নং ৩৯০০অধ্যায় ৬৩, নং ১২৫
وَحَدَّثَنِي الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، قَالَ زُرْتُ عَائِشَةَ مَعَ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ اللَّيْثِيِّ فَسَأَلْنَاهَا عَنِ الْهِجْرَةِ، فَقَالَتْ لاَ هِجْرَةَ الْيَوْمَ، كَانَ الْمُؤْمِنُونَ يَفِرُّ أَحَدُهُمْ بِدِينِهِ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى وَإِلَى رَسُولِهِ صلى الله عليه وسلم مَخَافَةَ أَنْ يُفْتَنَ عَلَيْهِ، فَأَمَّا الْيَوْمَ فَقَدْ أَظْهَرَ اللَّهُ الإِسْلاَمَ، وَالْيَوْمَ يَعْبُدُ رَبَّهُ حَيْثُ شَاءَ، وَلَكِنْ جِهَادٌ وَنِيَّةٌ.
আওযায়ী ... ‘আতা (রহ.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি ইবায়দ ইবনু উমায়র লাইসী (রাঃ)-এর সঙ্গে ‘আয়িশাহ (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করলাম। তারপর তাঁকে হিজরাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, এখন হিজরাতের কোন প্রয়োজন নেই। অতীতে মু’মিনদের কেউ তার দ্বীনের জন্য তার প্রতি ফিতনার ভয়ে আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের দিকে হিজরাত করতেন আর আজ আল্লাহ্ ইসলামকে বিজয়ী করেছেন। এখন কোন মু’মিন তার রবের ইবাদত যেখানে ইচ্ছা করতে পারে। তবে এখন আছে জিহাদ ও নিয়্যাত। (৩০৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬১২/৩৬১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।