নং ২২৪৪অধ্যায় ৩৫, নং ৭
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، حَدَّثَنَا الشَّيْبَانِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْمُجَالِدِ، قَالَ بَعَثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَدَّادٍ وَأَبُو بُرْدَةَ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى ـ رضى الله عنهما ـ فَقَالاَ سَلْهُ هَلْ كَانَ أَصْحَابُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يُسْلِفُونَ فِي الْحِنْطَةِ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ كُنَّا نُسْلِفُ نَبِيطَ أَهْلِ الشَّأْمِ فِي الْحِنْطَةِ، وَالشَّعِيرِ، وَالزَّيْتِ، فِي كَيْلٍ مَعْلُومٍ، إِلَى أَجَلٍ مَعْلُومٍ. قُلْتُ إِلَى مَنْ كَانَ أَصْلُهُ عِنْدَهُ قَالَ مَا كُنَّا نَسْأَلُهُمْ عَنْ ذَلِكَ. ثُمَّ بَعَثَانِي إِلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ كَانَ أَصْحَابُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يُسْلِفُونَ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ نَسْأَلْهُمْ أَلَهُمْ حَرْثٌ أَمْ لاَ
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ মুজালিদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু শাদ্দাদ ও আবূ বুরদাহ (রহ.) আমাকে ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ ‘আওফা (রাঃ)-এর কাছে পাঠান। তাঁরা বললেন যে, (তুমি গিয়ে) তাঁকে জিজ্ঞেস কর, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে সাহাবায়ে কিরাম গম বিক্রয়ে কি সলম (পদ্ধতি গ্রহণ) করতেন? ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আমরা সিরিয়ার লোকদের সঙ্গে গম, যব ও কিসমিস নির্দিষ্ট মাপে ও নির্দিষ্ট মেয়াদে সলম করতাম। আমি বললাম, যার কাছে এসবের মূল বস্তু থাকত তার সঙ্গে? তিনি বললেন, আমরা এ সম্পর্কে তাদের জিজ্ঞেস করিনি। তারপর তাঁরা দু’জনে আমাকে আবদুর রহমান ইবনু আবযা (রাঃ)-এর কাছে পাঠালেন এবং আমি তাঁকে (এ ব্যাপারে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে সাহাবীগণ সলম করতেন, কিন্তু তাদেরকে জিজ্ঞেস করতেন না যে, তাঁদের কাছে মূল বস্তু মওজুদ আছে কি-না। (২২৪২, ২২৪৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১০৩) মুহাম্মাদ ইবনু আবূ মুজালিদ (রহ.) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, আমরা তাঁদের সঙ্গে গম ও যবে সলম করতাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১০৪) শায়বানী (রহ.) হতে বর্ণিত যে, রাবী বলেন, গম, যব ও ও কিসমিসের (সলম করতেন)। ‘আবদুল্লাহ ইবনুল ওয়ালীদ (রহ.) সুফিয়ান (রহ.) সূত্রে শায়বানী (রহ.)-এর বর্ণনায় রয়েছে ‘‘এবং যায়তুনে’’। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
এই বর্ণনার কোনো মান উৎসে উল্লেখ নেই।