মূল অংশে যান
ব্যাখ্যাসহ হাদীস

আহলে বাইতের ফযীলত

৪টি হাদীস

আল-হাসান এবং আল-হুসাইন হলেন জান্নাতবাসী যুবকদের সরদার”।

عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الحَسَن والحُسَيْن سَيِّدا شَباب أهْل الجنة».
আবু সাঈদ আল-খুদরী রদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "আল-হাসান এবং আল-হুসাইন হলেন জান্নাতবাসী যুবকদের সরদার”।
এটি তিরিমিযী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিচ্ছেন যে, তার দু’জন নাতী আলী ইবনু আবু তালিব ও ফাতিমা বিনতে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ছেলে হাসান ও হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুম দু’জনই ফযীলতের দিক থেকে যারা যুবক অবস্থায় মারা যাবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের সরদার হবে, অথবা তারা উভয় নবী ও রাশেদ খলীফা বাদে জান্নাতের সব যুবকের সরদার হবে।

শিক্ষা
  1. এতে হাসান ও হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুমার স্পষ্ট ফজিলত রয়েছে।
  2. হাদীসের আরও অর্থ করা হয়েছে: তারা হাদীস বলার সময় যুবকদের মধ্য হতে যারা জান্নাতী তাদের সরদার, অথবা তারা দু’জন যাদের জন্য সাধারণ ফজিলত প্রমাণিত হয়নি যেমন নবী ও খলীফাগণ তাদের সরদার, অথবা তারা তাদের সরদার যারা যৌবন এবং পুরুষত্বের গুণাবলীর অধিকারী, যেমন বীরত্ব, উদারতা এবং সাহস। যুবক দ্বারা যৌবনের বয়সকে নির্দেশ করা হয়নি; কারণ হাসান এবং হুসাইন উভয়ই বৃদ্ধ বয়সে মারা গেছেন।
সূত্র

سنن الترمذي (6/ 113) (3768). مسند أحمد (17/ 31) (10999). حاشية السندي على سنن ابن ماجه، محمد بن عبد الهادي التتوي (1/ 56). تحفة الأحوذي بشرح جامع الترمذي، محمد المباركفوري (10/ 178). المصباح المنير في غريب الشرح الكبير، لأحمد الفيومي (1/ 294).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

তোমরা এর দিকে লক্ষ্য করো। সে আমাকে মশার রক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছে; অথচ তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সন্তান (হুসাইন রাদিয়াল্লাহু `আনহু) কে হত্যা করেছে। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, “ওরা দু’জন (হাসান ও হুসাইন) পৃথিবীতে আমার দু’টি সুগন্ধি ফুল।”

عن ابن أبي نعم، قال: كنتُ شاهدا لابن عمر، وسأله رجل عن دم البَعُوض، فقال: ممن أنت؟ فقال: من أهل العراق، قال: انظروا إلى هذا، يسألني عن دم البَعُوض، وقد قتلوا ابن النبي صلى الله عليه وسلم، وسمعتُ النبي صلى الله عليه وسلم يقول: «هما رَيْحَانَتاي من الدنيا».
ইবন আবূ নু‘আম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবন উমারের কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন তার কাছে একলোক মশার রক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলো। তিনি বললেন, কোন দেশের লোক তুমি? সে বলল, আমি ইরাকের অধিবাসী। তিনি বললেন, তোমরা এর দিকে লক্ষ্য করো। সে আমাকে মশার রক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছে; অথচ তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সন্তান (হুসাইন রাদিয়াল্লাহু `আনহু) কে হত্যা করেছে। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, “ওরা দু’জন (হাসান ও হুসাইন) পৃথিবীতে আমার দু’টি সুগন্ধি ফুল।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

ইরাকের একলোক ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু `আনহুমার কাছে জিজ্ঞাসা করলেন, মুহরিম অবস্থায় কারো জন্য ক্ষতিকারক ছোট প্রাণি যেমন মশা হত্যা করা কি বৈধ? অতিশয় ক্ষুদ্র বিষয়ে লোকটির গুরুত্ব দেওয়ায় তিনি আশ্চর্য হলেন; যদিও এরচেয়ে মারাত্মক ব্যাপারে তারা জড়িত। তিনি বললেন, “তোমরা এ লোকটির দিকে লক্ষ্য করো। সে আমাকে মশার রক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছে; অথচ তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সন্তানকে হত্যা করেছে।” অর্থাৎ তারা চির নিষিদ্ধ হারাম কাজে জড়িত, তারা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দৈহিত্রকে হত্যা করেছে। এরপরেও তারা হজের ব্যাপারে নিজেদের পরিপূর্ণ তাকওয়া ও আল্লাহভীতি দেখাতে চায়! ফলে তারা (ইহরাম অবস্থায়) মশা হত্যা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। অতঃপর তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, “ওরা দু’জন (হাসান ও হুসাইন) পৃথিবীতে দু’টি সুগন্ধি ফুল।” অর্থাৎ তারা আমার সন্তান, আমি তাদের ঘ্রাণ নেই, তাদেরকে চুম্বন করি। তারা যেন পবিত্র সুগন্ধি, মানুষ যার সুঘ্রাণ গ্রহণ করে।

সূত্র

صحيح البخاري، محمد بن إسماعيل البخاري الجعفي، تحقيق: محمد زهير الناصر، دار طوق النجاة (مصورة عن السلطانية بإضافة ترقيم: محمد فؤاد عبد الباقي)، الطبعة: الأولى 1422هـ. الإفصاح عن معاني الصحاح، يحيى بن هبيرة الذهلي الشيباني، تحقيق: فؤاد عبد المنعم أحمد، الناشر: دار الوطن، سنة النشر: 1417هـ. منار القاري شرح مختصر صحيح البخاري، حمزة محمد قاسم، راجعه: عبد القادر الأرناؤوط، عني بتصحيحه ونشره: بشير محمد عيون، الناشر: مكتبة دار البيان، دمشق، مكتبة المؤيد، الطائف، الطبعة: 1410هـ، 1990م. معجم اللغة العربية المعاصرة، أحمد مختار عبد الحميد عمر بمساعدة فريق عمل، الناشر: عالم الكتب، الطبعة: الأولى 1429هـ، 2008م.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন হাসানকে নিয়ে বের হলেন। অতঃপর তাকে নিয়ে মিম্বরে উঠলেন এবং বললেন, “আমার এ সন্তান নেতা। সম্ভবত তাঁর মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা মুসলিমদের দু’টি দলের মধ্যে মীমাংসা করাবেন।

عن أبي بكرة رضي الله عنه قال: أخرج النبي صلى الله عليه وسلم ذات يوم الحسن، فصعد به على المنبر، فقال: «ابني هذا سيِّد، ولعلَّ اللهَ أن يُصلحَ به بين فئتين من المسلمين».
আবূ বাকরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন হাসানকে নিয়ে বের হলেন। অতপর তাকে নিয়ে মিম্বরে উঠলেন এবং বললেন, “আমার এ সন্তান নেতা। সম্ভবত তাঁর মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা মুসলিমদের দু’টি দলের মধ্যে মীমাংসা করাবেন।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।মানসহীহ
ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন হাসানকে নিয়ে মসজিদের পানে বের হলেন। তখন সে (হাসান) খুব ছোট ছিলেন। অতঃপর তাকে নিয়ে মসজিদের মিম্বরে উঠলেন এবং লোকদেরকে এ সংবাদ দিলেন যে, তাঁর সন্তান হাসান নেতা, সম্মানিত ঔরশের ও মর্যাদাবান বংশের। পৃথিবীর বুকে সর্বোৎকৃষ্ট সম্মানিত ঘরে যার বংশমূল। তাঁর মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা বিবাদ ও যুদ্ধরত মুসলিমদের দু’টি দলের মধ্যে মীমাংসা করাবেন। ফলে আল্লাহ তাঁর দ্বারা দু’টি জামা‘আতকে একত্রিত করাবেন। এভাবে তাঁর দ্বারা মুসলিমদের ঐক্যকে সুসংহত করবেন। নিঃসন্দেহে এ হাদীস শরীফে রয়েছে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়াতের প্রমাণ। যেহেতু নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সম্মানিত নেতা হাসান ইবন ‘আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সম্পর্কে ভবিষ্যৎ বাণী করেছেন যে, আল্লাহ তার দ্বারা মুসলিমদের কালিমা একত্রিত করাবেন, তাদের মধ্যে সংশোধন করাবেন এবং দু’দলের মতানৈক্য দূরীভুত করাবেন। আর বাস্তবেই তা হয়েছিল নিজে খিলাফাত থেকে পদত্যাগ করে মু‘আবিয়া রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর জন্য খিলাফাত ছেড়ে দেওয়ার মাধ্যমে। যার ফলে মুসলিমদের ঐক্য সুসংহত হয়েছে ও তাদের মধ্যে রক্তপাত বন্ধ হয়েছে। আর তা ছিলো ৪০অথবা ৪১ হিজরীতে।

সূত্র

صحيح البخاري، محمد بن إسماعيل البخاري الجعفي، تحقيق: محمد زهير الناصر، دار طوق النجاة (مصورة عن السلطانية بإضافة ترقيم: محمد فؤاد عبد الباقي)، الطبعة: الأولى 1422هـ. كشف المشكل من حديث الصحيحين، جمال الدين أبو الفرج عبد الرحمن بن الجوزي، تحقيق: علي حسين البواب، الناشر: دار الوطن، الرياض. منار القاري شرح مختصر صحيح البخاري، حمزة محمد قاسم، راجعه: عبد القادر الأرناؤوط، عني بتصحيحه ونشره: بشير محمد عيون، الناشر: مكتبة دار البيان، دمشق، مكتبة المؤيد، الطائف، الطبعة: 1410هـ، 1990م. شرح صحيح البخاري لابن بطال، تحقيق: أبي تميم ياسر بن إبراهيم، نشر: مكتبة الرشد، الرياض، السعودية، الطبعة: الثانية 1423هـ، 2003م.

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

“কোন মুসলিমের ওপর মুসীবাত আসলে যদি সে বলেঃ আল্লাহ যা হুকুম করেছেন- "{إِنَّا لِلهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ} [البقرة: 156] (অর্থাৎ- আমরা আল্লাহরই জন্যে এবং তারই কাছে ফিরে যাব) বলে এবং এ দু’আ পাঠ করে- اللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي، وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমাকে আমার মুসীবাতে সাওয়াব দান কর এবং এর বিনিময়ে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান কর, তবে মহান আল্লাহ তাকে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান করে থাকেন।)

عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ أُمِّ المؤْمنينَ رَضيَ اللهُ عنها أَنَّهَا قَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَا مِنْ مُسْلِمٍ تُصِيبُهُ مُصِيبَةٌ فَيَقُولُ مَا أَمَرَهُ اللهُ: {إِنَّا لِلهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ} [البقرة: 156]، اللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي، وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا، إِلَّا أَخْلَفَ اللهُ لَهُ خَيْرًا مِنْهَا»، قَالَتْ: فَلَمَّا مَاتَ أَبُو سَلَمَةَ قُلْتُ: أَيُّ الْمُسْلِمِينَ خَيْرٌ مِنْ أَبِي سَلَمَةَ؟ أَوَّلُ بَيْتٍ هَاجَرَ إِلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ إِنِّي قُلْتُهَا، فَأَخْلَفَ اللهُ لِي رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم.
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত; তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “কোন মুসলিমের ওপর মুসীবাত আসলে যদি সে বলেঃ আল্লাহ যা হুকুম করেছেন- "{إِنَّا لِلهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ} [البقرة: 156] (অর্থাৎ- আমরা আল্লাহরই জন্যে এবং তারই কাছে ফিরে যাব) বলে এবং এ দু’আ পাঠ করে- اللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي، وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমাকে আমার মুসীবাতে সাওয়াব দান কর এবং এর বিনিময়ে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান কর, তবে মহান আল্লাহ তাকে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান করে থাকেন।)। উম্মু সালামাহ্ বলেন, এরপর যখন আবূ সালামাহ ইনতিকাল করেন, আমি মনে মনে ভাবলাম, কোন মুসলিম আবূ সালামাহ থেকে উত্তম? তিনি সর্বপ্রথম ব্যক্তি, যিনি হিজরত করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট পৌঁছে গেছেন। এতদসত্ত্বেও আমি এ দু’আগুলো পাঠ করলাম। এরপর মহান আল্লাহ আবূ সালামার স্থলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মতো স্বামী দান করেছেন।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনমানসহীহ
ব্যাখ্যা

মুমিনদের মা উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একবার বলতে শুনেছেন: এমন কোন মুসলিম নেই যে বিপদে পড়ে এবং আল্লাহ যা আদেশ করেছেন তা বলে: {إِنَّا لِلهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ} [البقرة: 156] (অর্থাৎ- আমরা আল্লাহরই জন্যে এবং তারই কাছে ফিরে যাব) হে আল্লাহ, এই মুসিবতে আমার সবর করার সাওয়াব দান করুন এবং তার চেয়ে ভালো আমাকে বিনিময় হিসাবে দান করুন, তবে অবশ্যই আল্লাহ তাকে উত্তম বস্তু দান করবেন। তিনি বললেন: যখন আবু সালামাহ মারা গেলেন, আমি বললাম: মুসলিমদের মধ্যে আবু সালামাহর চেয়ে উত্তম কে?! প্রথম ঘর যা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে হিজরত করেছিল, তারপর আল্লাহ আমাকে সাহায্য করেছিলেন এবং আমি তা বলেছিলাম, তাই আল্লাহ আমাকে আবু সালামার চেয়ে উত্তম আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দিয়ে প্রতিস্থাপন করলেন।

শিক্ষা
  1. বিপদের সময় ধৈর্য ধারণ করার এবং অধৈর্য না হওয়ার নির্দেশ।
  2. বিপদের সময় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা; কারণ তার কাছেই ক্ষতিপূরণ আছে।
  3. একজন মুমিনের জন্য নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদেশ মেনে চলার প্রয়োজনীয়তা, যদিও তার আদেশের পিছনের হিকমত তার কাছে স্পষ্ট না হয়।
  4. মুমিনের সকল কল্যাণ নিহিত আছে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদেশ মেনে চলার মধ্যেই।
সূত্র

صحيح مسلم (2/ 631) (918).

HadeethEnc.com-এ এই হাদীস

এখানকার প্রতিটি হাদীস, মান, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা HadeethEnc.com যেভাবে প্রকাশ করে হুবহু সেভাবেই দেখানো, তাদের পুনঃপ্রকাশের শর্ত মেনে। মানের সঙ্গে মান-নির্ধারকের নাম নেই। অনুবাদ ও ব্যাখ্যা এর লেখকদের নিজস্ব, এবং কোনো কোনোটিতে বিধান বলা আছে; সাবীলের পর্যালোচকেরা এগুলো যাচাই করেননি। আরবি হাদীসটিই মূল পাঠ। উৎস: HadeethEnc.com