عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : ((إن أمتي يُدْعَون يوم القيامة غُرًّا مُحَجَلِّين من آثار الوُضُوء)). فمن اسْتَطَاع منكم أن يُطِيل غُرَّتَه فَليَفعل.
وفي لفظ لمسلم: ((رأَيت أبا هريرة يتوضَّأ، فغسل وجهه ويديه حتى كاد يبلغ المنكبين، ثم غسل رجليه حتى رَفَع إلى السَّاقين، ثم قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: إنَّ أمتي يُدْعَون يوم القيامة غُرًّا مُحَجَّلِين من آثار الوُضُوء)) فمن استطاع منكم أن يطيل غُرَّتَه وتَحْجِيلَه فَليَفعَل.
وفي لفظ لمسلم: سمعت خليلي صلى الله عليه وسلم يقول: ((تَبْلُغ الحِليَة من المؤمن حيث يبلغ الوُضُوء)).
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয় আমার উম্মাতকে কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় ডাকা হবে, যে সময় তাদের ওযূর অঙ্গগুলো চমকাতে থাকবে”। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে তার চমক বাড়াতে চায়, সে যেন তা করে।
অপর শব্দে সহীহ মুসলিমে বর্ণিত: আমি আবূ হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে ওযূ করতে দেখেছি, তিনি তার চেহারা ধোন এবং তার দুই হাতকে বোগলের কাছাকাছি পর্যন্ত ধোন তারপর সে তার দুই পাকে ধোন এমনকি পায়ের নলা পর্যন্ত উঁচা করেন। তারপর তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি তিনি বলেন, “নিশ্চয় আমার উম্মাতকে কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় ডাকা হবে, যে সময় তাদের ওযূর অঙ্গগুলো চমকাতে থাকবে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে তার চমক বাড়াতে চায়, সে যেন তা করে।”
সহীহ মুসলিমে অপর শব্দে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার বন্ধু সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, “(পরকালে) মু’মিনের অলংকার ততদূর হবে, যতদূর তার ওযূর (পানি) পৌঁছবে।”
এটি মুসলিম তার দুই রেওয়ায়েতে বর্ণনা করেছেন। - মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উম্মাতকে সু-সংবাদ দেন যে, আল্লাহ সুবহানাহু তা‘আলা কিয়ামাতের দিন অন্যান্য উম্মাতের মাঝে তাদের মর্যাদা ও সম্মানের বিশেষ আলামত দিয়ে বৈশিষ্টমণ্ডিত করবেন। তাদেরকে ডাকা হলে তারা সমস্ত মাখলুকের সামনে উপস্থিত হবেন তাদের চেহারা, হাত ও পা নূর দ্বারা চমকিতে থাকবে। আর এটি হলো এ মহান ইবাদত ওযূর প্রভাব। অর্থাৎ যে ওযু তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ ও তার থেকে সাওয়াবের আশায় এ সব অঙ্গসমূহের ওপর বার বার প্রয়োগ করেছে। তাই তাদের বিনিময় হলো এ মহা প্রশংসনীয় বৈশিষ্ট। অতঃপর আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তোমাদের মধ্যে যে তার চমক বাড়াতে চায়, সে যেন তা করে।কারণ, অঙ্গসমূহের ধোয়ার স্থান যত দীর্ঘ হবে, তাদের চমকের স্থানও তত দীর্ঘ হবে। কারণ, ওযূর পানি যতদূর পৌঁছবে নূরের অলংকারও ততদূর পৌঁছবে। কিন্তু ওযূতে শুধু দুই হাত কনুই পর্যন্ত ধুইবে। বোগল ও তার কিছু অংশ ধোয়ার শুরুতে কনুইসহ ধুইবে। আর দুই পা ঘিরাসহ ধুইবে। নলা ধোয়া শুরুর সময় ঘিরা পুরো ধুইবে। ওযূতে নলা ও বোগল ধোয়া শরী‘আত সম্মন নয়।
সূত্র
الإلمام بشرح عمدة الأحكام لإسماعيل الأنصاري، ط1، دار الفكر، دمشق، 1381هـ.
تأسيس الأحكام للنجمي، ط2، دار علماء السلف، 1414هـ.
تيسير العلام شرح عمدة الأحكام للبسام، حققه وعلق عليه وخرج أحاديثه وصنع فهارسه: محمد صبحي بن حسن حلاق، ط10، مكتبة الصحابة، الإمارات - مكتبة التابعين، القاهرة، 1426هـ.
تنبيه الأفهام شرح عمدة لأحكام لابن عثيمين، ط1، مكتبة الصحابة، الإمارات، 1426هـ.
عمدة الأحكام من كلام خير الأنام -صلى الله عليه وسلم- لعبد الغني المقدسي، دراسة وتحقيق: محمود الأرناؤوط، مراجعة وتقديم: عبد القادر الأرناؤوط، ط2، دار الثقافة العربية، دمشق، بيروت، مؤسسة قرطبة، 1408 هـ.
شرح العمدة للسعدي، قيده عنه تلميذه: عبد الله العوهلي، تقديم: عبد الله بن عبد العزيز العقيل، تحقيق: أنس بن عبد الرحمن بن عبد الله العقيل، ط1، دار التوحيد، الرياض، 1431هـ.
صحيح البخاري، تحقيق: محمد زهير بن ناصر الناصر، ط1، دار طوق النجاة (مصورة عن السلطانية بإضافة ترقيم: محمد فؤاد عبد الباقي)، 1422هـ.
صحيح مسلم، تحقيق: محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت، 1423هـ.
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «يَعْقِدُ الشَّيْطَانُ عَلَى قَافِيَةِ رَأْسِ أَحَدِكُمْ إِذَا هُوَ نَامَ ثَلاَثَ عُقَدٍ يَضْرِبُ كُلَّ عُقْدَةٍ عَلَيْكَ لَيْلٌ طَوِيلٌ، فَارْقُدْ، فَإِنِ اسْتَيْقَظَ فَذَكَرَ اللَّهَ، انْحَلَّتْ عُقْدَةٌ، فَإِنْ تَوَضَّأَ انْحَلَّتْ عُقْدَةٌ، فَإِنْ صَلَّى انْحَلَّتْ عُقْدَةٌ، فَأَصْبَحَ نَشِيطًا طَيِّبَ النَّفْسِ، وَإِلَّا أَصْبَحَ خَبِيثَ النَّفْسِ كَسْلاَنَ».
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কেউ নিদ্রা যায় তখন তার গ্রীবাদেশে শয়তান তিনটি করে গিরা বেঁধে দেয়; প্রত্যেক গিরায় সে এই বলে মন্ত্র পড়ে যে, ‘তোমার সামনে রয়েছে দীর্ঘ রাত, অতএব তুমি ঘুমাও।’ অতঃপর যদি সে জেগে উঠে আল্লাহর যিকির করে, তাহলে একটি গিরা খুলে যায়। তারপর যদি ওযু করে, তবে তার আর একটি গিরা খুলে যায়। তারপর যদি সালাত পড়ে, তাহলে সমস্ত গিরা খুলে যায়। আর তার প্রভাত হয় স্ফূর্তি ও ভালো মনে। নচেৎ সে সকালে ওঠে কলুষিত মনে ও অলসতা নিয়ে।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমমানসহীহ
ব্যাখ্যা
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শয়তানের অবস্থা এবং এমন একজন ব্যক্তির সাথে তার লড়াই সম্পর্কে বলেন যে রাত বা সকালের সালাতের জন্য উঠতে চায়।
যখন একজন মুমিন ঘুমাতে যায়, শয়তান তার মাথায়- অর্থ: তার মাথার পিছনে- তিনটি গিরা বেঁধে দেয়।
যদি মুমিন জেগে ওঠে এবং আল্লাহ তা‘আলাকে স্মরণ করে আর শয়তানের ওয়াসওয়াসাতে সাড়া না দেয়; একটি গিরা খুলে যায়।
যদি সে অযু করে অন্য আরেকটি গিরা খুলে যাবে।
যদি সে উঠে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে, তৃতীয় গিঁটটি খুলে যায় এবং আল্লাহ তাকে যে ইবাদত করার তাওফিক দিয়েছেন তার খুশিতে এবং আল্লাহ তাকে যে পুরষ্কার ও ক্ষমার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তার আনন্দে সে সক্রিয় হয়ে উঠে; অধিকন্তু সে শয়তানের জটিলতা এবং নিরুৎসাহ থেকে মুক্ত হয়, অন্যথায় সে মন্দ আত্মায়, দুঃখী হৃদয়ে এবং ভাল এবং সৎ কাজ করতে অলসতা নিয়ে ভোর করে। কারণ সে শয়তানের শৃঙ্খলে আবদ্ধ এবং রহমানের নৈকট্য থেকে অনেক দূরে।
শিক্ষা
- শয়তান সবসময় মানুষের প্রতিটি পথে চেষ্টা করে; যেন আল্লাহ তা‘আলার আনুগত্য ও তার মাঝে প্রতিবন্ধক হতে পারে। বস্তুত আল্লাহ তা‘আলার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা এবং নিরাপত্তা ও সুরক্ষার উপায় গ্রহণ করা ছাড়া শয়তানের হাত থেকে বান্দার বাচার আর কোন উপায় নেই।
- আল্লাহ তা‘আলার স্মরণ ও ইবাদত আত্মার মধ্যে উদ্দীপনা এবং হৃদয়ের প্রফুল্লতা সৃষ্টি করে, অলসতা ও কুঁড়েমি দূর করে এবং বিপদ ও অসন্তোষ দূর করে। কারণ এটি শয়তানকে দূর করে এবং এটি তারই প্রবঞ্চনার অংশ।
- মুমিনগণ আল্লাহ তা‘আলার আনুগত্য সম্পাদন করার ক্ষেত্রে তাঁর তাওফীক প্রাপ্তির জন্য সন্তুষ্ট হয় এবং মর্যাদা ও পরিপূর্ণতার স্তরগুলোতে ত্রুটির কারণে দুঃখীত হয়।
- ইবাদতে গাফিলতি ও স্থবিরতা শয়তানের কাজ ও তার চাকচিক্যকরণ।
- আল্লাহর যিকির, অযু ও সালাত এই তিনটি জিনিস শয়তানকে তাড়া করে।
- শয়তানের তরফ থেকে মাথার পিছনে গিঁট দেওয়া হয়। কারণ, এটি শক্তির কেন্দ্র এবং তাকে পরিচালনা করার বিন্দু। সুতরাং তার ওপর যখন গিঁট দেয়, তখন তার পক্ষে একজন মানুষের আত্মাকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং তাকে ঘুম পাড়ানো সম্ভব হয়।
- ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন: তার উক্তি: “তোমার ওপর একটি রাত আছে”, এতে রাতের কথা উল্লেখ করেছেন। এর স্পষ্ট অর্থ হল এটি রাতের ঘুমের সাথে খাস।
- ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেছেন: যিকিরের জন্য নির্দিষ্ট কিছু নেই, যা ছাড়া অন্যটি দ্বারা তা আদায় হবে না, বরং যার ওপর আল্লাহর যিকির প্রয়োগ হয় তাই যথেষ্ট হবে। এর মধ্যে রয়েছে আল-কুরআনের তিলাওয়াত, নবীর হাদীস পাঠ এবং শরয়ী ইলম নিয়ে ব্যস্ত হওয়া। তবে যার দ্বারা যিকির আঞ্জাম দেওয়া হয় তার ভেতর উত্তম হল নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের উক্তি: যে ব্যক্তি রাত্রিবেলা জাগ্রত হল এবং বলল: (لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير، الحمد لله، وسبحان الله، ولا إله إلا الله، والله أكبر، ولا حول ولا قوة إلا بالله،) [একমাত্র আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন ইলাহ নেই, তার কোন শরীক নেই। তাঁরই আধিপত্য এবং তাঁরই প্রশংসা এবং তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ্রই সকল প্রশংসা; আল্লাহ্রই সকল পবিত্রতা; আল্লাহ্ ব্যতীত সত্য কোন উপাস্য নেই এবং তিনি সবচেয়ে মহান। আল্লাহ ছাড়া ইবাদত করার কোনো শক্তি ও পাপ থেকে বিরত থাকার কোনো সামর্থ্য নেই।] তারপর বলে: (اللهم اغفر لي) [হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন] অথবা দোয়া করল, তার দোয়া কবুল করা হয়। যদি অযু করে, তার সালাত কবুল করা হয়)। সহীহ বুখারী।
সূত্র
صحيح البخاري (2/ 52) (1142).
صحيح مسلم (1/ 538) (776).
بهجة الناظرين شرح رياض الصالحين، لسليم الهلالي (2/ 328).
نزهة المتقين شرح رياض الصالحين، لمجموعة من الباحثين (2/ 834).
كنوز رياض الصالحين، لمجموعة من الباحثين (15/ 305).
فتح الباري شرح صحيح البخاري، لأحمد العسقلاني (10/ 564).
طرح التثريب في شرح التقريب، العراقي (3/ 82).
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعن عثمان بن عفان رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ خَرَجَتْ خَطَايَاهُ مِنْ جَسَدِهِ حَتَّى تَخْرُجَ مِنْ تَحْتِ أَظْفَارِهِ».
‘উসমান ইবনু ‘আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি অযু করে এবং তা উত্তমরূপে করে, তার দেহ থেকে সমুদয় গুনাহ বের হয়ে যায়, এমন কি তার নখের ভিতর থেকেও (গুনাহ) বের হয়ে যায়।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনমানসহীহ
ব্যাখ্যা
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে বর্ণনা করেছেন , যে ব্যক্তি অযুর সুন্নত ও আদবসহকারে উত্তমরূপে অযু করবে, তবে তা তার অপরাধ ক্ষমা ও ভুল-ত্রুটি মাফের কারণ হবে। এমন কি তার হাত পায়ের নখের ভিতর থেকেও (গুনাহ) বের হয়ে যাবে।
শিক্ষা
- হাদীসে অযুর সুন্নাত ও আদবসমূহ সহকারে অযু শেখা ও সে অনুযায়ী আমল করার প্রতি যত্নবান হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে।
- অযুর ফযীলত বর্ণিত হয়েছে এবং এটি সগীরাহ গুনাহর কাফফারা স্বরূপ। অন্যদিকে কবীরাহ গুনাহ তাওবাহ ব্যতীত ক্ষমা হয় না।
- এক্ষেত্রে গুনাহ মাফের শর্ত হলো কোন ভুল-ত্রুটি ব্যতীত পরিপূর্ণতার সাথে অযু করা, যেমনটি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদীসে বর্ণনা করেছেন।
- এ হাদীসে বর্ণিত গুনাহ মাফ করার বিষয়টি কবীরাহ গুনাহ থেকে বিরত থাকা ও তা থেকে তাওবার সাথে শর্তযুক্ত। কেননা মহান আল্লাহ বলেছেন: إِنْ تَجْتَنِبُوا كَبَائِرَ مَا تُنْهَوْنَ عَنْهُ نُكَفِّرْ عَنْكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ “তোমরা যদি সেসব কবীরা গুনাহ পরিহার কর, যা থেকে তোমাদের বারণ করা হয়েছে, তাহলে আমি তোমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবো।” [সূরা আন-নিসা: ৩১]
সূত্র
صحيح مسلم (1/ 216) (245).
شرح رياض الصالحين، لابن عثيمين (5/ 9).
نزهة المتقين شرح رياض الصالحين، لمصطفى الخِن وغيره (2/ 763).
بهجة الناظرين، سليم الهلالي (2/ 247).
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعن أبي مالكٍ الأشعريِّ رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الطُّهُورُ شَطْرُ الْإِيمَانِ، وَالْحَمْدُ لِلهِ تَمْلَأُ الْمِيزَانَ، وَسُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ تَمْلَآنِ -أَوْ تَمْلَأُ- مَا بَيْنَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ، وَالصَّلَاةُ نُورٌ، وَالصَّدَقَةُ بُرْهَانٌ، وَالصَّبْرُ ضِيَاءٌ، وَالْقُرْآنُ حُجَّةٌ لَكَ أَوْ عَلَيْكَ، كُلُّ النَّاسِ يَغْدُو، فَبَايِعٌ نَفْسَهُ فَمُعْتِقُهَا أَوْ مُوبِقُهَا».
আবূ মালিক আল-আশ‘আরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক। “الحمد لله” ‘আলহামদু লিল্লা ‘ মিযান-দাঁড়িপাল্লা পরিপূর্ণ করে দেয় এবং “سبحان الله والحمد لله” ‘সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহ’ কালেমা আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী স্থানকে পরিপূর্ণ করে দেয়। আর সালাত হচ্ছে নূর, সদাকাহ হচ্ছে দলিল এবং সবর হচ্ছে আলো। আর আল-কুরআন তোমার পক্ষে অথবা বিপক্ষে প্রমাণ স্বরূপ। সকল মানুষই ভোর করে নিজেকে বিক্রি করে দেয়। অতঃপর সে তাকে মুক্ত করে অথবা তাকে ধ্বংস করে।"
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনমানসহীহ
ব্যাখ্যা
এখানে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন যে, অযু ও গোসলের মাধ্যমে বাহ্যিক পবিত্রতা অর্জন করা যায়, আর এটি সালাত আদায়ের একটি শর্ত। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথা: “الحمد لله” ‘আলহামুদ লিল্লাহ’ মিযানকে পরিপূর্ণ করে দেয়”, এটি হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলার প্রশংসা এবং তাঁকে পূর্ণতার গুণে গুণান্বিত করা, যা কিয়ামাতের দিনে ওযন করা হবে এবং তাতে আমলের পাল্লা (মিযান) পূর্ণ হয়ে যাবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথা: “سبحان الله والحمد لله” ‘সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহ’: এটি হচ্ছে: আল্লাহকে সকল ধরণের অপূর্ণতার গুণ থেকে মুক্ত ঘোষণা করা এবং তাঁর মর্যাদার সাথে সামঞ্জস্যশীল এমন পূর্ণতার গুণাবলী তাঁর জন্য সাব্যস্ত করা এবং সেই সাথে তাঁর ভালোবাসা ও সম্মান অন্তরে ধারণ করা, যা আসমান জমিনকে পূর্ণ করে দেয়। “সালাত হচ্ছে নূর”: বান্দার অন্তরের, চেহারার, কবরের এবং তার হাশরের নূর। “সাদাকাহ হচ্ছে বুরহান (দলিল)”: তথা মুমিনের ঈমানের সত্যতার দলিল। আর এটি এমন মুনাফিক থেকে পৃথককারী যে সাদকাহর প্রতিশ্রুত প্রতিদানকে স্বীকার না করায়, তা থেকে (নিজেকে) বিরত রাখে। আর “সবর হচ্ছে আলো”: এটি হচ্ছে নিজেকে উৎকণ্ঠা-অস্থিরতা ও রাগ থেকে সংবরণ করা। এটি সূর্যের ন্যায় এমন আলো যার সাথে উষ্ণতা ও দহন ক্ষমতা রয়েছে; কেননা এটি একটি কঠিন বিষয় এবং এটি নিজের সাথে এবং আকাংখিত বিষয়ের সাথে প্রতিনিয়ত লড়াই করার নাম। সুতরাং সবরকারী ব্যক্তি সঠিক পথে আলোকিত, হিদায়াতপ্রাপ্ত ও স্থায়ীত্ব লাভ করে থাকে। সবর হচ্ছে আল্লাহর আনুগত্যের উপরে টিকে থাকা, পাপ থেকে বেঁচে থাকা এবং দুনিয়াতে বিভিন্ন প্রকার বালা মুসিবত ও কষ্টকর বিষয়ে ধৈর্যধারণ করা। “আর আল-কুরআন তোমার পক্ষে দলিল”: এটি অর্জিত হবে কুরআন তিলাওয়াত করা এবং সে অনুযায়ী আমল করার মাধ্যমে। অথবা “তোমার বিপক্ষে দলিল”: কুরআন অনুযায়ী আমল না করলে অথবা কুরআন তিলাওয়াত পরিত্যাগ করলে। তারপরে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন যে, প্রতিটি মানুষ প্রচেষ্টা রত থাকে, তারা ছড়িয়ে পড়ে, তারা ঘুম থেকে জাগ্রত হয় আর তারপরে তাদের বাড়ি থেকে বিভিন্ন কাজের উদ্দেশ্যে তারা বের হয়ে পড়ে। সুতরাং তাদের মধ্যে অনেকে রয়েছে যারা আল্লাহর আনুগত্যের উপরে দৃঢ়পদ থাকে। ফলে তারা নিজেকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করে নেয়। অপরপক্ষে অনেকে রয়েছে, যারা এখান থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে এবং পাপের মধ্যে নিপতিত হয়। ফলে তারা জাহান্নামে প্রবেশ করার মাধ্যমে নিজেকে ধ্বংস করে ফেলে।
শিক্ষা
- পবিত্রতা দুই প্রকার: বাহ্যিক পবিত্রতা, যা অযু ও গোসলের মাধ্যমে অর্জন করা যায় এবং অভ্যন্তরীণ পবিত্রতা, যা তাওহীদ, ঈমান ও নেক আমলের মাধ্যমে অর্জিত হয়।
- হাদীসে সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়ার গুরুত্ব বর্ণিত হয়েছে। কেননা সালাত হচ্ছে বান্দার জন্য দুনিয়া এবং আখিরাতের নূর।
- সাদাকাহ হচ্ছে ঈমানের সত্যতার দলিল।
- এখানে কুরআন অনুযায়ী আমল করা ও তা সত্য বলে বিশ্বাস করার গুরুত্ব বর্ণিত হয়েছে, যাতে কুরআন তোমার বিপক্ষে নয়; বরং পক্ষে দলিল হিসেবে কাজ করে।
- অন্তরকে যদি তুমি আনুগত্যের (সাওয়াবের) কাজে নিমগ্ন না করতে পার, তবে সে তোমাকে পাপাচারে নিমগ্ন করে দেবে।
- প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই আমল (কাজ) করতে হয়। হয়ত সে আনুগত্যের মাধ্যমে নিজেকে বাঁচিয়ে নেবে অথবা পাপের মাধ্যমে নিজেকে ধ্বংস করে ফেলবে।
- সবর অবশ্য কষ্ট সহ্য করার মাধ্যমে ও সাওয়াবের আশায় হতে হবে। আর এতে রয়েছে কষ্ট।
সূত্র
صحيح مسلم (1/ 203) (223)، شرح الأربعين لابن دقيق العيد (ص 84)، شرح الأربعين النووية للعثيمين (ص: 231)، الرياض الزكية شرح الأربعين النووية للخضير (ص 293)، فتح القوي المتين في شرح الأربعين للعباد (ص 79)
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعن عَمْرُو بْنُ عَامِرٍ عَنْ أَنَس بن مالك قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَوَضَّأُ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ، قُلْتُ: كَيْفَ كُنْتُمْ تَصْنَعُونَ؟ قَالَ: يُجْزِئُ أَحَدَنَا الْوُضُوءُ مَا لَمْ يُحْدِثْ.
‘আমর বিন আমির সূত্রে আনাস বিন মালিক হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক সালাতের সময় উযূ করতেন। আমি বললামঃ আপনারা কী করতেন? তিনি বললেনঃ হাদাস (উযূ ভঙ্গের কারণ) না হওয়া পর্যন্ত আমাদের (পূর্বের) উযূ যথেষ্ট হত।
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওয়াব ও ফজিলত লাভ করার উদ্দেশ্যে প্রত্যেক সালাতের জন্যে উযূ করতেন, যদিও তার উযূ ভঙ্গ না হত।
যতক্ষণ উযূ অবস্থায় থাকবে এক উযূ দ্বারা একাধিক ফরয সালাত আদায় করা বৈধ রয়েছে।
শিক্ষা
- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরিপূর্ণতা অর্জনের জন্য প্রত্যেক সালাতের জন্যে উযূ করার আমলটি অধিকাংশ সময় করেছেন।
- প্রত্যেক সালাতের জন্যে উযূ করা মুস্তাহাব।
- এক উযূ দ্বারা একাধিক সালাত আদায় করা বৈধ।
সূত্র
صحيح البخاري (1/ 53) (214)، شرح ابن بطّال (1/321)، إرشاد الساري لشرح صحيح البخاري (1/ 285).
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসعَنْ أَبِي مَالِكٍ الحَارِثِ بْنِ عَاصِمٍ الأَشْعَرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الطُّهُورُ شَطْرُ الْإِيمَانِ، وَالْحَمْدُ لِلهِ تَمْلَأُ الْمِيزَانَ، وَسُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ تَمْلَآنِ -أَوْ تَمْلَأُ- مَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ، وَالصَّلَاةُ نُورٌ، وَالصَّدَقَةُ بُرْهَانٌ، وَالصَّبْرُ ضِيَاءٌ، وَالْقُرْآنُ حُجَّةٌ لَكَ أَوْ عَلَيْكَ، كُلُّ النَّاسِ يَغْدُو، فَبَايِعٌ نَفْسَهُ فَمُعْتِقُهَا أَوْ مُوبِقُهَا»
আবূ মালিক হারিস ইবনু আসিম আল-আশ‘আরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক। “الحمد لله” ‘আলহামদু লিল্লা ‘ দাঁড়িপাল্লা পরিপূর্ণ করে দেয় এবং “سبحان الله والحمد لله” ‘সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহ’ কালেমা আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী স্থানকে পরিপূর্ণ করে দেয়। আর সালাত হচ্ছে নূর, সদাকাহ হচ্ছে দলীল এবং সবর হচ্ছে আলো। আর আল-কুরআন তোমার পক্ষে অথবা বিপক্ষে প্রমাণ স্বরূপ। সকল মানুষই ভোর করে নিজেকে বিক্রি করে দেয়। অতঃপর সে তাকে মুক্ত করে অথবা তাকে ধ্বংস করে।"
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনমানসহীহ
ব্যাখ্যা
এখানে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন যে, অযু ও গোসলের মাধ্যমে বাহ্যিক পবিত্রতা অর্জন করা যায়, আর এটি সালাত আদায়ের একটি শর্ত। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথা: “الحمد لله” ‘আলহামুদ লিল্লাহ’ মিযানকে পরিপূর্ণ করে দেয়”, এটি হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলার প্রশংসা এবং তাঁকে পূর্ণতার গুণে গুণান্বিত করা, যা কিয়ামাতের দিনে ওযন করা হবে এবং তাতে আমলের পাল্লা (মিযান) পূর্ণ হয়ে যাবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথা: “سبحان الله والحمد لله” ‘সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহ’: এটি হচ্ছে: আল্লাহকে সকল ধরণের অপূর্ণতার গুণ থেকে মুক্ত ঘোষণা করা এবং তাঁর মর্যাদার সাথে সামঞ্জস্যশীল এমন পূর্ণতার গুণাবলী তাঁর জন্য সাব্যস্ত করা এবং সেই সাথে তাঁর ভালোবাসা ও সম্মান অন্তরে ধারণ করা, যা আসমান জমিনকে পূর্ণ করে দেয়। “সালাত হচ্ছে নূর”: বান্দার অন্তরের, চেহারার, কবরের এবং তার হাশরের নূর। “সাদাকাহ হচ্ছে বুরহান (দলিল)”: তথা মুমিনের ঈমানের সত্যতার দলিল। আর এটি এমন মুনাফিক থেকে পৃথককারী যে সাদকাহর প্রতিশ্রুত প্রতিদানকে স্বীকার না করায়, তা থেকে (নিজেকে) বিরত রাখে। আর “সবর হচ্ছে আলো”: এটি হচ্ছে নিজেকে উৎকণ্ঠা-অস্থিরতা ও রাগ থেকে সংবরণ করা। এটি সূর্যের ন্যায় এমন আলো যার সাথে উষ্ণতা ও দহন ক্ষমতা রয়েছে; কেননা এটি একটি কঠিন বিষয় এবং এটি নিজের সাথে এবং আকাংখিত বিষয়ের সাথে প্রতিনিয়ত লড়াই করার নাম। সুতরাং সবরকারী ব্যক্তি সঠিক পথে আলোকিত, হিদায়াতপ্রাপ্ত ও স্থায়ীত্ব লাভ করে থাকে। সবর হচ্ছে আল্লাহর আনুগত্যের উপরে টিকে থাকা, পাপ থেকে বেঁচে থাকা এবং দুনিয়াতে বিভিন্ন প্রকার বালা মুসিবত ও কষ্টকর বিষয়ে ধৈর্যধারণ করা। “আর আল-কুরআন তোমার পক্ষে দলিল”: এটি অর্জিত হবে কুরআন তিলাওয়াত করা এবং সে অনুযায়ী আমল করার মাধ্যমে। অথবা “তোমার বিপক্ষে দলিল”: কুরআন অনুযায়ী আমল না করলে অথবা কুরআন তিলাওয়াত পরিত্যাগ করলে। তারপরে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন যে, প্রতিটি মানুষ প্রচেষ্টা রত থাকে, তারা ছড়িয়ে পড়ে, তারা ঘুম থেকে জাগ্রত হয় আর তারপরে তাদের বাড়ি থেকে বিভিন্ন কাজের উদ্দেশ্যে তারা বের হয়ে পড়ে। সুতরাং তাদের মধ্যে অনেকে রয়েছে যারা আল্লাহর আনুগত্যের উপরে দৃঢ়পদ থাকে। ফলে তারা নিজেকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করে নেয়। অপরপক্ষে অনেকে রয়েছে, যারা এখান থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে এবং পাপের মধ্যে নিপতিত হয়। ফলে তারা জাহান্নামে প্রবেশ করার মাধ্যমে নিজেকে ধ্বংস করে ফেলে।
শিক্ষা
- পবিত্রতা দুই প্রকার: বাহ্যিক পবিত্রতা, যা অযু ও গোসলের মাধ্যমে অর্জন করা যায় এবং অভ্যন্তরীণ পবিত্রতা, যা তাওহীদ, ঈমান ও নেক আমলের মাধ্যমে অর্জিত হয়।
- হাদীসে সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়ার গুরুত্ব বর্ণিত হয়েছে। কেননা সালাত হচ্ছে বান্দার জন্য দুনিয়া এবং আখিরাতের নূর।
- সাদাকাহ হচ্ছে ঈমানের সত্যতার দলিল।
- এখানে কুরআন অনুযায়ী আমল করা ও তা সত্য বলে বিশ্বাস করার গুরুত্ব বর্ণিত হয়েছে, যাতে কুরআন তোমার বিপক্ষে নয়; বরং পক্ষে দলিল হিসেবে কাজ করে।
- অন্তরকে যদি তুমি আনুগত্যের (সাওয়াবের) কাজে নিমগ্ন না করতে পার, তবে সে তোমাকে পাপাচারে নিমগ্ন করে দেবে।
- প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই আমল (কাজ) করতে হয়। হয়ত সে আনুগত্যের মাধ্যমে নিজেকে বাঁচিয়ে নেবে অথবা পাপের মাধ্যমে নিজেকে ধ্বংস করে ফেলবে।
- সবর অবশ্য কষ্ট সহ্য করার মাধ্যমে ও সাওয়াবের আশায় হতে হবে। আর এতে রয়েছে কষ্ট।
সূত্র
صحيح مسلم (1/ 203) (223).
شرح الأربعين لابن دقيق العيد (ص 84).
شرح الأربعين النووية للعثيمين (ص: 231).
الرياض الزكية شرح الأربعين النووية للخضير (ص 293).
فتح القوي المتين في شرح الأربعين للعباد (ص 79).
HadeethEnc.com-এ এই হাদীসএখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com