মূল অংশে যান
মুয়াত্তা মালিক

অধ্যায় ৫১ · Hair

১৭টি বর্ণনা · নম্বর ১৭৩০–১৭৪৬

প্রতিটি বর্ণনার নিচে ডেটাসেটের নিজস্ব অনুবাদ হুবহু দেখানো হয়েছে। এতে অনুবাদকের নাম নেই, এর স্বত্ব যাচাই হয়নি, এবং কেউ এটি আরবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেননি; কিছু বর্ণনার অনুবাদ নেই। মূল পাঠ আরবি।

নং ১৭৩০অধ্যায় ৫১, নং ১
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ أَبِيهِ، نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمَرَ بِإِحْفَاءِ الشَّوَارِبِ وَإِعْفَاءِ اللِّحَى ‏.‏
রেওয়ায়ত ১. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর রেওয়ায়ত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোঁফ কামাইতে এবং দাড়ি বাড়াইতে নির্দেশ দিয়াছেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৩১অধ্যায় ৫১, নং ২
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، أَنَّهُ سَمِعَ مُعَاوِيَةَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ، عَامَ حَجَّ وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ وَتَنَاوَلَ قُصَّةً مِنْ شَعَرٍ كَانَتْ فِي يَدِ حَرَسِيٍّ يَقُولُ يَا أَهْلَ الْمَدِينَةِ أَيْنَ عُلَمَاؤُكُمْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنْهَى عَنْ مِثْلِ هَذِهِ وَيَقُولُ ‏ "‏ إِنَّمَا هَلَكَتْ بَنُو إِسْرَائِيلَ حِينَ اتَّخَذَ هَذِهِ نِسَاؤُهُمْ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২. আবদুর রহমান ইবন আউফ (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি মু'আবিয়া ইবন আবূ সুফিয়ান (রাঃ)-এর নিকট সেই বৎসর শুনিয়াছেন, যেই বৎসর তিনি (মু'আবিয়া) হজ্জব্রত পালন করিতে গিয়াছিলেন। তিনি মিম্বরের উপর উপবিষ্ট হইয়া খাদেমের হাত হইতে চুলের একটি গুচ্ছ লইয়া বলিলেন, হে মদীনাবাসিগণ! তোমাদের উলামায়ে কিরাম কোথায়? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ইহা হইতে নিষেধ করিতে শ্রবণ করিয়াছি। তিনি (অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ) ইহাও বলিয়াছেন যে, বনী ইসরাঈলের মহিলাগণ এই কাজ করিয়াছিল বিধায় তাহারা ধ্বংস হইয়াছে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৩২অধ্যায় ৫১, নং ৩
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زِيَادِ بْنِ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ سَدَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَاصِيَتَهُ مَا شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ فَرَقَ بَعْدَ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ لَيْسَ عَلَى الرَّجُلِ يَنْظُرُ إِلَى شَعَرِ امْرَأَةِ ابْنِهِ أَوْ شَعَرِ أُمِّ امْرَأَتِهِ بَأْسٌ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩. ইবনে শিহাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথমে বেশ কিছু কাল পর্যন্ত স্বীয় চুল (মুবারক) কপালের দিকে ঝুলাইয়া রাখিতেন। পরে উহাতে সিথি বানাইয়া দিতেন (অর্থাৎ চিরুণি দ্বারা চুলকে মাথার মধ্যভাগে দুই ভাগ করিয়া দিতেন)। মালিক (রহঃ) বলেন, পুত্রবধু অথবা শাশুড়ীর চুলের দিকে তাকাইলে গুনাহ হয় না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৩৩অধ্যায় ৫১, নং ৪
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ يَكْرَهُ الإِخْصَاءَ وَيَقُولُ فِيهِ تَمَامُ الْخَلْقِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) জীবজন্তু খাসি করানোকে খারাপ মনে করিতেন এবং বলিতেন যে, অণ্ডকোষ রাখার অর্থ বংশ জারি রাখা।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৩৪অধ্যায় ৫১, নং ৫
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ أَنَا وَكَافِلُ الْيَتِيمِ لَهُ أَوْ لِغَيْرِهِ فِي الْجَنَّةِ كَهَاتَيْنِ إِذَا اتَّقَى ‏"‏ ‏.‏ وَأَشَارَ بِإِصْبُعَيْهِ الْوُسْطَى وَالَّتِي تَلِي الإِبْهَامَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫. সফওয়ান ইবনে সুলাইম (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, আমি ও ইয়াতীমের অভিভাবক — এই অভিভাবক সংশ্লিষ্ট ইয়াতীমের আত্মীয় হউক কিংবা অনাত্মীয়, যদি তাহারা আল্লাহকে ভয় করে, তবে বেহেশতে আমরা একে অপরের এমন নিকট হইব যেমন এই দুইটি অঙ্গুলি। এই বলিয়া তিনি [অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] শাহাদতের অঙ্গুলি ও মধ্যমার দিকে ইঙ্গিত করিলেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৩৫অধ্যায় ৫১, নং ৬
حَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّ أَبَا قَتَادَةَ الأَنْصَارِيَّ، قَالَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ لِي جُمَّةً أَفَأُرَجِّلُهَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نَعَمْ وَأَكْرِمْهَا ‏"‏ فَكَانَ أَبُو قَتَادَةَ رُبَّمَا دَهَنَهَا فِي الْيَوْمِ مَرَّتَيْنِ لِمَا قَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وَأَكْرِمْهَا ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬. ইয়াহইয়া ইবনে সায়ীদ (রহঃ) বলেন, একদা আবূ কাতাদ আনসারী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট বলিলেন, আমার চুল কাঁধ পর্যন্ত (অর্থাৎ বাবরী চুল) আছে। তবে কি আমি উহাতে চিরনি করিব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, হ্যাঁ, চিরনি কর এবং চুলের সম্মান কর। অতঃপর আবু কাতাদা কোন কোন সময় দিনে দুইবার চুলে তৈল লাগাইতেন। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছিলেন, চুলের সম্মান কর।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • DaifSalim al-Hilali
নং ১৭৩৬অধ্যায় ৫১, নং ৭
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، أَنَّ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ، أَخْبَرَهُ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَسْجِدِ فَدَخَلَ رَجُلٌ ثَائِرَ الرَّأْسِ وَاللِّحْيَةِ فَأَشَارَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ أَنِ اخْرُجْ كَأَنَّهُ يَعْنِي إِصْلاَحَ شَعَرِ رَأْسِهِ وَلِحْيَتِهِ فَفَعَلَ الرَّجُلُ ثُمَّ رَجَعَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَلَيْسَ هَذَا خَيْرًا مِنْ أَنْ يَأْتِيَ أَحَدُكُمْ ثَائِرَ الرَّأْسِ كَأَنَّهُ شَيْطَانٌ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭. আতা ইবনে ইয়াসার (রহঃ) বলিয়াছেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে বসিয়াছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি আসিল যাহার চুল ও দাড়ি এলোমেলো ছিল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে হাতে ইশারা করিয়া বলিলেন, মসজিদের বাহিরে গিয়া চুল-দাড়ি ঠিক করিয়া আস। লোকটি তাহাই করিল এবং (চুল-দাড়ি ঠিক করিয়া) পুনরায় আসিল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তোমাদের কেহ স্বীয় চুল-দাড়ি এলোমেলো অবস্থায় শয়তানের মতো থাকার তুলনায় ইহা (চুল-দাড়ি) ঠিক করিয়া রাখা উত্তম নয় কি?
উৎসে উল্লিখিত মান
  • DaifSalim al-Hilali
নং ১৭৩৭অধ্যায় ৫১, নং ৮
حَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الأَسْوَدِ بْنِ عَبْدِ يَغُوثَ، قَالَ وَكَانَ جَلِيسًا لَهُمْ وَكَانَ أَبْيَضَ اللِّحْيَةِ وَالرَّأْسِ - قَالَ - فَغَدَا عَلَيْهِمْ ذَاتَ يَوْمٍ وَقَدْ حَمَّرَهُمَا - قَالَ - فَقَالَ لَهُ الْقَوْمُ هَذَا أَحْسَنُ فَقَالَ إِنَّ أُمِّي عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَرْسَلَتْ إِلَىَّ الْبَارِحَةَ جَارِيَتَهَا نُخَيْلَةَ فَأَقْسَمَتْ عَلَىَّ لأَصْبُغَنَّ وَأَخْبَرَتْنِي أَنَّ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ كَانَ يَصْبُغُ ‏.‏ قَالَ يَحْيَى سَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ فِي صَبْغِ الشَّعَرِ بِالسَّوَادِ لَمْ أَسْمَعْ فِي ذَلِكَ شَيْئًا مَعْلُومًا وَغَيْرُ ذَلِكَ مِنَ الصِّبْغِ أَحَبُّ إِلَىَّ ‏.‏ قَالَ وَتَرْكُ الصَّبْغِ كُلِّهِ وَاسِعٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ لَيْسَ عَلَى النَّاسِ فِيهِ ضِيقٌ ‏.‏ قَالَ وَسَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ فِي هَذَا الْحَدِيثِ بَيَانُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَصْبُغْ وَلَوْ صَبَغَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لأَرْسَلَتْ بِذَلِكَ عَائِشَةُ إِلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৮. আবু সালমা ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, আবদুর রহমান ইবন আসওয়াদ আমার সঙ্গী ছিলেন। তাঁহার চুল ও দাড়ি সাদা ছিল। একদা তিনি চুলে লাল রং (লাল খেজাব বা মেহেদী) লাগাইয়া সকালে আগমন করিলেন। তখন সকলে বলিল, ইহা বেশ ভাল। তিনি বলিলেন, আমার আম্মা নবী-পত্নী আয়েশা (রাঃ) স্বীয় বাঁদী নুখাইলাকে কসম করিয়া বলিয়া সকালে (আমার কাছে) পাঠাইয়াছেন, খেজাব কর। আর ইহাও বয়ান করিয়াছেন যে, আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ)-ও রং (খেজাব) লাগাইতেন। মালিক (রহঃ) বলেন, কাল খেজাব সম্বন্ধে কোন হাদীস শুনি নাই। কাল রঙের খেজাব ব্যতীত অন্য রঙ হইলে ভাল। আল্লাহ্ চাহেন তো কোন রকম খেজাব না লাগানোই সবচেয়ে উত্তম। ইহাতে জনগণের কোন অসুবিধা নাই।[1] মালিক (রহঃ) বলেন, এই হাদীস দ্বারা বুঝা যইতেছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেজাব লাগান নাই। আর যদি তিনি খেজাব লাগাইতেন, তবে আয়েশা (রাঃ) আবদুর রহমান ইবনে আসওয়াদের নিকট নিশ্চয়ই উহা বলিয়া পাঠাইতেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৩৮অধ্যায় ৫১, নং ৯
حَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، قَالَ بَلَغَنِي أَنَّ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ، قَالَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنِّي أُرَوَّعُ فِي مَنَامِي ‏.‏ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قُلْ أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ غَضَبِهِ وَعِقَابِهِ وَشَرِّ عِبَادِهِ وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ وَأَنْ يَحْضُرُونِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৯. ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ (রহঃ)-এর বর্ণনা-আমার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছিয়াছে যে, খালিদ ইবনে ওলীদ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলিলেন, আমি নিদ্রাবস্থায় (স্বপ্নে) ভয় পাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তুমি (শোয়ার সময়) এই দোয়া পাঠ করঃ أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ غَضَبِهِ وَعِقَابِهِ وَشَرِّ عِبَادِهِ وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ وَأَنْ يَحْضُرُونِ আমি আল্লাহর ক্রোধ ও আযাব হইতে, তাহার বান্দাগণের উপদ্রব হইতে, শয়তানের প্ররোচনা হইতে এবং আমার নিকট শয়তানের আগমন হইতে আল্লাহর পূর্ণ কলেমাসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করিতেছি।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Hasan LighairihiSalim al-Hilali
নং ১৭৩৯অধ্যায় ৫১, নং ১০
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ قَالَ أُسْرِيَ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَرَأَى عِفْرِيتًا مِنَ الْجِنِّ يَطْلُبُهُ بِشُعْلَةٍ مِنْ نَارٍ كُلَّمَا الْتَفَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَآهُ فَقَالَ لَهُ جِبْرِيلُ أَفَلاَ أُعَلِّمُكَ كَلِمَاتٍ تَقُولُهُنَّ إِذَا قُلْتَهُنَّ طَفِئَتْ شُعْلَتُهُ وَخَرَّ لِفِيهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ بَلَى ‏"‏ فَقَالَ جِبْرِيلُ فَقُلْ أَعُوذُ بِوَجْهِ اللَّهِ الْكَرِيمِ وَبِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ اللاَّتِي لاَ يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلاَ فَاجِرٌ مِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ وَشَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيهَا وَشَرِّ مَا ذَرَأَ فِي الأَرْضِ وَشَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا وَمِنْ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَمِنْ طَوَارِقِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ إِلاَّ طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمَنُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১০. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)-এর রেওয়ায়ত-মিরাজ রজনীতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি দৈত্য দেখিতে পাইলেন। তাহার হাতে আগুনের লেলিহান শিখা ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহার দিকে দেখিলে মনে হইত যেন সে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের দিকে ছুটিয়া আসিতেছে। অতঃপর জিবরীল (আঃ) প্রীয় নবীকে বলিলেন, আমি আপনাকে এমন কতকগুলো শব্দ শিক্ষা দিব কি যাহা পাঠ করিলে এই দৈত্যের আগুন নিভিয়া যাইবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, নিশ্চয়ই শিক্ষা দিবেন। অতঃপর জিবরীল (আঃ) বললেন, পড়ুনঃ أَعُوذُ بِوَجْهِ اللَّهِ الْكَرِيمِ وَبِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ اللاَّتِي لاَ يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلاَ فَاجِرٌ مِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ وَشَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيهَا وَشَرِّ مَا ذَرَأَ فِي الأَرْضِ وَشَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا وَمِنْ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَمِنْ طَوَارِقِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ إِلاَّ طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمَنُ আমি আসমান হইতে আগত ও আসমানের দিকে ধাবিত বস্তুর অমঙ্গল হইতে, মাটিতে সৃষ্ট ও মাটি হইতে বহির্গত বস্তুর অমঙ্গল হইতে, রাত্ৰ-দিনের বালা-মুসিবত হইতে ও রাত্ৰ-দিনের ঘটনাপ্রবাহ হইতে — তবে উত্তম ঘটনা হইতে নয়— হে দয়াময়! (আমি) আল্লাহর সম্মানিত সত্তার ও তাহার সেই পূর্ণ কলেমাসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করিতেছি, যাহা পুণ্যবান ও পাপী কেহই অতিক্রম করিতে পারে না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Hasan LighairihiSalim al-Hilali
নং ১৭৪০অধ্যায় ৫১, নং ১১
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَجُلاً، مِنْ أَسْلَمَ قَالَ مَا نِمْتُ هَذِهِ اللَّيْلَةَ ‏.‏ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مِنْ أَىِّ شَىْءٍ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ لَدَغَتْنِي عَقْرَبٌ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَمَا إِنَّكَ لَوْ قُلْتَ حِينَ أَمْسَيْتَ أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ ‏.‏ لَمْ تَضُرَّكَ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১১. আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত, আসলাম গোত্রের এক ব্যক্তি বলিল, আমি রাত্রে ঘুমাই নাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করিলেন, কেন ঘুমাও নাই? সে উত্তর দিল, আমাকে কিছু দংশন করিয়াছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন যে, তুমি যদি পড়িতেঃ (أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ) (আমি সৃষ্টের অপকারিতা হইতে আল্লাহর পূর্ণ কলেমাসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করিতেছি) তাহা হইলে তোমার কোন ক্ষতি হইত না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৪১অধ্যায় ৫১, নং ১২
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سُمَىٍّ، مَوْلَى أَبِي بَكْرٍ عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَكِيمٍ، أَنَّ كَعْبَ الأَحْبَارِ، قَالَ لَوْلاَ كَلِمَاتٌ أَقُولُهُنَّ لَجَعَلَتْنِي يَهُودُ حِمَارًا ‏.‏ فَقِيلَ لَهُ وَمَا هُنَّ فَقَالَ أَعُوذُ بِوَجْهِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الَّذِي لَيْسَ شَىْءٌ أَعْظَمَ مِنْهُ وَبِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ الَّتِي لاَ يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلاَ فَاجِرٌ وَبِأَسْمَاءِ اللَّهِ الْحُسْنَى كُلِّهَا مَا عَلِمْتُ مِنْهَا وَمَا لَمْ أَعْلَمْ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ وَبَرَأَ وَذَرَأَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১২. কা’কা ইবনে হাকীম (রহঃ) বলেন, কাবে আহবার (রহঃ) [তিনি ইহুদীদের বড় আলিম ছিলেন। পরে ইসলাম গ্রহণ করেন।] বলিয়াছেন যে, যদি আমি কয়েকটি শব্দ (কলেমা) পাঠ না করিতাম, তাহা হইলে ইহুদীগণ (যাদু করিয়া) আমাকে গাধা বানাইয়া দিত। তাহাকে জিজ্ঞাসা করা হইল যে, সেই শব্দগুলি কি? তিনি বলিলেনঃ أَعُوذُ بِوَجْهِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الَّذِي لَيْسَ شَىْءٌ أَعْظَمَ مِنْهُ وَبِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ الَّتِي لاَ يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلاَ فَاجِرٌ وَبِأَسْمَاءِ اللَّهِ الْحُسْنَى كُلِّهَا مَا عَلِمْتُ مِنْهَا وَمَا لَمْ أَعْلَمْ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ وَبَرَأَ وَذَرَأَ আমি সেই আল্লাহর মহান সত্তার আশ্রয় প্রর্থনা করিতেছি যাহার চাইতে কোন বস্তুই বড় নয়। আর তাহার পূর্ণ কলেমাসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করিতেছি যাহার আগে কোন ভাল কিংবা মদ যাইতে পারে না, আর তাহার সমুদয় সুন্দর নামের আশ্রয় প্রর্থনা করিতেছি যাহা আমার জানা আছে এবং যাহা আমার জানা নাই; সেই সৃষ্টির অপকারিত হইতে, যাহা সৃষ্টি করিয়াছেন এবং বিস্তৃত করিয়াছেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Maqtu SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৪২অধ্যায় ৫১, নং ১৩
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَعْمَرٍ، عَنْ أَبِي الْحُبَابِ، سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَقُولُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَيْنَ الْمُتَحَابُّونَ لِجَلاَلِي الْيَوْمَ أُظِلُّهُمْ فِي ظِلِّي يَوْمَ لاَ ظِلَّ إِلاَّ ظِلِّي ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৩. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, আল্লাহ তা’আলা কিয়ামত দিবসে বলিবেন, সেই সমস্ত মানুষ কোথায়, যাহারা আমার বুযুর্গীর জন্য পম্পর পরস্পরকে ভালবাসিত? আজ আমি তাহাদেরকে (আমার আরশের) ছায়াতলে স্থান দান করিব। আজকার দিনটা এমন যে, আমার ছায়া ব্যতীত অন্য কোথাও কোন ছায়া নাই।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৪৩অধ্যায় ৫১, নং ১৪
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَوْ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ سَبْعَةٌ يُظِلُّهُمُ اللَّهُ فِي ظِلِّهِ يَوْمَ لاَ ظِلَّ إِلاَّ ظِلُّهُ إِمَامٌ عَادِلٌ وَشَابٌّ نَشَأَ فِي عِبَادَةِ اللَّهِ
রেওয়ায়ত ১৪. আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) অথবা আবু হুরায়রা (রাঃ)[1] হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, যেই দিন আল্লাহর (আরশের) ছায়া ব্যতীত অন্য কোন ছায়া থাকিবে না, সেই দিন আল্লাহ তা’আলা সাত প্রকারের মানুষকে তাহার ছায়াতলে স্থান দান করিবেন-(১) ন্যায় বিচারক ইমাম (শাসনকর্তা), (২) ঐ যুবক, যে আল্লাহর ইবাদতের ভিতর দিয়া লালিত-পালিত হইয়াছে, (৩) ঐ ব্যক্তি, যে নামায পড়িয়া মসজিদ হইতে বাহির হইলে পর আবার মসজিদে কখন যাইবে, এই চিন্তায় তাহার মন মসজিদের প্রতি আকৃষ্ট থাকে অর্থাৎ আবার কখন মসজিদে যাইবে এই কথা বার বার তাহার মনে জাগে, (৪) সেই দুই ব্যক্তি, যাহারা পরস্পরকে আল্লাহর জন্য ভালবাসে, তাহারা একত্র হয় আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহর জন্যই পৃথক হয়, (৫) যেই ব্যক্তি নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং আল্লাহর ভয়ে তাহার দুই চক্ষু অশ্রুসিক্ত হয়, (৬) সেই ব্যক্তি, যাহাকে কোন সম্ভ্রান্ত পরিবারের রূপসী রমণী (স্বীয় কামভাব চরিতার্থ করার নিমিত্ত) আহবান করে, তবে সে এই বলিয়া (উক্ত আহবান) প্রত্যাখ্যান করে যে, আমি আল্লাহকে ভয় করি, (৭) সেই ব্যক্তি, যে (আন্তরিকতা সহকারে) কিছু সদকা এমনভাবে গোপনে করিয়াছে যে, তাহার ডান হস্ত কি সদকা করিয়াছে উহা তাহার বাম হস্ত পর্যন্ত জানিতে পারে নাই।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৪৪অধ্যায় ৫১, নং ১৫
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا أَحَبَّ اللَّهُ الْعَبْدَ قَالَ لِجِبْرِيلَ قَدْ أَحْبَبْتُ فُلاَنًا فَأَحِبَّهُ ‏.‏ فَيُحِبُّهُ جِبْرِيلُ ثُمَّ يُنَادِي فِي أَهْلِ السَّمَاءِ إِنَّ اللَّهَ قَدْ أَحَبَّ فُلاَنًا فَأَحِبُّوهُ ‏.‏ فَيُحِبُّهُ أَهْلُ السَّمَاءِ ثُمَّ يُوضَعُ لَهُ الْقَبُولُ فِي الأَرْضِ ‏.‏ وَإِذَا أَبْغَضَ اللَّهُ الْعَبْدَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ لاَ أَحْسِبُهُ إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ فِي الْبُغْضِ مِثْلَ ذَلِكَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৫. আবু হুরায়রা (রাঃ)-এর বর্ণনা, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, আল্লাহ্ যখন তাহার কোন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন জিবরীলকে বলেন, হে জিবরীল! আমি আমার অমুক বান্দাকে ভালবাসি। অতএব তুমিও তাহাকে ভালবাস। তখন জিবরীলও তাহাকে ভালবাসেন এবং আসমানের অধিবাসীদের (ফিরিশতাগণের) মধ্যে ঘোষণা করেন যে, অমুক ব্যক্তিকে আল্লাহ্ পাক ভালবাসেন, অতএব তোমরাও তাহাকে ভালবাস। সুতরাং আসমানের অধিবাসিগণও তাহাকে ভালবাসেন এবং তাহার জন্য যমিনে জনপ্রিয়তা সৃষ্টি করা হয় (ফলে সে ব্যক্তি জনপ্রিয় হয়) আর যখন আল্লাহ তা’আলা কাহারও প্রতি রাগান্বিত হন; মালিক (রহঃ) বলেন, আমার মনে হয় সেই অবস্থাতেও এই প্রকার কিছু সংঘটিত হয় বলিয়া উল্লেখ করা হইয়াছে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৪৫অধ্যায় ৫১, নং ১৬
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي حَازِمِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلاَنِيِّ، أَنَّهُ قَالَ دَخَلْتُ مَسْجِدَ دِمَشْقَ فَإِذَا فَتًى شَابٌّ بَرَّاقُ الثَّنَايَا وَإِذَا النَّاسُ مَعَهُ إِذَا اخْتَلَفُوا فِي شَىْءٍ أَسْنَدُوا إِلَيْهِ وَصَدَرُوا عَنْ قَوْلِهِ فَسَأَلْتُ عَنْهُ فَقِيلَ هَذَا مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ ‏.‏ فَلَمَّا كَانَ الْغَدُ هَجَّرْتُ فَوَجَدْتُهُ قَدْ سَبَقَنِي بِالتَّهْجِيرِ وَوَجَدْتُهُ يُصَلِّي - قَالَ - فَانْتَظَرْتُهُ حَتَّى قَضَى صَلاَتَهُ ثُمَّ جِئْتُهُ مِنْ قِبَلِ وَجْهِهِ فَسَلَّمْتُ عَلَيْهِ ثُمَّ قُلْتُ وَاللَّهِ إِنِّي لأُحِبُّكَ لِلَّهِ ‏.‏ فَقَالَ آللَّهِ فَقُلْتُ آللَّهِ ‏.‏ فَقَالَ آللَّهِ فَقُلْتُ آللَّهِ ‏.‏ فَقَالَ آللَّهِ فَقُلْتُ آللَّهِ ‏.‏ قَالَ فَأَخَذَ بِحُبْوَةِ رِدَائِي فَجَبَذَنِي إِلَيْهِ وَقَالَ أَبْشِرْ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ قَالَ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى وَجَبَتْ مَحَبَّتِي لِلْمُتَحَابِّينَ فِيَّ وَالْمُتَجَالِسِينَ فِيَّ وَالْمُتَزَاوِرِينَ فِيَّ وَالْمُتَبَاذِلِينَ فِيَّ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৬. আবু ইদরীস খাওলানী (রহঃ) বলেন, আমি দামিশকের মসজিদে প্রবেশ করিলাম। সেখানে জনৈক যুবককে দেখিলাম, তাহার দাঁতগুলি অতি উজ্জ্বল সাদা (মুক্তার মতো)। তাহার সঙ্গে অনেক মানুষ ছিল। যখনই কোন ব্যাপারে মতবিরোধ হইত, উক্ত যুবকের কথাকেই সনদ (নির্ভরযোগ্য) বলিয়া গণ্য করা হইত এবং তাহার কথার উপরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হইত। আমি (আবু ইদরীস) লোকের কাছে জিজ্ঞাসা করিলাম, এই যুবকটি কে? তাহারা বলিল, ইনি হইলেন মুআয ইবনে জবল (রাঃ)। পরদিন প্রাতঃকালে আমি (মসজিদে) যাইয়া দেখি যে, তিনি (মু'আয ইবনে জাবাল) আমার আগেই সেখানে পৌছিয়াছেন এবং নামায পড়িতেছেন। আমি অপেক্ষা করিতে লাগিলাম। তিনি নামায পড়িয়া শেষ করিলে পর আমি তাহার সম্মুখে গিয়া পৌছিলাম। অতঃপর তাহাকে সালাম করিয়া বলিলাম, আল্লাহর কসম! আমি আপনাকে আল্লাহর ওয়াস্তে ভালবাসি। তিনি বলিলেন, আল্লাহরই জন্য? আমি বলিলাম, হ্যাঁ, আল্লাহর জন্যই। তিনি (পুনরায়) বললেন, আল্লাহরই জন্য? আমি বলিলাম, হ্যাঁ, আল্লাহরই জন্য। অতঃপর তিনি আমার চাদরের এক কোণা ধরিয়া (আমাকে) নিজের দিকে টানিলেন এবং বলিলেন, আনন্দিত হও! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের কাছে শুনিয়াছি, তিনি বলিতেছিলেন, আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমার ভালবাসা সেই সমস্ত লোকের জন্য ওয়াজিব হইয়াছে যাহারা আমার (সন্তুষ্টির) জন্য পরস্পর পরস্পরকে ভালবাসে, আমারই জন্য একত্রে বলে, আমারই জন্য একে অন্যকে দেয় এবং আমারই জন্য একে অন্যের জন্য খরচ করে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ১৭৪৬অধ্যায় ৫১, নং ১৭
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ الْقَصْدُ وَالْتُّؤَدَةُ وَحُسْنُ السَّمْتِ جُزْءٌ مِنْ خَمْسَةٍ وَعِشْرِينَ جُزْءًا مِنَ النُّبُوَّةِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৭. আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ মধ্যম পন্থাবলম্বন, একে অন্যকে ভালবাসা এবং সুন্দরভাবে মৌনতা অবলম্বন নবুয়তের পঁচিশ ভাগের এক ভাগের সমান।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf DaifSalim al-Hilali

আরবি পাঠ, নম্বর, অধ্যায়ের নাম ও মান — সবই একটি উন্মুক্ত ডেটাসেটে (hadith-api) যেমন আছে হুবহু তেমন দেখানো হয়েছে। সাবীল এখনও এর নির্ভুলতা বা স্বত্ব যাচাই করেনি, আর আলেমদের পর্যালোচনাও শুরু হয়নি। ততদিন কোনো বর্ণনার ওপর নির্ভর করার আগে ছাপা সংস্করণের সাথে মিলিয়ে নিন।