মূল অংশে যান
ব্যাখ্যাসহ হাদীস

“উপরের হাত নীচের হাত অপেক্ষা উত্তম

عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ وَهُوَ عَلَى المِنْبَرِ، وَذَكَرَ الصَّدَقَةَ، وَالتَّعَفُّفَ، وَالمَسْأَلَةَ: «اليَدُ العُلْيَا خَيْرٌ مِنَ اليَدِ السُّفْلَى، فَاليَدُ العُلْيَا: هِيَ المُنْفِقَةُ، وَالسُّفْلَى: هِيَ السَّائِلَةُ».
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা মিম্বারের উপর থাকা অবস্থায় সাদাকা করা ও ভিক্ষা করা হতে বেঁচে থাকা ও ভিক্ষা করা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেনঃ “উপরের হাত নীচের হাত অপেক্ষা উত্তম। উপরের হাত দাতার, আর নীচের হাত হলো ভিক্ষুকের”।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমমানসহীহ
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বরে খুতবা দেওয়ার সময় দান-খয়রাত এবং টাকা-পয়সা চাওয়া থেকে বিরত থাকার কথা উল্লেখ করলেন। তারপর বললেন: দানকারী ও ব্যয়কারীর উপরের হাতটি আল্লাহর কাছে ভিক্ষাকারী নিম্ন হাতের চেয়ে উত্তম এবং প্রিয়।

শিক্ষা
  1. এতে সৎপথে দান ও ব্যয় করার ফজিলত এবং ভিক্ষাবৃত্তির নিন্দা রয়েছে।
  2. এটি ভিক্ষাবৃত্তি থেকে বিরত থাকতে এবং মানুষের থেকে স্বাধীন থাকতে উৎসাহিত করে এবং সৎকর্মের অনুধাবন এবং নীচকর্ম ত্যাগ করতে উৎসাহিত করে, কারণ আল্লাহ সৎকর্ম পছন্দ করেন।
  3. পুণ্যের দিক থেকে চার ধরণের হাত রয়েছে: সর্বোচ্চ হল সেই হাত যা দান করে, দ্বিতীয়টি হল সেই হাত যা নেওয়া থেকে বিরত থাকে, তৃতীয়টি হল সেই হাত যা না চেয়েই নেয় এবং চতুর্থটি হল সেই হাত যা চায়।
সূত্র

صحيح البخاري (2/ 112) (1429). صحيح مسلم (2/ 717) (1033). بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين، لسليم الهلالي (1/ 590). نزهة المتقين شرح رياض الصالحين، لمجموعة من الباحثين (1/ 465). التوضيح لشرح الجامع الصحيح، لابن الملقن (10/ 315). شرح رياض الصالحين، لابن عثيمين (3/ 388). تحفة الأحوذي بشرح جامع الترمذي، المباركفوري (3/ 288). تطريز رياض الصالحين، لفيصل آل مبارك (ص212).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস
নফল সাদকা

এখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com