলের হিফাজতের জন্য না হয়, তাহা হইলে তাহার নেক আমল হইতে প্রতিদিন এক কীরাত সমান কমিতে থাকিবে। সুফিয়ানের নিকট হাদীসের রাবী সায়েক জিজ্ঞাসা করিলেন, আপনি এই হাদীস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট শ্রবণ করিয়াছেন। তিনি বলিলেন, এই মসজিদের পরওয়ারদিগারের কসম! আমি নিশ্চয়ই শ্রবণ করিয়াছি।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৭৫অধ্যায় ৫৪, নং ১৩
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنِ اقْتَنَى كَلْبًا إِلاَّ كَلْبًا ضَارِيًا أَوْ كَلْبَ مَاشِيَةٍ نَقَصَ مِنْ عَمَلِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطَانِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৩. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলাল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, যে ব্যক্তি শিকার অথবা খেত-খামারের হিফাজতের উদ্দেশ্য ব্যতীত কুকুর (অনর্থক) পালন করে তবে তাহার নেক আমল হইতে প্রতিদিন দুই কীরাত সমান ক্ষতি হইবে (কমিয়া যাইবে)।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৭৬অধ্যায় ৫৪, নং ১৪
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمَرَ بِقَتْلِ الْكِلاَبِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৪. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর রেওয়ায়ত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুর হত্যা করার নির্দেশ দিয়াছেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৭৭অধ্যায় ৫৪, নং ১৫
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ رَأْسُ الْكُفْرِ نَحْوَ الْمَشْرِقِ وَالْفَخْرُ وَالْخُيَلاَءُ فِي أَهْلِ الْخَيْلِ وَالإِبِلِ وَالْفَدَّادِينَ أَهْلِ الْوَبَرِ وَالسَّكِينَةُ فِي أَهْلِ الْغَنَمِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৫. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, কুফরীর গোড়া হইল পূর্বদিকে। ঘোড়া ও উটওয়ালাদের মধ্যে অহঙ্কার আছে যাহাদের আওয়াজ বড় (কর্কশ) এবং জঙ্গলে (মাঠে) থাকে। আর নম্রতা ও শান্তি ছাগলওয়ালাদের মধ্যে আছে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৭৮অধ্যায় ৫৪, নং ১৬
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي صَعْصَعَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يُوشِكُ أَنْ يَكُونَ خَيْرُ مَالِ الْمُسْلِمِ غَنَمًا يَتْبَعُ بِهَا شَعَفَ الْجِبَالِ وَمَوَاقِعَ الْقَطْرِ يَفِرُّ بِدِينِهِ مِنَ الْفِتَنِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৬. আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ)-এর বর্ণনা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন যে, অদূর ভবিষ্যতে কয়েকটি ছাগলই মুসলিমদের উত্তম মাল (বলিয়া বিবেচিত) হইবে। তাহারা ফিতনা-ফাসাদ হইতে নিজেদের দীন রক্ষা করার নিমিত্ত পর্বতের চুড়ায় চলিয়া যাইবে অথবা কোন উপত্যকায় গিয়া আশ্রয় নিবে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৭৯অধ্যায় ৫৪, নং ১৭
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ يَحْتَلِبَنَّ أَحَدٌ مَاشِيَةَ أَحَدٍ بِغَيْرِ إِذْنِهِ أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَنْ تُؤْتَى مَشْرُبَتُهُ فَتُكْسَرَ خِزَانَتُهُ فَيُنْتَقَلَ طَعَامُهُ وَإِنَّمَا تَخْزُنُ لَهُمْ ضُرُوعُ مَوَاشِيهِمْ أَطْعِمَاتِهِمْ فَلاَ يَحْتَلِبَنَّ أَحَدٌ مَاشِيَةَ أَحَدٍ إِلاَّ بِإِذْنِهِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৭. ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন যে, মালিকের অনুমতি ব্যতিরেকে তোমরা কোন পশুর দুগ্ধ দোহন করিবে না। তোমাদের কেহ ইহা পছন্দ করিবে কি, কেহ তাহার ঘরে প্রবেশ করিয়া তাহার সিন্দুক ভাঙ্গিয়া তাহার সম্পদ ও খাদ্যসামগ্ৰী লইয়া যাইবে? (অর্থাৎ কখনও পছন্দ করিবে না) পশুর (দুধের) উহার মালিকের খাবারের সিন্দুক (বা গোলা)। সুতরাং মালিকের অনুমতি ব্যতিরেকে কেহ কাহারও জানোয়ারের দুধ দোহন করিবে না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৮০অধ্যায় ৫৪, নং ১৮
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ مَا مِنْ نَبِيِّ إِلاَّ قَدْ رَعَى غَنَمًا ‏"‏ ‏.‏ قِيلَ وَأَنْتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ وَأَنَا ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৮. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, এমন কোন নবী নাই যিনি ছাগল চরান নাই। জিজ্ঞাসা করা হইল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনিও কি (চরাইয়াছেন?) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, (হ্যাঁ) আমিও (চরাইয়াছি)।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৮১অধ্যায় ৫৪, নং ১৯
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، كَانَ يُقَرَّبُ إِلَيْهِ عَشَاؤُهُ فَيَسْمَعُ قِرَاءَةَ الإِمَامِ وَهُوَ فِي بَيْتِهِ فَلاَ يَعْجَلُ عَنْ طَعَامِهِ حَتَّى يَقْضِيَ حَاجَتَهُ مِنْهُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৯. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, ইবনে উমর (রাঃ)-এর কাছে রাতের খাবার পেশ করা হইত। তিনি তাহার ঘরে বসিয়া ইমামের (ইশার নামাযের) কিরাত শ্রবণ করিতেন। কিন্তু যতক্ষণ তৃপ্ত হইয়া না খাইতেন, খাওয়ার সময় (নামাযের জন্য) তাড়াহুড়া করিতেন না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৮২অধ্যায় ৫৪, নং ২০
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سُئِلَ عَنِ الْفَأْرَةِ تَقَعُ فِي السَّمْنِ فَقَالَ ‏ "‏ انْزِعُوهَا وَمَا حَوْلَهَا فَاطْرَحُوهُ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২০. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী মায়মুনা (রাঃ)-এর বর্ণনা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট জিজ্ঞাসা করা হইল যে, ঘৃতে ইদুর পতিত হইলে কি করিতে হইবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, উহা বাহিরে ফেলিয়া দাও এবং উহার আশেপাশের ঘৃতও ফেলিয়া দাও।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৮৩অধ্যায় ৫৪, নং ২১
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ أَبِي حَازِمِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنْ كَانَ فَفِي الْفَرَسِ وَالْمَرْأَةِ وَالْمَسْكَنِ ‏"‏ ‏.‏ يَعْنِي الشُّؤْمَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২১. সহল ইবনে সা'দ সায়েদী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, যদি অশুভ (নহুসত) বলিতে কিছু হইত, তবে ঘোড়া, স্ত্রীলোক ও ঘর (এই তিন বস্তু)-এ হইতে ।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৮৪অধ্যায় ৫৪, নং ২২
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حَمْزَةَ، وَسَالِمٍ، ابْنَىْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الشُّؤْمُ فِي الدَّارِ وَالْمَرْأَةِ وَالْفَرَسِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২২. আবদুল্লাহ্ ইবনে উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন যে ঘর, স্ত্রীলোক ও ঘোড়া (অর্থাৎ এই তিন বস্তুতে) অশুভ বিষয় আছে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • ShadhSalim al-Hilali
নং ১৭৮৫অধ্যায় ৫৪, নং ২৩
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ قَالَ جَاءَتِ امْرَأَةٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ دَارٌ سَكَنَّاهَا وَالْعَدَدُ كَثِيرٌ وَالْمَالُ وَافِرٌ فَقَلَّ الْعَدَدُ وَذَهَبَ الْمَالُ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ دَعُوهَا ذَمِيمَةً ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৩. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট জনৈকা স্ত্রীলোক আসিয়া বলিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! একটি ঘরে আমরা বাস করিতেছিলাম। (পরিবারে) আমরা সংখ্যায় অধিক ছিলাম এবং মালও ছিল বিপুল। এখন জনসংখ্যা কমিয়া গিয়াছে (অর্থাৎ অনেকেই মারা গিয়াছে) এবং মালও নষ্ট হইয়া গিয়াছে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, সেই ঘরকে যখন তুমি খারাপ মনে করিতেছ, তখন উহা ছাড়িয়া দাও।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Sahih LighairihiSalim al-Hilali
নং ১৭৮৬অধ্যায় ৫৪, নং ২৪
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ قَالَ لِلَقْحَةٍ تُحْلَبُ ‏"‏ مَنْ يَحْلُبُ هَذِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَا اسْمُكَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ لَهُ الرَّجُلُ مُرَّةُ ‏.‏ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اجْلِسْ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ مَنْ يَحْلُبُ هَذِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَا اسْمُكَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ حَرْبٌ ‏.‏ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اجْلِسْ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ مَنْ يَحْلُبُ هَذِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَا اسْمُكَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ يَعِيشُ ‏.‏ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ احْلُبْ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৪. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি দুধের উষ্ট্রীর দিকে ইশারা করিয়া বলিলেন, এই উষ্ট্রীর দুগ্ধ কে দোহন করিবে? অতঃপর এক ব্যক্তি দণ্ডায়মান হইলেন, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করিলেন, তোমার নাম কি? লোকটি বলিল, মুররা। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তুমি বস। (তিনি লোকটির নাম খারাপ মনে করিলেন। কারণ মুররা শব্দের অর্থ হইল তিক্ত)। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, কে দুগ্ধ দোহন করিবে ? (অপর) এক ব্যক্তি দণ্ডায়মান হইল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করিলেন, তোমার নাম কি ? লোকটি বলিল, হারব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তুমি বস। আবার বলিলেন, এই উষ্ট্রীর দুগ্ধ কে দোহন করিবে? (আর) এক ব্যক্তি দাঁড়াইল। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করিলেন, তোমার নাম কি? লোকটি বলিল, ইয়ায়ীশ । রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলয়হি ওয়া সাল্লাম বলিলেন, যাও, দুগ্ধ দোহন কর।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Sahih LighairihiSalim al-Hilali
নং ১৭৮৭অধ্যায় ৫৪, নং ২৫
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ لِرَجُلٍ مَا اسْمُكَ فَقَالَ جَمْرَةُ ‏.‏ فَقَالَ ابْنُ مَنْ فَقَالَ ابْنُ شِهَابٍ ‏.‏ قَالَ مِمَّنْ قَالَ مِنَ الْحُرَقَةِ ‏.‏ قَالَ أَيْنَ مَسْكَنُكَ قَالَ بِحَرَّةِ النَّارِ ‏.‏ قَالَ بِأَيِّهَا قَالَ بِذَاتِ لَظًى ‏.‏ قَالَ عُمَرُ أَدْرِكْ أَهْلَكَ فَقَدِ احْتَرَقُوا ‏.‏ قَالَ فَكَانَ كَمَا قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضى الله عنه ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৫. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করিলেন, তোমার নাম কি? লোকটি বলিল, জমরা (ইহার অর্থ আগুনের কয়লা বা অঙ্গার)। আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, তোমার পিতার নাম কি? লোকটি বলিল, শিহাব (অগ্নিশিখা)। আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, তুমি কোন গোত্রের? লোকটি বলিল, হারাক (জ্বলন্ত)। আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, কোথায় বাস কর? লোকটি বলিল, হাররাতুন্নারে (দোযখের গরমে)। আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, সেই স্থানটা কোথায়? লোকটি বলিল, যাতে লাযা (লাযা নামক দোযখে)। উমর (রাঃ) বলিলেন, যাও, গিয়া তোমার খবর লও; তাহারা সকলেই জ্বলিয়া গিয়াছে। লোকটি গিয়া দেখিল যে, সত্যই উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) যাহা বলিয়াছেন, তাহাই হইয়াছে (অর্থাৎ সকলেই জ্বলিয়া গিয়াছে)।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf DaifSalim al-Hilali
নং ১৭৮৮অধ্যায় ৫৪, নং ২৬
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ قَالَ احْتَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَجَمَهُ أَبُو طَيْبَةَ فَأَمَرَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِصَاعٍ مِنْ تَمْرٍ وَأَمَرَ أَهْلَهُ أَنْ يُخَفِّفُوا عَنْهُ مِنْ خَرَاجِهِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৬. আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু তায়েবার হাতে সিঙ্গা লাগাইয়াছিলেন এবং তাহাকে (আবু তায়েবাকে) পারিশ্রমিকস্বরূপ এক সা’ (আনুমানিক সাড়ে তিন সের) খেজুর দিবার জন্য বলিয়াছিলেন এবং তাহার মালিকদেরকে তাহার কর”[1] কম করার নির্দেশ দান করিলেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৮৯অধ্যায় ৫৪, নং ২৭
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنْ كَانَ دَوَاءٌ يَبْلُغُ الدَّاءَ فَإِنَّ الْحِجَامَةَ تَبْلُغُهُ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৭. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, যদি কোন ঔষধ সত্যই রোগ নিবারণে সক্ষম হইত, তবে নিশ্চয়ই উহা হইত সিঙ্গা।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • DaifSalim al-Hilali
নং ১৭৯০অধ্যায় ৫৪, নং ২৮
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ مُحَيِّصَةَ الأَنْصَارِيِّ، أَحَدِ بَنِي حَارِثَةَ أَنَّهُ اسْتَأْذَنَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي إِجَارَةِ الْحَجَّامِ فَنَهَاهُ عَنْهَا فَلَمْ يَزَلْ يَسْأَلُهُ وَيَسْتَأْذِنُهُ حَتَّى قَالَ ‏ "‏ اعْلِفْهُ نُضَّاحَكَ ‏"‏ ‏.‏ يَعْنِي رَقِيقَكَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৮. ইবন মুহাইয়েসা আনসারী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট জিজ্ঞাসা করিলেন, হাজ্জামের (যে সিঙ্গা লাগানোর কাজ করে তাহার) পারিশ্রমিক নিজের খরচের জন্য ব্যবহার করা কি রকম? (উদ্দেশ্য এই ছিল যে, তাহার গোলাম আবু তায়েবা এই কাজ করিত। ইবনে মুহাইয়েসা তাহার গোলামের এই কাজের পারিশ্রমিক নিজের খরচে ব্যবহার করিতে চাহিয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট এই প্রশ্ন করিয়াছিলেন)। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহা নিষেধ করিলেন। ইবন মুহাইয়েসা সর্বদা ইহা জিজ্ঞাসা করিতেন। অবশেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তাহার (আবু তায়েবার) আয় তুমি তোমার উটের ও গোলাম-দাসীর খোরাকে খরচ কর।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Sahih LighairihiSalim al-Hilali
নং ১৭৯১অধ্যায় ৫৪, নং ২৯
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُشِيرُ إِلَى الْمَشْرِقِ وَيَقُولُ ‏ "‏ هَا إِنَّ الْفِتْنَةَ هَا هُنَا إِنَّ الْفِتْنَةَ هَا هُنَا مِنْ حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৯. আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলেন আমি দেখিলাম যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পূর্বদিকে ইঙ্গিত করিয়া বলিতেছিলেন, ফিৎনা এইদিকে, ফিৎনা এইদিকে যেই দিকে শয়তানের শিং বাহির হয়।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৯২অধ্যায় ৫৪, নং ৩০
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، أَرَادَ الْخُرُوجَ إِلَى الْعِرَاقِ فَقَالَ لَهُ كَعْبُ الأَحْبَارِ لاَ تَخْرُجْ إِلَيْهَا يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ فَإِنَّ بِهَا تِسْعَةَ أَعْشَارِ السِّحْرِ وَبِهَا فَسَقَةُ الْجِنِّ وَبِهَا الدَّاءُ الْعُضَالُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩০. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) ইরাক গমন করিতে ইচ্ছা করিলেন। অতঃপর কা’ব আহবার তাহাকে বলিলেন, ইয়া আমীরুল মু'মিনীন! আপনি সেই দিকে গমন করিবেন না। কারণ সেই দেশে নয়-দশমাংশ যাদু আছে, সেখানে দুষ্ট প্রকৃতির জ্বিন আছে এবং সেখানে এক প্রকারের (মারাত্মক) রোগ আছে যাহার কোন চিকিৎসা (ঔষধ) নাই।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf DaifSalim al-Hilali
নং ১৭৯৩অধ্যায় ৫৪, নং ৩১
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ أَبِي لُبَابَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ قَتْلِ الْحَيَّاتِ الَّتِي فِي الْبُيُوتِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩১. আবু লুবাবা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সমস্ত সর্প ঘরে বাস করে উহাদেরকে মারিতে (হত্যা করিতে) নিষেধ করিয়াছেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৯৪অধ্যায় ৫৪, নং ৩২
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ سَائِبَةَ، مَوْلاَةٍ لِعَائِشَةَ ‏.‏ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ قَتْلِ الْجِنَّانِ الَّتِي فِي الْبُيُوتِ إِلاَّ ذَا الطُّفْيَتَيْنِ وَالأَبْتَرَ فَإِنَّهُمَا يَخْطِفَانِ الْبَصَرَ وَيَطْرَحَانِ مَا فِي بُطُونِ النِّسَاءِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩২. আয়েশা (রাঃ) কর্তৃক আযাদকৃত বাদী সায়েবা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই সমস্ত সর্পকে মারিতে নিষেধ করিয়াছেন, যাহা ঘরে বাস করে। তবে যুততুফয়াতাইন ও আবতর জাতীয় সর্প মারিতে নিষেধ করেন নাই। কেননা এই দুই প্রকার সর্প চক্ষু নষ্ট করে এবং মহিলাদের গর্ভ নষ্ট করে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৯৫অধ্যায় ৫৪, নং ৩৩
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ صَيْفِيٍّ، مَوْلَى ابْنِ أَفْلَحَ عَنْ أَبِي السَّائِبِ، مَوْلَى هِشَامِ بْنِ زُهْرَةَ أَنَّهُ قَالَ دَخَلْتُ عَلَى أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ فَوَجَدْتُهُ يُصَلِّي فَجَلَسْتُ أَنْتَظِرُهُ حَتَّى قَضَى صَلاَتَهُ فَسَمِعْتُ تَحْرِيكًا تَحْتَ سَرِيرٍ فِي بَيْتِهِ فَإِذَا حَيَّةٌ فَقُمْتُ لأَقْتُلَهَا فَأَشَارَ أَبُو سَعِيدٍ أَنِ اجْلِسْ فَلَمَّا انْصَرَفَ أَشَارَ إِلَى بَيْتٍ فِي الدَّارِ فَقَالَ أَتَرَى هَذَا الْبَيْتَ فَقُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ إِنَّهُ قَدْ كَانَ فِيهِ فَتًى حَدِيثُ عَهْدٍ بِعُرْسٍ فَخَرَجَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْخَنْدَقِ فَبَيْنَا هُوَ بِهِ إِذْ أَتَاهُ الْفَتَى يَسْتَأْذِنُهُ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ائْذَنْ لِي أُحْدِثُ بِأَهْلِي عَهْدًا فَأَذِنَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ ‏"‏ خُذْ عَلَيْكَ سِلاَحَكَ فَإِنِّي أَخْشَى عَلَيْكَ بَنِي قُرَيْظَةَ ‏"‏ فَانْطَلَقَ الْفَتَى إِلَى أَهْلِهِ فَوَجَدَ امْرَأَتَهُ قَائِمَةً بَيْنَ الْبَابَيْنِ فَأَهْوَى إِلَيْهَا بِالرُّمْحِ لِيَطْعُنَهَا وَأَدْرَكَتْهُ غَيْرَةٌ فَقَالَتْ لاَ تَعْجَلْ حَتَّى تَدْخُلَ وَتَنْظُرَ مَا فِي بَيْتِكَ ‏.‏ فَدَخَلَ فَإِذَا هُوَ بِحَيَّةٍ مُنْطَوِيَةٍ عَلَى فِرَاشِهِ فَرَكَزَ فِيهَا رُمْحَهُ ثُمَّ خَرَجَ بِهَا فَنَصَبَهُ فِي الدَّارِ فَاضْطَرَبَتِ الْحَيَّةُ فِي رَأْسِ الرُّمْحِ وَخَرَّ الْفَتَى مَيِّتًا فَمَا يُدْرَى أَيُّهُمَا كَانَ أَسْرَعَ مَوْتًا الْفَتَى أَمِ الْحَيَّةُ فَذُكِرَ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ إِنَّ بِالْمَدِينَةِ جِنًّا قَدْ أَسْلَمُوا فَإِذَا رَأَيْتُمْ مِنْهُمْ شَيْئًا فَآذِنُوهُ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ فَإِنْ بَدَا لَكُمْ بَعْدَ ذَلِكَ فَاقْتُلُوهُ فَإِنَّمَا هُوَ شَيْطَانٌ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৩. হিশামের আযাদকৃত গোলাম আবু সায়েব (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। তিনি নামায পড়িতেছিলেন। আমি তাহার নামায হইতে অবসর হইবার অপেক্ষায় বসিয়া রহিলাম। তিনি যখন নামায শেষ করিলেন তখন আমি তাহার ঘরের চৌকির নিচে সরসর শুনিতে পাইলাম। আমি তাকাইয়া দেখিলাম যে, উহা একটি সর্প। আমি উহাকে মারিতে উদ্যত হইলাম। আবু সাঈদ (রাঃ) আমাকে ইশারা করিলেন যে বস (অর্থাৎ মারিও না)। অতঃপর তিনি (আমার দিকে) ফিরিয়া ঘরের একটি কামরার দিকে ইশারা করিয়া বলিলেন, ঐ ঘরটি দেখিতেছ ? আমি বলিলাম, হ্যাঁ। তিনি বলিলেন, সেই ঘরে জনৈক যুবক বাস করিত, নূতন বিবাহ করিয়াছিল। সে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে পরিখা যুদ্ধে গমন করিয়াছিল। ইহার পর হঠাৎ এক সময় সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট আসিয়া বলিল, ইয়া রাসূলাল্লাহু! আমাকে একটু অনুমতি দান করুন, আমি আমার পরিবারের সঙ্গে একটু কথা বলিয়া আসি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে অনুমতি দান করিলেন এবং বলিলেন, যুদ্ধাস্ত্র সঙ্গে রাখ। কেননা বনু কুরায়যার আশঙ্কা রহিয়াছে (বনু কুরায়যা সেই ইহুদী গোত্র, যাহারা পরিখা যুদ্ধের সময় ওয়াদা ভঙ্গ করিয়া মক্কাবাসীদের সঙ্গে মিলিয়া মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হইয়াছিল)। যুবকটি অস্ত্রসহ রওয়ানা হইয়া গেল। ঘরে পৌছিয়া সে তাহার স্ত্রীকে ঘরের দুই দরজার মধ্যবর্তী স্থানে দগুায়মান দেখিতে পাইল। স্ত্রীকে এই অবস্থায় দেখিয়া সে ক্রোধান্বিত হইল এবং বর্শা দিয়া স্ত্রীকে হত্যা করিতে উদ্যত হইল। স্ত্রী বলিল, (আমাকে মারিতে এত) তাড়াহুড়া করিও না, বরং আগে ঘরের ভিতরে যাইয়া দেখ। অতঃপর সে ঘরের ভিতরে গিয়া দেখিল যে, কুগুলী পাকাইয়া একটি সর্প তাহার বিছানায় বসিয়া আছে। সে বর্শা দিয়া সপটিকে গাথিয়া ফেলিল এবং বর্শাটিকে ঘরে দাড় করাইয়া রাখিয়া দিয়া নিজে বাহির হইয়া আসিল। সপটি বর্শার ফলায় পেচাইতেছিল, আর তখনই যুবকটি মারা গেল। তবে ইহা জানা যায় নাই যে, যুবকটি আগে মারা গেল, না-সর্পটি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট উক্ত ঘটনা বিবৃত করা হইলে পরে তিনি বলিলেন, মদীনায় জ্বিন ইসলাম গ্রহণ করিয়াছে। অতএব তোমরা যদি সৰ্প দেখ তবে তিনদিন পর্যন্ত তাহাকে সতর্ক কর। তারপরেও যদি তাহাকে দেখ, তবে তাহাকে হত্যা কর। কেননা সে শয়তান।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৯৬অধ্যায় ৫৪, নং ৩৪
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا وَضَعَ رِجْلَهُ فِي الْغَرْزِ وَهُوَ يُرِيدُ السَّفَرَ يَقُولُ ‏ "‏ بِاسْمِ اللَّهِ ‏.‏ اللَّهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الأَهْلِ اللَّهُمَّ ازْوِ لَنَا الأَرْضَ وَهَوِّنْ عَلَيْنَا السَّفَرَ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ وَمِنْ كَآبَةِ الْمُنْقَلَبِ وَمِنْ سُوءِ الْمَنْظَرِ فِي الْمَالِ وَالأَهْلِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৪. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরের উদ্দেশ্যে রেকবে পা রাখার প্রাক্কালে এই দোয়া করিতেনঃ بِاسْمِ اللَّهِ ‏.‏ اللَّهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الأَهْلِ اللَّهُمَّ ازْوِ لَنَا الأَرْضَ وَهَوِّنْ عَلَيْنَا السَّفَرَ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ وَمِنْ كَآبَةِ الْمُنْقَلَبِ وَمِنْ سُوءِ الْمَنْظَرِ فِي الْمَالِ وَالأَهْلِ আমি আল্লাহর নামে সফর আরম্ভ করিতেছি। হে আল্লাহ! তুমি আমার সফরের সাথী আমার পরিবারের জন্য আমার স্থলাভিষিক্ত। হে আল্লাহ! আমার গন্তব্যস্থল নিকটে করিয়া দাও, আমার সফর সহজ করিয়া দাও। হে আল্লাহ! আমি সফরের কষ্ট এবং সফর হইতে ক্ষতিগ্রস্ত হইয়া ফিরিবার এবং মাল ও পরিবারের অনিষ্ট হইতে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করিতেছি। খাওলা বিনতে হাকীম (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, যদি কোন মুসাফির কোন স্থানে অবতরণ করে তবে সে যেন এই দোয় পাঠ করেঃ أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ (আমি সৃষ্টির অনিষ্ট হইতে আল্লাহর পূর্ণ কলেমসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করিতেছি।) তাহা হইলে সেখান হইতে প্রস্থান করা পর্যন্ত কোন কিছুই তাহার অনিষ্ট করিতে পারিবে না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Sahih LighairihiSalim al-Hilali
নং ১৭৯৭অধ্যায় ৫৪, নং ৩৫
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ الثِّقَةِ، عِنْدَهُ عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَشَجِّ، عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنْ خَوْلَةَ بِنْتِ حَكِيمٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ نَزَلَ مَنْزِلاً فَلْيَقُلْ أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ ‏.‏ فَإِنَّهُ لَنْ يَضُرَّهُ شَىْءٌ حَتَّى يَرْتَحِلَ ‏"‏ ‏.‏
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৯৮অধ্যায় ৫৪, নং ৩৬
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الرَّاكِبُ شَيْطَانٌ وَالرَّاكِبَانِ شَيْطَانَانِ وَالثَّلاَثَةُ رَكْبٌ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৫. আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আ'স (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, একা সফরকারী শয়তান, দুইজন একত্রে সফরকারীর দুইজনই শয়তান আর তিনজন হইল একটি দল।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • HasanSalim al-Hilali
নং ১৭৯৯অধ্যায় ৫৪, নং ৩৭
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الشَّيْطَانُ يَهُمُّ بِالْوَاحِدِ وَالاِثْنَيْنِ فَإِذَا كَانُوا ثَلاَثَةً لَمْ يَهُمَّ بِهِمْ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৬. সাঈদ ইবনে মুসায়্যাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, শয়তান একজন কিংবা দুইজনকে ক্ষতি করিবার ইচ্ছা করে। তিনজন হইলে ইচ্ছা করে না (কারণ তিনজন হইলে জমাআত হয়, আর কোন জমাআতে সে ক্ষতি করিতে পারে না)।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • DaifSalim al-Hilali
নং ১৮০০অধ্যায় ৫৪, নং ৩৮
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ يَحِلُّ لاِمْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخَرِ تُسَافِرُ مَسِيرَةَ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ إِلاَّ مَعَ ذِي مَحْرَمٍ مِنْهَا ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৭. আবূ হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, যেই স্ত্রীলোক আল্লাহ্ ও শেষ বিচারের দিনের প্রতি ঈমান আনয়ন করিয়াছে, তাহার জন্য মাহরম ব্যতীত একাকী সফর করা হালাল নহে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৮০১অধ্যায় ৫৪, নং ৩৯
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ، مَوْلَى سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، يَرْفَعُهُ ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى رَفِيقٌ يُحِبُّ الرِّفْقَ وَيَرْضَى بِهِ وَيُعِينُ عَلَيْهِ مَا لاَ يُعِينُ عَلَى الْعُنْفِ فَإِذَا رَكِبْتُمْ هَذِهِ الدَّوَابَّ الْعُجْمَ فَأَنْزِلُوهَا مَنَازِلَهَا فَإِنْ كَانَتِ الأَرْضُ جَدْبَةً فَانْجُوا عَلَيْهَا بِنِقْيِهَا وَعَلَيْكُمْ بِسَيْرِ اللَّيْلِ فَإِنَّ الأَرْضَ تُطْوَى بِاللَّيْلِ مَا لاَ تُطْوَى بِالنَّهَارِ وَإِيَّاكُمْ وَالتَّعْرِيسَ عَلَى الطَّرِيقِ فَإِنَّهَا طُرُقُ الدَّوَابِّ وَمَأْوَى الْحَيَّاتِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৮. খালেদ ইবন মা’দান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, আল্লাহ তা’আলা নম্রতা প্রদর্শন করেন, নম্রতা পছন্দ করেন, নম্রতায় আনন্দিত হন এবং নম্রতায় সাহায্য করেন, যাহা কঠোরতায় করেন না। যখন তোমরা এই সব বাকশক্তিহীন সওয়ারীর উপর আরোহণ কর, তখন উহাকে সাধারণ মঞ্জিলে নামাও (অর্থাৎ স্বাভাবিক দূরত্বের অধিক চালাইয়া উহাকে অধিক কষ্ট দিও না)। যেখানে বিশ্রাম করিবে, সেখানকার জায়গা যদি পরিষ্কার হয় এবং ঘাস না থাকে তবে শীঘ্রই সেখান হইতে উহাকে বাহির করিয়া লইয়া যাও নতুবা উহার হাড় শুকাইয়া যাইবে। (অর্থাৎ ঘাসপাতাহীন জায়গায় বিলম্ব করিলে উহারা না খাইয়া শুকাইয়া যাইবে। ফলে হাঁটিতে পারিবে না)। আর তোমাদের জন্য রাত্রে ভ্রমণ করাই উচিত। কারণ রাত্রে যেই পরিমাণ পথ অতিক্রম করা যায়, দিনে তাহা হয় না। রাত্রে যদি কোন স্থানে অবস্থান কর, তবে পথে অবস্থানে করিও না। কেননা সেখানে জীবজন্তু চলাফেরা করে এবং সর্প বাস করে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Sahih LighairihiSalim al-Hilali
নং ১৮০২অধ্যায় ৫৪, নং ৪০
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ سُمَىٍّ، مَوْلَى أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ السَّفَرُ قِطْعَةٌ مِنَ الْعَذَابِ يَمْنَعُ أَحَدَكُمْ نَوْمَهُ وَطَعَامَهُ وَشَرَابَهُ فَإِذَا قَضَى أَحَدُكُمْ نَهْمَتَهُ مِنْ وَجْهِهِ فَلْيُعَجِّلْ إِلَى أَهْلِهِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৯. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, সফর হইল আযাবের এক অংশ। ইহা মানুষকে পানাহার ও নিদ্রায় বাধা দান করে। তোমাদের কেহ যদি কোন প্রয়োজনে সফরে গমন করে, তবে কাজ হইয়া গেলেই যেন সে পরিবারের দিকে প্রত্যাবর্তন করে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৮০৩অধ্যায় ৫৪, নং ৪১
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لِلْمَمْلُوكِ طَعَامُهُ وَكِسْوَتُهُ بِالْمَعْرُوفِ وَلاَ يُكَلَّفُ مِنَ الْعَمَلِ إِلاَّ مَا يُطِيقُ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪০. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, মমলুককে (অর্থাৎ দাসদাসীকে) ঠিকমত খাদ্য ও পোশাক দিতে হইবে। তাহা দ্বারা এমন কোন কাজ লওয়া হইবে না, যাহা ক্ষমতাবহির্ভূত (অর্থাৎ তাহার সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ সে করিবে, সাধ্যাতীত কাজ দেওয়া বৈধ নহে)।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৮০৪অধ্যায় ৫৪, নং ৪২
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، كَانَ يَذْهَبُ إِلَى الْعَوَالِي كُلَّ يَوْمِ سَبْتٍ فَإِذَا وَجَدَ عَبْدًا فِي عَمَلٍ لاَ يُطِيقُهُ وَضَعَ عَنْهُ مِنْهُ ‏.‏
রেওয়ায়াত ৪১. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) প্রতি শনিবারে মদীনার পার্শ্ববর্তী গ্রামসমূহে গমন করিতেন (এবং বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ ইত্যাদি অনুসন্ধান করিতেন)। যদি কোন গোলামকে এমন কাজ করিতে দেখিতেন যাহা তাহার শক্তির বাহিরে হইত, তবে তিনি উহা কম করিয়া দিতেন (অর্থাৎ কাজ কমাইয়া গোলামের বোঝা হালকা করিয়া দিতেন)।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf DaifSalim al-Hilali
নং ১৮০৫অধ্যায় ৫৪, নং ৪৩
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَمِّهِ أَبِي سُهَيْلِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَمِعَ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ، وَهُوَ يَخْطُبُ وَهُوَ يَقُولُ لاَ تُكَلِّفُوا الأَمَةَ غَيْرَ ذَاتِ الصَّنْعَةِ الْكَسْبَ فَإِنَّكُمْ مَتَى كَلَّفْتُمُوهَا ذَلِكَ كَسَبَتْ بِفَرْجِهَا وَلاَ تُكَلِّفُوا الصَّغِيرَ الْكَسْبَ فَإِنَّهُ إِذَا لَمْ يَجِدْ سَرَقَ وَعِفُّوا إِذْ أَعَفَّكُمُ اللَّهُ وَعَلَيْكُمْ مِنَ الْمَطَاعِمِ بِمَا طَابَ مِنْهَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪২. মালিক ইবনে আবী আমির আসবাহী (রাঃ) উসমান ইবনে আফফান (রাঃ)-এর নিকট হইতে শ্রবণ করিয়াছেন, তিনি খুৎবায় বলিয়াছেন, যেই সমস্ত দাসী হস্তশিল্পী নহে, তাহাদেরকে আয়-রোজগারে বাধ্য করিও না। কেননা তোমরা তাহাদেরকে রোজগার করিতে বাধ্য করিলে তাহারা হারাম পদ্ধতিতে রোজগার করিবে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক গোলামদেরকেও রোজগারের জন্য বাধ্য করিও না। কেননা তোমরা তাহাদেরকে রোজগার করিতে বাধ্য করিলে তাহারা বাধ্য হইয়া চুরি করবে। আল্লাহ যখন তোমাদেরকে ঠিকমত রুজি দান করিতেছেন, তখন তোমরাও তাহাদের মাফ করিয়া দাও, যেমন আল্লাহ তোমাদের মাফ করিয়াছেন। তোমাদের উচিত যাহা হালাল (পাক) তাহাই গ্রহণ করা।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ১৮০৬অধ্যায় ৫৪, নং ৪৪
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الْعَبْدُ إِذَا نَصَحَ لِسَيِّدِهِ وَأَحْسَنَ عِبَادَةَ اللَّهِ فَلَهُ أَجْرُهُ مَرَّتَيْنِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৩. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, গোলাম যদি তাহার মালিকের মঙ্গল কামনা করে এবং রীতিমত আল্লাহর ইবাদত করে, তবে তাহার দ্বিগুণ সওয়াব হইবে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৮০৭অধ্যায় ৫৪, নং ৪৫
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ أَمَةً، كَانَتْ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَآهَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَقَدْ تَهَيَّأَتْ بِهَيْئَةِ الْحَرَائِرِ فَدَخَلَ عَلَى ابْنَتِهِ حَفْصَةَ فَقَالَ أَلَمْ أَرَ جَارِيَةَ أَخِيكِ تَجُوسُ النَّاسَ وَقَدْ تَهَيَّأَتْ بِهَيْئَةِ الْحَرَائِرِ وَأَنْكَرَ ذَلِكَ عُمَرُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৪. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ)-এর একজন দাসী ছিল। সে নিজে আযাদ মহিলাদের মতো সাজিয়াছিল। উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) তাহাকে আযাদ মহিলার মতো সাজিতে দেখিয়া তাহার কন্যা (উম্মুল মু'মিনীন) হাফসা (রাঃ)-এর নিকট যাইয়া বলিলেন, আমি তোমার ভ্রাতার দাসীকে দেখিলাম যে, সে আযাদ মহিলাদের মতো সাজসজ্জা করিয়া লোকজনের মধ্যে চলাফেরা করিতেছে। উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) ইহাকে খারাপ মনে করিয়াছেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf DaifSalim al-Hilali

আরবি পাঠ, নম্বর, অধ্যায়ের নাম ও মান — সবই একটি উন্মুক্ত ডেটাসেটে (hadith-api) যেমন আছে হুবহু তেমন দেখানো হয়েছে। সাবীল এখনও এর নির্ভুলতা বা স্বত্ব যাচাই করেনি, আর আলেমদের পর্যালোচনাও শুরু হয়নি। ততদিন কোনো বর্ণনার ওপর নির্ভর করার আগে ছাপা সংস্করণের সাথে মিলিয়ে নিন।