মূল অংশে যান
মুয়াত্তা মালিক

নং ১২২৫

নং ১২২৫অধ্যায় ২৯, নং ২২
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ، مَوْلَى الأَسْوَدِ بْنِ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ، أَنَّ أَبَا عَمْرِو بْنَ حَفْصٍ، طَلَّقَهَا الْبَتَّةَ وَهُوَ غَائِبٌ بِالشَّامِ فَأَرْسَلَ إِلَيْهَا وَكِيلُهُ بِشَعِيرٍ فَسَخِطَتْهُ فَقَالَ وَاللَّهِ مَا لَكِ عَلَيْنَا مِنْ شَىْءٍ ‏.‏ فَجَاءَتْ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ ‏"‏ لَيْسَ لَكِ عَلَيْهِ نَفَقَةٌ ‏"‏ ‏.‏ وَأَمَرَهَا أَنْ تَعْتَدَّ فِي بَيْتِ أُمِّ شَرِيكٍ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ تِلْكَ امْرَأَةٌ يَغْشَاهَا أَصْحَابِي اعْتَدِّي عِنْدَ عَبْدِ اللَّهِ ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ فَإِنَّهُ رَجُلٌ أَعْمَى تَضَعِينَ ثِيَابَكِ عِنْدَهُ فَإِذَا حَلَلْتِ فَآذِنِينِي ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ فَلَمَّا حَلَلْتُ ذَكَرْتُ لَهُ أَنَّ مُعَاوِيَةَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ وَأَبَا جَهْمِ بْنَ هِشَامٍ خَطَبَانِي ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَمَّا أَبُو جَهْمٍ فَلاَ يَضَعُ عَصَاهُ عَنْ عَاتِقِهِ وَأَمَّا مُعَاوِيَةُ فَصُعْلُوكٌ لاَ مَالَ لَهُ انْكِحِي أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ فَكَرِهْتُهُ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ انْكِحِي أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ ‏"‏ ‏.‏ فَنَكَحْتُهُ فَجَعَلَ اللَّهُ فِي ذَلِكَ خَيْرًا وَاغْتَبَطْتُ بِهِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬৭. ফাতেমা বিনত কায়েস হইতে বর্ণিত, আবু আমর ইবন হাফস (রাঃ) তাহাকে তালাকে আল-বাত্তা দিলেন। তাহার স্বামী তখন সিরিয়াতে ছিলেন। অতঃপর তাহার উকীলকে গমসহ তাহার নিকট পাঠাইলেন। তিনি উহাকে অতি অল্প মনে করিলেন। তাহার উকীল বলিলেন, আমাদের নিকট তোমার প্রাপ্য আর কিছু নাই। তিনি (ফাতেমা) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের খেদমতে উপস্থিত হইলেন এবং এই ঘটনা উল্লেখ করিলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তাহার জন্য তোমার খোরপোশ প্রদান জরুরী নহে, এবং ফাতেমাকে উম্মে শরীফের গৃহে ইদ্দত পালন করিতে তিনি নির্দেশ দিলেন। তারপর বলিলেনঃ (উম্মে শরীফ এমন একজন মহিলা) যাহার গৃহে আমার সাহবিগণ সর্বদা যাতায়াত করিয়া থাকেন। তুমি আবদুল্লাহ ইবন উম্মে মাকতুমের গৃহে ইদ্দত পালন কর, কারণ তিনি একজন অন্ধ ব্যক্তি। তোমার বস্ত্র তাহার নিকট উন্মুক্ত হইলেও (ইহাতে তোমার কোন অসুবিধা হইবে না)। ইদ্দত শেষ হওয়ার পর তুমি অন্যের জন্য হালাল হইয়া গেলে আমাকে খবর দিও। ফাতেমা বলিলেনঃ আমি হালাল হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আমার বিষয় উল্লেখ করিলাম এবং বলিলাম, মুয়াবিয়া ইবন আবি সুফিয়ান (রহঃ) ও আবু জাহম ইবন হিশাম (রাঃ)। তাহারা উভয়ে আমার নিকট বিবাহের প্রস্তাব দিয়াছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, আবু জাহম তাহার গর্দান হইতে লাঠি নামায় না। আর মুয়াবিয়া দরিদ্র ব্যক্তি। তাহার ধন-সম্পদ নাই। তুমি উসামা ইবন যায়দ (রাঃ)-কে বিবাহ কর। ফাতেমা বলিলেন, আমি উসামাকে অপছন্দ করি। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় বলিলেনঃ তুমি উসামা ইবন যায়দ (রাঃ)-কে বিবাহ কর। তারপর আমি তাহাকে বিবাহ করি এবং আল্লাহ ইহাতে অনেক মঙ্গল দান করিয়াছেন, যাহার কারণে আমার প্রতি ঈর্ষা করা হইত।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali

প্রতিটি বর্ণনার নিচে ডেটাসেটের নিজস্ব অনুবাদ হুবহু দেখানো হয়েছে। এতে অনুবাদকের নাম নেই, এর স্বত্ব যাচাই হয়নি, এবং কেউ এটি আরবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেননি; কিছু বর্ণনার অনুবাদ নেই। মূল পাঠ আরবি।

অধ্যায় ২৯ · Divorce

আরবি পাঠ, নম্বর, অধ্যায়ের নাম ও মান — সবই একটি উন্মুক্ত ডেটাসেটে (hadith-api) যেমন আছে হুবহু তেমন দেখানো হয়েছে। সাবীল এখনও এর নির্ভুলতা বা স্বত্ব যাচাই করেনি, আর আলেমদের পর্যালোচনাও শুরু হয়নি। ততদিন কোনো বর্ণনার ওপর নির্ভর করার আগে ছাপা সংস্করণের সাথে মিলিয়ে নিন।