মূল অংশে যান
ব্যাখ্যাসহ হাদীস

বিবাহের ওলীমা

৩টি হাদীস

সে আমাদের অনুসরণ করে চলে এসেছে। তুমি চাইলে তাকে প্রবেশের অনুমতি দিবে, অন্যথায় সে ফিরে যাবে।

عن أبي مسعود البدري رضي الله عنه قال: دَعَا رَجُلٌ النبيَّ صلى الله عليه وسلم لِطَعَامٍ صَنَعَهُ له خَامِسَ خَمْسَةٍ، فَتَبِعَهُمْ رجلٌ، فلَمَّا بَلَغَ البابَ، قال النبيُّ صلى الله عليه وسلم : «إِنَّ هذا تَبِعَنَا، فَإِنْ شِئْتَ أَنْ تَأْذَنَ له، وإِنْ شِئْتَ رَجَعَ» قال: بَلْ آذَنُ له يا رسولَ اللهِ.
আবূ মাসউদ আল-বাদরীরাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে খাবারের জন্যে দাওয়াত দিল। যেখানে তিনি পাঁচ জনের একজন ছিলেন। এক লোক তাদের অনুসরণ করে বিনা দাওয়াতে তাদের সাথে চলল। সে যখন দরজা পর্যন্ত পৌঁছল তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “সে আমাদের অনুসরণ করেছে। এখন যদি চাও তাকে অনুমতি দাও, অন্যথায় সে ফিরে যাবে।” সে বলল ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি তাকে অনুমতি দেব।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে খাবারের দাওয়াত দিল। তারা পাঁচজন ছিলেন। তাদের অনুসরণ করল ষষ্ঠ ব্যক্তি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মেজবানের ঘর পর্যন্ত গিয়ে মেজবানের নিকট ষষ্ঠ ব্যক্তির জন্যে অনুমতি চাইলেন। তিনি তাকে বললেন: সে আমাদের অনুসরণ করেছে। এখন যদি চাও তাকে অনুমতি দাও, অন্যথায় সে ফিরে যাবে। মেজবান তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সম্মানার্থে তাকে অনুমতি দিল।

সূত্র

- رياض الصالحين من كلام سيد المرسلين؛ للإمام أبي زكريا النووي، تحقيق د. ماهر الفحل، دار ابن كثير-دمشق، الطبعة الأولى، 1428ه . - بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين؛ تأليف سليم الهلالي، دار ابن الجوزي- الطبعة الأولى1418ه - نزهة المتقين شرح رياض الصالحين؛ تأليف د. مصطفى الخِن وغيره، مؤسسة الرسالة-بيروت، الطبعة الرابعة عشر، 1407هـ. - صحيح البخاري –الجامع الصحيح-؛ للإمام أبي عبد الله محمد بن إسماعيل البخاري، عناية محمد زهير الناصر، دار طوق النجاة، الطبعة الأولى، 1422هـ. - صحيح مسلم؛ للإمام مسلم بن الحجاج، حققه ورقمه محمد فؤاد عبد الباقي، دار عالم الكتب-الرياض، الطبعة الأولى، 1417هـ. - شرح رياض الصالحين؛ للشيخ محمد بن صالح العثيمين، مدار الوطن، الرياض، 1426هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তিন আঙ্গুল দিয়ে খেতে দেখেছি।খাবার শেষে তিনি সেগুলো চেখে খেতেন।

عن كعب بن مالك رضي الله عنه قال: رأيتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يأكلُ بثلاثِ أَصَابِعَ، فإذا فَرَغَ لَعِقَهَا.
কাব বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তিন আঙ্গুল দিয়ে দেখেছি এবং যখন খাবার শেষ করতেন সেগুলো খেতেন।”
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিন আঙ্গুল দিয়ে খেতেন, আর সেগুলো হচ্ছে মধ্যমা, তর্জনী ও বৃদ্ধাঙ্গুল। এ থেকে প্রমাণিত হয় তিনি খাবারের প্রতি লোভী ও অধিক ভক্ষণকারী ছিলেন না। আর তিনি যখন খাবার শেষ করতেন আঙ্গুল চেটে খেতেন। অতএব তিন আঙ্গুল দিয়ে খাওয়াই মুস্তাহাব। তবে যদি তিন আঙ্গুল দিয়ে খাবার গ্রহণ করা সম্ভব না হয়, তাহলে যেভাবে ইচ্ছা খাবে।

সূত্র

دليل الفالحين لطرق رياض الصالحين، لابن علان، نشر دار الكتاب العربي. نزهة المتقين شرح رياض الصالحين، نشر: مؤسسة الرسالة، الطبعة: الرابعة عشر، 1407ه 1987م. بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين، للهلالي، نشر: دار ابن الجوزي. صحيح مسلم، تحقيق: محمد فؤاد عبد الباقي، نشر: دار إحياء التراث العربي – بيروت.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

হে আল্লাহর রসূল! আমি জনৈক মহিলাকে বিবাহ করেছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তাকে কী দিয়েছ? তিনি বললেন, খেজুরের এক আঁটি পরিমাণ স্বর্ণ। তিনি বললেন, আল্লাহ তোমাকে বরকত দান করুন। একটি বকরী দিয়ে হলেও ওয়ালীমা কর।

عن أنس بن مالك رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى عبد الرحمن بن عوف، وعليه ردَعْ ُزَعفَرَان. فقال النبي صلى الله عليه وسلم : «مَهْيَمْ؟ فقال: يا رسول الله تزوجت امرأة، فقال: ما أصدقتها؟ قال: وَزْنُ نواة من ذهب قال: بارك الله لك، أَوْلِمْ ولو بشاة».
আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন আব্দুর রহমান ইবন ‘আওফকে দেখলেন যে, তার গায়ে যাফরান রংয়ের চিহ্ন লেগে আছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার? তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি জনৈক মহিলাকে বিবাহ করেছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তাকে কী দিয়েছ? তিনি বললেন, খেজুরের এক আঁটি পরিমাণ স্বর্ণ। তিনি বললেন, আল্লাহ তোমাকে বরকত দান করুন। একটি বকরী দিয়ে হলেও ওয়ালীমা কর।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন আব্দুর রহমান ইবন ‘আওফকে দেখলেন, তার গায়ে যাফরান রংয়ের চিহ্ন লেগে আছে। পুরুষের জন্য উত্তম হলো তারা এমন খুশবু ব্যবহার করবে যার ঘ্রাণ প্রকাশ পাবে কিন্তু দাগ গোপন থাকবে। তাই নবী বিষয়টিকে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অস্বীকৃতি জানিয়ে তার গায়ের চিহ্ন সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তখন তিনি তাকে জানালেন, তিনি কেবল নতুন বিবাহ করেছেন, তার স্ত্রীর দেহ থেকে তার শরীরে দাগটি লেগেছে। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়ালাল্লাম তার জন্য সম্মতি জ্ঞাপন করলেন। যেহেতু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের প্রতি ছিলেন অতি সহানুভূতিশীল ও দয়ালু এ কারণে তিনি তাদের অবস্থা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতেন, যাতে ভালো কর্মে তাদের সমর্থন যোগাতেন এবং খারাপ ও মন্দ কর্ম হতে তাদের নিষেধ করতেন, তাই তিনি মহিলার মোহরানা সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তখন তিনি বললেন, তার মোহরানা হলো খেজুরের এক আঁটি পরিমাণ স্বর্ণ। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য বরকতের দো‘আ করলেন এবং নির্দেশ দিলেন, বিবাহ করার কারণে যেন একটি বকরী দিয়ে হলেও ওয়ালীমা করে।

সূত্র

- صحيح البخاري –الجامع الصحيح-؛ للإمام أبي عبد الله محمد بن إسماعيل البخاري، عناية محمد زهير الناصر، دار طوق النجاة، الطبعة الأولى، 1422هـ. - صحيح مسلم؛ للإمام مسلم بن الحجاج، حققه ورقمه محمد فؤاد عبد الباقي، دار عالم الكتب-الرياض، الطبعة الأولى، 1417هـ. - الإلمام بشرح عمدة الأحكام للشيخ إسماعيل الأنصاري-مطبعة السعادة-الطبعة الثانية 1392ه. - تيسير العلام شرح عمدة الأحكام-عبد الله البسام-تحقيق محمد صبحي حسن حلاق- مكتبة الصحابة- الشارقة- الطبعة العاشرة- 1426ه.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

এখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com