একরাতে সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলেন। তিনি -চৌদ্দ তারিখ রাতের- চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেন: মুমিনগণ অবশ্যই প্রকৃতই স্বচক্ষে তাদের রবকে দেখতে পাবে, কোন সন্দেহহীন ভাবেই। তারা তাদের রবকে দেখতে কোনো ভীড়, কষ্ট বা অসুবিধে হবে না। অতপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: অতএব, তোমরা যদি সক্ষম হও যে, ফজরে সালাত ও মাগরিবের সালাত আদায় করতে যেসব জিনিস বাঁধার সৃষ্টি করে, সেগুলোকে ছিন্ন করতে, তবে তাই করো। তোমরা এ দু ওয়াক্তের সালাত জামা‘আতের সাথে ওয়াক্তমতো পরিপূর্ণভাবে আদায় করো। কেননা এগুলো মহান আল্লাহর চেহারা দেখার উপায়। অতপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিলাওয়াত করলেন: {وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ الْغُرُوبِ}» “কাজেই তোমার রবের প্রশংসাসহ তাসবীহ পাঠ করো সূর্য উদয়ের আগে ও অস্ত যাওয়ার আগে।”
- ঈমানদারদের জন্যে সুসংবাদ, তারা জান্নাতে মহান আল্লাহকে দেখতে পাবে।
- দাওয়াতের পদ্ধতিসমূহের অন্যতম হলো: তাগিদ দেওয়া, উৎসাহিত করা এবং উপমা পেশ করা।
صحيح البخاري (1/ 115) (554)، (6/ 139) (4851). صحيح مسلم (1/ 439) (633). بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين، لسليم الهلالي (2/ 259). تذكرة المؤتسي شرح عقيدة الحافظ عبد الغني المقدسي، لعبدالرزاق البدر (ص177). شرح رياض الصالحين، لابن عثيمين (6/ 734). نزهة المتقين شرح رياض الصالحين، لمصطفى الخِن وغيره (2/ 776). كنوز رياض الصالحين، لمجموعة من الباحثين (13/ 271). تطريز رياض الصالحين، لفيصل آل مبارك (ص1091).