মূল অংশে যান
ব্যাখ্যাসহ হাদীস

নিষিদ্ধ সাদৃশ্য গ্রহণ

৫টি হাদীস

যার অর্থ: “তোমরা অবশ্যই তোমাদের পূর্ববর্তীদের রীতি-নীতি অনুসরণ করবে, বিঘতে বিঘতে এবং হাতে হাতে ।

عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَتَتَّبِعُنَّ سَنَنَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ، شِبْرًا بِشِبْرٍ، وَذِرَاعًا بِذِرَاعٍ، حَتَّى لَوْ دَخَلُوا فِي جُحْرِ ضَبٍّ لَاتَّبَعْتُمُوهُمْ» قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللهِ آلْيَهُودَ وَالنَّصَارَى؟ قَالَ: «فَمَنْ؟».
আবু সাঈদ আল-খুদরী রদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: যার অর্থ: “তোমরা অবশ্যই তোমাদের পূর্ববর্তীদের রীতি-নীতি অনুসরণ করবে, বিঘতে বিঘতে এবং হাতে হাতে । এমনকি তারা যদি গুইসাপের গর্তেও প্রবেশ করে, তবে তোমরাও সেখানে প্রবেশ করবে।” আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! ইয়াহূদী ও নাসারাদের? তিনি বললেন: তবে আর কারা?”।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমমানসহীহ
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে জানাচ্ছেন যে, তার পরবর্তী সময়ে তার উম্মাতের কিছু মানুষের অবস্থা কেমন হবে। যেমন: ইহুদী ও খ্রিস্টানদের বিশ্বাস, কাজ, রীতিনীতি এবং ঐতিহ্যের ক্ষেত্রে তারা তাদেরকে অনুসরণ করবে, আর তা হবে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে, প্রতিটি বিঘতে বিঘতে এবং হাতে হাতে , এমনকি যদি তারা গুইসাপের গর্তে প্রবেশ করে তবে এরাও তাদের পিছনে পিছনে সেখানে প্রবেশ করবে।

শিক্ষা
  1. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুয়তের আলামতসমূহের মধ্যে এটি একটি আলামত যে, তিনি এগুলো ঘটার আগে সংবাদ দিয়েছেন, পরবর্তীতে তিনি যেভাবে সংবাদ দিয়েছেন, ঠিক সেভাবেই তা ঘটেছে।
  2. কাফিরদের সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ করা মুসলিমদের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে, হোক তা আকীদা (বিশ্বাস বিষয়ক), ইবাদাত, অনুষ্ঠান অথবা তাদের সাথে নির্দিষ্ট কোন পোষাক পরিধান বিষয়ক।
  3. ইসলামের শিক্ষাদান পদ্ধতির একটি অন্যতম পদ্ধতি হচ্ছে অপ্রকাশ্য মর্ম উপলব্ধির বিষয়গুলোকে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বিষয়ের সাথে উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা।
  4. গুইসাপ: একটি প্রাণী যার গর্ত অত্যন্ত অন্ধকার ও দুর্গন্ধবিশিষ্ট।এটি একটি সরীসৃপ যেটি মরুভূমিতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়, গুইসাপের সাথে নির্দিষ্ট করার কারণ হচ্ছে: এর সংকীর্ণতা এবং নিকৃষ্টতা। এছাড়াও এ কারণে যে, তারা তাদের পথ অনুসরণ করতে থাকে এমনভাবে যে, যদি তারা এমন নিকৃষ্ট সংকীর্ণ স্থানেও প্রবেশ করে তবুও তারা তাদের সাথে একমত হবে! (এ রকম হওয়া থেকে আমরা) আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাই!
সূত্র

صحيح البخاري (9/ 103) (7320). صحيح مسلم (4/ 2054) (2669). الجديد في شرح كتاب التوحيد، لمحمد القرعاوي (ص213). الملخص في شرح كتاب التوحيد، لصالح الفوزان (ص193).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

“যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের অনুসরণ-অনুকরণ করবে, সে তাদের দলভুক্ত হবে।”

عن ابنِ عُمَرَ رضي الله عنهما قال: قال رسولُ الله صلَّى الله عليه وسلم: «مَن تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ».
ইবনু ‘উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের অনুসরণ-অনুকরণ করবে, সে তাদের দলভুক্ত হবে।”
এটি আবু দাউদ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।মানহাসান
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে সংবাদ দিয়েছেন যে, যে ব্যক্তি কোন কাফির অথবা ফাসিক অথবা নেককার সম্প্রদায়ের অনুসরণ-অনুকরণ করবে- আর তা হলো তাদের আক্বীদা অথবা ইবাদত অথবা চাল-চলন ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য ধারণ করবে, সে তাদের দলভুক্ত হবে। কেননা বাহ্যিক অনুকরণ মূলত অভ্যন্তরীণ ও মনের অনুসরণ-অনুকরণে পৌঁছে দেয়। নি:সন্দেহে কোন সম্প্রদায়ের অনুসরণ তাদের প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার কারণে হয়ে থাকে। কখনও কখনও তা তাদের প্রতি ভালোবাসা, তাদেরকে সম্মান করা এবং তাদের প্রতি ঝুঁকে যাওয়া পর্যন্ত হয়ে থাকে। আর এসব বাহ্যিক অনুসরণ ব্যক্তিকে অভ্যন্তরীণ ও ইবাদতের দিকে নিয়ে যায়। আল্লাহর কাছে এসব থেকে পানাহ চাই।

শিক্ষা
  1. কাফির ও ফাসিকের অনুসরণ-অনুকরণ করতে হুশিয়ার করা হয়েছে।
  2. সৎ লোকদের সাদৃশ্য পোষণ ও তাদের অনুসরণ করতে উৎসাহিত করা হয়েছে।
  3. কখনো কখনো বাহ্যিক অনুসরণ অন্তরের ভালোবাসা সৃষ্টি করে।
  4. নিছক বাহ্যিক অনুসরণ-অনুকরণ ও এ ধরনের কাজের কারণে মানুষ শাস্তির উপযুক্ত ও গুনাহগার হয়ে থাকে।
  5. কাফিরদের দ্বীন ও তাদের নিজস্ব কৃষ্টি-কালচার ও প্রথার অনুসরণ করা নিষেধ। তবে উপরোক্ত বিষয় না হয়ে যদি ভিন্ন কিছু হয়, যেমন শিল্প ইত্যাদি তাদের থেকে শিক্ষা লাভ করা হয়, তবে তা নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়।
সূত্র

سنن أبي داود (6/ 144) (4031). مسند أحمد (9/ 126) (5115). توضيح الأحكام من بلوغ المرام، للبسام (7/ 363). منحة العلام في شرح بلوغ المرام، لعبد الله الفوزان (10/ 157). فتح ذي الجلال والاكرام بشرح بلوغ المرام، لابن عثيمين (6/ 335). مشكاة المصابيح، للتبريزي (2/ 1246).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেসব পুরুষকে অভিসম্পাত করেছেন যারা নারীর অনুরূপ পোশাক পরিধান করে এবং সেসব নারীকে অভিসম্পাত করেছেন যারা পুরুষের অনুরূপ পোশাক পরিধান করে।

عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم الرجل يلبس لِبْسَةَ المرأة، والمرأة تلبس لِبْسَةَ الرجل.
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেসব পুরুষকে অভিসম্পাত করেছেন যারা নারীর অনুরূপ পোশাক পরিধান করে এবং সেসব নারীকে অভিসম্পাত করেছেন যারা পুরুষের অনুরূপ পোশাক পরিধান করে।
হাদীসটি নাসায়ী তার সুনানুল কুবরাতে, ইবনে মাজাহ ভাবার্থে এবং ইমাম আহমাদ বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীদের সাথে খাস পোশাকে সাদৃশ্য গ্রহণকারী পুরুষকে আল্লাহর রহমত থেকে বহিষ্কার ও নির্বাসনের দোয়া করেছেন, হোক সেটি চেহারা, রঙ, ভঙ্গি, পোশাক-আশাক, সাজসজ্জা, অথবা অন্য কিছুতে। অথবা একজন মহিলা পুরুষের সাথে খাস পোশাকে পুরুষের অনুকরণ করা, যা একটি মহাপাপ।

শিক্ষা
  1. আল-শাওকানী বলেন: নারীদের জন্য পুরুষদের সাদৃশ্য গ্রহণ করা এবং পুরুষদের জন্য নারীদের সাদৃশ্য গ্রহণ করা হারাম। কারণ অভিশাপ হারাম কর্মের জন্য হয়।
  2. ইবনু উসাইমিন বলেন: যা তাদের মাঝে উভয় শ্রেণিই পরিধান করে, যেমন কিছু টি-শার্ট যা পুরুষ এবং মহিলারা পরে, তাহলে তাতে কোনও দোষ নেই, অর্থাৎ পুরুষ ও মহিলারা এটি পরলে কোনও দোষ নেই। কারণ এটি উভয়ের মাঝে ভাগ করা।
সূত্র

سنن أبي داود (6/ 195) (4098). السنن الكبرى للنسائي (8/ 297) (9209). سنن ابن ماجه (3/ 95) (1903). مسند أحمد (14/ 61) (8309). نزهة المتقين، لمجموعة من الباحثين (2/ 1122). كنوز رياض الصالحين، لمجموعة من الباحثين (19/ 337). بهجة الناظرين، لسليم الهلالي (3/ 150). شرح رياض الصالحين، لابن عثيمين (6/ 370).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

ইয়াহূদী ও খৃস্টানরা (দাঁড়ি ও চুলে) রং লাগায় না। অতএব তোমরা (রং লাগিয়ে) তাদের বিপরীত কাজ করো।

عن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «إن اليهود والنصارى لا يصبغون، فخالفوهم».
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ইয়াহূদী ও খৃস্টানরা (দাঁড়ি ও চুলে) রং লাগায় না। অতএব তোমরা (রং লাগিয়ে) তাদের বিপরীত কাজ করো।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে বলেছেন, “ইয়াহূদী ও খৃস্টানরা তাদের চুল ও দাঁড়িতে রং লাগায় না; বরং তারা তা সাদা রেখে দেয়। তাই তিনি চুলে রং লাগাতে ও দাঁড়ি ও মাথায় রং লাগিয়ে তাদের বিপরীত কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

সূত্র

نزهة المتقين، تأليف: جمعٌ من المشايخ، الناشر: مؤسسة الرسالة، الطبعة الأولى: 1397 هـ الطبعة الرابعة عشر 1407 ه.ـ صحيح مسلم، تأليف: مسلم بن الحجاج النيسابوري، تحقيق: محمد فؤاد عبد الباقي الناشر: دار إحياء التراث العربي – بيروت. رياض الصالحين، تأليف: محيي الدين يحيى بن شرف النووي ، تحقيق: د. ماهر بن ياسين الفحل ، الطبعة: الأولى، 1428 هـ. صحيح البخاري، تأليف: محمد بن إسماعيل البخاري، تحقيق: محمد زهير الناصر، الناشر: دار طوق النجاة الطبعة: الأولى، 1422هــ.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

আমাকে মসজিদসমূহ মজবুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়নি।

عن ابن عباس رضي الله عنهما ، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : «ما أُمِرْتُ بِتَشْيِيد المساجد»، قال ابن عباس: لتُزَخْرِفُنَّها كما زَخْرَفَت اليهود والنصارى.
ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আমাকে মসজিদসমূহ মজবুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়নি”। ইবন আব্বাস বলেন, তুমি তা সাজাবে যেমনিভাবে ইয়াহুদ ও খৃষ্টানরা সাজিয়েছিল।
এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

মসজিদ মজবুত করা উদ্দেশ্য হলো, ভবন উঁচা করে নির্মাণ করা যেমনটি বলেছেন আল্লামা বগোবী। মসজিদ মজবুত করা এবং কোন প্রকার সাজানো, চারুকলা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্য ছাড়া এমনভাবে নির্মাণ করা যাতে নির্মাণ কাজটি শক্তিশালী হয়, তা মাকরুহ হবে না। যদি তাতে কোন লৌকিকতা, অহংকার করা এবং সুনাম অর্জন করার উদ্দেশ্য না থাকে। কারণ, উসমান ইবন আফ্ফান এর হাদীসে বর্ণিত: যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য একটি ঘর নির্মাণ করে আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতে তার জন্য অনুরূপ একটি ঘর নির্মাণ করবেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ ছিল ইট দ্বারা নির্মিত। আর তার ছাদ ছিল খেজুরের ডালে এবং খুটি ছিল খেজুরের কাঠের। আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাতে কোন বাড়াননি। আর যখন উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর যুগে তার কাট ও ডাল নষ্ট হয়ে যায় তখন তিনি তা প্রথম নির্মাণের ওপর পুণঃ নির্মাণ করেন এবং তাতে তিনি সামান্য বাড়ান। আর যখন উসমানের যুগ এলো তখন তিনি অনেক বেশি বাড়ান। তিনি মসজিদের দেয়ালসমূহ পাথর ও চুন দ্বারা নির্মাণ করেন। তার খুটিসমূহ পাথর দ্বারা এবং তার ছাদ ছিল ডালাই। ফলে তিনি তার মধ্যে এমন কিছু প্রবেশ করান যা মসজিদকে শক্তিশালী করে; রংচং করা বুঝা যায় না। তিনি যা করেছেন রংচং ও সজ্জিত করা ছাড়া মসজিদকে শক্তিশালী ও চুন কর্ম করাই ছিল উদ্দেশ্য। আর নকশা বিশিষ্ট পাথর স্থাপন করা তার কর্ম ছিল না বরং পাথরগুলো নকশা বিশিষ্টই পাওয়া গিয়েছিল। সাহাবীদের মধ্য থেকে যারা অস্বীকার করছিল, তাদের কাছে এমন কোন দলীল ছিল না যা নিষিদ্ধ হওয়াকে প্রমাণ করে বরং সে দলীলগুলো শুধু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু মসজিদ নির্মাণে যা করেছেন তার অনুসরণ করা ও বিলাশিতা ছেড়ে দেওয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান করে। এটি মসজিদ মজবুত করার নিষেধাজ্ঞা ও তা মাকরুহ হওয়াকে দাবি করে না।

সূত্র

السنن، لأبي داود سليمان بن الأشعث أبو داود السجستاني الأزدي، دار الفكر، تحقيق : محمد محيي الدين عبد الحميد. مشكاة المصابيح للتبريزي، تحقيق: محمد ناصر الدين الألباني، ط3، المكتب الإسلامي، بيروت، 1985م. توضيح الأحكام من بلوغ المرام، لعبدالله بن عبد الرحمن البسام ، مكتبة الأسدي، مكة ، ط الخامسة 1423هـ. منحة العلام في شرح بلوغ المرام، تأليف: عبد الله بن صالح الفوزان، ط 1، 1427هـ، دار ابن الجوزي، الرياض .

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

এখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com