মূল অংশে যান
ব্যাখ্যাসহ হাদীস

যবাই করা

৭টি হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি সাদা-কালো রং এর শিং ওয়ালা ভেড়া কুরবানী করেন। তিনি ভেড়া দু’টির পার্শ্বে তাঁর পা রেখে ’বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে স্বহস্তেই দু’টিকে যবেহ করেন।

عَنْ أَنَسٍ رَضيَ اللهُ عنهُ قَالَ: ضَحَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِكَبْشَيْنِ أَمْلَحَيْنِ أَقْرَنَيْنِ، ذَبَحَهُمَا بِيَدِهِ، وَسَمَّى وَكَبَّرَ، وَوَضَعَ رِجْلَهُ عَلَى صِفَاحِهِمَا.
আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি সাদা-কালো রং এর শিং ওয়ালা ভেড়া কুরবানী করেন। তিনি ভেড়া দু’টির পার্শ্বে তাঁর পা রেখে ’বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে স্বহস্তেই দু’টিকে যবেহ করেন।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমমানসহীহ
ব্যাখ্যা

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল আযহার দিনে নিজের হাতে শিংওয়ালা সাদা-কালো দুটি পুরুষ ভেড়াকে জবাই করলেন এবং তিনি বললেন: বিসমিল্লাহ আল্লাহু আকবার এবং তিনি তার ঘাড়ের উপর স্বীয় পা রাখলেন।

শিক্ষা
  1. কুরবানির বিধান এবং মুসলিমরা সর্বসম্মতিক্রমে এতে একমত।
  2. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে প্রকার প্রাণী কুরবানী করেছেন সে প্রকার হল কুরবানির জন্য উত্তম। কারণ এর চেহারা সুন্দর এবং এর চর্বি ও মাংস ভালো।
  3. নাওয়াবী বলেন: এটি ইঙ্গিত করে যে ব্যক্তির জন্য তার নিজের কুরবানী স্বহস্তে জবাই করা মুস্তাহাব। অজুহাত ব্যতীত এটি জবাই করার জন্য কাউকে দায়িত্ব দিবে না, সে ক্ষেত্রে তার যবেহ প্রত্যক্ষ করা মুস্তাহাব, যদি সে এর জন্য একজন মুসলিমকে দায়িত্ব দেয় তাহলে বিনা দ্বিমতে তা জায়েজ।
  4. ইবনু হাজার বলেন: এতে যবেহ করার সময় ‘বিসমিল্লাহ”র সাথে ‘আল্লাহু আকবার’ বলা এবং কুরবানীর ঘাড়ের ডান কাঁধের উপর পা রাখা মুস্তাহাব প্রমাণিত হয়। আর তারা একমত হয়েছেন যে এটিকে বাম পাশে শোয়াবে এবং তার পা ডান পাশে রাখবে, যাতে জবাইকারীর পক্ষে ডান হাতে ছুরি নেওয়া এবং তার বাম হাত দিয়ে তার মাথা ধরে রাখা সহজ হয়।
  5. শিংওয়ালা পশু কুরবানী করা মুস্তাহাব, তবে শিং ছাড়াও জায়েয।
সূত্র

صحيح البخاري (7/ 102) (5565). صحيح مسلم (3/ 1556) (1966). تيسير العلام شرح عمدة الأحكام، لعبد الله البسام (ص724). الإعلام بفوائد عمدة الأحكام، لابن الملقن (10/ 179).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

”নিশ্চয়ই পলায়নপর বন্য জন্তুদের মতো এ সকল চতুষ্পদ জন্তুর মধ্যে কতক পলায়নপর হয়ে থাকে। কাজেই যদি এসব জন্তুর কোনটা তোমাদের উপর প্রবল হয়ে উঠে তবে তার সাথে এরূপ করবে”

عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ رَضيَ اللهُ عنهُ قَالَ: كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِذِي الحُلَيْفَةِ، فَأَصَابَ النَّاسَ جُوعٌ، فَأَصَابُوا إِبِلًا وَغَنَمًا، قَالَ: وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أُخْرَيَاتِ القَوْمِ، فَعَجِلُوا، وَذَبَحُوا، وَنَصَبُوا القُدُورَ، فَأَمَرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالقُدُورِ، فَأُكْفِئَتْ، ثُمَّ قَسَمَ، فَعَدَلَ عَشَرَةً مِنَ الغَنَمِ بِبَعِيرٍ فَنَدَّ مِنْهَا بَعِيرٌ، فَطَلَبُوهُ، فَأَعْيَاهُمْ وَكَانَ فِي القَوْمِ خَيْلٌ يَسِيرَةٌ، فَأَهْوَى رَجُلٌ مِنْهُمْ بِسَهْمٍ، فَحَبَسَهُ اللَّهُ، ثُمَّ قَالَ: «إِنَّ لِهَذِهِ البَهَائِمِ أَوَابِدَ كَأَوَابِدِ الوَحْشِ، فَمَا غَلَبَكُمْ مِنْهَا فَاصْنَعُوا بِهِ هَكَذَا»، فَقَالَ أي رافع: إِنَّا نَرْجُو -أَوْ نَخَافُ- العَدُوَّ غَدًا، وَلَيْسَتْ مَعَنَا مُدًى، أَفَنَذْبَحُ بِالقَصَبِ؟ قَالَ: «مَا أَنْهَرَ الدَّمَ، وَذُكِرَ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ فَكُلُوهُ، لَيْسَ السِّنَّ وَالظُّفُرَ، وَسَأُحَدِّثُكُمْ عَنْ ذَلِكَ: أَمَّا السِّنُّ فَعَظْمٌ، وَأَمَّا الظُّفُرُ فَمُدَى الحَبَشَةِ».
রাফি‘ ইবনু খাদীজ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে যুল-হুলায়ফাতে ছিলাম। সাহাবীগণ ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েন, তারা কিছু উট ও বকরী পেলেন। রাফি‘ বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দলের পিছনে ছিলেন। তারা তাড়াহুড়া করে গনীমতের মাল বণ্টনের পূর্বে সেগুলোকে যবেহ করে পাত্রে চড়িয়ে দিলেন। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নির্দেশে পাত্র উলটিয়ে ফেলা হল। তারপর তিনি (গনীমতের মাল) বণ্টন শুরু করলেন। তিনি একটি উটের সমান দশটি বকরী নির্ধারণ করেন। হঠাৎ একটি উট পালিয়ে গেল। সাহাবীগণ উটকে ধরার জন্য ছুটলেন, কিন্তু উটটি তাঁদেরকে ক্লান্ত করে ছাড়ল। সে সময় তাঁদের নিকট অল্প সংখ্যক ঘোড়া ছিল। অবশেষে তাঁদের মধ্যে একজন সেটির প্রতি তীর ছুড়লেন। তখন আল্লাহ উটকে থামিয়ে দিলেন। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: ”নিশ্চয়ই পলায়নপর বন্য জন্তুদের মতো এ সকল চতুষ্পদ জন্তুর মধ্যে কতক পলায়নপর হয়ে থাকে। কাজেই যদি এসব জন্তুর কোনটা তোমাদের উপর প্রবল হয়ে উঠে তবে তার সাথে এরূপ করবে”। তখন রাফি‘ বললেন, আমরা আশঙ্কা করছি যে, কাল শত্রুর সাথে মুকাবিলা হবে। আর আমাদের নিকট কোন ছুরি নেই। তাই আমরা ধারালো বাঁশ দিয়ে যবেহ করতে পারব কি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “যে বস্তু রক্ত প্রবাহিত করে এবং যার উপর আল্লাহর নাম নেয়া হয়, সেটা তোমরা আহার করতে পার। কিন্তু দাঁত বা নখ দিয়ে যেন যবেহ না করা হয়। আমি তোমাদেরকে এর কারণ বলে দিচ্ছি। দাঁত তো হাড় আর নখ হলো হাবশীদের ছুরি”।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমমানসহীহ
ব্যাখ্যা

রাফি’ ইবনু খাদিজ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন যে, তারা যুল-হুলাইফায় নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলেন। লোকেরা ক্ষুধার্ত ছিল। তারা মুশরিকদের কাছ থেকে উট এবং ভেড়া গনিমত হিসাবে লাভ করেছিল, তাই তারা গনীমতের মাল বণ্টনের আগে তাড়াহুড়ো করে ফেলেছিল। তাই তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর অনুমতি না নিয়েই কিছু জবাই করে পাত্রে বসিয়ে দিয়েছিলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের পিছনে চলতেছিলেন, যখন তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানলেন, তখন তিনি পাত্রগুলো ঝোলসহ উল্টে দিতে নির্দেশ দিলেন। তারপর তিনি তাদের মধ্যে গনীমতের মাল ভাগ করে দিলেন, এক উটের মোকাবেলায় দশটি ভেড়া নির্ধারণ করতেন। ইত্যবসরে একটি উট পালিয়ে গেল, কিন্তু তারা তা ধরতে ও আয়ত্তে আনতে পারেনি। তখন ঘোড়ার সংখ্যা কম ছিল। তাদের মধ্যে একজন একটি তীর তাকে ছুঁড়ে মারে এবং আল্লাহ তা তাদের জন্য আটকে রাখেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: এই গৃহপালিত প্রাণীদের প্রকৃতি বন্য প্রাণীর মতোই, তাই যদি তাদের কেউ তোমার উপর আধিপত্য বিস্তার করে এবং তোমরা তাকে ধরতে না পারো, তাহলে তার সাথেও একই আচরণ করো। রাফি বললেন: আমরা আশা করি আগামীকাল শত্রুর মুখোমুখি হব, কিন্তু আমরা আশঙ্কা করছি যে আমাদের অস্ত্রের ধার ক্ষতিগ্রস্ত হবে যদি তা দিয়ে জবাই করি, অথচ আমাদের জবাই করা খুব প্রয়োজন এবং আমাদের কাছে এর জন্য ছুরি নেই, তাহলে কি আমরা ফাঁপা নল দিয়ে জবাই করব? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যার ফলে রক্ত ​​প্রবাহিত হয় এবং প্রচুর রক্তপাত হয় এবং যার উপর আল্লাহর নাম উচ্চারিত হয়, তা খাও, দাঁত এবং নখ ছাড়া। আমি তোমাদের সে সম্পর্কে বলব: দাঁতের কথা বলতে গেলে, এটি একটি হাড় এবং নখের কথা বলতে গেলে, কাফের হাবশীরা এটি ব্যবহার করে।"

শিক্ষা
  1. নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেনাবাহিনীর পিছনে হেঁটে, তাঁর সঙ্গীদের যত্ন নিয়ে, তাদের খোঁজখবর নিয়ে এবং তাঁর সঙ্গীদের পরামর্শ গ্রহণ করে তার নম্রতার একটি দিক প্রকাশ করেছেন।
  2. ইমামের তাঁর প্রজা ও সৈন্যদের শাসন করা। যেমন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর অনুমতি নেওয়ার আগে তাদের এই তাড়াহুড়ো এবং আচরণের জন্য শাস্তি দিয়েছেন। আর তাদের শাস্তি ছিল তারা যা চেয়েছিল তা থেকে তাদেরকে বঞ্চিত করা।
  3. নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর আদেশের প্রতি সাহাবীগণ রাদিয়াল্লাহু আনহুমদের দ্রুত সাড়া দেওয়ার প্রবণতা।
  4. গনীমতের মাল ভাগ না করা পর্যন্ত তা গ্রহণ নিষিদ্ধ।
  5. ন্যায়বিচার, বিশেষ করে শত্রু এবং কাফেরদের বিরুদ্ধে জিহাদের জায়গায়; কারণ এটি শত্রুদের উপর জয়লাভ এবং বিজয়ের অন্যতম কারণ।
  6. আন-নওয়াবী বলেন: যদি কোন গৃহপালিত উট, গরু, ঘোড়া, ভেড়া বা অন্য কিছু আক্রমণ করে বন্য হয়ে যায়, তাহলে তা শিকারের মতো এবং কিছু নিক্ষেপ করে শিকার করলে তা হালাল হবে।
  7. পশুটি খাওয়া জায়েয হওয়ার জন্য অবশ্যই জবাই করতে হবে। পশুর জন্য নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ করতে হবে: ১- এটি খাওয়া জায়েয হতে হবে। ২- এটি অবশ্যই তার সাধ্যের মধ্যে হতে হবে, তবে যা ধরা যায় না তার হুকুম শিকারের হুকুমের মতোই। ৩- এটি অবশ্যই বন্য প্রাণী হতে হবে; সামুদ্রিক প্রাণীদের ক্ষেত্রে জবাই করার কোন প্রয়োজন নেই।
  8. জবাই বৈধ হওয়ার শর্তাবলী: ১- জবাইকারী ব্যক্তিকে অবশ্যই সুস্থ, বিবেক সম্পন্ন, মুসলিম অথবা খ্রিস্টান হতে হবে। ২- জবাইয়ের শুরুতে তাকে অবশ্যই বিসমিল্লাহ উচ্চারণ করতে হবে। ৩- জবাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হাতিয়ারটি ধারালো হতে হবে এবং দাঁত বা নখ ছাড়া অন্য কোনও উপাদান দিয়ে তৈরি হতে হবে। ৪- নিয়ন্ত্রণে থাকা পশুর জবাই ও নহর হতে হবে খাদ্যনালী, শ্বাসনালী এবং ঘাড়ের শিরা কাটার মাধ্যমে।
সূত্র

صحيح البخاري (3/ 138) (2488). صحيح مسلم (3/ 1558) (1968). تيسير العلام شرح عمدة الأحكام، لعبد الله البسام (ص721).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাললাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে একটি ঘোড়া নহর করলাম এবং সেটি খেলাম।

عن أَسْمَاء بِنْت أَبِي بَكْرٍ رضي الله عنهما قالت: «نَحَرْنَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ الله صلى الله عليه وسلم فَرَسًا فَأَكَلْنَاهُ». وَفِي رِوَايَةٍ «وَنَحْنُ بِالْمَدِينَةِ».
আসমা বিনত আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাললাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে একটি ঘোড়া নহর করলাম এবং সেটি খেলাম।” অন্য বর্ণনায় রয়েছে, “তখন আমরা মদীনায় ছিলাম।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

আসমা বিনত আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সংবাদ দিয়েছেন যে, তারা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাললাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে একটি ঘোড়া নহর করেছিলেন এবং সেটি ভক্ষণ করেছেন। এ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত যে, ঘোড়ার গোস্ত খাওয়া জায়েয। সুতরাং আল-কুরআনে গাধা ও খচ্চরের সাথে ঘোড়ার কথা উল্লেখ করায় এটি খাওয়া নিষিদ্ধ হওয়ার সন্দেহ করা যাবে না। আল্লাহ বলেছেন, “আর (তিনি সৃষ্টি করেছেন) ঘোড়া, খচ্চর ও গাধা, তোমাদের আরোহণ ও শোভার জন্য এবং তিনি সৃষ্টি করেন এমন কিছু, যা তোমরা জান না।” [সূরা আন-নাহাল, আয়াত: ৮]

সূত্র

1- صحيح البخاري، محمد بن إسماعيل البخاري الجعفي، تحقيق: محمد زهير الناصر، دار طوق النجاة (مصورة عن السلطانية بإضافة ترقيم: محمد فؤاد عبد الباقي)، الطبعة: الأولى 1422هـ. 2- صحيح مسلم، مسلم بن الحجاج القشيري النيسابوري، تحقيق محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت، الطبعة: 1423هـ. 3- خلاصة الكلام شرح عمدة الأحكام، فيصل بن عبد العزيز المبارك، الطبعة: الثانية 1412هـ، 1992م. 4- الإفهام في شرح عمدة الأحكام، لابن باز، تحقيق: سعيد القحطاني، مؤسسة عبد العزيز بن باز الخيرية، الرياض، الطبعة: الأولى 1435هـ. 5- الإلمام بشرح عمدة الأحكام، إسماعيل بن محمد الأنصاري، دار الفكر، دمشق، الطبعة: الأولى 1381هـ. 6- تيسير العلام شرح عمدة الأحكام، عبد الله بن عبد الرحمن البسام، دار الميمان، الطبعة: الأولى 1426هـ، 2005م. 7- تأسيس الأحكام، أحمد بن يحيى النجمي، دار المنهاج، الطبعة: 1427هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তার উট পরিচালনা করার নির্দেশ দেন। আর তিনি নির্দেশ যে, আমি যেন তার গোস্ত, চামড়া, জীনপোষ সাদকা করে দিই এবং কসাইকে বিনিময় হিসেবে তা থেকে কোন কিছু না দেই।

عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه قال: «أَمَرَنِي رَسُول اللَّهِ -صلَّى الله عليه وسلَّم- أَن أَقُومَ عَلَى بُدْنِهِ، وَأَن أَتَصَدَّقَ بِلَحمِهَا وَجُلُودِهَا وَأَجِلَّتِهَا، وَأَن لا أُعْطِيَ الجَزَّارَ مِنهَا شَيْئًا».
আলী ইবন আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তার উট পরিচালনা করার নির্দেশ দেন। আর তিনি নির্দেশ যে, আমি যেন তার গোস্ত, চামড়া, জীনপোষ সাদকা করে দিই এবং কসাইকে বিনিময় হিসেবে তা থেকে কোন কিছু না দেই”।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

বিদায়ী হজে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় আগমণ করেন। তার সাথে ছিল তার হাদী। আর আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু ইয়ামান থেকে আগমণ করেন এবং তার সাথেও তার হাদী ছিল। যেহেতু হাদীর জন্তু কেবলই ফকীর ও মিসকীনদের হক তাই হাদী প্রেরণকারীর জন্য তাতে কোন প্রকার কর্তৃত্ব করা বা বিনিময় হিসেবে কাউকে দেওয়ার সুযোগ নেই। তাই কসাইকে তার কাজের বিনিময় হিসেবে তা থেকে কোন কিছু প্রদান করতে নিষেধ করেছেন। তাকে গোস্ত, চামড়া ও জীনপোষ ভিন্ন অন্য কিছু দিয়ে বিনিময় প্রদান করবে।

সূত্র

تيسير العلام شرح عمدة الأحكام للبسام، حققه وعلق عليه وخرج أحاديثه وصنع فهارسه: محمد صبحي بن حسن حلاق، ط10، مكتبة الصحابة، الإمارات - مكتبة التابعين، القاهرة، 1426هـ. تنبيه الأفهام شرح عمدة الأحكام لابن عثيمين، ط1، مكتبة الصحابة، الإمارات، 1426هـ. عمدة الأحكام من كلام خير الأنام صلى الله عليه وسلم لعبد الغني المقدسي، دراسة وتحقيق: محمود الأرناؤوط، مراجعة وتقديم: عبد القادر الأرناؤوط، ط2، دار الثقافة العربية، دمشق ، بيروت، مؤسسة قرطبة، 1408هـ. صحيح البخاري، تحقيق: محمد زهير بن ناصر الناصر، ط1، دار طوق النجاة (مصورة عن السلطانية بإضافة ترقيم: محمد فؤاد عبد الباقي)، 1422هـ. صحيح مسلم، تحقيق: محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت، 1423هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

আমি ইব্নু ‘উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-কে দেখেছি যে, তিনি আসলেন এমন এক ব্যক্তির নিকট, যে তার উটকে নহর করার জন্য বসিয়ে রেখেছিল। ইব্নু ‘উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বললেন, মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাতের ন্যায় সেটি উঠিয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় বেঁধে নাও।

عن زياد بن جبير قال: رَأَيتُ ابنَ عُمَرَ أَتَى عَلَى رجل قد أَنَاخَ بَدَنَتَهُ، فَنَحَرَهَا، فَقَالَ: ابْعَثْهَا قِيَاماً مُقَيَّدَةً، سُنَّةَ مُحَمَّدٍ -صلَّى الله عليه وسلَّم-.
যিয়াদ ইব্নু জুবাইর হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইব্নু ‘উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-কে দেখেছি যে, তিনি আসলেন এমন এক ব্যক্তির নিকট, যে তার উটকে নহর করার জন্য বসিয়ে রেখেছিল। ইব্নু ‘উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বললেন, মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাতের ন্যায় সেটি উঠিয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় বেঁধে নাও।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

উট ছাড়া গরু, ছাগল ইত্যাদি জবেহ করার সুন্নাত হলো বাম দিকে শোয়াইয়ে কিবলামুখ করে গলায় জবেহ করা। আর উটের ক্ষেত্রে সুন্নাত হলো বাম হাত বাঁধা দাঁড়ানো অবস্থায় তার চোঁটে নহর করা। কারণ, তার রুহ দ্রুত বের হওয়ার জন্য এতেই তার আরাম। এ কারণেই যখন আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু এমন এ ব্যক্তি নিকট অতিক্রম করেন যে তার নিজের উটকে নহর করার জন্য বসিয়ে রেখেছিল। তিনি তাকে বললেন, সেটি উঠিয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় বেঁধে নাও। এটিই মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাত, যিনি নহর করার ক্ষেত্রে কুরআনেরই পদ্ধতিই গ্রহণ করেছেন। তাতে বলা হয়, “যখন তার একপাশ লুটে পড়ে”। আর লুটে পড়া সাধারণত দাঁড়ানো থেকেই হয়ে থাকে।

সূত্র

تيسير العلام شرح عمدة الأحكام، عبد الله بن عبد الرحمن البسام، تحقيق: محمد صبحي حلاق، مكتبة الصحابة، الأمارات، مكتبة التابعين، القاهرة، الطبعة: العاشرة، 1426هـ. تنبيه الأفهام شرح عمدة الأحكام، محمد بن صالح العثيمين، مكتبة الصحابة، الإمارات، الطبعة: الأولى، 1426هـ. عمدة الأحكام من كلام خير الأنام -صلى الله عليه وسلم-، لعبد الغني المقدسي، دراسة وتحقيق: محمود الأرناؤوط، مراجعة وتقديم: عبد القادر الأرناؤوط، دار الثقافة العربية، دمشق، بيروت، مؤسسة قرطبة، الطبعة: الثانية، 1408هـ. صحيح البخاري، محمد بن إسماعيل البخاري الجعفي، تحقيق: محمد زهير الناصر، دار طوق النجاة (مصورة عن السلطانية بإضافة ترقيم: محمد فؤاد عبد الباقي)، الطبعة: الأولى، 1422هـ. صحيح مسلم، مسلم بن الحجاج القشيري النيسابوري، تحقيق محمد فؤاد عبد الباقي، دار إحياء التراث العربي، بيروت، الطبعة: 1423هـ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

“আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক বিষয়ে তোমাদের উপর ইহসান (সুন্দর রূপে আচরণ করা) অত্যাবশ্যক করেছেন।

عن شداد بن أوس رضي الله عنه قال: ثِنْتَانِ حَفِظْتُهُمَا عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ اللهَ كَتَبَ الْإِحْسَانَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ، فَإِذَا قَتَلْتُمْ فَأَحْسِنُوا الْقِتْلَةَ، وَإِذَا ذَبَحْتُمْ فَأَحْسِنُوا الذَّبْحَ، وَلْيُحِدَّ أَحَدُكُمْ شَفْرَتَهُ، فَلْيُرِحْ ذَبِيحَتَهُ».
শাদ্দাদ ইবনু আওস রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমি দুটি কথা স্মরণ রেখেছি, তিনি বলেছেন: “আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক বিষয়ে তোমাদের উপর ইহসান (সুন্দর রূপে আচরণ করা) অত্যাবশ্যক করেছেন। সুতরাং তোমরা যখন হত্যা করবে, তখন উত্তম পন্থায় হত্যা করবে। আর যখন জবাই করবে তখন উত্তম পন্থায় জবাই করবে। তোমাদের প্রত্যেকে যেন তার ছুরি ধার করে নেয় এবং তার যবেহকৃত জন্তুকে যেন আরাম দেয়।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনমানসহীহ
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন যে, আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক বস্তুর প্রতি ইহসান করা আমাদের উপর ফরয করে দিয়েছেন। আর ইহসান হলো: ইবাদাতের সময় তার উপর আল্লাহর নিবিড় পর্যবেক্ষণ উপলব্দি করা এবং সৃষ্টিজীবের প্রতি কল্যাণ সাধন ও কষ্ট প্রতিহত করা। হত্যা ও জবাইয়ের সময় ইহসান করা এরই অন্তর্ভুক্ত। কিসাসের হত্যার সময় ইহসান: হত্যার জন্য সবচেয়ে সহজ, অতিশয় হালকা ও দ্রুত উপায়ে জান বের হওয়ার পদ্ধতি গ্রহণ করা। জবাই করার সময়ে ইহসান: ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে পশুর প্রতি সদয় হওয়া, যে পশুকে জবাই করা হবে তার সামনে এমনভাবে অস্ত্র ধার না করা, যা উক্ত পশু দেখতে পায় এবং অন্য পশুর সম্মুখেও কোন পশু জবাই করা অনুচিত যা উক্ত পশু দেখতে পায়।

শিক্ষা
  1. সৃষ্টিজগতের প্রতি মহান আল্লাহর দয়া ও কোমলতা।
  2. হত্যা ও জবাইর ক্ষেত্রে ইহসান হবে শরী‘আহ অনুমোদিত পদ্ধতিতে হত্যা ও জবাই করা।
  3. সকল কল্যাণের প্রতি ইসলামী শরী‘আহর পরিপূর্ণতা ও ব্যাপকতার প্রমাণ। পশু-পাখির প্রতি রহম ও কোমলতা এর অন্যতম।
  4. কোন ব্যক্তিকে হত্যার পরে তার দেহ থেকে অঙ্গবিকৃতি করা নিষেধ।
  5. প্রাণীকে শাস্তি দেয় এমন সব কিছু হারাম।
সূত্র

صحيح مسلم (3/ 1548) (1955). التحفة الربانية في شرح الأربعين حديثا النووية (ص38). شرح الأربعين النووية، لابن عثيمين (ص185). فتح القوي المتين في شرح الأربعين وتتمة الخمسين، للعباد (ص65). فتح الباري، لابن حجر (9/ 644). شرح النووي على مسلم (13/ 107).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

“নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রতিটি বস্তুর প্রতি দয়া করাকে ফরয করে দিয়েছেন

عَنْ أَبِي يَعْلَى شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ اللهَ كَتَبَ الْإِحْسَانَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ، فَإِذَا قَتَلْتُمْ فَأَحْسِنُوا القِتْلَةَ، وَإِذَا ذَبَحْتُمْ فَأَحْسِنُوا الذِّبْحَةَ، وَلْيُحِدَّ أَحَدُكُمْ شَفْرَتَهُ، وَلْيُرِحْ ذَبِيحَتَهُ».
আবূ ইয়ালা শাদ্দাদ ইবনু আওস রদিয়াল্লাহু ‘আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রতিটি বস্তুর প্রতি দয়া করাকে ফরয করে দিয়েছেন। সুতরাং তোমরা যখন হত্যা করবে,তখন সুন্দরভাবে হত্যা করো এবং যখন জবাই করবে, তখন ভালোভাবে জবাই করো। তোমাদের প্রত্যেকে যেন নিজ ছুরি ধারাল করে নেয় এবং যবেহকৃত পশুকে আরাম দেয়।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনমানসহীহ
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন যে, আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক বস্তুর প্রতি ইহসান করা আমাদের উপর ফরয করে দিয়েছেন। আর ইহসান হলো: ইবাদাতের সময় তার উপর আল্লাহর নিবিড় পর্যবেক্ষণ উপলব্দি করা এবং সৃষ্টিজীবের প্রতি কল্যাণ সাধন ও কষ্ট প্রতিহত করা। হত্যা ও জবাইয়ের সময় ইহসান করা এরই অন্তর্ভুক্ত। কিসাসের হত্যার সময় ইহসান: হত্যার জন্য সবচেয়ে সহজ, অতিশয় হালকা ও দ্রুত উপায়ে জান বের হওয়ার পদ্ধতি গ্রহণ করা। জবাই করার সময়ে ইহসান: ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে পশুর প্রতি সদয় হওয়া, যে পশুকে জবাই করা হবে তার সামনে এমনভাবে অস্ত্র ধার না করা, যা উক্ত পশু দেখতে পায় এবং অন্য পশুর সম্মুখেও কোন পশু জবাই করা অনুচিত যা উক্ত পশু দেখতে পায়।

শিক্ষা
  1. সৃষ্টিজগতের প্রতি মহান আল্লাহর দয়া ও কোমলতা।
  2. হত্যা ও জবাইর ক্ষেত্রে ইহসান হবে শরী‘আহ অনুমোদিত পদ্ধতিতে হত্যা ও জবাই করা।
  3. সকল কল্যাণের প্রতি ইসলামী শরী‘আহর পরিপূর্ণতা ও ব্যাপকতার প্রমাণ। পশু-পাখির প্রতি রহম ও কোমলতা এর অন্যতম।
  4. কোন ব্যক্তিকে হত্যার পরে তার দেহ থেকে অঙ্গবিকৃতি করা নিষেধ।
  5. প্রাণীকে শাস্তি দেয় এমন সব কিছু হারাম।
সূত্র

صحيح مسلم (3/ 1548) (1955). التحفة الربانية في شرح الأربعين حديثا النووية (ص38). شرح الأربعين النووية، لابن عثيمين (ص185). فتح القوي المتين في شرح الأربعين وتتمة الخمسين، للعباد (ص65). فتح الباري، لابن حجر (9/ 644). شرح النووي على مسلم (13/ 107).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

এখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com