নং ১৯৮৭অধ্যায় ১১, নং ২৬৭
حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، عَنِ ابْنِ أَبِي زَائِدَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ وَاللَّهِ مَا أَعْمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَائِشَةَ فِي ذِي الْحِجَّةِ إِلاَّ لِيَقْطَعَ بِذَلِكَ أَمْرَ أَهْلِ الشِّرْكِ فَإِنَّ هَذَا الْحَىَّ مِنْ قُرَيْشٍ وَمَنْ دَانَ دِينَهُمْ كَانُوا يَقُولُونَ إِذَا عَفَا الْوَبَرْ وَبَرَأَ الدَّبَرْ وَدَخَلَ صَفَرْ فَقَدْ حَلَّتِ الْعُمْرَةُ لِمَنِ اعْتَمَرْ . فَكَانُوا يُحَرِّمُونَ الْعُمْرَةَ حَتَّى يَنْسَلِخَ ذُو الْحِجَّةِ وَالْمُحَرَّمُ .
। আবূ বাকর ইবনু ‘আব্দুর রহমান (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মারওয়ানের যে দূতকে উম্মু মা‘কিলের নিকট প্রেরণ করা হয়, তিনি আমাকে জানিয়েছেন, উম্মু মা‘কিল (রাযি.) বলেছেন, আবূ মা‘কিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে হজ (হজ্জ) গমনের ইচ্ছা করেছিলেন। তিনি ঘরে এলে উম্মু মা‘কিল (রাযি.) বললেন, আমি অবগত হয়েছি, আমার উপরও হজ (হজ্জ) ফরয হয়েছে। সুতরাং তারা (স্বামী-স্ত্রী) উভয়ে পদব্রজে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হলেন। উম্মু মা‘কিল বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার উপর হজ (হজ্জ) ফরয হয়েছে। আর আবূ মা‘কিলের নিকট একটি উষ্ট্রী আছে। আবূ মা‘কিল (রাযি.) বললেন, সে সত্যই বলেছে, কিন্তু আমি তো সেটি আল্লাহর পথে যুদ্ধের কাজে সাদাকাহ করেছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি এটা তাকে দিয়ে দাও, সে হজ (হজ্জ) করে আসুক। কেননা এটাও আল্লাহর পথ। নির্দেশ মোতাবেক তিনি উষ্ট্রীটি তাকে দিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো বৃদ্ধ মহিলা এবং অসুস্থ। সুতরাং এমন কোনো কাজ আছে কি যা আমার হজের (হজ্জের) বিকল্প হবে? তিনি বললেনঃ রমাযান মাসের ‘উমরা তোমার হজের (হজ্জের) জন্য যথেষ্ট।[1] হাসান।
উৎসে উল্লিখিত মান
- HasanAl-Albani
- HasanMuhammad Muhyi Al-Din Abdul Hamid
- HasanZubair Ali Zai