মূল অংশে যান
মুয়াত্তা মালিক

অধ্যায় ২০ · Hajj

২৫১টি বর্ণনা · নম্বর ৭০৫–৯৫৭

প্রতিটি বর্ণনার নিচে ডেটাসেটের নিজস্ব অনুবাদ হুবহু দেখানো হয়েছে। এতে অনুবাদকের নাম নেই, এর স্বত্ব যাচাই হয়নি, এবং কেউ এটি আরবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেননি; কিছু বর্ণনার অনুবাদ নেই। মূল পাঠ আরবি।

নং ৭০৫অধ্যায় ২০, নং ১
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ عُمَيْسٍ، أَنَّهَا وَلَدَتْ مُحَمَّدَ بْنَ أَبِي بَكْرٍ بِالْبَيْدَاءِ فَذَكَرَ ذَلِكَ أَبُو بَكْرٍ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ "‏ مُرْهَا فَلْتَغْتَسِلْ ثُمَّ لِتُهِلَّ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১. আসমা বিনত উমাইস (রাঃ) বলেন, বায়দা নামক স্থানে মুহাম্মদ ইবন আবূ বকর (রাঃ)-এর জন্ম হয়। আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করিলে তিনি বলিলেনঃ আসমাকে বলিয়া দিন সে যেন গোসল করিয়া ইহরাম বাধিয়া নেয়।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Sahih LighairihiSalim al-Hilali
নং ৭০৬অধ্যায় ২০, নং ২
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّ أَسْمَاءَ بِنْتَ عُمَيْسٍ، وَلَدَتْ، مُحَمَّدَ بْنَ أَبِي بَكْرٍ بِذِي الْحُلَيْفَةِ فَأَمَرَهَا أَبُو بَكْرٍ أَنْ تَغْتَسِلَ، ثُمَّ تُهِلَّ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বর্ণনা করেন- জুল-হুলায়ফা নামক স্থানে আসমা বিনত উমাইসের গর্ভে আবূ বকর (রাঃ)-এর পুত্র মুহাম্মদের জন্ম হয়। আবু বকর (রাঃ) তখন আসমাকে গোসল করিয়া ইহরাম বাধিয়া নিতে নির্দেশ দেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Sahih LighairihiSalim al-Hilali
নং ৭০৭অধ্যায় ২০, নং ৩
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَغْتَسِلُ لإِحْرَامِهِ قَبْلَ أَنْ يُحْرِمَ وَلِدُخُولِهِ مَكَّةَ وَلِوُقُوفِهِ عَشِيَّةَ عَرَفَةَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩. নাফি' (রহঃ) বর্ণনা করেন- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) ইহরাম বাঁধার উদ্দেশ্যে গোসল করিতেন। মক্কায় প্রবেশের পূর্বে এবং যিলহজ্জ মাসের নবম তারিখে আরাফাতে অবস্থানের জন্যও তিনি গোসল করতেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭০৮অধ্যায় ২০, নং ৪
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، وَالْمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَةَ، اخْتَلَفَا بِالأَبْوَاءِ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ يَغْسِلُ الْمُحْرِمُ رَأْسَهُ ‏.‏ وَقَالَ الْمِسْوَرُ بْنُ مَخْرَمَةَ لاَ يَغْسِلُ الْمُحْرِمُ رَأْسَهُ ‏.‏ قَالَ فَأَرْسَلَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ إِلَى أَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ فَوَجَدْتُهُ يَغْتَسِلُ بَيْنَ الْقَرْنَيْنِ وَهُوَ يُسْتَرُ بِثَوْبٍ فَسَلَّمْتُ عَلَيْهِ فَقَالَ مَنْ هَذَا فَقُلْتُ أَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حُنَيْنٍ أَرْسَلَنِي إِلَيْكَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ أَسْأَلُكَ كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَغْسِلُ رَأْسَهُ وَهُوَ مُحْرِمٌ قَالَ فَوَضَعَ أَبُو أَيُّوبَ يَدَهُ عَلَى الثَّوْبِ فَطَأْطَأَهُ حَتَّى بَدَا لِي رَأْسُهُ ثُمَّ قَالَ لإِنْسَانٍ يَصُبُّ عَلَيْهِ اصْبُبْ ‏.‏ فَصَبَّ عَلَى رَأْسِهِ ثُمَّ حَرَّكَ رَأْسَهُ بِيَدَيْهِ فَأَقْبَلَ بِهِمَا وَأَدْبَرَ ثُمَّ قَالَ هَكَذَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَفْعَلُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪. ইবরাহীম ইবন আবদুল্লাহ ইবন হুনায়ন (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- আব্বাস (রাঃ) এবং মিসওয়ার ইবন মাখরামার মধ্যে আবওয়া’ নামক স্থানে বিতর্ক হয়। ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর অভিমত ছিল মুহরিম অর্থাৎ ইহরামরত ব্যক্তি মাথা ধুইতে পারে আর মিসওয়ারের অভিমত ছিল যে, মুহরিম মাথা ধুইতে পারে না। আবদুল্লাহ ইবন হুনায়ন বলেনঃ শেষে আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) আমাকে এই বিষয়ের মীমাংসার জন্য আবু আইয়ুব আনসারী (রাঃ)-এর নিকট প্রেরণ করেন। তখন তিনি একটি কুয়ার ধারে পর্দা টাঙ্গাইয়া গোসল করিতেছিলেন। আমি পর্দার বাহির হইতে তাহাকে সালাম করিলাম। তিনি বলিলেনঃ কে? আমি বলিলামঃ আবদুল্লাহ ইবন হুনায়ন। আমাকে আবদুল্লাহ্ ইবন আব্বাস (রাঃ) পাঠাইয়াছেন, ইহরাম অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিরূপে মাথা ধুইতেন তাহা জানিবার জন্য। আবু আইয়ূব (রাঃ) মাথায় হাত রাখিয়া মাথার কাপড় সরাইয়া দিলেন, আমি তাহার মাথাটি তখন স্পষ্ট দেখিতে পাইতেছিলাম। যে ব্যক্তি তাঁহার গায়ে পানি ঢালিতেছিল তাহাকে বলিলেনঃ পানি ঢাল। ঐ ব্যক্তি তাহার মাথায় পানি ঢালিতে লাগিল আর তিনি তাহার দুই হাত মাথার সামনে এবং পিছনে মর্দন করিয়া বলিলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এইরূপ করিতে দেখিয়াছি।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ৭০৯অধ্যায় ২০, নং ৫
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ لِيَعْلَى ابْنِ مُنْيَةَ وَهُوَ يَصُبُّ عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ مَاءً وَهُوَ يَغْتَسِلُ اصْبُبْ عَلَى رَأْسِي ‏.‏ فَقَالَ يَعْلَى أَتُرِيدُ أَنْ تَجْعَلَهَا بِي إِنْ أَمَرْتَنِي صَبَبْتُ ‏.‏ فَقَالَ لَهُ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ اصْبُبْ فَلَنْ يَزِيدَهُ الْمَاءُ إِلاَّ شَعَثًا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫. আতা ইবন আবি রাবাহ (রহঃ) বর্ণনা করেন- উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) গোসল করিতেছিলেন এবং ইয়ালা ইবন মুনইয়া (রহঃ) পানি ঢালিয়া দিতেছিলেন। উমর (রাঃ) ইয়ালাকে বলিলেনঃ আমার মাথায় পানি ঢালিয়া দাও। তখন তিনি বলিলেনঃ আপনি কি আমার দ্বারা এই কাজ করাইতে চান? (অর্থাৎ পানি মাথায় ঢালা সম্পর্কে ইয়ালার ভিন্নমত ছিল।) যদি হুকুম করেন তবে পানি ঢালিতে পারি। উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিলেনঃ পানি ঢাল, কারণ পানি চুলের রুক্ষতাই বাড়াইবে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf Sahih LighairihiSalim al-Hilali
নং ৭১০অধ্যায় ২০, নং ৬
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ إِذَا دَنَا مِنْ مَكَّةَ بَاتَ بِذِي طُوًى بَيْنَ الثَّنِيَّتَيْنِ حَتَّى يُصْبِحَ ثُمَّ يُصَلِّي الصُّبْحَ ثُمَّ يَدْخُلُ مِنَ الثَّنِيَّةِ الَّتِي بِأَعْلَى مَكَّةَ وَلاَ يَدْخُلُ إِذَا خَرَجَ حَاجًّا أَوْ مُعْتَمِرًا حَتَّى يَغْتَسِلَ قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ مَكَّةَ إِذَا دَنَا مِنْ مَكَّةَ بِذِي طُوًى وَيَأْمُرُ مَنْ مَعَهُ فَيَغْتَسِلُونَ قَبْلَ أَنْ يَدْخُلُوا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬. নাফি' (রহঃ) বর্ণনা করেন- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) যখন মক্কার নিকটবর্তী হইতেন তখন দুই গিরিপথের মধ্যবর্তী যি-তুওয়া নামক স্থানে রাত্রিযাপন করিতেন। পরে ফজরেই নামাযের পর উপরের গিরিপথ বাহিয়া মক্কায় প্রবেশ করিতেন। আর হজ্জ বা উমরার উদ্দেশ্যে আসিলে যি-তুওয়ায় গোসল না করিয়া সেখানে প্রবেশ করিতেন না। সঙ্গীগণকে মক্কা প্রবেশের পূর্বে গোসল করিতে তিনি নির্দেশ দিতেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭১১অধ্যায় ২০, নং ৭
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ لاَ يَغْسِلُ رَأْسَهُ وَهُوَ مُحْرِمٌ إِلاَّ مِنَ الاِحْتِلاَمِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ سَمِعْتُ أَهْلَ الْعِلْمِ يَقُولُونَ لاَ بَأْسَ أَنْ يَغْسِلَ الرَّجُلُ الْمُحْرِمُ رَأْسَهُ بِالْغَسُولِ بَعْدَ أَنْ يَرْمِيَ جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ وَقَبْلَ أَنْ يَحْلِقَ رَأْسَهُ وَذَلِكَ أَنَّهُ إِذَا رَمَى جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ فَقَدْ حَلَّ لَهُ قَتْلُ الْقَمْلِ وَحَلْقُ الشَّعْرِ وَإِلْقَاءُ التَّفَثِ وَلُبْسُ الثِّيَابِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭. নাফি' (রহঃ) বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) ইহরামের অবস্থায় মাথা ধুইতেন না। তবে স্বপ্নদোষ হইলে বাধ্যতামূলক ধুইতে হইত। মালিক (রহঃ) বলেন, বিজ্ঞ আলিমদের নিকট শুনিয়াছি যে, জমরা-এ-আকাবার রমি করার পর মাথা কামাইবার পূর্বেই সাবান ইত্যাদি দ্বারা মাথা ধৌত করা যায়। কেননা জমরা-এ-আকাবায় প্রস্তর নিক্ষেপের পর উকুন মারা, মাথা কামানো, ময়লা বিদূরিত করা, কাপড় পরা ইত্যাদি কাজ মুহরিমের জন্য হালাল হইয়া যায়।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭১২অধ্যায় ২০, নং ৮
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَجُلاً، سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا يَلْبَسُ الْمُحْرِمُ مِنَ الثِّيَابِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تَلْبَسُوا الْقُمُصَ وَلاَ الْعَمَائِمَ وَلاَ السَّرَاوِيلاَتِ وَلاَ الْبَرَانِسَ وَلاَ الْخِفَافَ إِلاَّ أَحَدٌ لاَ يَجِدُ نَعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسْ خُفَّيْنِ وَلْيَقْطَعْهُمَا أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ وَلاَ تَلْبَسُوا مِنَ الثِّيَابِ شَيْئًا مَسَّهُ الزَّعْفَرَانُ وَلاَ الْوَرْسُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৮. আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট জিজ্ঞাসা করিল, ইহরাম অবস্থায় মুহরিম ব্যক্তি কি ধরনের কাপড় পরিধান করিতে পারে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তরে বলিলেনঃ কোর্তা পরিবে না, পাগড়ি বাধিবে না, টুপি, পাজামা এবং মোজা পরিবে না। তবে কাহারও চপ্পল না থাকিলে সে মোজা পরিতে পারে বটে কিন্তু উহা এমনভাবে কাটিয়া পরিবে যাহাতে পায়ের টাখনা বাহির হইয়া থাকে। জাফরান বা ওয়ারস (এক প্রকার সুগন্ধযুক্ত রঙিন ঘাস) রঞ্জিত কাপড়ও পরিতে পারিবে না। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ মালিক (রহঃ)-এর নিকট একবার জিজ্ঞাসা করা হইল, একটি হাদীস হইতে জানা যায় যে, লুঙ্গি না পাইলে সে পায়জামা পরিতে পরিবে। মুহরিমের জন্য পায়জামা পরা কি জায়েয হইবে? মালিক (রহঃ) উত্তরে বললেনঃ এই ধরনের কোন হাদীস আমি শুনি নাই। আমার মতে মুহরিমের জন্য পায়জামা পরিধান করা উচিত হইবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহরিমকে পায়জামা পরিতে নিষেধ করিয়াছেন এবং মোজার ব্যাপারে যেমন অনুমতি প্রদান করা হইয়াছে পায়জামার ব্যাপারে তদ্রুপ অনুমতি প্রদান করা হয় নাই।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ৭১৩অধ্যায় ২০, নং ৯
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَلْبَسَ الْمُحْرِمُ ثَوْبًا مَصْبُوغًا بِزَعْفَرَانٍ أَوْ وَرْسٍ وَقَالَ ‏ "‏ مَنْ لَمْ يَجِدْ نَعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسْ خُفَّيْنِ وَلْيَقْطَعْهُمَا أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৯. আবদুল্লাহ ইবন দীনার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় জাফরান এবং ওয়ার্স রঞ্জিত কাপড় পরিধান করিতে নিষেধ করিয়াছেন। তিনি বলিয়াছেন, যাহার জুতা নাই সে মোজা (চামড়ার) পরিতে পারবে, কিন্তু টাখনার[1] নিচ পর্যন্ত উহা কাটিয়া নিবে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ৭১৪অধ্যায় ২০, নং ১০
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَسْلَمَ، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ يُحَدِّثُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، رَأَى عَلَى طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ ثَوْبًا مَصْبُوغًا وَهُوَ مُحْرِمٌ فَقَالَ عُمَرُ مَا هَذَا الثَّوْبُ الْمَصْبُوغُ يَا طَلْحَةُ فَقَالَ طَلْحَةُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ إِنَّمَا هُوَ مَدَرٌ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ إِنَّكُمْ أَيُّهَا الرَّهْطُ أَئِمَّةٌ يَقْتَدِي بِكُمُ النَّاسُ فَلَوْ أَنَّ رَجُلاً جَاهِلاً رَأَى هَذَا الثَّوْبَ لَقَالَ إِنَّ طَلْحَةَ بْنَ عُبَيْدِ اللَّهِ كَانَ يَلْبَسُ الثِّيَابَ الْمُصَبَّغَةَ فِي الإِحْرَامِ فَلاَ تَلْبَسُوا أَيُّهَا الرَّهْطُ شَيْئًا مِنْ هَذِهِ الثِّيَابِ الْمُصَبَّغَةِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১০. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) তালহা ইবন উবায়দুল্লাহ্ (রাঃ)-কে ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরিতে দেখিয়া তাহাকে বলিলেনঃ তালহা, এ রঙিন কাপড় কেন? তিনি বলিলেনঃ আমীরুল মুমিনীন, ইহা তো মাটির রঙ। ইহাতে দোষ কি? উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বললেন, দেখ, তোমরা হইলে নেতা। অন্যরা তোমাদের অনুসরণ করিয়া চলে। স্বল্প বুদ্ধির কেউ তোমাকে দেখিলে মনে করিবে, তাহা ইবন উবায়দুল্লাহও ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরেন। সুতরাং তোমাদের কোন প্রকারের রঙিন কাপড় পরা উচিত নহে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭১৫অধ্যায় ২০, নং ১১
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ، أَنَّهَا كَانَتْ تَلْبَسُ الثِّيَابَ الْمُعَصْفَرَاتِ الْمُشَبَّعَاتِ وَهِيَ مُحْرِمَةٌ لَيْسَ فِيهَا زَعْفَرَانٌ ‏.‏ قَالَ يَحْيَى سُئِلَ مَالِكٌ عَنْ ثَوْبٍ مَسَّهُ طِيبٌ ثُمَّ ذَهَبَ مِنْهُ رِيحُ الطِّيبِ هَلْ يُحْرِمُ فِيهِ فَقَالَ نَعَمْ مَا لَمْ يَكُنْ فِيهِ صِبَاغٌ زَعْفَرَانٌ أَوْ وَرْسٌ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১১. আসমা বিনত আবু বকর (রাঃ) ইহরাম অবস্থায় গাঢ় কুসুম রঙের কাপড় পরিতেন। তবে ইহাতে জাফরান মিশ্রিত হইত না। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ সুগন্ধি বিদূরিত হইয়া গেলে ঐ ধরনের কাপড় ইহরাম অবস্থায় পরিধান করা জায়েয কিনা এই সম্পর্কে মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইলে তিনি বলিলেনঃ হ্যাঁ, পরিতে পারে। তবে শর্ত হইল জাফরান এবং ওয়ার্‌স-এর রঙ যেন উহাতে না থাকে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭১৬অধ্যায় ২০, নং ১২
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَكْرَهُ لُبْسَ الْمِنْطَقَةِ لِلْمُحْرِمِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১২. নাফি' (রহঃ) বর্ণনা করেন- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) ইহরাম অবস্থায় কোমরবন্ধ বাধা মাকরুহ বলিয়া মনে করিতেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭১৭অধ্যায় ২০, নং ১৩
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ سَمِعَ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ، يَقُولُ فِي الْمِنْطَقَةِ يَلْبَسُهَا الْمُحْرِمُ تَحْتَ ثِيَابِهِ أَنَّهُ لاَ بَأْسَ بِذَلِكَ إِذَا جَعَلَ طَرَفَيْهَا جَمِيعًا سُيُورًا يَعْقِدُ بَعْضَهَا إِلَى بَعْضٍ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَهَذَا أَحَبُّ مَا سَمِعْتُ إِلَىَّ فِي ذَلِكَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৩. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বর্ণনা করেন- সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব (রহঃ) বলেনঃ উভয় পার্শ্বে ফিতাযুক্ত কোমরবন্ধ কাপড়ের নিচে ইহরাম অবস্থায় পরিলে কোন অসুবিধা নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে উল্লিখিত বর্ণনাটি সর্বোত্তম, যাহা আমি শুনিয়াছি।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Maqtu SahihSalim al-Hilali
নং ৭১৮অধ্যায় ২০, নং ১৪
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، أَنَّهُ قَالَ أَخْبَرَنِي الْفُرَافِصَةُ بْنُ عُمَيْرٍ الْحَنَفِيُّ، أَنَّهُ رَأَى عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ بِالْعَرْجِ يُغَطِّي وَجْهَهُ وَهُوَ مُحْرِمٌ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৪. ফারাফিসা ইবন উমায়র আল-হানাকী (রহঃ) আরজ নামক স্থানে উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-কে ইহরাম অবস্থায় মুখমণ্ডল আচ্ছাদিত করিতে দেখিয়াছেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭১৯অধ্যায় ২০, নং ১৫
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ مَا فَوْقَ الذَّقَنِ مِنَ الرَّأْسِ فَلاَ يُخَمِّرْهُ الْمُحْرِمُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৫. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ চিবুকের উপরিভাগ মাথার হুকুমের শামিল। ইহরাম অবস্থায় উহা ঢাকা দুরন্ত নহে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭২০অধ্যায় ২০, নং ১৬
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَفَّنَ ابْنَهُ وَاقِدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ وَمَاتَ بِالْجُحْفَةِ مُحْرِمًا وَخَمَّرَ رَأْسَهُ وَوَجْهَهُ وَقَالَ لَوْلاَ أَنَّا حُرُمٌ لَطَيَّبْنَاهُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَإِنَّمَا يَعْمَلُ الرَّجُلُ مَا دَامَ حَيًّا فَإِذَا مَاتَ فَقَدِ انْقَضَى الْعَمَلُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৬. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ)-এর পুত্র ওয়াকিদ ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) জুহফা নামক স্থানে ইহরাম অবস্থায় ইন্তিকাল করেন। উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) নিজে তাহাকে কাফন পরান। তিনি তখন বলিয়াছিলেনঃ আমরা ইহরাম অবস্থায় না হইলে তাহাকে সুগন্ধি লাগাইতাম। তিনি তাহার মাথা এবং মুখমণ্ডল ঢাকিয়া দিয়াছিলেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ জীবিত থাকাকালীন মানুষ শরীয়তের উপর আমল করিতে পারে। মৃত্যুর পরে মানুষের আমল বন্ধ হইয়া যায়।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭২১অধ্যায় ২০, নং ১৭
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ لاَ تَنْتَقِبُ الْمَرْأَةُ الْمُحْرِمَةُ وَلاَ تَلْبَسُ الْقُفَّازَيْنِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৭. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেনঃ ইহরাম অবস্থায় মহিলাগণ চেহারায় নেকাব ফেলিবে না বা হাতে দস্তানা পরিবে না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭২২অধ্যায় ২০, নং ১৮
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ، أَنَّهَا قَالَتْ كُنَّا نُخَمِّرُ وُجُوهَنَا وَنَحْنُ مُحْرِمَاتٌ وَنَحْنُ مَعَ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৮. ফাতিমা বিনতে মুনযির (রহঃ) বলেনঃ আমরা আসমা বিনতে আবু বকর (রাঃ)-এর সঙ্গী ছিলাম। আমরা ইহরাম অবস্থায় মুখ ঢাকিয়া ফেলিতাম, কিন্তু তিনি আমাদের কিছুই বলিতেন না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ৭২৩অধ্যায় ২০, নং ১৯
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ كُنْتُ أُطَيِّبُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لإِحْرَامِهِ قَبْلَ أَنْ يُحْرِمَ وَلِحِلِّهِ قَبْلَ أَنْ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৯. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ ইহরাম বাধার পূর্বে এবং ইহরাম খোলার সময় তাওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সুগন্ধি লাগাইয়া দিতাম।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ৭২৪অধ্যায় ২০, নং ২০
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، أَنَّ أَعْرَابِيًّا، جَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ بِحُنَيْنٍ وَعَلَى الأَعْرَابِيِّ قَمِيصٌ وَبِهِ أَثَرُ صُفْرَةٍ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَهْلَلْتُ بِعُمْرَةٍ فَكَيْفَ تَأْمُرُنِي أَنْ أَصْنَعَ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ انْزِعْ قَمِيصَكَ وَاغْسِلْ هَذِهِ الصُّفْرَةَ عَنْكَ وَافْعَلْ فِي عُمْرَتِكَ مَا تَفْعَلُ فِي حَجِّكَ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২০. আতা ইবন আবি রাবাহ (রহঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হুনাইনে অবস্থান করিতেছিলেন তখন হলুদ রঙের চিহ্ন আছে এমন জামা পরিহিত এক বেদুঈন ব্যক্তি তাহার কাছে আসিয়া বলিলঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি উমরার নিয়ত করিয়াছি। এখন আপনি আমাকে কি করিতে নির্দেশ করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ জামাটি খুলিয়া হলুদ দাগগুলি ধুইয়া ফেল এবং হজ্জের বেলায় যাহা করিতে এখন তাহাই কর।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭২৫অধ্যায় ২০, নং ২১
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ أَسْلَمَ، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، وَجَدَ رِيحَ طِيبٍ وَهُوَ بِالشَّجَرَةِ فَقَالَ مِمَّنْ رِيحُ هَذَا الطِّيبِ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ بْنُ أَبِي سُفْيَانَ مِنِّي يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ ‏.‏ فَقَالَ مِنْكَ لَعَمْرُ اللَّهِ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ إِنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ طَيَّبَتْنِي يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ عَزَمْتُ عَلَيْكَ لَتَرْجِعَنَّ فَلْتَغْسِلَنَّهُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২১. আসলাম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) শাজারায় (মদীনা হইতে ছয় মাইল দূরবর্তী একটি স্থান) ছিলেন। তখন তাহার নাকে সুগন্ধি অনুভূত হইল। তিনি জিজ্ঞাসা করিলেনঃ এই সুগন্ধি কোথা হইতে আসিতেছে? মু'আবিয়া ইবন আবু সুফইয়ান (রাঃ) বলিলেনঃ আমার নিকট হইতে হে আমীরুল মুমিনীন! উমর (রাঃ) বলিলেনঃ আল্লাহর কসম, এই সুগন্ধি তোমা হইতে! অতঃপর মু'আবিয়া বলিলেনঃ উম্মে হাবীব (রাঃ) আমাকে এই সুগন্ধি লাগাইয়া দিয়াছিলেন। উমর (রাঃ) বলিলেনঃ তোমাকে বলিতেছি, তুমি ফিরিয়া যাও (উম্মে হাবীবার নিকট), তিনি নিশ্চয় ইহা ধুইয়া দিবেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf DaifSalim al-Hilali
নং ৭২৬অধ্যায় ২০, নং ২২
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الصَّلْتِ بْنِ زُيَيْدٍ، عَنْ غَيْرِ، وَاحِدٍ، مِنْ أَهْلِهِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، وَجَدَ رِيحَ طِيبٍ وَهُوَ بِالشَّجَرَةِ وَإِلَى جَنْبِهِ كَثِيرُ بْنُ الصَّلْتِ فَقَالَ عُمَرُ مِمَّنْ رِيحُ هَذَا الطِّيبِ فَقَالَ كَثِيرٌ مِنِّي يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ لَبَّدْتُ رَأْسِي وَأَرَدْتُ أَنْ لاَ أَحْلِقَ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ فَاذْهَبْ إِلَى شَرَبَةٍ فَادْلُكْ رَأْسَكَ حَتَّى تُنَقِّيَهُ ‏.‏ فَفَعَلَ كَثِيرُ بْنُ الصَّلْتِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ الشَّرَبَةُ حَفِيرٌ تَكُونُ عِنْدَ أَصْلِ النَّخْلَةِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২২. সালত ইবন যুয়াইদ (রহঃ) তাহার পরিবারের একাধিক ব্যক্তি হইতে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) শাজারায় সুগন্ধ দ্রব্যের ঘ্রাণ পাইলেন, তাহার পার্শ্বে ছিলেন কসীর ইবন সালত। উমর (রাঃ) বলিলেন, এই সুগন্ধ কাহার নিকট হইতে? কসীর বলিলেনঃ আমার নিকট হইতে। আমার মাথায় তলবীদ করিয়াছি এবং আমি মাথার চুল মুণ্ডাইবার ইরাদা করিয়াছি। উমর (রাঃ) বললেন, তুমি শরাবাতের দিকে গমন কর এবং তোমার মাথা মালিশ কর উহাকে পরিষ্কার করা পর্যন্ত। কসীর ইবন সালত (রহঃ) উহা করিলেন। মালিক (রহঃ) বলেন, শারাবাত (شربة) গাছের গোড়ার গর্ত যাহাতে পানি জমিয়া থাকে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Maqtu SahihSalim al-Hilali
নং ৭২৭অধ্যায় ২০, নং ২৩
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، وَرَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ الْوَلِيدَ بْنَ عَبْدِ الْمَلِكِ، سَأَلَ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ وَخَارِجَةَ بْنَ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ بَعْدَ أَنْ رَمَى الْجَمْرَةَ، وَحَلَقَ، رَأْسَهُ وَقَبْلَ أَنْ يُفِيضَ عَنِ الطِّيبِ فَنَهَاهُ سَالِمٌ وَأَرْخَصَ لَهُ خَارِجَةُ بْنُ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ لاَ بَأْسَ أَنْ يَدَّهِنَ الرَّجُلُ بِدُهْنٍ لَيْسَ فِيهِ طِيبٌ قَبْلَ أَنْ يُحْرِمَ وَقَبْلَ أَنْ يُفِيضَ مِنْ مِنًى بَعْدَ رَمْىِ الْجَمْرَةِ ‏.‏ قَالَ يَحْيَى سُئِلَ مَالِكٌ عَنْ طَعَامٍ فِيهِ زَعْفَرَانٌ هَلْ يَأْكُلُهُ الْمُحْرِمُ فَقَالَ أَمَّا مَا تَمَسُّهُ النَّارُ مِنْ ذَلِكَ فَلاَ بَأْسَ بِهِ أَنْ يَأْكُلَهُ الْمُحْرِمُ وَأَمَّا مَا لَمْ تَمَسَّهُ النَّارُ مِنْ ذَلِكَ فَلاَ يَأْكُلُهُ الْمُحْرِمُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৩. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ), আবদুল্লাহ্ ইবন আবু বকর (রহঃ) এবং রবীআ ইবন আবু আবদুর রহমান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, অলিদ ইবন আবদুল মালিক সালিম ইবন আবদুল্লাহ ও খারিজা ইবন যায়দ (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করিলেনঃ রমীয়ে জামরা (প্রস্তর নিক্ষেপ) এবং মাথা কামাইবার পর তওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে সুগন্ধি ব্যবহার করা কেমন? সালিম (রহঃ) ইহাকে নিষিদ্ধ বলিয়া মত দিলেন, আর খারিজা ইবন যায়দ ইবন সাবিত (রহঃ) বলিলেনঃ ইহা জায়েয। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহরামের পূর্বে বা তাওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে রমীয়ে জামরার পর মিনা হইতে প্রত্যাবর্তনকালে গন্ধবিহীন সাধারণ তৈল ব্যবহার করায় কোন অসুবিধা নাই। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইল, জাফরান মিশ্রিত খাদ্য মুহরিম ব্যক্তি খাইতে পারবে কি? তখন তিনি বলিলেনঃ আগুনে পরিপাক করা হইয়া থাকিলে খাইতে পারিবে। আর তাহা না হইলে খাইতে পারিবে না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • DaifSalim al-Hilali
নং ৭২৮অধ্যায় ২০, নং ২৪
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ يُهِلُّ أَهْلُ الْمَدِينَةِ مِنْ ذِي الْحُلَيْفَةِ وَيُهِلُّ أَهْلُ الشَّامِ مِنَ الْجُحْفَةِ وَيُهِلُّ أَهْلُ نَجْدٍ مِنْ قَرْنٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ وَبَلَغَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ وَيُهِلُّ أَهْلُ الْيَمَنِ مِنْ يَلَمْلَمَ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৪. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলিয়াছেনঃ মদীনাবাসিগণ যুল-হুলায়ফা হইতে, সিরিয়াবাসিগণ জুহফা আর নজদবাসিগণ করুন হইতে ইহরাম বাঁধিবে। আবদুল্লাহ ইবন উমর বলেন, আমার নিকট আরও রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ ইয়ামানবাসিগণ ইয়ালাম্‌লাম হইতে ইহরাম বাধিবে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ৭২৯অধ্যায় ২০, নং ২৫
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ قَالَ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَهْلَ الْمَدِينَةِ أَنْ يُهِلُّوا مِنْ ذِي الْحُلَيْفَةِ وَأَهْلَ الشَّامِ مِنَ الْجُحْفَةِ وَأَهْلَ نَجْدٍ مِنْ قَرْنٍ ‏.‏ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ أَمَّا هَؤُلاَءِ الثَّلاَثُ فَسَمِعْتُهُنَّ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأُخْبِرْتُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ وَيُهِلُّ أَهْلُ الْيَمَنِ مِنْ يَلَمْلَمَ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৬. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ উল্লেখিত তিনটি কথা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হইতে শুনিয়াছি। আর আমাকে সংবাদ দেওয়া হইয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ ইয়ামনবাসী ইয়ালামলাম হইতে ইহরাম বাঁধিবে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ৭৩০অধ্যায় ২০, নং ২৬
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، أَهَلَّ مِنَ الْفُرْعِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৭. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) ফুরু' নামক স্থান হইতে ইহরাম বাঁধিয়াছিলেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭৩১অধ্যায় ২০, নং ২৭
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الثِّقَةِ، عِنْدَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، أَهَلَّ مِنْ إِيلْيَاءَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৮. মালিক (রহঃ) জনৈক নির্ভরযোগ্য ব্যক্তির নিকট শুনিয়াছেন যে, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) এলিয়া (বায়তুল মুকাদ্দাস) হইতে ইহরাম বাঁধিয়াছিলেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭৩২অধ্যায় ২০, নং ২৮
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَهَلَّ مِنَ الْجِعِرَّانَةِ بِعُمْرَةٍ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৯. মালিক (রহঃ) বলেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিইরানা নামক স্থান হইতে ওমরার ইহরাম বাঁধিয়াছিলেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭৩৩অধ্যায় ২০, নং ২৯
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ تَلْبِيَةَ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ يَزِيدُ فِيهَا لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ بِيَدَيْكَ لَبَّيْكَ وَالرَّغْبَاءُ إِلَيْكَ وَالْعَمَلُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩০. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তালবিয়া এইরূপঃ لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ অর্থাৎ, বারবার হাযির হই হে পরওয়ারদিগার! বারবার আমি তোমার স্বারে হাযির হই, বারবার তোমার দরবারে হাযির হই, কোন শরীক নাই তোমার, বারবার আমি তোমার দ্বারে হাযির হই, নিঃসন্দেহে সকল প্রশংসা ও নিয়ামত এবং রাজত্ব তোমারই। কোন শরীক নাই তোমার। নাফি (রহঃ) বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) তৎসঙ্গে ইহাও বৃদ্ধি করিতেনঃ (لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ بِيَدَيْكَ لَبَّيْكَ وَالرَّغْبَاءُ إِلَيْكَ وَالْعَمَلُ) অর্থাৎ আমি তোমার দরবারে হাযির, আমি হাযির আমি হাযির, সৌভাগ্য তোমার নিকট হইতে, মঙ্গল তোমার হাতেই, আমি তোমার দরবারে হাযির, আমার সকল প্রেরণা তুমিই আর আমার সকল কর্মে একমাত্র উদ্দেশ্য তুমিই।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ৭৩৪অধ্যায় ২০, নং ৩০
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي فِي مَسْجِدِ ذِي الْحُلَيْفَةِ رَكْعَتَيْنِ فَإِذَا اسْتَوَتْ بِهِ رَاحِلَتُهُ أَهَلَّ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৪. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) যুল-হুলায়ফাস্থ মসজিদে নামায পড়িয়া বাহির হইতেন, পরে উটে আরোহণ করিয়া ইহরাম বাঁধিতেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Sahih LighairihiSalim al-Hilali
নং ৭৩৫অধ্যায় ২০, নং ৩১
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَاهُ، يَقُولُ بَيْدَاؤُكُمْ هَذِهِ الَّتِي تَكْذِبُونَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِيهَا مَا أَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ مِنْ عِنْدِ الْمَسْجِدِ يَعْنِي مَسْجِدَ ذِي الْحُلَيْفَةِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩২. সালিম ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) তাহার পিতা আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর নিকট শুনিয়াছেন, তিনি বলেনঃ এই স্থানটিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম ইহরাম বাধিয়াছিলেন বলিয়া তোমরা ভুল ধারণা করিয়া থাক। অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল-হুলাইফাস্থ মসজিদের নিকট হইতে লাব্বায়কা বলিয়াছেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ৭৩৬অধ্যায় ২০, নং ৩২
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ جُرَيْجٍ، أَنَّهُ قَالَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ رَأَيْتُكَ تَصْنَعُ أَرْبَعًا لَمْ أَرَ أَحَدًا مِنْ أَصْحَابِكَ يَصْنَعُهَا ‏.‏ قَالَ وَمَا هُنَّ يَا ابْنَ جُرَيْجٍ قَالَ رَأَيْتُكَ لاَ تَمَسُّ مِنَ الأَرْكَانِ إِلاَّ الْيَمَانِيَيْنِ وَرَأَيْتُكَ تَلْبَسُ النِّعَالَ السِّبْتِيَّةَ وَرَأَيْتُكَ تَصْبُغُ بِالصُّفْرَةِ وَرَأَيْتُكَ إِذَا كُنْتَ بِمَكَّةَ أَهَلَّ النَّاسُ إِذَا رَأَوُا الْهِلاَلَ وَلَمْ تُهْلِلْ أَنْتَ حَتَّى يَكُونَ يَوْمُ التَّرْوِيَةِ ‏.‏ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ أَمَّا الأَرْكَانُ فَإِنِّي لَمْ أَرَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَمَسُّ إِلاَّ الْيَمَانِيَّيْنِ وَأَمَّا النِّعَالُ السِّبْتِيَّةُ فَإِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَلْبَسُ النِّعَالَ الَّتِي لَيْسَ فِيهَا شَعَرٌ وَيَتَوَضَّأُ فِيهَا فَأَنَا أُحِبُّ أَنْ أَلْبَسَهَا وَأَمَّا الصُّفْرَةُ فَإِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصْبُغُ بِهَا فَأَنَا أُحِبُّ أَنْ أَصْبُغَ بِهَا وَأَمَّا الإِهْلاَلُ فَإِنِّي لَمْ أَرَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُهِلُّ حَتَّى تَنْبَعِثَ بِهِ رَاحِلَتُهُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৩. উবায়দ ইবন জুরায়জ (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে বলিলেনঃ হে আবু আবদুর রহমান! এমন চারটি বিষয় আপনার মধ্যে দেখিতে পাই যাহা আপনার অন্যান্য সাথীর মধ্যে দেখিতে পাওয়া যায় না। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিলেনঃ সেইগুলি কি? বলত শুনি। ইবন জুরায়জ বলিলেনঃ তাওয়াফের সময় আপনাকে রুকনে য়্যামানী এবং হাজরে আসওয়াদই কেবল ছুঁইতে দেখা যায়, লোমশূন্য চামড়ার জুতা আপনি পরিধান করিয়া থাকেন, আপনি হলুদ রঙের খেজাব ব্যবহার করেন, মক্কায় অবস্থান করিলে আপনি যিলহজ্জ মাসের আট তারিখে ইহরাম বাঁধিয়া থাকেন অথচ অন্যরা চাঁদ দেখামাত্র ইহরাম বাধিয়া নেন। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) জবাবে বলিলেনঃ রুকনে য়্যামানী ও হাজরে আসওয়াদ ব্যতীত অন্য কোন রুকন স্পর্শ করিতে আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখি নাই। লোমশূন্য জুতা পরিতেও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখিয়াছি এবং সেই জুতা পরিধান করা অবস্থায় তিনি ওযুও করিতেন। তাই উহা পরিতে আমার ভাল লাগে। হলুদ রঙের খেজাবও রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ব্যবহার করিতে দেখিয়াছি তাই আমার তাহা ভাল লাগে। আর ইহরাম সম্বন্ধে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখিয়াছি যতক্ষণ তাহাকে লইয়া যাত্রার জন্য উট না দাঁড়াইত ততক্ষণ তিনি তালবিয়া পড়িতেন না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ৭৩৭অধ্যায় ২০, নং ৩৩
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يُصَلِّي فِي مَسْجِدِ ذِي الْحُلَيْفَةِ
রেওয়ায়ত ৩৭. মালিক (রহঃ) বলেনঃ বিজ্ঞ আলিমগণের নিকট শুনিয়াছি, তাহারা বলিতেনঃ উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ করা মহিলাদের বেলায় প্রযোজ্য নহে। মহিলাগণ আস্তে পড়িবেন যেন কেবল নিজেরাই আওয়ায শুনিতে পান। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মসজিদের ভিতরে তালবিয়ার আওয়ায খুব বেশি উচু করিবে না। বরং এতটুকু শব্দে পড়িবে যেন নিজে এবং পাশের লোকটি কেবল শুনিতে পায়। তবে মিনা মসজিদ এবং মসজিদুল হারামে উচ্চস্বরে ‘লাব্বায়কা’ পাঠ করিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কতিপয় আলিমের নিকট শুনিয়াছি, প্রত্যেক নামাযের পর এবং চড়াই উতরাই-এর সময় লাব্বায়কা পাঠ করা মুস্তাহাব।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭৩৮অধ্যায় ২০, নং ৩৪
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنَ مَرْوَانَ، أَهَلَّ مِنْ عِنْدِ مَسْجِدِ ذِي الْحُلَيْفَةِ حِينَ اسْتَوَتْ بِهِ رَاحِلَتُهُ وَأَنَّ أَبَانَ بْنَ عُثْمَانَ أَشَارَ عَلَيْهِ بِذَلِكَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৫. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবদুল মালিক ইবন মারওয়ান[1] (রহঃ) যুল-হুলায়ফার মসজিদ হইতে উট যখন সোজা হইয়া দাঁড়াইত তখন তালবিয়া পড়িয়াছিলেন। আবান ইবন উসমান (রহঃ) তাহাকে তদ্রুপ করিতে বলিয়াছেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Maqtu DaifSalim al-Hilali
নং ৭৩৯অধ্যায় ২০, নং ৩৫
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ خَلاَّدِ بْنِ السَّائِبِ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ أَتَانِي جِبْرِيلُ فَأَمَرَنِي أَنْ آمُرَ أَصْحَابِي أَوْ مَنْ مَعِي أَنْ يَرْفَعُوا أَصْوَاتَهُمْ بِالتَّلْبِيَةِ أَوْ بِالإِهْلاَلِ ‏"‏ ‏.‏ يُرِيدُ أَحَدَهُمَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৬. খাল্লাদ ইবন সায়িব আনসারী (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ জিবরীল (আঃ) আসিয়া আমাকে নির্দেশ দিয়া গেলেন আমার সঙ্গীদের যেন উচ্চস্বরে ‘লাব্বায়কা’ বলার নির্দেশ দেই।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ৭৪০অধ্যায় ২০, নং ৩৬
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ، مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَامَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ فَمِنَّا مَنْ أَهَلَّ بِعُمْرَةٍ وَمِنَّا مَنْ أَهَلَّ بِحَجَّةٍ وَعُمْرَةٍ وَمِنَّا مَنْ أَهَلَّ بِالْحَجِّ وَأَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْحَجِّ فَأَمَّا مَنْ أَهَلَّ بِعُمْرَةٍ فَحَلَّ وَأَمَّا مَنْ أَهَلَّ بِحَجٍّ أَوْ جَمَعَ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ فَلَمْ يُحِلُّوا حَتَّى كَانَ يَوْمُ النَّحْرِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৮. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ (হাজ্জাতুল বিদা) বিদায় হজ্জের সময় আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহিত রওয়ানা হইলাম। আমাদের মধ্যে কেহ কেহ শুধু উমরার, আর কেহ কেহ উমরা ও হজ্জ উভয়ের, আর কেউ শুধু হজ্জের ইহরাম বাধিয়াছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে বাধিয়াছিলেন শুধু হজ্জের ইহরাম। সুতরাং যাহারা শুধু উমরার ইহরাম বাধিয়াছিলেন তাহারা উমরা করিয়াই ইহরাম খুলিয়া ফেলিয়াছেন। আর যাহারা হজ্জ ও উমরা উভয়ের বা শুধু হজ্জের ইহরাম বাধিয়াছিলেন তাহারা দশ তারিখ পর্যন্ত আর ইহরাম খুলেন নাই।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ৭৪১অধ্যায় ২০, নং ৩৭
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَفْرَدَ الْحَجَّ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৯. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) বর্ণনা করেন- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ্জে ইফরাদ আদায় করিয়াছিলেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ৭৪২অধ্যায় ২০, নং ৩৮
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ، مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ وَكَانَ يَتِيمًا فِي حَجْرِ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَفْرَدَ الْحَجَّ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪০. উরওয়াহ ইবন যুবায়র উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণনা করেন- নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ্জে-ইফরাদ আদায় করিয়াছেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ৭৪৩অধ্যায় ২০, নং ৩৯
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ الْمِقْدَادَ بْنَ الأَسْوَدِ، دَخَلَ عَلَى عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ بِالسُّقْيَا وَهُوَ يَنْجَعُ بَكَرَاتٍ لَهُ دَقِيقًا وَخَبَطًا فَقَالَ هَذَا عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ يَنْهَى عَنْ أَنْ يُقْرَنَ بَيْنَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ ‏.‏ فَخَرَجَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ وَعَلَى يَدَيْهِ أَثَرُ الدَّقِيقِ وَالْخَبَطِ - فَمَا أَنْسَى أَثَرَ الدَّقِيقِ وَالْخَبَطِ عَلَى ذِرَاعَيْهِ - حَتَّى دَخَلَ عَلَى عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ فَقَالَ أَنْتَ تَنْهَى عَنْ أَنْ يُقْرَنَ بَيْنَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ فَقَالَ عُثْمَانُ ذَلِكَ رَأْيِي ‏.‏ فَخَرَجَ عَلِيٌّ مُغْضَبًا وَهُوَ يَقُولُ لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ بِحَجَّةٍ وَعُمْرَةٍ مَعًا ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ الأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّ مَنْ قَرَنَ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ لَمْ يَأْخُذْ مِنْ شَعَرِهِ شَيْئًا وَلَمْ يَحْلِلْ مِنْ شَىْءٍ حَتَّى يَنْحَرَ هَدْيًا إِنْ كَانَ مَعَهُ وَيَحِلُّ بِمِنًى يَوْمَ النَّحْرِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪২. জাফর ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ) সুকইয়াতে[1] আলী ইবন আবূ তালিব (রাঃ)-এর নিকট আসিলেন। আলী (রাঃ) তখন উটের বাচ্চাগুলিকে পানিতে গোলা আটা এবং ঘাস খাওয়াইতেছিলেন। মিকদাদ (রাঃ) বললেনঃ উসমান ইবন আফফান (রাঃ) হজ্জে কিরান করিতে নিষেধ করিতেছেন। ইহা শুনিয়া আলী (রাঃ) ঐ অবস্থায়ই উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-এর সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হইয়া গেলেন। তখনও তাহার হাতে আটা লাগিয়াছিল। আজ পর্যন্ত আমি তাহার হাতের আটার দাগ ভুলিতে পারি নাই। তিনি উসমান (রাঃ)-এর নিকট গিয়া বলিলেনঃ আপনি হজ্জে কিরান নিষেধ করেন। তিনি বলিলেনঃ হ্যাঁ, ইহাই আমার মত। আলী (রাঃ) ক্রোধাৰিত হইয়া বাহির হইয়া গেলেন এবং বলিলেনঃ (لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ بِحَجَّةٍ وَعُمْرَةٍ مَعًا) হে আল্লাহ, আমি হজ্জ ও উমরা উভয়ের এক সঙ্গে তালবিয়া পাঠ করিলাম।[2] মালিক (রহঃ) বলেনঃ হজ্জে কিরানের ইহরামকারী ব্যক্তি দশ তারিখে কুরবানীর পশু যবেহ না করা (তাহার সঙ্গে পশু هدى থাকিলে) এবং মিনায় গিয়া ইহরাম না খোলা পর্যন্ত নিজের চুল কাটিবে না। এবং ইহরাম অবস্থায় যাহা নিষিদ্ধ তাহা করিবে না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf DaifSalim al-Hilali
নং ৭৪৪অধ্যায় ২০, নং ৪০
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَامَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ خَرَجَ إِلَى الْحَجِّ فَمِنْ أَصْحَابِهِ مَنْ أَهَلَّ بِحَجٍّ وَمِنْهُمْ مَنْ جَمَعَ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ وَمِنْهُمْ مَنْ أَهَلَّ بِعُمْرَةٍ فَأَمَّا مَنْ أَهَلَّ بِحَجٍّ أَوْ جَمَعَ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ فَلَمْ يَحْلِلْ وَأَمَّا مَنْ كَانَ أَهَلَّ بِعُمْرَةٍ فَحَلُّوا ‏.‏ وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ أَنَّهُ سَمِعَ بَعْضَ أَهْلِ الْعِلْمِ يَقُولُونَ مَنْ أَهَلَّ بِعُمْرَةٍ ثُمَّ بَدَا لَهُ أَنْ يُهِلَّ بِحَجٍّ مَعَهَا فَذَلِكَ لَهُ مَا لَمْ يَطُفْ بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ وَقَدْ صَنَعَ ذَلِكَ ابْنُ عُمَرَ حِينَ قَالَ إِنْ صُدِدْتُ عَنِ الْبَيْتِ صَنَعْنَا كَمَا صَنَعْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ الْتَفَتَ إِلَى أَصْحَابِهِ فَقَالَ مَا أَمْرُهُمَا إِلاَّ وَاحِدٌ أُشْهِدُكُمْ أَنِّي أَوْجَبْتُ الْحَجَّ مَعَ الْعُمْرَةِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَقَدْ أَهَلَّ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَامَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ بِالْعُمْرَةِ ثُمَّ قَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ كَانَ مَعَهُ هَدْىٌ فَلْيُهْلِلْ بِالْحَجِّ مَعَ الْعُمْرَةِ ثُمَّ لاَ يَحِلُّ حَتَّى يَحِلَّ مِنْهُمَا جَمِيعًا ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৪. মালিক (রহঃ) কতিপয় বিজ্ঞ আলিমের নিকট শুনিয়াছেন, তাহারা বলেনঃ কেহ প্রথমে কেবল উমরার ইহরাম বাঁধিল, পরে সে যদি উমরার সহিত হজ্জেরও ইহরাম বাঁধিতে চাহে তবে তাওয়াফ ও সায়ী বায়নাস্-সাফা ওয়াল মারওয়ার (সাফা ও মারওয়ার পর্বতদ্বয়ের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট স্থানে দৌড়ান) পূর্ব পর্যন্ত তাহা পারে। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) তাহাই করিয়াছিলেন। তিনি একবার বলিয়াছিলেনঃ যদি বায়তুল্লাহু পৌছিতে বাধাপ্রাপ্ত হই তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় যাহা করিয়াছিলেন আমিও তাহাই করিব। মালিক (রহঃ) বলেনঃ বিদায় হজ্জের সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ উমরার ইহরাম বাঁধিয়াছিলেন। পরে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাদিগকে বলিলেন, যাহাদের সঙ্গে কুরবানীর পশু রহিয়াছে তাহারা এই সঙ্গে হজ্জের ইহরামও বাধিয়া নিবে। অতঃপর একত্রে উভয় ইহরাম খুলিবে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Sahih LighairihiSalim al-Hilali
নং ৭৪৫অধ্যায় ২০, নং ৪১
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الثَّقَفِيِّ، أَنَّهُ سَأَلَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ - وَهُمَا غَادِيَانِ مِنْ مِنًى إِلَى عَرَفَةَ - كَيْفَ كُنْتُمْ تَصْنَعُونَ فِي هَذَا الْيَوْمِ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ كَانَ يُهِلُّ الْمُهِلُّ مِنَّا فَلاَ يُنْكَرُ عَلَيْهِ وَيُكَبِّرُ الْمُكَبِّرُ فَلاَ يُنْكَرُ عَلَيْهِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৫. মুহাম্মদ ইবন আবু বকর সাকাফী (রহঃ) আনাস ইবন মালিক (রাঃ)-এর সঙ্গে মিনা হইতে আরাফাত ময়দানের দিকে যাইতেছিলেন, তখন তিনি আনাস (রাঃ)-কে বলিলেনঃ আজকের দিনে আপনারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহিত কি ধরনের আমল করিতেন? আনাস (রাঃ) বলিলেনঃ কেহ কেহ উচ্চস্বরে ‘লাব্বায়কা’ বলতেন, কেউ বা ‘আল্লাহু আকবার’ বলিতে থাকিতেন। অথচ কেহ কাহাকেও নিষেধ করিতেন না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
নং ৭৪৬অধ্যায় ২০, নং ৪২
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، كَانَ يُلَبِّي فِي الْحَجِّ حَتَّى إِذَا زَاغَتِ الشَّمْسُ مِنْ يَوْمِ عَرَفَةَ قَطَعَ التَّلْبِيَةَ ‏.‏ قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِكٌ وَذَلِكَ الأَمْرُ الَّذِي لَمْ يَزَلْ عَلَيْهِ أَهْلُ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৬. জাফর ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ) হজ্জের সময় উচ্চস্বরে লাব্বায়কা বলিতে থাকিতেন। তবে আরাফাতের দিন সূর্য যখন হেলিয়া পড়িত তখন লাব্বায়কা বলা মওকুফ করিয়া দিতেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf DaifSalim al-Hilali
নং ৭৪৭অধ্যায় ২০, নং ৪৩
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا كَانَتْ تَتْرُكُ التَّلْبِيَةَ إِذَا رَجَعَتْ إِلَى الْمَوْقِفِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৭. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পত্নী আয়েশা (রাঃ) যখন আরাফাতের দিকে যাত্রা করিতেন, তখন লাব্বায়কা বলা বন্ধ করিয়া দিতেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭৪৮অধ্যায় ২০, নং ৪৪
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقْطَعُ التَّلْبِيَةَ فِي الْحَجِّ إِذَا انْتَهَى إِلَى الْحَرَمِ حَتَّى يَطُوفَ بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ثُمَّ يُلَبِّي حَتَّى يَغْدُوَ مِنْ مِنًى إِلَى عَرَفَةَ فَإِذَا غَدَا تَرَكَ التَّلْبِيَةَ وَكَانَ يَتْرُكُ التَّلْبِيَةَ فِي الْعُمْرَةِ إِذَا دَخَلَ الْحَرَمَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৮. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হারম শরীফে তাওয়াফ ও সায়ী করিয়া ‘লাব্বায়কা’ মওকুফ করিয়া দিতেন। পরে আবার লাব্বায়কা বলা শুরু করতেন এবং মিনা হইতে সকালে আরাফাত যাত্রার সময় পর্যন্ত উহা পাঠ করিতেন। আরাফাতে যাত্রার সময় তিনি তাহা পুনরায় বন্ধ করিতেন। উমরার বেলায় হারম শরীফে প্রবেশ করিয়াই ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ করিয়া দিতেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭৪৯অধ্যায় ২০, নং ৪৫
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ لاَ يُلَبِّي وَهُوَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৯. ইবন শিহাব (রহঃ) বলেনঃ তাওয়াফ করার সময় আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) ‘লাব্বায়কা’ বলতেন না।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf DaifSalim al-Hilali
নং ৭৫০অধ্যায় ২০, নং ৪৬
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ أَبِي عَلْقَمَةَ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، أَنَّهَا كَانَتْ تَنْزِلُ مِنْ عَرَفَةَ بِنَمِرَةَ ثُمَّ تَحَوَّلَتْ إِلَى الأَرَاكِ ‏.‏ قَالَتْ وَكَانَتْ عَائِشَةُ تُهِلُّ مَا كَانَتْ فِي مَنْزِلِهَا وَمَنْ كَانَ مَعَهَا فَإِذَا رَكِبَتْ فَتَوَجَّهَتْ إِلَى الْمَوْقِفِ تَرَكَتِ الإِهْلاَلَ ‏.‏ قَالَتْ وَكَانَتْ عَائِشَةُ تَعْتَمِرُ بَعْدَ الْحَجِّ مِنْ مَكَّةَ فِي ذِي الْحِجَّةِ ثُمَّ تَرَكَتْ ذَلِكَ فَكَانَتْ تَخْرُجُ قَبْلَ هِلاَلِ الْمُحَرَّمِ حَتَّى تَأْتِيَ الْجُحْفَةَ فَتُقِيمَ بِهَا حَتَّى تَرَى الْهِلاَلَ فَإِذَا رَأَتِ الْهِلاَلَ أَهَلَّتْ بِعُمْرَةٍ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫০. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত- তিনি আরাফাত ময়দানে প্রথমে ‘নামিরা’ নামক স্থানে অবস্থান করিতেন, পরে আরাক’ নামক স্থানে অবস্থান করা শুরু করেন। আয়েশা (রাঃ) যতক্ষণ মনযিলে অবস্থান করিতেন ততক্ষণ তিনি ও তাহার সঙ্গীগণ ‘লাব্বায়কা’ পাঠ করিতে থাকিতেন। যখন আরাফাতের দিকে যাত্রার জন্য সওয়ার হইতেন তখন উহা বন্ধ করিয়া দিতেন। আয়েশা (রাঃ) প্রথমে হজ্জের পর যিলহজ্জ মাসেই মক্কা হইতে ইহরাম বাঁধিয়া উমরা করিতেন, পরে উহা ত্যাগ করিয়া মুহাররম মাসের চাঁদ দেখার পূর্বে জুহফা আসিয়া অবস্থান করিতেন এবং মুহাররম মাসের চাঁদ উঠিলে উমরার ইহরাম বাঁধিতেন।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf HasanSalim al-Hilali
নং ৭৫১অধ্যায় ২০, নং ৪৭
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، غَدَا يَوْمَ عَرَفَةَ مِنْ مِنًى فَسَمِعَ التَّكْبِيرَ عَالِيًا فَبَعَثَ الْحَرَسَ يَصِيحُونَ فِي النَّاسِ أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّهَا التَّلْبِيَةُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫১. ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবনে আবদুল আযীয (রহঃ) যিলহজ্জ মাসের নবম তারিখ মিনা হইতে সকালে আরাফাত ময়দানের দিকে যাত্রা করার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলার আওয়াজ শুনিতে পাইলেন। তখন তিনি কতিপয় সিপাহীকে এই কথা ঘোষণা করিতে নির্দেশ দিলেন যে, এখনই ‘লাব্বায়কা’ পাঠ করার সময়।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Maqtu SahihSalim al-Hilali
নং ৭৫২অধ্যায় ২০, নং ৪৮
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ يَا أَهْلَ مَكَّةَ مَا شَأْنُ النَّاسِ يَأْتُونَ شُعْثًا وَأَنْتُمْ مُدَّهِنُونَ أَهِلُّوا إِذَا رَأَيْتُمُ الْهِلاَلَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫২. আবদুর রহমান ইবন কাসিম (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) মক্কাবাসীদের উদ্দেশ্যে বলিয়াছিলেনঃ হে মক্কাবাসী! অন্যান্য মানুষ এই সময় উস্কখুস্ক চুল ও অপরিপাটি অবস্থায় এইখানে আগমন করে, আর তোমরা চুলে তেল মর্দন করিয়া পরিপাটি হইয়া থাক। যিলহজ্জের চাঁদ উঠিলে তোমরাও ইহরাম বাঁধিয়া নিও।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf DaifSalim al-Hilali
নং ৭৫৩অধ্যায় ২০, নং ৪৯
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الزُّبَيْرِ، أَقَامَ بِمَكَّةَ تِسْعَ سِنِينَ يُهِلُّ بِالْحَجِّ لِهِلاَلِ ذِي الْحِجَّةِ وَعُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ مَعَهُ يَفْعَلُ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِكٌ وَإِنَّمَا يُهِلُّ أَهْلُ مَكَّةَ وَغَيْرُهُمْ بِالْحَجِّ إِذَا كَانُوا بِهَا وَمَنْ كَانَ مُقِيمًا بِمَكَّةَ مِنْ غَيْرِ أَهْلِهَا مِنْ جَوْفِ مَكَّةَ لاَ يَخْرُجُ مِنَ الْحَرَمِ ‏.‏ قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِكٌ وَمَنْ أَهَلَّ مِنْ مَكَّةَ بِالْحَجِّ فَلْيُؤَخِّرِ الطَّوَافَ بِالْبَيْتِ وَالسَّعْىَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ حَتَّى يَرْجِعَ مِنْ مِنًى وَكَذَلِكَ صَنَعَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ ‏.‏ وَسُئِلَ مَالِكٌ عَمَّنْ أَهَلَّ بِالْحَجِّ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ أَوْ غَيْرِهِمْ مِنْ مَكَّةَ لِهِلاَلِ ذِي الْحِجَّةِ كَيْفَ يَصْنَعُ بِالطَّوَافِ قَالَ أَمَّا الطَّوَافُ الْوَاجِبُ فَلْيُؤَخِّرْهُ وَهُوَ الَّذِي يَصِلُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ السَّعْىِ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ وَلْيَطُفْ مَا بَدَا لَهُ وَلْيُصَلِّ رَكْعَتَيْنِ كُلَّمَا طَافَ سُبْعًا وَقَدْ فَعَلَ ذَلِكَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الَّذِينَ أَهَلُّوا بِالْحَجِّ فَأَخَّرُوا الطَّوَافَ بِالْبَيْتِ وَالسَّعْىَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ حَتَّى رَجَعُوا مِنْ مِنًى وَفَعَلَ ذَلِكَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ فَكَانَ يُهِلُّ لِهِلاَلِ ذِي الْحِجَّةِ بِالْحَجِّ مِنْ مَكَّةَ وَيُؤَخِّرُ الطَّوَافَ بِالْبَيْتِ وَالسَّعْىَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ حَتَّى يَرْجِعَ مِنْ مِنًى ‏.‏ وَسُئِلَ مَالِكٌ عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ هَلْ يُهِلُّ مِنْ جَوْفِ مَكَّةَ بِعُمْرَةٍ قَالَ بَلْ يَخْرُجُ إِلَى الْحِلِّ فَيُحْرِمُ مِنْهُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫৩. হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেনঃ আবদুল্লাহ ইবন যুবায়র (রাঃ) নয় বৎসর মক্কায় ছিলেন। যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা গেলেই তিনি ইহরাম বাঁধিয়া নিতেন। উরওয়াহও তদ্রুপ করিতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মক্কাবাসী এবং মক্কায় অবস্থানরত অন্যান্য স্থানের বাসিন্দাগণ হারম শরীফ হইতেই ইহরাম বাঁধিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মক্কা হইতে যাহারা ইহরাম বাঁধিবে তাহারা মিনা হইতে ঘুরিয়া না আসা পর্যন্ত তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ী করিবে না। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-ও তদ্রুপ করিয়াছিলেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইল- মদীনাবাসী এবং মক্কার বাহিরের কোন লোক যদি মক্কায় অবস্থান কালে মক্কা হইতে যিলহজ্জ মাসে ইহরাম বাঁধে তবে তাওয়াফে যিয়ারত সম্পর্কে কি করিবে? তিনি বলিলেনঃ তাওয়াফে ইফাযা বা তাওয়াফে যিয়ারত তখন করিবে না। নফল তাওয়াফ যত ইচ্ছা তত করিতে পারে। তবে প্রতি তাওয়াফের পর দুই রাকাআত নামায পড়িয়া নিবে। যে সকল সাহাবী মক্কা হইতে ইহরাম বাধিয়াছিলেন তাহারাও তদ্রুপ করিয়াছিলেন। তাহারা মিনা হইতে ফিরিয়া না আসা পর্যন্ত তাওয়াফ ও সায়ী করেন নাই। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-ও তাহাই করিতেন। যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার পর তিনি মক্কা হইতে ইহরাম বাঁধিতেন এবং মিনা হইতে ঘুরিয়া না আসা পর্যন্ত তিনি তাওয়াফ ও সায়ী করিতেন না। মালিক (রহঃ)-কে মক্কারাসী কোন ব্যক্তি উমরার জন্য ইহরাম কোথা হইতে বাঁধিবে তাহা জিজ্ঞাসা করিলে তিনি বলেনঃ হারম শরীফ হইতে উমরার ইহরাম বাঁধা মক্কাবাসীদের জন্য জায়েয নহে। তাহার হারমের বাহির হইতে ইহরাম বাঁধিয়া আসিবে।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • Mauquf SahihSalim al-Hilali
নং ৭৫৪অধ্যায় ২০, নং ৫০
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ أَنَّ زِيَادَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ كَتَبَ إِلَى عَائِشَةَ زَوْجِ النِّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ قَالَ مَنْ أَهْدَى هَدْيًا حَرُمَ عَلَيْهِ مَا يَحْرُمُ عَلَى الْحَاجِّ حَتَّى يُنْحَرَ الْهَدْىُ وَقَدْ بَعَثْتُ بِهَدْىٍ فَاكْتُبِي إِلَىَّ بِأَمْرِكِ أَوْ مُرِي صَاحِبَ الْهَدْىِ ‏.‏ قَالَتْ عَمْرَةُ قَالَتْ عَائِشَةُ لَيْسَ كَمَا قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَنَا فَتَلْتُ قَلاَئِدَ هَدْىِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدَىَّ ثُمَّ قَلَّدَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ ثُمَّ بَعَثَ بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَعَ أَبِي فَلَمْ يَحْرُمْ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَىْءٌ أَحَلَّهُ اللَّهُ لَهُ حَتَّى نُحِرَ الْهَدْىُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫৪. আমরা বিনত আবদুর রহমান (রহঃ) বর্ণনা করেন- যিয়াদ ইবন আবু সুফইয়ান নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট চিঠি লিখিলেন, আবদুল্লাহ্ ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, যবেহ না হওয়া পর্যন্ত কুরবানীর উদ্দেশ্যে মক্কায় পশু প্রেরণকারীর উপর ইহরাম পালনরত ব্যক্তির মত সকল জিনিস হারাম হইয়া যায়। আমি আপনার নিকট পশু[1] প্রেরণ করিলাম। আশা করি, উক্ত পশুর সহিত প্রেরিত ব্যক্তির নিকট অথবা পত্ৰযোগে আমাকে উক্ত বিষয়টি সম্পর্কে আপনার ফতওয়া জানাইবেন। আমরা বলেন, আয়েশা (রাঃ) বলিলেনঃ ইবন আব্বাস (রাঃ) যাহা বলিয়াছেন তাহা ঠিক নহে। আমি নিজের হাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক প্রেরিত পশুর রশি পাকাইয়াছিলাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে তাহা উহার গলায় পরাইয়া আমার পিতার সহিত উহা মক্কায় প্রেরণ করিয়াছিলেন। অথচ উক্ত পশুটি যবেহ হওয়া পর্যন্ত সময়ের মধ্যেও কোন হালাল জিনিস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য হারাম হয় নাই।
উৎসে উল্লিখিত মান
  • SahihSalim al-Hilali
২৫১টির মধ্যে ৫০
২৫১টি বর্ণনা · নম্বর ৭০৫–৯৫৭

আরবি পাঠ, নম্বর, অধ্যায়ের নাম ও মান — সবই একটি উন্মুক্ত ডেটাসেটে (hadith-api) যেমন আছে হুবহু তেমন দেখানো হয়েছে। সাবীল এখনও এর নির্ভুলতা বা স্বত্ব যাচাই করেনি, আর আলেমদের পর্যালোচনাও শুরু হয়নি। ততদিন কোনো বর্ণনার ওপর নির্ভর করার আগে ছাপা সংস্করণের সাথে মিলিয়ে নিন।