“তোমরা তোমাদের সম্পদ, নফস ও মুখ দিয়ে মুশরিকদের সাথে জিহাদ কর”।
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাফিরদের সাথে জিহাদ করা এবং সাধ্য মোতাবেক সব উপায়-উপকরণ দিয়ে তাদের মোকাবিলা করার নির্দেশ দিয়েছেন, যেন আল্লাহর কালিমা বুলন্দ হয়, তন্মধ্যে হল: প্রথমত: তাদের সাথে জিহাদে অর্থ ব্যয় করা, যেমন অস্ত্র খরিদ করা ও মুজাহিদদের উপর ব্যয় করা প্রভৃতি। দ্বিতীয়ত: কাফিরদের সাথে সাক্ষাত ও তাদের প্রতিহত করার জন্য শরীর ও নফস নিয়ে বের হওয়া। তৃতীয়ত: এই দীনের প্রতি মুখে তাদেরকে দাওয়াত দেওয়া, তাদের উপর দলিল সাব্যস্ত করা, তাদের শাসানো এবং তাদের প্রতিহত করা।
- মুখ, সম্পদ ও নফসের মাধ্যমে কাফিরদের সাথে জিহাদ করা; প্রত্যেকে তাদের সাধ্যমত জিহাদ করবে। জিহাদ কেবল নফসের মাধ্যমে করার ভেতর সীমাবদ্ধ নয়।
- জিহাদের বাধ্যবাধকতা (ওয়াজিব) বুঝাতে জিহাদের আদেশ। এটি কখনো নির্দিষ্টভাবে ওয়াজিব হয়, কখনো অনির্দিষ্টভাবে ওয়াজিব হয়।
- আল্লাহ তা‘আলা কয়েকটি কারণে জিহাদ বৈধ করেছেন: প্রথমত: শিরক ও মুশরিকদের প্রতিহত করা; কারণ আল্লাহ কখনো শিরক গ্রহণ করেন না। দ্বিতীয়ত: আল্লাহর দিকে আহ্বান করার বাঁধাগুলো দূর করা; তৃতীয়ত: সকল পরিপন্থী জিনিস হতে আকিদা সংরক্ষণ করা, চতুর্থত: মুসলিম এবং মুসলিমদের দেশ, সম্মান ও সম্পদকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য প্রতিরোধ করা।
سنن أبي داود (4/ 158) (2504). سنن النسائي (6/ 7) (3096). مسند أحمد (19/ 272) (12246). صحيح مسلم (4/ 1935) (2490). فتح ذي الجلال والإكرام شرح بلوغ المرام، لابن عثيمين (5/ 442). توضيح الأحكام من بلوغ المرام، لعبد الله البسام (6/ 336). منحة العلام شرح بلوغ المرام، عبد الله الفوزان (9/ 10). سبل السلام، لمحمد الصنعاني (2/ 460). مشكاة المصابيح، لمحمد التبريزي (2/ 1124).